হোম ভায়োলেন্স ও এক প্রতিবাদী নারীর কথা
০৫ ই জুন, ২০০৭ রাত ৩:১০
এই দেশে এখন আইন হইসে, পারিবারিক হিংসা ও নারী নির্যাতন'এর উপর। স্বামী যদি স্ত্রীর আনিচ্ছাতে যৌন মিলন করে তয় কেইস। বৌ'এর যদি কোন বয়ফ্রেন্ড থাকে হেইডা নিয়া স্বামী কিসু কইলে কেইস। বৌ চাকরী করে, স্বামী কিংবা শ্বশুরবাড়ির কেউ কিসু কইলে কেইস। বৌ'রে গালমন্দ করলে কেইস। এমনকি বৌরে কোন ইঙ্গিত করলে বৌ যদি অফেন্ডেড হয় তাইলেও কেইস। যৌতুক লইলে কেইস, তয় যৌতুক না দিলে বিয়া হইবো না কাজেই এই নিয়া কোন কেইস ফাইলও হয় না। উকিলেগো বুরা দিন আর কোর্ট কাচারীর অনেক সময় বাঁচে এইসব কেইস যদি না ফাইল হয়।
সরকার বাহাদুর আইন করসে, আইন পাস ও হইয়া গেসে বহুদিন হইল। কিন্তু কথা হইল, কয়টা কেইস এই পর্যন্ত ফাইল হইসে? তাইলে কি সম্সত হোম ভায়োলেন্স থাইমা গেল কেইসের ডরে? থামে নাই যে হেইডা একটা দুধের শিশুও জানে। ত্য় এত সুবিধা দেওয়া সত্বেও কেন মহিলারা কেইস করে না? যেখানে ৩দিনের মধ্যে শুনানি হইব?
এই জায়গায় আসে নারীগো আর্থ-সামাজিক নিরাপত্বার প্রশ্ন। কেইস নাহয় ঠুইকা দিল কিন্তু এরপরে? সরকারে নাহয় কিসু উত্তম মধ্যমও দিল জামাইয়েরে ধইরা নিয়া। একখান ফায়সালাও শুনাইয়া দিল কিন্তু তারপরে? সাংসারিক শান্তির (???!!!) কি হইব? কই যাইব হেই নারী পোলাপান লইয়া? বাপের বাড়ি? ভুইলা যান! এই কেইস, কোর্ট কাচারীর পরে যে আর একলগে থাকন যায় না হেইডা তো হগ্গলেই জানে। তাইলে যাইব কই হেই মাইয়া?
কিন্তু এক মহিলা বিয়ার ১৭বছর পরে এই দু:সাহস ( পড়েন সত্তসাহস) দেখাইসেন ( সেলাম, লাল সেলাম)। ঘরে তাঁর তিনখান পোলা মাইয়া। বড় পোলায় মাধ্যমিক দিব। তাঁর অভিযোগ : স্বামীর অস্বাভাবিক যৌন ক্ষিদা সে আর মিটাইতে পারতেসে না, রাজী ও না। ছেলে-মেয়ে বড় হইসে, তাগো সামনেও যখন তখন মরদে চড়াও হয়, সুখ-অসুখ মানে না, পোলাপান মানে না এমনকি মাসিক ও মানে না। আর বৌএ রাজী না হইলেই দে মাইর দে মাইর। মহিলা এর আগেও চেষ্টা করসেন যেন এই অত্যাচার বন্ধ করতে পারেন কিন্তু পারেন নাই। শেষমেষ নারী কমিশনের দ্বারস্থ হন আর এই ঘাট ঐ ঘাটের পানি খাইয়া এক সহৃদয় উকিলের সাহায্যে কেইস ফাইল করেন। এই আইন পাস হওনের পরে এই প্রথম কেইস হোম ভায়োলেন্সের। কাজেই কাগজের হেডলাইন হইল এই খবর। তিনদিনের মধ্যে শুনানির হুকুম। মহিলা ডাইভোর্সেরও আবেদন করলেন একই সাথে।
এই মহিলার নিজস্ব কোন রোজগার নাই মানে ইনি একজন গৃহিনী। ঘর সংসারেই নিজের জীবন কাটাইসেন। ছেলে মেয়েও এখনও পর্যন্ত দাঁড়ায় নাই কেউ যে মায়ের ভরন-পোষণের দায় নিতে পারে। তবুও মহিলা সাহস করে, ভবিষ্যতের চিন্তা না করে প্রকাশের আলোয় নিয়ে আসেন তাঁর স্বামীর অত্যাচারের কাহিনী।
শেষ পর্যন্ত কি হইসে আমি জানি না। মহিলাটি সুবিচার পেলেন কিনা, অত্যাচারী স্বামীর কি হইল কাগজওয়ালারা আর জানানোর প্রয়োজন মনে করেন নাই ( আমার চোখে অন্তত পড়ে নাই) । আশা করি ইনি সুবিচার পাইসেন। তাঁর ভবিষ্যত যেন সুন্দর হয় এই প্রার্থনা আন্তরিক। সুখে না থাকুন শান্তিতে যেন থাকেন এই প্রতিবাদী নারী।
কথা হইল তাইলে কি এই একজন নারীই অত্যাচারিত হচ্ছিলেন? আর্থ-সামাজিক ভাবে কমপ্লিটলি স্বাবলম্বি কিছু নারীকে আমি ব্যক্তিগতভাবে জানি, যাঁরা স্বামীর বিবাহ ভির্ভূত সম্পর্ককেও চুপাচাপ মেনে নেন আর এক সুখী দম্পতি হওয়ার অভিনয় অহরহ করে যান। কেন? কেন করেন তাঁরা এরকম?
আচ্ছা, পুরনো কোন কেইস কি নতুন করে খোলা যায়?
যে নারীর কথা এইমাত্র বললাম, এইরকমই অত্যাচারিত কোন নারী, যে এর চাইতেও অনেক অনেক বেশি অত্যাচার সহ্য করে শেষমেষ একা হয়ে যান স্বামীকতৃক তালাক পেয়ে? সেও মিথ্যা অভিযোগে? তাঁর কোন সহায় সম্বল ছিল না। পরামর্শ দেওয়ার মত কেউ ছিল না। চুপচাপ পড়ে পড়ে শুধু মার খেয়েছে, যৌন নিপিড়ন সয়েছে দিনের পর দিন। মাসের পর মাস। বছরের পর বছর। সহ্য করেছে স্বামীর একাধিক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক। সেই লোকটা এখন দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে লম্বা দাড়ি নিয়ে। পাঁচবেলা মসজিদে যায়, নামাজ পড়ে। হজ্জ্বও সম্পাদন করে এসেছে। কাজেই সব পাপ ধুয়ে মুছে গেছে তার। বালিকা বধূ ঘরে এসেছে আবার পঞ্চাশোর্ধ সেই হাজী সাহেবের। বিনা বিচারে অবাধে ঘুরে বেড়াবে সে একটা মেয়ের জীবন শেষ করে দিয়ে?
মেয়েটি যে উকিল মহাশয়ের কাছে গিয়েছিল তিনি শুধু তার খোরপোষের ব্যবস্থা করেছেন, লম্পট স্বামীর বিচারের ব্যবস্থা নয়। বোকা মেয়েটা তাই মেনে নিয়ে চুপচাপ ঘরে ফিরে এসেছে। তার বারোমেসে সঙ্গী হয়েছে ঘুমের ওষুধ। এখ হঠাত্ত তার মনে প্রশ্ন জেগেছে, এভাবেই ঐ হাজী সাহেব হয়ে ঘুরে বেড়াবে নির্বিবাদে?
মানুষ কি বলে এ নিয়ে?
বিবেক কি বলে?
ঐ খোরপোষের জন্যে, তার ছেলে মেয়ের বাবা বলে সে কী জাষ্ট ছেড়ে দেবে ঐ লম্পট হাজীকে?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হোম ভায়োলেন্স ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, -০০০১ রাত ১২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শ্যাজা বলেছেন:
ব্লগের এই রমরমা বাজারে, ধর্ম, রাজনীতি আর মডারেটরগো থুইয়া এই আজাইরা প্যাচালেরে ৫ কেডা দিলেন?! এট্টু জানান দেন ভাইজান।
হাসিব বলেছেন:
অর্থনৈতিক মুক্তি না হইলে লাভ নাইক্কা
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
বৌ'এর যদি কোন বয়ফ্রেন্ড থাকে হেইডা নিয়া স্বামী কিসু কইলে কেইস। ...... শ্যাজাএইটা মানতে পারলাম না। নির্দোষ বয়ফ্রেন্ড হইলে ঠিক আছে। অন্য টাইপের হইলে তাইলে স্বামীর 'গার্লফ্রেন্ড' থাকলে নিশ্চয়ই স্ত্রী মাইণ্ড খাইবেন না।
মানবী বলেছেন:
ভালো লিখেছেন শ্যাজা, ধন্যবাদ।অর্থনৈতিক ভাবে আত্মনির্ভরশীল মহিলাদের ও দেখেছি মুখ বুজে এসব অন্যায় সহ্য করে যেতে। বিত্যহীন দের কথা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
এক বার ইমার্জেন্সী রুমে এক ভদ্রমহিলা এসেছেন, মাথায় একটী ক্ষত নিয়ে, sharp wond- শুধমাত্র ধারালো কোন কিছু দিয়ে যা সম্ভব। ক্ষত কিভাবে হলো জানতে চাইলে তিনি ইতস্তঃত করে বললেন পড়ে গিয়ে আলমারির কোনায় ব্যাথা পেয়েছেন( যে কেউ বুঝবে কথাটি সত্য নয়)। ভদ্র মহিলার মেয়ে যিনি মাকে নিয়ে এসেছেন জানালেন, ঝগড়ার সময় বাবা মা কে দা' দিয়ে কোপ দিতে এসেছিলো, আমি পাশের বস্তিতে থাকি, খবর পেয়ে দৌড়ে গিয়ে মাকে বাঁচাতে চেষ্টা করি।
কে কার নামে কেস্ করবে!
কেইসের পর স্বামী বাবাজীর জেল হইল আর বৌ তখন কি আর করব ভাতারের লগে (বয় ফ্রেন্ডের) বাহির হইয়া যাইব।
** ইসলামে বিবাহ বর্হিভুত কোন রূপ সম্পর্ককে হারাম করেছে। তবে কিছু মানুষ সমাজের চোখে ইসলামের চোখে ধুলা দিতে ছুড়ি বিয়ে করে। এটার জন্য তো আর ইসলাম দায়ী নয় দায়ী তার মানুষিকতা। আর কোন আইন দিয়ে কারও মানষিকতা বদলানো যায় না।
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
ভালো লিখছো। (কাউরে রেটিং করলে জানান না দিয়াই দেই। তোমারে ব্যাতিক্রম। পাঁচ)হোম ভায়োলেন্স না, তবে কাছাকাছি এবং নারী নির্যাতন বিষয়ক একটা উদাহরন দেই। সিংহপুরে যেকোন যায়গায়, যেকোন বয়সী, যেকোন বালিকা, মেয়ে অথবা বয়স্ক মহিলার প্রতি কোন ধরনের কটুক্তি বা অশালীন মন্তব্য বা সামান্যতম বাজে কথা বলা অকল্পনীয়।
এটা কেন হয়েছে জানোতো? এখানে জিরো টলারেন্স, নো কোয়েশচেন আস্কড একটা নীতি ও আইন আছে। যেকেউ, যেকোন মেয়ে বা মহিলাকে কটুক্তি করে, দৈহিক আক্রমনতো বহুত দূরের কথা, বাজে ইশারা বা কথা বললে - সেই মেয়ে বা মহিলা যদি ৯৯৯ (পুলিশের নম্বর)-এ ডায়েল করে তাহলে অভিযুক্তকে কোন ধরনের প্রশ্ন ছাড়াই গ্রেফতার করে নিয়ে যাবে পুলিশ।
এইটাই এখানকার নো কোয়েশ্চেন আস্কড পলিশি। ফলাফল, যেকোন বয়সের একটা মেয়ের জন্য অসম্ভব রকমের নিরাপদ একটা শহর। রাত বা দিন, নিরিবিল কি জনবহুল যেকোন জায়গায় একটা মেয়ে নিদারুন নিরাপদ এই দেশটায়, এই শহরে।
এই নো কোয়েশ্চেন আস্কড পলিসিটার পেছনে একটা বিশাল সাইকোলজিও আছে। আর সেটা হলো চূড়ান্তভাবে মেয়েদের, মহিলাদের অভিযোগের প্রতি বিশ্বাস। যেন মা যা বলবেন তা মাথা পেতে নেওয়া সত্যি।
আর আমাগো ভূ-ভারত। হাজার হাজার বছর ধরে ঈশ্বরকে মা বলে পুজা করার পরেও মাটির মায়েরে সন্মান দিতে জানলো না। বিশ্বাসটাতো দূরের কথা।
দিন বদলাক। অসভ্যতারে শিক্ষা আর উপলব্ধির বেদী মঞ্চে বলি দিয়া হইলেও সভ্য হউক এই পলিমাটির সন্তানেরা।
মানবী বলেছেন:
ভাষা এবং বানানের ব্যপারে নিজের দুর্বলতা মেনে নিয়েছি। তবে "একটি wound" এর বানান যে জানিনা, এমন নয়। ভুল টাইপের জন্য দুঃখিত।
আমিই ভাদা(ভারতিয় দালাল) বলছি বলেছেন:
মেজভাবী বলেছেন:
কি গো ভাদা, কমেন্ট করতে পেরেশান হচ্ছে বুঝি?
যীশূ বলেছেন:
আমরা সবাই সবকিছু কেমন যেন মেনে নেই, সবসময় একটা ব্যলান্সের চষ্টা করি, আর এই চেষ্টাই অন্ধকারকে নিয়ে গেছে আরও অন্ধকারে।ভালো লেখা। অবশ্যই ৫।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
ভালো লেখা।
শ্যাজা বলেছেন:
হাসিব,অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী অনেক নারীকেও দেখেছি এই ব্যপারগুলো চেপে রাখতে। ঘাঁটাঘাঁটি করতে চান না ছেলে-মেয়ের কথা ভেবে। সামাজিক অবস্থানের কথা ভেবে। এই সমাজে ডিভোর্সি মেয়ে এখনও নিন্দনীয়। যে কেউ চোখ বন্ধ করে বলে দেয়, দোষ নিশ্চয়ই মেয়েটিরই ছিল!
অলৌকিক হাসান,
ঠিক বলেছেন। অন্য টাইপের বয়ফ্রেন্ড হলে ( পড়ুন বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক) স্বমীর সম্পূর্ণ অধিকার থাকে স্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার। আর আপনি যেটা বললেন, স্বামীর গার্লফ্রেন্ড থাকলে তাইলে স্ত্রীও নিশ্চয়ই মাইন্ড খাইবেন না। এটাও ঠিক, এইরকম আপোষ করেও অনেক সম্পর্ক টিকে থাকে। এই নিয়ে একটা ছোট গল্প লিখেছেন ঢাকার রাশিদা সুলতানা এই সংখ্যা সৃষ্টিতে। রোহণ কু্দ্দুসের ই-ম্যাগাজিন। পড়তে অনুরোধ জানাই।
ধন্যবাদ।
শ্যাজা বলেছেন:
ভোরের সূর্যোদয়,'কেইসের পর স্বামী বাবাজীর জেল হইল আর বৌ তখন কি আর করব ভাতারের লগে (বয় ফ্রেন্ডের) বাহির হইয়া যাইব। '
আপনার এই 'ভাতার' শব্দটি ব্যবহারের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
না। স্বামীকে জেলে পাঠিয়ে সেই মেয়ে 'ভাতার'এর সাথে বের হয়ে যায় না। প্রথমত বন্ধু মানেই 'ভাতার' হয় না। এটা আপনিও নিশ্চয়ই জানেন। আপনাকে একটা গল্প বলি শুনুন,
এটাও এখানকার খবরের কাগজেই প্রকাশিত। রাজস্থানের এক মহিলা স্বামীকে ছেড়ে তার প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে উঠলেন বিয়ের কিছুদিন পরেই। স্বামী নিতে গেলে পরিস্কার জানিয়ে দেন, তিনি ফিরে যাবেন না, প্রেমিকের সঙ্গেই থাকবেন। স্বামী আদালতের দ্বারস্থ হন স্ত্রীকে ফিরে পেতে। দু'পক্ষের সওয়াল জওয়াব শুনে আদালত রায় প্রদান করেন, মহিলার সম্পূর্ণ অধিকার আছে তিনি কার সাথে থাকবেন তা বেছে নেওয়ার, আদালত মহিলার ইচ্ছাকে সন্মান জানাবেন, তার ব্যাক্তি স্বাধীনতায় হাত দেবেন না। মহিলা জানিয়ে দেন, তিনি তাঁর প্রেমিকের সাথেই থাকবেন। রায় মহিলার পক্ষে যায়।
এই নিয়ে জোর তক্কো বিতক্ক হয়েছে সর্বত্রই। কিন্তু তাতে সেই মহিলার কিচ্ছুটি এসে যায়নি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ইনি এক গ্রাম্য মহিলা। তথাকথিত শিক্ষা বা স্বনির্ভর ইনি নন কিন্তু যা চান সেটা সবাইকে জানিয়ে দিতে দ্বিধা করেননি এই গ্রাম্য মহিলা।
আর ঐ টিকা দিয়ে আপনি যা বললেন, ইসলামের কথা, আমি একবারও ইসলামের কথা বলিনি, আমি এক হাজী সাহেবের কথা বলেছি। এখানে ইসলাম কোত্থেকে এলো? এক হাজীর কথা বললেই ইসলাম এসে যায়?! আমি মানুষের কথাই বলেছি। মানসিকতার কথাই বলছি।
ধন্যবাদ।
শ্যাজা বলেছেন:
মানবী,আপনার মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
যে ঘটনার কথা বললেন, ঠিক এইরকম না হলেও একইরকম ঘটনা আমারও দেখা। এই সব ঘটনা মেয়েরা নিজেরাই চাপা দেয়। কেন দেয় বলতে গেলেই আবার এসে যায় সমাজ অর্থনীতি আর মেয়েটির নিজের অব্স্থানের কথা।
আর ঐ বানান নিয়ে মথা ঘামাবেন না। প্লিজ।
সাদিক,
তোমার সিংহপুরের মত যদি আমাদের এই দেশ হইত। পুরা না হউক কিছুও যদি হইত! একেবারেই বেহেস্তখানা হয়ে যাবে না আমাদের দেশ, সেই আশা বাতুলেও করে না। অন্তত শারীরীক অত্যাচারটুকু বন্ধ হউক। মানসিক অত্যাচারের কথা নাহয় তারপরে ভাবব!
ধূসর ছায়া বলেছেন:
আমিও ৫ দিলাম ।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
স্বামীর গার্লফ্রেন্ড থাকলে তাইলে স্ত্রীও নিশ্চয়ই মাইন্ড খাইবেন না। এটাও ঠিক, এইরকম আপোষ করেও অনেক সম্পর্ক টিকে থাকে ......শ্যাজা।এটা খুব শক্তিশালী একটা সমাধান না। ভঙ্গুর অব্স্থা। যাই হোক গল্পের কথা বলছিলেন। আমি পড়িনি। কোনোভাবে কি পড়া সম্ভব ? অথবা এই ব্লগে দিলেন ...
রোহণ কুদ্দুস বলেছেন:
এটা খুব নতুন কিছু নয়। বহু যুগের কথা এইসব। আমি প্রথম এই ধরনের ব্যাপার ছাপা অক্ষরে পড়েছিলাম অলীক মানুষ-এ।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
the husband can never drag his wife to the court on the grounds of adultery. once, there was a proposal to include this clause, but the national women commission rejected it. honestly, i find it very frivolous, and this is the other side of the coin. not to talk again of the abuse and misuses of 498A.
কালপুরুষ বলেছেন:
আমাদের এই উপমহাদেশের সাধারণ ঘরের নারীরা অত্যন্ত সহনশীল ও মুখচোরা। তাদের অপরিসীম সহ্য ক্ষমতা। আর এই মৌনতাই সম্মতির লক্ষণ ভেবে পুরুষেরা অত্যাচার, নির্যাতন ও ব্যভিচার করার সুযোগ পায়। তার উপর নারীরা সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে স্ববলম্বী নয় বলেই পুরুষরা তাদের উপর অযাচিত সুযোগ নেয়। তাছাড়া আইনের প্রয়োগ তেমন যথাযথ নয় ও আইন ব্যবস্থা দূর্নীতিগ্রস্থ হওয়ায় আইনের পথে যেয়েও তেমন ফায়দা হয় না। নারীদের এখনো পণ্য ও হুকুমের দাসী ভাবার মতো লোকের অভাব নেই এই সমাজে।
শ্যাজা বলেছেন:
পথিক,কমন টেনসই বটে!
কালপুরুষ,
গতকাল খবর দেখলাম একটা। শ্বেতা তেওয়ারি তার স্বামীর বিরুদ্ধে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ লিপিবদ্ধ করিয়েছেন। হোম ভায়োলেন্স অ্যাক্টে। এই শ্বেতা তেওয়ারিকে মনে হয় সকলেই চেনেন। ইনি একতা কাপুরের জনপ্রিয়তম টেলি সিরিয়াল কাসৌটি জীন্দেগী কি'র প্রধান চরিত্রের অভিনেত্রী। ভারতীয় টেলিভিশন জগতের যে দুজন অভিনেত্রী সব চাইতে বেশি টাকা পান, ইনি সেই দুজনের একজন।
তার মানে দাঁড়াচ্ছে, অর্থনৈতীক ভাবে স্বাবলম্বী মেয়েরা অত্যাচারিত হন না এটা ভুল ধারণা আমাদের। আইন করে কতটা ফায়দা হবে না হবে সেটা সময় বলবে। তবে আইনের প্রয়োগ যে কোন ক্ষেত্রেই যথাযথ নেয় এও খুব সত্যি কথা। কিন্তু আইন হয়েছে আর একটা দুটো করে কেস ফাইলও হচ্ছে। কোন এক ভবিষ্যতে হলেও হতে পারে আইনের যথাযথ প্রয়োগ। এই আশাতেই থাকি এখন...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















