জাগো দূর হিমবাহ, সুষুপ্তির নালে নালে প্রবাহিত মারীবীজ,
অনাবিস্কৃত গানেরা,
লৌহনিনাদ আমি কুচি কুচি করে তোমাদের তন্ত্রীতে ছিটাই।
ছড়াই বিভ্রম- তাতে পাহাড়ী সাপেরা এসে ময়ূরের ভোজে
পাটপাট ছিন্নভিন্ন করে নিজেদের।
ধাতু পরাভূত এই দেশে স্বর্ণগমের উপর দিয়ে হাওয়া বয়।
সূর্যের ডুবন্ত মুখ ডেকে চলে।
এই ঘাড়, কশেরূকা তবু অযৌক্তিক উড়ে যেতে চায়।
২
রাত্রির মুকুরে শীত তার অগনন প্রতিচ্ছায়া তৈরী করে।
তুমি গাও- চক্রবালে সবুজ সাপকে ঘিরে সাপীনিরা
খেলায় উন্মুখ।
নীল জিহ্বার দোলাচলে নড়ে ওঠে রাত্রির নগর।
আর কম্পমান জলে
জাল টপকে অবাক মাছেরা বলে যায়:
ফাঁদ কতো দৃশ্যময়।
৩
বিভ্রম আমাকে গাইড করে
নকশা অংকন করে আমি তাকে মেপে দেই
গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে আমাদের ফিসফাস
কীভাবে পৌছায়।
কীভাবে মূর্ছিত হয়
ডানা থেকে ঘূর্ণমান সাতটি স্তরের মরূনকশা,
ফুটে ওঠে পাখি, সেই গানে, হাসদের আশ্চর্য ঠমকে
আমি প্রাসাদে দেখতে পাই জীবন্ত ফাটল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

