শৈশবের কিছু কথা ...
১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৫০
আমার অস্থিত্বে আমার মা । আমার জীবনটাই আমার মায়ের হাতে গড়া। সব শিক্ষার শিক্ষক আমার মা। প্রকৃতির সাথে প্রথম পরিচয় মায়ের হাত ধরে, তাঁর গাছপালা প্রীতি দেখার মত।
ছোটবেলা থেকেই আমি ছিলাম খুব জেদি আর অভিমানী। ছিল আমার মাঝে এক ধরনের নিয়ম ভাঙ্গার গোপন ইচ্ছা। মা হচ্ছেন পথিবীতে এমন একজন, যার কাছে সব চলে। মা সব সহ্য করতেন, এক ধরণের প্রশ্রয় আমি কেন জানি সবসময় পেয়ে এসেছি। আমার কাছে আমার মা ছিলেন অন্যায় আবদার, জেদ দেখানোর স্থান। আমি খুব বাচ্চা সুলভ আচরণ করতাম। আমি কিন্তু খুব লক্ষী মেয়ে ছিলাম না, মায়ের আদর আর প্রশ্রয়ের কারণেই এমন হয়েছিলাম আমি। আমি এজন্য কোন অপরাধ বোধে ভুগতাম না, মনে হত মা মানেই এমন, যার সাথে সব করা যায়।
মায়ের বিয়ে হয় তার ১৪ বছর বয়সে, এবং অচেনা মানুষটির হাত ধরে বিদেশে পাড়ি জমান। পড়ে যান অকুল সমুদ্রে, পুরোদমে ঘর সংসার, ব্যাস্ত স্বামীকে সব কিছু হাতের কাছে এনে দেওয়া, ভাবলে আমার নিজেরই রাগ হয়। কারণ মা কিছু কারণে কয়েকবার বাবা ছাড়া দেশের বাইরে যান তখন বুঝেছি, উনাকে সামলানো কত কষ্ট ! একবার আমি অনেক রাতে ঘরে ফিরি এক দাওয়াত থেকে, এসে দেখি বাবা বসে আছেন। আমি একটু অবাক কারণ তিনি কখনো রাত জাগেন না। তিনি জেগে বসে ছিলেন কারণ আমি প্লেটে করে উনার ঔষধ দিয়ে যাইনি, এবং উনি জানেন না কোথায় উনার ঔষধ ! মা ফিরে আসলে আমি খুব রাগ করে বলি, "কি করেছো মা তুমি ? বাবাকে তো শেষ করে দিয়েছ, কিছু পারে না।" মায়ের উত্তর ছিল এমন, " এমন না হলে তোর বাবার সংসারে আমি থাকতে পারতাম না।" আমি চুপ করে যাই, কি বলার আছে এর উত্তরে ! আমাদের সমাজটাই যে এমন। মা হেসে আবার বলেন, সব মিলিয়েই সবাই মানুষ।
মা আমাদের পিঠাপিঠি ৪ ভাই বোনের জন্য এক প্লেটে ভাত মাখাতেন এবং খাইয়ে দিতেন। আমি ৯ বছর বয়স পযন্ত ফিডারে দুধ খেয়েছি। আমার এই অভ্যাস দূর করার চেষ্টা চলছিল এবং ফিডারে করে দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেন। এদিকে আমার মাথায় বুদ্ধির তো অভাব ছিল না, আমি বুদ্ধি খাটিয়ে ছোট ভাই বোনদের যে কারো ফিডার, তাদের কাছ থেকে নিয়ে খেয়ে ফেলতাম লুকিয়ে। একটু পরই কান্না জুড়ে দিত সেই জন। এভাবে কিছুদিন যাবার পর মায়ের সন্দেহ হয়, এবং আমি ধরা পড়ে যাই।
এখানেই আমার ফিডার জীবনের ইতি। তবে দুধ পাউডার খাবার অভ্যাস এখনো আছে অল্প স্বল্প। ![]()
একটা ঘটনা আমার খুব মনে আছে এবং সারা জীবন থাকবে সেটা হল, একদিন আমি কিচেনে গিয়ে দেখতে পেলাম, মা মাটিতে পড়ে আছেন অজ্ঞান হয়ে। কেউ ছিল না আশেপাশে, চারিদিকে তখন মরুভূমি, দুবাই শহরটা তখনো এত মানুষে ভর্তি ছিল না। আমি দৌঁড় দিয়ে বাবাকে কিভাবে যেন ডেকে আনি। এরপর কি হয়েছিল আমার মনে নেই তবে কয়েকদিন আমরা তিন ভাইবোন একলা ছিলাম বাবার সাথে। তখন বাবা আমাদের খাইয়ে দিতেন, চুল বেঁধে দিতেন। বাবার মেজাজ থাকলেও খুব সহ্য করতে পারতেন আমাদের দুস্টামী, এখনো !
এরপর মা ফিরেন ফুটফুটে বোনের জন্ম দিয়ে, যে পৃথিবীতে ২ মাস আগে চলে আসে। কিন্তু বেবীটা থেকে যায় হাসপাতালে। মা নিয়ম করে যেতেন তার বেবীকে দেখতে। মা গিয়েই বলতেন, আমার বেবী ভাল আছে? তারাও বেবীকে মায়ের কোলে দিয়ে বলতেম, এই নাও তোমার বেবী। শেষে বেবীটার নামই হয়ে গেল, বেবী।
মা'বাবার কাছে তার সন্তানেরা সবসময় এক সমান কিন্তু আদর মনে হয় ভাগ করা। একেকজনের জন্য একেক রকম আদর থাকে তাদের কাছে।
(ছবিটা বাবা আমাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাবার সময় তোলান স্টুডিও'তে। আমাদের চুল বেঁধে দেন বাবা।)
লিখতে বসেছিলাম "মা দিবসে" কিছু লিখতে মা'কে নিয়ে, হল না। লতাপাতা বের হয়ে এল, অপ্রাসঙ্গিক অনেক কিছু চলে এল, আসা ঠিক হয়নি হয়তো। থাকুক এভাবেই।।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
ছবিটা ক্লাসিক লেখক বলেছেন:
পুরানো সব কিছুই ক্লাসিক, সে সময় আর আসবে না।
ধন্যবাদ আপনাকে।
কক বলেছেন:
আপনাদের পিচ্চিকালের লাল হয়ে যাওয়া ব্ল্যাকেন্ড হোয়াইট ছবি গুলো দেখে খুব মজা লাগছে.......পিরামিডের মতো ছোট সিরি...মাঝারি সিরি....বড় সিরি..........।======================================
ছোটোবেলায় কি ভুতে ভয় পেতেন?
লেখক বলেছেন:
লাল হয়নি, একটু এডিটের চেষ্টা করা হয়েছে।
পিরামিডের মতই আমরা ..
সব মিলিয়েই আমরা।
ধন্যবাদ আপনাকে।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
ছবিটা দারুন। লেখাটা পড়ে অনেক কথাই মনে পড়লো। মোদ্দা কথা নস্টালজিক হলাম।
শুভেচ্ছা আপু। মায়ের জন্য ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন:
লিখে ব্লগে দিতে কেমন জানি লাগছিল, নিজের শৈশব। আগেও এমন মনে হয়েছিল। আমি নেড়ে বারবার বেলতলায় যাই।
ধন্যবাদ শামীম, মায়ের ভালোবাসা আমি পৌঁছে দিব।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
অদ্ভুত রকম ভালো লাগলো লেখাটা .....লেখাটা পড়ে বুঝতে পারলাম ,ছবির বড় জন আপনি
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ দেবদূত।
আপনার এত বুদ্ধি কেন ?
লেখক বলেছেন:
লিঙ্কের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
বর্নিল শৈশব !
লুকার বলেছেন:
হ্যা, দারুণ ছবি!
লেখক বলেছেন:
![]()
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
ভালো লাগলো আপু
লেখক বলেছেন:
শুভকামনা নাজমুল, ভাল থাকবেন।
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
আপনারা ৩ জন ঠিক সমান সাইজে ছোট বড় হইলেন কেমনে? কি সুন্দর লাগতেছে দেখতে অনেক সুন্দর লিখা
লেখক বলেছেন:
আমাদের বয়সের ব্যাবধান সবার ঠিক ২ বছর। তাই মনে হয়...
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন:
ছোট ভাইবোন মানেই অন্যরকম একটা ভালবাসা।
শুভেচ্ছা উর্মি।
লেখক বলেছেন:
আপনিও ভাল থাকুন সবসময়।
সিফাতরক্স বলেছেন:
ওলেলে কি কিউত লে।
লেখক বলেছেন:
![]()
জয় রায় বলেছেন:
হূমমম...শৈশব এর কথা মনে পড়ে গেল...মা-বাবা, বোন, বন্ধুদের ছেড়ে এতদুরে থেকে এমন লেখা পড়লে মনটা কেমন করে যেনো...
লেখক বলেছেন:
গুছিয়ে লিখতে পারি নাই, মনে হচ্ছে আরো কত কি লেখার ছিল...
পারভেজ বলেছেন:
লেখাটা চমৎকার। মায়েরা নিজেরাই আসলে এক একটা পৃথিবী আমাদের জন্য।ছবিটা মজার।
বড় থেকে ছোট!
১। উচ্চতা,
২। চুল।
৩। চুল বাঁধার ফিতা।
৪। এলেমেলো চুল থেকে সিঁথি ক্রমান্নয়ে মাঝখানে এসেছে
খালি বড়জনের হাসিটা আরো বড় হবার দরকার ছিল
হা হা হা।
লেখক বলেছেন:
হাসিটা শুরু হয়েছে উল্টা দিক থেকে...
ছোটজন হাসছে, মেঝজন হাসার চেষ্টা করছে ঠোট বাকিয়ে আর বড়জন ... ![]()
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
ভালো লাগ্লো লেখাটা
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ কাক ভুষুন্ডি।
লেখক বলেছেন:
"মা" শব্দটি হচ্ছে সবচেয়ে মিষ্টি !
লেখক বলেছেন:
হাসি সবসময় মুখেই থাকে,ভুল করে ছবিতে নেই।
![]()
শুভেচ্ছা অনেক।
যীশূ বলেছেন:
ছবিটা দারুন লেগেছে।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
ছবিটা অদ্ভূত দারুণ!! আমি ভাবসি কোথাও থেকে কপি পেস্ট ছবি...চার ভাইবোন এর কথা শুনে ভাব্লাম, একবার জিজ্ঞেস করবো। শেষে এসে দেখি উত্তর!
লেখক বলেছেন:
ছবিটা নিচের দিকে বাদ দিয়ে ফেলেছি এডিট করে, একটা টেবিলের উপর দাঁড়ানো আমরা।
মহাপৈতাল বলেছেন:
"কি করেছো মা তুমি ? বাবাকে তো শেষ করে দিয়েছ, কিছু পারে না।"আপ্নের বাবা হাতে তুইল্যা না দিলে ওষুধ্টাও খাইতে পার্তেন্না!
আবার বল্তেছেন-
"তখন বাবা আমাদের খাইয়ে দিতেন, চুল বেঁধে দিতেন। "
দুই রকুম্হয়া গেল্না ?
তার্পরও লেখাডা ভাল্লাগ্ছে।
লেখক বলেছেন:
আমাদের আসলে দুইটা মা, বাবাও এর মাঝে একজন। আমাদের জন্য উনার ভূমিকা দেখার মত, এবং এখনো !
বাহিরের কেউ হঠাৎ দেখলে অবাক হন।
আর মা, বাবার সবকিছু এমন ভাবে গুছিয়ে রাখেন যে অনেক আগে থেকেই মায়ের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে গিয়েছেন।
লেখক বলেছেন:
ভাল থেকো নিহন।
দেশে আসো,দেখা হবে।
মেহবুবা বলেছেন:
আবার এটা পড়ে ফেললাম , ফেরারী পাখীর আজ সন্ধ্যার লেখাটা পড়ে মন কেমন হয়ে গেল । নিজেই একটা হালকা পোষ্ট দিলাম । তুমি যে আবার উদাস করে দিলে । অনেক কথা বেরিয়ে আসতে চায় ।
শুভকামনা তোমার জন্য ।
লেখক বলেছেন:
লেখাটা পড়ব।
বেরিয়ে আসতে দিন, হালকা লাগবে।
লেখক বলেছেন:
![]()
রাজামশাই বলেছেন:
পছন্দ হইছেযা তোরে দিলাম কয়টা ফুল
০১. নয়নতারা
০২. রক্ত জবা বা ঝুমকো জবা
০৩. কাঞ্চন
০৪. পুন্নাগ
০৫. কাঠ মালতী
০৬. মালতী লতা
০৭. ব্রহ্ম কমল
০৮. Fuchsia
০৯. লুপিন
১০. লবঙ্গ
১১. নীল চিতা
১২. লাল সোনাইল
১৩. মিনজিরি
১৪. দাঁত রাঙ্গা বা লুটকি
১৫. কনক চাঁপা
১৬. ডেওয়া
১৭. রক্তকমল
১৮. স্বর্নচাঁপা
১৯. উদয়পদ্ম বা হিমচাঁপা
২০. কেয়া
২১. ছাগল কুঁড়ি
২২. বোতাম ফুল
২৩. পানি ফল
২৪. Pansy
২৫. কয়েক রকম জবা
২৬. স্বর্ণ চামেলী
২৭. কুঞ্জলতা
২৮. ব্লিডিং হার্ট
২৯. চন্দ্রপ্রভা
৩০. উর্বশী
৩১. ডম্রুপানি
৩২. গন্ধরাজ
৩৩. নীলকন্ঠ
৩৪. রুদ্রপলাশ
৩৫. রামসর
৩৬. দোলনচাঁপা
৩৭. শারঙ্গ
৩৮. সর্পগন্ধা
৩৯. বনজাঈ
৪০. নীলমনি লতা
৪১. অনন্ত লতা
৪২. কাঠগোলাপ
৪৩. নাগকেশর
৪৪. সজনা
৪৫. আকন্দ
৪৬. কুটজ
৪৭. বরুণ
৪৮. ফুরুস বাফুরুস
৪৯. কাঞ্চন
৫০. সেনালু
৫১. দোপাটি
৫২. জারুল
৫৩. অপরাজিতা
৫৪. যুথিকা
৫৫. অশোক
৫৬. কাঠালী চাঁপা
৫৭. সর্বজায়া
৫৮. কলাবতী
৫৯. নার্গিস
৬০. রূপসী
৬১. কদম
৬২. নীলপদ্ম
৬৩. ডালিম
৬৪. রজনীগন্ধা
৬৫. রক্ত চিত্রক
৬৬. বধারা
৬৭. পদ্ম
৬৮. কলকে
৬৯. ডাকুর
৭০. কৃষ্ণচূড়া
৭১. জবা
৭২. ঝুমকালতা
৭৩. রঙ্গন
৭৪. সন্ধ্যামালতী
৭৫. সূর্য্যমুখী
৭৬. ধুতরা
৭৭. স্থলপদ্ম
৭৮. নয়নতারা
৭৯. তেঁতুল
৮০. বাবলা
৮১. হাসনাহেনা
৮২. পলাশ
৮৩. পারিজাত বা রক্তমান্দার
৮৪. দুধ কচু
৮৫. মৌলভী কচু
৮৬. ওল কচু
৮৭. মান কচু
৮৮. মালঞ্চ
৮৯. অন্তমোড়া
৯০. নাসপাতি
৯১. আলু বোখারা
৯২. ভুঁই চম্পা বা একাংগী
৯৩. বন্ধুক
৯৪. নীলাম্বরী
৯৫. বন মরিচ
৯৬. আগর
৯৭. নিশিন্দা
৯৮. বিলাই খামচি
৯৯. কলকাসুন্দা
১০০. হলুদ অশোক
১০১. জামালগোটা
১০২. তিসি
১০৩. মেহেদী
১০৪. জাফরাণ
১০৫. ছিটা
১০৬. রক্তকরবী
১০৭. টগর বা টগর
১০৮. কলকে ফুল বা হলদে করবী
১০৯. ধুতরা
১১০. কুঁচ
১১১. শিয়ালকাঁটা
১১২. হিজল বা হিজল
১১৩. আকন্দ
১১৪. স্বর্ণলতা
১১৫. লেমন গ্রাস
১১৬. বারসুঙ্গা (Barsunga), কারি পাতা
১১৭. পুদিনা বা পুদিনা
১১৮. তেজপাতা
১১৯. তুলসী
১২০. সুগন্ধাবচ
১২১. নীল
১২২. শিউলী
১২৩. আনারস
১২৪. রক্ত কাঞ্চন
১২৫. এলাচ
১২৬. রক্ত রাগ
১২৭. অশ্বত্থ
১২৮. কালোজিরা
১২৯. মেথি
১৩০. মহুয়া
১৩১. শিরীষ
১৩২. পোলা
১৩৩. গোলাপজাম
১৩৪. বনধনিয়া
১৩৫. পাট
১৩৬. পপি
১৩৭. পারুল
১৩৮. ক্যামেলিয়া
১৩৯. বকফুল
১৪০. তাল
১৪১. অগ্নিশিখা বা উলটচন্ডাল
১৪২. চন্দ্রমল্লিকা
১৪৩. বথুয়া
১৪৪. বকুল
১৪৫. সুখ দর্শন
১৪৬. রঞ্জনা বা রক্তচন্দন
১৪৭. বিষকাটালী
১৪৮. থানকুনি
১৪৯. শিমুল
১৫০. চুতরাপাতা
১৫১. পান্থপাদপ
১৫২. শতমূলী
১৫৩. বীণা
১৫৪. আমড়া
১৫৫. অক্টোবর
১৫৬. বোতল ব্রাশ
১৫৭.অঞ্জন
১৫৮.কসমস
১৫৯.রক্তদ্রোন
১৬০.কুইন অব সেবা
১৬১.পাতা বাহার
১৬১.ফানুস
১৬২.কামিনী
১৬৩.মুন্দনী
১৬৪.ডগ ফ্লাওয়ার
১৬৫.কাশ ফুল
১৬৭.তামাক ফুল
১৬৮.Freesia
১৬৯.গ্ল্যাডিওলাস
১৭০.ভিক্টোরিয়া লিলি
১৭১.উলটকম্বল
১৭২.বেহেস্তের বৃক্ষ
১৭৩.কস্তুরী
১৭৫.অটোগ্রাফ
১৭৬.জীবন বৃক্ষ
১৭৭.বড়নখা
১৭৮.সাগর নিশিন্দা
১৭৯.মুর্তা
১৮০.চাকুন্দা
১৮১.গোবুরা
১৮২.ছোটকুট
১৮৩.জেফটা
১৮৪.দাদমর্দন
১৮৫.পুর্তলেকা
১৮৬.লবেলিয়া
১৮৭.টিউলিপ
১৮৮.লালঘন্টাফুল
১৮৯.রাজঘন্টা
১৯০.নীলঘন্টা
১৯১.কালী গাঁদা
১৯২.হরকাকরা
১৯৩.শিবঝুল বা শিবজটা
১৯৪.হিমঝুরি
১৯৫.জুঈপান
১৯৬.ভুত ফুল
১৯৭.পুলিশের হেলমেট
১৯৮.ললিপপ
১৯৯.চীনা টুপি
লেখক বলেছেন:
এত ফুল পেয়ে প্রথমে দিশেহারা,একটা কম হয়ে গেল না ?
![]()
অনেক ধন্যবাদ রাজামশাই।
নীল-দর্পণ বলেছেন:
খুব্বই ভাল লাগল লেখাটা তার চেয়ে ভাল লাগল ছবিটা। আপনি কোন জন?
লেখক বলেছেন:
সবচেয়ে পঁচাজন,![]()
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন:
আপনি ভাল ?
লেখক বলেছেন:
তাহলে আপনার একখান মন আছে, বাহ বাহ !
লেখক বলেছেন:
সবচেয়ে কম কিউট জন।
আপনার প্রোফাইলের বাবুটাও কিউট।
মেহবুবা বলেছেন:
বেরিয়ে আসতে চায় , নিজেকে ঠিক বোঝাতে পারি না । তাই আবার চুপ থাকি । তোমরা লিখ , পড়ব । তোমার ছোটবেলার ছবি দেখে ভাল লাগছিল । আমাদের ছোটবেলার ছবিগুলো সব নাই হয়ে গিয়েছে । আরো অনেক কিছুর সাথে ।
লেখক বলেছেন:
অনেক কিছুর সাথে নাই হয়ে গিয়েছে, তেমন করে আসলেই যদি নাই হয়ে যেত সব স্মৃতি খুব দুঃখজনক হত।
স্মৃতিগুলি যেমনই হোক ...
অনেক ভাল থাকবেন, শুভেচ্ছা রইল।
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
আছ?
লেখক বলেছেন:
যাব আর কোথায় ?
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
উপররের ছবিটা খুব ভাল লাগছে দেখতে...খুব কিউট আর অবশ্যই নস্টালজিক ।
লেখক বলেছেন:
স্নিগ্ধ, সুন্দর একজন মানুষ আইরিন
অনেক শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন:
যেন থাকি এমন, আমার সবসময় শুধু এটাই মনে হয়।
বাবুটাকে আদর।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
আফুসিস হইলাম। আপনে দেখি আমার মত.. আমি তো ছোট থাকতে দুধ পাউডার, মাল্টোভা, চিনি মিশাই প্লেটে নিয়ে খাইতাম..
কিন্তু গরুর দুধ হইলেই!! ইয়াক!!!
লেখক বলেছেন:
আপনার আফুসিস দেখে আমি উল্লাসিত হইলাম, আমার দলের একজন
আমি শুধু দুধ পাউডার খেতাম। মিষ্টি জাতীয় কিছু ইয়াককক !!!
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
+
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
আমি কালকে তোমার শহরে থাকব.....তুমি প্লিজ তোমার নুরনী চেহারাটা নিয়া য়েকবার দেখা দিলে খুব সুখী হব.....তোমার জন্যে কয়েকটা বই রয়েছে.....।
কালকে তো সেটারডে অফ ডে রাইট?
জানাইও...।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
আমি মাল্টোভা হাতে নিয়া খেতে পছন্দ করতাম .. কিন্তু মা দিতো না শুধু খেতে একবার আমি আর ভাইয়া এক বোয়াম মাল্টোভা সাবার করে ফেলছিলাম
লেখক বলেছেন:
এবার বুঝেছি রহস্য ...
সেজন্যই তালপাতা ![]()
রোবোট বলেছেন:
গুড়া দুধ+চিনি + অল্প পানি = ১টি সুস্বাদু খাদ্য
লেখক বলেছেন:
এটাতো ছোট্টদের আইসক্রীমের রেসিপি
পাথরের মত আইসক্রিম । ![]()
লেখক বলেছেন:
একবার হাতের তালুতে গুড়া দুধ নিয়ে আসার সময় টের পেলাম, মা আসছেন। তাড়াহুড়া করে মুখে দিয়ে দিলাম সব।
আরেকটু হলে মরতে বসেছিলাম, গলায় আটকে। ![]()
রোবোট বলেছেন:
সমীকরণে চিনি যোগ দাও @বিমা
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
হু ... চিনি হইলে তো সেইটা একেবারে সেইরকম টেস্টি সালশা হয়
নাজনীন খলিল বলেছেন:
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: গুড়া দুধ+হাতের তালু+জিহ্বা দিয়ে চেটে চেটে খাওয়া = দুনিয়ার সেরা খাদ্য লেখক বলেছেন:
আমাকে তুমি পেটুক বলেছ !!!
আমার বুঝি মন খারাপ হয় না, এমন বললে
ঠিক করে বলত, তুমি খাওনাই এমন করে ?
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
"মা দিবস ব্লগ সঙ্কলন - ২০০৯ " ই-বুক আকারে প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিস্তারিত পাবেন এই পোষ্টে । পোষ্টটিতে আপনার মতামত আশা করছি।
লেখক বলেছেন:
স্বপ্নজয়, আপনাকে ধন্যবাদ।
নাজনীন খলিল বলেছেন:
আরে এমনি রাগ হয়ে গেল!
এই যে কমেন্টস দেখো "নাজনীন খলিল বলেছেন: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: গুড়া দুধ+হাতের তালু+জিহ্বা দিয়ে চেটে চেটে খাওয়া = দুনিয়ার সেরা খাদ্য"
এখানে তো আমার কথাও আসে নাকি?
লেখক বলেছেন:
এখন ঠিক আছে, আপু।
রতনে রতন চিনে। ![]()
সবাক বলেছেন:
আপনার বিবর্তনের ইতিহাসতো খুব ভয়াবহ।
পিচ্ছি ছবিটাতে মনে হইছিলো এই মাইয়া বড় হইলে বন্ধুগোরে সুড়সুড়ি দিয়া মারবো।
তারপরেরটাতে মনে হইলো ভেতরে ভেতরে দুষ্ট হইবো কিন্তু শান্ত থাকবো।
তারপর দেখা যাচ্ছে মাইয়াটা খুই শান্ত হইবো এবং দুষ্টুমি করবো না।
আর এখনকার হাসিরে ফেসবুকে দেইখ্যা মনে হইলো সে মারাত্মক সংসারী
(ফেসবুকে আপনার ছবিতে কোন ট্যাগ করা পাইনি। তাই ধর্তে পারি নাই তারার হাসি কে? এখানে দেইখ্যা চিইনা ফালাইছি
লেখক বলেছেন:
দিল্লী বহুদূর, আপনার সব ধারণা ভুল।
যার ছবি ট্যাগ করা নাই, সেই তারার হাসি। ![]()
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
"আমি মানেই আমার মা "
মাকে দেখেছি তোমার মধ্যে........কি দারুণ ব্যাপার।
সব মেয়েরাই ভিতরে মাকে লালন করে.........।
আমিও করি...........খুব চেস্টা করি।
মায়ের মত অত ভালো হওয়া কই হয়!................
মা তো আকাশের মতন বিশাল..........
তার পাশে এত তুচ্ছ লাগে নিজেকে।
কেমন করে মায়ের মত হবো?
তোমার লেখা ।তোমার ছবি খুব সুন্দর।
তোমার এখনকার চেহারা এখনো শৈশবের তুমিতে মেশানো.......
খুব বড় হওনি মেয়ে.......
মায়ের মেয়েরা কোনদিন বড় হয় না........।
ভালোবাসা নিও।
খুব ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন:
একটা জড়ান ( a big hug ) নাও তুমি।
আমি মায়ের মত হতে চাই না, কারণ তা সম্ভব না। ![]()
বড় হবার কোন ইচ্ছা আপাতত নেই, একটা একটা চুল পাকার পর বুড়ি হয়ে যাব, আপত্তি নেই।
কিন্তু বড়, কিছুতেই না। ![]()
লেখক বলেছেন:
বড়দের সালাম দিয়ে দিন শুরু করবেন তাহলে আর ফেল মারবেন না।
শুভ রাত্রি। ![]()
সাইফুর বলেছেন:
নতুন পোষ্ট কি আসিবেক?
লেখক বলেছেন:
মাথায় কিছু আসুক এরপর দেখা যাইবেক।
শুভেচ্ছা সাইফুর।
জেরী বলেছেন:
পোস্টের ছবিটা দেখে মনে পড়েছে আমাদের ৩ ভাই-বোনের এইরকম দাঁড়ানো সাদা-কালো ছবি আছে.......খুঁজে বের করে দেখলাম আমার সুইট ভাই ২ টারে ছোটবেলায় আরো সুইট লাগছে.........খালি আমারে গাধী টাইপের লাগছে কারণ ছবিতে আমার মুখটা ছোট বোয়ালমাছের মুখের মত হা করা অবস্হায় আছেলেখক বলেছেন:
পাগলি একটা মেয়ে ...
গাধী টাইপ লাগবে কেন ?
ছবিটা দিয়ে পোস্ট দাও, দেখি।
আদর জেরী।
জিনাত বলেছেন:
মধুমাখা স্মৃতি.........ছবিটা সুন্দর
লেখক বলেছেন:
প্রিয় জিনাত, শুভেচ্ছা।
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
৩৫. ১৫ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩ বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন: আমি কালকে তোমার শহরে থাকব.....তুমি প্লিজ তোমার নুরনী চেহারাটা নিয়া য়েকবার দেখা দিলে খুব সুখী হব.....
তোমার জন্যে কয়েকটা বই রয়েছে.....।
কালকে তো সেটারডে অফ ডে রাইট?
জানাইও...।
...............................................................................................
৪৮. ২১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫
জেরী বলেছেন: পোস্টের ছবিটা দেখে মনে পড়েছে আমাদের ৩ ভাই-বোনের এইরকম দাঁড়ানো সাদা-কালো ছবি আছে.......খুঁজে বের করে দেখলাম আমার সুইট ভাই ২ টারে ছোটবেলায় আরো সুইট লাগছে.........খালি আমারে গাধী টাইপের লাগছে কারণ ছবিতে আমার মুখটা ছোট বোয়ালমাছের মুখের মত হা করা অবস্হায় আছে
২২ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
লেখক বলেছেন:
আদর জেরী।
লেখক বলেছেন:
বুঝলাম না ...
সেদিন তোমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়া হয়নি, পরে এর উত্তরের আর কোন অর্থ নেই। কারো সাথে তুলনায় যেও না, সবার স্থান আলাদা।
শয়তান বলেছেন:
খিকজ
লেখক বলেছেন:
আপনার এই হাসির মানে বুঝলাম না। ![]()
চানাচুর বলেছেন:
আমি ছয় বছর বয়স পর্যন্ত ফিডার খেয়েছি। আমারো বোধহয় ছোট ভাই বোন থাকলে ৯/১০বছর পর্যন্ত ফিডার খেতাম তাদেরটা নিয়ে নিয়ে।লেখাটা অসাধারণ লাগলো।
লেখক বলেছেন:
কেন ছিল না ছোট ভাইবোন ? এর মজাই আলাদা...
অসাধারণ লাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ চানাচুর। এমন রাত যখন জাগি খুঁজে পেতে চানাচুরের বক্স নিয়ে বসি। ![]()
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
অলরাইট।
দীপান্বিতা বলেছেন:
আমার ছেলেবেলা আপনার মত ছিল না......খুব ভাল লাগল......ছবিটাও খুব সুন্দর......সব চেয়ে হয়ত আপনার নামটা, তারার হাসি! ...
লেখক বলেছেন:
অনেক ভাল থেকো দীপা...
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
সুন্দর স্মৃতিচারণ। ছবিটাও খুব সুন্দর!
লেখক বলেছেন:
স্মৃতিচারণ মনে হয় সবসময়ই সুন্দর তবে লেখাটা মনে হয় এলোমেলো হয়ে গিয়েছে।
শুভেচ্ছা অনেক।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















