somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আজব দেশেই থাকি!
এমন অনেক বাঙালী আছেন যারা এক সময় দেশ নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতেন। দেশকে বদলাবেন, বাঙালির হাজার বছরের দারিদ্র লাঘব করবেন, দূনীতির বিরুদ্ধে সোচ্ছার হবেন ইত্যাদি, ইত্যাদি। তাদের আত্মা এখন মৃত। তারা এখন আলাদা করে নিজেদের জন্য ভাবতে শিখেছেন। সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন নিজের পশ্চাতদেশ বাঁচিয়ে চলি টাইপ জীবনের সাথে তারা অভ্যস্ত হবার প্রাণপন চেষ্টা করছেন।

এই দেশ নিয়ে আশা করার মতো কোন কিছুই আর অবশিষ্ট নাই। দেশের মানুষই ভালো না। হাজার টাকায় যে কাউকেই কিনে ফেলা যায়। সবচেয়ে বড় কথা, এই কয়েক বছরে বাঙালির মেরুদন্ড অনেক ক্ষয়ে গেছে।

সরকার আসে সরকার যায়। তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে যার যা নেবার নিয়ে নেয়। তারপর সেই চিরাচরিত নাটক। ভিলেন হয়ে উঠে নায়ক। এ দেশে কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা সেটা বুঝার মতো ক্ষমতা ঈশ্বরেরও নাই।

আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা আমরা কোনভাবেই একটা বিষয়ে একমত হতে পারিনা। নিজের স্বার্থের বিপরীতে কিছু এলেই আমরা কুকুরের চেয়েও অধম হয়ে উঠি।

দেশ চলছে পাগলা ঘোড়ার পিঠে। রাজাকার, যুদ্ধপরাধ নাটকের সমাপ্তি ঘটানো এখনো সম্ভব হয়নি। ভ্রুহীন মহিলা তার দুই সন্তান নিয়ে প্রভাবশালী রাষ্ট্রের তোষামোদে ব্যস্ত। জামাতিরা খোলস বদলে এখন নিজের পশ্চাতদেশ বাঁচানোয় তৎপর। লাভ গুরু চাচা এরশাদ এই শেষ বয়সে এসেও মৃত্যু চিন্তায় মুমূর্ষ। ফাঁকে সরকার সুযোগ বুঝে দেশ লুটে নিচ্ছে।

আ.লীগ সরকার তেমন একটা সরকার যেমন রাজাকার জামাতিরা যদি কখনো রাষ্ট্রের ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্র পরিচালনা করতো। আ.লীগ আর জামাতিদের মধো তফাত দেখি না। একদল ফাকিস্তানের চামচামি করে, বাকিদল মালোয়ানদের। দুইটা দলই দেশের জন্য ক্যান্সার।

আজকে অনেকদিন পর এসে একটা চরম দেশদ্রোহীমূলক পোষ্ট দিলাম। একান্ত বাধ্য হয়েই দিলাম। চারদিকে দু:সংবাদ আর দু:সংবাদ। তারপরও, তথাকথিত দেশপ্রেমিকদের কিছু মহান বাণী যখন চোখের সামনে দেখি তখন ভাবি, শালার আজব দেশেই থাকি!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/29246963 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/29246963 2010-09-29 11:47:55
লুঙ্গি পরিধান করে সিনেমা হলে সিনেমা দেখা বে-আইনী --- নায়ক ফারুক!
১. লুঙ্গি পরিধান করে সিনেমা হলে প্রবেশ করে সিনেমা দেখা যাবে না।
২. সিটি মারা যাবে না (যদিওবা তিনি এই বিষয়টা কিছুটা শিথিল করেছেন!)।

আমি বহুদিন আগে তার একটা ছবি কয়েক পলকের জন্য দেখেছিলাম। সেখানে তিনি কিন্তু লুঙ্গি পরিহিত নায়কই ছিলেন। আমার প্রশ্ন, জগতে এতো কিছু থাকতে তিনি কেনো লুঙ্গির পেছনে লাগলেন? নিজে লুঙ্গি পড়ে সিনেমায় নায়ক সেজে যাবেন আর পাবলিক লুঙ্গি পড়ে সেই ছবি দেখতে পাবে না এটা কেমন আইন? তার দেশপ্রেমই বা কেমন?

---
এডিট করলাম। গালাগালিটা মেজাজ খারাপ থেকে করলাম। কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে এসব বলা তার ঠিক হয় নাই। তার উচিত অতি সত্ত্বর এদেশ ত্যাগ করা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/29184028 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/29184028 2010-06-24 12:29:26
ব্রাজিলের হাডুডু খেলা দেখে মর্মাহত হলাম।
টিটকারি মারারই কথা। কারণ, ব্রাজিলের ফিফা রেঙ্কিং ০১, অপরদিকে উত্তর কোরিরয়া ১০৫। আকাশ পাতাল তফাত। অথচ ঐ দলটাই কিনা ব্রাজিলকে কাঁপিয়ে দিলো! প্রথমার্ধে কোনো গোল নেই!

ব্রাজিলের মাঝমাঠে বলই ছিলনা। কারণ মাঝমাঠ সামলানোর মতো কোনো খেলোয়াড় ব্রাজিলের নেই। রোনানদিনহো মনে হয় হো হো করে হাসছে কালকের খেলা দেখে। কাকা পুরাই ফ্লপ। যা আক্রমন এসেছে ডিফেন্স থেকেই। এমনকি প্রথম গোলটাও একজন ডিফেন্ডারের! গোলটা তেমন আহমরি ছিলনা। পাস দিতে গিয়ে বল জালে ঢুকে গেছে।

দ্বিতীয় গোলটা অসাধারণ ছিল। রবিনহোর অসাধারণ পাসে গোলটা এসেছে। আসলে একজন ব্রাজিলিয়ানই কালকে খেলেছে, তার নাম রবিনহো। বাকিরা মনে হলো মারপিট কিংবা হাডুডু খেলতে নেমেছে। কোনো গেম প্ল্যান নেই। কারনে অকারনে বল পেছনে নিয়ে গেছে। ভুল পাস দিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার খেলোয়াড়দের পেছন থেকে এসে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে। যে ফেবিয়ানো নিয়ে এতো লাফালাফি সে ফেবিয়ানো ৫টা ফাউল করেও কোনো কার্ড পায়নি!

তুলনামূলকভাবে উত্তর কোরিয়া অসাধারণ ডিফেন্সে খেলেছে। এই ডিফেন্স ইতালির চেয়েও রক্ষনাত্মক ছিল। তারা অসাধারণ একটা গোলও দিয়েছে। তাদের সমস্যা মুলত: পাসিং এ। পাসিংটা ঠিক মতো সার্ভ করতে পারলে ব্রাজিল আরও কিছু গোল খেতে পারতো। তারা প্রচুর পরিশ্রম করেছে। যাকে বলা যায় জান দিয়ে খেলেছে। ১ নাম্বার দলের সাথে খুব কম দলই আছে এমন লড়াকু মনোভাব নিয়ে খেলে। আমি তাদের খেলা দেখে মুগ্ধ, যাকে বলে পুরা অভিভুত।

ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য সহনাভূতি রইল। আশা করি ভবিষ্যতে তারা 'কাপ' গুনে দল সার্পোট করবে না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/29178092 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/29178092 2010-06-16 13:34:36
রাধাচূড়ায় ভরেনি যে মন
সংসদ ভবনের পূর্বপাশে, খেজুর বনের ঠিক ডানে ফুটে রয়েছে অজস্র বনোফুল। লক্ষ লক্ষ, কিংবা কোটি। ধবধবে সাদা, অনেকটা কাশফুলের মতো। তবে, এরা ঠিক কাশফুল না। পড়ন্ত বিকেলে এদের দিকে তাকালে পৃথিবীর সব কষ্টকে ভুলে যেতে ইচ্ছে করে। আজকের দিনটা অনেকটাই আলাদা। অনেক কারনে। আজ আবার সাদা সাগরের পেছনে ঝুলে আছে অসাধারণ এক সূর্য্য। অদ্ভুত এক রঙের কারনে একে অসাধারণ লাগছে। সূর্য্য শব্দ উচ্চারন করলে আমাদের চোখের সামনে একটা দারুন লাল রঙ ভেসে উঠে, কিংবা কুসুম লাল। সেই সূর্য্য আর এই সূর্য্য এক না। আজকের সুরোজের রঙ হলদেটে। হলুদ সূর্য্য...!

দিনগুলো কেমন সহজে, অবলীলায়, সব ছেড়ে ছুড়ে ছন্নছাড়া হয়ে চলে যায়...। এক, একটা দিন, কতো বৈচিত্রময়! কতো হৃদয়হীন! কতো যে নিরাসক্ত! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28995882 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28995882 2009-08-18 16:15:44
ছেঁড়া মানুষের পল্প
অথচ, ছেঁড়া মানুষদের কতো অসুবিধে এই শহরে। সকাল থেকে কখন বিকেল গড়িয়ে যায়। বিকেল থেকে কখন রাত। টের পাওয়া যায় না। বাইরের আকাশটা কেবল ক্যাম্পাসের জানলায় ফ্রেমবন্দি, অফিসের জানলায় ভারি পর্দার আড়ালে কখন সে আকাশ বদলে যায় তা টের পাওয়া ভিষন দায়। রাত সাড়ে এগারোয় বাড়ি ফিরে শাওয়ারের নিচে নিজেকে ব্যবচ্ছেদ করি। কতোকাল চলবে এমন করে?

ইদানিং কথা দিয়ে কথা না রাখতে শুরু করেছি। মানুষ যে যা বলছে মনোযোগ দিয়ে শুনছি এবং ভুলে যাচ্ছি। এরি ফাঁকে দারুন চকচকে এক চাকু জোগাড় করেছি। এক টিপে লকলকে ধারালো ফলা বের হয়ে আসে। হাতের তালুতে ফলা ঠেকিয়ে এর শক্তি অনুভব করি। একেলা রাতের আঁধারে ভাবি, ইচ্ছে করলেইতো দারুন কামানো যায়। ইচ্ছে করলে যেমন ইচ্ছে তেমন হয়ে যেতে পারি। প্রচন্ড রকমের লোভ জাগে।

চাকুটা ভিষন জাদুকরি।

অনেক সমস্যায় ঝুলে আছি। আশা হারাইনা তবু। আশা নিয়েই বেঁচে আছি। সুদিন দুর্দিন বলে কিছু নেই এ জগতে। যতদূর বেঁচে আছি, যতদূর যেতে পারি, তার সবটুকুই বোনাস।

বেঁচে আছি।

বেঁচে কি আছি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28957875 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28957875 2009-05-30 17:28:51
একজন হাসান মশহুদ চৌধুরী এবং আমার কিছু কথা
কে কি বলছে?
সরকার বলছে- দূর্নীতি কমিশন পুরোপুরি ব্যর্থ একটা কমিশন। হাসান মশহুদ বিবেকের তাড়নায় দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন।

সরকার বলেছে- নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি সফল একটা কমিশন। তারা এখনো অবদি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিয়ে যাচ্ছে।

বিরোধী দল বলেছে- হাসান মশহুদ আওয়ামীলীগের খাস চামচা। তার জন্য বি.এন.পি'র ভাঙন।
বিরোধী দল বলছে- নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। আওয়ামীলীগকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার চুরি করে জিতিয়ে দিয়েছে।

সংবাদ মাধ্যম কি বলে সেটা নিয়ে আমার বালেরও কোনো আগ্রহ নাই। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে আমার আর বিশ্বাস নাই।

জনগণ কি বলে? বাংলাদেশে জনগণ আছে। তবে, তারা বেশির ভাগই সচেতন ভাবে অচেতন। এদের ভেতর জাগরন সম্ভব না।

নির্বাচন কমিশন শতভাগ সফল। এর জন্য কৃতিত্ব দিতে হবে দূর্নীতি দমন কমিশনকেও। যদিও নির্বাচন কমিশনের থেকে দূর্নীতি দমন কমিশনের কাজ অনেক অনেক বেশি জটিল। ২০০৪ সালের দুদকের প্রধান কাজ ছিলো দূর্নীতির বিরুদ্ধে স্বোচ্ছার হওয়া। একে প্রতিরোধ করা। তখন দুদক তেমন সচল হতে পারেনি তৎকালীন চার দলীয় জোটের হস্তক্ষেপের কারনেই। তত্ত্বাবধায়ক আমলে হাসান মশহুদ দায়িত্ব নেবার পর থেকেই মূলত দুদক পরিপূর্ণ্যতা পায়। তিনিই প্রমাণ করে দেখিয়েছেন আইনের উর্দ্ধে কেউ নাই। দূর্নীতি করে কেউ পার পাবে না।

এতোসব কি তিনি নিজের জন্য করেছেন? নাকি বাংলাদেশের মানুষের জন্য করেছেন?

তিনি অপরাধি। কারণ একটুও চিন্তা করেন নাই গণতান্ত্রিক সরকার আসলে তাকে কতো কি ঝামেলায় পড়তে হতে পারে।

এই দিনে আমার মতো মানুষেরা কি ভাবে?
ডিজিটাল বাংলাদেশ পরে দেখবো, আগে মাননীয়া তেলতেলে চেহারা থেকে হিংসুটে মনোভাব ঝেড়ে একটু কাশুন। তারপর, এই বেকারদের কিছু মৌলিক চাহিদা পুরনে একটু নজর দিন। ভালো মানুষকে ভালো মানুষের কাতারে রেখে নিজের জন্মবীজের মান রাখুন। আপনার এই চরমপন্থী মনোভাবের কারনে কেউ যেন না ভেবে বসে আপনি অন্য কারো সন্তান। যাদের সন্ত্রাসী বলে জানতাম তারা আজ এপাচি করে দলবল নিয়ে শো ডাউন করে, তাদের আগ্রাসন বন্ধ করুন। শাক দিয়ে মাছ না ঢেকে জনগণকে সঠিক তথ্য দিন। নির্বাচনী ইস্তিহারে যা বলেছেন তার শত ভাগ না, মাত্র ৪০ ভাগ পুরন করার চেষ্টা করুন।

পরিশেষে:
একজন হাসান মশহুদকে লাল সালাম। তিনি যেখানেই থাকুন, যে অবস্থায় থাকুন, যেন অনেক ভালো থাকেন, সুস্থ্য থাকেন, সে কামনা করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28933070 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28933070 2009-04-03 13:43:41
কর্পোরেট লাইফ
তারপর আরো কিছু দেখতে পাবার আগে দেখি তুমি নেই। আমার এ্যাপেক্স এর উপর কার গুলিস্থানী জুতো উঠে জ্ঞান হারিয়েছে, খেয়াল হতেই সদ্য জন্ম লাভ করা শিশুর মতো চিৎকার করে উঠে বলি-

-- অই মিয়া চোখ কি বাসায় রেখে এসেছেন?
দেখলাম, কর্তা কপালে সের দুই ওজনের ভাঁজ ফেলে দিয়েছেন। তারপর, আমার জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে কোনমতে তার দিশেহারা দৃষ্টি সেট করে বললেন, 'এই বাসে চোখ নিয়ে এলেও কোনো লাভ নেই। তাই বাসায় রেখে এসেছি!'

কড়া রোদের ধাক্কা সামলে আমি ফের তোমায় দেখতে পেলাম। তুমি বসে ঠান্ডা হাওয়ায়। আরাম করে। পায়ের উপর পা তুলে। আর আমি ঝুলছি আগুনে, কোনোমতে, চারপাশে আমার মতো বহুজীবি মানুষ। এরা কর্পোরেট লাইফ উপভোগ করতে জানেনা। এরা কেবল এই ৩-বি নং বাসের বাম্পার ধরে ঝুলে ঝুলে চাকরীর সন্ধানে যেতে জানে, কিংবা দিন ঠিকা কাজ, বা, মাসে বড় জোড় হাজার চারেক ওজনের গা খাটুনির চাকরী...; কর্পোরেট জীবন কি সেটা এরা জানেনা।

তারপর আবার তুমি গেলে এগিয়ে। আবার এলে পাশাপাশি। মাঝখানে দুই মেরুর দূরত্ব। এমনিতেই তোমাতে আমাতে তফাতের হরেক ছড়াছড়ি। তুমি কর্পোরেট লাইফের রানী। আমি শহুরে ক্রীতদাস। ইচ্ছেমতোন নিজেকে বিকিয়ে দেই। আজ এখানে তো কাল ওখানে। মাইনে টেনেটুনে হাজার দশেক। তোমার ৩০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনী শরীর, অনায়াসে পায় লক্ষ লক্ষ। তোমার হাতা কাটা জামার ভেতর তুলতুলে হাত। বগল। তোমার ঠোঁটের খাঁজে বাঁকা উপহাস। কাদের প্রতি? তোমার কপাল জুড়ে কক্সো বাজারী অভিলাস। আমার কপাল জুড়ে নোনা জল। গড়িয়ে যায় কান্তিহীন। আমাতে, তোমাতে তফাতের হরেক ছড়াছড়ি। তুমি বাংলা লিঙ্কের রানী। আমি? হায়, যদি হতাম কালোমেধাবী। বুদ্ধিজীবি সাজতাম, ডিরেক্টর। তোমার জমিন জুড়ে আঁকতাম রঙিন ছবি। যেমন ইচ্ছে তেমন কিংবা উল্টে পাল্টে, খেলতাম। তারপর, টয়লেট পেপারের মতোন ছুঁড়ে দিতাম। তুমি হতে তখন ফার্মগেটের ২৫০ মূল্যমানের বোরখাওয়ালী।

তখনো কিন্তু তুমি কর্পোরেট লাইফের রানী।
শরীরজীবি কিংবা পেশাজীবি! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28927833 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28927833 2009-03-22 12:42:12
বৃষ্টির জন্য
যখন মন খারাপ করে তখন জীবন নিয়ে ভাবনার আয়োজন চলে। অনর্থক কাটে সারাবেলা। হাতের মুঠোয় বন্দি জলবিন্দুর খুনশুটির সুরেলা অনুভব জীবনকে ভাবনাহীন করতে পারেনা। অস্থির... জীবন নিয়ে। মানুষ। কতোটুকুই বা ভাবতে পারে? জীবন মানে খাঁচার ভেতর অচিন পাখি। কোনো সল্যুশন নাই।

তাই বৃষ্টির জন্য মনটা ভিষন কেমন কেমন করে। থমকে যাই প্রতিটি পদে। এক্সাম চলে আসে চোখের সামনে। প্রশ্ন পড়ি, প্রশ্ন দেখি, প্রশ্ন নিয়ে নাড়াচাড়া করি, প্রশ্নগুলোর কোনো সল্যুশন পাইনা।

এখানে আজ বৃষ্টিহীন প্রতিক্ষন, কাটে বিষন্ন মরমর। রাত কাটে নির্ঘূম নিথর। বেদুঈন ঝরাপাতারা সুখ হারায়। একা পাখি ঘর ভুলে যায়। মোড়ের দোকানীর তেলসিঁটে চেহারায় লোভাতুর দৃষ্টি জাগে। খুলনা টি স্টলে জায়গা পাওয়া যায় না। বিজয় স্মরনী যাত্রীর অপেক্ষা বাড়ায়। কদম দিন দিন তার পরিচয় হারায়।

বৃষ্টি... এ অবেলায় তুমি নাই;
তাই, তোমার অপেক্ষায়। পঁচিশ পেরোনো একটি ছেলে, একাকী, নিরালায় জীবনানন্দে জীবনের মেঘ খুঁজে বেড়ায়।

মরুভূর প্রেত চমকিয়া তার চক্ষের পানে চায়--
সুরার তালাসে চুমুক দিল কে গরলের পেয়ালায়!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28915836 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28915836 2009-02-24 19:02:27
ঝরাপাতা, শিশির
হিসেব কষা হয়না বহুদিন, দেখা হয়না মাথার উপরের বড় ছাদটায় জমে ওঠে কখন পূর্ণিমা, কখনবা ঝাঁক ঝাঁক অনুজ্জ্বল তারা সরিয়ে উকি দেয় শুকতারা। ফুলগাছগুলো? হয়তো মরেটরে গেছে। বারান্দায় যাওয়া হয়না কতোদিন...। ছোট্ট বন্দি খেলার মাঠ পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাই ঠিকানায়। আজ বহুদিন পর হাঁটতে হাঁটতে সহসা আনমনা হয়ে যাই। বাতাস অজস্র ঝরাপাতা কুড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে পা ছুঁয়ে। মন ছুঁয়ে। গতানুগতিক যাযাবর বেঁচে থাকা। কেবল। আমি বেঁচে আছি। তন্ময় হয়ে ভাবি, একে বেঁচে থাকা বলে? হুমমম। রাত জানে আমি কতোটা দূরে বন্দর ছেড়ে। ঠিকানাহীন এলোমেলো দমকা হাওয়া হঠাৎ চারপাশ তোলপাড় করে বয়ে যায়। অসংখ্যা ঝরাপাতা ভেতরটায় আলোড়ন তুলে একটা দুটো করে ঝরে পড়ে। চোখের সামনে। সব এলোমেলো করে দিয়ে বুকের গভীর থেকে বেরিয়ে আসে অজস্র বোবা কান্না, হতাশা, আক্ষেপ, দীর্ঘশ্বাস। বুক, পাঁজর কাঁপিয়ে বেরিয়ে আসা সে দীর্ঘশ্বাস একটা কানা গলির শেষে থমকে দাঁড়িয়ে নিজের কাছে আমাকে অপরিচিত সাজায়। আমি চিনিনি আমাকে। অদ্যবদি আমি বুঝিনা নিজেকে।

রাত জানে আমি কতোটা দূরে, বন্দর ছেড়ে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28904805 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28904805 2009-01-31 14:56:20
সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম নেই, ওবামা তোমায় ধিক জানাই
ওবামা নিয়ে আমাদের উৎসাহের কমতি নেই। তিনি মহান বলে আমরা দিস্তার পর দিস্তা লিখে ক্লান্ত হয়ে গেছি এরিমধ্যে। অথচ আমরা একটু খোঁজ খবর নেবার মতো ফুসরত পাইনা শালা কাদের টাকায় নির্বাচনের বিশাল খরচ চালিয়েছিলো।

পৃথিবী আবারো রক্তে লাল হয়। গাজায় ৭০০ মানুষ মুছে যাবার আগে জেনে যেতে পারেনি কি ছিলো তাদের অপরাধ! স্কুলে আশ্রয় নেয়া ফুটফুটে বাচ্চা গুলো... জেনে যেতে পারেনি গোলাগুলিবিহীন পৃথিবীটা কতোটা সুন্দর!

ওবামা... নতুন দিনের বদল... বহুবছর নিশ্চুপ থাকার পর, ৭০০ মানুষ হারিয়ে যাবার পর বললো- আমি সবকিছু নজরে রাখছি! শালা ইসরাইলের চ্যালা। সব শালা বেজন্মার দল। বেজন্মা অ্যামেরিকার সব মানুষ। বেজন্মা সন্ত্রাসীরা। বেজন্মা ইসরাইল। নিপাত যা তোরা। নিপাত যা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28894785 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28894785 2009-01-08 21:00:18
না-ভোটের ফলাফল
ঢাকা জেলার কয়েকটি আসনেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক 'না' ভোট পড়েছে। ঢাকা নগরীর প্রায় সব আসনেই ভোট সংখ্যার বিচারে 'না' তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

ঢাকা-৫ আসনে : ৫ হাজার ৯৩টি,
ঢাকা-৬ আসনে : ৪ হাজার ৪৫৯টি,
ঢাকা-৮ আসনে : ৫ হাজার ৪৮১টি,
ঢাকা-৯ আসনে : ৪ হাজার ৬৬৮টি,
ঢাকা-১০ আসনে : ৫ হাজার ৬৮৭টি,
ঢাকা-১২ আসনে : ৫ হাজার ৫৫৬টি,
ঢাকা-১৩ আসনে : ৮ হাজার ৬০৮টি,
ঢাকা-১৪ আসনে : ৭ হাজার ৮২৪টি,
ঢাকা-১৫ আসনে : ৫ হাজার ২৯৮টি,
ঢাকা-১৬ আসনে : ৪ হাজার ৮৭৮টি,
ঢাকা-১৭ আসনে : ৬ হাজার ২১৩টি এবং
ঢাকা-১৮ আসনে : ৬ হাজার ২৮৯টি 'না' ভোট পড়েছে।

চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, বিভাগ ওয়ারী হিসেবে ঢাকা বিভাগে দেড়লাখ, রাজশাহী বিভাগে ৮১ হাজার, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮০ হাজার, খুলনা বিভাগে ৩৫ হাজার, সিলেট বিভাগে সাড়ে ১৫ হাজার ও বরিশাল বিভাগে সাড়ে ৯ হাজার 'না' ভোট পড়েছে।

রাঙামাটিতে সবচেয়ে বেশি 'না' ভোট পড়েছে। এখানে মোট ভোটার ছিল ৩ লাখ ৩১ হাজার ৮১২ জন। এর মাঝে 'না' ভোট পড়েছে ৩২ হাজার ৬৪টি। অর্থাৎ এ আসনে মোট ভোটের প্রায় ১০ শতাংশ 'না' ভোট দিয়েছেন।

সবচেয়ে কম 'না' ভোট পড়েছে নোয়াখালী-৬ আসনে। এই আসনে মাত্র ১১৪টি 'না' ভোট পড়ে।

পরিশেষে সকল না ভোটারকে অভিনন্দন

তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ২৪.কম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28891004 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28891004 2008-12-31 15:22:42
'না-ভোট' প্রতিবাদমুখর এক দিগন্ত - নাই
- তাহলেতো ভোট দেয়া যাবেনা
- কেনো যাবেনা? আমার কাছে ন্যাশনাল আইডি কার্ড আছে।
- এটা দিয়েতো হবেনা
- তাহলে এটা করার দরকার কি ছিলো?
পাশের অবিচার (অফিচার) বলে, এতো তর্ক করা যাবেনা। নিচে নেমে ভোটার নম্বর বের করে আনেন।
উত্তর শুনে প্রচন্ডরকম হতাশ আমি। ফাকরু তুমি দীর্ঘজীবি হউ। ভাগ্যিস নৌকা মার্কার একটা স্লিপ এনেছিলাম। ব্যাকআপ!
- এটা আগে দেন নাই কেনো?
- প্রয়োজন মনে করিনাই। আর আপনারা এতো স্লো কেনো? অন্য দুই রুমেতো কোনো লোকজনই নাই।
- ঐ দুরুমের ভোটার কম।
- ভোটার কম কেন? সবরুমেতো সমান ভোটার থাকার কথা!

আর কিছু বলতে পারলাম না। দেখলাম আমার স্লিপ নিয়ে তিনি সুডুকো খেলতে শুরু করেছেন। খুঁজে আর পান না। অবশেষে... মিনিট পাঁচেক পর ভোট দিয়ে বেরিয়ে এলাম।

যে কারনে 'না ভোট' দিলাম-
১. আমি স্বাধিন বাংলাদেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে অনেক চিন্তা ভাবনা করে যোগ্য প্রার্থী খুঁজে পাইনি।
২. মুক্তিযুদ্ধের গর্ব বুকে নিয়ে একজন সচেতন বাঙালী হিসাবে আমি দুর্নীতি, সন্ত্রাস, স্বৈরাচার আর যুদ্ধাপরাধী নিয়ে জোট গড়া কোনো দলকে ভোট দিতে পারিনা।
৩. জীবনের প্রথম ভোটের জন্য সারাজীবন আপসোস করতে চাইনা।

'না ভোট' আমার কাছে এক প্রতিবাদমুখী অস্ত্রের নাম। এই অস্ত্র সাধারণ জনগণের। এই অস্ত্র অসৎ রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষমতায় বসা থেকে বিরত রাখতে পারে। এই অস্ত্র একজন অসৎ রাষ্ট্রপ্রধানকে ভালো কাজ করার জন্য উৎসাহিত করতে পারে।

'না ভোট' তাই একটি প্রতিবাদমুখী দিগন্তের নাম। জনগণের মুক্তির গান।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28889704 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28889704 2008-12-29 13:04:02
ফকরু মামা আমারে 'না-ভোটার' বানায়া দিলো!
না-ভোটের সাথে আছি এবং না-ভোট নিয়ে চুলকানিকন্যা শেখ হাসিনার মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28889161 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28889161 2008-12-28 14:10:50
এবং " style="border:0;" />। এ আসলে তেমন কিছু না, কেবল সময়ের স্রোতে ভেসে চলা। সময় কার ভালো যায়, কার মন্দ সেটা বোঝা মুশকিল। হঠাৎ নিজেকে খুব ফাঁকা মনে হচ্ছে। Appointment লেটার এ সাইন করলাম, এখন দেখার বিষয় ব্যাপারটা আমি কেমন করে মানিয়ে নিতে পারি। যাক, নিজেকে অভিবাধন। অস্তিত্বে এখনো কিছু বারুদ জমে আছে ব্যাপারটা উপলব্ধি করাটাই জীবনের আসল মানে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28878635 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28878635 2008-12-05 14:39:12
গেট আ লাইফ
যাক, আমার পাশে কাঁধে হাত রেখে বসে আছে জলকনা। জলকনা...। এক সুরভী সময়ের নাম। কলকাতার মেয়েরা কেমন হয়? এরা বাঙালী মেয়েদের মতো খাটো না। মোটাও না। প্রায় সব কলকাতান মেয়েদের শরীরের গড়ন একই রকম। সাদাসিদে আর পরিপাটির সমন্বয়। পোষাকে থাকে রুচির ছাপ। সমস্ত শরীর জুড়ে অদ্ভুত শুভ্র নিস্তবদ্ধতা, যেন শিউলি ফুলে বিন্দু শিশির। চোখ তার পাখির মতোন। জীবনানন্দের বনলতা সেনের মতো ওর চুল। তবে, কোমর বরাবর বড় না। ওর চুল পিঠ বরাবর এসে শেষ হয়েছে।

আমরা বসে আছি ডিঙি নোকায়। ছোটখাটো বয়সী নোকা। এর আছে মাঝ বরাবর ছাউনি। যাত্রীকে যতটা না রোদ/ বৃষ্টি থেকে বাঁচানোর জন্য এ ব্যবস্থা তার চেয়ে বড় কারন মাঝির ব্যবসাকে জমজমাট করা। মধ্য বয়সী মাঝি। গায়ের রং তামাটে। শুকনো চেহারা। পরনে লুঙ্গি, গায়ে শার্ট, কোমরে লাল-সবুজ গামছা বাধা। মাঝির আলসে বৈঠার তালে নোকা চলছে, গন্তব্যহীন। গন্তব্যের কথা তাকে বলতে হয়না। এইখানে, এই তুরাগে গন্তব্য বলে কিছু নেই। সবকিছু এখানে গন্তব্যহীন।

আমি মানুষটা কেমন তা আমি নিজেও জানিনা। তবে মনে হয়না খুব একটা সুবিধের। আমার পাশে জলজ্যান্ত একজন মানুষ নিজের সবটুকু ভালোলাগা উজাড় করে দূর ভবিষ্যতের কথা ভাবছে হয়তো। অথচ, আমি এর এক বিন্দুও ভাবতে পারিনা। আমার এসব ভাব আসেনা। কেন আসেনা সে জানিনা। আমি ওর কথা শুনতে পছন্দ করি, ওর স্পর্শ নিতে কিংবা আমাদের দুজোড়া ঠোঁট যখন একাকার হয়ে ভালোবাসার অস্তিত্ব রোপন করতে ব্যস্ত থাকে, ঠিক তখনো আমি ভেবে পাইনা আমার সাথে ওর সম্পর্কটা আসলে কিসের? আমি ওকে সব বলতে পারি কিন্তু নিজের চরম অসময় মুহূর্তে ওকে আমি চাইতে পারিনা। বলতে পারিনা- ভালো নেই।

তার সাথে আমার ঝগড়াঝাটি তেমন একটা না হলেও মান অভিমান হারহামেশাই হয়। কিন্তু ওর রাগ সবচেয়ে কমজোরি। এটা ওর দুর্বল দিক। ও র্দীঘ মেয়াদী রাগ দেখাতে জানেনা। কিন্তু যখন ঝগড়া হয় তখন আমাকে আকাশ থেকে মাটিতে নামাতে ওর এক মিনিটও সময় লাগেনা। আমি স্তম্ভিত হই, আমি অবাক বিস্ময়ে নতুন আমিকে দেখি আর লজ্জিত আমি নতমুখে বাক হারাই।

-- মামা আরো দূরে গেলে ফিরতে সন্ধ্যা হইয়া যাইবানে, তহন পুলিশকে টাকা দেওন পরবো।
-- ফিরে চলেন। আমি মাথা না ঘুরিয়ে উত্তর দেই।
-- আপনে বললে আরো যাইতে পারি, তয় পুলিশের টাকাটা আপনারে দিতে অইবানে।
-- না, আর যাবার দরকার নাই। ফিরতি পথ ধরেন।

মিষ্টি একটা বিকেল। পেছনে কুসুম রঙের সূয্য। আমাদের চারপাশ ঘিরে অজস্র জলরাশি। চলছে..., চলছে সময় অসময় বুকে নিয়ে। গন্তব্যহীন। ঠিক আমার মতোন। নোকার উপর চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ি। বুড়ো নোকা ফিরে চলে পুরনো দিনে। জলকনা, তার ঠোঁটের আলতো ছোঁয়ায় আমার কপাল, চোখ, মুখে শিহরন জাগিয়ে লজ্জায় মুখ সরায়। আমি উঠে বসি। গভীর আবেশে তাকে নিজের কাছে টেনে আনি। ওর চুলের গন্ধে মাতাল আমার বিবেক ঠিকানা হারায়, সহজেই। গভীর ঠোঁটের খাঁজে অনভ্যস্ত আমরা বন্য আবেশে অমৃত খুঁজি...। সময় কখনো কখনো থমকে দাঁড়ায়। তারপর, আমার অসামাজিক হাত তার কৈশোর পেরোনো বুকে উঠে আসে নির্বাক বিস্ময় সাথে নিয়ে।

অসামাজিক আমরা। অনেকটা গত বছরের হলদে পাতার মতোন। একদিন, নির্বাক বিস্ময়ের অপেক্ষায় না থেকে ঠিকানা হারাবো। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28872528 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28872528 2008-11-22 13:02:29
অস্থির জীবন
বেকার আপাতত। একই সাথে সব ব্যাংক থেকে টাকা পয়সা উঠিয়ে নি:স্ব। কাল থেকে একটা হাজার সাতেক মূল্যমানের পার্টটাইম কামলা খাটতে পারি। বেকারদের কিছু বাড়তি সুবিধা থাকে। যেমন এদের কারো কারো ছোটখাটো সিমসাম প্রেমিকা থাকে। যাকে নিয়ে সপ্তা শেষে নদির ধারে ঘন্টা দেড়েক এলোপাথাড়ি স্বপ্ন বুনতে হয়। যখন সন্ধ্যা নামে, যখন বহুদূর থেকে কনডমের কাজ শেষে ডিজ্যুস প্রজন্মেরা শিকারী মাঝির মাপা বৈঠার পর ভর করে তীরে ফিরতে ব্যস্ত তখন বেকাররা বুকে প্রেমিকার উষ্ণ ছোঁয়া নিয়ে লোকালয়মুখী হয়।

পাশের বাসায় পরাগ নামে সদা হাস্যেজ্বল মেয়ে থাকে। এসে জানলাম রাজিবের বান্ধবী। সুবিধে হলো এই, যখন ভালো মন্দ খেতে ইচ্ছে করে তখন সে ম্যানেজ করে দেয়। কাল যেমন পোলাও রান্না করে পাঠিয়ে দিলো। তার বাসার সিঁড়ি থেকে আমার বাসার কিচেন দেখা যায়। আলু ভাজিতে এতো তেল দেই কেনো এবং আলু ভাজি আর ডিম ভাজি ছাড়া পৃথিবীতে আর কোনো রান্না নেই নাকি... সেসব নিয়ে মাঝে মাঝে চলে তুমুল হাসি ঠাট্টা।

চলতি সেমিষ্টার শেষ। নতুন সেমিষ্টার এই সপ্তাহেই। দরকার কাড়ি কাড়ি টাকা। বাপের পেকেটে টাকা না থাকলে কোনো শালা-ই প্রকৌশলী হতে পারেনা। পড়াশুনাটা ব্যবসা পাতির মতোই। যত বেশি ইনভেষ্ট, তত বেশি মুনাফা। বেকারদের অনেক সুবিধে। এই যেমন এরা পৃথিবীর সবচে' কঠিন সমস্যাকে সমস্যাই মনে করেনা! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28864037 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28864037 2008-11-03 15:16:29
শিশুর মতোই আমি-আপনি, তুমি-তুই http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28745375 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28745375 2007-11-14 12:05:30 ইচ্ছেগুলো মিথ্যে ছিলো
এতোগুলো বছর পর আজ ছোট্ট পাহাড়ি ছরাটার কিনারায় এসে দাঁড়িয়ে থাকি স্তব্ধ হয়ে। পানির স্বচ্ছতা... গভিরতা... স্রোত... গন্ধ... আবেগ... কুলকুল ধ্বনি সেই আগের মতোই আছে। আছে আগের সেই বন্য পাহাড়ি ছায়ানীল আমেজ, আছে নানা রঙের বোনো ফুল আর পাখির সাতরঙি গান, আছে মাটির মানুষগুলোর মুখোরিত পথচলা। খেয়াল করে দেখি... সেই সবুজ আটপোড়ে আমিটা নেই। এখন হু হা করে ভাবের টলমলে জলে জোয়ার ওঠে না, ভাটা পড়ে না, ইচ্ছেমতো স্বপ্নেরা উড়ায় না রঙিন ফানুস। অধরে কেবল টুকরো তৃক্ত যাযাবর হাসি, মুছে দিচ্ছে সুখস্মৃতি, ধীরে ধীরে...।

এক বুড়ো 'ডেফোডিল' পড়াতে পড়াতে কেবলই চারটা লাইন রিপিট করতো...

I gazed and gazed but little thought
What wealth the show to me had brought:

কেনো 'ডেফোডিল' বুড়োটা বার বার পড়াতো তখন না বুঝলেও এখন বুঝি। বুড়োটা হারিয়ে গেছে চিরদিনের জন্য। মানুষ হারায়, ছায়া হারায় না। বুড়োটাকে মনে পড়ে খুব। মনে পড়ে যাদের হারিয়েছি, একে একে। বুড়োকে যেমন ভালোবেসেছি তেমনই ভালো অন্যদেরও বেসেছি। এখানে এই মেঠো পথে এলে মাথার ভেতরে ছ্যাৎ ছ্যাৎ শব্দ তুলে স্মৃতিরা বিস্মৃতির আড়াল ছেড়ে বেরিয়ে আসতে থাকে, লাগামহীন। সামনেই ছায়াঘেরা সেই মেঠো পথ। আমার প্রথম ভালোবাসা। পথের পাশে জাম গাছের আড়ালে একটা শ্যামল মেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে অদ্ভুত আবেশ চোখেতে নিয়ে। সময় থমকে দাঁড়ায় দ্রুত। বুকের ভেতরের ঢ্রিম ঢ্রিম শব্দের মাতনে কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমতে থাকে। আমি এগিয়ে যেতে থাকি বিস্ময় সাথে নিয়ে। মাথার ভেতরে আবার বিস্মৃতির খেলা। নেমে আসে ঝিরঝিরে অন্ধকার। মাথা ঝাকিয়ে তাকিয়ে দেখি, কেউ নেই। মনে পড়ে রিনিঝিনি নুপুরের কথা। মনে পড়ে বাতাবি নেবুর কথা। মনে পড়ে শুকনো রক্তের কথা, জমে ছিলো আধ-ময়লা কোনো কাগজের ভাঁজে। মাঝে মাঝে বয়সটাকে অভিশপ্ত মনে হয়। মনে হয় অভিশপ্ত ঘাড়ে চেপে বসা দায়িত্বটাকেও। কখনো কখনো বুকের ভেতর চেপে বসা গভীর ঘন দীর্ঘশ্বাসটাকে মুক্তি দিয়ে দেশান্তরী হতে ইচ্ছে করে, খুব। পারিনা। একজনের স্বপ্ন পাঁচজনের চেয়ে অনেক কমজোরি আর কম দামি। তাই হেরে যাই প্রায়শই। খুব খুব ঈশ্বরকে ডাকতে ইচ্ছে হয় তখন। অভিযোগ করতে ইচ্ছে করে অনিশ্চিত এই স্রষ্টার নিকট, হায় ঈশ্বর, আমার প্রচুর ঈর্ষা আর প্রচুর আত্ম-সম্মানবোধ। এ দুটোকে ধ্বংস করে দাও! এ দুটো থাকলে আমি কখনোই উঠতে পারবো না...!

জীবনটা গন্ধহীন শুকনো ঝরাপাতা। প্রয়োজন ফুরালে তুমি মূল্যহীন। কিংবা এমনো হতে পারে প্রয়োজনেই তুমি মূল্যহীন! প্রয়োজন তোমাকে মূল্যহীন করেছে। বসে ভাবি নির্জনে, অনেক হয়েছে, এবার সময় হয়েছে হারিয়ে যাবার। আবার সেই ঝাপসা ঝিরঝিরে একরঙি সংঘর্ষ, চোখের পর নেমে আসে রাঙা আঁধার হয়ে। গুটগুট অন্ধকার, চারপাশে। কিছু দেখি না মনে... চোখে... কেবল রিনিঝিনি সুর লাহরী। ভেসে যাচ্ছে নোনা জল হয়ে। আমি মৌন হয়ে শুনতে থাকি, নির্লজ্জ্ব প্রতীক্ষায়... শেষ বারের মতো তাকে দেখবো বলে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28738236 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28738236 2007-10-18 16:58:58
যাদের পৃথিবী খুব ছোট : রিক্সা ও জীবন
এরা চাইলেই ভাগ্য বদলের জন্য ইচ্ছেমাপিক শহরে পাড়ি দিতে পারেনা। আদম ব্যবসার মত এখানেও ব্যবসা চলে। দেখা যায় কিশোরদের মধ্যে ৯০% আসে পরিচিতদের হাত ধরে। শ'তিনেক টাকাকে জীবনের শেষ সম্বল ধরে এরা বাসা বাঁধে বস্তির কোনো ঝুপড়ি ঘরে। রহিম চাচা, করিম চাচাদের সাথে চলে গভির রাত পর্যন্ত নানান কল্পনা, পরিকল্পনা, স্বপ্নের বাস্তবায়নের জন্য ছোটো ছোটো পদক্ষেপের গাঢ় আবেগী অভিলাস। আমরা ভদ্র মানুষরা ঠিক যেভাবে রেফারেন্সের উপর ভর করে ভালো চাকরী পেয়ে যাই, এখানেও চলে সেই একই রাজনীতি। রেফারেন্স শক্ত হলে ভালো কাজ পাওয়া যায়। কেউ গার্মেন্টস এর হেল্পার, কেউ সাজে হকার, কেউ বাস/ট্রাকের হেল্পার, কেউ টোকাই, কেউ হয় রিক্সাওয়ালা।

রিক্সা ভাও করা!
রেফারেন্স থাকলেই রিক্সা ভাড়া পাওয়া যায়। ব্যতিক্রমে মোটা দাগের টাকা জামানত জমা রাখতে হয় রিক্সা মালিকের কাছে। ভাড়ার পরিমান রিক্সার কন্ডিশনের উপর ওঠানামা করে। রিক্সা মোটামুটি ভালো হলে প্রতিদিন মালিককে দিতে হয় ৮০/৯০ টাকা, তারও চেয়ে ভালো হলে ১০০/১২০ টাকা। নতুন রিক্সা নয়া মুখদের কখনোই দেয়া হয়না। নতুনদের জন্য অবশ্যই পুরনো লক্করঝক্কর মার্কা রিক্সা নির্ধারিত থাকে।

দাম ?
একটি নতুন রিক্সা তৈরী করতে সর্বমোট খরচ হয় ১২০০০ হাজার টাকা! লাইসেন্সের জন্য লাগে ১৮০০০ হাজার টাকা! তাহলে কেমনে কি? আছে, উপায় আছে <img src=" style="border:0;" /> খুচরা মালিকরা বিভিন্ন গ্যারেজ থেকে লাইসেন্স ভাড়া নিয়ে রিক্সা চালায়। প্রতিটি লাইসেন্সের জন্য মাসে গ্যারেজ মালিককে ৫০০ টাকা করে দিতে হয়। অনেকেই পুরনো রিক্সা কিনে থাকে। পুরনো রিক্সার দাম কন্ডিশনের উপর নির্ভরশীল। মোটামুটি ভালো মানের রিক্সা প্রতিটি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা করে।

আয়?
পুরনো রিক্সা চালকরা প্রতিদিন গড়ে ৪০০ টাকা করে আয় করে। রিক্সার ভাড়া, চাক্কা মেরামত, দুপুরের খাওয়া বাদ দিয়েই। নতুনরা গড়ে পায় ২৫০ টাকা।

এত টাকা যায় কোথায়?
আসাদ গেটের কবিরের ইনকাম মাসে ৬ হাজার টাকা। সব কাটশাট করে থাকে সাড়ে তিন/ ৪ হাজার টাকার মত। গ্রামের বাড়িতে পরিবার থাকে, তাই মাসের শেষে ঐ সম্বলটা নিয়ে সে গ্রামে চলে যায়। সুমন নামের এক কিশোরের দৈনিক আয় ৫০০ টাকা। ২০০ টাকা ব্যয় হয় কয়েকটা সমিতির কিস্তি, এন.জি.ওতে টাকা জমানোয়। সংসারের খরচ বাবদ যায় দৈনিক ৮০/১০০ টাকা। বাকী ২০০ টাকা সে মায়ের হাতে তুলে দেয়। কচুক্ষেতের মুন্সির মাসিক আয় কত সে জানেনা। সে একদিন পর পর রিক্সা চালায়। বেশির ভাগ রিক্সাচালকই প্রতিদিন রিক্সা চালায় না।
 
এদের বিনোদন?
এরা সপ্তাহে নিয়ম করে ২/৩ বার সিনেমা হলে যায়। কেউ গ্যারেজ সংলগ্ন স্থানে কিংবা বস্তিতেই কেরাম, তাস নিয়ে মেতে ওঠে বিনোদনে। শতকরা প্রায় ৭৫জন রিক্সাচালক অবৈধ যৌনকাজের নিয়মিত খদ্দের। নতুন পুরনো প্রসিদ্ধস্থান পরিদর্শনে এদের কোনো উচ্ছাসা নাই। এদের ভেতর বহু বিবাহের প্রবণতা বিদ্যমান। শতকরা প্রায় ৩০ জন রিক্সাচালকের একের অধিক স্ত্রী রয়েছে।

তারা কি সুখী?
রহমত নামক এক রিক্সাচালককে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে, 'ভাই আল্লায় ভালা রাখছে। রাইতে বালা ঘুম হয়। কোনো চিন্তা ভাবনা করা লাগেনা।' সত্যিই তাদের চিন্তা ভাবনা নেই, সময়ের মারপ্যাঁচ, মানব মনের নানান কারিগরীর নিকট এদের এক সময়ের কল্পনা, জল্পনা আর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অভিলাস সময়ের অন্যপ্রান্তে এসে মরে-টরে নি:শেষ হয়ে যায়। তারপরও এরা সুখী। এদের রাতে ভালো ঘুম হয়!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28729144 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28729144 2007-09-03 09:55:40
বন্ধু সবুজ চিরদিন... : দোস্ত বুকের ভেতরটা কেমন কেমন করতাছে
: ডাক্তার দেখা
: নির্ঝরকে একটু আগে ফোন করলাম, ও বললো...
: ১টা প্যারাসিটামল আর ১ গ্লাস দুধ খেতে
: তুই কিভাবে জানলি?
: আমার জন্ডিস হইছিলো, কি খাবো জিজ্ঞাসা করলাম, ঐটাই বলছিলো!
: কি বলিস?!
: রাজ্জাকরেওতো ঐ একই ট্রিটমেন্ট দিছিলো...
: রাজ্জাকের কি হইছে?
: মাথার চুল পড়তাছে!!!
: খাইছে....

--------------[ রাজিব ]

২.
: তুমি কোথায়?
: তুরাগের মাঝখানে
: কেমন লাগছে?
: দারুন, আউলা বাতাস, ঢেউয়ের ছলাৎ ছলাৎ শব্দ...
: এক কাজ করো, ব্যাগে ভরে কিছু বাতাস আর ঢেউ নিয়ে আসো...
: কেনো?!
: বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যাবে
: কি বলো, কে কিনবে?
: কেনার মানুষের অভাব নাই ঢাকা শহরে!!! আমার উপর ছেড়ে দাও!

--------------[ রানা ]

৩.
নির্ঝরের বিয়েতে কি উপহার দিবি?
: কনডম
: কেন?!?
: আমি জানি ব্যাটায় সারা জীবনেও ঐটা কিনতে পারবো না। তোরা কে কি দিবি?
: ক্যালসিয়াম
: ওর সেলাইন
: ভাইব্রেটর!
হা হা হা হা
কিরে তুই চুপ ক্যান, তুই কি দিবি?
: ১টা প্যারাসিটামল, আর ১ গ্লাস দুধ!

--------------[ রাশেদ-২ ]

৪.
: রীমা মেয়েটা ভালো না। বন্ধু হিসাবে তোমার ভালো-মন্দ আমাকে দেখতে হবে। আমি তোমাদের সর্ম্পকের গায়ে আগুন ধরিয়ে দিবো, এটা আমার জন্য ফরজ, খুব সিরিয়াসলী কথাগুলো বলে নির্ঝর...
: কিভাবে ধরাবা?! রাজিব চোখ-মুখ গোল করে বলে,
: সিক্রেট, বলা যাবে না।

--------------[ নির্ঝর ]

৫.
: কলি বলেছে...
: আমাদের সম্পর্ক আর কন্টিনিউ না করা ভালো
: আরে ব্যাটা ঠিক এভাবে বলে নাই
: তো?
: ওর বাবা মা আমাদের সম্পর্ক মেনে নেবে না। ওর পক্ষে ওর বাবাকে ছেড়ে চলে আসা সম্ভব না।
: ৬৮
: মানে
: তোর মুখে এই বাক্যটা ৬৮ বার শুনলাম।

--------------[ রাশেদ ]

৬.
: আমাদের পাশের বাসায় নতুন ভাড়াটিয়া আঁইছে
: তারপর তারপর... সবার চোখ কান খোলা।
রাজ্জাকের দু'কান বরাবর উনত্রিশটা দাঁত বের হয়ে আসে,
: তারপর... দেখলাম...
: কি দেখলি?
: এক বুড়ি বারান্দায় কাপড় নাড়তে আইছে
--> ধুর শালা
--> ভাগ শালা
--> নোয়াখাইল্লার বাচ্চা...
: আরে শুন না, আঁরে শেষ করতে দে, তার একটু ফর দেখলাম, দোস্ত জীবনে এমন সেক্সি মাইয়্যা...
: তারপর, তারপর...

--------------[ রাজ্জাইক্ক্যা ]


৮.
: চলো তুরাগে
: ওখানে কিছু নাই
: তাহলে কৈশোরে চলো, তুমি সেখানে বছরে একবারো যাও নাই
: সেখানে এখন কি আছে?
: সবজু, মেঠো পথ, নদি, দিগন্ত যেখানে আকাশ আর মেঘে মাখামাখি...
: একই তো জিনিস... নাহ যাব না
: তোমার সমস্যাটা কি?
: পরীক্ষা
: কবে?
: সামনের মাসের সতেরো তারিখে!!!
: কি বলো সেদিন না শুক্রবার!

--------------[ নির্ঝর ]

৯.
: সানি কি তোমার সাথে?
: নাতো, কেনো আংকেল?
: ও বাইরে গেলো কয়েক ঘন্টা আগে, কোথায় গেছে কাউকে কিছু বলে নাই
: মনে হয় কলেজে গেছে...
: না, সেখানে ফোন করেছিলাম
: তাহলে মসজিদে গেছে
: মসজিদে গেলে গায়ে পারফিউম মাখবে কেনো?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28724345 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28724345 2007-08-05 20:32:37
অচলায়তন - এক তীব্র কৌতুকের নাম! " style="border:0;" />

কিন্তু তারা যে মুক্তচিন্তার টেবলেট গিলে সাইটটা তৈরী করেছেন সেই চিন্তাটা এখন আর সচল নেই। সেটা বিকৃত হয়ে অন্যরূপ ধারন করে বসে আছে। তাদের মুখেই শুনুন...

/*
তবে ফালতু, দৃষ্টি আকর্ষণকারী পোস্ট বন্ধ করতে সচলায়তনে কিছু ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, তা ভালো লেখালেখির জন্য দরকারি বলেই মনে করি। --- শোমচৌ।
*/

তেনারা সকল মডারেশনের বিরোধী ছিলেন। আর কিছু খুলে বলার প্রয়োজন দেখছি না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28718309 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28718309 2007-06-28 18:20:24
কাস্টমাইজ ফ্রন্টপেজকে 'না' বলুন
কাস্টমাইজ ফ্রন্টপেজ এলে সবকিছুর অবসান হবে এটা নিশ্চিত নয়। ফাঁকে সাইটের পর্ণো ছবির পরিচালকগণ পুরোদমে নিজেদের ব্লগ পর্ণো ছবিতে সয়লাব করে ফেলবেন। ব্যক্তিগত আক্রমন সেখান থেকে মুক্ত হবে তেমন দাবি অর্থহীন।

টীম আবাল সহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি, আপনাদের মতামত জানান অতিব শিঘ্রির, কাস্টমাইজ ফ্রন্টপেজ এলে আপনাদের বিনোদন পাবলিক কেমতে উপভোগ করবো?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28718146 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28718146 2007-06-27 22:40:03
গল্পকারদের 'ল্যাদা' ধরিয়া টানাটানি আমি নিরস মানুষ। সব লেখা পড়ার চেষ্টা করি, সময় হাতে থাকলে। কিন্তু প্রস্তুতিহীন এইসব ফালতু প্রচেষ্টা অসহ্য লাগতাছে।

: লেখকবৃন্দ আমার প্রতি হামলে পড়িবার আগে নিজেদের একটু ঝালাই দেন।

: নিজের বাস্তব জীবনটা নিয়ে অনেক মানুষই সুন্দর করে গল্প লিখতে পারে, সে ক্ষমতা তাদের আছে, কিন্তু গল্পের গতিপথ আর গন্তব্য না জেনে লেখা নিজের অজ্ঞতাকে উন্মুক্ত করে।

: তাদের লিখতে নিষেধ করছি না, তারা লিখুক তবে হাতে সময় নিয়ে। ছাগলের লাদার মত ফরফর করে গল্প লিখে পরিচিত হওয়া যায়, খ্যাতি লাভ দিল্লিতে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28711230 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28711230 2007-05-18 12:36:01
ভেসেছি, আমি জানিনা কোথায়... http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28708550 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28708550 2007-05-01 00:58:49 আমি রোদ্রের মত চাই ভালোবাসা : এই তোর ওরনা কই, তোর ওরনা কই?
: ভুল হয়ে গেছে ক্ষমা চাই
: এরকম ভুল মাঝে মাঝে করিস
: চড় খাবি
: চড় দিস না
: কেন?
: ওরনা সরে যাবে!
: গেলে যাক, তবু যুদ্ধে জিততে চাই
: আরে বোকা মেয়ে যুদ্ধে তুই এমনিই জিতে আছিস

২.
: তোর আজ মেজাজ খিটখিট
: হু
: যা যা তফাৎ যা
: অমন করিস না <img src=" style="border:0;" />
: কব্বো <img src=" style="border:0;" />
: তাইলে তোর বুকে আর আসব্বো না
: আপাতত আসিস না
: তুই নিষ্ঠুর
: তাইতো
: তুই ঠেলাগাড়ি
: হ্যাঁ-তো
: যা তোর সাথে কথা নাই
: আরে দাঁড়া দাঁড়া, তুইযে লাল টুকটুকে টমেটো সেটা জানিস?

৩.
: তোকে আজ ধরেছি চেপে
: ছেড়ে দে শয়তান, ছেড়ে দে
: মুউ-হা-হা-হা ছাড়বো না, তোকে আজ চুমো দেবই দেব!
: হো হো হো শ-য়-তা-ন তুই আমার শরীর পেলেও মন পাবি না!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28708060 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28708060 2007-04-27 00:08:24
আমি বিশ্বাস করি, তুমি ঘর বিশ্বাস করলে ধর্মেও বিশ্বাস করবা।
অবশেষে দেখা হয় তাদের ধূলিময় কোন সময়ে। সেদিন ছিলনা আকাশে চাঁদ, ফুল বা পাখির গান। শেষ বিকেলের কুসুম সূয্যের আলোয় মিশে পথিক মৃদু হেসে বলে,
: আসলাম!
: এতদিন পরে?
: কি করবো, গোলকধাঁধায় ছিলাম
: তোমার কিছু মনে থাকে?
: তাইতো
: আমার কথাও মনে থাকেনা
: হ্যাঁ-তো
নদী ঝাপিয়ে পড়ে ছেলেটার বুকে। বুকে কিল ঘুসি মারতে মারতে বলে,
: তুমি শয়তান, শয়তান, কষ্ট দাও শুধু
: দেবইতো , ছেলেটা স্বার্থক ভালোবাসাটাকে জটিল করে তোলার চেষ্টা চালায়,
: উহু ককখণো দিবা না আর, নদীর বিভ্রমে ভরা আহলাদ, পথিক কিছু বলার মত ভাষা খুঁজে পায় না, টুকরো ঝড়ের মতন নদী ওর হাত ধরে বলে,
: চলো
: কোথায়?
: আসোইনা. . .
তারপর নদী তারে নিয়ে গেলো মন্দিরে, নিয়ে গেল গির্জায়, নিয়ে গেল মাজারে, ছেলেটা তারে কৌতুক চোখে কিছু সুধাবার আগেই সে মৃদু আহলাদি স্বরে বলে,
: উহু. . . আমি বিশ্বাস করি, তুমি ঘর বিশ্বাস করলে ধর্মেও বিশ্বাস করবা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28707889 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28707889 2007-04-25 13:33:38
মহররম এর ডাক- সংঘাত নয় আর http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28695635 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28695635 2007-01-29 11:33:46 বাক স্বাধিনতায় অনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রতিবাদ http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28695351 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28695351 2007-01-26 13:58:46 অসময়ের গল্প -কাপুরুষরা কাঁদতেই জানে- " style="border:0;" />, ভাবি কি করে একে নিজের মত করে নেয়া যায়! কিন্তু, যখন দেখি পর দ্বারা সৃষ্ট বাচ্চাসূলভ ভুলগুলো আমাকে পীড়া দেয়ার অভিপ্রায় নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করার চেষ্টা করছে তখন মুচকি হেসে সাইড কেটে সেসব নর্দমার কীটকে বিদেয় করি। এগুলোতো আমার ভুল না, আমি কেন এদের পরিস্কার করবো? আমার নীতি- মিথ্যে ভুলগুলোই আমাকে দেখে শিখে নিক, তারা নিজেদের বদল করুক। যেহেতু সেগুলো কখনোই আমার নিজের হতে পারেনা। সত্যকে কেউ যদি মিথ্যা বলে চালিয়ে দেয়, তবে তাতে মিথ্যের জয়জয়কারের ভেতরও উক্ত ব্যক্তিটির মিথ্যাচারিতা প্রকাশ পায়।

একজন তেলাপোকাকে স্বপ্ন দেখেছে, অনুভব করছে অন্য একজন! কি দরদ! এটা হতে পারে। অসম্ভব কিছু না। কিন্তু 'স্বপ্ন দেখা ব্যক্তিটির'- রুচি, জীবন ভাবনা, চিন্তা চেতনা, 'অনুভব করা' ব্যক্তির সাদৃশ কখনোই হতে পারেনা এবং যিনি স্বপ্ন দেখছেন- তিনি নিজেকে পরিবর্তন করবেন এমন অভিপ্রায় নিয়েই দেখছেন। এটা তার অবচেতন মনের আকাঙ্খা। যিনি এটা না দেখেও অনুভব করছেন- তিনি নিজেকে বদলানো দূরের কথা, কেন অনুভব করছেন সেটাই জানেন না। তিনি কেবল বলতে পারেন- তেলাপোকা তিনি ঘৃনা করেন। তিনি ঘৃনা করেন, কারণ তেলাপোকাকে তিনি ভয় পান। তা, পেতে পারেন। সত্য এবং গরম ঘি সবার পেটে হজম হয়না। তাই গুটিকয়েক ব্যতিত অন্যসব মানুষ তেলাপোকা দেখে ভীত হয়না। যারা হয় তারা সাধারণত দুই শ্রেণীর মানুষ, যেমন-

1। নারী
2। কাপুরুষ

একজন শক্ত সামর্থ পুরুষ কখনোই নিজেকে নারী হিসাবে দাবী করে না। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে এখানে কেউ কেউ এমনটা করে থাকেন। সেটা করতে পারেন; পৃথিবীটা যেহেতু ধর্ম নিরপেক্ষতার দিকে ঝুলে যাচ্ছে এবং ক্রমান্বয়ে সেক্স নিরপেক্ষতার (নতুন শব্দ!) দিকে এর ছায়া পড়ছে, তাই অবাস্তব ঠেকলেও এটা সত্য হিসাবে ধরে নিতে হবে। কারণ-

1। একজন পুরুষ কখনোই সামনা সামনি লড়তে ভয় পায় না।
2। একজন পুরুষ কখনোই প্রতিপকে যাচাই বাছাই না করে তার দিকে আঙুলি তাক করে না।
3। একজন পুরুষ কখনোই মচকায় না। তারা কেবল ভাঙ্গতে জানে, মচকাতে নয়।

ধরে নিলাম মেরুদন্ডহীনরা নিজেদের নারী হিসাবে দেখতে অনিচ্ছুক। তাহলে উপরোক্ত পয়েন্টগুলোয় আরেকবার দৃষ্টি দেয়া যাক। যে পুরুষের ভেতর উপরোক্ত গুনাবলী লক্ষ্য করা যায় না তাকে কখনোই পুরুষ ভাবা চলেনা। তখন তাকে প্রচলিত একটা নামে ডাকতে হয়- 'কাপুরুষ'! আর কাপুরুষদের দেখলে তেলাপোকা'রা হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খায়। ঐটা কোন প্রাণী মাথা উঁচু করে বাঁচায় যার কোন অভিলাস নেই!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28693815 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28693815 2007-01-13 11:58:33
পুরনো চেহারা কদাকার তবু আশা বাঁচিয়ে রাখে রিমিক্স আওয়ামীলীগ; নতুন ক্ষেতের কেতন উড়ছে বাতাসে!
1। সরকারী ও বেসরকারী বাহিনী দিয়ে বিভিন্ন সময় পত্র পত্রিকার অফিসে হামলা চালিয়েছে।
2। বিরোধী রাজনীতিবিধ ও সাংবাদিকদের জেলে পুরেছে।
3। সরকারের নিয়ন্ত্রনে 4টি সংবাদপত্র রেখে বাকি সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছে।
4। নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল সব রাজনৈতিক দল। গঠন করেছিল কেবলমাত্র 'কৃষক শ্রমিকলীগ' বা বাকশাল।
5। বিচার বিভাগকে করেছিল অনুগত! (আহা বাপ কা বেটা ছিল তারা)
6। জন্ম দিয়েছিল একনায়কতন্ত্রের রাজত্ব।

অল্প কিছুদিন আগে আওয়ামী নেত্রী বঙ্গবান্ধবী (!) শেখ হাসিনা সিংহ ভাগ টিভি চ্যানেল এবং পত্রিকাকে বন্ধ করে দেয়ার দাবি তুলেছিলেন। এখন তিনি ক্ষমতায় গেলেই হয়, কাজগুলো করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। বাপ করেছিল বাকশাল, তিনি করিবেন পাপশাল! জনকণ্ঠের নতুন চেহারা 'প্রথম আলো' এবং ডেইলী ষ্টার বোধহয় নির্বাচনকে এইবার তেমন ড্রাইভার্ট করতে পারছে না।

প্যাকেজ প্রস্তাবের মধ্যে বাস্তবায়নের বাকি ছিল কেবল প্রধান উপদেষ্টার পদটি ছেড়ে দেয়া। অবশিষ্ট দাবিটিও তাদের রাখা হয়েছে, তো এমতাবস্থায় আওয়ামীলীগ কি কি করতে পারে?

1। নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে দেশকে সামরিক শাসনের হাতে ছেড়ে দেবে!
2। নির্বাচনে যাবে এবং বিশ্ব বেহায়া, আকাশ চোর'দের নিয়েই নির্বাচন করবে!
3। সামরিক শাসনের ভয়ে ইন্ডিয়া পালিয়ে যাবে!
4। কারফিউ ভাঙ্গতে রাত 11টায় জিরো পয়েন্টে বসে বিক্ষুভ মিছিল করবে!
5। আওয়ামীলীগ ব্যতিত বাংলাদেশের অন্যান্য সকল রাজনৈতিক ঘাটিতে পারমানবিক বোমা ফেলতে ইন্ডিয়াকে অনুরোধ করবে! (সেক্ষেত্রে ইন্ডিয়ার প্র্যাকটিসও হয়ে যাবে)
6। নির্বাচন নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংসের জন্য ইন্ডিয়াকে খোলামেলা ভাবে সাহায্য করবে!

যেটাই তারা গ্রহণ করুক না কেন, পানি ঘোলা করেই শেষ পর্যন্ত তারা পানি খাচ্ছে। সবচে' ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের মানুষ। কনকনের ঠান্ডার বাংলাদেশে অবহেলিত মানুষ যখন ধুকে মরছে এখানে সেখানে, তখন তাদের দিকে আঙুলি তুলে তারা বকে যাচ্ছে, বকেই যাচ্ছে, ওদের অধিকার ফিরিয়ে দাও, ফিরিয়ে দাও, দিতে হবে! কই? একটি চাঁদরওতো তারা পেল না? কারা কেড়ে নিচ্ছে তাদের অধিকার? উত্তর একটাই 'গণতন্ত্র'!

---> জাগো কমরেড! জাগো অসময়ে!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28693659 http://www.somewhereinblog.net/blog/telapokablog/28693659 2007-01-12 02:04:04