আমার প্রিয় পোস্ট

আমি বলছি যাব যাব, ঘর বলছে না; অবাধ্য সেই দুয়ার আমার, আটকে রাখে পা...

জাতীয় সংগীত পরিবর্তন

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৬:২২

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমি আজ যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো সেটা মোটামুটি মারাত্ম স্পর্শকাতর বিষয়। আমি এও জানি এটা নিয়ে আমার উপর সবাই ঝাপিড়ে পড়বে, কেউ বলবে আমি রাজাকার, কেউ বলবে পাকিস্থানী, কেউ কেউ আবার গর্দভ...।

যে যা-ই বলুক, ভাষা'র মাস এলে নিজেকে গর্বিত মনে হয়। মনটা কেমন করে ওঠে। ভাষার জন্য একটা জাতি 9 মাস যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে এবং একটা একক রাষ্ট্র গঠন করেছে। যে রাষ্ট্রের নামও ভাষার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত...

আসল কথা হলো- আমাদের জাতীয় সংগীত আমার কাছে তেমন হৃদয়স্পশর্ী মনে হয়না। এখন অনেকে বলবেন রবী ঠাকুর হিন্দু বলে? তিনি ভারতের নাগরিক বলে? না, সেজন্য না। তিনি খুব বড় মাপের কবি এবং লেখক ছিলেন। তিনিতো জোর করে তার বিশাল কবিতাকে কাট-সাট করে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বানান নি।

তিনি কোনো এক সুন্দরতম দিনে এই কবিতা লিখেছিলেন দেশকে ভালোবেসেই। সেটা যুদ্ধের আগের ঘটনা। তার কবিতায় যুদ্ধের পরের ঘটনা না না আসাই স্বাভাবিক। তার এই কবিতায় বাংলার সুন্দর প্রকৃতি ফুটে উঠেছে, এর মানুষ জন প্রধান বিষয় নয়...।

আমার আপসোস... সেসব সিলেক্টরদের বোকামিতার কথা ভেবে যারা হাতে অনেক ভালো সংগীত পেয়েও এমন একটি কবিতাকে জাতীয় সংগীত হিসাবে বাছাই করেছেন। এর কারণ কি? তিনি নোবেল প্রাইজধারী বলে...!?!

আমাদের জাতীয় সংগীতে না আছে ভাষা শহীদদের কথা- যারা রক্তের বিনিময়ে মায়ের ভাষাকে বাঁচাতে চেয়েছিল। না আছে মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরব গাঁথা- যারা 9 মাস যুদ্ধ করে মা'কে শুধু ভাষা-ই এনে দেয় নাই, দিয়েছে একটা অখন্ড স্বাধীন রাষ্ট্র।

আজ যখন শুনি- 'ও আমার দেশের মাটি, তোমার পরে ঠেকাই মাথা...', কিংবা 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো- একুশে ফেব্রুয়ারী' অথবা 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি'... তখন মনটা কেমন করে ওঠে। দেশের প্রতি গৌরববোধ হয়। ইতিহাস পড়তে, জানতে ইচ্ছে হয়। এসব সংগীতকে জাতীয় সংগীত বানানোর জন্য সুপারিশ করছি না, সে যোগ্যতা আমার নাই। আমি বলতে চাচ্ছি- অনেক ভালো কবিতা আছে যেগুলোকে জাতীয় সংগীত বানানো যেতে পারে।

উন্নত অনেক দেশই আছে যারা কয়েকবার জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করেছে। তাহলে আমাদের দেশে তা সম্ভব নয় কেন?

অথচ আপনি এই সংগীত পরিবর্তনের কথা বলে দেখুন, দেখবেন- আপনাকে দেশদ্রোহী বানাতে প্রথমে আসবে- অন্যান্য ধর্মালম্বী জোট, গোয়াড় টাইপের কিছু মানুষ, পরিস্থিতির ফায়দা খুজতে থাকা কিছু রাজনৈতিক দল, আর গাধার লেজে লেজে চলা কিছু শ্রেণীর মানুষ...

বাঙালীরা কোনোদিন কি সঠিক একটা জাতীয় সংগীতের অভাব অনুভব করবে না?

 

প্রকাশ করা হয়েছে: কৃষ্ণচূড়া  বিভাগে ।

 

  • ৫৭ টি মন্তব্য
  • ৯২৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি
১. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১২:০২
comment by: পাইন মারা বলেছেন: আমি করি কিন্তু কইরে কি করবোরে ভাই সব শয়তনরাই হয় রাজনীতিবিদ। এদের জালায় আমি আর আগাইতে পারি না যেমনটা আপনি অনুভব করে তেলাপোকা নাম নিয়েছেন তেমনটি আমি পাইন মারা নাম নিয়ে সমাজ সংস্কার করতে চাই। কিন্তু আমাদের দুই পয়সা কেয়ার করেনা। সুই আর চালুনের উধাহরণ দিয়া ভাই আন্ডার এইট্টিন কইরা রাইক্কা দেয়। এই শয়তানদের ঠিক করার লাইগ্গা যাদুর চেরাগ আনতে হইবো। কি কন ভাই.......
২. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১২:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: পাইন মারা এবং নতুন,
আমার খুব ভালো লাগলো... আমার মত অন্তত দুইজন মানুষতো পেলাম।

কি যে আনন্দ লাগছে... আমি একা নাই। স্বপ্ন দেখছি... বাংলাদেশ বদলে যাচ্ছে...
৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১২:০২
comment by: নতুন বলেছেন: "ধন্য ধান্যে পুস্পে ভরা আমাদের ই বসুন্ধরা ..................... এমন দেশটি কোথাও খুজে পাবেনাকো তুমি সকল দেশের সেরা সে যে আমার জন্ম ভূমি " তেলাপোকা আমার এই গান টিকে জাতিয় সংগিত বানাতে ইচ্ছে হয়। কারন এটি আমার , আমাদের দেশের সাথে সম্পর্ন মানান সই গান ।
৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১২:০২
comment by: নতুন বলেছেন: ভাই আমি সবসময় নতুন বাংলাদেশ এর স্পন দেখি। এবং পুরাতন জঞ্জাল সরাতে যে কোন কথা সাহসের সাথে বলতে প্রস্তুত
৫. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি,
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।

আমি জানি না আমাদের এই অসাধারণ জাতীয় সঙ্গীত কেন তেলাপোকার হৃদয় স্পর্শ করে না। হয়তো আরো অনেকের হৃদয় স্পর্শ করে না।
তেলাপোকা হয়তো নানা কারণে আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের সৌন্দর্য উপলব্ধিতে নারাজ, সেটি তাঁর ব্যক্তিগত বিবেচনা। আমি আমার ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা জানাতে পারি। আমি টানা আট বছর স্কুলের অ্যাসেম্বলিতে এই গানটি গেয়েছি। সপ্তাহে ছয়দিন ভোরবেলায় কয়েকশো ছাত্র নিস্তব্ধ হয়ে এই গান শুনতো। এর কথার সরল সৌন্দর্য, সুরের আবেশ, এখনও আমাকে মুগ্ধ করে। আমার এই দরিদ্র দেশ কত কলঙ্কের ভার বহন করে, কিন্তু আমাদের জাতীয় পতাকার দিকে যখন তাকাই, জাতীয় সঙ্গীত যখন শুনি, আমি অনুভব করি, অন্তত দুটি গৌরবের বস্তু আমরা ধারণ করি।
তেলাপোকার আপত্তি হচ্ছে আমাদের জাতীয় সঙ্গীতে আমাদের ভাষা আন্দোলনের কথা নেই, মুক্তিযুদ্ধের কথা নেই, মানুষজনের কথা নেই। আপনার কেন মনে হলো যে আমাদের সমগ্র ইতিহাস জাতীয় সঙ্গীতে বর্ণনা করতে হবে, এবং বর্ণনা করা না হলে সেটি জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে মানোত্তীর্ণ হবে না? পৃথিবীর বহু দেশের জাতীয় সঙ্গীতে অনেক ক্রুদ্ধ কথা আছে, অনেক হামবাগ গর্জন আছে, শত্রুর রক্তপাতের আহবান আছে, নিজেদের সমগ্র পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে উল্লেখ করা আছে। আমাদের জাতীয় সঙ্গীত তো সেই তুলনায় অনেক সি্নগ্ধ, এর বক্তব্যে দেশমাতৃকার প্রতি সরল ভালোবাসা ছাড়া আর কিছু নেই। পৃথিবীর অনেক দেশে অনেক কিছুই হয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়। দুনর্ীতিবাজদের দন্ড দেয়া হয়। আমাদের দেশে হয় না অনেক কিছুই।
আপনার বুক ভরে ওঠে দেশাত্নবোধক গান শুনলে, ইতিহাস পড়তে জানতে হয়, তা বেশ তো, তা-ই করুন। পড়ুন, জানুন। জাতীয় সঙ্গীত শুনে আপনার এই অনুভূতি হয় না, তা-ও সই। জাতীয় সঙ্গীত তো দেশের প্রতি ভালোবাসা জানানোর মহত্তর মাধ্যমগুলোর একটি, ইতিহাসপাঠে আপনার প্রবৃত্তি জাগিয়ে তোলার জন্যে নয়। আপনি স্ববিরোধী কথা বলে নিজেকে ঢাকবেন না দয়া করে। জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি আরো আপত্তি আপনি তুলতে পারেন। বলতে পারেন এই গানে 90 এর গণতন্ত্র আন্দোলনের কথা নেই। বলতে পারেন এখানে দেশের চৌষট্টিটা জেলার নাম নেই। আরো অনেক কিছুই বলতে পারেন। জাতীয় সঙ্গীতের আবেদনও কিন্তু শিক্ষার ব্যাপার। আপনি সেই শিক্ষার ধারায় হয়তো বেড়ে ওঠেননি।
এই গানটি যাঁরা বাছাই করেছেন দেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে, তাঁরা বুদ্ধিবিদ্যায় আপনার চেয়ে কোন অংশে নূ্যন ছিলেন না। তাঁদের দেশপ্রেম সঙ্গীতবোধ কোনটাই কম ছিলো না আপনার চেয়ে। আপনি জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি বিরাগ পোষণ না করে বরং একটু সময় নিয়ে মনোযোগ দিয়ে এর সৌন্দর্য অনুধাবনের চেষ্টা করুন। বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ এই জাতীয় সঙ্গীতকে ভালোবেসে বড় হয়েছে, তাঁদের মিছিলে শামিল হোন।
৬. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: ওহ, তেলাপোকা, একটা জিনিস বলতে ভুলে গেছি আপনাকে। আপনি রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কেও অজ্ঞ। রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ছিলেন না, ব্রাহ্ম ছিলেন। তিনি ভারতের নাগরিক ছিলেন না, ছিলেন বৃটিশ ভারতের। 1941 সালে যখন তিনি মারা যান, তখন এই উপমহাদেশের সবাই বৃটিশ ভারতের নাগরিক ছিলো। রবীন্দ্রনাথ যদি তিব্বত বা কিরঘিজিস্তানের নাগরিক হয়েও এই গানটি লিখতেন, তাহলেও গানের আবেদন মলিন হতো না।
৭. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ২:০২
comment by: :) বলেছেন: মুখফোড় : দ্যাট ওয়াস অওসাম, আই কুডন্ট এগ্রি মোর!!!!
৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৩:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: মুখফোড়ের বক্তব্য সমর্থন করি।
৯. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:০২
comment by: নতুন বলেছেন: মুখফোড় ভাই, জাতীয় গানে যে কিছু নেই বা লেখক হিন্দু বা ভিনদেশি তা না আমার কথা হলো আমাদের আরো কিছু গান আছে যা বর্তমানের গানটির চেয়ে বেশি দেশের কথা আছে , আবেগ আছে......... আপনার মনে হয় 8 বছরে অভ্যাস হয়ে গেছে ...... মনের ভাল লাগা নয়। আর পরিবর্তন কে ভয় পাবার কিছু নেই ভাই............. । আপনি হয়তো তেলাপোকা নামটা দেখে অবঙ্গা করছেন........ যাকে জানেন না তার সমর্্পকে বড় মন্তব্য না করাই ভাল।.......আপনি কখনো বলতে পারেন না যে যারা বাছাই করেছেন তাদের চেয়ে তেলাপোকার বিদ্যাবুদ্ধি বা দেশপ্রেম কম!!! আশা করি আপনি আপনার এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইবেন.............. কে জানে একদিন এই তেলাপোকা ই হতে পারে বাংলাদেশের গৈরব বা যা আপনি চিন্তাও কররেননি কখনো...........
১০. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:০২
comment by: নতুন বলেছেন: ধন্যবাদ মলি.........
১১. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: পরিবর্তনকে ভয় পাবার কিছু নেই, এটা খুব বেশি সরলীকৃত কথা, ভাই নতুন। পরিবর্তনের দিক বিচার করে আমরা ভয় পাই অথবা পাই না। তেলাপোকা বাংলাদেশের গৌরব হয়ে উঠুন, আমিও খুশি হবো তাতে।
মলিকে বলছি, লালনের গানটির সুরাশ্রিত আমাদের জাতীয় সঙ্গীত। এটি অস্বীকৃত কোন তথ্য নয়। এই সুর আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের বাণীকে আরো মধুর করে তুলেছে।
১২. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:০২
comment by: নতুন বলেছেন: :) ভাই এই জায়গায় ইংরেজি নালিখে অন্য কোন সাইটে যান না ভাই................... ইংরেজি প্রেমিক হয়ে বাংলার ভাল বাসা কিভাবে বুঝবেন??
১৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:০২
comment by: মলি বলেছেন: আমি তেলাপোকার বক্তব্যের সাথে একমত । যারা বিপক্ষে কথা বলছেন তাদের জ্ঞাতার্থে বলছি, জাতীয় সংগীতের সুর নকল । লালনের 'আমি কোথায় পাব তারে.....' এ গানটির সুর নকল করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।
১৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৫:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: সময় পাচ্ছিনারে ভাই, একটুও সময় পাচ্ছি না... আসছি, খুবই শীঘ্রই কিছু লিখবো বলে আশা করছি... সোনার বাংলার ভাইজানরা যা জ্ঞান দিচ্ছে, তাতে আমি আশা করছি আগামী দিনের ভবিষ্যত আমি ঠিকঠাক করতো পারবো বলে মনে হচ্ছে...

এক মিনিটের মধ্যে নতুন এবং মলি কে ধন্যবাদ দেবার লোভ সামলাতে পারছি না... ধন্যবাদ আপনাদের... অনেক কিছুই জানিনা, তবে জানছি প্রতিনিয়ত... ভালো থাকেন...
১৫. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৫:০২
comment by: !!!! বলেছেন: মুখফোড়: আপনি প্রথমে বললেন জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের কোন দরকার নেই ( অন্তত আমার তাই মনে হল, আপনার 1ম মন্তব্য পড়ে ) আবার এখন বলছেন পরিবর্তনকে ভয় পান না অর্থাৎ পরিবর্তনে আপত্তি নাই । আপনার কথা তো আমার কাছে স্ববিরোধী ঠেকতেছে ।

১৬. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৫:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: বর্তমান জাতীয় গানটির ইতিহাস খুব একটা ভালো নয়! ইতিহাস ঘাটলেই সব বোঝা যাবে।
আর বাংলাদেশের জাতীয় গান হিসেবে কোলকাতায় জন্ম নেয়া কোন নাগরিকের লেখা গানকে বানানো উচিত হয়নি।
কিন্তু তারপরেও....
১৭. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০২
comment by: নতুন বলেছেন: বিশ্বকবি বংঙ্গ ভঙ্গের বিরধিতা করেছিলেন , তাই তিনি অবশ্যই বাংলাদেশ কে মনে করে গানটি লিখেন নাই...
১৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০২
comment by: মলি বলেছেন: মুখফোড়: যদি রবীন্দ্রনাথ স্বীকার করতেন যে, সুরটি তিনি ধার করেছেন তাহলে হয়তো জাতীয় সংগীতকে লালনের সুরাশ্রিত বলা যেত । কিন্তু তিনি গানটির নিচে বা অন্য কোথাও এ বিষয়টি স্বীকার করেননি । অতএব একে তো নকলই বলব, নাকি? দয়া করে উত্তর দিবেন.........
১৯. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: বিশ্বকবির কল্পনাশক্তির প্রশংসা করি, কিন্তু তিনি বোধহয় 1905 সালে বসে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব কল্পনা করতে পারেন নাই। তাই বলে এই গানের প্রাসঙ্গিকতা তো এক চুলও কমে নাই। আপনি কি ভাই আমাদের জাতীয় সঙ্গীত পুরোটা শুনেছেন কখনো? একটু শুনে বলবেন তো অপ্রাসঙ্গিক কিছু আছে নাকি?
মলি, গানটির নিচে মানে? নিচে কোথায়? রবীন্দ্রনাথ যখন তৎকালীন পূর্ববঙ্গে তাঁর জমিদারির দেখভাল করার জন্য আসতেন, তখনকার রচিত গানগুলির ওপর লালনের বাউল ধাঁচের গানের প্রভাবের কথা লিখে গেছেন।
খুব ভুল হয়ে গেছে আমাদের, কোলকাতায় জন্মগ্রহণকারী রবীন্দ্রনাথের গান আমাদের জাতীয় সঙ্গীত, চুরুলিয়ায় জন্মগ্রহণকারী কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি .. ..। মানসম্মান সব গ্যালো আমাদের, কী বলেন ভাই?
বিস্ময়বোধক চিহ্ন ভাই, আপনার কথা শুনে আমার ভানুর সেই কৌতুকটা মনে পড়ে গেলো।
২০. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: মলিকে বলছি রবীন্দ্রনাথের ভাঙ্গাগানের তালিকা রবীন্দ্রনেিথর জীবদ্দশায় পকাশিত হয় বিশ্বভারতী থেকে। আর '' আমি কোথায় পাবো তারে..'' গানট লালন শাহের নয় , গগন হরকরার ।
২১. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৮:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: তেলাপোকা ভাই জাতিয় সংগীত পরিবর্তন করার প্রয়োজনীয়তা কোথায়? একটা গান আপনার দেশপ্রেম কমিয়ে দিচ্ছে? অন্য কোনো গান হলে আপনার দেশপ্রেম উঠলে উঠতো?
দেশ কে নিয়ে লোকজন গান লিখছে, লিখবে, দেশের কথা আছে এমন যে কোনো গানকেই জাতিয় সংগীত করা যেতো, এমন কি দেশের কথা নেই এমন গানকে করলেও ক্ষতি ছিলো না, ধরেন বাংলাদেশের জাতিয় সংগীত হলো বন্ধু তিন দিন তোর বাড়িত গেলাম দেখা পাইলাম না, তাতে কি আপনার দেশপ্রেম কমে যেতো?
যদি আপনি এমন নিশ্চয়তা দেন যে আপনি জাতিয় সংগীত পরিবর্তন করলে যত অভাগা দেশদ্্রোহী লোকজন, ধর্মের সং , এবং অন্য সব লোকজন যাদের দেশপ্রেমের ঘাটতি আছে, সবাই দেশপ্রেমিক হয়ে যাবে তাহলে ঝুকি নিয়ে পরিবর্তন করেন না,
আমার মনে হয় দেশ প্রেমের অনুভব বাছাইকৃত একটা গানের উপর নির্ভর করে না, পাক সার জমিন, গেয়ে গেয়ে বড় হয়ে উঠা লোকজনতো ঠিকই মুক্তিযুদ্ধ করলো, বাংলাদেশ হলো, সেখানে পাকসার জমিন কোনো সমস্যা করেছে মনে হয় না,

আপনার দেশপ্রেম যে গান শুনে উথলে উঠে সে গান শুনেই দেশকে ভালোবাসেন, যে গান শুনে দেশের সম্মান বাড়ানোর ইচ্ছা হয় সে গান শুনেই দেশের সম্মান বাড়ান, কেউ কি আপনাকে বাধা দিচ্ছে, নাকি আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি, এই কথাগুলোতে আপনার আপত্তি, সোনার বাংলা ভালোবাসতে পারছেন না? জেমসের বাংলাদেশ শুনে দেশপ্রেম বাড়ান, ওখানে অনেক বিশাল ইতিহাস লেখা আছে।
২২. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১০:০২
comment by: হ।স।ন বলেছেন: আগেও আমরা শুনেছি রবি ঠাকুর নোবেল পুরষ্কারের জন্য লবিং করেছেন । এবার পশ্চিমবঙ্গের এক মন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তীর কাছ থেকে শোনা গেল ।
২৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১০:০২
comment by: হ।স।ন বলেছেন: তেলাপোকার সাথে আমি একমত । রাসেল আর মুখফোড় ভাইরা তো জাতীয় সংগীতের পয়েন্টাই মিস করলেন । দেশপ্রেমের চেয়ে মুখফোড়ে ভাইয়ের কাছে রবীন্দ্রপ্রেমই বড় দেখা গেল ।আর রাসেল ভাইতো "বন্ধু তিন দিন" গানেও আপত্তি করলেননা জাতীয় সংগীত হিসেবে।

আমার মতে "আমার সোনার বাংলা" নির্র্বাচিত করার পেছনে প্রধানতম কারন এর রচয়িতা রবি ঠাকুর । এর থেকে ভাল কিছু তারা নির্র্বাচন করতে পারতেন কিন্তু করেন নাই । রবি ঠাকুরের লেখা বলে কথা, ভাল না হয়ে যায় কোথায়।
২৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১০:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: হাসান, মলি, প্রযুক্তিবিদ ও অন্যান্যরা....আপনাদের আরেক আংকেল মোনেয়াম খাঁর সেই অমৃত বাণী উল্লেখ করতে ভুলে গেছেন আপনারা। সেই যে মনে পড়ে?
তিনি বলেছিলেন। কি বলেছিলেন?
তিনি বলেছিলেন, পশ্চিবঙ্গের হিন্দুর লেখা রবীন্দ্র সংগীত নিয়ে আপনারা এতো লাফালাফি করেন কেন?আপনারা রবীন্দ্র সংগীত লেখেন না কেন?
তারই তো বংশধর আপনারা। যে কথা বলছেন এর সবি বস্তাপচা। আপনাদের বাপ-চাচারা কপচাতে কপচাতে পচিয়ে ফেলেছেন। দুলাইন বাংলা লিখতে কলম ভাঙে যাদের। তারা লিখবে সংগীত। একবার লিখে দেখান আংকেলের রবীন্দ্র সংগীত। আমরা 'জাতীয় সংগীত' না হোক শিবির বা জামাতের দলীয় সংগীত করার জন্য লবিং করবো!!!
২৫. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১১:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: এক এক জনের পছন্দ একেক রকম হবে। আর ছোঁয়ে যাবার বিষয় টা আর ও জটিল।সেটা অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে।তেমন , সময়, মানুষিক অবস্থা.....

আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের কথা আমার কাছে অসাধারন মনে হয়।মনযোগ দিয়ে শুনলে দেখবেন কি স হজ তার প্রতি ভালবাসার প্রকাশ....কতস হজ আত্মসমর্পন.........ষেটা যেকোন কবির ই হোক......যদিও "আমার ভাই এর রক্তে রাঙানো" গানটি আসাধারন লাগে.......এই গানটি প্রতি সময় মনে করিয়ে দেয় আমি আমার ভাইকে হারিয়েছি........কখনও তাদের আচেনা মনে হায় না।মনে হায় এই তু সেদিনেরট ঘটনা.......
২৬. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১২:০২
comment by: হ।স।ন বলেছেন: হীরক, আপনি অনেক রসিকতো । হাহ হা হা হা হা হাহ হা হা হাহ হা হা হাহ হা হা ।
মোনায়েমের বংশধর, হাহ হা হা হাহ হাহ হাহ হাহ....
২৭. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১:০২
comment by: ওয়ালী বলেছেন: তেলাপোকা দেখলেনতো অবস্থা সংস্কার নীতি প্রয়োগ করতে গিয়ে একে বারে নাজেহাল হলেন। উপাধিও জুটলো বেস কয়টি। আমি জানি আপনার পৃষ্ঠদেশ তৈলাক্ত তার পরেও বলছি পিছপা হবেন না।
২৮. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ৩:০২
comment by: পাইন মারা বলেছেন: একি আবস্থারে ভাই কইরা গেলাম একটা কমেন্ট আর এখন দেহি 28 টা। বাংলাদেশে রাজনীতিবিদের অভাব নাই। দেখছেন ভাই তেলাপোকা কি ভাবে আমগরে আন্ডার এইট্টিন বানাইতাছে। আরে মঞ্চবীরেরা

আগে হাগতা পাট ক্ষেতে
এখন হাগো ফ্ল্যাসওয়ালা কমডে
দোষ কি ভাই
সংগীতটা চেঞ্জ করিলে।

দারূন কবিতা লিখছিতো আর একটুস ানি কষ্ট করলে জাতীয় সংগীত লেখতে পারুম না তাতো না।
২৯. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৬:০২
comment by: নতুন বলেছেন: হিরক লস্কর আমার মনে হয় যুক্তি না সুধূ খোচা দেওয়ার জন্য ই আপনার লেখা........... ভাই আপনারা কবি নজরুল ইসলাম কে ছোট ভাবেন তার নোবেল নাই বলে। রবিন্দ্রনাথ তার ছোট গল্প ও গানের জন্য টিকে জাবেন সময়ের পরিক্ষায়, আরকিছুর জন্য থাকবে না। নজরূল থাকবেন তার গল্প, বিদ্রহি গান, বিদ্রহি কবিতা, এবং তার কাজ, সে যে জ্বীবন জ্বাপন করেছে , তার লেখার ব্যবহার ( আমাদের 71এ নজরুলের গান সবাইকে মনের সাহস জুগিয়েছে).............
৩০. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৬:০২
comment by: নতুন বলেছেন: ভাই বোনেরা , 1) আপনারা তেলাপোকার লেখাটা ঠিক মতন না পড়ে সব ম্নত করেছেন বলেই আমার মনে হয়। 2) ভাই আমি মনে প্রানে 71 এর রাজাকার দের ঘিৃনাকরি, ঘিৃনাকরি জামায়েত কে,ঘিৃনাকরি পাকিস্তান কে, তার পরেও তেলাপোকার কথাকে সমর্থন করি। 3) তেলাপেকার লেখায় কোখায় জামাতের , ইসলামের , মুসলমানিত্তের গন্ধ পাইলেন বুঝলাম না। 4) মাসুদা ভাট্টি আপনার কলম খুব ভাল,মতামতের জন্য ধ্যবাদ, কিন্তু দেশর গান কোন দেশপ্রমিক বদলানোর কথা বলবেনা এটা কে বলল আপনাকে।
৩১. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৬:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: মুখফোড় ভাই,
পরিবর্তনকে আপনি অবশ্যই ভয় পান।একটা অন্ধ বিশ্বাস নিয়ে আপনারা আজও নেচে যাচ্ছেন বিরামহীনভাবে।

একজন কবি সমানে আম-কাঠালের গুনকীর্তন করলেই যে সেটা মহত্বময় জাতীয় সংগীত হিসাবে যোগ্যতা অর্জন করবে তা আপনাদের কে বলেছে?

প্রকৃতি প্রেম নিয়ে জাতীয় সংগীত হলে মানুষ যুদ্ধ করতে গেল কেন? মা-বোনের সম্মান রক্ষা করতে গেল কেন? সালাম-বরকত-জব্বারের মত টগবগে যুবকরা প্রাণ দিল কেন? তাদেরতো প্রকৃতি প্রেম নিয়ে কবিতা লিখলেই চলতো...!!

আপনারা 8 বছর ধরে টানা জাতীয় সংগীত চেচিয়ে চেচিয়ে বড় হয়েছেন- চাপা মারার জায়গা পান না। আমরা কচু শুনে বড় হয়েছি নাকি...!!! আমাদেরও গাইতে হয়েছে- অনেকটা বেতের ভয়ে, বাকীটা অন্ধ বিশ্বাসে।

হিরক লস্কর সাহেবতো একেবারে ধোয়া তুলসি পাতার মত কথা বলে গেলেন। উনিশ শতকের অনেক কবিই ছিলেন যারা রবি ঠাকুরের থেকে কোনো অংশে কম ছিলেন না। আরেকটা কথা, কবিতা যেকেউ লিখতে জানে... কেবলমাত্র স্বীকৃতির দরকার। আপনাকে যদি হুট করে নোবেল প্রাইজ দেয়া হয় দেখবেন... আপনার স্বরচিত 'মৌসুমী ভৌমিক' কবিতাকে পুনরায় জাতীয় সংগীত হিসাবে বাছাই করা হয়েছে...
৩২. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: তেলাপোকা ভাই, আপনার শিক্ষায় গলদ আছে, আগেই বুঝেছিলাম। জাতীয় সঙ্গীতকে ফলের ব্যাপারীর মতো আমকাঁঠালের গুণকীর্তন বলেই মনে করলেন? আবার অনুরোধ করবো, মনোযোগ দিয়ে জাতীয় সঙ্গীত শুনে দেখুন।
ভাষা শহীদ বা মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আমরাই স্মরণে রাখি, আর আপনারা রাজাকারদের ভূমিকা মহৎ বলে গলাবাজি করেন, আসছেন এখন ছোটমুখে বড় কথা বলতে। বেতের ভয়ে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে হয়েছে দেখে এতো রাগ এর ওপর? বোঝাই যায়, শৈশব থেকেই বিকল্প শিক্ষায় বেড়ে উঠেছেন। বেতের হাত থেকে রেহাই পেয়েছেন, অন্ধ বিশ্বাস তো মনে হয় এখনো আপনাকে চালিত করছে।
কবিতা যে কেউ লিখতে জানে, খালি স্বীকৃতি দরকার, সেটা তো আমাদের এরশাদ সাহেবই দেখিয়ে গেছেন। এক কাজ করেন, ওনার কনক প্রদীপ জ্বালো থেকে একটা কবিতা বাছাই করেন, অথবা আপনাদের গুরু মাওলানা আবুল আলা মওদুদীর কোন হায়দ্রাবাদী শ্লোক, ঐটাতে সুর দিয়ে আপনারা রাজাকারপ্রেমী লোকজন বিকল্প জাতীয় সঙ্গীত গাইতে থাকেন। তাহলে আপনাদের উত্তপ্ত চিত্ত শান্ত হবে।

আর ভাই নতুন, রবীন্দ্রনাথ কি পড়েছেন আদৌ? নোবেল দিয়ে ওনাকে মাপি না আমরা। আর নজরুল আমাদের জাতীয় কবি, তাঁকে কে ছোট করলো? আপনাদের তো চোখ থাকে কবির নামের উপর, কাজের উপর না। নজরুলকে ছোট করেছেন আপনি, সম্মানসূচক "তিনি" ব্যবহার করার রুচিটুকুও আপনার নাই, "সে" দিয়ে কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন।
৩৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৮:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: সংখ্যাগুরু-লঘু'র লাইনগুলো ভালো হয়েছে... অন্তত তেলাপোকার মত চিন্তাশক্তি নিয়ে এগুচ্ছি তার একটা প্রমাণতো মিললো...!!!

পরিবর্তনের কথা বলছেন- তাইতো করছি, কিন্তু আপনারা সুযোগ দিচ্ছেন কই?

আপনি শুধু শুধু তর্ক করছেন? নজরুল নতুনের মা হতে যাবে কিভাবে? আমি উদাহরণ দিয়ে আপনাকে বুঝালাম- শুধু অক্ষর জ্ঞান দিয়ে কাউকে সম্মান করা যায় না।

আমি কেবলমাত্র জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করা নিয়ে মত পোষন করেছি, আমিতো আর চন্দ্রিমা উদ্যানকে 'জিয়া উদ্যান', 'যমনুা ব্রীজ'কে 'বঙ্গবন্ধু' ব্রীজ বানানোর যুক্তিতর্ক করার সুপারিশ করিনাই কিংবা তাদের পক্ষে মত পোষন করিনাই।
৩৪. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৮:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: নজরুল তো আর নতুনের মা না। অপ্রাসঙ্গিক উদাহরণ টানবেন না।
মাকে তুই খালি উপজাতীয়রা বলে? বহু লোকে বলে। কিন্তু জাতীয় কবিকে দুনিয়ার কোন মুল্লুকের লোকই তুই-তুমি করে বলে না।

আপনার আমার কারো মুখেই মুখোশ নাই। আমি স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নেয়া একজন নাগরিক যে জাতির বিভিন্ন প্রতীকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আপনি তা নন।

পরিবর্তনের নেশায় তো একেবারে মশগুল হয়ে পড়েছেন দেখি, নিজের বাপের নাম নিয়েও দুইদিন পর খুঁত ধরবেন মনে হচ্ছে, বায়না ধরবেন, আব্বা আপনার নাম আমার হৃদয়ে স্পর্শ করতে পারছে না, তারপর পালেট ফেলার জন্য পীড়াপিড়ি করতে থাকবেন।

সংখ্যাগুরু লঘু আমি তৈরী করতে যাবো কেন? সব দেশেই কোন না কোন বিচারে সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু থাকে। আপনার কাছে এই শব্দটি শুধু ধর্মীয় সংখ্যালঘুত্ব বা গুরুত্ব, আমি তো বলি এদেশে কৃষক সংখ্যাগুরু, নিরক্ষর সংখ্যাগুরু। সমাজের উঁচু নিচু ব্যবধান যারা তৈরি করেছে তাদেরই শেখানো বুলি আওড়ান আপনি, কারণ আপনার নিজের চিন্তাশক্তি তেলাপোকার স্তরের। নিজে যুক্তি সাজিয়ে চিন্তা করতে শিখুন।

পরিবর্তন করতে চান তেলাপোকা? দেশকে পালটাতে চান? নিজেকে একটু পালেট নিয়ে শুরু করলে হয় না?
৩৫. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৮:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: আরে, আপনার দেখি লঘুগুরু জ্ঞান নাই! জাতীয় সঙ্গীত আপনার কাছে কেবলমাত্র, আর উদ্যান আর সেতুর নামের আগে কোন নেতার নাম বসবে সেটা আপনার কাছে বড়? ধুরো ভাই, আর কিছু বলবো না। যান গিয়া বিক্কু খান।
৩৬. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৮:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: মুখফোড়,
ছোট মুখে বড় কথা বলতেই পারি... অন্তত আপনার মত বোয়ালমুখো মানুষ নই যে, বড় মুখে ছোট কথা বলে বেড়াবো।

আপনার মত এ.বি.সি.ডি. পড়ে বড় হইনি। আরবী ভাষাও নয় খাঁটি বাঙলা অ, আ... পড়ে বড় হয়েছি। আপনার এমন মন্তব্য পড়ে বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না- আপনার বোধগম্যের অভাব রয়েছে... অন্তত আপনি গোয়াড় টাইপের মানুষ সেটা বুঝা যাচ্ছে...

আপনি আপনার আসল মুখোশ এই মন্তব্যের মাধ্যমে প্রকাশ করে দিয়েছেন বলে ধন্যবাদ দিতে ভুলছি না। ধন্যবাদ আপনাকে।

পরিবর্তনের কথা বললেই আপনাদের মত তথাকথিত ব্যক্তিবর্গ রাজাকার, মৌলবাদী আখ্যা দিতে পিছপা হচ্ছেন না।

সংখ্যাগরিষ্ট আর সংখ্যা লঘু তো আপনারাই সৃষ্টি করছেন। সমাজের উঁচু নিচু ব্যবধানও তৈরী করছেন আপনারা। সম্মান 'তিনি' 'সে' অক্ষরমালা দিয়ে প্রকাশ করার উপাত্ত নয়। বাংলা ভাষায় নিজের মাকে অনেকে 'তুমি' সম্বোধন করে, কেউ কেউ 'আপনি', আবার কেউ কেউ 'তুই' (উপজাতীরা)। এখন আপনি যদি সেসব সম্বোধনকে ভুল ধরেন তাহলে আমার কিছু বলার নাই।

৩৭. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: একটা প্রশ্ন করতে ভুলে গেলাম-- মুখফোড় ভাই... আপনি কি বলতে পারবেন রবি ঠাকুরের বই জীবনে কয়টা পড়েছেন... বয়স কম হতে পারে, কিন্তু আপনি যতটা পড়েছেন তার থেকে মনে হয়না তার লেখা কম পড়েছি...
৩৮. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:০২
comment by: অপ বাক বলেছেন: অন্য কিছু প্রশ্ন করা যায় এ প্রসঙ্গে,
জাতিয় পশু বাঘ কেনো হলো, হরিন, বানর, শেয়াল, বেড়াল কুকুর হলো না কেনো?

কেনো জাতিয় পাখি হলো দোয়েল, দেশে হাড়িচাচা, কাক চড়াই, পাখির কি কমতি ছিলো,
কেনো বাংলাদেশের জাতিয় ফল কাঠাল, আম লিচু কামরাঙ্গা কদলি, পানি ফল হলো না কেনো?
কেনো জাতিয় ফুল শাপলা, লাল গোলাপ, পদ্ম, দোপাটি, কদম, হতে পারতো অনেক কিছুই, সব ফেলে শাপলা কেনো?

সবশেষে প্রশ্ন উঠতে পারে দেশের নাম বাংলাদেশ হলো কেনো, উত্তরপাকিস্তান হতো পারতো, বুলবুলবাগিচাও হতে পারতো, বাংলাদেশ কেনো?

এসবের কোনো কারন নেই, যারা শুরু করেছিলো তাদের মনে হয়েছে এভাবেই তারা দেশকে প্রকাশ করতে চান, করেছেন, সেটাকে প্রশ্ন করছেন ভালো, কিন্তু একেক জন একেক কারনে পরিবর্তন চাইছেন,

তেলাপোকা ভাইয়ের সুপ্ত দেশপ্রেম জাগাতে ব্যার্থ এ গান, তার দেশ প্রেমের জন্য ঠিক কোন গান দরকার, 21শে ফেব্রুয়ারি গানটা চলতে পারতো কিন্তু তার আবেদন আলাদা, একটি ফুলকে বাচাবো বলে যুদ্ধ করি, ও আমার দেশের মাটি তোমার পায়ে ঠেকাই মাথা রবি বাবুর এ গানটাও তার প্রিয় কিন্তু
আমার সোনার বাংলা ঠিক তার চেতনার দরজায় কড়া নাড়ছে না,

নতুন ভাইয়ের ও পরিবর্তন চাই, তার পছন্দ ডি এল রায়ের গান, ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা..............
পাইন মারা ভাই ও পরিবর্তন চান? কারন অজ্ঞাত, নতুন ভাই নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন, কিন্তু এরশাদের নতুন বাংলাদেশ গড়বো মোরা গানটা জাতিয় সংগীত হিসেবে চান নি,

মালি আপুও পরিবর্তন চান, ছোটো মানুষ তার অভিমান, চুরি করা সুরের গান এটা, তিনি বলছেন লালনের সুর চুরি করে নিয়েছে রবি চোরা, কিন্তু আসলে গগন ভায়ার সুরের অনুকরনে এ গানের সুর করেছেন রবি চোরা।

হাসান ভাইয়ের আপত্তি নোবেল পাওয়া( লবিং করে নোবেল পাওয়া) হিন্দু কবির গান জাতিয় সংগীত না হয়ে নতুন কোনো গান লিখা উচিৎ।

ভাই বাংলাদেশের জাতিয় পতাকার ডিজাইনটাও বদলানো দরকার, সবুজের মধ্যে লাল গোল্লা এটা কোনো পতাকা হলো, পৃথিবীর অনেক দেশের পতাকঅ পরিবর্তিত হয়েছে, ওটা বদলানোর দাবি তুলেন তেলাপোকা ভাই।

ভাই দেশপ্রেম একটা গানে আটকায় না, আটকায় বোধে, আপনার বোধের জায়গায় সমস্যা,
৩৯. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:০২
comment by: ভূত বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গ এবং মুসলমানদের ুউচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা করেছেন। অর্থাৎ তিনি চাননি এই বাংলার লোকেরা রাজনীতি এবং শিক্ষায় অগ্রসর হোক। হতে পারে তার গান কবিতা অজস্র বাঙ্গালীকে মুগ্ধ করে, আমাকেও করে। কিন্তু রাজনৈতিক কারনে আমরা তার লেখা কিছুকে আমাদের জাতীয় মর্যাদা দিতে পারিনা। তারপরও আমরা জাতীয় সংগীত হিসেবে "আমার সোনার বাংলা"কে সম্মান দিয়ে আসছি। এর দ্্বারা প্রমানিত হয় বাঙ্গালী মুসলমানরা কি পরিমান সহনশীল।

এই চিন্তাধারা হয়তো পলিটিকাল ইসলামের তোড়ে উড়ে যেতে পারে। মুসলমানরা যতই তাদের বিশ্বাসের ভিন্নতা ও শ্রেষ্ঠতার বিষয়ে ওয়াকিবহাল হবে ততই তারা তাদের নিজস্ব স্বকীয়তা তৈরীতে উদগ্রীব হবে। এটা স্বাভাবিক এবং এতে কারো উদ্্বিগ্ন হবার কিছু নেই।
৪০. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: নতুন, ভুল জানেন আর কম জানেন। কোথায় আছেন এখন, মালয়েশিয়ায়? লোকজনকে তুইতোকারি করেন নাকি ওখানে? কষ্ট করে ইয়োরোপে যান, গিয়ে একবার তুমি আর আপনিতে গুলিয়ে ফেলে দেখুন। ইংরেজি ভাষায় তো একটাই, ইউ, কিন্তু রুশ জার্মান ফরাসী স্প্যানিশ ইতালীয় সুইডিশ ড্যানিশ সবকিছুতেই তুমি আপনি আছে, এবং সেগুলো নিয়ে তারা ভালোই মাথা ঘামায়।

আর আপনার লেখাগুলো প্রথমবার পড়েই বোঝা যায়, বাকি নয়বার কষ্ট করতে হয় না। আপনি জানার চেষ্টা করছেন জেনে আমি আনন্দিত। তাহলে জেনেই কথা বলুন না। জানার আগেই বলে ফেললে তো আমরা মুখ ফসকে এটাওটা বলে ফেলি।

তেলাপোকা, আপনার বয়স কম, সম্ভবত বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্্বিতীয় বর্ষেপড়েন যদি অদ্দূর উঠে আসতে পারেন, তাই জিজ্ঞেস করতে পারলেন রবি ঠাকুরের "বই" "কয়টা" পড়েছি। জিজ্ঞেস করতে পারতেন তাঁর কয়টা নাটক পড়েছি, কয়টা কাব্যগ্রন্থ পড়েছি, কয়টা উপন্যাস পড়েছি। বইয়ের সংখ্যা দিয়ে আপনি বিচার করেন সবকিছু? আপনার পড়াশোনার পরিধি সম্পর্কে আমার তো ধারণা নাই, কিন্তু আপনি পড়েও বেশিকিছু শেখেন নাই, হয়তো বেতের ভয়ে পড়েছেন এবং অচিরেই বেমালুম ভুলে গেছেন। পাঠ আর শিক্ষার মধ্যে তফাৎ আছে। আপনি তো এতো রবিঠাকুর পড়েও জাতীয় সঙ্গীতকে ফলমূলের প্রশস্তি বলে উড়িয়ে দিলেন, কিছু শেখেননি বোঝা যায়।

ধুরো, এর আগে বলেছিলাম কিছু বলবো না, কিন্তু আপনারা খালি আমাকে তর্কে টেনে নিয়ে আসেন।
৪১. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:০২
comment by: নতুন বলেছেন: মুখফোড় তর্ক যদি করতে হয় তবে তা যুক্তি দিয়ে করবেন!!!! এবং আমি আবার বলছি 1বার লিখবেন 10 বার পড়ে তার পর এবং অবশ্যই বুঝে। আর আমার জানামতে বিশ্বের কোন ভাষার লোকই তুই তুমি নিয়ে মাথা ঘামায় না যতটা আমরা করি।আর ভাই আমি সব কিছু পড়ে ফেলিনাই আপনাদের মতন, কেবল জানার চেস্টা করছি মাত্র।
৪২. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:০২
comment by: অপ বাক বলেছেন: নতুন 71এ নজরুলের কোন গান আপনাকে সাহস দিলো ভাই। শাহীন সামাদ স্বপন শ মুক্তির গানের বেশির ভাগ লোকই তো লোকগীতি বা দেশাত্ববোধক গান গাইলো, আর স্বধীন বাংলা বেতার কেন্দর থেকে প্রচারিত বিশিষ্ট গাংুলো নিয়ে রেনাসা একটা এলবামও বের করলো, আমি যদিও গান সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নই তাই যদি বলে দিতেন, কোন গানটা নজরুলের সুবিধা হতো, আমিও একটু জোশ নিতে পারতাম।
৪৩. ০৪ ঠা জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: মূল পোষ্টটি পড়লাম... কমেন্টগুলো পড়ার সময় নেই আপাতত....
এক লাইনে শুধু বলে যাই-
তেলাপোকার ভাবনার সাথে আমি একমত!
৪৪. ০৪ ঠা জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: কমেন্টগুলো পড়ার লোভ সামলাতে পারলাম না... তাই আবার কমেন্ট করতে হলো-

নাহ.. জাতীয় সংগীতের ব্যাপারে কমেন্ট করতে যাচ্ছি না এবার- একটা মজার জিনিস আবিষ্কার করলাম.... মুখফোড় রা পুরানো জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করতে ভয় পান.. তাই পরিবর্তনের বিপক্ষে। কিন্তু 1400 বছরের পুরানো ধর্ম পরিবর্তন করার ব্যাপারে তাদের উৎসাহের কমতি নেই। ব্যাপারটা পরস্পর বিরোধী হয়ে গেল না? এটা যেন যেখানে যেমন সেখানে তেমন... আরো সহজ ভাষায় বলতে গেলে একটি শব্দ চলে আসে... তা হলো "সুবিধাবাদী"। :-)
৪৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: এ লেখাটা প্রাথমিক বাছাইয়ে রাখা হয়েছে। তেলাপোকা আপনার অনুমতি প্রার্থনা করছি।
৪৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:১৩
comment by: অতিথি বলেছেন: তাইলেতো মন্তব্য করতে হয়।
৪৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা
৪৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৩১
comment by: অতিথি বলেছেন: পাগলের দল
তলায় হাত দিয়ে দেখুন আগে!!!!
৪৯. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৫৪
comment by: অতিথি বলেছেন: আবার একটু উঠাই।
৫০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৫৬
comment by: অতিথি বলেছেন: তেলাপোকা: একটা চমৎকার প্রসঙ্গ অবতারনার জন্য অভিনন্দন। প্রবণতা হিসেবে পরিবর্তন ও নতুনের ধারনা আমার কাছে আকর্ষনীয়; তবে জাতীয় সংগীতের চাইতে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হল 'রাষ্ট্র' ধারনার আবশ্যিকিকরন। নৃবিজ্ঞানের ভাষায় আপনার লাইন অফ আর্গুমেন্ট কে আমরা বুঝে থাকি 'এসেন্সিয়ালিস্ট' ঘারানার। শুধু জাতীয় সংগীত কেন, আধুনিক জাতিরাষ্ট্রের যে অবিনশ্বর অবস্থান আমাদের মনে গেঁথে রয়েছে তার ইতিহাস কিন্তু শুরু হয়েছে 1780 সাল থেকে। ফলে জাতিরাষ্ট্র স্বয়ং এবং জাতীয় সংগীত, পশপাখিকবিবিজ্ঞানীদালাল সবই একটি ভুরাজনৈতিক আর্থসামাজিক নির্মাণ। কিন্তু এখন কেন জাতিরাষ্ট্রের ধারণা এত আবশ্যিক অবধারিত ও অবিনশ্বর মনে করা হচ্ছে?

অথবা চিন্তা করার বিষয় হল কেন শিতি বাঙালী প্রতিষ্ঠিত কবির ভাষা ও সৃষ্টি জাতীয় সংগীত হয়ে ওঠে কেন তথাকথিত 'উপজাতি' বা কৃষকের গান নয়। আপনি যে পরিবর্তনের কথা বলছেন তা কি শ্রেণী নিরপে? নাকি আপনি যে আপনি শুধু 'এই গানটা আর ভালো লাগছেনা' এমন জায়গায় যেতে চাচ্ছেন। যেটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ তা হল জাতীয় সংগীতের ঐতিহাসিকতা এবং জনগণের সম্পৃক্তি। কিন্ত এখানেও প্রশ্ন থেকে যায় এই জনগন কারা অথবা সমগ্র জনগনের ধারনা আদতে কতটা পোক্ত?

যদি একটু খুঁটিয়ে দেখি তাহলে দেখা যাবে যে দেশপ্রেম বিষয়টিও অনেক আপেকি এবং পরিবর্তনশীল। একই সাথে সেটি নানা রুপও ধারণ করতে পারে। 'জাতীয়তাবাদ' যখন সকল কিছুকে ধারণ করার কথা বলে বিশেষ শ্রেণী বা গোত্রের প্রতিনিধিত্ব করে তখন অপরাপররা ক্রমশ প্রান্তিক হতে থাকে এবং রাষ্ট্র হয়ে ওঠে নিপিড়ক। যদি দেশ ধারণার পোক্ত অবস্খানটি বহাল থাকত তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রাম, সংখ্যালঘু, প্রান্তিক জনগন নামক প্রপঞ্চগুলো সামনে উপস্থিত হোত না।
শেষ করছি একটি প্রশ্ন দিয়ে সেটি হল কিভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় একটি বিশেষ ধরণের দেশাত্ববোধ আবশ্যিক হয় এবং সেটিকে প্রতিষ্ঠার জন্য অপরাপর বিষয়গুলো ঘটতে থাকে সে বিষয়ে আমরা কেন সচেতন হইনা? তাহলে কি আমরা এই 'জাতীয়তাবাদে' মোহাবিষ্ট?
৫১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:০৩
comment by: রাহা বলেছেন: কথা টা ঠিক না । অবশ্যই এ গানের আবেদন ঠিক আছে....বিষয়টা অনুভবের ।
৫২. ০৯ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:৪১