একুশে ফেব্র“য়ারী। একতরুণী এসেছে শহীদদে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে। সাথে তার পরিবারের সদস্য। ছাত্রলীগ কর্মিরা মেয়েটির গায়ে হাত দেয়। তার ওড়না কেড়ে নেয়। তার সাথের পরিবারের সদস্যদের হল থেকে হকিস্টিক এন পিটায়। মেয়েটি কাদতে কাদতে বলেছে, আমার গায়ে আমার মা কোন দিন হাত দেয়নি। ওড়া আমাকে মেরেছে। আমার ওড়না ফেলে দিয়েছে।
মেয়েটিকে মারার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীলীগের কর্মিরা হুংকার দিয়ে বলেুছল, আমরা আওয়ামীলীগ করি।
আমার বোন গিয়েছিল শহীদের শ্রদ্ধা জানাতে। আমার সৌভাগ্য সে ভালো ভাবে ফিরে এসেছে। তবে স্বাধীনতা দিবসে আমি তাকে তেতে দিব না। হায়না এখন প্রাচ্যের অক্সফোর্ডেই থাবা বসিয়েছে।
আমাদের দেশে তসলিমা নাই। তাই তরুণীদের পে কথা বলার কেউ নাই। গাফ্ফার চৌধুরী আর মুনতাসির মামুন তারা আওয়ামীলীগ পালিত বুদ্ধিজীবি।
মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যার আপনি লেখা দিয়ে তরুণ তরুণীদের স্বাধীনাতা আর একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেন। তবে তারা নিরাপত্তা না পেলে শ্রদ্ধা জানাবে কি ভাবে?
স্যার আপনি পরজীবী বুদ্ধজীবী হবেন না। অনুরোধ রইল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


