চট্টগ্রাম - War Cemetery (1939 - 1945 )
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৮
এ শহরে আছে কখনো জানিনি আগে
ট্যুরিস্ট দুচোখ
বেড়ায় সবুজে;
সমাহিত মাঠে।
এখানে বিশ্বযুদ্ধে নিহত ভিনদেশী সৈনিকদের সমাধি রয়েছে। চট্টগ্রামের সার্সন রোডে চট্টগ্রাম আর্ট কলেজের সাথেই এর অবস্থান।
কিছু ছবি দিলাম কারণ এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে এবং এর পরিবেশ এতই মনোরম যে মানুষ বেড়াতে আসে।
প্রবেশ পথ
দূর ...
দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা বন্ধুরা...
নিরব নিস্তব্ধ...
আছি সাথে ছায়া হয়ে...
ছিলাম, আছি...
স্থব্ধতা বুঝি নেমেছে এখানে
বিরক্ত করো না, ঘুমাতে দাও ...
একান্ত আপন শেষ আশ্রয় ...
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাইফুর বলেছেন:
অনেক ভালো লাগে এলাকাটা
লেখক বলেছেন:
এহেম ! এহেম ! কার সাথে যাও তুমি ?
জলে ভাসা পদ্ম আমি বলেছেন:
যামু একদিন দোয়া রাইখেন
লেখক বলেছেন: শুভ কামনা সবসময় আছে সাথে ... আসেন বেড়াতে।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
ছোটবেলায় ওয়ার সিমেট্রির পাশে যেতাম খেলতে... ভাবতে অবাক লাগে পরের বিশ বছর কখনো
যাওয়া হয়নি, যদিও পাশে দিয়ে গিয়েছি অনেকবার...
লেখক বলেছেন: কেন যাননি ?
লেখক বলেছেন: যাবার ইচ্ছা প্রকাশের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
এমন ছোটখাট ব্যাপার নিয়ে এত হতাশ হবেন না।
জীবন অনেক বড়, কে জানে সুযোগ হয়ে যেতেও পারে।
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আমি সেদিন কিছু প্রেমিক যুগলের ছবি তুলেছি দূর থেকে... আমি বুঝি না কেন তারা এই জায়গাটা বেছে নেয় ?
আপনি কি চট্টগ্রামে থাকেন ?
জেমিনি বলেছেন:
৭৫৫ টি সমাধি রয়েছে এখানে। এই ছবিতে একটি বই দেখতে পাচ্ছেন। এই বই তে প্রায় ৬০০০ নাবিকের নাম আছে যারা ২য় বিশ্ব যুদ্ধের সময় সমুদ্রে শহীদ হয়েছেন।
Commonwealth War Graves Commission বাংলাদেশের যে দুইটি সিমেট্রি আছে তার দেখাশোনা করে।
আরো info জানতে চাইলে আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জেমিনি ...
লেখক বলেছেন: কেমন আছ নিহন ?
লেখক বলেছেন:
কাশি এখনও ভাল হয় নাই তোমার ?? লক্ষণ তো ভাল না .........
একা কেন যেতে, কেউ ছিল না তখন ?
এখন কেন যাওনা ? কেউ কি আছে ?
খুক খুক খুক !!!
রাশেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ শেয়ারের জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ, অনেক দিন পর দেখলাম আপনাকে।
লেখক বলেছেন:
হয়ত কম আসেন কিন্তু ঝড়ের বেগে কমেন্ট করে চলে যান।
ভাল থাকবেন।
নিহন বলেছেন:
নিহন মইরা গেছে ।
লেখক বলেছেন: এমন কথা বোকারাই বলে।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ছবিগুলি সুন্দর কারণ জায়গাটাই সুন্দর আর তোলা হয়েছিল সকালের মিষ্টি রোদে।
অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এটা একটা সমাধি ক্ষেত্র হলেও এর আলাদা একটা নৈঃশব্দ সুন্দর আছে, যা দিয়ে সবাইকে কাছে টানে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু।
রাশেদ বলেছেন:
হা হা!
লেখক বলেছেন: ![]()
জেমিনি বলেছেন:
কবে তুলেছেন ছবি গুলা?? মনে তো হচ্ছে last week এর তোলা !!!!!!
লেখক বলেছেন:
৪ ডিসেম্বর ...
চট্টগ্রামের কোথায় থাকেন আপনি, আমিও কিন্তু এই শহরে থাকি।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
পুরানো স্মৃতি মনে করিয়ে দিলেন। কেমন আছেন? কত যাওয়া হয়েছিলো সে সেমেট্রিতে ............।ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: জানেন, আমি আগে কখনো যাইনি। এই নিয়ে ২ বার তাও কাজেই।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
এক সময় আমার বাসা ছিলো আমিরবাগ এ। সেমেট্রির পিছনে। বিকালে হাঁটতে হাঁটতে ছলে যেতাম।
লেখক বলেছেন: ![]()
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
বহুবার গিয়েছি ওখানে। কুমিল্লার ওয়ার সিমেট্রিতেও গিয়েছি। মন খারাপ হয়ে যায় ওখানে গেলে। একেকটি এপিটাফের মধ্যে আমি একেকটি জীবনের গল্প দেখি। খুব ইচ্ছে ছিলো- সবগুলো এপিটাফের ছবি তুলবো। হয়নি। আপনার ছবিগুলো দেখে সেই না-হওয়ার কষ্টটা মনে পড়ে গেল।বাই দা ওয়ে- আপনার ছবিগুলো অসাধারণ সুন্দর হয়েছে। শিরোনামগুলোও দুর্দান্ত। আপনার কাছে এরকম ছবি আরো আছে?
লেখক বলেছেন: আছে ... অনেক ছবি তুলেছি। এখানে এত ছবি দেওয়া সম্ভব না।
খোলা_আকাশ বলেছেন:
জায়গাটা চট্টগ্রাম শহরের কোন এলাকায়?
লেখক বলেছেন: আমি যা জানি তা হল সার্সন রোড, এর কাছেই আর্ট কলেজ। আপনি যেতে চাইলে "আরিফ থেকে আনা" এর সাথে কথা বলে দেখতে পারেন। দেখতে পাচ্ছি এর খুব কাছেই উনার ঘর। জেমিনি অনেক কিছু জানে এই সিমেট্রি নিয়ে।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+
ভাগ্যক্রমে এ বেলায় গিয়েছিলাম সেই ঘুমন্ত নগরীতে। নিস্তব্ধ ভঙ্গিমায় চেয়ে থাকা সিমেট্টিতে চোখ ফেলতে আর প্রকৃতির সুবাতাশ গন্ধ ......!
অসাধারণ। সুযোগ পেলে আবারও আসবো....। ভেবেছিলাম বিট্রিশদের ঘুমন্ত নগরী নিয়ে একটি পোস্ট দেবো। কিন্তু.......! আপনার পোস্ট দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। মনে হলো আমার পোস্ট দেওয়া হয়ে গেছে।
সত্যিই.........!
ভালো থাকুন চাটঁগায়.....!
ক্যান আছেন বড্ডা ' এই কথাটি শিখে এসেছিলাম । বারবার এই কথাটি মনে পড়ছে.......!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। কথাটা বড্ডা হবে না, হবে বদ্দা ... মানে বড় ভাই/ ভাই সাহেব।
ক্যান আছন বদ্দা ?
লেখক বলেছেন: আমি যখন গিয়েছিলাম ৪ ডিসেম্বর, সকাল ১০ টায়... কোথায় ছিলেন আপনি ? কাজটা ঠিক করেন নাই, চা'য়ের জন্য বলতে পারতেন।
![]()
ইরতেজা বলেছেন:
আমাদের বাসা লাভ লেইন থেকে খুব কাছে। কলেজ জীবনে কত বার গিয়েছি। শহরের মাঝে এত সুন্দর জায়গা। আহা, কত দিন যাই না চট্রগ্রাম।
লেখক বলেছেন:
লাভ লেইনে আমার জানের বন্ধু থাকত, এখন নাই। আমি অনেকবার গিয়েছি আপনার এলাকায়।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ইরতেজা বলেছেন:
একটা বিষয় লক্ষ করলে দেখবেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যে সব সৈনীক শহীদ হয়েছে তাদের জন্য ব্রিটিশ সরকার কি চমৎকার ভাবে সমাধী বানিয়ে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধেও কিন্তু অনেক ভারতীয় সৈনিক তাদের বুকের রক্ত দিয়েছে। টাইম ম্যাগজিনের ২৭ শে ডিসেম্বর , ১৯৭১ এর কভার স্টোরীতে আছে The Indian alone reported 10,633 casualties -- 2,307 killed, 6,163 wounded, 2,163 missing in action.
আমাদের দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রান দিল যে ২৩০৭ জন ভারতীয় সৈনিক -- তাদের সম্মানে সারা দেশে কোথাও কোনো সমাধি নেই । তাদের এই আত্বত্যাগের কথা কেঊ একবার স্বরণ করল না। ছি কি বিশাল একটা লজ্জা।
লেখক বলেছেন:
আমাদের কোন লজ্জ্বা নেই কারণ আমরা হলাম আমরাই। ভারতীয়দের সমাধি বানিয়ে শ্রদ্ধা ? প্রশ্নই আসে না , তাহলে তো ভারতীয় দালাল হয়ে যাব। অন্য কেউ কেন করবে, এটা তো তাদের ও কাজ না।
কোথায় যাই, কার কাছে যাই আমরা !!!
আমরা যারা সাধারণ জনগণ ... আমাদের যে কেউ নেই !
কৃ্তজ্ঞতা !
রাশেদ বলেছেন:
ঈদ মোবারক!
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা !
লেখক বলেছেন: আগের দিনে মানুষ বুবু ডাকত, এখন মনে হয় ডাকে না। আপনি চাইলে আমাকে বুবু ডাকতে পারেন।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
যাইনাই কখনো
লেখক বলেছেন:
পারকিচর বীচ দেখতে যাবার কথা তোমার... তখন খুব ইচ্ছা হলে এটাও দেখে যেতে পার। তবে এর চেয়েও অনেক সুন্দর সুন্দর স্পট আছে আমার শহরে।
লেখক বলেছেন: আমাদের ঈদ যেমন তেমন, আমাদের উচিত যারা দেশের বাইরে আছে তাদেরকেই "ঈদ মোবারক" বলা।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা নিহন।
মেঘাচ্ছন্ন বলেছেন:
ঈদ মুবারক....আপু.....।
লেখক বলেছেন:
মেঘাচ্ছন্ন, মেঘাচ্ছন্ন.................. অনেক সুন্দর একটা নাম।
লেখক বলেছেন:
কোন একদিন ...
শুভকামনা।
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
একবারই গিয়েছিলাম, প্রায় বারো বছর আগে। সাথে ভাগ্নে-ভাগ্নি-ভাতিজা-ভাতিঝি। দেখলাম সবাই জুতা নিয়ে ঢুকছে, আমাকে জুতা খুলতে দেখে ওরা হইহই করে উঠলো!'জুতা খুলছো কেন?'
'সমাধিতে আমি জুতা নিয়ে ঢুকবো না!'
'এখানে তো কোনো কবর নেই, শুধু স্মৃতিফলক!'
'তাহলে আমরা কেন শহীদমিনার আর জাতীয় স্মৃতিসৌধে জুতা ছাড়া যাই?'
ওরা চুপ করে রইলো। আমি জুতা ছাড়াই ঢুকলাম। ভেতরে গিয়ে দেখলাম এক কিশোরের সমাধি। বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম ওখানে,মনটা খারাপ হয়ে গেল ভীষণ। আমার আঠারো বছর বয়সি বুকটাতে চাপা একটা কষ্ট নিয়ে ফিরে আসি। যাইনি কখনো আর!
সেদিন সাথে থাকা প্রিয় মানুষগুলো এখন অনেক দূরে! নামচিহ্ণহীন অদৃশ্য স্মৃতিফলক ধারণ করে এই বুকটাও এখন একটা 'সিমেট্রি'!
পুরনো দিনগুলো 'মনত গরাই' দেওয়ার জন্যে তোমাকে ধন্যবাদ,বুবু!
লেখক বলেছেন: প্রথমেই বুবু ডাকটার জন্য ধন্যবাদ। স্মৃতিফলক হলেও মনে একটা সংস্কার আছে আমাদের সেটাই আমাদের অনেক কিছু করতে বাঁধা দেয়। আমি যখন এফিটাপের ছবি তুলছিলাম মনে হচ্ছে যেন তাদের বুকের উপর দাঁড়াচ্ছি ।
সব চেয়ে কম বয়সী একজনের সমাধি আমি দেখেছি ১৭ বছর, ছবি তুলতে গিয়েও আমি পারিনি, এত কষ্ট !!
ভাল থাকবেন সবসময় "মনত গরিবে এ বুবুকে"
শুভেচ্ছা !!
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
লেইটা ঈদ মোবারক।
লেখক বলেছেন:
আমি সামনের বছর জানাব, চলবে ?
আদর।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
তাহলে আপাদের চাটগাঁ ভাষায় আপাকে বুবু ডাকে বুঝি???
তারার হাসি আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ তথ্যটা দেওয়ার জন্য।
সাইফুর বলেছেন:
ঈদ মোবারক
লেখক বলেছেন: ![]()
মেহবুবা বলেছেন:
একবার চট্রগ্রাম গিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম ; কত অচেনা মানুষেরা ঘুমিয়ে আছে সেখানে ।শুভেচ্ছা ।
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা !
লেখক বলেছেন:
কিছু কিছু মানুষ আছে ...
যাদের ভালবাসা সবসময় অনুভব করি।
ভালবাসা।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
অনেকবার গিয়েছি ওখানে। প্রিয় জায়গা।
----------------------------------------------
অফটপিক: আপনিও চট্টগ্রাম!
লেখক বলেছেন:
তার মানে আপনিও আমার সুন্দর চট্টগ্রামের।
শুভেচ্ছা !
টুশকি বলেছেন:
চট্টগ্রামে আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা। তারপরও এখনো ওয়ার সিমিট্রি দেখা হয়নি। আফসোস।
লেখক বলেছেন:
আফসোস করে কিছু হয় না...
কবে যাচ্ছেন ?
লেখক বলেছেন: জেরী, আপনাকে ধন্যবাদ।
ফজলুল কবিরী বলেছেন:
ছবিতে নতুন করে যেন উপভোগ করলাম। অনঅরে বওত ধইন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনরেও ... ![]()
বিবেক সত্যি বলেছেন:
জায়গাটা দেখার সুযোগ করে দেবার জন্য ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: ...
হাশেম বলেছেন:
এইটা আমার ঘরের পাশেই। সত্যি কথা হচ্ছে আমি নিজে ভিতরে ঢুকেছি মাত্র ১ বার। কারণ এটার সামনে দিয়ে প্রায় সময় যাচ্ছি....
লেখক বলেছেন:
দেখা হয়নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হইতে দুই পা ফেলিয়া
............
ধন্যবাদ ।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এখানে গেছিলাম..............।কেমন যেন এক অনুভূতি হয়েছিলো।
শুভেচ্ছা তোমাকে সুন্দর ছবিগুলোর জন্য।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
আমার খুব প্রিয় জায়গা।
১৯৬৭ থেকে ১৯৮৮ চট্টগ্রাম থাকতাম। বাসার কাছেই থাকায় ক'দিন পর পরই পায়ে হেঁটে বেড়াতে যেতাম। অপূর্ব সুন্দর জায়গা। শতবার গেছি(থাকতাম ১০১, পাচঁলাইশ আবাসিক এলাকাত:১৯৬৭-১৯৬৯, তখন রোড নম্বর ছিলনা)।
আরেকটি ওঅর সিমেট্রি আছে-ময়নামতি সেনানিবাস লাগোয়া।, কুমিল্লা ব্রাম্মনবাড়িয়া মহাসড়কের ওপর। ওটাও খুব সুন্দর, তবে চট্টগ্রামেরটা বেশী সুন্দর আর বৃহত্তর।
শেষ গ্যাছি ১২ বছর আগে।
আমার ভুলও হ'তে পারে, রাস্তাটার নাম "বাদশা মিয়া চৌধুরী রোড" নয় কি, সার্সন রোড থেকে এসে মেডিক্যাল কলেজের দিক থেকে যে রাস্তাটি মেহেদীবাগের দিকে যায় সে রাস্তাটার সাথে মেশে?
সুখ স্মৃতি জাগিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
আপনি ঠিক ধরেছেন, রোডটার নাম বাদশা মিয়া সড়ক।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এত যত্ন করে মন্তব্য করার জন্য। চট্টগ্রাম এখনো তেমন সুন্দর।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
আপনার আরেকটা ধন্যবাদ পাওনা আছে।মাস সাতেক আগে কুমিল্লা ওয়র সিমেট্রিতে গিয়েছিলাম। টুম্ব স্টোনের ছবি আনতে। প্রিয়জনের সমাধিতে ওরকম করে বানিয়ে বসাবো বলে। ছবিটা হারিয়ে গেছে। আপনার শেষ দুটো ছবি সংরক্ষন করলাম। আবার কষ্ট করে কুমিল্লা যেতে হবেনা।
লেখক বলেছেন:
কাজে এসেছে জেনে ভাল লাগছে।
লেখক বলেছেন:
আমি সপ্তাহে ৫ দিন এই পথে যাই......... একদিন ঠিক দেখা হয়ে যাবে।
জেমিনি বলেছেন:
টুশকি বলেছেন: চট্টগ্রামে আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা। তারপরও এখনো ওয়ার সিমিট্রি দেখা হয়নি। আফসো। টুশকি তুমি মইরা যাও............. সাধে কি লোকে বলে মক্কার মানুষ হজ্জ পায় না।
লেখক বলেছেন:
![]()
সহেলী বলেছেন:
জায়গাটার নাম কি মেহেদীবাগ ? দেখেছিলাম এটা ।কার শেষ ঠিকানা কোথায় -- জান যায় না । ছবিসহ শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন:
মেহেদীবাগ ধরে না মনে হয় কিন্তু এর সাথেই প্রায়।
ঠিক বলেছেন... কেউ জানে না কার শেষ গন্তব্য কোথায়...
ধন্যবাদ।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
ছবিগুলো ++++
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না