হোম ভায়োলেন্স ও এক প্রতিবাদী নারীর কথা
সরকার বাহাদুর আইন করসে, আইন পাস ও হইয়া গেসে বহুদিন হইল। কিন্তু কথা হইল, কয়টা কেইস এই পর্যন্ত ফাইল হইসে? তাইলে কি সম্সত হোম ভায়োলেন্স থাইমা গেল কেইসের ডরে? থামে নাই যে হেইডা একটা দুধের শিশুও জানে। ত্য় এত সুবিধা দেওয়া সত্বেও কেন মহিলারা কেইস করে না? যেখানে ৩দিনের মধ্যে শুনানি হইব?
এই জায়গায় আসে নারীগো আর্থ-সামাজিক নিরাপত্বার প্রশ্ন। কেইস নাহয় ঠুইকা দিল কিন্তু এরপরে? সরকারে নাহয় কিসু উত্তম মধ্যমও দিল জামাইয়েরে ধইরা নিয়া। একখান ফায়সালাও শুনাইয়া দিল কিন্তু তারপরে? সাংসারিক শান্তির (???!!!) কি হইব? কই যাইব হেই নারী পোলাপান লইয়া? বাপের বাড়ি? ভুইলা যান! এই কেইস, কোর্ট কাচারীর পরে যে আর একলগে থাকন যায় না হেইডা তো হগ্গলেই জানে। তাইলে যাইব কই হেই মাইয়া?
কিন্তু এক মহিলা বিয়ার ১৭বছর পরে এই দু:সাহস ( পড়েন সত্তসাহস) দেখাইসেন ( সেলাম, লাল সেলাম)। ঘরে তাঁর তিনখান পোলা মাইয়া। বড় পোলায় মাধ্যমিক দিব। তাঁর অভিযোগ : স্বামীর অস্বাভাবিক যৌন ক্ষিদা সে আর মিটাইতে পারতেসে না, রাজী ও না। ছেলে-মেয়ে বড় হইসে, তাগো সামনেও যখন তখন মরদে চড়াও হয়, সুখ-অসুখ মানে না, পোলাপান মানে না এমনকি মাসিক ও মানে না। আর বৌএ রাজী না হইলেই দে মাইর দে মাইর। মহিলা এর আগেও চেষ্টা করসেন যেন এই অত্যাচার বন্ধ করতে পারেন কিন্তু পারেন নাই। শেষমেষ নারী কমিশনের দ্বারস্থ হন আর এই ঘাট ঐ ঘাটের পানি খাইয়া এক সহৃদয় উকিলের সাহায্যে কেইস ফাইল করেন। এই আইন পাস হওনের পরে এই প্রথম কেইস হোম ভায়োলেন্সের। কাজেই কাগজের হেডলাইন হইল এই খবর। তিনদিনের মধ্যে শুনানির হুকুম। মহিলা ডাইভোর্সেরও আবেদন করলেন একই সাথে।
এই মহিলার নিজস্ব কোন রোজগার নাই মানে ইনি একজন গৃহিনী। ঘর সংসারেই নিজের জীবন কাটাইসেন। ছেলে মেয়েও এখনও পর্যন্ত দাঁড়ায় নাই কেউ যে মায়ের ভরন-পোষণের দায় নিতে পারে। তবুও মহিলা সাহস করে, ভবিষ্যতের চিন্তা না করে প্রকাশের আলোয় নিয়ে আসেন তাঁর স্বামীর অত্যাচারের কাহিনী।
শেষ পর্যন্ত কি হইসে আমি জানি না। মহিলাটি সুবিচার পেলেন কিনা, অত্যাচারী স্বামীর কি হইল কাগজওয়ালারা আর জানানোর প্রয়োজন মনে করেন নাই ( আমার চোখে অন্তত পড়ে নাই) । আশা করি ইনি সুবিচার পাইসেন। তাঁর ভবিষ্যত যেন সুন্দর হয় এই প্রার্থনা আন্তরিক। সুখে না থাকুন শান্তিতে যেন থাকেন এই প্রতিবাদী নারী।
কথা হইল তাইলে কি এই একজন নারীই অত্যাচারিত হচ্ছিলেন? আর্থ-সামাজিক ভাবে কমপ্লিটলি স্বাবলম্বি কিছু নারীকে আমি ব্যক্তিগতভাবে জানি, যাঁরা স্বামীর বিবাহ ভির্ভূত সম্পর্ককেও চুপাচাপ মেনে নেন আর এক সুখী দম্পতি হওয়ার অভিনয় অহরহ করে যান। কেন? কেন করেন তাঁরা এরকম?
আচ্ছা, পুরনো কোন কেইস কি নতুন করে খোলা যায়?
যে নারীর কথা এইমাত্র বললাম, এইরকমই অত্যাচারিত কোন নারী, যে এর চাইতেও অনেক অনেক বেশি অত্যাচার সহ্য করে শেষমেষ একা হয়ে যান স্বামীকতৃক তালাক পেয়ে? সেও মিথ্যা অভিযোগে? তাঁর কোন সহায় সম্বল ছিল না। পরামর্শ দেওয়ার মত কেউ ছিল না। চুপচাপ পড়ে পড়ে শুধু মার খেয়েছে, যৌন নিপিড়ন সয়েছে দিনের পর দিন। মাসের পর মাস। বছরের পর বছর। সহ্য করেছে স্বামীর একাধিক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক। সেই লোকটা এখন দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে লম্বা দাড়ি নিয়ে। পাঁচবেলা মসজিদে যায়, নামাজ পড়ে। হজ্জ্বও সম্পাদন করে এসেছে। কাজেই সব পাপ ধুয়ে মুছে গেছে তার। বালিকা বধূ ঘরে এসেছে আবার পঞ্চাশোর্ধ সেই হাজী সাহেবের। বিনা বিচারে অবাধে ঘুরে বেড়াবে সে একটা মেয়ের জীবন শেষ করে দিয়ে?
মেয়েটি যে উকিল মহাশয়ের কাছে গিয়েছিল তিনি শুধু তার খোরপোষের ব্যবস্থা করেছেন, লম্পট স্বামীর বিচারের ব্যবস্থা নয়। বোকা মেয়েটা তাই মেনে নিয়ে চুপচাপ ঘরে ফিরে এসেছে। তার বারোমেসে সঙ্গী হয়েছে ঘুমের ওষুধ। এখ হঠাত্ত তার মনে প্রশ্ন জেগেছে, এভাবেই ঐ হাজী সাহেব হয়ে ঘুরে বেড়াবে নির্বিবাদে?
মানুষ কি বলে এ নিয়ে?
বিবেক কি বলে?
ঐ খোরপোষের জন্যে, তার ছেলে মেয়ের বাবা বলে সে কী জাষ্ট ছেড়ে দেবে ঐ লম্পট হাজীকে?
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।