অনেকটা ভেজা মাটি ছেড়ে
মানুষ মানুষে জেগে উঠে আসে ঢেউ ছুঁয়ে ছুঁয়ে
হাত ধরবে বলে ...
তুমি যদি সত্যিই মরে যেতে চাও,
নিয়ে যাও আমার সব কটা কথা,
তখন না বলনা কিন্তু
ভাবতে থাকো, যতক্ষণ না সূর্যদয় হয়
আমি করতলে রাখি মাথা...
জানালা দিয়ে আকাশটা ঢুকে পড়েছে
এই ঘরে, মেঘলা আকাশ,
তাই কোন চাঁদের আলো নেই !
শুধু দূরের ঐ ওভারব্রীজের বাতির
আলো খানিকটা এসেছে ঐ আকাশের সাথে...
হাজার বানরসেনা সেতুটি বানাল তবে...
তোমার শহর জুড়ে শুয়ে আছি,
সার সার , তোমার জানালায়,
কিছু ওভারব্রীজ দেখা যায়
চলে এসো, প্রজাপতি
তুলি রং যোগাড় করেছি,
ছবি আঁকবো আবার
এসো...
পেছনের ঐ পুকুর ধারে ল্যাম্প পোস্টে জ্বলছে একটা টিমটিমে বাতি
ঝোপের ওপর আজ জোনাকীরা ও উড়ছে না
একটি দুটি জলের ফোঁটা ঝরে পড়ছে জাম গাছের পাতা থেকে
দূরে কারো রেডিও থেকে ভেসে আসছে,
ভালোবাসি ভালোবাসি...
শিশিরের মতো
একে একে খুলে যায় পাতার পোষাক
সৃষ্টির প্রথম রাতের মতো
তুমি এসে সামনে দাঁড়াও
তোমার শহরে আমি প্রতিবেশী ছাড়া বুঝি আর কিচ্ছু নই?
ভালোবাসি,ভালোবাসি, নিজের হদৃস্পন্দন শোনো তুমি,
মিছেই রেডিও বল তাকে...
রঙ এসে দাঁড়িয়েছে আকাশসীমায়
ধীরে ধীরে নিভে আসছে আলো
আমি তো নিজেই আজকে তুলি
তুমি কি ক্যানভাস হতে রাজি?
যদি তুমি নদী কে জিজ্ঞাসা কর,
সে উত্তর দেবে না
যদি তুমি কাঠবেড়ালী কে জিজ্ঞসা কর,
তুলি ই তৈরি হবে না
নিজে হাতে তৈরি কর তুলি, ক্যানভাস
দেখছ না। রঙিন হয়ে আছে সমস্ত আকাশ...
আসলে ঘুমুতে চাই,তাই জেগে থাকি রাতে
নি:শ্বাস নিতে চাই,পাতারা থিরিথিরি কাঁপে
কাঁপে বুক,ফাটে মাটি,জল ধর বাঁধে
পুড়ে যাওয়া বই-খাতা, হাত নিও হাতে
একটু ইন্সপিরেশন না পেলে,মহাকাব্যটা কি করে লিখব বাপু ??
ধ্যাত্, কাটি...!!
কিন্তু আর বসতে পারছি না ।
আবার কোন একদিন হবে ,
এমনিতেও তো নিত্য আসা যাওয়া ...
নির্ঘুম রাত কেটে যায়, ঘুমের আশায়
আসি আসি করছে ঘুম,
এবার একটু তারে সাধি গিয়ে ...
তখনো হয়তো জেগে থাকবে পাথরের মুখ
ফাটল ফাটিয়ে দিয়ে নাচ করবে ছোট্ট পাতারা
তুমি কি তখনো একা, একাকীত্বে চলে যেতে চাও
শেষবার চোখে রাখবে ঠোঁট ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

