সর্দির অত্যাচারে দিশাহীন হয়ে গেলাম!
এত ওষুধেও কিছুতেই কিছু হচ্ছে না।
মা শুধু বলে, কাঁচা রসুন খা, দেখবি ঠিক হয়ে যাবে!
রসুন!!!
কাঁচা রসুন খাওয়ার মত বিব্রতকর অভিজ্ঞতা আমার কাছে আর কিছু নাই।
এই জিনিসটা দাঁতের নীচে পড়লে মনে হয় নরকের কোন কীট আমার দাঁতের নীচে পড়ল। ইয়াক!!!
কিন্তু কিছুতেই যখন কিছু হয় না, তখন আর কি করা!
বাধ্য হয়ে মার কথামত কাঁচা রসুনটি হাতে তুলে নিই আর ভাবি, এর চেয়ে নরকও হয়তো অনেক ভালো!
আশ্চর্যের ব্যাপার হলো এই নরকের কীটটি দাতের নীচ দিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সে তার গুণাবলী প্রকাশ করতে লাগল এবং আজও বিরক্তিমাখা অভিব্যক্তি নিয়ে ৩য় বারের মত কাঁচা রসুন গলাধ:করণ করলাম।
দিশেহারা আমাকে এ যাত্রায় বাঁচিয়ে গেল আমার ঘৃণার পাত্র কাঁচা রসুন! হয়তো আগামীতেও আমার বিপদে সে এগিয়ে আসবে।
কিন্তু এই বিরক্তিকর খাদ্যটিকে আমি কখনোই ভালবাসতে পারব না!
পৃথিবীতে এমন অনেকেই হয়তো বারবার আমাদের বিপদে এগিয়ে আসে, কিন্তু তাদের জন্য কখনো আমাদের ভালবাসা জাগে না, জাগবে না!
এটাই তাদের নিয়তি!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

