somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার (চুরীর শাস্তি)

২৪ শে মে, ২০১৩ সকাল ৭:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার


পুঁজিবাদী,সাম্রাজ্যবাদী নীতি পদ্ধতির বাস্তবায়নের পথে সব থেকে বড় বাধা হল ইসলাম। তাই মুসলিমকে নিষ্ক্রীয় করার জন্য,একে ভেতর থেকে দূর্বল করার জন্য তারা ইসলামের বিরুদ্ধে নানামুখী অপপ্রচারে লিপ্ত। তাদের মিডিয়ার মাধ্যমে পত্যক্ষ,পরোক্ষভাবে এমন চতুরতার সাথে অপপ্রচার চালায় যাতে মুসলিমরা হীনমন্যতায় ভূগতে থাকে এবং ইসলাম পালন করতে লজ্জা বোধ করে। তারা চায় ইসলাম নিয়ে কেউ যাতে এগিয়ে না যায় এবং যারা ইসলামকে ছাড়তে পারেনা তারা যেন একে শুধুমাত্র একটি ফ্লেভার হিসেবে ধরে রাখে। । পাশ্চাত্যের মানবতা বিধ্বংসী পরিকল্পনা দেখে তারা যেন শুধুমাত্র “অন্তর থেকে ঘৃণা করো”এই নীতি মেনে নিয়ে প্রতিবাদ,প্রতিরোধ করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে। এ লক্ষ্যে তারা(ইসলাম বিরুদ্ধ শক্তি) প্রত্যক্ষ,পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি ছাড়াও যে কৌশলটির আশ্রয় নেয় তা হল-“ইসলামের পক্ষে থেকে এর বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো এবং যুবক,তরুণদের মানুষিকতাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা”। যদিও পাশ্চাত্যের লোকেরা এটি হাড়ে হাড়ে বুঝে এবং মাঝে মাঝে স্বীকার করে যে, ইসলামকে ঠেকানো সম্ভব নয়,তা প্রতিষ্ঠিত হবেই।

কিন্তু ইসলামকে না ঠেকালে তাদের লুটে পুটে খাওয়ার দিন শেষ হয়ে যাবে,মানুষকে বোকা বানানোর রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে তাই ইসলামকে যেভাবেই হোক ঠেকিয়ে রাখতে হবে,যতদিন পারা যায়। তাই বুদ্ধিবৃত্তিক উপায়ে ও শক্তিমত্তা প্রদর্শন করে ইসলামকে চাপা দিতে হবে। যে সমস্ত মুসলিম শুধু মসজিদে যায় আর আসে ,যারা পরিপূর্ণ জীবন বিধান হিসেবে ইসলামকে নেয়নি,তারা এদের কাছে অতি প্রিয় এবং এদেরকে তারা প্রকৃত ও শান্তিপ্রিয় মুসলিম অখ্যায়িত করে।

আর যারা ইসলামকে পরিপূর্ণ জীবন বিধান হিসেবে নেয়,তাদেরকে এরা বলে সন্ত্রাসী,গোঁড়া,প্রাচীন,মৌলবাদী,মানবতা বিধ্বংসী ইত্যাদি(মুসলিমকে এমন সার্টিফিকেট দেওয়া দেখে মনে হয় ওরা সব বড় বড় আলীম,মুস্তাহিদ)। তারা ইসলামী বিধান সম্পর্কে জনমনে ভীতি ছড়ায়, যাতে মুসলিমরা ইসলাম সম্পর্কে উদাসীন হয়ে পড়ে। ইসলামের বিভিন্ন আইনের ব্যাপারে তারা (পাশ্চাত্য এবং দালালরা) আপত্তি করে যেমন ব্যাভিচার ও চুরির শাস্তির ব্যাপারে বিরুপ মন্তব্য করে বলে, এটি অমানবিক। এবার এ দুটি বিষয় নিয়ে দুটো কথা বলবো ঃ





[u] চুরির শাস্তি[/u]


আল- কূরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন “কোন পুরুষ বা নারী চুরি করলে তার হাত কেটে ফেল,এটি তার কৃত কাজের শাস্তি এবং এটি আদর্শ শাস্তি যা অপরাধ দমনের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে নির্ধারিত। আল্লাহ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী এবং প্রজ্ঞাময় ।” (আল-কুরআন,৫ঃ৩৮)

এর অর্থ এই নয় যে,ইসলামী খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবার পরই চোরদের ধরে ধরে হাত কাটা শুরু করে দিবে। আল-কূরআনে বর্ণিত আল্লাহ পাকের প্রত্যেকটি হুকুম বাস্তবায়িত করার একটি পদ্ধতি আছে, আর সে পদ্ধতি মহান আল্লাহ তায়ালা তার রসূল(সাঃ) এর মাধ্যমে আমাদেরকে শিখিয়েছেন। তাই আল্লাহর প্রত্যেকটা হুকুম আল- কূরআন দেখেই হুবহু বাস্তবায়িত হয় না বরং রসূল (সাঃ) কিভাবে তা বাস্তবায়িত করেছেন, সেই পদ্ধতি বা সুন্নাহ অনুসরণ করা হয়। এছাড়া প্রধান সাহাবাদের(রাঃ) সম্মিলিত মতামত বা “ইজ্মা” অনুসরণ করা হয় যা কূরআন ও সুন্নাহর সাথে সম্পৃক্ত। এরপর “কিয়াস(ইয্তিহাদ)” বা মুজতাহিদদের(সর্ব শ্রেষ্ঠ আলিমদের) আল- কূরআন, সুন্নাহ এবং ইজমা হতে নির্ণেয় সিন্ধান্ত বা মতামত অনূসরণ করা হয়। খুলাফায়ে রাশেদার খলিফাগনের কার্যপ্রনালী বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এভাবেই ইসলামী ফিকাহ্ বা আইন শাস্ত্র তৈরি হয়েছে। একেকটি বিষয়ের বিষদ ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা, কিয়াস অনুসরণ করে বিচার কার্য পরিচালনা করা হয়। আর একাজ এতটা সতর্কতার সাথে ও বস্তুনিষ্ঠতার সাথে করা হয় যা, অন্য জাতির পক্ষে কখনই করা সম্ভব নয়।

কোন চোর যদি চুরি করে তবে সে কেন চুরি করেছে তা সর্ব প্রথম দেখা হয়। চুরি করা জিনিসের পরিমান, মুল্য নিরুপন করা হয়। সন্দেহতীতভাবে দোষী সাব্যস্ত হলেই তবে কঠিন শাস্তির বিধানের প্রশ্ন আসে। এছাড়া বিভিন্নভাবে জেরা এবং সাক্ষ প্রমানের ভিত্তিতে যদি সাব্যস্ত হয় যে,এই লোকটি চোর কিন্তু উক্ত লোকটি যদি যৌক্তিকভাবে বলে সে চুরি করেনি,এ বিষয়ে যদি বিচারক সিদ্ধান্ত হীনতায় ভুগেন,তাহলে এক্ষেত্রে কঠিন শাস্তির বিধান বর্তায় না, দোষ প্রমানিত না হলে খালাস করে দেওয়া হয়। কঠিন শাস্তির বিধান আরোপের জন্য নিঃসন্দেহ হওয়া জরুরী এবং পূর্ব,পরের যাবতীয় ঘটনা বিশ্লেষণ করা হয়।

চোর যদি অভাবের তাড়নায় চুরি করে তাহলে তাকে শাস্তি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠেনা বরং জনগণের প্রতিনিধি বা খলিফা এব্যাপারে লজ্জিত হন এবং এমন ঘটনা ঘটলে তিনি জনতার উদ্দেশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এভাবে যে- “ এটি আমার ব্যর্থতা, আমি যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে অভাবী মানুষের সৃষ্টি হয়েছে, এ দায় আমার অতএব আমি ক্ষমা প্রার্থী ”। এ জাতীয় চোরকে (অভাবের তাড়নায় চুরি করা চোর) পূর্ণবাসিত করা হয়। পূর্ণবাসিত হবার পর এ লোকটি যদি স্বচ্ছল হয় (যাতে অভাবের তাড়নায় আর চুরি করা না লাগে) এবং তারপর যদি চুরি করে তবে সে পেশাগত ভাবেই চোর বলে প্রতিয়মান হয়। আর তখন সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্যে কঠোর শাস্তির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে চুরির শাস্তি “হাত কাটা” আইন র্ফজ হয়।

হযরত ওমর(রাঃ)যখন খলিফা ছিলেন,তখন একদা এক ধনী ব্যবসায়ী তার এক কর্মচারীকে খলিফার কাছে ধরে নিয়ে এসে বললো-সে আমার কর্মচারী এবং সে চুরি করে ধরা পড়েছে,আপনি এখন তার উপর হাত কাটার শাস্তি প্রয়োগ করুন। হযরত ওমর(রাঃ) উক্ত কর্মচারীকে তার বেতনের কথা জিজ্ঞেস করলেন এবং সে তা বললো। তারপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন,এই বেতনে তার ভালভাবে চলে কি না। সে বললো-এই পরিমান বেতনে তার সত্যিই চলে না। উক্ত ব্যবসায়ীকেও জিজ্ঞেস করা হলো এই পরিমান বেতনে ভালভাবে চলা সম্ভব কি না। ব্যবসায়ী বললো-যে বেতন সে পায় তা দিয়ে ভালভাবে চলা সম্ভব নয়। অতঃপর হযরত ওমর(রাঃ)বললেন-তুমি তার বেতন বাড়িয়ে দিবে,আর যদি বেতন না বাড়াও এবং আবারও একই কারনে এখানে বিচার চাইতে এসো;তাহলে ওর চুরির জন্য তোমার উপর শাস্তি প্রয়োগ করব।

এছাড়া জাতীয় সংকটকালীন সময়ে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এ শাস্তি স্থগিত করা হয়ে থাকে। যেমন- মদীনাতে দূর্ভীক্ষ্য দেখা দিলে রসুল (সঃ) হাত কাটার আইন বা চুরির যে কোন ধরনের শাস্তির বিধান স্থগিত করেছিলেন কারণ তিঁনি মনে করেছিলেন,মানুষ এখন স্বভাবের জন্য নয়,অভাবের তাড়নায় চুরি করতে পারে। তার থেকেও বড় কথা হলো একটি অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এ শাস্তির বিধান চলু করা হয় না। যেমন- বাংলাদেশের পরিস্থিতি হলো যে, এদেশটি ক্রমাগত কয়েকবার দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ধর্ষণ, এসিড নিক্ষেপ, হত্যা এখানে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। সর্বক্ষেত্রে চরম অরাজকতা বিরাজমান। রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষই স্বয়ং চুরির সাথে জড়িত। বিভিন্ন ক্ষেত্রে চুরির ঘটনা এমন ভাবে ঘটছে যেন এটাই সাং®কৃতি এবং মানুষেরও গা সওয়া হয়ে গেছে। তাই এ পরিস্থিতিতে উক্ত আইন বলবৎ করার আগে এ জাতীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি হবার কারণ অনুসন্ধান, পর্যালোচনা করেই এ শাস্তির বিধান চালু করা হবে বা এভাবে হয়।

এখানকার ৫০% এরও বেশি মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করে। অন্যদের অবস্থাও সুবিধার নয়। স্বামী -স্ত্রী উভয়ই চাকুরী করেও সংসার চালাতে হিমশিম খায়। অন্যদিকে এক শ্রেণীর মানুষ অর্থের পাহাড় গড়ে তুলেছে এবং প্রচলিত পুঁজিবাদী ব্যবস্থা তাদেরকে অবৈধভাবে পাহাড় সমান সম্পদ গড়তে উৎসাহিত করছে। ধনী দরিদ্রের এ বৈষম্য দূরিভূত করে সাধারণ জনগনের জন্যে অন্য, বস্ত্র, বাসস্থান এর নিশ্চয়তা বিধান করার পরই চুরির দায়ে হাতকাটার আইন বলবৎ করা হবে। নইলে এখন যদি বাংলাদেশে এ আইন চালু করা হয় তবে বাংলাদেশের বহু লোকেরই একটি হাত নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে(যারা পেটের দায়ে চুরি করে)তবে ধণীক শ্রেণীর কথা আলাদা(তাদের তো চুরি করার দরকারও নেই)। আর শাস্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ইসলামী রাষ্ট্র সচেতনতা সৃষ্টি করে। আত্মশুদ্ধির ব্যবস্থা রাখে। অপরাধের রাস্তা বন্ধ করে। এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করে যাতে চুরি করতে না হয়। সেখানে ধণী ও গরীব হয় একে অপরের পরিপুরক। একটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ বিরাজ করে। অপরের প্রতি সহানুভূতিশীলতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উপস্থাপনের চাইতে দোষ গোপন করা,ক্ষমা করে দেওয়া এবং সংশোধন করে দেওয়ার সাং®কৃতি গড়ে ওঠে।



ডাকাতি,লুন্ঠন ও ছিনতাই এর শাস্তি ঃ

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধে অভিযানে লিপ্ত হয় এবং ডাকাতি ও রাহাজানি করে ভূ-পৃষ্ঠে ফ্যাসাদ ও অশান্তি সৃষ্টি করে,তাদের সমুচিত শাস্তি হলো এই যে ,তাদের হত্যা করা হবে(তারা যদি খুন ও লুন্ঠন উভয়ই করে থাকে),বা একদিকের হাত, অন্যদিকের পা কেটে দেওয়া হবে(যদি শুধু লুন্ঠন করে)বা দেশ থেকে নির্বাসিত করা হবে(যদি খুন বা লুন্ঠন করার আগেই ধরা পড়ে যায়।)এ শাস্তি তাদের জন্য শুধু দুনিয়ার লাঞ্চনা, এছাড়া তাদের জন্যে আখিরাতের ভিষণ আজাব রয়েছে।”(সূরা মায়েদা,৯ রুকু)





বিশ্ময়কর ব্যাপার !

চুরির দায়ে হাতকাটার আইন নিয়ে আলোচনা শেষ হয়েছে। এখন উপসংহারে আসি ঃ-
পাশ্চাত্যের লোকেরা এবং তাদের মদদপুষ্ট বুদ্ধিজীবীরা এ আইন নিয়ে অনেক কথা বলেছে। অথচ আপনি জানেন কি ? বিগত ১৪০০ (চৌদ্দশত) বছরে পৃথিবীতে ইসলামী খিলাফতের সময়ে এবং পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ আজকের দিন পর্যন্ত চুরির দায়ে হাত কাটা গেছে -এমন লোকের সংখ্যা এক'শ এর সামান্য বেশী। অথচ মাত্র দুই সপ্তাহে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের অথবা মজলুমের সম্পদ লুষ্ঠনের জন্যে এর থেকেও বেশী সংখ্যক মানুষকে প্রত্যক্ষভাবে হত্যা করে থাকে। কই এটা নিয়ে তো কথা বলা হয় না ! অথচ সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্যে এবং চুরির ঘটনা না ঘটার জন্যে, কল্যানমূলক ইসলামী শরিয়া আইন নিয়ে কথা বলা হয়। তাহলে “আমরা চিন্তাগত ভাবে পাশ্চাত্যের দাসে পরিণত হয়েছি ”, এটাই কি প্রমানিত হচ্ছেনা ?


১১টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×