খুব সন্তর্পনে বিছানার চাদরটা সরিয়ে নিচে দাঁড়ালাম আমি। জানলার শার্সি খোলা, আবছা অন্ধকার ঘরে, কৃষ্ণপক্ষের আলো জমাট অন্ধকার দূর করতে পারছে না। জানালার ধারে গিয়ে বাইরে তাকালাম। অনেক নিচে নিয়ন আলোয় চেনা রাস্তাটাকে কেমন অচেনা লাগছে। সমগ্র শহরে ঘুমের নিস্তব্ধতা।
আজ কোন একসময় কিংবা এখুনি আমার পাপবিদ্ধ শরীর মুক্তি নেবে চিন্তার কাছ থেকে। প্রবহমান বাতাস ভাসিয়ে নেবে আত্মার কলুষ। আর তারপর যখন খুব করে আশার সলতেটুকু নিবিয়ে ফেলতে চাইছি, দপ করে শেষবারের মত উস্কে উঠবে আগুন। রক্তের ঋণ তো বাকি রয়ে গেল!
যাবো
কিন্তু, এখনি যাবো না
তোমাদেরও সঙ্গে নিয়ে যাবো
একাকী যাবো না অসময়ে।
জানালার ধার হতে সরে আসি। আবার বেরোতে হবে আমায়, অনেক কাজ বাকি। আরও কিছু বেজন্মার রক্তে হাত ডুবিয়ে তারপর খোলা জানালাটার পাশে দাঁড়াব এসে।
ঝড়ে ভাঙা লাইটপোস্ট, একা পড়ে আছে ধানক্ষেতে
শিয়রে জোনাকি, শূণ্যে কালপুরুষের তরবারি
যুদ্ধ হয়ে গেছে শেষ, নিঃশব্দ প্রহর দশদিকে
যেদিকে তাকাও রাত্রি প্রকান্ড নিকষ সরোবর
... ঠেকাবে তুমি? আমি নিজেকেই হাওয়ায় উড়িয়ে দেবো!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

