somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শৈশবের দিনগুলি।

২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :






আমার শৈশব কেটেছে খুব আনন্দে, তখন মনে হত এত শাসন কেন ? এখন বুঝি কতটা মমতা জড়িয়ে ছিল এ শাসনের পিছনে। আমার বাবা হচ্ছেন খুব অদ্ভুত মানুষ, তাঁর আদর আমরা তখন বুঝতে পারি নাই শুধু শাসন চোখে পড়েছিল। তিনি আমাদের শৈশব আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছিলেন তবে একটু অন্যভাবে।

আমার মা বাবা আমাদের জন্য সব সময় এডভেঞ্চার এর ব্যবস্থা করে রাখতেন।

আমরা ৪ ভাই বোনের জন্ম মরুভূমির দেশে তাই স্বাভাবিক ভাবে ঘর ছিল শীততাপ নিয়ন্ত্রিত, এর জন্য প্রত্যেক রুমের মাঝে ছিল ছোট জানালার মত এবং তা ছিল হাতের নাগালের উপরে। উনারা ওখানের কোনটায় রেখে দিতেন মজার কোন বিস্কুট, কোনটায় মজার চকলেট! খেতে ইচ্ছা হল নিয়ে বা চেয়ে খাব সে উপায় ছিল না। আমাদের অনেক কসরত করে এটা সেটা টেনে এনে উপর থেকে নামাতে হত।

আরেকটা মজার জিনিষ ছিল যা খুব মনে পড়ে তা হল খেজুরের পুরো একটা ডাল ঝুলিয়ে দিতেন। আমরা বিছানায় উঠে লাফ দিয়ে খেজুর নেবার ব্যর্থ চেষ্টা করতাম। কয়েক লাফে একটা খেজুর নিতে পারতাম। এমন করে কত কিছু থাকত আমাদের জন্য। একেকবার অনেক চিপস আনতে দেখতাম যা পরে আর একসাথে দেখতে পেতাম না, লুকিয়ে রাখতেন। আর আমরা খুব বুদ্ধি খাটিয়ে বের করে ফেলতাম কিন্তু কোন বাহবা পেতাম না।

একবার কিছু আইসক্রীম নিয়ে এলেন বাবা, দেখতে টেনিস বলের মত। কিন্তু উনি এর সাথে কিছু বল মিশিয়ে আনলেন, এনেই বললেন ধর তোমাদের জন্য আইসক্রীম আর বল। আমরা নিয়েই গাধার মত ছুড়ে মারলাম কোনটা বল আর কোনটা আইসক্রীম বের করার জন্য। টেম্পরেচার দেখার কথা মনেই আসে নাই। ফলাফল আইসক্রীম বের হয়ে সারা ঘর আর আমাদের বড় দুইজনের ঘর মোছা।

দেশ থেকে বাংলা পাঠ্য বই যেত যা আমাদের কাছে ছিল ছড়া আর গল্পের বই। শ্লেট ছিল এর মাঝে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ আমাদের জন্য! সুন্দর করে আমরা এতে আমাদের শিল্পকর্ম ফুটিয়ে তুলতাম...

ফুল ফুটুক বা নাই ফুটুক বসন্ত আসবেই তেমন করে আমি লিখবই কারণ আমার লিখতে ভাল লাগছে !!!
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫১
১৮টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×