somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পিনাক বাবু'র প্রলাপ: প্রসংগকথা

২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :







বাংলাদেশে ভারতীয় হাই কমিশনার পিনাকবাবু আবারও কটুক্তি করেছেন পুরো বাংলাদেশীদের বিরুদ্ধে। তাঁর মতে, ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাসের সামনে যারা ভিসা নিতে লাইন ধরে, তাদের শতকরা আশি ভাগই নাকি দালাল আর টাউট! একজন বাংলাদেশী হিসেবে পিনাকদা’র এই প্যানপ্যানানী’র একটা জবাব দেওয়া দরকার বলে মনে করছি। তিনি গুনী মানুষ, তাঁকে আমার মত এক অখ্যত কলামিষ্ট আর কিইবা বলতে পারে? তাই আমার কোন কথা নয় বরং ইতিহাস থেকে দু একটা উদাহরণ তুলে দিয়েই বোঝাতে চেষ্টা করব দালালি, বাটপারি আসলে কাকে বলে? আর তার ধরণ ধারণইবা কি? করেইবা কারা?
ভারতীয় কবি ইশ্বরগুপ্ত, যাঁকে ভারতীয় কবিদের কবি, কবিদের গুরু বঙ্কিম চন্দ্রেরও গুরু বলা হয়, সেই কবি ইশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ইংরেজদের প্রশস্তি গেয়ে তার ‘দিল্লীর যুদ্ধ’ নামক কবিতায় নির্দ্বিধায় লিখেছেন
' চিরকাল হয় যেন ব্রিটিশের জয়। / ব্রিটিশের রাজলক্ষী স্থির যেন রয়।' একই কবিতার অন্যত্র লিখেছেন
' ভারতের প্রিয়পুত্র হিন্দু সমূদয় / মুক্তমুখে বল সবে ব্রিটিশের জয়'
পিনাক'দাকে বলি, আপনাদের সেরা কবির দালালির নমুনা দেখবেন আরও? দিল্লী ইংরেজদের হস্তগত হবার আনন্দে উল্লসিত ইশ্বরচন্দ্র ভারতীয় হিন্দুদের আশ্বস্থ করে লিখলেন
'ভয় নাই আর, কিছু ভয় নাই আর /শুভ সমাচার, বড় শুভ সমাচার/পূনর্বার হাইয়াছে দিল্লী অধিকার'
পিনাক'দা, আপনার পূর্বপুরুষ, এই ইশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাবুই যখন দেখলেন যে, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে নিয়োজিত মুসলমানদের হাতে ইংরেজ প্রভূরা মার খাচ্ছে, তিনি চরম ব্যাথায় কুঁকড়ে উঠে লিখলেন,
'দূর্জয় যবন নষ্ট, করিলেক মান ভ্রষ্ট / সব গেল ব্রিটিশের ফেম।---/ শুকাইল রাঙ্গা মুখ, ইংরেজ এর এত দু:খ, / ফাটে বুক হায় হায় হায়।'
পুরো ভারত যখন তার হৃত স্বাধীনতা উদ্ধারে ব্যস্ত, ইংরেজরা না আবার মুসলমানদের আন্দোলনের তোড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়, এই শোকেই কবি কাতর! মুসলমানদের নেতৃত্বে পরিচালিত ভারত মুক্তির আন্দোলন দমনে ইংরেজরা যূখন ধর-পাকড়, হত্যা-নীধন, চালাচ্ছে তখন এই দালাল কবি ভারতের হিন্দুদের অভয়বানী দিয়ে, তারা যে ইংরেজ অনূগত (পিনাক দার ভাঁষায় 'দালাল') সে পরিচয় তুলে ধরে লিখলেন, 'জয় হোক ব্রিটিশের জয়, / রাজ-অনুগত যারা, তাদের কি ভয়!
দালালির উৎকৃষ্ঠ নমুনা দেখতে হলে দেখুন, আপনাদের প্রিয় সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র কিভাবে দালালি করেছেন, তার আনন্দেমঠে তিনি লিখেছেন ‘ মুসলমানের পরে ইংরেজ রাজা হইল, হিন্দু প্রজা তাহাতে কথা কহিলনা। বরং হিন্দুরাই ডাকিয়া রাজ্যে বসাইল। হিন্দু সিপাহি ইংরাজের হইয়া লড়িল। হিন্দুরা রাজ্য জয় করিয়া ইংরেজকে দিল। কেননা হিন্দুর ইংরাজের উপর ভিন্ন জাতীয় বলিয়া কোন দ্বেষ নাই; আজিও ইংরাজের অধীন ভারতবর্ষে (হিন্দু) অত্যন্ত প্রভূভক্ত’
মানে কি দাঁড়ালো দাদা? আপনিও কি সেই প্রভূভক্ত হিন্দু পিনাক'দা নন? হিন্দুরাই ডেকে এনেছে ইংরেজকে, তাদের হয়ে লড়েছে মুসলমান এর বিরুদ্ধে, এসব আমার মনগড়া অভিযোগ নয়্ এগুলো আপনাদের বঙ্কিম বাবুর নিজের কথা! তার কথাতেই প্রকাশ যে, আপনারা দালাল। আপনার পূর্বপূরুষরা দালালি করেছেন। আপনি কি সেই দালালদের উত্তরসূরী নন? যে আপনার রক্তে আছে দালালি, সেই আপনি মশাই আমাদের দালাল বলেন? মশাই কি জানেননা যে, আমরা সিরাজ আর টিপুর বংশধর?
আরও শুনবেন দাদা? দু'একটা না হয় বলি। যদিও জায়গার সংকুলান হবেনা, তবে মাইরী বলচি দাদা, নিজে বানিয়ে কোন কথাই বলবনা। যা বলব, সব আপনাদের হিন্দু লেখক, সাহিত্যিক আর ঐতিহাসিকের লেখা, পাছে যেন আমাকে আবার দোষ না দিতে পারেন।
মুর্শিদাবাদ নসিপুর জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা জমিদার দেবীসিংহকে ইংরেজ তোষন, তাদের হয়ে টাউটগীরি করে মুসলিম জনগনের কাছ থেকে টাকা কাড়ি লুট, মুসলিম নারীদের ধরে ধরে ইংরেজদের দিয়ে আসার বিনিময়ে টাকা ও জমিদারি অর্জনের কারনে প্রখ্যাত ঐতিহাসিক রতন লাহীড়ি বলেছেন 'এই ‘শয়তান' মুর্শীদাবাদ জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা (দ্র: মুর্শিদাবাদ জেলার সত্যিকারের ইতিহাস, রতন লাহীড়ি, পরিশিষ্ঠ ২)।
কাশিমবাজার জমিদার কান্তবাবু’র কথা একটু বলি পিনাক'দা, শুনুন। কান্তবাবু ওরফে কৃষ্ণকান্ত নন্দী ছিলেন কান্তমুদি, এক মুদি দোকানদার। ওয়ারেন হেস্টিংস এর দালাল হিসেবে বাটপারি করে মুর্শিদাবাদের মুসলিম জনগনের জন্য ত্রাস হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল এই পাষন্ড। জোর পূর্বক জমি কেড়ে নেয়া থেকে শুরু করে, খাজনা আদায় এর নামে চাঁদাবাজীসহ এমন কোন অপকর্ম নেই, যা সে করেনি। টাউটগীরিতে সে ছিল সর্বেসর্বা। অযোধ্যার বেগমদের উপরে পরিচালিত অত্যাচার ও তাদের ধন সম্পদ লুন্ঠনে এই নরাধম ছিল সবার আগে।
তার ব্যাপারে ঐতিহাসিক প্রতিভারঞ্জন বাবু তাঁর ‘মুর্শিদাবাদ এর ইতিহাস’ গ্রন্থের ১ ও ২ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, 'কাশী রাজভবনের পাথরের থাম, জানালা প্রভৃতি খুলে নিয়ে এসেছিলেন কান্তবাবু' ঐ একই বই'এ তিনি আরও বলেন 'গভর্ণর হেস্টিংস্ সাহেবের অনুগ্রহে মাত্র কয়েক বৎসরের মধ্যেই বিশাল সম্পত্তি ও অর্থের মালিক কান্তমুদি হোল কান্তবাবু'
লজ্জা পাবেন না দাদা (অবশ্য আপনার ঐ জিনিসটা আছে বলে মনেও হয়না), আরও দু'একটা উদাহরন দেই টাউট বাটপারির। জমিদার রামচন্দ্র সন্মন্ধে বলতে গিয়ে বাবু প্রতিভারঞ্জন তাঁর ঐ গ্রন্থেরই ৭৯ পৃষ্ঠায় কি বলেছেন শুনবেন? শুনুন তাহলে, তিনি বলেছেন, 'পলাশীর যুদ্ধের সময় রামচাঁদ ছিল ত্রিশ টাকা বেতনের কর্মচারী। দশ বৎসর পর মৃত্যুকালে রেখে যায় নগদ সাত লক্ষ কুড়ি হাজার পাউন্ড, সোনা রুপা ভর্তি চারশতটি পাত্র, এক লক্ষ আশি হাজার পাউন্ড দামের ভূ সম্পত্তি এবং দুই লক্ষ পাউন্ড মুল্যের মনি মুক্তা'
ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর লেখা হতে একটা উদাহারণ দেই। দেখুন তিনি কি বলেন। ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শোভাবাজার এর বিখ্যাত জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা, জমিদার নবকৃষ্ণ’র ব্যাপারে বলেছেন ' নবকৃষ্ণের বেতন মাসিক ষাটি টাকার অধিক ছিলনা। কিন্তু তিনি অল্পদিন পরে মাতৃশ্রাদ্ধ উপলক্ষে নয় লক্ষ টাকা ব্যয় করেন। এই ব্যক্তিই পরিশেষে রাজা উপাধি প্রাপ্ত হইয়া, রাজা নবকৃষ্ণ নামে বিখ্যাত হইয়াছিলেন’ (‘বাঙ্গালার ইতিহাস', ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসগর, ১১৯ পৃষ্ঠা)
আর এক জমিদার গঙ্গাগোবিন্দ সিংহের টাউটগীরির ব্যপারে বলতে গিয়ে আপনাদেরই এক হিন্দু ঐতিহাসিক কি বলেছেন দেখুন, ' ১৭৪৪ খৃস্টাব্দে গঙ্গাগোবিন্দ কলিকাতার রাজস্ব সমিতির দেওয়ানী পদে নিযুক্ত হইয়া আপনার চরিত্রের পরিচয় দিতে লাগিলেন। যাহাদের উপরে তাহার ত্বত্তাবধানের ভার ছিল উৎকোচ এর ভারে তাহারা প্রপীড়িত হইয়া উঠিল' (দ্র: মুর্শীদাবাদ কাহিনী, নিখিলনাথ রায়, পৃষ্ঠা ৩১৬)
পিনাক বাবু, আর কত বলব? এত দূর্গন্ধময় আপনাদের ইতিহাস যে, নিজেরই সেসব কথা বলতে, স্মরন করতে লজ্জা হয়। জানেন তো, লজ্জা বলে একটা বস্তু আছে। আর সেটা বিবেক ও রুচীবান মানুষরাই কেবল জানেন। আপনার অবশ্য সেটা জানার কথা নয়, সেকারণেই বাংলাদেশের যেসব 'নেড়েরা' (আপনাদের ভাঁষায়) খালি বাঁশ হাতে ইংরেজ দখলদারিত্ব তাড়িয়েছে, তাদের বলেন দালাল! দাদা’র কি মতিভ্রম হলো? না দু'পেগ বেশী ঢেলে দিয়েছেন গলায়?
আপনার চেয়ে আর কে বেশী জানে যে, আপনার পূর্বপুরুষরাই দালালি করেছে এই দেশে দখলদারীত্ব কায়েম করা ইংরেজ জাতির। টাউট বাটপারির উদাহারণ উপরে কয়েকটি দিয়েছি। এখন আবার দালালির উদাহারণ টানতে গিয়ে এই নোংরামির ইতিহাসকে আর দীর্ঘায়িত করতে চাইনা, এই স্বল্প পরিসরে সে সুযোগও নেই।
তার পরেও একটা উদাহারণ না দিলে আপনার নির্লজ্জ চেতনায় সম্ভবত আদৌ টনক নড়বেনা। তাই এ কথাটা স্মরন করিয়ে দিতে চাই যে, যে কবি রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আপনাদের এত অহংকার (অবশ্য আমাদের দেশেতো অনেকে আবার তাঁকে পুজাও করে!) সেই কবিই ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়ে মুসলমানরা যখন ভারতের স্বাধীনতা উদ্ধারে মাঠে তৎপর, তখন কি ভাবে দালালি করেছেন দেখুন, ' কিছৃুদিন হইল একদল ইতর শ্রেনীয় অবিবেচক মুসলমান কলিকাতার রাজপথে লোষ্ট্রখন্ড হস্তে উপদ্রবের চেষ্টা করিয়াছিল। তাহার মধ্যে বিষ্ময়ের ব্যপার এই যে, উপদ্রবের লক্ষ্যটা বিশেষ রুপে ইংরেজ এর প্রতি' ( দ্র: রবীন্দ্র রচনাবলী, ১০ম খন্ড, পৃ: ৪২৮)।
পিনাক বাবু, দয়া করে দালালির নমুনাটা একবার দেখুন, দেশের স্বাধীনতা উদ্ধারে নিয়োজিত একদল ভারতবাসী (ধর্মবিশ্বাসে তারা ছিলেন মুসলমান)কে রবীন্দ্রনাথ 'ইতরশ্রেনীয়' বলে সম্বোধন করছেন। একবার ভেবে দেখুন, দালালির মানসিকতা কতটা জঘন্যতম পর্যায়ে পৌছুলে এমনতর বক্তব্য দেয়া সম্ভব! অবশ্য তাতে তিনি লাভবানই হয়েছেন, নোবেল পেয়েছেন ঐ মানসিকতার কারণেই।
মশাই, যারা আপনাদের দালালি করে তারা ঐ লাইন গিয়ে দাঁড়ায়না। লাইনেই যদি দাঁড়াবে, তা হলে আর আপনাদের দালালি করে লাভ কি? দালালি যারা করে তারাতো আপনার আশে পাশেই আছে সর্বদা। সব সময়ই আপনার সাথে, প্রনব কাকা’র সাথে তাদের যোগযোগ। দালালি যারা করে, তারা ঘোঁড়া উপহার পায়, (আরও কত কিছু পায়! সেকথা না হয় গোপনই থাকুক) চারটি ঘোঁড়া নিয়ে তারা মৈত্রী ট্রেন চালায়।
দালালি যারা করে, তারা এমপি হবার স্বপ্ন পূরণ করতে পারে, ক্ষমতা পায়। দেখলেন না, গত ইলেকশনের পরে আমাদের বাংলাদেশের 'জাতিয় লজ্জা' 'প্লেবয় এরশাদ' আপনাদের প্রনব কাকার কাছে ফোন করে, দূত পাঠিয়ে, আব্দার অনূরোধ করলেন, যেন প্রনব কাকা দয়া করে শেখ হাসিনাকে একটু বলে দেন, তিনি যেন এরশাদ চাচাকে আবারও রাষ্ট্রপতি করেন! এগুলো হলো দালালি ! আর এরাই দালাল!
মশাই, আপনি ঠিকই দালাল চেনেন্, চেনেন না? বুকে হাত দিয়ে বলুনতো দেখি চেনেন কিনা। আপনার বাপ-দাদা, চৌদ্দ গোষ্ঠি যেখানে ইংরেজদের দালালি করেছে, সেখানে আপনি দালাল চেনেন না! আজ্ঞে সে কথাটাও কি আমাদের বিশ্বাস করতে বলচেন?
আপনি কি আমাদের পানিসম্পদ মন্ত্রী রমেশ'দাকে চেনেন না? যিনি নিত্যদিন আপনাদের পক্ষ নিয়ে আমাদের দেশবাসীকে বলে চলেছেন, টিপাইমুখ বাঁধ দিলে নাকি বাংলাদেশ রাতারতি স্বর্গ হয়ে যাবে! দুধে আর মধুতে ভরে যাবে দেশ, আবাদ ভালো হবে, সেচ এর পানির কোন অভাব থাকবেনা, বিুদ্যৎ এর কোন অভাব থাকবেনা। লোড শেডিং হয়ে পড়বে ইতিহাস!!
আপনি কি আমাদের বানিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানকে চেনেন না ? যিনি ভারতকে ট্রানজিট দিতে সারা দেশে উপদেশ খয়রাত করে বেড়াচ্ছেন। ট্রানজিট দিলে নাকি দেশ রাতারাতিই উন্নত দেশে পরিণত হবে! বানিজ্যলক্ষী এসে বাংলাদেশের ঘাড়ে ভর করবে, আর দেশ থেকে সমস্ত অভাব অনটন রাতারাতি দুর হয়ে যাবে!
কেন দাদা, আপনার কি মনে নেই যে, আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রথমবারের ক্ষমতাকালীন সময়ে ভারত সফরে গেলেন,,সেখানে কোলকাতায় তাঁকে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ আখ্যায়িত করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বকে অপমানিত করলেও তিনি বা তাঁর দলের কেউ একটা টু শব্দটিও করেন নি! এটা দেখেও কি বোঝেন না, দালাল কারা? আসলে কারা দালালি করে? বা করতে পারে? এগুলোই হলো দালালি। যারা এই দেশের মন্ত্রী হয়েও আপনার কথাগুলো দেশবাসীকে গেলাতে চায়, তারাই হলেন দালাল।
দাদা, আপনি ঠিকই তা জানেন, আমরা বাংলাদেশীরা ইংরেজ, হিন্দিভাঁষী মাড়ওয়ারি আর উর্দূভাঁষী পাকিস্থানীদের কাছ থেকে স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে প্রমান করেছি, আমরা দালালি করিনা, দালাল না। এর বিপরিতে আপনারা মশাই আজ পর্যন্ত হিন্দিভাঁষী মাড়ওয়ারীদের দালালি করে যাচ্ছেন, অথচ আমাদের বলেন দালাল! ভন্ডামি করার আর জায়গা পেলেননা?
মশাই ভন্ডামিতে এবার 'ক্ষ্যান্ত' দিন। তা না হলে এই দেশের জ্বেহাদি লোকগুলো খেপলে আপনার আর আপনার দালালদের পালাবার পথ থাকবেনা, আগে ভাগেই বলে রাখলুম কিন্তু।



১১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×