নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখ তোমার মনের ও মন্দিরে

আমাদের এই ব্লগ দেখে যারা হাসাহাসি করে আসুন তাদের জন্য আমরা কাঁদি!!

১৭ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:২২

শেয়ার করুন:                   Facebook

জেবতিক আরিফ ভাইয়ের একটা পোষ্টে মেহরাব শাহরিয়ার নামে এক ভদ্রলোক বললেন,
১। আরিফ ভাই এই রকম বাচ্চাদের মত পোষ্ট দিয়েন না।
২। তেনারা আমাদের এই ব্লগ দেখে তাদের তথাকথিত হাই সোসাইটিতে (বুয়েট কে আমি সেই রকমই মনে করি) হাসাহাসি করে।
[ভূমিকা: ( হযবরল এর থেকে])।
ছোট্ট একটা ভূমিকা দিয়ে শুরু করি। আমাদের দেশে চাকরী-বাকরী এবং পর্যায়ক্রমে সামাজিক স্ট্যাটাসের প্রতিভূ হয়ে গিয়েছে ডাক্তার এবং ইঞ্জিনিয়ার। এই দুটো পেশার প্রতি এতো তীব্র অনুরাগ আমাদের সমাজে তৈরি হয়েছে যেটা এক ধরণের অবসেশনের পর্যায়ে পড়ে। ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রিমিয়ার ইনস্টিটিউট হচ্ছে মেডিক্যাল গুলো এবং বুয়েট। আমাদের সমাজের এই তীব্র একমুখীতা এবং অবসেশন এমন একটা পর্যায়ে যে ছেলে-মেয়ে বুয়েট/কিংবা মেডিক্যালে ভর্তি হলে বাবা-মা গর্বের চেয়েও অহংকারে ভোগেন বেশী। সামাজিক মর্যাদায় উঁচু পিঁড়ি আসীন হবার আনন্দই তাদের বেশী হয়। এটা একটা কমন ফেনোমেনন, '' আমার ছেলে বুয়েটে পড়ে''। আমাদের দেশে জ্ঞান আহরণ কিংবা কোন বিষয় ভালবেসে পড়ার চাইতে সমাজে প্রতিষ্ঠিত একটা কিছুর পিছনে ছোটাটাই মূখ্য হয়ে দাঁড়ায়। কোন বিষয়ে পড়ে সেটার চেয়ে, বুয়েট কিম্বা মেডিকেল পড়ে সেটা মূখ্য হয়ে যায়। কেউ যাচ্ছে কর্ণেল এ বায়োসেন্সর নিয়ে গবেষণা করতে; কিন্তু তার পরিচিত মহলে একটা শ্রেণী সে আমেরিকা যাচ্ছে সেই খুশীতেই মাতোয়ারা থাকে; একটু অগ্রগামীরা সে কর্ণেলে যাচ্ছে সেটা নিয়ে মাতোয়ারা থাকে; এই হচ্ছে সুপারসমাজবদ্ধ কিম্বা সমাজারুদ্ধ মানুষের মানসিকতা।

আমার খুব মজার অভিজ্ঞতা আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ তে। অডিটোরিয়ামে সিনেমা দেখানো হবে তাই গিয়েছি। টিকেটে দায়িত্বে থাকা এক বিবিএ'র ছাত্রের কাছে টিকেট চাইলাম। সে জবাব দিলো ইংরেজীতে। আবার আরেকটা প্রশ্ন, আবার জবাব দিলো ইংরেজীতে। এটার কারণ সমাজ এবং ইনস্টিটিউট আরোপিত কিছু সুপারলেটিভনেস। আইবিএ বানাতে চায় কিছু দক্ষ ম্যানেজার, সুতরাং এটাই স্বাভাবিক।


বুয়েটের ব্যাপারে যেটা বলছিলাম। একসময় দেশের একমাত্র প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কারণে এতো বেশী সোসাইটি ভ্যালু র‌্যাপ আপ করেছে বুয়েট যে বাবা-মা, পরিজন থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের মানের চেয়েও, ইনস্টিটিউট গরিমায় ভোগে বেশী। সবার মাঝেই আমি কি গো হনুরে একটা ভাব আসে। এটা মেডিক্যালের ছেলে-মেয়েদের আরেকটু বেশী হয়। এটা আমাদের জীবনের সব ক্ষেত্রেই একইরকম ভাবে সত্য। জিলা শহরের সবচেয়ে বড় সরকারী স্কুলে, সেরা কলেজ, কিম্বা বুয়েট/মেডিক্যাল/ঢাবি ভর্তি হওয়ার পর বাবা-মা সন্তানের সাফল্যে যতখানি আনন্দিত হন, তারচেয়েও বেশী হন লোকজনকে বড় মুখ করে বলতে পারবেন ছেলে-মেয়ে অমুকে পড়ে, তমুকে পড়ে। কথাটা খারাপ শোনায়, কিন্তু এটাই সত্যি।

আমার বন্ধু ঢাবি জিওলজির ছাত্র ছিলো। সে একদিন বলছিলো, সে জিওলজিতে ভর্তি হওয়ায় তার বাবা-মা ভীষণ হতাশ হয়েছিলো। হতাশার কারণ ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হবে না।

সে কারণেই দেখেছি,'আমরা বুয়েট' এই ধরনের একটা মেমব্রেনে থাকার, অন্য সবার মাঝে নিজেকে একটু আলাদা ভাববার অভ্যাস বুয়েটিয়ানদের আছে।
কিন্তু এটা সেসব ছেলে-মেয়েদের দোষ বলে আমি মনে করিনা। এটা হচ্ছে আমাদের সমাজের দানাবাঁধা এক ধরণের শ্রেনীবৈষম্যের ফল। এটা ঠিক কারো ব্যক্তিগত অর্জন নয়।


এখন কথা হল আসুন আমরা সবাই একটু একটু করে দেখি তাদের হাসাহাসিতে আমরা কেমনে শরিক হতে পারি। বা তাদের সেই বিজ্ঞ হাসি দেখে আমাদের মত যারা সাধারন তারা কিছু শানে-নযূল বাহির করতে পারি কি না।

১। দেশের বাহিরে পড়তে এসে অনেকের সাথেই নতুন করে পরিচয় হলেও একই কলেজের তিনজন কে পেয়ে ভালই কেটেছে। তার মধ্যে একজন হল নাফিস। বুয়েটের সিভিল (৯৭) ইন্জিনিয়ার। আর একজন হল কবির (প্রাইভেট ইউনিভারসিটি)। নাফিস লেকহেড'কে খুব একটা পছন্দ না করায় অন্যান্য ইউনিভারসিটিতে এ্যাডমিশনের জন্য চেষ্টা করতে থাকে।

আমি আর নাফিস (নাফিস হল এমন একজন মানুষ যে ৫ ওয়াক্ত নামজের সব গুলোই মসজিদে গিয়ে জামাতে পরে। মিথ্যা কথা কখনও বলে না। সবসময় টুপি মাথায় দিয়া চলাফেরা করে।)
একজায়গা থাকলেও নাফিস এইকথাটি আমাকে কখনই বলে নাই। আমাকে বলল কি না তা নিয়ে আমার মাথা ব্যাথা হত না যদি না আমি আর নাফিস ১ বছরের বাসা ভাড়ার লিজ সাইন না করতাম। নাফিস চলে যাবার একদিন আগে আমাকে বলল যে, আমি চলে যাচ্ছি। কথা শুনে আমার কি করা উচিত তা ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না। নাফিস এখন আলবার্টাতে।
যাবার আগে সে তার লেকহেডের প্রফেসরকে বলে গেছে সে উইনজরে যাইতাছে।

নাফিস চলে যাবার পরে কপালগুনে পাইলাম আর এক ভাই মুমিন (বুয়েট '৯৬,ইলেকট্রিক্যাল)।

২।
গত বছরের এপ্রিল-মে এর দিকে, আমরা কয়েকজন বাংলাদশী যারা একই ইউনিভারসিটিতে পড়ি তারা সবাই মিলে কথা বলছি। এর মধ্যে আমি আর আরিফ ভাইয়ের অত্যন্ত কাছের একজন (যার নিকট থেকে আমি আরিফ ভাইয়ের কথা প্রথম শুনি) সাব্বির জুনে দেশে যাব তাই নিয়ে কথা হচ্ছিল। সব্বির হঠাৎ বলল, মুমিন ভাই (বুয়েট, ৯৬ ইলেকট্রিক্যাল) আপনি দেশে যাবেন না?
মুমিন ভাই বলল, না। সাব্বির বলে আরে কি বলেন, আপনার আব্বা-আম্মারে দেখতে যাবেন না?
মুমিন ভাই বলে, আব্বা আম্মাকে তো সেই ৩০ বছর ধইরা দেখতাছি, তাদের আবার নতুন করে দেখার কি আছে?

আমরা কথা শুনে তাজ্জব হয়ে গেলাম। বলে কি এই এই জ্ঞানী স্কুলের বিদ্বান!!

যে কারনে সাব্বিরকে সব সময় পছন্দ করি তারমধ্যে একটা হল, সব জায়গায় সব সময় সঠিক কথাটা ও বলতে পারে।
এরপর সাব্বির বলল, তাহলে দেশে কখন যাবেন? উততরে মুমিন ভাই বলল, বিয়ে যদি দেয় তাইলে দেশে যাব।
সাব্বির আবার বলল, বউকে একাধারে ১০ বছর দেখার পরে কি করবেন?
মুমিন ভাইয়ের আর কোন কথা নাই মুখে।

৩। সাব্বির কিছুদিন একবাসায় থাকত। তারমধ্যে একজন ছিল কিংকং (কিংকং সিনেমা দেখার পরে সাব্বির এরমতে তার নাম বলে এইটাই হওয়া দরকার ছিল)। তিনিও বুয়েটের।

তিনি আবার সাহিত্য চর্চা করতেন। বাসার সবাইকে নিয়ে সে দীক্ষা দিত বা দেবার চেষ্টা করত। সবার কাছে শুধু তার এইসব গল্প শুনতাম। মাগার সাব্বির থাকলে তার আর কোন চর্চাও নাই, দীক্ষাও নাই। সবাইকে বলে বেড়াত তার বই, কবিতা নাকি হাবিব মহাজনের মত প্রকাশকরা এসে দাড়ায়ে থাকত নেবার জন্য। কিন্তু আমরা তার নাম কিংবা বই আজও পাইলাম খুজে। অন্য সবাইকে বলে সে নাকি ছদ্দ নামে লিখে। সেই ছদ্দ নামটাও আমাদের কখনও জানা হল না।
এর মাঝে তিনি বললেন, আমি এইখান থেকে যাবগা অন্য ইউনিভারসিটিতে। ভাল, কিন্তু কারন আর আমরা জানতে পারলাম না।

কবির আর আমি একদিন ইউনিভারসিটি থেকে কিংকং কাছে ফোন করলাম।
কবির'কে ফোনে চিনতে না পারায় কবির হয়ে গেল, গ্রাড ষ্টাডিজের অফিসার।
কবির, আপনের তো টিউশন বাকী হাজার ডলার
কিংকং, আমি তো প্রোগ্রাম থেকে আউট
কবির, কেন?
কং, ফেইল করছি এক কোর্সে,
ফাঁকে আমরা জাইনা গেলাম গুরুর আসল রহস্য!!


৪। এক ঈদের পার্টিতে একজন প্রফেসরের (বুয়েটেরও প্রফেসর ছিলেন) ড্রেস-আপ গেট আপ দেইখ্যা সবাই তার লইয়াই কথা শুরু করল। তার সেই স্যুট-কোটের সাথে চকচকা কেডস পরা অবস্থার কথা এখনও আমরা আলোচনা করি। এত বাজে রুচি মানুষের কেমনে হয় তাই জানতে পারলাম না।
বন্ধুরা এখন মাঝে মাঝে বলে, আপনাকে আমার বাসায় দাওয়াত থাকল, শর্ত এই যে আপমাকে স্যুট-কোটের সাথে আপনাকে চকচকা কেডস পইরা আসতে হবে!!!


৫। মুমিন ভাই আমদের বাসায় আসার পরে আশেপাশে সবার সাথে পরিচয় হল। তিনি ছাড়া আর কেউ বুয়েটের না। এইটা বুঝনের পরেই সে সবাইকে জ্ঞান দেবার শুরু করল। তখন বিষয়টা হল, পিয়াল ভাই এর বিয়ে নিয়ে বিপ্লব রহমানের পোষ্টের মত। মুমিন ভাই জীবনে কত স্কলারশীপ পাইছে, তার বন্ধুরা নোট নেবার জন্য কেমনে পিছন পিছন ঘুরত, কোথায় কোথায় খাওয়াইত, সে কত ভাল ছাত্র ছিল এই সব (মুমিন ভাই ১৩ তম তার ব্যাচে, বুয়েটে)। এর মধ্যে কবিরযে স্ট্যান্ড করা ১৩ তম ঢাকা বোর্ডে সেই কথা আর কেউ তারে কইলাম না, যতদিন ছিলাম মজা লইলাম।

নোট: এইলেখাটি অবশ্যই বুয়েটকে ছোট করার জন্য নয়, এই লেখা তাদের জন্য যারা শুধু বুয়েট থেকে পড়তেই শিখেছে, সামাজিকতা, নৈতিকতা শিখেনি তাদের জন্য)

 

 

  • ৪১ টি মন্তব্য
  • ৬৬২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই মে, ২০০৭ ভোর ৬:৫৬
comment by: মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান বলেছেন: ব্রো.. আপনার বুয়েট বিদ্বেষ দেখে ভাবছিলাম একটা প্রতিবাদী মন্তব্য দিব ... কিন্তু পুরাটা পড়ে মত ১৮০ ডিগ্রী। কয়েকটা পয়েন্ট আছে... ....
.
১. বুয়েটের ছাত্র কারা? মানে সাধারণত কারা চান্স পায়?
- মেধাবী!! ---- কথাটার মধ্যে অনেক ভেজাল। আমাদের দেশের প্রচলিত সিস্টেমে মেধাবী মানে যারা পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে। আর সেটা হল মুখস্থ বিদ্যার জোর ... এটা শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রেই সত্য। বুয়েটের সিস্টেমটা দেশের মুখস্থ সিস্টেমের সাথে পুরোপুরি খাপ খায় না ... ... তাই দেখা যায় তথাকথিত মেধাবীরা এখানে ভর্তি হয় ঠিকই, কিন্তু পরবর্তীতে গ্রেড তুলতে হিমশিম খায়।
.
২. বুয়েটে প্রচুর তাবলীগ দেখতাম।
.
---------
এই দুইটা ঘটনা আমাকে প্রচুর চিন্তার খোরাক দিছে। যার আউটপুট মোটামুটি এরকম:
ক.
সমান বা কম মেধার হওয়া সত্বেও স্কুল লাইফে যারা ভাল রেজাল্ট করে, মূলত তাঁরা ভীতু টাইপের লোক --- বাবা/ মা বকবে -- এই ভয়ে পড়ে, খেলে না। ফলাফল পরীক্ষার খাতায় বমিটা ভালো হয়।
.
ভীতু জন্য সহজেই এরা ধর্মসংক্রান্ত জুজুতে ভয় পায় .... নামাজি হয় পরবর্তীতে তাবলীগে যায়।
খ.
ভাল ছাত্ররা সিরিয়াস রকমের স্বার্থপর। আমার নোট কাউকে দেব না ... ... (ব্যাটা সত্যই তোর মেধা থাকলে তোর নোট অন্যে পড়লেই কি আর না পড়লেই কি?)। অন্যের সুবিধা অসুবিধার চেয়ে নিজের স্বার্থ (রেজাল্ট?!) উদ্ধারটাই জরুরী তাঁদের কাছে।
- বাসা ছেড়ে যাওয়ার আগের দিন বলেছে আপনাদেরকে .... .... সিম্পটম মিলেছে?
গ.
প্রচন্ড অহংকারী - বুয়েটের বাইরে গেলেই সেটা দেখা যায়।
ঘ.
আমাদের এক শিক্ষক বলেছিলেন যে, সদ্য পাশ করা বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ারগণ ইন্টারভিউয়ে খুব ভাল করে, কিন্তু পরে চাকরীতে খুবই কেয়ারলেস -- মূলত এই কারণে যে ধান্দায় থাকে বাইরে যাওয়ার -- চাকরীটা শুধু টাইমপাস। আর বি.আই.টি.র ইঞ্জিনিয়ারগণ ইন্টারভিউ-এ খারাপ করলেও কর্মী হিসেবে অনন্য, কারণ তাঁরা জানে এটাই তার কর্মক্ষেত্র - এখানেই তাকে করে খেতে হবে।
.
.
লিখতে গেলে পুরা একটা বই লেখা যাবে। আপাতত এইটুকুই থাক।
.
পুনশ্চ: সম্পুর্ন ব্যক্তিগত মতামত। ... এই অধম বুয়েটে ১০ বছর ছিলেন (আন্ডারগ্রাজুয়েট, মাস্টার্স + রিসার্চ-চাকুরী)।
২. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:০৮
comment by: কেমিকেল আলী বলেছেন: বুয়েট বিদ্বেষী না, কাজ উপর নির্ভর করে, তাই নয় কি?
নিচেই কিন্তু পরিষ্কার করে লিখেদিয়েছি। আর হ্যাঁ, আপনারা তো আমাদের বাংলা ব্লগ নিয়া হাসাহাসি করেন, তাই এই লেখাটা।
৩. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:২১
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: লেখা ব্যক্তিগত হইলেও বুয়েট বিদ্বেষ ভালোমতোই আসছে,জিনিসটা ভালো লাগে নাই আমার,বলতে দ্বিধা নাই।আপনে যেসব আজব চিড়িয়ার কথা কইলেন,ঐরকম দুনিয়ার সবখানেই আসে,বুয়েটের দোষ দিয়া লাভ কি? জেনারালাইজড করা হয়া গেলো না? মিমোহু যেসব কইলেন,ঐরকম জিনিসও আমি বুয়েটে পাইসি,কিন্তু ভালো ছেলেই বেশি দেখসি,বেশিরভাগই সাহায্য করে,আলী ভাই যদি ঐ টাইপ লোকজন বেশি পান,আপনের কপাল খারাপ,এর বেশি কিসু বলার নাই।
৪. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:২৪
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আর মিমোহু ভাইয়ের সাথে আরেকটু দ্বিমত আসে,আমাদের প্রচলিত পরীক্ষা সিস্টেম মুখস্থ মানি,কিন্তু ঐ বমি করে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় বেশি ১টা সুবিধা করা যায়না,কারণ ঐ ভর্তি পরীক্ষার সিস্টেমটাও বমি করার সাথে বিশেষ খাপ খায়না।
৫. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:৩৫
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ফারহানের সাথে একমত, এই পোস্টে খুব বেশি জেনারেলাইজ করা হইছে ... এমনে দেখলে সব জায়গারই একশটা দোষ বাইর করা যায় ... দুয়েকটা প্রবাসীরে দেইখা আমি যদি সব প্রবাসীরে গালি দেই তাহলে আলী ভাই নিশ্চই খুশি হবেন না ...

আর বুয়েটের ভর্তির সিস্টেমটা অনেক আলাদা ... বমি কইরা এইখানে লাভ হয়না ... এইজন্যেই বোধহয় আমাদের সময় বুয়েট অ্যাডমিশনে ফার্স্ট (এবং সো ফার সিএসইতে ফার্স্ট) ছেলেটা কিন্তু ম্যাট্রিক-ইন্টার কোথাও খাড়ায় নাই ...
৬. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:৫৯
comment by: এস্কিমো বলেছেন: কেমিকেল, বাদ দেওয়া যায়না।
পোষ্টে মেহরাবকে যথাযথ ডলা দেওয়া হয়েছে।
ঝগড়া লাগলে আমাকেও তো একটা পক্ষ নিতে হবে - আর সেটা নাড়ীর টান বুয়েটের পক্ষেই যাবে।
বাদ দিন, আরো কত বিষয় আছে, চলুন সেগুলো নিয়ে কথা বলি।
৭. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:১২
comment by: মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান বলেছেন: ফারহান দাউদ, কিংকর্তব্যবিমূঢ় --- ভর্তি পরীক্ষাটা সম্পর্কে আংশিক দ্বিমত আছে। ওপেন বুক পরীক্ষা তো আর না, সূত্রগুলোও মুখস্থ থাকা লাগে। (অবশ্য এটা আমার ১৪ বছরের পুরানো অভিজ্ঞতা .... এখন কেমন সত্যই তা জানিনা)
.
কেমিকেল @ আসলেই আপনার ব্যাডলাক খারাপ ;) । দোষটা বুয়েটের না ... ... দোষটার পেছনে অন্য কারণ আছে।
.
আর, হাসাহাসি ফোরাম তো চিনি না। বুয়েটিয়ান গ্রুপে (১৯০০+ সদস্য) সিরিয়াস টাইপের আলোচনা হয়।
৮. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:১৮
comment by: কেমিকেল আলী বলেছেন: তা বলতে পারেন, এই বিদেশে আমার তাই মনে হল। দেশে থাকতে অবশ্য এমন মনে হ্য়নি কখনও।
দেশে থাকতে চিনতাম না বা জানতাম না তা নয়। তবে এই রকম অভিজ্ঞতা হয়নি কখনই।
৯. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:১৮
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: মিমোহু ভাই,ওপেন বুক হলে সোজা হইতো,অন্তত সূত্র মুখস্থ করা লাগতো না,আমি বলছি প্রশ্নের ধারার কথা,না বুঝে বই মুখস্থ করে গেলে ঐখানে ভালো করা যায়না বলেই আমার ধারণা।
১০. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৩৩
comment by: অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: কান্নায় আমার বুক ফাইটা যাইতেসে ।

-----
@মেহরাব + ফারহান
ডোন্ট বি ওভারস্মার্ট ।
ওই বিমানবিক মানুষ বানানোর কারখানাটায় এইখানকার অনেকেই পড়ছে ।
কাজেই, কারে নিয়া কে হাসাহাসি করে - সেইটা ভাইবা নিয়া হাইসো ।
১১. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৩৭
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: অনুভূতি,গায়ে পইড়া ঝগড়া লাগানি এরেই বলে।দেখান তো কারে নিয়া আমি হাসাহাসি করলাম? বেশি বুঝেন ক্যান?
১২. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৩৮
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনের কথাটা আপনারেই কই,ওভারস্মার্ট না হওয়াই ভালো।
১৩. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৩৯
comment by: এস্কিমো বলেছেন: শান্তি,শান্তি, শান্তি!
১৪. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৫০
comment by: দ্রোহী বলেছেন: হায়রে, আমি বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষাও দিতে পারি নাই! এইচ.এস.সিতে এতই ভালো ফলাফল করেছিলাম যে পরীক্ষা দেবার উপযোগী ও ছিলাম না।
১৫. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৩১
comment by: অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: ঝগড়া লাগাইছি যখন , তখন হাজিরা দিয়া গেলাম ।
একেবারে ত্রিভুজ টাইপের কমেন্ট ।@ ফারহান

এমনটাই প্রত্যাশা করছিলাম আপনার কাছে ।
১৬. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৪০
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: সব মাছই 'ু' খায় ...
বুয়েটের কিছু ছাত্র যেমন ঢাবি/জাবি'র ছাত্রগো লগে ভাব দেখায়, ঢাবি/জাবি'রও কিছু ছাত্র প্রাইভেট ইউঃ গো লগে ভাব লয় ... আবার প্রাইভেট ইউঃ রা ডিগ্রী কলেজের লগে ...সরকারী মেডিকেলের ওরাও বেসরকারীগো লগে ভাব লয়
জগৎটাই ভাবের খেলা
১৭. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৪২
comment by: স্বপ্নময় বলেছেন: বিদ্বেষ বুঝিনা, লেখাটা ভালো হইছে, ৪ দিলাম ;) আবালরা সব জায়গাই থাকে, সামহোয়্যার ইন এ সবচে বেশি পাবেন। এই জায়গা অতি উৎকৃষ্ট মানের আতেল গরুছাগলের আখড়া। সো, বিদ্বেষ ঝেড়ে একখান কাশ দেন, তারপর সুন্দর কয়েকটা পোষ্টু ঝাড়েন। মজা কইরা পইড়্যা লই।
১৮. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:০৫
comment by: আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: No one cares. Just be yourself and Ali just expressed his frustrationফারহান দাউদ


১৯. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৪৯
comment by: হযবরল বলেছেন: ছোট্ট একটা ভূমিকা দিয়ে শুরু করি। আমাদের দেশে চাকরী-বাকরী এবং পর্যায়ক্রমে সামাজিক স্ট্যাটাসের প্রতিভূ হয়ে গিয়েছে ডাক্তার এবং ইঞ্জিনিয়ার। এই দুটো পেশার প্রতি এতো তীব্র অনুরাগ আমাদের সমাজে তৈরি হয়েছে যেটা এক ধরণের অবসেশনের পর্যায়ে পড়ে। ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রিমিয়ার ইনস্টিটিউট হচ্ছে মেডিক্যাল গুলো এবং বুয়েট। আমাদের সমাজের এই তীব্র একমুখীতা এবং অবসেশন এমন একটা পর্যায়ে যে ছেলে-মেয়ে বুয়েট/কিংবা মেডিক্যালে ভর্তি হলে বাবা-মা গর্বের চেয়েও অহংকারে ভোগেন বেশী। সামাজিক মর্যাদায় উঁচু পিঁড়ি আসীন হবার আনন্দই তাদের বেশী হয়। এটা একটা কমন ফেনোমেনন, '' আমার ছেলে বুয়েটে পড়ে''। আমাদের দেশে জ্ঞান আহরণ কিংবা কোন বিষয় ভালবেসে পড়ার চাইতে সমাজে প্রতিষ্ঠিত একটা কিছুর পিছনে ছোটাটাই মূখ্য হয়ে দাঁড়ায়। কোন বিষয়ে পড়ে সেটার চেয়ে, বুয়েট কিম্বা মেডিকেল পড়ে সেটা মূখ্য হয়ে যায়। কেউ যাচ্ছে কর্ণেল এ বায়োসেন্সর নিয়ে গবেষণা করতে কিন্তু তার পরিচিত মহলে একটা শ্রেণী সে আমেরিকা যাচ্ছে সেই খুশীতেই মাতোয়ারা থাকে একটু অগ্রগামীরা সে কর্ণেলে যাচ্ছে সেটা নিয়ে মাতোয়ারা থাকে এই হচ্ছে সুপারসমাজবদ্ধ কিম্বা সমাজারুদ্ধ মানুষের মানসিকতা।

আমার খুব মজার অভিজ্ঞতা আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ তে। অডিটোরিয়ামে সিনেমা দেখানো হবে তাই গিয়েছি। টিকেটে দায়িত্বে থাকা এক বিবিএ'র ছাত্রের কাছে টিকেট চাইলাম। সে জবাব দিলো ইংরেজীতে। আবার আরেকটা প্রশ্ন, আবার জবাব দিলো ইংরেজীতে। এটার কারণ সমাজ এবং ইনস্টিটিউট আরোপিত কিছু সুপারলেটিভনেস। আইবিএ বানাতে চায় কিছু দক্ষ ম্যানেজার, সুতরাং এটাই স্বাভাবিক।


বুয়েটের ব্যাপারে যেটা বলছিলাম। একসময় দেশের একমাত্র প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কারণে এতো বেশী সোসাইটি ভ্যালু র
২০. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:০৩
comment by: মোহাম্মদ এরশাদ বলেছেন: আইচ্ছা যারা বুয়েট পড়ে নাই বা চাঞ্চ পায় নাই তাদের বুয়েট নিয়া কিছু বলার আইনত বৈধতা নাই। এই বিষয়ে হাইকোটে একটা রীট পিটিশন করা যাইতে পারে।

বি:দ্র: বুয়েটের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই।
২১. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:১০
comment by: কেমিকেল আলী বলেছেন: হযু ভাই, সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
২২. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:১৭
comment by: যুঞ্চিক্ত বলেছেন: ভালা হৈছে পোস্টটা। আত্মসমালোচনা ভালা। মিয়া মো: হুসেইন ভাইয়ের লগে একমত!
২৩. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:২০
comment by: মোহাম্মদ এরশাদ বলেছেন: কিছু ক্রেডিট জিইডি কোর্স আর প্রচুর প্রেজেন্টেশেনর ব্যবস্থা থাকলে অবস্থার কিছু উন্নতি হইত।
২৪. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:২২
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: হযু ভাই-র কথার সাথে পুরোপুরি একমত। ভাল স্কুল কলেজে পড়লে সেটার কথা আপনাতেই মুখে চলে আসে, এটা না করতে পারাটা ভালো, তবে চলে আসাটাকেও কারো দোষ বলা যায় না।
--------------
এই পোষ্টের আলোচনাটাকে নোংরামীতে যাবার আগেই আমার মনে হয় ইতি টানা উচিৎ।
বুয়েট কেবলই মেধাবী-রোবটদের জায়গা একথাটা যে ঠিক নয়, সেটার প্রমাণ এই ব্লগেই ভুরি ভুরি আছে। হিমু-সাদিক-মাশীদ-মাহবুব মুর্শেদ, আলভী, কিংকর্তব্যবিমূঢ়- এবং আরো অনেককেই জানি, যারা অন্য অনেকের চেয়েই বেশি সংবেদনশীল। সুতরাং- হুট করে কাউকে দিয়ে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যানার বানিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। আলভী, কিংকং একই সাথে ক্যাডেটও ছিলেন, ( যতদূর জানি), যাদের অসামাজিক হিসেবে দূর্নাম আছে। কিন্তু সবজায়গায়ই ব্যাতিক্রম আছে। আমাদের দেশের ছেলেমেয়েদের নিজস্ব মেধাই তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাপ দেয়া ব্র্যান্ডিংটা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।
সুতরাং, বুয়েটের ছেলেরা এরকম, ঢা-বি-র ছেলেরা ওরকম, এ কথাগুলো একই সাথে সত্যি ও সত্যি নয়। যারা গড়পড়তা মানুষ, তারা ঐ ব্র্যান্ডিং-এর ভেতরে ঢুকে পড়তে সংকোচ বোধ করেন না, যারা মেধাবী, তারা অবশ্যই সেটা কাটিয়ে ওঠেন।
সুতরাং, এরকম করে কারো গায়ে নির্দিষ্ট লেবেল লাগানোর প্রতিবাদ জানাই।
--------------
এই পোষ্টে কিছু মানুষের কথা বলা হয়েছে, আমরা ব্যাক্তি মানুষ হিসেবে সেইসব মানুষদের কীর্তি কলাপ দেখে হাসাহাসি করি বরং, তাদের দিয়ে পুরো বুয়েটকে বিচার না করি।
ঢাবি-র টিএসসিতে বাধনের জামা ছিড়েছিলো যেই ছেলেটি, সে নাকি শহীদুল্লাহ হলে থাকতো। তাকে দিয়ে কেউ যদি পুরো ঢাবি, অন্তত শহীদুল্লাহর মানুষদের বিচার করে, তাহলে কেমনটা হবে?
মনে করে দেখুন, ইংলিশ মিডিয়ামে ত্রিভুজেরাও পড়ে, আবার ব্লগার তাসনিম খলিলও পড়েন।
---------------
এই অসুস্থ তুলনার ব্যাপারটা এখানেই থামুক।
২৫. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:২৬
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: বুয়েটের বিরুদ্ধে কিছু বলতে যাবো না।বুয়েটের ছাত্ররা বহুদিন ফ্রি গাঞ্জা খাওয়াইছে।গাঞ্জা হারামি করতে পারব না।
২৬. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:২৮
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: কনফুর কথাগুলো ১০০% ভালো লাগলো।
২৭. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫৭
comment by: তারেক রহিম বলেছেন: সহমত@কিংকর্তব্যবিমূঢ় ভাই।
আলী ভাই, বুয়েট এডমিশন টেস্টে বমি কইরা কিছু হয়নারে ভাই। আমাদের সময় এডমিশন টেস্টে ফার্স্ট হয়েছিল যে, তার মত কম গ্রেড নিয়ে সেই ব্যাচে আর কয়জন ভর্তি হতে পেরেছিল আমার জানা নাই। আর যাদের কথা বললেন, এইরকম নন বুয়েটিয়ানও প্রচুর পাবেন। পুরা দোষটা ভার্সিটিরেই দিলেন, এইটা কি ঠিক? আপনাকে দিয়ে কি আমি আপনার ভার্সিটির বিচার করব বলেন?
মন খারাপ করে দিলেন খুব।
আপনি ভাল থাকবেন।
২৮. ১৭ ই মে, ২০০৭ দুপুর ১২:০২
comment by: তারেক রহিম বলেছেন: হযবরল আর কনফু ভাইকে সুন্দর লিখার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
২৯. ১৭ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২৩
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: অনুভূতিশূন্য,রামছাগলের মত সব জায়গায় ত্রিভুজ নিয়া টানাটানি করেন কেন?কাউরে লেবেল মাইরা দিয়া তর্কে জিতা খুব সোজা,না? মাথায় আপনের ঘিলু যে কম,ঐটা বুঝতে আর বেশি কিসু লাগেনা।
৩০. ১৭ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৩
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আমার কাসে তো আপনের কমেন্টই ত্রিভুজের মত মনে হইতাসে অনুভূতিশূন্য,কথা নাই বার্তা নাই আইসা লাফ দিয়া ঘাড়ের উপর পইড়া গেলেন।
৩১. ১৭ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৫:০৬
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: পড়লাম
৩২. ১৭ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪২
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: কুংফু ভাই, ৯৮% একমত ...

শুধু দুইটা জায়গায় ভুল করছেন ...

আমি বুয়েটী না ... আইইউটিয়ান ... এইটা ১% ...

আর আমি ক্যাডেটও না ... শাহীন-নটরডেম ... এইটা আর ১% ...

বুয়েটের কিছু অর্বাচীন পোলাপানের কাছ থেইকা কিছু উন্নাসিক আচরণ কখনো কখনো পাইছি ঠিকই, কিন্তু আমার খুব পছন্দের কিছু মানুষও বুয়েটেই পড়ছে ... তাদের ব্যবহার আগের ব্যবহারগুলিরে ডিসক্রীট ছাগলামী বইলাই ভাবতে শিখাইছে ... আর ক্যাডেটরা অসামাজিক এই কথার কোন প্রমাণ আমি আজ পর্যন্ত পাই নাই ... বরং ইন্টারের পরে হলে গিয়া দেকঝছি ক্যাডেটের পোলাপানরাই বরং তাড়াতাড়ি মানায়া নেয় ...

যাউকগা, এই ফালতু টপিক নিয়া আর কিছু কমু না ... আমি অফ গেলাম ...
৩৩. ১৭ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৯
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: বুয়েটে পড়তে না পারার কারনে অনেকের ভেতর অনেক ধরনের হীন্যমনতা কাজ করে। ব্যপারটা হিউমেন সাইকোলজিরই একটা অধ্যায়.....


ব্যপার না.... :)
৩৪. ১৭ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২১
comment by: হিমু বলেছেন: ত্রিভুজ শেষ পর্যন্ত হিউম্যান সাইকোলজিতেও মুখ দিলেন?
৩৫. ১৭ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৮
comment by: চোর বলেছেন: ছাগুর জীবন থেকে নেয়া। :)
৩৬. ১৭ ই মে, ২০০৭ রাত ৮:১৬
comment by: আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: ভাইরা আমি রিজাইন দিমু কাম তেইকা। অনেক ধরনের হীন্যমনতা কাজ করে বোজার লাইগা পড়তে পড়তে শেষ, রুগীরে হাজার হাজার প্রশ্ন করি, কত টেস্ট মারি আর আমার ছাগু অলরেডি বুইজা গেচে! আমি কেমতে এমুন বোকা
৩৭. ১৭ ই মে, ২০০৭ রাত ৯:৪৩
comment by: অরূপ বলেছেন: কেমিকাল ভাই,
এই নাফিস কি নাফিসুল ইসলাম? যদি তাই হয় এর সম্পর্কে আরেকটু জানাবেন কি? বোঝার চেষ্টা করবো কিছু বিষয়
৩৮. ১৭ ই মে, ২০০৭ রাত ৯:৫৮
comment by: অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: হ্যাটস অফ ফর ফারহান দাউদ ।
কৃতজ্ঞতা, বন্ধু ।

আমার মাথায় ঘিলু কম - এই কথাটা অনেকদিন ভুলে ছিলাম - সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো আপনার কাছে - মনে করিয়ে দিলেন বলে ।

আপনার কথার উত্তর দেবোনা, এতে কথায় কথা বাড়বে - তিক্ততা বাড়বে, তার থেকে পিছু হটাই ভালো।
শুভ কামনা রইল ।
৩৯. ২৬ শে মে, ২০০৭ রাত ২:১৩
comment by: রাগিব বলেছেন: এই পোস্ট মিস করেছি ব্লগে না আসার জন্য, যাহোক, ইন্টারেস্টিং পোস্ট।

বুয়েটে যারা পড়ে, তাদের অনেকের হয়তো কিছুটা গর্ব আছে। বিশেষত টিউশনির বাজারে বুয়েট ছাত্ররা দাপট দেখিয়ে বেড়ায়। তবে এসএসসি ও এইচএসসির রেজাল্টের সাথে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা বা বুয়েটের রেজাল্টের কোনো সম্পর্ক নাই। আমাদের সাথে যারা ভর্তি হয়েছিলো, ভর্তি পরীক্ষার প্রথম ১০ জনের মধ্যে অর্ধেক এইচএসসিতে স্ট্যান্ড করা, আর বাকিরা না। শেষ ফলাফলে প্রথম ১০ জনের ব্যাপারেও তাই। সুতরাং ভালো রেজাল্ট আগে আছে কি নাই, সেটা বুয়েটে ফলাফলের নিয়ামক না। আর আসলে বুয়েটে পড়লে মানুষের তো আর দুইটা মাথা গজায় না, বরং কিছুটা টানেল ভিশন এসে যায়।

আর চিড়িয়া দেখা!! তা তো বটেই, বুয়েটের চিড়িয়াদের নিয়ে আগে লিখেছি। কিন্তু খেয়াল করলে এরকম চিড়িয়া অন্য জায়গাতেও পাওয়া যাবে।

যাহোক, পুরা আলোচনাটা পড়ে মজা পেলাম, আলী ভাইকে ধন্যবাদ। মুমিন আমার কলেজের সহপাঠী, ও হল জীবনের পাশের রুমের বাসিন্দা ... ওকে আমার পক্ষ থেকে "হাই" বলবেন ...
৪০. ২৬ শে মে, ২০০৭ রাত ২:২০
comment by: রাগিব বলেছেন: তবে, মেহরাব শাহরিয়ারের হাসাহাসি করার ব্যাপারটা আমারও বোধগম্য হলোনা, কারণ আমি বুয়েটের মূল মেইলিং লিস্ট বুয়েটিয়ানের একজন মডারেটর (২০০০+ সদস্য), এবং সিএসই ডিপার্টমেন্টের মেইলিং লিস্ট সিএসইবুয়েটেরও মডারেটর (৫০০র কাছাকাছি সদস্য)। এই দুই মেইলিং লিস্টে হাসা হাসি তো কোনোদিন দেখিনি!
৪১. ২৬ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৪০
comment by: এস্কিমো বলেছেন: বিষয়টা নিয়ে নোংরা কাদা ছোড়াছুড়ির প্রেক্ষিতে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম..
দয়া করে এখানে টোকা দিন

 



 


mhossain@uoguelph.ca এই ঠিকানায় আছি।
http://www.gwc2.on.ca
http://chemselim.blogspot.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৫৫৬১