আমার প্রিয় পোস্ট
- কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায় ১ - ঠুকেমারি
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- আধা টেকি পোস্টঃ ফটোশপ একশন - ভাঙ্গা পেন্সিল
- আপনার শোনা বাংলা বেস্ট রোমান্টিক গান কোনটা ?(রিপোষ্ট) - নিঃসঙ্গ
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- খেলোয়াড় চলে গেছে খেলবে কার সাথে। - নাজিম উদদীন
- যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবিতে ,চাইলে এই লিংকটি সবাই ব্যবহার করতে পারেন - এ. এস. এম. রাহাত খান
- জামাতে ইসলামী ধর্মের প্রবক্তা মওদুদীর ইসলাম বিকৃতির কিছু নমুনা - বহুরূপী মহাজন
রাজাকার কে জুতা নিক্ষেপ করুন
- এ. এস. এম. রাহাত খান
- বাংলা উইকিপিডিয়া খুঁজছে - আপনাকেই!! - রাগিব
- মতাদর্শিক আধিপত্য এবং ইন্টেলেক্চুয়াল মকারি - সুমন চৌধুরী
পিয়াজ কাটলে চোখে জ্বালাপোড়া করে কেন?
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:২০
রান্না করতে গেলে পিয়াজ কাটতে হয় না- এমন রান্না আমাদের দেশে নেই বললেই চলে। আর পিয়াজ কাটলে চোখে পানি আসা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে পিয়াজ কাটলে কেন চোখে পানি আসে এবং জ্বালাপোড়া করে?
সাধারন ভাবে চিন্তা করলে যা বোঝা যায় তা হল, পিয়াজের মধ্যে এমন কোন উপাদান আছে যা কাটার কারণে উড়ে এসে আমাদের চোখে লেগে জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করে। বিষয়টি আসলেই এরকমই।
পিয়াজের মধ্যে থাকে এমিনো এসিডের সালফোক্সাইড যা পিয়াজ কাটার পরে সালফিনিক এসিডে পরিনত হয়। পিয়াজের মধ্যেই আরও একটা এনজাইম থাকে যা এই সালফিনিকে এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে প্রোপেন থায়োল এস-আক্সাইড তৈরি করে যা অত্যন্ত উদ্ধায়ী এবং সাথে সাথে উড়ে গিয়ে চোখের পানির সাথে মিশে গিয়ে সালফিউরিক এসিড তৈরি করে।
এই সালফিউরিক এসিডই আমাদের চোখে জ্বালা পোড়ার জন্য দায়ী। আমাদের চোখ এই সালফিউরিক এসিডকে ধুয়ে ফেলার জন্যই অতিরিক্ত পানি নিঃসৃত করে। যার ফল হিসাবে আমরা চোখে জ্বালাপোড়ার সাথে পানিও আসে।
চোখ জ্বালাপোড়া থেকে রক্ষা পাবার উপায়?
চোখ জ্বালাপোড়া থেকে রক্ষা পাবার জন্য যত উপায়ই থাকুক না কেন তার মূল বিষয়টি হল প্রোপেন থায়োল এস-আক্সাইড এর উৎপাদন বন্ধ করা।
অনেকেই মনে করেন পিয়াজ কাটার সময় চুইংগাম চিবালে চোখের জ্বালাপোড়া কমানো যায়। রসায়নের দিক দিয়ে আপাতভাবে আমি এর কোন ভিত্তি খুঁজে পাই না। একটা কারন হতে পারে উড়ে যাওয়া প্রোপেন থায়োল এস-আক্সাইড চোখে না গিয়ে চুইংগামের কারনে মুখে যায়। কিন্তু যুক্তিটা আমার মনে ধরে না। যে যুক্তিগুলো আমার মনে ধরে সেগুলো-
১। পিয়াজ কাটার আগে অনেকক্ষন ফ্রিজে রাখলে কম তাপমাত্রার কারণে উল্লেখিত উপাদানগুলোর রিয়াকটিভিটি কমে যায় ফলে প্রোপেন থায়োল এস-আক্সাইড তৈরি হয় না। ফলে চোখে জ্বালাপোড়াও হয় না।
২। পিয়াজ অর্ধেক করে কেটে গরম পানিতে কিছুক্ষন রেখে তারপরে কাটলে চোখের জ্বালাপোড়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এর পিছনে দুইটা কারন আছে। এক, চোখে জ্বালা সৃষ্টিকারী সালফিউরিক এসিড তৈরি হলেও তা পানিতে দ্রবনীয় হয়ে যায় ফলে চোখে আসার কোন সুযোগ থাকে না। আর দুই নম্বর কারন হল উচ্চ তাপমাত্রার কারনে অধিকাংশ এমিনো এসিডের সালফোক্সাইড ও এনজাইম পিয়াজ থেকে নিঃসৃত হয়ে পানিতে দ্রবীভুত হয়ে যায় ফলে প্রোপেন থায়োল এস-আক্সাইড চোখে আসার কোন সুযোগ থাকে না।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পিয়াজ, চোখে জ্বালাপোড়া ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বিভাগে ।
কঁাকন বলেছেন:
হুমম
নির্ঝরিনী বলেছেন:
পিয়াজ কাটলে চোখ জ্বালাপোড়ার কেমিকেল জানতে পেরে আনন্দিত হলাম।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আরে আপনি! কবে ফিরলেন? আমাকে মনে আছে? আমার প্রথম পোষ্টে আপনি স্বাগতম জানিয়েছিলেন।
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
ব হুত দিন পরে। অয়েকল্কাম ব্যাক
নুশেরা বলেছেন:
একটু অন্য গল্প। বিবিসির কোন একটা চ্যানেলে একটা অনুষ্ঠান দেখায়, মিথবাস্টার নাম। এতে বিভিন্ন ধরণের প্রচলিত ধারণার উপর তাদের বিশাল ল্যাবে এক্সপেরিমেন্ট করে সত্যাসত্য যাচাই করা হয়। চলতি গাড়ীতে গুলিবর্ষণে আগুন ধরে কিনা থেকে "বীনস" খেলে পেটে গ্যাস হয় কিনা-- এমন বহু পরীক্ষা করে উপসংহার টেনেছে তারা। একদিন দেখালো পেঁয়াজ কাটার সময় কী করলে অশ্রুপাত কম হবে। চিউইংগাম চিবানো, সুগারকিউব চোষা, ঠান্ডা বা গরমপানিতে পেঁয়াজ চুবিয়ে রাখা-- এমন সব টোটকাকে হারিয়ে দিল চোখে সুইমিং গগলস পরে পেঁয়াজ কাটা
লেখক বলেছেন: মিথবাস্টার হয় ডিসকভারী চ্যানেলে।
কৌশিক বলেছেন:
পিয়াজ কাটার দিনের আগে আমি আত্মহত্যা করতে চাই
লেখক বলেছেন: আত্মহত্যার দরকার নাই, হেলমেট পরে পিয়াজ কাটলেই হবে ![]()
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
নিজের জন্য ইদানিং রান্নাবান্না করতে হয়। একবারে মোটে একটা মোটা পেয়াজই কাটি, এযাবতকালে কোনদিন চোখ জালাপোড়া করেনি। কারন কি?






















আহ্! খুব কিউট পিয়াজের ছবি দিছেন।
আর টিয়ার গ্যাসের ব্যাপারটা কী?