somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... হোসেইন'কে আনব্যান করা হোক-- যারা সাথে আছেন ভোট দিয়া যান
আসেন শুরু করেন সবাই, ঝাপায়ে পরেন ভোটে!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28720262 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28720262 2007-07-09 22:54:34
ছবি কথা বলে ১৯৬৩, থিচ কোয়াং ডাক উত্তর ভিয়েতনামের বুদ্ধিষ্ট। সরকারের বুদ্ধিষ্টদের বিরুদ্ধে অত্যাচারের প্রতিবাদে নিজের গায়ে নিজে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। কিন্তু বিশেষভাবে লক্ষ্যনীয় যে সে গায়ে আগুন লাগানোর পরে মারা যাওয়া পর্যন্ত কোন শব্দ বা নড়াচড়া করেনি। ছবিটা সে কারনেই বিখ্যাত।

২। একটা শিশু (আফ্রিকা) ও একজন সেবিকার হাত


৩। ১৯৯৪ সালে রোয়ান্ডার একজন নির্যাতনের শিকার সেনাবাহিনীর হাতে। তাকে তুসি বিদ্রোহীদের সাথে আতাতের অভিযোগে এই নির্যাতন করা হয়।

৪। অনেকেই জানেন এই ছবিটা সম্পর্কে। ১৯৯১ এ পুলিজ্জার প্রাইজ পাওয়া এই ছব। শকুনটি বসে অপেক্ষা করছে কখন এই শিশুটি মারা যাবে- আর তখনই সে খাবে। কেউ জানে শেষ পর্যন্ত শিশুটির পরিনতি।

এই ছবিটি তোলার ৩ মাস পরে ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টার এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28720003 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28720003 2007-07-08 12:38:15
আমার গ্রামের গর্ব
শহীদ ল্যান্স নায়েক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ তৎকালীন ঈষ্ট পাকিস্থান রাইফেলস এ সৈনিক হিসাবে যোগদান করেন। ১৯৭১ সালে এপ্রিল মাসে ৮ম ঈষ্ট বেঙ্গলের একটা অংশ এবং তৎকালীন পাকিস্থান রাইফেলস এর কিছু সদস্য পার্বত্য চট্টগ্রামে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধকালে মুন্সী আব্দুর রউফ কোম্পানীর মেশিন গানার হিসাবে রাঙামাটি মহালছড়ি নৌ পথে প্রহারত ছিলেন। কোম্পানীটি বুড়ি ঘাট চিংড়ি খালের পাড়ের প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত ছিল। ৮ এপ্রিল, ১৯৭১ শত্রুপক্ষের ২য় কমান্ডো ব্যাটলিয়নের ১টি কম্পানী, ৬টি ৩ ইঞ্চি মর্টার ও ৩ টি লঞ্চ নিয়ে প্রতিরক্ষা এলাকায় ঢুকে পরলে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ তাঁর নিজের অবস্থান থেকে একাই শত্রুপক্ষের ২ টি লঞ্চ ও একটি স্পীডবোট পানিতে ডুবিয়ে দেন। আচমকা বিপক্ষ মর্টারের গোলার আঘাতে নানিয়ার চড়ের বপকছড়ি নামক স্থানে তিনি শাহাদৎ বরণ করেন। তাঁর অপরিসীম বীরত্ব,সাহসীকতা ও দেশপ্রেমের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্ব্বোচ সম্মান বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করে। শহীদ ল্যান্স নায়েক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের সমাধি পার্বত্য জেলা রাঙামাটির নানিয়ার চড়ে। স্বাধীনতা অর্জনে মহান এই বীরের আত্মত্যাগ চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আমাদের বাড়ি থেকে মাত্র ২ মিনিটের পায়ে হাটা পথ এই মহান বীরের বাড়ির দূরত্ব। আমাদের গ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ কলেজ নামে একটা কলেজ আছে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়া ঢাকার পিলখানায় বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ কলেজ নামে আরও একটা কলেজ আছে। আছে সাভার ক্যান্টঃ এ বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ নামে সুন্দর একটা ত্বোরণ। আরও আছে রাইফেলস স্কোয়ারের কাছে (পিলখানার ভিতরে) বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ ভিআইপি রোড।

নিজের গ্রামের নাম বলতে সবারই গর্ব হয়। আমার, আমাদের গ্রামের নামের সাথে গর্বটা মনে হয় একটু বেশিই হয়।

সূত্র
বীরশ্রেষ্ট মুন্সী আব্দুর রউফ কলেজ
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28719580 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28719580 2007-07-06 09:28:21
ওবায়েদ ভাই
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28719193 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28719193 2007-07-04 02:24:48
হোটেল রোয়ান্ডা
মুভির শুরুটা একটা রেডিও ষ্টেশন দিয়ে যেখানে প্রচারিত হচ্ছে- তুসি বিরোধী বক্তব্য, তাদেরকে বলা হচ্ছে তেলাপোকা, খুনি ইত্যাদি। গৃহযুদ্ধের মধ্যে এই ধরনের প্রচারনা পরিস্তিতিকে আরও নাজুক করে তুলছে।

পল ও তার বউ এরই মধ্যে ভালমত জীবন ধারন করছে তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে। দেশের একমাত্র স্বনামধন্য হোটেলের ম্যানেজার পল। দেশের উচ্চপদস্ত সব কর্তাব্যাক্তি, বিদেশী ভিজিটরদেরকে নিয়ে পল তার হোটেল ব্যবসা ভাল চললেও - যুদ্ধ শহরের দিকে আসায় পলের টেনশন ক্রমাগত বাড়তেই থাকে।

মুভির শুরুর দিকে পল তার বন্ধু এক্সট্রিমিষ্ট হুতু, দলের ডেপুটি জর্জকে দেখতে যায়। পল জানে তাদের জন্য খুব খারাপ দিনগুলো অপেক্ষা করছে- এই চিন্তাকে কিছুটা কমিয়ে দেয় এই ভেবে যে প্রেসিডেন্ট ও ইউএন এর মধ্যকার শান্তি চুক্তি। হঠৎই পল খবর পায় প্রসিডেন্টকে হত্যা করেছে- তুসি এক্সট্রিমিষ্ট। সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পরে গৃহযুদ্ধ- দাবানলের মত।

পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হলে ইউএন শান্তিরক্ষা বাহিনী প্রত্যাহার করে নেয়। সেনাবাহিনী হোটেলের দখল নিতে এলে অনেক চেষ্টার পরে তা থেকে মুক্তি পায় পল। এরই মধ্য দিয়ে মুভির কাহিনী আরও অনকে দুর এগিয়ে যায়। বাকীটা না হয় নিজেই দেখুন।

মুভির পরের অংশঃ
[পল ১২৬৮ জন হুতু ও তুসি শরনার্থীকে রক্ষা করে। পল ও তার পরিবার বর্তমানে বেলজিয়ামে বসবাস করছে।

২০০২ সালে জর্জ ও সেনাবাহিনীর প্রধানকে গ্রেপ্তার করে যুদ্ধাপরাধ আইনে বিচার করে ফাঁসি দেওয়া হয়]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28718822 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28718822 2007-07-01 23:44:20
প্রজাপতিকাল এখনও জানি না, জায়গাটা কোথায় কিন্তু তারপরেও যখনই শুনলাম জায়গাটা রাজবাড়িতেই তখন মনে হল বেড়াডাঙ্গা হলেও হতে পারে.

নাটকটা এত মন ছুঁয়ে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না.। দেখার সময় মনে হচ্ছিল এর সমস্ত জায়গাটাই আমার চেনা. গোয়ালন্দের বিলাস হোটেল, চারপাশের দোকান পাঠ - সবই মনে কত চেনা. সেই ১৯৯২ সাল থেকে ২০০৪ পর্যন্ত যতবার ঢাকায় আসা যাওয়া করছি - ততবারই ঐ জায়গাগুলো দেখেছি খুব কাছ থেকে।. ট্রেনটা দেখে মনে বিশ্বাসটা জোড়ালো হল - এটি গোয়ালন্দই.
আর এর ভিতটা আরও শক্ত করে দিল-কালাম এর মারা যাওয়ার জায়গাটা.
বাসে করে যাওয়ার সময় জানালা দিয়ে সবসময় রাস্তার চারপাশ দেখতে দেখতে মনে একদম গেথে আছে.
আমি এখনও জানি না নাটকে দেখানো জায়গাগুলো আসলেই আমার ভাবনার সাথে ঠিক আছে কিনা?

আশা করছি হাসান ভাই এর উততর দিবেন.

নাটকের শেষটা সত্যিই অনেক মন খারাপ করে দিল. ইদানীং এই একটা দোষ আমার মনে দানা বেঁধেছে, কোন কষ্টের নাটক সিনেমা দেখলেই মনে দাগ রয়ে যায়.

আর ফজলুর রহমান বাবুর অভিনয়ের কথা কি বলব! অসাধারন.
সাথে কালাম (ঝড়ু) আর জয়ার সেইরকম অভিনয় সত্যিই দারুন.


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28718729 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28718729 2007-07-01 09:14:25
আমার দেখা সেরা কৌতুক বাংলাদেশের নাম আরব, ভারতেরও পরে!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28718519 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28718519 2007-06-29 23:45:44
টেস্টিং সবাই মিলাদে শরীক হন।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28718225 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28718225 2007-06-28 08:29:52 ওবায়েদ ভাই http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28717764 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28717764 2007-06-26 07:10:02 ঘটনাস্থল - গাবতলী
বড় ভাইয়ের বুদ্ধি অনুযায়ী কইলাম- ভাই টিকিট করা আছে।
এক দালাল জিজ্ঞাসা করল কোন গাড়ির?
-- কইলাম সোহাগ পরিবহন।
সোহাগের দালালরা ব্যাগগুলো নিয়ে কাউন্টারে হাজির হইল।
এইবার কয় কয়টার গাড়ি? কোথাকার গাড়ি?
তখন কইলাম আসল কথা। কইলাম টিকিট করা নাই তবে সোহাগেই যাব।

যাইহোক, টিকিট করলাম। কতক্ষন অপেক্ষা করার পর আমাদের গাড়ি আসল, আমরা গাড়িতে গিয়ে বসলাম।

অধিকাংশ যাত্রীই নিজ নিজ সিটে বসে পরল অল্প সময়ের মধ্যেই।

এরই মধ্যে কিছু হকার গাড়িতে উঠে তাদের মাল-সামানা বিক্রি করতে শুরু করল। এদের মধ্যে একজন হকার বিক্রি করছে পারফিউম।

আমার পাশের এক লোক সেই হকারের কাছ থেকে নানা ধরনের পারফিউম দেখছে। কাছে থেকে যা দেখতে পাচ্ছিলাম- তার মধ্যে পয়জন, সিকে, হোগো, ডিওর, টমি হিলফিগারসহ আরও অনেক ব্র্যান্ডের পারফিউম।

আমার পাশে বসা লোকটা আর সম্ভবত তার বউ মিলে একটা পারফিউম পছন্দ করল।
হকারকে জিজ্ঞাসা করল - এইটার দাম কত?
- ২৫০ টাকা, হকার উততর দিল।
লোকটা বলল - যা নিয়ে যা, আমি এত দাম দিয়ে কেনব না।
হকার - কত হইলে কিনবেন?
লোকটা কয় - আমি কিনব না।
হকার - কিনবেন না তো দেখলেন ক্যান?
লোকটা কয় - তুই তো আমার হাতে ধরাই দিলি।
হকার - আমি আপনার হাতে একটা দিছি, আপনি সবই প্রায় দেখলেন।

এইবার লোকটা একটু বিচলিত দেখা হল। আমরা বন্ধুরা সবাই মিলে দেখছি আর হাসছি।

লোকটা কয় - বিশ টাকায় দিবি?
হকার - কত বিশ? একশ বিশ না দুইশ বিশ?
লোকটা কয় - খালি বিশ।
হকার -তাইলে আর আপনার সেন্ট মাখান লাগবো না, প্যান্ট খুলে পাছায় পুড়া মবিল লাগান , এই বলে লোকটার হাত থেকে বোতলটা নিয়ে চলে গেল।

আমরা কথা শুনে হাসতে হাসতে শেষ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28717572 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28717572 2007-06-25 05:31:48
ধরিয়ে দিন
বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা, জনাব দ্রোহী তাঁর বউ এর ব্যাগ টানতে টানতে এক অসহায় অবস্থায় দিন গুজার করিতে ছিলেন। এমতাবস্থায়, পালানোর এক মোক্ষম সুযোগ পেয়ে তিনি তাই আর হাতছাড়া না করে পালিয়ে গিয়েছেন।

আমাদের ভাবি বলিষ্ঠ কন্ঠে ঘোষনা করেছেন তাকে দিয়ে আর কখনোই ব্যাগ টানানো হবে না। কিন্তু তা সত্বেও জনাব দ্রোহীর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না বা ফিরে আসছে না।

তাই সকলের কাছে বিনীত আবেদন কোন সুহৃদ ভাই/বোন/আংকেল যদি তার কোন খোঁজ দিতে পারেন তবে তাহার নিকট আমাদের ভাবি চিরকৃতজ্ঞ থাকিবে।

আপনাদের সবিধার্থে তাহার একটা ফটো ব্লগে প্রকাশ করা হল।

ভাবির পক্ষে
ভাবির দেবর
জনাব
কেমিকেল আলী

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28715088 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28715088 2007-06-08 07:24:16
সেভেন ওয়ান্ডারস অব কানাডা
১. নায়াগ্রা ফলস
সবাই এ সম্পর্কে জানেন তাই লিখলাম না।

২. বে অব ফান্ডি
বে অব ফান্ডি নোভা স্কোশিয়া ও নিউ ব্রানচুইকের ষ্টেটের মধ্যে অবস্থিত সাগর। এইখানে দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি স্রোত, এইখানের স্রোতের প্রতি সাইকেলে ১০০ বিলিয়ন টন সাগরের পানি প্রবাহিত হয়।

(বাকিগুলো পরে লিখব)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28714957 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28714957 2007-06-07 07:40:22
নোটিশবোর্ডের পাকিস্থান গমন
তাৎক্ষনিকভাবে এর বিস্তারিত কারন জানা না গেলেও জ্ঞানী লোকেরা বলছেন - ব্লগের কাটাকাটি বিষয়ে জ্ঞানার্জনই তার গমনের কারন।

আর কিছু দুষ্ট লোকেরা বলছেন -বাংলা ব্লগিং ওয়েবসাইট সামহোয়্যারইনব্লগ এর "সুন্নতে খতনা" উপলক্ষ্যে পাকি ভোজে যোগ দেবার জন্যই তিনি পেয়ারা পাকিস্থানে গেছেন।


তার আরও অন্যান্য বিশেষ কাজের মধ্যে রয়েছে

১. বিশিষ্ট আলেম ইসলামি চিন্তাবিদ " উটু ফজলের" সাথে মোলাকাত।

২. সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ দুধ-আবাল মাহমুদ রহমান ও পথহারার সাথে রুদ্ধদ্বার অনুষ্ঠান।

এছাড়াও তিনি তার ধর্মীয় বাবার কবর জিয়ারত করবেন।
আসেন আমরা তার জন্য হরিলুটের আয়োজন করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28714381 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28714381 2007-06-03 22:33:27
কাকাব্যাকা ফলস আর ঘুড়ি উতসব অনেক বিচিত্র রকমের ঘুড়ি দেখলাম যা আমি আগে দেখিনি। ভালই লাগল দেখে। আর
আপনাগো জন্য জাঝা হিসাবে অনেকগুলো ছবি দিলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28713950 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28713950 2007-06-02 09:12:50
দড়ি ছিড়ে মারা খাওয়া, উতসর্গ নুসরাত বাচ্চু
এই গল্পটি নুসরাত বাচ্চু এর জন্য।

নুসরাত আপনি জানতে চেয়েছিলেন মারা খাওয়া মানে কি? এই গল্পটি পড়লে আশা রাখি এই বিষয়ে আপনি সম্যক ধারনা পাইবেন।

এডাল্ট কনটেন্ট, ১৮ বছরের নিচের কারও জন্য পাঠ্য নহে।

দড়ি দিয়ে বাধা একটি ষাড় মাঠে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাত তার নজরে পরে দুরে আর একটা গরু। দেখতে দুরের গরুটা ভাল লাগছিল দড়ি দিয়ে বাধা ষাড়টির। তাই সহজেই তার কাম ভাব জাগ্রত হল। কিন্তু সে ঐ দূরের গরুটির কাছে যাইতে পারছিল না কারন দড়ি দিয়া আটকানো।

অনেক চেষ্টার পরে সে দড়ি ছিরে ঐ দূরের গরুর কাছে হাজির হল তার কাম ভাব কমানোর জন্য।

কিন্তু দুরের জিনিষটা ছিল আর ও বিশালকার, শক্তিশালী ষাড়। শেষে ফল হল উল্টা।

কাতর মনে ফিরতে ফিরতে সে বলতে লাগল " শেষ পর্যন্ত দড়ি ছিড়ে মারা খাইলাম"

আশা করছি এই বার আপনে বুঝতে পারছেন মারা খাওয়ার অর্থ কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28711737 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28711737 2007-05-21 04:37:00
নয় মাস পরে বুঝলাম ৪০$ মারা খাইছি।
বাসে করে আসতে চাইছিলাম কিন্তু লাগেজ বেশি থাকার কারনে সেইটাও হল না। কি আর করা? গুগুল মারতে মারতে পাইলাম রেড কার সার্ভিস নামে একটা সার্ভিস। তাদের সাথে কথা বলে রাজি হলাম। একটা গাড়িতে আমরা তিনজন আসলাম, সাথে ২ জন চাংকু। তারাও একই ইউনিভারসিটিতে আসতাছে। ইয়ারপোর্টে ওদের অফিস থেকে একটা রিসিপ দিল আমারে, ভাড়া ৬২ $।

নামার পরে চলে আসলাম ৬২ $ ভাড়া দিয়া।

আজকে আবার আমার সেই সার্ভিসের দরকার হল, আমি একটা কমপ্লিমেন্টারী টিকিট পাইছি -- আমার আগের ইউনিভারসিটিতে যাবার জন্য। কিন্তু ফ্লাইট সকাল ৬.৩০ টায় টরন্টো থেকে। এখন চিন্তা করতাছি কেমনে যামু এত সকালে। হঠাত মনে হল সেই রেড কার সার্ভিসের কথা। দিলাম ফোন -- বেডা কয় ৬২ $ লাগবো। আমি কই এত বেশি ক্যান? বেডা উততর দেয় ৫ জন পর্যন্ত এই ৬২ ডলারই!!!!!!!!!

এইমাত্র বুঝলাম, ঐ বেডারা একই ইউনিভারসিটি দেইখ্যা ভাবছিল আমরা সবাই একসাথে। মাঝখানে চাংকু দুইটা ফাও গেল!!!
৪০ $ এর শোক!!! রয়েই গেল আমার।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28711735 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28711735 2007-05-21 03:57:37
হেফ্‌জো-খানা
শ্রদ্বেয় কাশু স্যার দুইবার বিদেশ থেকে ফেরত আসিয়াছেন পিএইচডি না করিয়া। কারন হিসাবে যতটুকু লোকমুখে শোনা গেছে তা হল - উনি নাকি বিদেশ গিয়া বাপের আগে হাটতেন। আরও সম্প্রসারন করিলে বলতে হয় - কাশু স্যার নাকি সর্বদাই তাহার প্রফেসরের ভুল ধরিতে ব্যস্ত থাকিত। ফলশ্রুতিতে, তিনার প্রফেসররা উনাকে বলিয়াছেন -- আপনি আপনার দেশে ফিরিয়া যান, সময় ও সুযোগ হলে আমিই আপনার নিকট গিয়া পোষ্টডক করিব।
ফলাফল কাশু স্যারের আর পিএইচডি হয়নি, হয়নি তার প্রমোশনও।
যার কারনে কপাল পুড়িল আমাদের মত যাদের পদার্থ মাইনর হিসাবে পড়তে হয়। কারন কাশু স্যার তার নিজের ডিপার্টমেন্টে প্রথম বর্ষের উপরে কোন কোর্স পড়াতে পারে না।

যাই হোক মূল কথায় আসি। স্যার আমাদের পড়ায় আর বলে এই বইতে এইডা ঠিক লেখে নাই, ঐ বইতে ঐডা ঠিক লেখে নাই। কাজেই তোমরা পরীক্ষার সময় এই সব ঠিক করে লিখবা।

কে শুনে কার কথা, আমরা সবাই প্রায় একটা/দুইটা বই পড়লাম মাত্র।যথা সময়ে মিড টার্ম পরীক্ষা হল। খাতা দেবার সময় কাশু স্যার শুধু একটা কথাই বলল
"তোমরা এই ডিপার্টমেন্টকে হেফ্‌জো-খানা বানাইয়া ছাড়লে"। সারা জীবনে একটা বই পড়লেই আর কিছু পড়তে হয় না। এই রকম পড়বা তো অন্যকিছু পড়, পদার্থ পড়ার দরকার নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28711363 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28711363 2007-05-19 10:22:56
আমাদের এই ব্লগ দেখে যারা হাসাহাসি করে আসুন তাদের জন্য আমরা কাঁদি!! ১। আরিফ ভাই এই রকম বাচ্চাদের মত পোষ্ট দিয়েন না।
২। তেনারা আমাদের এই ব্লগ দেখে তাদের তথাকথিত হাই সোসাইটিতে (বুয়েট কে আমি সেই রকমই মনে করি) হাসাহাসি করে।
[ভূমিকা: ( হযবরল এর থেকে])। ছোট্ট একটা ভূমিকা দিয়ে শুরু করি। আমাদের দেশে চাকরী-বাকরী এবং পর্যায়ক্রমে সামাজিক স্ট্যাটাসের প্রতিভূ হয়ে গিয়েছে ডাক্তার এবং ইঞ্জিনিয়ার। এই দুটো পেশার প্রতি এতো তীব্র অনুরাগ আমাদের সমাজে তৈরি হয়েছে যেটা এক ধরণের অবসেশনের পর্যায়ে পড়ে। ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রিমিয়ার ইনস্টিটিউট হচ্ছে মেডিক্যাল গুলো এবং বুয়েট। আমাদের সমাজের এই তীব্র একমুখীতা এবং অবসেশন এমন একটা পর্যায়ে যে ছেলে-মেয়ে বুয়েট/কিংবা মেডিক্যালে ভর্তি হলে বাবা-মা গর্বের চেয়েও অহংকারে ভোগেন বেশী। সামাজিক মর্যাদায় উঁচু পিঁড়ি আসীন হবার আনন্দই তাদের বেশী হয়। এটা একটা কমন ফেনোমেনন, '' আমার ছেলে বুয়েটে পড়ে''। আমাদের দেশে জ্ঞান আহরণ কিংবা কোন বিষয় ভালবেসে পড়ার চাইতে সমাজে প্রতিষ্ঠিত একটা কিছুর পিছনে ছোটাটাই মূখ্য হয়ে দাঁড়ায়। কোন বিষয়ে পড়ে সেটার চেয়ে, বুয়েট কিম্বা মেডিকেল পড়ে সেটা মূখ্য হয়ে যায়। কেউ যাচ্ছে কর্ণেল এ বায়োসেন্সর নিয়ে গবেষণা করতে; কিন্তু তার পরিচিত মহলে একটা শ্রেণী সে আমেরিকা যাচ্ছে সেই খুশীতেই মাতোয়ারা থাকে; একটু অগ্রগামীরা সে কর্ণেলে যাচ্ছে সেটা নিয়ে মাতোয়ারা থাকে; এই হচ্ছে সুপারসমাজবদ্ধ কিম্বা সমাজারুদ্ধ মানুষের মানসিকতা। আমার খুব মজার অভিজ্ঞতা আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ তে। অডিটোরিয়ামে সিনেমা দেখানো হবে তাই গিয়েছি। টিকেটে দায়িত্বে থাকা এক বিবিএ'র ছাত্রের কাছে টিকেট চাইলাম। সে জবাব দিলো ইংরেজীতে। আবার আরেকটা প্রশ্ন, আবার জবাব দিলো ইংরেজীতে। এটার কারণ সমাজ এবং ইনস্টিটিউট আরোপিত কিছু সুপারলেটিভনেস। আইবিএ বানাতে চায় কিছু দক্ষ ম্যানেজার, সুতরাং এটাই স্বাভাবিক। বুয়েটের ব্যাপারে যেটা বলছিলাম। একসময় দেশের একমাত্র প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কারণে এতো বেশী সোসাইটি ভ্যালু র‌্যাপ আপ করেছে বুয়েট যে বাবা-মা, পরিজন থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের মানের চেয়েও, ইনস্টিটিউট গরিমায় ভোগে বেশী। সবার মাঝেই আমি কি গো হনুরে একটা ভাব আসে। এটা মেডিক্যালের ছেলে-মেয়েদের আরেকটু বেশী হয়। এটা আমাদের জীবনের সব ক্ষেত্রেই একইরকম ভাবে সত্য। জিলা শহরের সবচেয়ে বড় সরকারী স্কুলে, সেরা কলেজ, কিম্বা বুয়েট/মেডিক্যাল/ঢাবি ভর্তি হওয়ার পর বাবা-মা সন্তানের সাফল্যে যতখানি আনন্দিত হন, তারচেয়েও বেশী হন লোকজনকে বড় মুখ করে বলতে পারবেন ছেলে-মেয়ে অমুকে পড়ে, তমুকে পড়ে। কথাটা খারাপ শোনায়, কিন্তু এটাই সত্যি। আমার বন্ধু ঢাবি জিওলজির ছাত্র ছিলো। সে একদিন বলছিলো, সে জিওলজিতে ভর্তি হওয়ায় তার বাবা-মা ভীষণ হতাশ হয়েছিলো। হতাশার কারণ ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হবে না। সে কারণেই দেখেছি,'আমরা বুয়েট' এই ধরনের একটা মেমব্রেনে থাকার, অন্য সবার মাঝে নিজেকে একটু আলাদা ভাববার অভ্যাস বুয়েটিয়ানদের আছে। কিন্তু এটা সেসব ছেলে-মেয়েদের দোষ বলে আমি মনে করিনা। এটা হচ্ছে আমাদের সমাজের দানাবাঁধা এক ধরণের শ্রেনীবৈষম্যের ফল। এটা ঠিক কারো ব্যক্তিগত অর্জন নয়।

এখন কথা হল আসুন আমরা সবাই একটু একটু করে দেখি তাদের হাসাহাসিতে আমরা কেমনে শরিক হতে পারি। বা তাদের সেই বিজ্ঞ হাসি দেখে আমাদের মত যারা সাধারন তারা কিছু শানে-নযূল বাহির করতে পারি কি না।

১। দেশের বাহিরে পড়তে এসে অনেকের সাথেই নতুন করে পরিচয় হলেও একই কলেজের তিনজন কে পেয়ে ভালই কেটেছে। তার মধ্যে একজন হল নাফিস। বুয়েটের সিভিল (৯৭) ইন্জিনিয়ার। আর একজন হল কবির (প্রাইভেট ইউনিভারসিটি)। নাফিস লেকহেড'কে খুব একটা পছন্দ না করায় অন্যান্য ইউনিভারসিটিতে এ্যাডমিশনের জন্য চেষ্টা করতে থাকে।

আমি আর নাফিস (নাফিস হল এমন একজন মানুষ যে ৫ ওয়াক্ত নামজের সব গুলোই মসজিদে গিয়ে জামাতে পরে। মিথ্যা কথা কখনও বলে না। সবসময় টুপি মাথায় দিয়া চলাফেরা করে।)
একজায়গা থাকলেও নাফিস এইকথাটি আমাকে কখনই বলে নাই। আমাকে বলল কি না তা নিয়ে আমার মাথা ব্যাথা হত না যদি না আমি আর নাফিস ১ বছরের বাসা ভাড়ার লিজ সাইন না করতাম। নাফিস চলে যাবার একদিন আগে আমাকে বলল যে, আমি চলে যাচ্ছি। কথা শুনে আমার কি করা উচিত তা ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না। নাফিস এখন আলবার্টাতে।
যাবার আগে সে তার লেকহেডের প্রফেসরকে বলে গেছে সে উইনজরে যাইতাছে।

নাফিস চলে যাবার পরে কপালগুনে পাইলাম আর এক ভাই মুমিন (বুয়েট '৯৬,ইলেকট্রিক্যাল)।

২।
গত বছরের এপ্রিল-মে এর দিকে, আমরা কয়েকজন বাংলাদশী যারা একই ইউনিভারসিটিতে পড়ি তারা সবাই মিলে কথা বলছি। এর মধ্যে আমি আর আরিফ ভাইয়ের অত্যন্ত কাছের একজন (যার নিকট থেকে আমি আরিফ ভাইয়ের কথা প্রথম শুনি) সাব্বির জুনে দেশে যাব তাই নিয়ে কথা হচ্ছিল। সব্বির হঠাৎ বলল, মুমিন ভাই (বুয়েট, ৯৬ ইলেকট্রিক্যাল) আপনি দেশে যাবেন না?
মুমিন ভাই বলল, না। সাব্বির বলে আরে কি বলেন, আপনার আব্বা-আম্মারে দেখতে যাবেন না?
মুমিন ভাই বলে, আব্বা আম্মাকে তো সেই ৩০ বছর ধইরা দেখতাছি, তাদের আবার নতুন করে দেখার কি আছে?

আমরা কথা শুনে তাজ্জব হয়ে গেলাম। বলে কি এই এই জ্ঞানী স্কুলের বিদ্বান!!

যে কারনে সাব্বিরকে সব সময় পছন্দ করি তারমধ্যে একটা হল, সব জায়গায় সব সময় সঠিক কথাটা ও বলতে পারে।
এরপর সাব্বির বলল, তাহলে দেশে কখন যাবেন? উততরে মুমিন ভাই বলল, বিয়ে যদি দেয় তাইলে দেশে যাব।
সাব্বির আবার বলল, বউকে একাধারে ১০ বছর দেখার পরে কি করবেন?
মুমিন ভাইয়ের আর কোন কথা নাই মুখে।

৩। সাব্বির কিছুদিন একবাসায় থাকত। তারমধ্যে একজন ছিল কিংকং (কিংকং সিনেমা দেখার পরে সাব্বির এরমতে তার নাম বলে এইটাই হওয়া দরকার ছিল)। তিনিও বুয়েটের।

তিনি আবার সাহিত্য চর্চা করতেন। বাসার সবাইকে নিয়ে সে দীক্ষা দিত বা দেবার চেষ্টা করত। সবার কাছে শুধু তার এইসব গল্প শুনতাম। মাগার সাব্বির থাকলে তার আর কোন চর্চাও নাই, দীক্ষাও নাই। সবাইকে বলে বেড়াত তার বই, কবিতা নাকি হাবিব মহাজনের মত প্রকাশকরা এসে দাড়ায়ে থাকত নেবার জন্য। কিন্তু আমরা তার নাম কিংবা বই আজও পাইলাম খুজে। অন্য সবাইকে বলে সে নাকি ছদ্দ নামে লিখে। সেই ছদ্দ নামটাও আমাদের কখনও জানা হল না।
এর মাঝে তিনি বললেন, আমি এইখান থেকে যাবগা অন্য ইউনিভারসিটিতে। ভাল, কিন্তু কারন আর আমরা জানতে পারলাম না।

কবির আর আমি একদিন ইউনিভারসিটি থেকে কিংকং কাছে ফোন করলাম।
কবির'কে ফোনে চিনতে না পারায় কবির হয়ে গেল, গ্রাড ষ্টাডিজের অফিসার।
কবির, আপনের তো টিউশন বাকী হাজার ডলার
কিংকং, আমি তো প্রোগ্রাম থেকে আউট
কবির, কেন?
কং, ফেইল করছি এক কোর্সে,
ফাঁকে আমরা জাইনা গেলাম গুরুর আসল রহস্য!!


৪। এক ঈদের পার্টিতে একজন প্রফেসরের (বুয়েটেরও প্রফেসর ছিলেন) ড্রেস-আপ গেট আপ দেইখ্যা সবাই তার লইয়াই কথা শুরু করল। তার সেই স্যুট-কোটের সাথে চকচকা কেডস পরা অবস্থার কথা এখনও আমরা আলোচনা করি। এত বাজে রুচি মানুষের কেমনে হয় তাই জানতে পারলাম না।
বন্ধুরা এখন মাঝে মাঝে বলে, আপনাকে আমার বাসায় দাওয়াত থাকল, শর্ত এই যে আপমাকে স্যুট-কোটের সাথে আপনাকে চকচকা কেডস পইরা আসতে হবে!!!


৫। মুমিন ভাই আমদের বাসায় আসার পরে আশেপাশে সবার সাথে পরিচয় হল। তিনি ছাড়া আর কেউ বুয়েটের না। এইটা বুঝনের পরেই সে সবাইকে জ্ঞান দেবার শুরু করল। তখন বিষয়টা হল, পিয়াল ভাই এর বিয়ে নিয়ে বিপ্লব রহমানের পোষ্টের মত। মুমিন ভাই জীবনে কত স্কলারশীপ পাইছে, তার বন্ধুরা নোট নেবার জন্য কেমনে পিছন পিছন ঘুরত, কোথায় কোথায় খাওয়াইত, সে কত ভাল ছাত্র ছিল এই সব (মুমিন ভাই ১৩ তম তার ব্যাচে, বুয়েটে)। এর মধ্যে কবিরযে স্ট্যান্ড করা ১৩ তম ঢাকা বোর্ডে সেই কথা আর কেউ তারে কইলাম না, যতদিন ছিলাম মজা লইলাম।

নোট: এইলেখাটি অবশ্যই বুয়েটকে ছোট করার জন্য নয়, এই লেখা তাদের জন্য যারা শুধু বুয়েট থেকে পড়তেই শিখেছে, সামাজিকতা, নৈতিকতা শিখেনি তাদের জন্য)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28710990 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28710990 2007-05-17 06:22:17
ভুতের আলো
ভুতের আলো কেন হয়? বা কেনই দেখা যায় তার সঠিক কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। তবে কতকগুলো সম্বাভ্য কারন বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করেছে।


সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য যে কারন সেটা হল ফসফরাস। স্যুয়াম্প গ্যাস (এক প্রকার বায়োগ্যাস) যদিও বাতাসে আগুন জ্বালাতে (ইগনাইট) পারে না, কিন্তু পানির নিচে বা স্যাতশেতে মাটির নিচে এই গ্যাস ভেঙ্গে (ডিকে) ফসফিন গ্যাস তৈরি করতে পারে। এই ফসফিন গ্যাসই মিথেন গ্যাসের সাথে মিশে বাতাসের অক্সিজেনের সহায়তায় পুড়তে পারে। ফলে আমরা আগুন দেখি, পানির উপরে, বা এই রকম কোন জায়গায়।

এক এক দেশে এই আলো ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত।

আষ্ট্রেলিয়ায় ---- মিনমিন লাইট
ফিনল্যান্ড ------প্যাকেসলা ডেভিল
নরওয়ে --------হেসড্যালেন লাইট
কানাডা --------বে চ্যাইলর ফায়ারশিপ
থাইল্যান্ড -----মিকং লাইট (নেখা লাইট)


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28710665 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28710665 2007-05-15 06:35:21
মন বিক্ষিপ্ত একটা বিকাল তাতেই ইচ্ছে হচ্ছে না। সকালে ল্যাব!! তাছাড়া বারে যাওয়া কেন যেন সারা দেয় না মন।

বাহিরে ঝকঝকে একটা বিকাল। মনে হল বাহিরে গিয়ে ঘুরে আসি, তাও হল না। বাহিরে বের হয়েও আবার ফিরে আসলাম বারান্দা থেকে। কি করব? জানি না, বারান্দা থেকে বাসার সামনের দুইটা ছবি তুললাম।

আপলোড করতে চাইলাম আমার ব্লগে হয় না, সাইজ নাকি অনেক বড় কি আর করা? কেটে কুটে সাইজ ছোট করে আপলোড করলাম।
থাকুক না হয় আমার মনটা আজ বিক্ষিপ্তই!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28710488 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28710488 2007-05-14 06:45:42
আবহাওয়া খুব খারাপ http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28700609 http://www.somewhereinblog.net/blog/tela_pokablog/28700609 2007-03-01 15:50:48