মশকরা আর কাকে বলে?
মাত্র ক’দিন আগে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগাদনের উদ্দেশ্যে আমেরিকা যাবার প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী ড: হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে বলেছেন ‘আমার উপরে আস্থা রাখুন, কি ভাবে ডিল করতে হয়, তা আমি জানি। তিনি আরও বলেছেন, তিনি দেশ স্বাধীন করেছেন, কাজেই এই দেশ তিনি বিক্রি করতে পারেন না।’ বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও ইৈেলক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত ও প্রকাশিত খবর অনুযায়ি এটাই ছিল তাঁর বক্তব্য। এই সময়ে তিনি আরও কিছু কথা বলেছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন কোন কথা বলেন, তখন তার পুরোটাই ‘খবর’। তবে আমি ঐ ‘খবর’ এর মধ্যে মাত্র এই অংশটুকু বেছে নিলাম। কারণ, এই বিষয়েই একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমার কিছু কথা বলার আছে। আমি ধারণা করি অনেকেই কিছু কথা বলতে চান। সেদিন এক বন্ধুর সাথে ফোনে আলাপ প্রসঙ্গে জানলাম, তাঁর মনেও প্রধামন্ত্রী ড: হাসিনার ঐ সব কথাগুলোর ব্যাপারে কিছু কথা জন্ম নিয়েছে। আমি আজকের এই নিবন্ধে সেই কিছু কথাকেই তুলে ধরব আমার ভাঁষায়।
ড: হাসিনা’র বক্তব্যের যে অংশটুকু উদ্ধৃত করেছি, তাতে তিনি পুরো জাতিকে আহ্বান জানাচ্ছেন তার উপরে আস্থা রাখতে। তিনি এ কথাও বলছেন যে, কি করে ‘ডিল’ করতে হয় তা তিনি খুব ভালো করেই জানেন। এ কথা বলে তিনি দেশবাসীকে আশস্থ করতে চান, এমন একটা সময়ে যখন পুরো দেশবাসীই সার্বিক দিক বিচারে একরকম অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে, টিপাইমূখ বাঁধ নির্মানে ভারতকে অনুমতি প্রদান, দেশের ভেতর দিয়ে ভারতকে ট্রানজিট দেয়া, এবং বাংলাদেশী সমুদ্রসীমার মধ্যে অবস্থিত গ্যাস ব্লক গুলো বিদেশী কোম্পানীকে ইজারা দেওয়া প্রসঙ্গে দেশে বিদেশে যে সব কথা বার্তা চলছে এই বলে যে, সরকার বহুজাতিক বাহিনীসহ বিদেশী সরকার এর ইন্ধনে এবং তাদের চাপে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে এইসব চুক্তি করতে যাচ্ছে, এমন অভিযোগে ক্রমশই দেশে আন্দোলন বাদ প্রতিবাদ দানা বাধছে। এবং ইদানিং বাজারে বিভিন্ন মহল থেকে এইসব কোন কোন চুক্তি সম্পাদনের পেছনে সরকারের বিভিন্ন লোকজনের নামে দূর্ণীতির চাঞ্চল্যকর খবর বেরুচ্ছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি এমন একটা বক্তব্য দেবার প্রয়োজন বোধ করেছেন বলেই মনে হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের সাথে আমি একমত পুরোপুরিই। যদিও এই আমিই তাঁর অনেক বক্তব্যের সাথেই কোন কোন সময়ে একমত হতে পারিনি। আর আমার বিশ্বাস মতে তার সঙ্গত কারণও আছে। তবে আজ সে বিষয়ে কোন কথা না বলেই কেন তাঁর এই বক্তব্যের সাথে একশত ভাগ একমত, কিন্তু এর পাশাপাশি এটাকে জাতির সাথে এক নির্জলা মশকরা বলেও মনে করি। কেন করি? সে বিষয়টাই পরিষ্কার করব আজকের আলোচনায়।
তিনি বলেছেন যে, ডিল কিভাবে করতে হয় তা তিনি খুব ভালো করেই জানেন। সে বিষয়ে তাঁর পক্ষ বা বিপক্ষের কারো মনে আদৌ কোন সন্দেহ আছে বলে আমার অন্তত মনে হয়না। মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপরে আস্থা রাখা যায় কিনা সেটা কেবলমাত্র তাঁর মুখের কথার উপরে ভিত্তি করেই নয় বরং তাঁর কর্মকান্ড বিশ্লেষন করেই বিচার করা যেতে পারে। এই ছোট্ট পরিসরে অবশ্য সেসব বিচার করা সম্ভব হবেনা। কারণ, এর জন্য প্রয়োজন মহাকাব্য লেখার মত একটা পরিসর। তার পরেও স্মৃতীর পাতা থেকে দু’একটা ঘটনাকে একটু আধটু বিচার করে দেখা যাতে পারে বৈকি!
প্রধানমন্ত্রী যে ডিল করতে জানেন, এ ব্যপারে যে তার কোন জুড়ি নেই, তার প্রমান এই দেশবাসী পেয়েছে বার বার। স্মৃতীশক্তি দূর্বল যাদের তাদের জন্য না হয় দু একটা উদাহারণ তুলে দেয়া যেতে পারে। জিয়া হত্যাকান্ডের দু:খজনক ঘটনাটি দিয়েই শুরু করা যাক। ভারত থেকে নেত্রী হাসিনা ফিরে এসে তার খুব ঘনিষ্টজদের নাকি বলেছিলেন খুব শীঘ্রই বাংলাদেশে একটা পরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে, আর এই তাঁর এই্ বক্তব্যের মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট জিয়া চট্টগ্রামে নিহত হন।
উক্ত দু:খজনক ঘটনা পরবর্তি বাংলাদেশের রাজনীতির ঘটনাপ্রবাহ বিচারে দেখা যায় যে, ক্ষমতার রঙ্গমঞ্চে আবির্ভূত স্বৈরাচার, বাংলাদেশের ‘জাতিয় লজ্জা’ পটুয়া কামরুলের ভাঁষায় ‘বিশ্ববেহায়া’ এরশাদ এর সাথে এক অস্বাভাবিক উষ্ম সম্পর্ক এই নেত্রী ও তার দলের। জাতির ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসা এই স্বৈরাচার এরশাদের সাথে আঁতাত করে তার অবৈধ শাসনকে বৈধতা দিয়েছিলেন গনতন্ত্রের ‘মানস কন্যা’ (?) শেখ হাসিনা!
স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলনের পিঠে ছুরি মেরেছিলেন কে? এ প্রশ্নের উত্তর হিসেবে দু:খজনকভাবে যে নামটি বেরিয়ে আসবে, তা হলো শেখ হাসিনা, আজকের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দিল্লিতে বসে ভারতের সাথে ‘ডিল’ করে এসে প্রেসিডেন্ট জিয়ার হত্যাকান্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন করানো, এরশাদের সাথে লং ড্রাইভ এ গিয়ে ইলেকশন এর ‘ডিল’ করা, এগুলোতো একেবারে জাতির চোখের সামনেই রয়েছে। শুনতে কষ্ট হতে পারে, মানতেও কষ্ট হতে পারে, কিন্তু তাই বলে সা¤প্রতিক ইতিহাসের এই বাস্তবতাকে কোন মতেই অস্বীকার করা যাবে কি?
আরও শুনতে চান? বেশী দুর যেতে হবেনা, একেবারে হাল আমলের জলিল সাহেবতো একেবারে তাজা উদাহারণ। সাম্রাজ্যবাদী পশ্চিমা কয়েকটি দেশ আর আগ্রাসী ভারতের মদদে, ইন্ধনে প্রতিষ্ঠিত ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দীন এর অবৈধ সরকার এর সাথে, বিশেষ করে পর্দার আড়ালে আর্মির ডিজিএফআই এর সাথে গোপন আঁতাত, মানে, গোপন ‘ডিল’ করে যে ক্ষমতারোহন, সে কথা আর কেউ নয়, স্বয়ং জলিল সাহেব, শেখ হাসিনার অধূনা অপসারিত সাধারন সম্পাদক জলিল সাহেব নিজ মুখেই ফাঁস করে দিয়েছেন। এই জলিল সাহেব নিজেই বলেছেন, তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ভূল, তিনি তাঁর দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার খুব বেশী অনূগত থেকেছেন, তাঁর উপরে খুব বেশী আস্থা রেখেছেন। আর তার সেই আনুগত্য ও আস্থার মুল্য তাকে আজ দিতে হচ্ছে ’পাগল’ সেজে(!) আওয়ামি লীগের নিজ হাতে গড়া ফ্রাংকেষ্টাইন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, এর সদস্যদের হাতে ধোলাই খেয়ে!
স্বৈরাচার এরশাদ, যাকে পুরো বিশ্বই জানে ‘বিশ্ব বেহায়া’ হিসেবে, যাকে শেখ হাসিনা মহাজোট এ টেনেছিলেন, মহাজোট নির্বাচনে জিতলে তাকে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট বানানো হবে, এমন আশ্বাস দিয়ে। মূলত এমন একটা আশ্বাসের উপরে ভিত্তি করেই ‘বাংলাদেশের জাতিয় লজ্জা’ স্বৈরচার এরশাদ মহাজোট এ যোগ দিয়েছিলেন। কেবল কি তাই? এই বিশ্ব বেহায়াই আর এক বেহায়া, জেনারেল মঈনুদ্দিন এর সাথে শেখ হাসিনার ‘ডিল’ এর শুরুটা করে দিয়েছিলেন। সেই এÍশাদও কিন্তু তার বোন(!) তার নেত্রীর উপরে আস্থা রেখেছিলেন। মনে মনে প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন বঙ্গভবনে আবারও প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঢোকার, অন্তত ছয়টি মাসের জন্য হলেও! কিন্তু হায় হতোষ্মি! তার উপরে এÍশাদ এর সেই আস্থার কোন মুল্যই শেখ হাসিনা দেননি। মহাজোট এ এরশাদকে টেনে আনার জন্য যে ‘ডিল’ করেছিলেন, সেই ‘ডিল’কে তিনি ছুঁড়ে মেরেছেন বিশ্ব বেহায়ার মুখের উপরে! প্রেসিডেন্ট করেছেন দলীয় নেতা জিল্লুর রহমান সাহেবকে। শেখ হাসিনা যে ‘ডিল’ করতে জানেন, তা বিশ্ব বেহায়া এরশাদ এর চেয়ে ভালো আর কে জানে?
আজম জে চৌধুরির সাথে সিদ্বিরগঞ্জ পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন নিয়ে যে ‘ডিল’ হয়েছিল, তিনি সেই ‘ডিল’ করেছেন, তার খুঁটি নাটি তথ্য প্রমানসহ তাঁরই ভাই, শেখ সেলিম নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন, সিগারেট টানতে টানতে সে তথ্য ফাঁস করে দিয়েছেন অকপটে। সে তথ্য ইন্টারনেট এ ভর করে ইউ টিউব এ এখন হরহামেশাই মানুষ শুনছে!
সভানেত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ছাত্রলীগ ও দলীয় কর্মীদের দ্বারা আমরণ অনশন(!) আর প্রতিবাদ এর নাটক করিয়ে আবারও দলের সভানেত্রী পদে আসীন হওয়ার ঘটনা খুব বেশী দিনের নয়! গঙ্গা পান চুক্তি, পার্বত্যশান্তি চুক্তি, বা ‘ডিল’ করার মাধ্যমে তিনি যে পদ্মাকে পানি শুন্য করেেছন, পার্বত্য জেলাকে বাঙ্গালীশুন্য করছেন, সেটাতো আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে।
তাঁর উপরে আস্থা রেখেছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেই চৌকষ অফিসার আর জওয়ানরা, যারা পিলখানায় আওয়ামি লীগ আর ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ’র এর যৌথ পরিকল্পনায় সংঘটিত নারকীয় তান্ডবে প্রান হারিয়েছেন। আস্থা রেখেছিলেন জেনারেল শাকিল, কর্নেল গুলজার’সহ তাদের সহকর্মীরা। প্রধানমন্ত্রীকে তাঁদের জীবন বাঁচানোর বারংবার তাক্বিদ দিয়েও কোন ধরনের সাহায্য পাননি জাতির এইসব সোনার সন্তানরা! আস্থা রেখেছিলেন তাঁদের বাবা-মা, তাঁদের পরিবার-পরিজন, স্ত্রী-পুত্র-কন্যরাও। ভেবেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর কানে যখন সেনা অফিসারদের বিপদের কথা গেছে, তখন তিনি নিশ্চয়ই কিছু একটা করবেন। কিন্তু তিনি তা করেন নি।
আস্থা তার উপরে রেখেছিলেন জনাব কাদের সিদ্দিকিও। তাঁকে তিনি ডাষ্টবিনে নিক্ষেপ করেছেন। তেমনি আস্থা রেখেছিলেন ড: কামাল, তাঁকেও তিনি সরিয়েছেন আওয়ামি লীগের রাজনীতি থেকে। কেবল তাই নয়, শেখ হাসিনার রাজনীতির বিরোধিতা করায় তিনি কাদের সিদ্দিকি’র নামের অদ্যাক্ষর ‘কা’ এবং ড: কামাল এর নামের অদ্যাক্ষর ‘কা’ নিয়ে ব্যঙ্গ করে দুইজনের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, তিনি নাকি দুইজনের ‘কা’ ‘কা’ শব্দ শুনতে পান! আর ড: কামাল কত শত কোটি কালো টাকা সাদা করেছেন সে প্রশ্নও কৌশলে তুলতে ভূল করেননি। নিজ দলের দুই রাজনীতিবিদকে নিয়ে শেখ হাসিনার এই আচরণ খুব বেশী দিনের কথা নয়। জনাব কাদের সিদ্দিকি এবং ড: কামালও তাদের নেত্রীর উপরে এক সময় আস্থা রেখেছিলেন বটে!
নেত্রীর উপরে আস্থা রেখেছিলেন শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক এর নেতৃত্বে ইসলামি ঐক্য জোট এর নেতারা। ২০০৭ এর নির্বাচনের আগে এই ঐক্যজোট যখন শেখ হাসিনার সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুল জলিল এর সাথে ইসলাম বিরোধি কোন চুক্তি না করা সংক্রান্ত চুক্তি করেছিলেন। তখন সেই চুক্তি করার পেছনে সকল ইন্ধন আর পরামর্শ ছিল শেখ হাসিনার নিজের। জলিল সাহেবই তা ক’দিন আগে স্বীকার করেছেন। কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ক’দিনের মধ্যেই সেই চুক্তিকে ডাষ্টবিনে ছুঁড়ে মারেন শেখ হাসিনা। আমরা সেই তখনই বার বার বলেছি যে, শেখ হাসিনা ইসলামি ঐক্যজোট এর সাথে চুক্তিটি করেছেন কেবলমাত্র বি এন পি’সহ চারদলীয় জোট এর সাথে যেন ইসলামি ঐক্যজোট যোগ দিতে না পারে, সেই ব্যবস্থাকে নিশ্চিত করতে। চারদলীয় জোটের সাথে ইসলামি ঐক্যজোট এর দুরত্বকে নিশ্চিত করা হলেই তিনি এই চুক্তিকে ডাষ্টবিনে ছুঁড়ে মারবেন, যাঁরা আওয়ামি লীগ আর শেখ হাসিনাকে চেনেন, তাদের রাজনীতির গতিধারা বোঝেন, তাঁদের তা জানাই ছিল, বার বার তারা তা বলেও এসেছেন। জাতিকে খুব বেশী দিন অপেক্ষা করতে হয়নি, তাঁদের এই কথার সত্যতা উপলব্ধি করতে! শেখ হাসিনা সেই চুক্তিকে ছুড়ে মেরেছেন মাত্র কয়েকটি সপ্তাহের ব্যবধানে।
আশ্চর্জ হতে হয় হয়, যে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা, সম্পদ আর প্রশাসনকে হাতের মুঠোয় পেয়েও নিজ অফিসের মাত্র কয়েক কিলোমিটার এর মধ্যে অবস্থিত পিলখানায় মাত্র কয়েক ডজন সেনা অফিসারের জীবন বাঁচাতে কোন উদ্যোগ নিতে পারেনন না, সেই প্রধানমন্ত্রীই আবার পনেরো কোটি লোককে বলেন তার উপরে আস্থা রাখতে! প্রতিদিন বাংলাদেশের সীমান্ত জুড়ে ভারতীয় বি এস এফ এর সৈন্যরা পাখির মত গুলি করে করে বাংলাদেশের মানুষকে হত্যা করছে, যখন তখন, যে প্রধানমন্ত্রী এইসব নিরিহ কয়েকশত মানুষদের বাঁচাতে, তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, সেই একই প্রধানমন্ত্রী পুরো জাতিকেই বলছেন তার উপরে আস্থা রাখতে! এটা যদি জাতির সাথে মশকরা না হয়, তবে মশকরা আর কাকে বলে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

