আমার প্রিয় পোস্ট
- ফরাসি কবি পল এলুয়ার্দ-এর একটি কবিতা : স্বাধীনতা ... - ইমন জুবায়ের
- ছোট গল্পঃ পোয়াতি বিলাই - আমি ও আমরা
- ফেসবুক থেকে নেয়া পতিত বিদ্রোহীদের কিছু মুখোশচ্ছবি - কৌশিক
- বাফটা এওয়ার্ডস উইনার লিস্ট ২০০৯ - দারাশিকো
- যাদুঘরের চাকা - তৈমুর রেজা
- রেডিক্যাল কহে অ্যাকটিভিস্টরে, 'তুই তো আসল রাস্তা চিনলি না রে!' - ব্রাত্য রাইসু
- কয়েকটা রেপিডশেয়ার প্রিমিয়াম লিংক জেনারেটর সাইট। - লুলুপাগলা
- ৫০ জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ করেছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম - অণৃণ্য
- ওয়েস্টার্ন জাঁরের প্রতিমা - ৈতমুর েরজা
- ফরিদ উদ্দীন আত্তারের The Conference of the Birds - ইমন জুবায়ের
- জলশয্যা - সোহেল হাসান গালিব
- বছরের সেরা প্রেস রিলিজ
- শওকত হোসেন মাসুম
- বাংলাদেশে এক্টিভিস্ট হওয়া কি আদৌ সম্ভব (চার পর্ব একসঙ্গে) - ফাহমিদুল হক
- ইমরান ব্লগ স্রষ্ট া - দেবরা
- ক্রিয়েটিভ কমনস্ বিষয়ে কিছু তথ্য.. - আশাবাদী!!
- লাইটহাউজ - তারিক টুকু
- অনিঃশেষ দেশভাগের কথকতা : সুধা কি সাদিয়ার কথা শুনছে - ফারুক ওয়াসিফ
- ফ্রি সিনেমা ডাউনলোড করতে চাই (হেল্প মি) - লেখাজোকা শামীম
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- কবিতা - আল-ইমরান সিদ্দিকী
- একটি রক্তাক্ত ভুখন্ডের লাল ইতিহাস - জাগারণ
- 'মানুষই মানুষের গা ঘেঁসিয়া বসিয়া থাকে' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- পিনো দায়েনির পেইন্টিং - রানা
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (১) - ত্রিভুজ
- বাংলা গল্পের উত্তরাধিকার: প্রতিক্রিয়া পর্ব - ফজলুল কবিরী
- অনলাইনে ফ্রী ল্যান্স কাজ - মদন
- প্যাস্টেল পেইন্টিংস..... - রানা
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- আমার Google AdSense Account Disabled করা হয়েছে!!!!! - মনযূর মান্নান
- বাঁক - সফেদ ফরাজী......
- তুমি, তোমার সরাইখানা এবং হারানো মানুষ - মাসুদ খান
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব সাইট এর ঠিকানা.......... - গিফার
- ফ্রী ইবুক - শিমুল
- কার্টুন: ধান কাটা উৎসব - বহুরূপী মহাজন
- রেডিও সিরিজ - মৃদুল মাহবুব
- প্রেম নয়, প্রেমের সন্ধান করাটাই জীবন! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- সতত জনম; মূল: মৃণাল সেন - ফাহমিদুল হক
- বাকশাল, বঙ্গবন্ধু ও আমার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ - বিবর্তনবাদী
- আপনার ফায়ারফক্সের স্পিড বাড়িয়ে তুলুন ১০ গুনঃ টিপস - আহমাদ মুজতবা
- এখনকার বাংলাদেশের কিছু লেখা নিয়ে আন্দাজ ০ দেবেশ রায় - মাহবুব মোর্শেদ
- নীল অশ্বারোহী (২) - তারিক টুকু
- কুড়িগ্রাম - মাসুদ খান
- কাছিমের গ্রাম - মৃদুল মাহবুব
পাকিদের যে জাহাজটা আজ সের দরে বেচে দিচ্ছেন, সেই জাহাজটা দেখেই কৈশোরে আমরা মুক্তিযুদ্ধকে চিনেছিলাম।
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৫
ডুবন্ত একটা জাহাজ, শুধু মাস্তুল দেখা যায়। আর কিছু না। বাসা থেকে বের হয়ে যে ডাকাতিয়া নদী, তার ঠিক অপর তীরেই ডব্লিউ রহমান জুট মিল। মিলের সামনেই, নদীতে জাহাজটা। অনেক মিথ ছিল জাহাজটাকে নিয়ে। অমুকে নদী পার হতে গিয়ে এটা দেখেছে, সেটা দেখেছে। কিন্তু সেই মিথগুলোকে নিয়ে নাড়াচাড়া করার মতো আমাদের অমন বয়স ছিলো না। আমরা ঘর থেকে বের হতে, স্কুলে আসতে যেতে, বিকেলে নদীর পাড়ে বসতে গেলেই সে বয়সে কোনো না কোনো ভাবে এই জাহাজটির কথা চলে আসতে। অমুক মুক্তিযোদ্ধা দেড় মাইল দুর থেকে সাঁতরে এসে মাইন দিয়ে ডুবিয়েছিলো। আবার আরেক দল বলতো: না, না। বোমা মেরে। আবার এই জাহাজ ডুবলে ভয়ে কোন কোন রাজাকার পালিয়েছিলো, কাদেরকে ধরে ধরে মারা হয়েছিলো এই নিয়ে বচসা হতো। বাজিও হতো। কোন পক্ষই জিততো না। আমরা সন্ধ্যায় এইসব গল্প মাথায় করে বাড়ি ফিরতাম। যেতে যেতে বহুকিছু চিন্তা হতো। ঐ এলাকার চারপাশে আমরা যারা যারা থাকতাম, তারা এই জাহাজটাকে নিয়ে কত কত বচসা করেছি,একে ঘিরেই আমাদের সাইকিতে কী করে মুক্তিযুদ্ধ ঢুকেছে তার বিবরণ আজ আর দেয়া সম্ভব নয়।
আজ শুনি জাহাজটাকে কেটে কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। জানি না, এই সিদ্ধান্তের কারণ কী! ঐ নদী তো সংকীর্ণ ও হয়নি আগে থেকে। যা থাকার তাই আছে। তাহলে?
এটাকে চাঁদপুরের মানুষ থামাতে পারবে কী না জানি না। কিন্তু , আগামীবার লঞ্চঘাট থেকে বাসায় ফেরার সময় যখন ঐ রাস্তাটা পার হবো, যখন সন্ধ্যার সেই নিঃসঙ্গ, রহস্যময় জাহাজটার মাস্তুলটুকু আর দেখা যাবে না, তখন একটা দীর্ঘ শোচনায় মনটা ভরে উঠবে। এই জাহাজের সাথে আমাদের কতই না স্মৃতি, বিস্মৃতি; এসবকিছূ ফেলে জাহাজটি এবার সত্যিই আমাদের একা করে রেখে যাবে!
রিলেটেড পোস্ট: Click This Link
প্রকাশ করা হয়েছে: মন ভালো নেই বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
কারা এই সিদ্ধান্তগুলি নেয় খুব জানতে ইচ্ছা করে ।
লেখক বলেছেন: সেটাই।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
ইতিহাসের উপাদানগুলোকে আমরা মুছে দিতে পছন্দ করি বর্বরের মতই। আগে ব্যাপারগুলো বুঝতাম না , অল্পদিনের জন্য ইউরোপে এসে দেখি এরা তাদের স্মারকগুলোকে কি যত্ন করে রাখে। মাঝে মাঝে হয়ত হাস্যকর মনে হবে । একটা উদাহরণ দেই, পোল্যান্ডের ব্রস্লোতে একটা ল্যাম্পপোস্ট ঘিরে রাখা আছে। এই ল্যাম্পপোস্টে নাজীরা শহর ছেড়ে চলে যাবার পর প্রথম বাতি জ্বালানো হয়েছিলো।
আর আমরা আমাদের ছোট-বড় সবকিছুকেই অবলীলায় গুড়িয়ে দেই। কে জানে হয়ত আমাদের ইতিহাসের ভার বেশী হয়ে গেছে, বইতে পারছি না।
লেখক বলেছেন: সত্যিই আমরা সব কিছূ অবলীলায় গুড়িয়ে দিই।
তারিক টুকু আপনার অনুভুতির প্রতি সমবেদনা জানাই।
লেখক বলেছেন: আমি জানতাম না, জানার পর, মনটা খুব খারাপ।
লেখক বলেছেন: ![]()
মনজুরুল হক বলেছেন:
একটা জড়বস্তু।নিশ্প্রাণ,নিস্পন্ধন।একটাআড়া আড়ি বা লম্বা লম্বি কাঠামো।নিরেট।
কী আছে এর ? কী থাকে এতে? কী?
আমি আদমজী পাটকলের কথা বলছি....
আদমজী বন্ধ হওয়ার দিন ওখানে ছিলাম....
আজো চোখের সামনে দেখতে পাই সেই মানুষদের
বুকফাঁটা কান্না আর আহাজারি.............................
এটাই নিয়ম। পুঞ্জিভূত পুঁজির হাটে ওঠা সবই বিক্রয়যোগ্য পণ্য...আপনি আমি সকলে.......
লেখক বলেছেন: ওহ, আদমজী বন্ধ হয়েছিলো বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলার দিন। এখনও মনে আছে।
ত্রিভুজ বলেছেন:
খুব ভাল একটা জিনিষ তুলে ধরেছিস... ঈদে চাঁদপুর গিয়ে প্রথম জানলাম এই ঘটনাটা ঘটেছে... টাকার কাছে পৃথিবীর সব কিছুই বিক্রি হয়ে যায়!!!
লেখক বলেছেন: টাকার কাছে পৃথিবীর সব কিছুই বিক্রি হয়ে যায়, খুব সত্যি কথা।
তোর শরীরের অবস্থা কি?
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
সব চিহ্নই মুছে ফেলার চেষ্টা করা হবে! নইলে, রেসকোর্সের ময়দান কি আর শিশুপার্ক হয়? যেখানটায় বসে পাকিস্তানিরা আত্নসমপর্ণের দলিলে সাক্ষর করেছিল, আমরা তো সেটিও রক্ষা করিনি!
লেখক বলেছেন: আমরা কোনোকিছুই রক্ষা করতে পারিনি, পারবোও না।
সৌম্য বলেছেন:
বাংলাদেশ নেভীর প্রথম রণতরীর নাম বি এন এস পলাশ।১৯৭১ সালের ১০ই ডিসেম্বর পলাশ যখন পাক বাহিনীর উপর আঘাত হানতে যাচ্ছিল তখন তার অধিনায়ক ছিলেন ইন্ডিয়ান নেভীর ক্যাপ্টেন সামন্ত। হঠাত একটা মিগ এসে পলাশে বোমা মারে। ক্যাপ্টেন সামন্ত জানতেন ইতিমধ্যে পাক এয়ার ফোর্সের সবগুলো বিমান গ্রাউন্ডেড। ভারতীয় মিগ ভুল করে বোমা মেরেছে, উনি পালটা আঘাত না হেনে এবান্ডান শিপ ডিক্লেয়ার করেন। কিন্তু একজন ক্রু যার নাম রুহুল আমীন শিপ ছাড়েন নাই। নিজের জীবন দিয়ে পলাশকে চড়ে আটকে নেন। ইঞ্জিন রুমে আগুনে মারাত্মক ভাবে দগ্ধ রুহুল আমীনের একহাত উড়ে যায়, অন্য হাতে সাতরে তীরে উঠলে রাজাকারের দল বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে তাকে হত্যা করে লাশ মাটি চাপা দেন। রুহুল আমীন নিজের জীবন দিয়ে রণ তরী পলাশকে রক্ষা করেন, এবং বীর শ্রেষ্ঠ খেতাব পান। কিন্তু ১৯৮৫ সালের দিকে পলাশ বিকল হয়ে গেলে বাংলাদেশ নেভী ঐতিহাসিক পলাশকে সংরক্ষন না করে এটাকে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করে দেয়। একজন বীর শ্রেষ্ঠ নিজের জীবন উতসর্গ করে যেই জাহাজটাকে রক্ষা করেছিলেন বাংলাদেশ নেভীর কাছে সেটা ছিল জঞ্জাল
লেখক বলেছেন: কী লিখবো। ![]()
কী লেখার আছে!
লেখক বলেছেন: মন ভালো নেই
সমকালের গান বলেছেন:
সৌম্য বলেছেন: ... ১৯৮৫ সালের দিকে পলাশ বিকল হয়ে গেলে বাংলাদেশ নেভী ঐতিহাসিক পলাশকে সংরক্ষন না করে এটাকে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করে দেয়। একজন বীর শ্রেষ্ঠ নিজের জীবন উতসর্গ করে যেই জাহাজটাকে রক্ষা করেছিলেন বাংলাদেশ নেভীর কাছে সেটা ছিল জঞ্জালসর্বনাশ।
লেখক বলেছেন: বিশাল সর্বনাশ।
তানজু রাহমান বলেছেন:
কেউ কি দেখে না এইসব?!
লেখক বলেছেন: জানি না রে ভাই। কিচ্ছু জানি না।
লেখক বলেছেন: নিশ্চুপ
লেখক বলেছেন: ![]()
প্রিয়তমা বলেছেন:
ভীষন খারাপ লাগলো...
লেখক বলেছেন: ![]()
লাল দরজা বলেছেন:
আটলান্টিকের ঐ পাড় থেকে আদমজী বন্ধ হবার খবর শুনে কদিন ভীষন ছটফট করেছি। আমার জীবনের সবচে উল্লেখ যোগ্য সাত/আটটি বছর কাটিয়ে ছি আদমজী চটকলে। ঐখানে শীতলক্ষার ঐ পাড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আমার সমস্ত কৈশোর!
যে অবাঙ্গালীরা আমাদের শোষণ করে আমাদের সোনালী পাটের সকল মুনাফা পশ্চিমে পাচার করে ফেলত জেনেছি এক কালে সেই স্বর্ণতন্তু আজকের পরিবেশ সচেতন পৃথিবীতে যেখানে সত্যই হতে পারত সোনালী সম্ভাবনা সেই সময় এসে স্বাধীন বাংলাদেশের আমরা পারলাম না আদমজী পাটকলটিকে রক্ষা করতে! পারলাম না পাটের সোনালী আঁশ দিয়ে নিজেদের অর্থনিতীকে সোনালী করতে। পারার মধ্যে পারলাম, পাটের আঁশের দড়িতে নিজের গলায় ফাঁশ দিতে!
আফছোস লাগে যখন ভাবি! ৩৭ বছর ধরে আমাদের পাট গবেষণা ইনিষ্টিউট গবেষণা করে এই শিল্পটিকে মেরেছে আর নিউপ্রিন্টে কিছু চটি কিতাব ছেপেছে। (প্রবাসী এক ছাত্রের মুখে শোনা একবার ও পাট গবেষণা -- এর ঐখানে গিয়ে খোজ করে তথ্যের মধ্যে পেয়ে ছিল পচা কাগজে ছাপানো চার/পাঁচটি চটি।)
আপনার পোষ্টটি পড়ে নিজের শৈশব মনে পড়ে গেল। মনজুরুল হক এর কথায় আদমজী প্রসঙ্গ এল বলে দুঃখটা উথলে উঠল, অপ্রাসঙ্গিক হলে মন্তব্যটা মুছে দিয়েন।
লেখক বলেছেন: না, না অপ্রাসঙ্গিক মনে হবে কেন।
লেখক বলেছেন: খুবই শকিং
তানভীর রাতুল বলেছেন:
লেখাটা ভালো লাগে নাই। কষ্ট লাগছে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দূরন্ত বলেছেন:
এভাবেই সম্ভবত আস্তে আস্তে আমরা ভুলে যাবো আমাদের সমস্ত স্মৃতি। ব্যাপারটা তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন।
সফেদ ফরাজী...... বলেছেন:
সব চিহ্নই মুছে যায় একদিন! সব চিহ্নই মুছে যায়? সব চিহ্নই মুছে দেয়া যায়? সব সম্ভবের দেশে বাস করছি আমরা। সবই হয়তো সম্ভব!
ওই জাহাজটা শুধু নয়, এদেশের অনেক স্মৃতিচিহ্নবাহক একদিন লুকিয়ে ফেলা হবে, আমি নিশ্চিত। কারা এরকম করছেন, এটা তো সবাই বুঝতে পারছেই। কিন্তু এর শেষ কোথায়?
লেখক বলেছেন: শেষ নেই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















