somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সিমলা জানেই না ধর্ষন কি?অথচ সে ধর্ষিত এটি আপডেট পোষ্ট।আগেরটি এখানে।
আজকে গেলাম ঢাকা মেডিকেলে।গিয়ে দেখলাম সিমলা বেড এ শুয়ে আছে।অন্য এক রুগীর বেড শেয়ার করা হয়েছে।ওর নিন্মাংগে পাইপ লাগানো।ডাক্তার দেখে গিয়েছে গত রাতে।আর কোন খবর নাই।ওর রিপোর্ট ফাইলটি খুজলাম কিন্ত কোথাও পেলাম না।কেউ বলতে পারলো না।ওর বাবাকে পাওয়া গেলো ওয়ার্ড এর বাইরে বসে বসে ঝুমছে।দারোয়ান ঢুকতে দেয়নি।এবং সম্ভবত সারারাত ঘুমায়নি।কোন মিডিয়ার কেউ যায়নি।গরীব বলে হয়তো সবাই অবহেলা করছে।ওর বাবাকে জিগ্গেস করলাম কি অবস্থা?উনি বললো,আজকে দেশে নিয়ে যাবে।আমি বল্লাম ওরতো আরো চিকিৎসা করা লাগবে।নাহলে পরে অনেক বিপদ হতে পারে।তিনি বল্লেন,এর চেয়ে আর বড় বিপদ কি হবে?আর গরীবের আবার চিকিৎসা?চিকিৎসা করানোর টাকা নাই।এখানে থাকলে খাবো কি?ওষধ কিনবো কিভাবে?শুনে নিজেকে অনেক ধিক্কার দিলাম।ভাবলাম এইতো আমাদের সোনার দেশ।আমরা সবাইকে ভাত কাপড় দিতে নাইবা পারলাম কিন্ত মানুষের জান মাল আর ইজ্জতের নিরাপত্তাটুকুও কি দিতে পারি না?এই অন্যায়ের বিচার কি শেষ পর্যন্ত হবে না?হয়তো শেষ পর্যন্ত গ্রাম্য সালিশে এর সমাধান হবে কয়েকটা টাকার বিনিময়ে।কিন্ত এই মেয়েটির জীবন এবং ভবিশৎ?
চোখ মুছে হাসপাতাল থেকে বেড়িয়ে এলাম মেয়েটির বাপের হাতে কিছু টাকা দিয়ে।নিচে এসে দেখলাম এটিএন নিউজের স্টাফ রিপোর্টার ফায়েজ ভাই পুলিশ এবং ছাত্র মারামারির রিপোর্ট কাভার করতে আসছে।মনে মনে ভাবলাম,আমি দুই দিন ধরে চেষ্টা করে একটা মিডিয়ার লোক পেলাম না একটি জঘন্য অপরাধের পক্ষে একটি কথা বলার লোক অথছ ওই ঘটনা কাভার করার জন্য কোন মিডিয়ার লোক বাদ নাই।যাই হোক ফায়েজ ভাইকে বুঝিয়ে বলার পর ওনি রাজি হলেন।আমার সাথেই উপরে গিয়ে বিষয়টি কভার করলেন।আস্বাস দিলেন যতটুকু সম্ভব দেখবেন।আমি শেষ পর্যন্ত একটু হলেও সান্তনা নিয়ে বেড়িয়ে আসলাম।জানিনা ঘটনাটা এটিএন নিউজ প্রচার করবে কি না।এখনো শংকায় আছি এই ভেবে যে,এই নিরপরাধ মেয়েটি ওর সম্ভ্রমের মুল্য পাবে কি না এবং যে জানেই না ধর্ষন কি এবং ওর কী ক্ষতি হয়ে গেল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29361620 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29361620 2011-04-12 20:28:10
এক নরপশুর কামনার বলি হয়ে আট বছরের শিশু সিমলা এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইমার্জেন্সীতে ছটফট করছে।ব্লগের সাংবাদিক ভাইয়েরা একটু সাহায্য... যদি কারো কিছু করার থাকে প্লীজ যেভাবে হোক সাহায্য করেন।একটি জঘন্য অন্যায়ের প্রতিবাদ করা মানুষ হিসেবে আমাদের সকলের দায়িত্ব।

আমার সাথে যোগাযোগ ০১৭২-১০৮০৭৮৫]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29361075 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29361075 2011-04-11 21:09:43
মাইক্রোসফট অফিস একাউন্টিং প্রফেশনাল ২০০৯ এর সিরিয়াল কী লাগবে। http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29279021 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29279021 2010-11-27 18:39:42 সায়েদাবাদ রেলক্রসিং দুর্ঘটনা ও ঢাকার যানযট নিরসনে আমার যৌক্তিক ভাবনা।


একবার ভাবেনতো,যদি টংগী থেকে যাত্রাবাড়ী কিংবা নারায়নগন্জ মাত্র একঘন্টায় পৌছানো যায় তাহলে ব্যপারটা কেমন হয়?ভাবতেই কেমন ভালো লাগছে তাই না?এখনকার ঢাকার রাস্তাঘাট এবং যানজটের যা অবস্থা তাতে এমনটা ভাবাটা কল্পনামাত্র।কিন্তু আমি যেই প্লানটা দিবো সেটা বাস্তবায়ন করতে পারলে ঢাকার যানযট/মানুষজনের ভোগান্তি পুরোপুরি নাহলেও ৭০/৮০%কমানো সম্ভব।এবার প্লানটা বলি....

আপনারা হয়তো সবাই জানেন যে চিটাগাং এবং উত্তরবংগ থেকে যে ট্রেন লাইন ঢাকার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছে সেটি টংগী হয়ে এয়ারপোর্ট,কুড়িল মোড়,কাকলী হয়ে মহাখালী,ফার্মগেটের খুব কাছদিয়ে মগবাজার হয়ে কমলাপুরে শেষ হয়েছে।আবার কমলাপুর থেকে যাত্রাবাড়ী,জুরাইন হয়ে নারায়নগন্জ চলে গেছে আর একটি লাইন।তাহলে কি দাড়ালো?টংগী থেকে নারায়নগন্জ পর্যন্ত অলরেডী ট্রেনলাইন আমাদের রেডীই আছে।প্রশ্ন উঠতে পারে ট্রেনলাইনতো কবে থেকেই আছে তাহলে এর সাথে যানজট কমানোর সম্পর্ক কি?এই প্রশ্নের উত্তরই আজকের আমার আইডিয়া।যারা বুদ্ধিমান তারা হিসেব কষতে শুরু করুন।দেখেন কিছু বের হয় কিনা?এবার দেখুন আমার মাথা থেকে কি বেড়িয়েছে যার জন্য আমি এই পোষ্ট লিখছি।
আমার কথা হলো,ট্রেন লাইন আমাদের আছে।কিন্তু এটাকে আমরা আসলে ঠিকমত ইউটিলাইজ করতে পারছি না।সেই সম্ভবত ব্রিটিশরা যেভাবে ট্রেন লাইন বানিয়েছে,ওরা যেভাবে ট্রেন চালিয়েছে আমরা এখনো সেভাবেই চালাচ্ছি।এর পিছনে মাথা খাটাইনি।যাইহোক এবার আসল কথায় আসি।আমি যেভাবে এই ট্রেন লাইনটিকে ব্যবহার করতে চাই তা বলছি।আমার এই মতের সাথে অনেকরে দ্বিমত থাকতে পারে বা আরো ভাবনা,পরামর্শ যোগ হতে পারে।আপনারা চাইলে অবশ্যই কিছু যোগ করতে পারেন অথবা এ বিষয়ে আরো আলোচনা হতে পারে।
আমার প্লানে প্রথমেই যেটা করতে হবে সেটা হলো,কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশনকে সরিয়ে ঢাকার বাইরে নিতে হবে।সেটা নেওয়া যেতে পারে টংগীরেলওয়ে ষ্টেশনের যে যায়গাটায় চিটাগাং ও উত্তরবংগ থেকে ট্রেন লাইন এসে একযায়গায় মিশেছে সেখানে।কারন,এতটুকু একটা সিটির মধ্যে ইন্টারডিস্ট্রিক্ট একটা ট্রেন ষ্টেশন রাখার কোন মানেই হয়না।যেখানে একঘন্টা পরপর একটা ট্রেন আসে আর তার জন্য অনেকগুলো সিগনালে গাড়ি আটকে থাকে।এরপরে যেটা করতে হবে সেটা হলো,প্রত্যেকটা সিগনালে হয় ছোট ছোট ফ্লাইওভার বানাতে হবে আর নাহয় মাটির তলাদিয়ে ট্রেনলাইন নিতে হবে শুধু সিগনালের যায়গা গুলো দিয়ে এর সাথে কিছু নতুন ষ্টেশনও বানানো যেতে পারে যেখানে যেখানে দরকার।বাকি লাইন যেভাবে আছে সেভাবেই থাকবে।এরপরে আসেন ট্রেন এর কথায়।৫ টা কি ৬ টা হাইস্পীড/বুলেট ট্রেন বসান যেগুলো দুইদিকেই চলাচল করতে পারে।প্রত্যেকটা ট্রেন প্রতিটি প্লাটফরমে একমিনিট করে দাড়াবে।অনেকটা মালয়েশিয়ার মনোরেইল বা ভারতের মেট্রৌর মতো।এবার হিসাব করুন টংগী থেকে নারায়নগন্জ যেতে কতক্ষন লাগবে।আসেন এবার আনুসাংগিক প্রসংগে বলি।এই আইডিয়া বাস্তবায়ন করতে গেলে আরো কিছু আনুসাংগিক কাজ সরকারকে করতে হবে।যেমন,যদি কমলাপুর ষ্টেশন টংগীতে স্থানান্তর করা হয় তাহলে ওখানেও একটা কনটেইনার ডিপো করতে হবে।কন্টেইনারগুলো ওই ডিপো থেকে এর আমদানিকারকরা সংগ্রহ করবে।এবং এগুলো রাত ১২টার পরে ঢাকার রাস্তায় আনা নেওয়া করাতে হবে।যারা প্রাইভেট গাড়ী ব্যবহার করেন তারা অফিস টাইমে শুধুমাত্র একজনের জন্য গাড়ী ব্যবহার করতে পারবে না।সিংগাপুরে অনেকটা এরকম নিয়ম আছে মনেহয়।কোন রিকশাওয়ালাকে মেইন রোডে উঠতে দেয়া যাবে না।যেখানে দ্রুতগামী গাড়ী চলাচল করে।রিকশাওয়ালাদের বিকল্প কর্মসংস্থান করতে হবে।মানুষজনকে বাইসাইকেল/মটরসাইকেল ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে।

পর্যায়ক্রমে মিরপুর ১২ নং থেকে ফার্মগেট,নাবিস্কো,গুলশান ১ হয়ে মধ্যবাড্ডা পর্যন্ত এবং কুড়িল মোড় হতে মৌচাক,কাকরাইল,গুলিস্থান হয়ে বাবুবাজার ব্রীজ পর্যন্ত দুটি মনোরেইল করতে হবে।এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন,আমার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সরকারকে র‌্যাংগস ভবনের মত কোন স্থাপনা ভাংতে হবে না বা কোন জমি অধীগ্রহনও করতে হবে না।রেললাইন তো করাই আছে।মনোরেইলের জন্যও লাগবে না।কারন মনোরেইল রাস্তার মাঝে যে আইল্যান্ড আছে সেটির উপরেই জাস্ট ইংরেজি T শেপ এর একটি পিলারের উপরেই মনোরেইলের কাঠামো তৈরি করা সম্ভব।তাই এখানে জমি অধিগ্রহনের কোন দরকার নেই।গাড়ি চলাচলের রাস্তার উপরই এটি বানানো সম্ভব। এই মনোরেইল গুলি অনেক দ্রুত চলাচল করে এবং কম্পিউটারাইজড।তাই সময় হিসেব করেই চলাচল করে।
আমার লেখার মুল কথা হলো,যদি আমরা ট্রেন সার্ভিসকে কার্যকর করতে পারি তাহলে মানুষজনের যাতায়াতের জন্য একটা নির্ঝন্ঝাট ব্যবস্থা করতে পারবো কারন একটি ট্রেন এ বাসের চেয়ে অনেক বেশী যাত্রী বহন করা যায় এবং খুব কমসময় লাগে।মানুষের কর্মঘন্টাও নষ্ট হয় কম।

পরিষেশে আমি এটা বলতে চাই যে,আমি এখানে যত সহজে বল্লাম কাজটি হয়তো তত সহজ না।কিন্তু ভেবে দেখতে দোষ কোথায়?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29247494 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29247494 2010-09-30 12:10:31
ক্লাশ ওফ দ্যা টাইটান ছবির ডাউনলোড লিংক চাই একটু দিবেন দয়া করে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29234554 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29234554 2010-09-03 14:24:10 দক্ষ কর্মীর অভাবে পড়েছে ইউরোপ,আমেরিকা সহ পৃথিবীর উন্নতদেশ সমুহ মুল খবর এখানে

স্কীলড ওয়ার্কার নেই উন্নত বিশ্বে।যারা ছিলো তাদের এখন রিটায়ার্ড হওয়ার সময় আসছে।নতুন কেউ এসব কর্মীর চাহিদা পুরন করতে পারছে না।বিশেষ করে যেসব কাজ শারিরীক পরিশ্রমের যেমন,কার্পেন্টার,পেইন্টার,বুচার,ওয়েল্ডার বা মেকানিক,ইলেকট্রিশিয়ারনের মত ভারী কাজগুলোর লোক পাওয়া এখন খুব অসম্ভব হয়ে পড়েছে।এর একমাত্র কারন হলো উন্নত বিশ্বে এইসব পেশাকে এই শতাব্দীতে নিম্নমানের কাজ হিসেবে গন্য করা।তরুন প্রজন্মরা এইসব পেশাকে নেগলেকট করার এবং এগুলো সমন্ধে অভিবাবক তথা সমাজের মানুষের নেতিবাচক মানসিকতার জন্য এইসব পেশার প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ কমে যাওয়া।তাছাড়া এসব পেশার জন্য যেধরনের ট্রেনিং দরকার তার কোনটার প্রতি আগ্রহ নেই তরুন প্রজন্মের।তরুনরা সবাই প্রথাগত ডিগ্রি এবং সুটেড বুটেড জবকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে।তারা এই কাজকে ব্লু কালার জব বলে মনের করে যেটা তাদের জন্য অমর্যাদাকর।কিন্ত পরিসংখ্যান বলছে এই কাজ থেকে একজন ছয় অংকের সেলারীও ড্র করতে পারে।অবস্থা এমন চরম যে খোদ ইউরোপের উন্নত দেশগোলো কম উন্নত অথবা নতুন ইউ ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো যেমন পোল্যান্ড থেকে কর্মী নিয়ে চলছে। এই কর্মী সংকটের তালিকায় এশিয়ার দেশ জাপানও আছে।লেবার ইউনিয়নগুলো তাই এই সংকট সমাধানে চেষ্টা করে যাচ্ছে।হয়তো দেখা যাবে বিশ্বের অনুন্যত এলাকা থেকে প্রশিক্ষন দিয়ে কর্মী নিয়ে এই সমাস্যার সমাধান করা হবে।তাহলে হয়তো আমাদের দেশেরমত গরীব দেশের কিছু লোকের কাজ হলেও হতে পারে।যদি আমাদের সরকার প্রধানরা এই ব্যাপারে এখনই ব্যবস্থা গ্রহন করে।
আশা করি আমাদের পলিসি মেকাররা এই ব্যপারটির গুরুত্ব অনুধাবন করে দ্রুত ব্যবস্থা নিবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29231301 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29231301 2010-08-28 16:43:20
যাকাত ক্যালকুলেটর এটি আমার এক মুসলিম ব্ন্ধু আমাকে আজকে মেইল করে দিয়েছে।তাই একজন মুসলমান হিসেবে আমার কতর্ব্য হলো আপনাদের কাছে শেয়ার করা।আশাকরি আপনারা এটি ব্যবহার করে ইসলামী শরীয়াহ মতে আপনার যাকাত আদায়করবেন।
আমার কোন র‌্যাপিড শেয়ার বা মেগা আপলোড একাউন্ট নাই।তাই যাদের দরকার তারা আমাকে একটু মেইল করবেন।আর যদি কোন মুসলমান ভাইয়ের কাছে অনলাইন ভারশনে এটি থেকে থাকে তাহলে ডাউনলোড লিংক দিয়ে সবাইকে সাহায্য করবেন।
ধন্যবাদ


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29222464 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29222464 2010-08-14 15:48:00
কলিকাতা যাইতাম চাই......বাসে যামু কেমতে কি?একটু হেল্প করেন।পিলিজ http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29211776 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29211776 2010-07-31 11:56:39 এইটা কি হইলো বুঝলাম না,বাংলার লাদেনকে বিয়ে করলো প্রিন্সেস ডায়না! ভাই আমি জগতে নাই।কেমতে কি হইলো?তিশারে.......তিশারে......তিশারে বিয়া করলো ফারূকী <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> ?বান্দরের গলায় মুক্তার মালা!!!!অবশ্য দিজিতাল যুগ।এতো অবাক হওয়ার কিছু নাই।এইটা বাংলাদেশ।সব সম্ভবের দেশ।আসেন সবাই একলগে আওয়াজ তুলি...বিন লাদেন,জিন্দাবাদ,বাংলার লাডেন জিন্দাবাদ। <img src=(" style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" /> ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29201824 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29201824 2010-07-17 14:27:37 যারা পুরাতন বা সেকেন্ডহ্যান্ড ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবছেন তাদের জন্য মাস্ট রীড।পর্ব-১ আমার এই সিরিজের দ্বিতীয় পোষ্ট আমার এই সিরিজের প্রথম পোষ্ট
যাদের ল্যাপটপ আছে এবং ল্যাপটপের প্রাথমিক প্রতিরোধমুলক রক্ষনাবেক্ষন জানেন না তাদের জন্য আমার আগের দুটি পোষ্টের লিংক দিলাম।যাইহোক,নতুন ল্যাপটপের দাম এখন দেশের মার্কেটে অনেক কম। তারপরও যারা পুরাতন বা সেকেন্ডহ্যান্ড ল্যপটপ কেনার কথা ভাবছেন একটু বাজেট কমের আশায় তাদের জন্য এই পোষ্টটি হয়তো কিছুটা উপকার হবে।
ল্যাপটপ মুলত ট্রাভেল কীট বা মোবাইল কম্পিউটিং এর জন্য তাই যারা খুব বেশী ট্রভেল করেন তাদের জন্য ল্যপটপের ওজন একটা বিরাট বিষয়।তাই ল্যপটপ পুরাতন বা নতুন যাই কিনুন না কেনো এর ওয়েট এর বিষয়টি মাথায় রেখে কেনাই ভালো।
ব্যটারী ব্যকআপ ছাড়া ল্যপটপ কেনার কোন অর্থই নেই।তাই যখনই কোন পুরাতন ল্যপটপ কিনবেন তখন এর ব্যটারী ব্যকআপ চেক করে নিবেন।কমপক্ষে ৪৫ মিনিট ল্যপটপটি শুধুমাত্র ব্যটারী দিয়ে চালু করে
দেখে নিবেন।৪৫ মিনিট ধৈর্য ধরে সময় দিলে পরবর্তীতে আপনার ৪৫সপ্তাহ ব্যাকআপের টেনশান দুর হবে।
ল্যপটপ কেনার সময় একটি করে অডিও,ভিডিও,এবং ব্লান্ক সিডি ডিভিডি সংগে নিন।এগুলো দিয়ে আপনি ল্যাপটপের অডিও সেকশান,ভিডিও সেকশান ও ডিভিডি ড্রাইভের রীড রাইট ফাংশানগুলো চেক করে নিতে পারবেন।
উইনডোজের স্কানডিস্ক রান করিয়ে নিতে পারেন ।এটি ল্যাপটপের হার্ড ডিস্কের ব্যাডসেকটর টেস্ট করতে ব্যবহার হয়।
একটি পেনড্রাইভ সাথে নিন।এটি দিয়ে ল্যপটপটির ইউএসবি পোর্ট টেষ্ট করতে ব্যবহার করবেন।অনুরুপ একটি এসডি মেমোরি কার্ডও নিতে পারেন মেমোরি স্লট পরিক্ষা করার জন্য।


হ্যাপি ল্যাপটপিং <img src=" style="border:0;" />

পরের কিস্তির জন্য অপেক্ষা করুন...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29169938 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29169938 2010-06-04 13:37:40
ল্যাপটপের প্রাথমিক প্রতিরোধমুলক যত্নআত্তি....পার্ট টু। প্রথম পার্ট

কখনো চালু অবস্থায় ল্যপটপ একস্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করবেন না।এতে আপনার হার্ডডিস্কের স্থায়ী ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।
এক্সটার্নাল ডিভাইস যেমন,উএসবি কীবোর্ড,মাউস,পিসি কার্ডস,পেন ড্রাইভ এগুলো আপনার ব্যটারী থেকে পাওয়ার নেয়।যখন এগুলো ব্যবহার করবেন না তখন ল্যপটপ থেকে প্লাগআউট করে রাখুন।
কখনই ল্যাপটপকে কোন কাপড়ে জরিয়ে বা খাটের উপর রেখে ইউজ করবেন না।কারন আপনার ল্যাপটপটির কুলিং সিস্টেমের এয়ার ফ্লোটি অধিকাংশ ল্যপটপের নিচ দিয়ে হয়ে থাকে।খাটে অথবা কাপড়ে পেচিয়ে ল্যপটপ ইউজ করলে এর এয়ার ফ্লো বাধা পায় যার ফলে ল্যপটপটি গরম হয়ে নষ্ট বা হাং করতে পারে।বেটার একটা এক্সটার্নাল কুলিংপ্যাড ইউজ করা।
কখনোই ল্যপটপের কীবোর্ডে খুব জোরে জোরে টিপ দেওয়া বা টাইপ করা ভালো না।কারন কিবোর্ডের ঠিক নিচেই ল্যাপটপের মাদারবোর্ড ও সার্কিট থাকে ।আর যখন গেমস খেলা হয় তখন একটি এক্সটার্নালর কীবোর্ড অথবা জয়স্টিক ব্যবহার করা উচিত।

প্রিয় পাঠক ও আমার ব্লগার ভাই ও বোনেরা,আমার এই পোষ্টের মাধ্যমে ল্যাপটপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনাদেরকে সামান্য উপদেশ বা তথ্য দিয়ে সাহায্য করার চেষ্টা করেছি মাত্র।যারা এ বিষয়ে জানেন না তাদের যদি সামান্য উপকার হয় তাহলে এই লেখা সার্থক হবে।আর যারা জানেন তাদের কাছে ভুলত্রুটি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।ধন্যবাদ।

পরের কিস্তি যারা সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ কিনার চিন্তা করছেন তাদের জন্য।একটি সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যপটপ কিনতে গেলে কি কি বিষয়ে নজর রাখা উচিত সেই বিষয়ে কিছু লিখার আশা রাখছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29169204 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29169204 2010-06-03 13:51:59
ল্যাপটপের প্রাথমিক প্রতিরোধমুলক যত্নআত্তি...।কিছু টেকি পোষ্টের সিরিয়াল চলবে...<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
বিসমিল্লাহ,

যদি এমন হয় যে অনেক দিন আপনি আপনার সাধের ল্যাপটপটি ব্যবহার করবেন না তাহলে প্রথমেই যা করবেন তা হোলো আপনার ব্যটারীটি ল্যপটপ থেকে ৫০% চার্জ দিয়ে খুলে আলাদা করে রাখুন।এতে ব্যটারি ভালো থাকবে।
যখন ল্যাপটপটি ইউজ করবেন না তখন আপনার চার্জারটি এ,সি লাইন থেকে খুলে রাখুন ।এটা আপনার ব্যটারীকে ওভার চার্জ হতে রক্ষা করবে।

যদি আপনার ব্যটারির ব্যকআপ টাইম কিছুটা বৃদ্ধি করতে চান তাহলে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো,আপনি এলসিডির ব্রাইটনেস কিছুটা কমিয়ে রাখতে পারেন এবং যখন দরকার নাই তখন ওয়াই ফাই ,ব্লুটুথ সুইচ বন্ধ করে রাখতে পারেন অথবা পাওয়ার সেভিংমোড বা স্টান্টবাইমোড অন করে অথবা হাইবারনেশন অন করে রাখতে পারেন।তাহলে যা হবে তা হলো যখন আপনি কিছু সময়ের জন্য ল্যাপটপ ইউজ না করলে আপনার ল্যাপটপের পাওয়ার মোডের উপর ভিত্তিকরে এটি আপনা আপনি স্টান্টবাই অথবা হাইবারনেশনে চলে যাবে যা আপনার ব্যটারী ব্যাকআপ টাইম বাড়িয়ে দিবে।
আপনি যদি সরাসরি ব্যাটারি থেকে আপনার ল্যাপটপকে বুট করান তখন ব্যাটারি থেক প্রচুর পাওয়ার চলে যায়।কারন বুটের সময় সমস্ত পেরিফেরাল সিস্টেম চেক করে যেমন ডিভিডি,ওয়াই ফাই,ব্লুটুথ,পিসিএমসিএ কার্ড,এমনকি ইউএসবি পোর্ট গুলো পর্যন্ত।তাই এক্সটার্নাল পাওয়ার লাগিয়ে ল্যাপটপ অন করাই ভালো।ওয়েল,তারমানে এই না যে,আপনার বাসায় পাওয়ার নেই তারপরও আপনি কোন কাজের জন্য ল্যাপটপ অন করবেন কিন্তু পাওয়ারের জন্যে বসে থাকবেন...দ্যাটস নট আ গুড আইডিয়া!!
যখন ল্যাপটপ অফ করবেন তখন শাট ডাউন কমান্ডের সাহায্য করুন।ডাইরেক্ট সুইচ টিপে ল্যাপটপ অফ করা বুদ্ধিমানের কাজ না।এতে আপনার ল্যাপটপের স্থায়ী ক্ষতির সম্ভাবনা হতে পারে অথবা ডাটা লস হতে পারে কিন্বা উইনডোস ক্রাশ করতে পারে।হার্ডডিস্কে ব্যাড সেকটরতো পরবেই।এই পদ্ধতি একমাত্র তখনই প্রয়োগ করবেন যখন কোন কারনে উইনডোস হ্যাঙ করে ।
একবার শাটডাউন করার পর পুনরায় ল্যাপটপ চালু করার জন্য অন্তত ১ মিনিট সময় দিন।
কোন সময়ই কোন তরল জাতীয় খাবার ল্যাপটপের কাছে বা এটির উপর খাওয়া যাবেনা।কারন যদি কোন কারনে এটির উপর কোন তরল পিছলে পড়ে যায় তাহলে এর ভেতরের সার্কিটের মধ্যে সর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা হতে পারে যা আর কখনোই রিপেয়ার করা নাও যেতে পারে।আর একান্তই যদি এমনটি ঘটে যায় তাহলে প্রথমেই যা করবেন সাথে সাথে আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারী প্লাস চার্জার খুলে ফেলবেন।এজন্য উইনডোজের শাট ডাউন কমান্ডের জন্য অপেক্ষা করবেন না।

চলবে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29168513 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29168513 2010-06-02 17:09:40
ধুর.........সাকিব আউট<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /> " style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />X#................পোষ্টাইতে পোষ্টাইতে আর একটা নাই।মেজাজ পুরা লাল হইছে।
৩৫৪/৭
৩৬৫/৮]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29166858 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29166858 2010-05-31 16:50:04
জুমলা এক্সপার্ট চাই। http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29115597 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29115597 2010-03-13 17:51:25 কক্সবাজার যাইতাম চাই
ঈদে কক্সবাজার যাইতাম চাই ।কেমতে কি?ভালোমন্দ,হোটেল,যাতায়াত কিভাবে ভালোহবে একটু আওয়াজ দেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29005671 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/29005671 2009-09-06 14:46:42
একটি ই কর্মাস ওয়েব সাইট বানাতে চাই।সাহায্য চাই<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" /> " style="border:0;" />।যারা জানেন আওয়াজ দিয়েন।কিরকম খরচাপাতি যাইবো এইসব ডিটেইলস সহ।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28907921 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28907921 2009-02-07 14:22:35 বড় রাজনৈতিক দলসমূহের নির্বাচনী ইশতেহারে যা থাকা জরুরি



কারার মাহমুদুল হাসান

আসছে ২৯শে ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার সব ধরনের আয়োজন এখন সম্পন্ন হবার পথে। উভয় বড় দল বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ এখন স্ব স্ব নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন চূড়ান্তকরণে ব্যস্ত। আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায় থেকে বলা হয়েছে যে প্রস্তাবিত ইশতেহারে দারিদ্র্যবিমোচন ও সন্ত্রাসদমন কর্মকান্ড বিষয়ে সবিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হবে। সে সংগে ধান-চাল-ডাল-তেল ইত্যাদি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনয়নের প্রচেষ্টাসহ খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক বিভিন্ন কর্মকান্ড জোরদারকরণের ইংগীত দেয়া হয়েছে সে সংগে খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলাসহ বিদ্যুৎ ঘাটতি কমানোর কার্যকরী প্রচেষ্টার উপরও সবিশেষ গুরুত্ব প্রদান করার কথা ইশতেহারে থাকবে মর্মে আভাস দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে বিএনপি’র ইশতেহার বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতা এম,কে আনোয়ার কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার প্রদান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা, দুর্নীতি দমন, সন্ত্রাস দমন এবং মধ্যপ্রাচ্যে আরও অধিক সংখ্যক বাংলাদেশীদের কর্মস্থানের সুযোগ সৃষ্টির কার্যকরী উদ্যোগ ইত্যাদি বিষয় থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন।

এসব ইশতেহারে লিপিবদ্ধ বিভিন্ন ঘোষণা এবং ওয়াদা, প্রতিজ্ঞা ইত্যাদির বাস্তবায়ন বিষয়ে যদি সঠিক বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখা হয় তবে এসব বিষয়ে দেশের আম-জনতার মতামত খুব একটা দ্বিমতের অবকাশ নেই বললেই চলে। এ অবস্থা সত্ত্বেও দেশের মানুষ রাজনৈতিক দল বা নেতাদের উপর আস্থা হারাতে চায় না, বরং নির্বাচনী ইশতেহার-এ দেয়া প্লান-প্রোগাম ঘোষণা ইত্যাদি বিশ্বাস করে বাঁচতে চায়। আর সম্ভবত: সেকারণেই দেশবাসী এবং সাধারণ ভোটারগণ রাজনৈতিক দল বা জোটের ইশতেহারে দেয়া ঘোষণা ওয়াদা ইত্যাদির জন্য অপেক্ষা করে এবং কেউ কেউ এসব খুঁটি-নাটি পড়ে দেখতে পছন্দ করে। অন্যদিকে অধিকাংশ ভোটার ইশতেহারে কি আছে বা নাই এসব নিয়ে খুব একটা গা করে না। সে যা-ই হোক, ুপৃথিবীর সকল উন্নত দেশে, অন্য কথায় পৃথিবীর সকল সভ্য দেশে নির্বাচনী ইশতেহারের গুরুত্ব অপরিসীম। সংশ্লিষ্ট দেশের ভোটারগণ নির্বাচনী ইশতেহার অত্যন্ত গভীর মনোযোগের সংগে চুলচেরা বিচার-বিশ্লেষণ করে থাকেন এবং সাধারণ নির্বাচন সহ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ইশতাহারে বর্ণিত প্রোগ্রাম বা কার্যক্রম জনমত গঠনে ও নির্বাচনের ‘মুড়’ ঘুরিয়ে দিতে যথেষ্ট ও অবদান রাখতে সক্ষম হয়। নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দল সরকার গঠনের পর ইশতেহারে বর্ণিত প্রতিটি ঘোষণা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে নিরন্তর কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণে তৎপর থাকেন। তবে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি এ বাংলাদেশে ক্ষমতার দুর্গে আসীন হবার সংগে সংগে আকর্ষণীয় শব্দচয়নে প্রণীত নির্বাচনী ইশতেহার বা এতে দেয়া বিভিন্ন সুন্দর ঘোষণা, ওয়াদাসমূহ প্রায় সাবলীল ও সার্বিকভাবে ভুলে যাওয়া বা অবহেলা করার কাজগুলি অতিসহজ এবং নির্বিকারভাবে করে ফেলতে সরকারী দল খুব একটা সময় নষ্ট করে না। বহু বছর থেকে এ ধরনের ট্র্যাডিশন -এর চর্চা চলে আসছে। তবে গত এক-দেড় বছরে বিশ্ব অর্থনীতি এবং এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ বা উত্তর বা দক্ষিণ আমোরিকার বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক বিশৃংখলার পাশাপাশি চাল-ডাল-তেলসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির যে অভাবনীয় ঊর্ধ্বগতি প্রত্যক্ষ করেছে এবং বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের সংগে সংগে কিংবা বলতে গেলে তার বেশ আগে থেকেই চাল-ডাল-তেল ইত্যাদির যে অভাবনীয় ঊর্ধ্বগতির অভিজ্ঞতা মাসের পর মাস প্রত্যক্ষ করেছে, যে অবস্থায় দেশের নিম্ন আয়ের এবং মধ্য আয়ের শতকরা প্রায় ১০০ ভাগ জনগোষ্ঠী অদ্যাবধি চরম আর্থিক কষ্টে কালাতিপাত করে চলেছে। সে কঠিন প্রেক্ষাপটে বড় রাজনৈতিক দলগুলির কর্ণধারদের বরাবরে অত্যন্ত বিনীতভাবে তাদের স্ব স্ব নির্বাচনী ইশতেহারে নিম্ন বর্ণিত বিষয়গুলি অন্তর্ভূক্ত করা তথা বিবেচনায় আনার জন্য প্রস্তাব করি।

ইশতেহারে কৃষি সেক্টরকে গুরুত্ব প্রদান বিষয়ক ঘোষণা সব রাজনৈতিক দল যেহেতু রেওয়াজ হিসেবে সবসময় উল্লেখ করে থাকেন এবং যেহেতু এ সেক্টরটি দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীর জীবন ধারনের প্রধান অবলম্বন, সেহেতু এতদ্বিষয়ে ইশতেহার এবং তৎসংগে প্রকাশিত সংশ্লিষ্ট পুস্তিকায় নিম্নেবর্ণিত বিষয়গুলি উল্লেখ করতে হবে। কারণ, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন সংস্থা সমূহে বিভিন্ন সময়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে কিংবা উচ্চতর ও পূজনীয় কর্তা ব্যক্তিদেরকে সন্তুষ্ট করার মানসে অবলীলাক্রমে তথ্যাদি পরিবর্তন করতে তাদের এতটুকু বুক বা হাত কাঁপে না। এর যৎকিঞ্চিৎ বিবরণ নিম্নে দেখা যেতে পারে ঃ

কৃষি মন্ত্রণালয়/কৃষি তথ্য সার্ভিস/কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত কৃষি ডায়েরী ২০০৮ (আগের বছরগুলিতে প্রকাশিত প্রতিটি ডায়েরী এর ব্যতিক্রম নয়)- এবং বিএডিসি ডায়েরী ২০০৮এ তে মোট খাদ্যশস্য উৎপাদন বিষয়ে দেয় তথ্য ঃ

ডিএই/এআইএস (এগ্রিকালচার ইনফরমেশন সার্ভিস) কর্তৃক প্রকাশিত কৃষি ডায়েরী ২০০৮-এ মোট খাদ্যশস্যের উৎপাদন ঃ

ক) বিবিএস প্রদত্ত (ধান ও গম সহ) = ২৭২.৬৫লাখ মেঃ টন

খ) ডিএই প্রদত্ত (ধান ও গম সহ) = ৩১৮.১৬ লাখ মেঃ টন

গ) ডিএই প্রদত্ত (ধান, গম ও ভুট্টা সহ) = ৩৩০.৮৪ লাখ মেঃ টন

বিএডিসি ডায়েরী ২০০৮: মোট খাদ্যশস্যের উৎপাদন

ক. বিবিএস প্রদত্ত (ধান ও গম সহ) = ২৬১.৩৩ লাখ মেঃ টন

খ. ডিএই প্রদত্ত (ধান ও গম সহ) = ২৭৯.২৪ লাখ মেঃ টন

গ. ডি এই প্রদত্ত (ধান, গম ও ভুট্টা সহ) = ২৮৪.০৪ লাখ মেঃ টন

এখানে উল্লেখ করার বিষয় দুই সংস্থা তথা কর্তৃপক্ষের একটি মূল উৎপাদিত দানা শস্যকে ‘ধান’ হিসেবে এবং অন্য কর্তৃপক্ষ মূল দানা শস্যকে চাল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অথচ সবাই জানেন যে, এক টন ধান থেকে গড়ে কমবেশী পৌনে এক টন চাল বেরিয়ে আসে। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে এ দুই বড় মাপের কর্তৃপক্ষ জাতিকে কী ‘মেসেজ’ দিতে চাচ্ছে? আগত রাজনৈতিক সরকারকে এসব তথ্যের ব্যাপারে কঠোরভাবে নজরদারীর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

উপরে বর্ণিত তথ্য বিভ্রাটের কারণে কোন রাজনৈতিক সরকারের পক্ষে কৃষি বিষয়ে সঠিক তথ্যাদি অবহিত হওয়া কোনভাবেই সম্ভব নহে। সুতরাং নির্বাচনী ইশতেহারে ডিএইসহ অন্যান্য সংস্থা / দপ্তরগুলিকে সত্য কথা বলা এবং সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ বিষয়ে কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মিথ্যা বলা বা ”যখোন মন চাহে যা” ধরনের তথ্য কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ না করে।

বাংলাদেশের পেক্ষাপটে বাস্তব অবস্থা হলো; যারা এখানে জমি চাষাবাদ করেন, ফসল ফলান দেশের মানুষের খাদ্য যোগান দেন, তাদের প্রায় ৭০/৭৫ ভাগই বর্গা চাষী, অন্যের জমিতে চাষাবাদ করে ফসল ফলান। তাদের নিজের জমি নাই, বললেই চলে কিংবা যা আছে তা-ও খুব সামান্য কিংবা উল্লেখ করার মতো নয়। আর সেকারণে ফসল উৎপাদনকারী চাষীদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই বিভিন্ন ব্যাংকসমূহ থেকে চাষাবাদ করার জন্য কোন কৃষিঋণ সংগ্রহ করতে পারেন না। তবে যেহেতু মূলধন ছাড়া সার, বীজ বা সেচ এর পানি, এসব কোনটিরও আনজাম দেয়া সম্ভব নয় আক্ষরিক অর্থেই, সে কারণে ফসল উৎপাদনকারী কৃষককুলের প্রায় ৭০ ভাগ অতি উচ্চসুদে ধনী লোকজন, ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী কিংবা প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষকসহ ঠিকাদার, দোকানদার ও অন্যান্য অনেক কিসিমের বিত্তবানদের নিকট থেকে ঋণ দিতে বাধ্য হন। কারণ, কৃষি কাজ ছাড়া অন্য কোন কাজ যে তাদের জানা নেই। কিংবা আয়ত্তের মধ্যে নেই। ফসল ফলানোর পর পরই ঋণের টাকা শোধ করতে গিয়ে ফসলের এক বড় অংশ বিক্রি করে দিতে হয় কৃষককে কিংবা ফসলের বড় ভাগ দাদনকারীদের ঘরে পৌঁছিয়ে দিতে হয়। সরকার দেড়-দুই দশক থেকে বর্গা চাষীদেরকে আনুষ্ঠানিক পদ্ধতির আওতায় কৃষি প্রদানের প্রত্যয় এবং ঘোষণা দিয়ে আসছে, তবে এ বিষয়ে কোন পদ্ধতি আজ পর্যন্ত প্রণয়ন করতে পারেনি কিংবা সরকারের কার্যকরী ও পরিকল্পিত কোন উদ্যোগ বা প্রচেষ্টা গ্রহণের কথা দেশবাসী জানতে পারেনি। এ ধরনের অবহেলা, তাচ্ছিল্য এবং অমনোযোগিতা অনেক বছর থেকে চলে আসছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বড় দুইটি রাজনৈতিক দল উপরোল্লিখত কৃষিঋণ সংশ্লিষ্ট জটিলতা কিভাবে সুরাহা করবেন- এবং কত দ্রুত, ইশতেহার বাস্তবায়ন পদ্ধতি পুস্তিকায় সে সব বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে।

বর্তমান বিবিএস এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ৮৭৩১৯টি (মতান্তরে ৮৭৭২২টি) ছোট-বড় গ্রাম আছে। প্রতিটি গ্রামে রাজনৈতিক দলীয় সরকার উদ্যোগ নিলে ক্ষমতা গ্রহণের ২ বছরের মধ্যে কমপক্ষে (১) দশটি কি করে মিনি ডেইরী (৩ থেকে ৫ টি গরু/গাভী সমন্বয়ে) ফার্ম (২) পাঁচটি করে মুরগী/পোল্ট্রী (আনুমানিক ২০০ থেকে ৩০০ টি প্রতিক্ষেত্রে) ফার্ম (৩) পাঁচটি করে গরু মোটাতাজাকরণ ফার্ম (৪) পাঁচটি পুকুরে মাছের চাষ ইত্যাদি কর্মকান্ডের ব্যবস্থা বা প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করতে পারেন। এর ফলে আগামী ২ বা ৩ বছরে দেশে কমপক্ষে তিন মিলিয়ন বেকার যুবক-যুবতীর কৃষি ভিত্তিক প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব। উল্লেখ্য, দেশে বর্তমান ১.৯ মিলিয়ন ছোটবড় পুকুর আছে।

কৃষি সংশ্লিষ্ট আরও অনেকগুলি ক্ষেত্র আছে সরকার দেশপ্রেমিক বিশেষজ্ঞ বিশেষত: কৃষি, মৎস্য, খাদ্য ইত্যাদি মন্ত্রণালয় এবং এসবের আওতাধীন বিভিন্ন দফতরসংস্থায় সুনাম ও দক্ষতার সংগে দায়িত্ব পালন করে এখন ঘরে বসে কালাতিপাত করছেন তাদেরকে খুঁজে বের করে- এসব কাজে লাগালে দেশের মানুষের সে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলসমূহেরও প্রভূত উপকার হবে। কর্মসংস্থান-এর ব্যবস্থা ব্যাপক ও কার্যকরীভাবে করা গেলে দেশে বেকার সমস্যা কমানোর পাশাপাশি সন্ত্রাস-এর মাত্রাও অনেকাংশে কমে আসবে।

আপাতত: রাজনৈতিক দলসমূহকে কৃষিসংশ্লিষ্ট উপরোক্ত প্রস্তাবসমূহ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে সংযোজন করে নির্বাচন যুদ্ধে সুস্থভাবে নেমে পড়তে আহবান জানাই। এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরে যানজট সমস্যা নিরসন কল্পে পরিকল্পিত ও বাস্তবসম্মত/বাস্তবায়নযোগ্য বিভিন্ন কার্যক্রম বিষয়াদিও ইশতেহার সংযোজন করা যেতে পারে। সে সঙ্গে দেশের তথাকথিত সুশীল সমাজের কর্ণধার, বড় বড় জ্ঞানী-গুণী আইনজ্ঞ যারা বিভিন্ন মামলায় ক্লায়েন্টদের পকেট কেটে প্রতিকেসে প্রতি শুনানিতে দুই থেকে দশ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। যেসব প্রতিষ্ঠানের/ফার্মের মালিকদের, মোক্তারদের আয়ের উৎস এবং আয়ের একশতাংশও তারা আয়কর দেন না মর্মে জনশ্রুতি আছে। তাদেরকে যথাসম্ভব সনাক্ত করে আমজনতাকে জানান দিয়ে আইনের চৌহদ্দীতে এনে অভিযোগনামা প্রণয়ন করে বিচারের ব্যবস্থা করা ইত্যাদিও ইশতেহারে সংযোজন করা যাতে পারে।

[লেখক: সাবেক সচিব]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28880288 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28880288 2008-12-08 22:39:28
প্রযুক্তি পণ্য আমাদের দেশে সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য হওয়া খুবই জুরুরি
প্রথমেই আসি এল সি ডি মনিটর এবং টিভির ব্যপারে।আমি মালয়েশিয়া থেকে একটা এসার ২২" এল সি ডি মনিটর কিনলাম মাত্র ১২ হাজার টাকা দিয়ে।সামসাং,বেনকিউ,ভিউসনিক এর দাম আরও অনেক কম। বাংলাদেশে এখনও ২১ হাজার টাকার কমে পাওয়া যায়না।এরপর আসি এল সি ডি টিভির কথায়।৩২" এলসি ডি টিভি (সামসাং)মাত্র ৩২ হাজার টাকা।৩৭" থেকে ৪৭ মোটামুটি ৪৫ থেকে ৭০ এর মধ্যে পাওয়া যায়।আর বাংলাদেশে ৩২"টিভি এখনো লাখের নিচে সম্ভবত নাই।তারপর আসি সব ব্রান্ডের ল্যাপটপের কথায়।আমি দেশের বাজারের সাথে এখানকার বাজার কমপেয়ার করে দেখছি এখানে এখনো দশ থেকে চল্লিশ হাজার টাকা কমে ল্যাপটপ পাওয়া যাবে।বাংলাদেশে যেখানে চায়নার নিন্ম মানের ল্যাপটপ(হাসি,গ্রেটওয়াল)কে ব্রান্ড হিসাবে এবং সবচেয়ে কমদামের কথা বলে বিক্রী করা হচ্ছে সেখানে ঐ একই কনফিগারেশনের ব্রান্ডেড ল্যাপটপ (এসার,কমপ্যাক,ডেল,তোশিবা...)পাওয়া যাবে আরো ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা কমে।এবার আসি একসেসরিজের কথায়।সেইদিন এক বন্ধর সাথে আলাপ হলো।ঐ বন্ধর এলিফ্যান্ট রোডে কম্পিউটারের বিজনেস আছে।ওর কথা অনুযায়ী জানতে পারলাম,দেশে একটা ল্যপটপের এল সি ডি চেন্জ করতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা লাগে।আমরা এখানে বড়জোর ১০ হাজার টাকা নিয়ে থাকি আর তাতেও আমাদের লাভ ২ হাজার টাকা।ব্যাটারি নতুন ৪৫০০ থেকে ৬ হাজার আর দেশে নাকি মিনিমাম ১০ হাজার।মজার ব্যপার হলো এখানকার সব জিনিষও চায়নার থেকে আমদানী হয়ে থাকে।তবে এগুলো চায়নার কোয়ালিটি পন্য।বাংলাদেশেও শুনেছি চায়না থেকেই আমদানী করে থাকে।তাহলে আমাদের দেশে দামের এত হেরফের কেনো?
দামের এই তারতম্যের একটা মুল কারন অবশ্য আমি খুজে পেয়েছি আর সেটা হলো আমাদের কাস্টম চার্জ খুব বেশী।উদাহরন হিসেবে বলা যায় একটা ৩২" এল সি ডি টিভির কাস্টমস ৩৫ হাজার টাকা।ভাবা যায়!যেখানে মালয়েশিয়ার মত দেশে কাস্টমস সহনীয় পর্যায়ে।সবকিছুই জনগনের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে।তাহলে এক কথায় আমরা বলতে পারি আমাদের দেশের সরকার প্রযুক্তি ব্যবহারে জনগনকে নিরুৎসাহিত করতে চায়।কিন্তু এটা সঠিক পন্থা না।একটি জাতির উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তির ব্যবহারকে যথা সম্ভব উৎসাহিত করা উচিত।জনগনের কাছে আধুনিক প্রযুক্তি যতটা সম্ভব সুলভে পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা সরকারকেই করতে হবে।তবেই জনগনের কর্মক্ষমতা এবং উপযুক্ত ঘ্যান( ঘ্যান বানান পারি না<img src=" style="border:0;" />) বাড়বে।

অফটপিক:আমার এই লেখার উদ্যেশ্য অন্য যায়গায়।আমি আমার দীর্ঘ প্রবাস জীবনের ইতি টানছি এই মাসেই।তাই দেশে এসে ভাল কিছু করার প্রবল ইচ্ছে আছে।আমার ইচ্ছে আমি ল্যপটপের একসেসরিসের বিজনেস করি।সঠিক মুল্যে ভালো মানের সেবা দেওয়ার জন্য আমি বদ্ধপরিকর।এখানকার কিছু কম্পানির সাথে আমার চুক্তিও হয়েছে।আমি এখান থেকে ল্যপটপের একসেসরিজ দেশে নিতে চাই।কিন্ত সমস্যা হলো আমাদের কাস্টমস।জানিনা ওই বেটারা কি করে।কিভাবে আমার গলা কাটার চেষ্টা করে।একসেসরিসের উপর কাস্টমস কত সেটাও জানি না।এ ব্যপারে কেউ জানলে বা অন্য কোন ভালো উপায় (স্টিকটলি নট আনডার টেবিল ওয়ে)থাকলে আমাকে জানাবেন প্লিজ।আমার মনে হয় সবারই কোন না কোনভাবে উপকার হবে।<img src=" style="border:0;" />

ধন্যবাদ সবাইকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28878858 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28878858 2008-12-05 22:50:15
সব বুঝে শুনে 'না' ভোট প্রদান যুক্তিসংগত মনে করছি।
সব দেখে শুনে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার ভোটটি আমি "না"ভোট মার্কায় দিবো।যে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য আমি হাজার হাজার মাইল পেরিয়ে আসবো নিজ দেশে সেই ভোট আমি কোন লুটেরা বা কোন দেশদ্রোহীকে দিবো না।আমি না ভোট দিবো।ধন্যবাদ র্নিবাচন কমিশন,ব্যলট পেপারে অন্তত "না"ভোটের সুযোগ রাখার জন্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28876857 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28876857 2008-12-01 19:03:35
সংগ্রহে রাখার মত বিরল ছবি।<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
ছবিসুত্র,বিডিনিউজ২৪.কম
জানিনা এই শতাব্দীতে এমন বিরল ছবি আর কখনো পাওয়া যাবে কিনা।তাই সবাই সংগ্রহে রাখেন।অন্তত নাতিপুতির কাছে গল্প করতে পারবেন,একদা এই দেশে.......<img src=" style="border:0;" />
বিডিনিউজ২৪.কম এর খবরে প্রকাশ-
দীর্ঘদিন পর একমঞ্চে একসঙ্গে হয়ে পরস্পরের সঙ্গে কথা বললেন দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের নেত্রী খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা। শুক্রবার সন্ধ্যায় সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা সেনানিবাসে সেনাকুঞ্জে আসেন তারা। সন্ধ্যা ৭টার পর খালেদা জিয়া ও কিছুক্ষণ পর শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। অনুষ্ঠানস্থল থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফিরোজ আহমেদ জানান, দুই নেত্রী হাত মেলান এবং প্রায় চার মিনিট দাঁড়িয়ে নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময় করেন। -]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28872251 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28872251 2008-11-21 20:25:31
এল সি ডি মনিটরের/টিভির দেশে কেমন দাম?(একটি সামরিক<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> পুষ্টানি,মুছে দিতাম পারি) " style="border:0;" /> দেশে আসার জন্য কিছু কেনা কাটা করা দরকার।আমার যেহুতু মুভি দেখার শখ তাই চিন্তা করছি একটা এল সি ডি টিভি কিনা আনুম।

এটা কিনতাম চাই।৩২ ইন্চি।কেমুন অইবো কন তো?রূমটারে পুরা হোমথিয়েটার বানামু।এখন ঘটনা অইলো দেশে এল সি ডি টিভির কেমন দাম?আরেকটা প্রধান সমস্যা হলো আমাদের কাস্টমস।টিভির জন্য কত টাকা ট্যাক্স দিতে হবে?দেখা গেলো ট্যাক্স দিয়ে নিয়ে গেলাম কিন্ত দেশে আরো কমে পাওয়া যেতো।তাহলেতো পন্ডশ্রম হবে।যদি তেমনই হয় তাহলে ২২ অথবা ২৪ ইন্চি এলসিডি মনিটর কিনা আনলে কেমন হয়?অবশ্য টিভি আর মনিটর দুইটার দুই রকম মজা।যেহেতু হোম থিয়েটার বানাবো তাহলে টিভিই বেষ্ট হবে মনে হয়?কি বলেন সবাই?
প্লিজ একটু হেল্পান সবাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28866925 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28866925 2008-11-09 22:59:05
মুভি রিভিউ: ট্রপিক থান্ডার ছবির পরিচালক এবং অভিনেতা বেন স্টেলার।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28864110 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28864110 2008-11-03 18:24:01 বাংলাদেশের ভাগ্য যাদের হাতে...আমরা আবার কোথায় চলেছি?
এই দুজনকে একসাথে দেখেছেন?
মনে করতে পারবেন না জানি।কারন এদের দুজনকে একসাথে দেখতে পাওয়া আর পুর্নিমার চাদঁদেখা একই রকম বিরল ঘটনা।কিন্তু দিবালোকের মত এটা সত্য যে,এই দুজনের হাতেই বাংগালী জাতির ভাগ্য আবর্তিত হচ্ছে বিগত এক,দুইয়ের অধিক দশক ধরে।এদের দুই আন্গুলী নির্দেশে বাংগালী জাতির ভাগ্যে ঘটে যায় অনেককিছুই।তারা আমাদের ভাগ্যবিধাতা,ত্রাতা!মজার ব্যাপার হলো আমরা বিগত দুই বছর জলপাই অলাদের হাতে নাকানি চুবানি খেয়ে আবার এই দুজনের কারো হাতেই ক্ষমতা তুলে দিতে যাচ্ছি ।আসলে আমাদের তো আর কিছুই করার নাই।আমরা বাংগালীতো বাশ খাওয়া জাতী।আমাদের বাশ খাওয়া ছাড়া অন্যকোন উপায়ও নেই।হয় এদের দুইজনের কারো হাতে আর নাহয় জলপাই আলাদের কাছে,বাশ আমরা খাবোই।যেহেতু নির্বাচন হচ্ছে তাহলে ধরে নেওয়া যায় এই দুই দেশনেত্রীর(দেশেনেত্রী বটে!একজনের পুরু পরিবার বিদেশে।আমেরিকায় ছেলে,কানাডায় মেয়ে আর লন্ডনে বোন।আহ!পুরা পৃথিবীই ওনার দেশ।ওনার দেশপ্রেমের নমুনাও চমৎকার!মেয়ের বাচ্চা হবে এই ওজুহাতে উনি যখন প্রধানমন্ত্রীছিলেন তখন পুরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একমাসের জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন কানাডায়।পৃথিবীতে বিরল ঘটনা এটি।আর ২৬ দিন হরতাল দিয়ে পুরো দেশ অচল করে রেখে উনিতো পুরা ইতিহাস রচনা করেছিলেন।আরেকজনের প্রতখ্য কোন অকারেন্স না থাকলেও তার ছেলেতো পুরো দেশটাকেই লুটপাটের রাজ্য বানিয়েছিলো।আর পরোক্ষভাবে তিনি এসবকে প্রশ্রয় দিয়েছিলেন।তা না হলে একটি ভাংগা সুটকেস আর দানে পাওয়া একটি বাড়ি থকে উনি এবং ওনার ছেলেরা কিভাবে দেশে এবং দেশের বাইরে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়?যারা সদরঘাট গেছেন তারা জানেন হয়তো কোকো নামের যাত্রীবাহি লন্চের কথা?তাহাদের কুকর্মের হিসেব করলে এরকম আরো হাজার হাজার উদাহরন দেয়া যাবে)হাতেই আমরা আবার আমাদের ভাগ্যকে তুলে দিতে যাচ্ছি।বরাবরের মত আবারো অনেক প্রত্যাশা নিয়ে আমরা তাদের পানে তাকিয়ে।এই দুই নেত্রী চাইলে আমাদের অনেক কিছুই দিতে পারেন।এই মুহুর্তে তাদের দলগুলোর নিবাচনী ইশতেহার বা মুল এজেন্ডা কি হওয়া উচিত?এই দুটি বৃহৎ দল কি ম্যান্ডেট নিয়ে জনগনের সামনে যাবে?তাদের নির্বাচনী এইজিনিষগুলো কি অধিকগুরুত্বপাওয়া উচিৎ না?যেগুলো সাধারন জনগনের প্রানের দাবী যেমন-
-হরতাল চিরতরে বন্ধ।যেই দলই জিতুক বা হারুক বিরুধিতার জন্য হরতালকে অস্রহিসেবে বেছে না নেওয়া।একটি হরতালে দেশের শত শত কোটি টাকা নষ্ট হয়।
-ছাত্রসংগঠনগুলো বিলুপ্ত ঘোষনা।ছত্রদের হাতে কলম থাকবে অস্র নয় কলম থাকবে।বাবা মায়েরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে তাদের ছেলে মেয়েদের উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠায়।লাশ হয়ে ঘরে ফিরার জন্য না।
-দুর্নিতি দমনে সর্বাত্বক চেস্টা করা।দুনিতি দেশের জন্য ক্ষতিকর।
-সন্ত্রাসী কর্মকান্ডও চিরতরে বন্ধকরা।সন্ত্রাস সমাজের জন্য ক্ষতিকর।শ্বংখলা নষ্ট করে।
-দারিদ্রদুরীকরনে বিপুল পরিমানে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।দারিদ্রদুরিকরনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিন্হিত করে এর সমাধানে যেকোন উপায়ে চেষ্টাকরে যাওয়া।দারিদ্রতা অনেক অপরাধের জন্মদেয়।বিপুল পরিমান বিদেশী বিনিয়োগ দারিদ্রতা দুরিকরন তথা কর্মসংস্থানের একটি সম্ভাব্য উপায় হতে পারে।

মোটামুটি এই কয়টি কাজ যদি ঠিকমত করা যায় তাহলে আমাদের ভাগ্য বদলানো কোন ব্যপারই না।আর এই কাজগুলো পুরোটাই হতে পারে দেশের সর্বোচ্চক্ষমতার আসনে অধিষ্ঠ একজন ব্যক্তির একটু সদিচ্ছার মাধ্যমেই।কিন্তু এই সদিচ্ছাটুকু আমাদের দুই দেশনেত্রীর কারোই নেই।আর যাদের আছে (জানিনা তেমন ব্যক্তি আদৌ আছেন কিনা।কারন দেখলামতো যে যায় লংকায় সেই হয় রাবন।জলপাই অলারা আমাদের মনে একটু আশা জাগাইছিলো ।ভাবছিলাম লুটেরা,দুর্নিতিবাজ,অসৎ লোকদের শেষমেষ টুটিটি টেনে ধরা গেছে।কিন্তু শেষতক তা আর হলো না।তিনারা সব সুপার হিরো হয়ে দলে দলে বেড়িয়ে এলো)তারা দর্ভাগ্যবশত কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবো না।কারন আমরা ত্রিকোনায় আটকে আছি।হয় এ দল না হয় বি দল আর নাহয় জলপাই দল।

স্বাধীনতার পরথকেই এই চলছে.....

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28863782 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28863782 2008-11-03 01:18:20
ব্লগের মালিক আরিল ভাই তার সবকিছু বিক্রী করছে কেনো????<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />:<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> ঝাতি ঝানতে ছায়।
কেউ কি কিছু জানেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28858872 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28858872 2008-10-24 00:40:21
যারা ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবছেন...একটি সতর্কতামুলক পোষ্ট যারা নতুন ল্যপটপ কেনার কথা ভাবছেন তাদেরকে সতর্ক করার জন্য আমার এই পোষ্ট।যারা বাজার থেকে নতুন ল্যাপটপ কিনবেন তারা আর যাই হোক এনভিদিয়া চিপসেট সমৃদ্ধ কোন ল্যপটপ কিনবেন না দয়া করে।আর ব্রান্ড এবং মডেল হিসেবে বলতে গেলে বলতে হয়,কমপ্যাক ভি৩০০০ সিরিজের কোন ল্যাপটপ না এবং এইচপি ডিভি ৬০০০,এইচ পি ট্যবলেট পিসি টিএক্স ১০০০,২০০০ তারপর ডেল এক্সপিএস যেকোন মডেল।এগুলো আমি না কেনার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি এবং আবারো বলছি বিশেষ করে এনভিদিয়া চিপসেট সমৃদ্ধ কোন ল্যাপটপ কিনবেন না।এনভিদিয়ার চিপসেট গুলোয় ম্যনুফ্যাকচারিং ডিফেক্ট ধরা পড়েছে।এই চিপসেট গুলো মুলত এইচ পি কোম্পানী বেশী পেয়েছে।তাই এইচ পির এনভিদিয়া চিপসেট সহ কোন ল্যাপটপ না কেনার জন্য আমি সবাইকে পরার্মশ দিচ্ছি।প্রবলেমটা ঠিক এরকম,ধরুন আপনি কমপ্যক ভি৩০০০ সিরিজের কোন ল্যপটপ কিনলেন।প্রথম একবছর কিছুই হবে না।কিন্ত ওয়ারেন্টি পিরিয়ড পার হওয়ার ঠিক কয়েক দিন থেকে কয়েক মাসের মধ্যে হটাৎ একদিন দেখবেন আপনার ল্যাপটপ অন করলে পাওয়ার আপ হয় ঠিকই কিন্তু এলসিডিতে কোন ডিসপ্লে নাই।এটাকে বলে এলগরিদম প্রব্লেম (এনভিদিয়ার ভায্যমতে)।এই প্রব্লেম একবার শুরূ হলে আর রক্ষা নাই।মাদারবোর্ড পাল্টানো ছাড়া আর কোন গতি নাই।আর এই সমস্যাটা শুরু হবে আপনার ওয়ারেন্টি পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর থেকে।এর আগে কোনভাবেই না।যাই হোক আমার সতর্ক করার দরকার ছিলো আমি এখানে বলে গেলাম ।মানা না মানা আপনাদের ব্যপার।আমার ছোট একটু পরিচয় দিয়ে যাই,আমি কম্পু এবং ল্যাপটপের হার্ডওয়ার নিয়ে মালয়েশিয়া এবং আরো কয়েকটি দেশে কাজ করছি বিগত কয়েক বছর ধরে।আমাদের কম্পানির বেশ কয়েকটি শাখা আছে সিংগাপুর,ব্রুনেইসহ আরো কয়েকটি দেশে।আমি সিংগাপুরেও দেখেছি একই রকম সমস্যা নিয়ে প্রচুর কাস্টমার আসে আর শেষমেষ মনখারাপ করে নষ্ট ল্যাপটপ নিয়ে চলে যায় আর না হয় স্ক্রাপ হিসেবে বিক্রী করে যায়।এ সমস্যা ইন্ডিয়াতেও আছে।আমার মনে হয় পুরো এশিয়ায় এনভিদিয়া তাদের ফল্টি চিপ গুলো দিয়েছে।এ জন্য এনভিদিয়া এইচপিকে ২০০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা গনেছে অবশ্য ।কারন এইচপির সেল কমেছে ২০% এর মত।আমি যানিনা বাংলাদেশের বাজারের কি অবস্থা।বিশেষকরে কমপ্যাক ভি ৩০০০ বাংলাদেশে আছে নাকি?যদি থাকে তাহলে সেগুলো না কেনাই ভালো।কম দাম দেখে কিনলে পরে একবছর পরে মাথায় হাত দিতে হবে।অতএব সবাই সাবধান! ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28858799 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28858799 2008-10-23 22:36:10 আপনিতো ঈদ করবেন মহানন্দে।কিন্ত তাহারা?দেখুন মুদ্রার ওপিঠ...
আমাদের জৌলুসে ভরা জ্বলজ্বলে ঈদ...


আহা...

কি চমৎকার....
আমি সাহেব হওনের লাইগারে....
আরো আছে....লাখটাকার ঈদ..

লাখ টাকার শাড়ি পড়ে আমাদের কি চমেৎকার দেখা যাচ্চে....আহারে জীবন.বড়ই সুখের!

লাখ টাকার লেহেন্গা পড়েছি আজকে...দিলমে ইশক আগায়া.(পুলারা বেশী তাকাইও না,চোখে ঠাডা পড়বো,মানিব্যাগ ভরা আছেতো?)

আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে।খুশিতে আইজ মারাত্বক লাফালাফি করুম।কি খুশির ঈদরে বাবা।প্রতিদিন যদি ঈদ হইতো!

উপরের সবগুলোই আমাদের এলিটদের ঈদের হিসাবকিতাব।এইবার আসেন আমাদের অর্ধেকেরও বেশী মানুষের ঈদের করুন হিসাব কিতাব দেখি....

মুদ্রার ওপিঠ.......<img src=(" style="border:0;" /> (আমার চোখ বন্ধ।সহ্য হয়না)

তোমার নাম কি?ঈদে কি জামা কিনছো?
অগ্নী।না,আব্বায় কইছে সামনের ঈদে একটা লাল জামা আর চুলের ফিতা কিনা দিবো।আর মায় কইছে ঈদের দিনে গোস্ত রানবো।গোস্ত দিয়া ভাত খামু।এই খুশিতে চোখে ঘুম নাই।
হাতে বই নিয়ে কোথায় যাও?
ইস্কুলে।লেখাপড়া করমু।বড় হইয়া হাসিনার মত প্ররধান মন্তী হমু।দেশ চালামু।ঘরে অনেক চাউল থাকবো।ঝাউ আর খামু না।ভাত খামু।শিং মাছ দিয়া....

ভাতের জন্য,একমুঠু রিলিফের জন্য লাইন...

এদের ঈদ আসলে কি?ঈদ মানে কি এদের কাছে?


মানুষ মানুষের জন্য।কথা সত্য।কিন্ত কোন শ্রনীর মানুষ কোন মানুষের জন্য?এলিটরা,সমাজের উচুতলার মানুষ কাদের জন্য?
অথবা,

এরা কি জন্য?দেশের এসব মানুষের জন্য আসলেই কি ওনারা?দুমুঠু ভাত,একটু বেচে থাকার সুযোগ দান কি এদের পক্ষে ব্যবস্থা করা খুউব কষ্টের ছিলো?


এরা কিসের জন্য দোয়া চাইছে?দেশটা আরেকবার লুটেপুটে খাওয়ার জন্য?এছাড়া আর কি।

অবশেষে একটা ছোট ঘটনা লিখে শেষ করি,মালয়েশিয়া এবং সিংগাপুর আর থাইল্যন্ডের কিছু কিছু অভিজাত বিপনীবিতান,জুয়েলারী আর ডাইমন্ডের দোকান আছে। ওসব দোকানে গেলে সেলসম্যানরা বাংলাদেশী পরিচয় পেলেই জিগ্গেস করে,তোমাদের দেশের ধনীলোকেরা কবে আসবে?মন্ত্রী,আমলারা কবে আসবে?
কারনটা খুবই স্পস্ট,তিনারা এলে ওইসব দোকানের বেচাবিক্রি ভালো হয়।
ওরা হয়তো আমাদের দেশের ভুখা আর বুভুখ্য মানুষগুলোকে ওইভাবে দেখে নাই।তারপড়েও আমাদের শ্রমিকশ্রেনির লোকগুলোকে যারা ওইসব দেশে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করে তাদের দেখেই অনেকটা হিসেব মেলাতে পারে না।একদিকে ওরা নিম্নবেতনের শ্রমিক আর অন্যদিকে আমাদের এলিটশ্রেনীর রং ঢ়ং আর জৌলুস ভরা অভিলাসী জীবনযাপন দেখে অনেকটাই কনফিউজড হয়ে যায়।
ওদের কথা আর কি বলবো,মাঝে মাঝে আমরা নিজেরাইতো ওইসব কালোটাকার মালিক,দুরনিতিবাজদের চোটপাট আর আবজাব দেখলে ভিমরি খাই।

বাংলাদেশের একই অংগে অনেক রুপ।ভুখা বাংগালী আর (গুগলে এখনই হান্গরি ফর ফুড লিখে সার্চ দিলে বাংলাদেশের চিত্রই আসে।আমার এই পুষ্টের অনেকগুলো ছবি ওখান থেকেই নেয়া)অভিজাত্যে ভরা জমকালো বাংগালী।এর মাঝামাঝি আমরা আম জনতা।না ভুখা না সচ্ছল,আদমরা বাংগালী।

ঈদমোবারক সবাইকে।ধন্যবাদ












]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28849908 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28849908 2008-10-01 00:41:47
আমার বন্ধুর প্রেমরোগ....<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> পড়লে আপনি হাসতেই থাকবেন। সেন,ঐশ্যরিয়া,এন্জেলিনা জোলি মানে জগতের তাবৎ সুন্ধরীদের চেয়েও সুন্ধর লাগে।
প্রতিদিন ও সারাদিন কি কি করলো,কি কি প্রোগ্রামছিলো এসব ফিরিস্তি আমাকে এসে জোর করে হলেও সুনাবে।আমিও শুনি,হাসি আর মনে মনে ভাবি,যাক বন্ধুটার একটা গতি হলো।এভাবে চলছিলো বেশ কিছুদিন।হটাৎ একদিন ও এসে আমাকে বললো,দোস্ত আমার সর্বনাশ হইছে!আমিতো থ।সবতো ঠিকই ছিলো।আবার কি হলো?
ও বল্লো,দোস্ত,খবর পাইলাম সুকন্না আমেরিকা ফেরত ওর কোন কাজিনের লগে প্যাচ খাইচে।লং ড্রাইবে যায়।আশুলিয়া রমনায়ও নাকি ওরে দেখা যায়।আমি বল্লাম,এইটাতো আমাগো বেশিরভাগ বাংগালী মাইয়াগো স্টাইল।তোর লগে এতোদিন টাইমপাস করছে আর অহন আম্রিকা যাওনের স্বপ্ন দেখতাছে।এহন আর ও তরে চিনবোও না।বন্ধুতো আমার হাউমাউ কইরা কান্না শুরু করলো।বললো,দোস্ত আমিতো ওরে অনেক ভালা পাই।হেয় কেমতে আমার লগে ইমুন করতে পারলো?আমি বন্ধুরে সান্তনা দিয়া কইলাম দোস্ত কাইনদা আর লাভ নাই।যা হইচে মাইনা লও।অন্য ধান্দা করো।ও কইলো না।আমি ওরে ছাড়া বাচুম না।যেমতেই হোক ওরে আমার পাইতেই অইবো।আমি কইলাম,তাইলে তুই কি করবি?হে কয়,দরকার হইলে হের বাড়ির দরজায় গিয়া কান্দুম যদি অন্যকোন উপায় না পাই।আমি ওর কথা শুইনা ভাবলাম,পুলাডা গেছে।বরবাদ হইছে এক্কেরে।মুখে কইলাম আইচ্ছা তুই এহন যা।আমি দেহি কি করন যায়।অনেক কষ্টে এইটা ওইটা বুঝাইয়া হেরে বাইত পাঠাইলাম।এরপর কয়দিন আর ওর খবার নাই।আমিও কাজের ব্যাস্ততায় ওর খোজ নিতে পারি নাই।একদিন রাইত এগারোটায় ওর ফোন,
-দোস্ত একটা উপকার করবি?
আমি ওর ফোন পাইয়া ওরে নানান কথা জিগানো শুরো করলাম।কই ছিলি এতোদিন,সুকন্নার কি খবর?
ও আমার প্রশ্নের জবাব না দিয়ে আরো কাতর গলায় বল্লো,দোস্ত উপকারটা করবি কিনা বল?
আমি বল্লাম,আগে বলবি তো কি করতে হবে?কি উপকার?পারলে করবো।
-সুকন্নাগো এলাকায় যা।যাইয়া ওই এলাকার কারেন্ট বন্ধ করতে হইবো!
আমার সামনে তখন যদি স্বয়ং আজরাইল আইয়াও হের পরিচয় দিলে(আমি আজরাইল)যতটা না অবাক হইতাম তারচেয়ে বেশি অবাক হয়ে বল্লাম,
দোস্ত তুই শেষমেষ পাবনায় ভর্তি হইলি?কবে গেলি?
ও কইলো,আমি পাবনা না।আমি ময়মনসিংহ।ফকিরবাড়ী।খুব বড় একজন হুজুরের কাছে আইছি ।হেয় জিন চালান দিতে পারে।এখন হেয় সুকন্নাগো বাড়ীতে জিন চালান দিবো।জিনেরা আলোতে চলাফেরা করতে পারে না।তাই অগো এলাকার কারেন্ট বন্ধ করতে হইবো।এহন ক কাজটা তুই করবি কি না?
আমি পুরা ফাপরে!হালায় কয়কি!এই পুরা পাগলের কথা শুইনা আমি এখন সুকন্নাগো এলাকায় যামু কারেন্ট বন্ধ করতে?আমি কি ডেসকোতে চাকরি করি নাকি?আমার কথায় এলাকার পুরা কারেন্ট বন্ধ করবো?

চলবে....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28845420 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28845420 2008-09-19 23:02:10
৯৫০ কোটি টাকা কোথায় গেলো?...আমারও একই প্রশ্ন!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> Click This Link) একপাঠকের একটি চিঠি ছাপা হয়েছে যেটার বিষয়বস্তু পড়ে জানতে পারলাম,সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে পুনর্বাসনের জন্য জনৈক বিদেশী ব্যক্তি ফকিরুদ্দিনের ত্রানতহবিলে ৯৫০ কোটি টাকা দিয়েছেন।লেখকের প্রশ্নছিলো,ফকিরউদ্দিন সেই টাকা কোথায় খরচ করেছে?ঐ টাকা না খরচ হয়ে থাকলে এখন কোথায়?ওই চিঠির লেখকের সাথে তাল মিলিয়ে আমারও প্রশ্ন,ঘটনা যদি সত্য হয় তাইলে ফকির মিয়া টেকা কই?কি করছো সত্যি কইরা কও?নাইলে তোমার খবর আচে কইলাম!
বল্গবাসী,আফনেরা কি কন?কালকে মাত্র সিংগাপুর থেকা ব্যাক করছি।পকেটের দশা খুব খারাপ।তারাতারি কও টেকা কই?টেকার ভাগ দাও।আমি এহন সিডরের লোকদের চাইতে বেশি সমেস্যায় আচি!<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

সিংগাপুরে যেই মজা খাইচি ওইটা লইয়া পুষ্টামুনে পরে।আগে ফইকরার কাচ থিকা টেকার হিসাব লইয়া লই!




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28844479 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28844479 2008-09-17 20:49:09
সিংগাপুর যাচ্ছি,আগামীকাল...কি মজা! http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28840024 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28840024 2008-09-07 18:59:07 আপনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী/প্রেসিডেন্ট হলে কি কি করতেন? একটি বল্গাটক..(ফানপোষ্ট,কাম কাইজ নাই তাই বল্গাই)
এটা কোন অমুলক চিন্তা না।আজকে যারা ক্ষমতায় আছে তারা তো চিরকাল থাকবে না।তো পুরাতন যাবে নতুনের আর্বিভাব হবে এটাই নিয়ম।তাহলে আপনারও চান্স আছে।যদি নিছক বাদাম বিক্রেতা থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া যায় তাহলে কে জানে,আপনিও হয়তো বাংলাদেশের রাষ্টীয় ক্ষমতার যেকোন একটি জীবনের কোন না কোন সময় পেতে পারেন।তো ধরে নিন আপনি সর্বোচ্চ ক্ষমতাটিই পেয়ে গেলেন এই মুহুর্তে তখন আপনি কি কি করবেন?

পোষ্টটি জাস্ট মজা করার জন্যে বা নিছক কৌতহলবশত করা।মুছেও ফেলা হতে পারে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28837551 http://www.somewhereinblog.net/blog/tasmanblog/28837551 2008-09-01 21:02:14