বর্তমান বাংলাদেশে এক চেটিয়া দাপটের সাথে রাজত্ব করে চলেছেন ভারতীয় হাই কমিশনানর শ্রী পিনাক রঞ্জন। পিনাক বাবুই যেন এখন দেশটা চালাচ্ছেন। এই কুটনীতিবিদ এর ব্যাপারে বলা হয় যে, তিনি বাংলাদেশ এ বিগত এক এগারোর পূর্ববতি সময়কাল থেকেই একরকম অপ্রাতিরোধ্য হয়ে উঠেন। এক এগারোর পেছনে পিনাক দাদার একটা বিরাট ভূমিকা রয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। সেই পুরানো কথা এখন আবার নতুন করে তুলে আমাদের বর্তমান সেনাপ্রধান’কে আর লজ্জা দিতে চাইনা। এ বিষয়টা নিয়ে আগামিতে কোন সংখ্যায় না হয় আর একটা লিখব।
যা হোক পিনাক’দা আমাদের মেরুদন্ডহীন রাজণীতিবিদ আর তথাকথিত সুশীল সমাজের আস্কারা পেয়ে এতটাই বেড়েছেন যে, তাঁকে এখন আর সামলানোই যাচ্ছেনা। তিনি এতটাই বেপারোয়া হয়ে উঠেছেন যে, তাঁকে নিয়ে রিতিমত একটা আতংক বিরাজ করছে দেশে। বিশেষ করে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও কুটনৈতিক মহলে। এই ভদ্রলোক বোধ হয় ভুলেই বসেছেন যে, তিনি এই দেশটায় অর্থাৎ এই বাংলাদেশে একটা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের দূত। তিনি এই রাষ্ট্রের কোন কর্নধারও যেমনি নন, তেমনি নন কোন দ্বায়িত্বশীল। তিনি এই রাষ্ট্রের কেউ নন। এই বাংলাদেশে তিনি তাঁর সরকারের পক্ষ থেকে চাকুরি করতে এসেছেন, এসেছেন একটা কুটনৈতিক দায়িত্ব নিয়ে। এই দায়িত্ব পালন শেষে একদিন চলে যাবেন, তাঁকে যেতেই হবে। কিন্তু দাদা’র ভাব খানা দেখে মনে হচ্ছে, তিনি যেন এই বাস্তবতা ভূলতে বসেছেন অথবা ইচ্ছে করেই তা ভুলে যেতে চাইছেন। এমনটা বলার কারণ হলো, পিনাক বাবু যখন তখন বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিতভাবে মন্তব্য করে চলেন।
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। ছোট হতে পারে, তবে একটি স্বাধীন দেশ। এর রয়েছে একটা সরকার, সংবিধান, এবং প্রশাসন। দেশটার জাতিসত্তার রীতি-নীতি, তাদের কৃষ্টি-কালচার, আর চাওয়া পাওয়ার সাথে সংগতি বজায় রেখে রয়েছে একটা নিজস্ব সংবিধান। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংগনে এর রয়েছে একটা নিজস্ব বলয়। নিজস্ব স্বার্থকে প্রধান্য দিয়ে অন্যান্য দেশের মতই রয়েছে পররাষ্ট্রনীতির একটা ধারা। এই সব বাস্তবতাকে বৃদ্ধঙ্গুলি দেখিয়ে এই পিনাক বাবু এমন ভাবে কথা বলে চলেন, যাতে মনে হয় যে, তিনি এই বিষয়ে মোটেই ওয়াকিবহাল নন!
তিনি খোলাখুলি ভাবেই চেষ্টা করে চলেছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে, এর আঁতেল সমাজ (এরা অবশ্য নিজেদেরকে ‘সুশীল সমাজ’ বলে জাহির করে চলেন)কে উদ্বুদ্ধ করে চলেছেন, তারা যেন দয়া করে বাংলাদেশের সংবিধানকে পরিবর্তন করেন। সরকার যেন দেশের সংবিধান থেকে মহান আল্লাহ’র উপরে বিশ্বাস এবং বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এর যে সব ধারা রয়েছে, তাকে উৎখাত করে সেস্থলে সেই ’৭২ সালের সংবিধান এ যে চারটি মৌলনীতি রাখা হয়েছিল, তা পূনঃপ্রবর্তন করেন। এ সংক্রান্ত যে সব দাবী দাওয়া ইদানিং বাংলাদেশের বাম আর রাম বলয়ে উঠে আসছে, তার পেছনে রয়েছে এই পিনাক দাদা। এটা তাঁর ও তাঁর সরকারের কারসাজি।
হ্যাঁ অতি অবশ্যই এর সাথে অগ্রভাগে রয়েছেন আমাদের নিজেদের দেশের কিছু ভাড়া খাটা আঁতেল, বুদ্ধিজীবি। আসলে তাঁরা হলেন পরান্নজীবি, যাঁরা পরের অর্থে নিজেদের বিবেক বিক্রি করে দেন। আর তারই রেশ ধরে দেশ, সমাজ, সব কিছুই তাঁরা পণ্য হিসেবে বিক্রি বা বিনিময়ের যোগ্য মনে করেন। এইসব আঁতেলদের যে চড়া গলা আমরা ইদানিং শুনতে পাচ্ছি, সংবিধান পরিবর্তন করুন, ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল করুন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এর নামে একটা বিশেষ স¤প্রদায়ের প্রতি ইংগিত করে তাদের দাবী, তাদের বিচার করুন, তা না হলে নাকি মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদানদের আত্মা তৃপ্তি পাবেনা!
অতএব আজ থেকে আটত্রিশ বৎসর আগেকার একটা মিমাংসিত বিষয়কে আবার ঘঁষা মাজা করে জাতির মধ্যে একটা স্থায়ী বিভেদ আর হানাহানীর সুত্রপাত করা হোক। তা না হলে যে দেশটার উন্নতি অগ্রগতী, প্রগতী এসব কিছুর কোনটাই নিশ্চিত হচ্ছেনা! বেকার সমস্যা, পানি সমস্যা, বিদুৎ সমস্যা, শিক্ষা আর প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে পশ্চাৎপরতা, বাজেট ঘাটতি ,নদ নদী শুকিয়ে দেশটা মরূভূমি হতে যাচ্ছে সেটা, বি ডি আর হত্যকান্ড, এসব কোনটারই কোনরকম সমাধান হবেনা ! সবার আগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এর আড়ালে জামাআত এ ইসলামি সহ ইসলামি রাজনৈতিক দল গুলোকে নেতৃত্ব শুন্য করতে হবে। তাতেই দেশটা রাতারাতি শনৈ শনৈ উন্নতি আর প্রগতীর পথে ধাবিত হতে থাকবে!
তৃতিয় বিশ্বের একটা দেশ, বিশেষ করে বাংলাদেশের মত একটা মধ্যম সারির দেশের জন্য এই বিংশ শতাব্দীতে এসব পদক্ষেপ যে দেশটিকে একেবারে ধংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাবে, তাকে যে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র বানিয়ে ছাড়বে, এই বাস্তব সত্যটা যে এই সব আঁতেল আর আমাদের পিনাক'দা জানেন না, তা নয়।
আসলে পিনাক'দা এসব কিছুই জানেন। জানেন বটে, তবে তা মানতে চাননা। মানতে চাননা তারও একটা কারণ আছে বটে। কারণটা আর কিছুই নয়, তা হলো, যে কোন মুল্যে এই দেশটার স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বকে নস্যাৎ করে তোলা! এই দেশটােেক সিকিম আর হায়দ্রাবাদ, জুনাগড় আর কাশ্মীর এর মত গ্রাস করে ভারত মাতার উদরে হজম করে নেয়া। এটাই ভারতীয় মহলের চুড়ান্ত লক্ষ্য আর টার্গেট। এই টার্গেট পূরনেই তিনি মরিয়া হয়ে উঠে পড়ে লেগেছেন। এটা তাঁর দ্বায়িত্ব আর কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে। আমাদের প্রতিবেশী হিন্দু ভারত তার আশে পাশে কোন দেশ, বিশেষ করে এককালের পূর্ববঙ্গ আর আজকের বাংলাদেশ এর স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে মানতে চায়না।
মানতে চায়না, কারণ, কোন ভারতীয় হিন্দুই সেটা মানতে চাননা। এমনকি রবীন্দ্রনাথও সেটা মানতে চাননি, মানেননি। তিনি মহাভারতে মিশে গিয়ে লীণ হতে চেয়েছেন, তার পরেও বাংলাদেশর স্বাধীনতা চাননি। আলাদা বাংলাদেশ চাননি। এই রবীন্দ্রনাথ আলাদা ভারতই চাননি, চেয়েছিলেন ইংরেজ এর দাসত্ব করে যেতে। আজ ঠিক তেমনিভাবে ভারতীয় বাংগালী হিন্দুরা আলাদা, স্বাধীন বাংলাদেশ চাননা। নিজেদের এমন নির্লজ্জ দাসত্বের পাশাপাশি স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব দাদাদের জন্য খূবই অপমানজনক, একটা চক্ষুশূল বিষয় হয়ে আছে। সারাক্ষনই সেটা তাদের মাথাব্যাথার কারণ। তারা খুব সন্তুষ্ট ভারতের দাস হয়ে থাকাতে। যে স¤প্রদায় এমন নির্লজ্জভাবে হিন্দি ও মাড়োয়ারী গোষ্ঠির সেবাদাস হিসেবে থাকাটাতেই পরম সূখ লাভ করতে পারে, সেই গোষ্ঠিরই একজন, আমাদের পিনাক’দা কি ভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বকিয় স্বত্তাকে সম্মান দেখাবেন? কিভাবে স্বাধীণ বাংলাদেশের মর্ম বুঝবেন?
একটা কথা মনে রাখতে হবে, আমাদের একজন স্বাধীন রাখালের মন মানসিকতাও অনেক উঁচু হয়ে থাকে, গোলামীর জিঞ্জির পরা জমিদার'এর চিন্তা চেতনা আর উপলব্ধি থেকে। কােজই আমরা বুঝতে পারি, কোন বিকৃত ও হীন মানসিকতা থেকে পিনাক বাবু বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বকে এমন নির্লজ্জভাবে প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করতে পারেন।
কিন্তু যে কথাটা আমরা বুঝে উঠতে পারিনা ,সেটা হলো, কোন কারণে আমাদের সরকার, এই দেশটার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকার, প্রকাশ্যভাবে ভারতীয় দূত কর্তৃক এই দেশটার প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ এবং এর আভ্যন্তরীণ বিষয়ে নোংরা হস্তক্ষেপকে মেনে নিয়ে বসে আছেন? কোন কারণে এই দূতের সকল ধৃষ্ঠতাকে তারা সহাস্য বদনে সয়ে চলেছেন? কোন কারণেইবা আজও এই দূত ব্যটাকে দেশ থেকে বিদেয় করা হলোনা? বা তারা তেমনটা করছেন না?
তবে একটা কথা মনতেই হবে যে পিনাক'দার ভাগ্যটা ভালো। তিনি এই দেশটাতে অনেক সহযোগী পেয়েছেন। এই দেশেরই সন্তানদের মধ্য হতে যাঁরা টাকা, নারী, আর ক্ষমতার লোভে, একটু আধটু খুদকুটো'র লোভে এই দেশটার, তাদের নিজেদের মাতৃভূমীর স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বকে অনায়াসে তাদের হাতে লেন্দুপ দর্জীর মত করে তুলে দিতে এক পা'এ খাড়া হয়ে আছেন! আর তাদের অধিকাংশই এখন বাংলাদেশর সরকার, আর প্রশাসনে আসীণ হয়ে বসেছেন। আর এদের দিয়েই ভারত তার আরাধ্য কাজটি, দেশটাকে হজম করিয়ে নিতে চায়।
এই কারণেই ডিজিটাল নির্বাচনের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার এত আয়োজন! সঠিক জায়গামত উপযুক্ত লোক বসানোর এই নির্বাচনে এমন সব লোককে নির্বাচত করা হয়েছে, যাঁদের অধিকাংশই সর্তিকার অর্থে দাদাদের চাহিদানুযায়ি উপযুক্ত!
যেমন ধরুন, আমাদের পানি সম্পদ মন্ত্রী শ্রী রমেশ'দা। এই বাবু রমেশ সেদিন টিপাইমূখ বাঁধ নির্মান প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসিত হয়ে অকপটে বললেন, ‘আগে ভারত বাঁধ নির্মান করুক, তখন বাংলাদেশের কি ক্ষতি হয় সেটা দেখে তার পরে প্রতিবাদ করব!
বাহ বেশ মোক্ষম যুক্তি বটে। তা আমাদের রমেশদা যখন এতটাই বিজ্ঞ কুটণীতিক, তখন তিনি ভারত কর্তৃক ফারাক্কা বাঁধ নির্মানের ভয়াবহ পরিনতি দেখেও কেন সে কথাটা বাংলাদেশের পানি সম্পদ মন্ত্রী হিসেবে আজও পর্যন্ত ভারতের কাছে তুলে ধরছেন না?
থুক্কড়ি! ভূল করে ফেলেছি। পাঠক দয়া করে মাফ করে দেবেন। এই ক'দিন আগেইনা আমাদের রমেশ'দা বলেছেন, বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে চুক্তিমত পানি পাচ্ছে! পদ্মার তলদেশ যখন শুকিয়ে মরুভূমী, তখনও আমাদের রমেশ'দা সেখানে পানির শ্রোত দেখেন! সেই রমেশদাকে দিয়ে ভারত মাতার বিরোধিতা করানোটা কী সম্ভব?
শুধু রমেশ'দাইবা বলবেন কেন? আমাদের সবজান্তা মিনিষ্টার জনাব ফারুক সাহেব আছেন না? তিনি এমন কোন সাবজেক্ট নেই যে, সে বিষয়ে গভীর পান্ডিত্য রাখেন না! সব সময়ই কথা বলতেই থাকেন। দেশবাসীকে উপদেশবাণী বর্ষণ করতেই থাকেন। দেখলেন না, বিডিআর বিদ্রোহ হবার সাথে সাথে ওপারে দাদাদের মিডিয়ায় যখন বাংলাদেশী জঙ্গী ও জামাত কানেকশন এর খবর প্রচার করা হলো, প্রায় একই সময়ে আমাদের মন্ত্রী মহোদয়ও (জনাব ফারুক খান) বেশ গলা ফাটিয়ে বলে বসলেন, বিডিআর বিদ্রোহের সাথে জঙ্গি সম্পৃক্ততার কথা। আর তিনি এ ব্যাপারে আকারে ইংগিতে অঙ্গুলী নির্দেশও করলেন ইসলামি রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে, জামাআত এ ইসলামির দিকে। পরে সরকারি ও সামরিক বাহীনির তদন্তে অবশ্য বেরিয়ে এসেছে যে, উক্ত বিদ্রোহের ঘটনায় দেশের ইসলামপন্থী কোন দল বা গোষ্ঠির কোন দুরতম সম্পৃক্ততাও নেই। কিন্তু তার পরেও জনাব ফারুক খান তাঁর প্রতিবেশী দাদাদে’র সাথে কন্ঠ মিলিয়ে একই সূরে গান গেয়েই চলেছেন!
এভাবে এক এক বিচার করে দেখুন, দেখবেন আমাদের মন্ত্রী মিনিষ্টার’রা এই দেশের সংবিধানের প্রতি আনুগত্যের শপথ নিয়ে গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন বটে, তবে তারা প্রানপণে স্বার্থরক্ষা করে চলেছেন ভারতের। তারা টিপাইমূখ বাঁধ নির্মান করতে, চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর এর সুবিধা দিতে, এশিয়ান হাইওয়ের নামে ট্রানজিট, এসব কিছুই এক এক করে উজাড় করে দিতে চান। দিচ্ছেনও। তবে নিতে কিছুই পারলেন না। তারা তালপট্টি নিতে পারলেননা। নিতে পারলেননা ফারক্কার পানি, বেরুবাড়ী, কিংবা দহগ্রাম। নিতে পারলেননা ভারতীয় বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা, যদিও ভারতের জন্য বাংলাদেশের বাজার খুলে দিতে উঠে পড়ে লেগেছেন!
এসব দেখে শুনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, এমনটা কেন হচ্ছে? অনেক ভেবে চিন্তে যা পেলাম, তাতে মনে হয় আমাদের সরকার বাহাদুর ভারতের প্রেমে অন্ধ হয়ে গেছেন। তাই তাঁরা যাই করেন, করতে চান তাতেই ভারতের স্বার্থরক্ষা ছাড়া আর কিছুই ভাবতেও পারেননা। হাজার হলেও নিখাঁদ প্রেম বলে কথা! কিছুদিন আগে ইরানি কবি হাফিজ এর একটি রুবাইয়াৎ পড়ছিলাম। সেটিই সূধী পাঠকের জন্য তুলে দিলাম, এর মধ্যেই পাঠক ভারত আর বাংলাদেশের বর্তমান প্রেমের স্বরুপ দেখতে পাবেন আশা করি।
`তোমার ছবির ধ্যানে প্রিয়,
দৃষ্টি আমার পলক-হারা।
তোমার ঘরে যাওয়ার যে-পথ
পা চলেনা সে-পথ ছাড়া।'
অতএব, মন্তব্য নিস্প্রয়োজন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

