আমার প্রিয় পোস্ট

প্রধানমন্ত্রীর বিষ্ময়কর ঘোষনা প্রসঙ্গে

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮

শেয়ার করুন:                   Facebook





দারুণ একটা খবর দিয়েছে দেশের প্রায় প্রতিটি সংবাদপত্র এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া। আর টি এন এন পরিবেশিত একটা খবরে বলা হচ্ছে (১৪ই অক্টোবর ) যে প্রধানমন্ত্রীর সাথে জার্মানি, নেদারল্যান্ড আর ডেনমার্ক এর মানবাধিকার বিষয়ক তিন দূত দেখা করতে গেলে তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বলেন ‘ তিনি অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকার জনগনের সামাজিক ও খাদ্য নিরাপত্তা, বাকস্বাধীনতা এবং গনতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগনের মানবাধিকার নিশ্চিত করায় অঙ্গিকারাবদ্ধ’। ইউরোপিয়ান তিনটি দেশের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব জনাব আবুল কালাম আজাদ এমন একটা বিষ্ময়কর খবর সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসী তথা জনগনের কাছে তুলে ধরেছেন।
খবরটি কেন বিষ্ময়কর হিসেবে অভিহিত করলাম? সে প্রশ্ন উঠতেই পারে সঙ্গতভাবেই। অতএব এটা যে কেন বিষ্ময়কর, তা ব্যাখা করার দায়ভারও আমারই ঘাড়ে বর্তায়। এখানে সংক্ষেপে সে বিষয়টিই যৎসামান্য তুলে ধরব।
দ্রব্যমুল্যবৃদ্ধিতে জনগনের নাভিশ্বাস উঠছে। এই্ সরকার দশ টাকা কেজি দরে চাল খাওয়াবে, বিনা মুল্যে কৃষকদের সার দেবে, সেচ কার্যে বিদুৎ এর সরবরাহ নিশ্চিত করবে, এমনসব আজগুবি, অবাস্তব এবং বাস্তবায়ন অসম্ভব, প্রতিশ্র“তি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। জনগনের জন্য সেগুলোর কোনটিই বাস্তবায়নতো দুরের কথা, বরং ক্ষমতা অধিগ্রহনের সময় যে বাজারদর ছিল, সেটাও তারা বজায় রাখতে পারেনি। দশটাকা কেজি দরে চাল এখনও সেই স্বপ্ন কিংবা দু:সপ্নই রয়ে গেছে কৃষকের জন্য।
জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহনের সময় যে আলু ছিল ১৭ টাকা কেজি, তা এখন বাজারে ৩২ টাকার নিচে পাওয়া যায়না, যে বেগুন এর কেজি ছিল ১৯ টাকা, তা এখন ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৩৫ টাকার টমেটো এখন বাজারে ৭০টাকা কেজি। নিম্ন বিত্তের লোকজন থেকে শুরু করে সাধারণ আয় এর মধ্যবিত্তের জনগন পর্যন্ত চোখে মুখে সর্ষে ফুল দেখতে পাচ্ছেন। একজন চাকুরিজীবির সারা মাসের বেতন দিয়ে তার একটা সপ্তাহও চলে না ঠিকমত। দেশে ইতিমধ্যেই অনাহারে মানুষ মারা যাবার খবর পত্র পত্রিকায় বেরুতে শুরু করেছে। এমনও খবর বেরিয়েছে পত্রিকায়, যেখানে দেখা যাচ্ছে, অভাবের তাড়নায় বাবা মা তার চার চারটি সন্তান বিক্রি করে দিয়েছেন!
এই সরকারের আমলে, নয় মাসে একশত বত্রিশটি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, চাকুরি হারিয়েছে হাজার হাজার শ্রমিক। বিদেশে শ্রমিক যাওয়া কমেই চলেছে। কোন কোন দেশেতো একেবারে বন্ধই হয়ে গেছে। আর এর আগে যারা গিয়েছিলেন তারা দল বেঁধে বেঁধে ফেরত আসছেন। বিমান বন্দরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেই দেখা যায় এইসব হতভাগা শ্রমিকদের করূণ মুখগুলো। সরকার তাদের জন্য কিছুই করতে পারেন নি, তার কোন উদ্যোগও নেননি। অথবা সরকার উদ্যোগ নিলেও তার ভ্রান্ত পররাষ্ট্রনীতির কারণে কোন দেশই সরকারের অনুনয় বিনয়ের প্রতি কর্ণপাত করেনি। বিদেশে শ্রমবাজার সরকার ক্ষমতায় আসার পরে বাড়াবে কি, আগেরটাইতো ধরে রাখতে পারেনি, পারছেনা।
দেশে কলকারখানা বন্ধ, নতুন কাজের ক্ষেত্র সৃষ্টি হচ্ছেনা, বিদেশে শ্রমবাজার ছোট হয়ে আসছে, ব্যবসা বানিজ্য বন্ধ করে বসে আছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা তাদের পুঁজি হারাবার কারণে। চারিেিদকে কেবল বেকারত্ব আর বেকারত্ব, মানুষ কি হওয়া খেয়ে বেঁচে থাকবে? এরই মধ্যে যদি আবার প্রধানমন্ত্রী বলে বসেন, তিনি সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর, তা হলে তা শুনতে কেমন লাগে?
দেশে আঈন শৃংখলা পরিস্থিতি ভেংগে পড়েছে একেবারে। প্রশাসন থেকে শুরু করে বিচার ব্যবস্থা সব কিছুতেই সরকার দলীয় ক্যাডার বসিয়েছে, শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে ব্যবসা বানিজ্য, প্রশাসন, প্রতিটি ক্ষেত্রে তার দলীয় ক্যডার, বিশেষ করে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা মহোল্লাসে লুট পাট করে চলেছে। সরকার দলীয় এমপিরা কোন কোন অঞ্চলে নিজেদের জমিদারি প্রতিষ্ঠা করে ছেড়েছেন। তাদের কোন অপকর্মের খবর প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের পিটিয়ে তুলো ধুনো করে দিচ্ছে, ঘরবাড়ী ছাড়া করে দিচ্ছে। এমনকি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকদেরও ধরে ধরে পিটিয়েছে এইসব সোনার ছেলেরা! পুলিশ আর প্রশাসন সব নীরব! কারণ, এরা সরকার দলীয় ক্যাডার, সন্ত্রাসী নয়! এইসব বন্ধ না করেও যখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি সবার মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর, তখন কি তাকে বিষ্ময়কর বলে মনে হয়না?
ক্ষমতা গ্রহনের পরে প্রথম ছয়মাসে ২১০৭ জন খুন হয়েছে এই সরকারের আমলে। গড়ে প্রতিদিন ১২ জন করে খুন হয়েছে। আরও একটু খোলাসা করতে হলে বলতে হয়, প্রতি দুই ঘন্টায় একজন করে খুন হয়েছে! সেই প্রধানমন্ত্রীর আমলে, যে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর! দেশে ক্রসফায়ার এর মহোৎসব চলছে। খুলনার ডুমুরিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা নিরাপদ বৈরাগীকে ক্রস ফায়ারে হত্যা করে এর পরে আবার তাকে রাতের আঁধারেই তড়ি ঘড়ি রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় (!) সমাহিত করা হয়েছে!
হাজার হলেও মুক্তিযুদ্ধের সরকার ! মুক্তিযোদ্ধাকে বিনা বিচারে কোন আদালতে অপরাধ প্রমান না করিয়ে, তাকে আত্বপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ না দিয়েই না হয় মেরেই ফেলেছে, তাই বলে কি তার প্রতি এতটাই অবমাননা করবে? মুক্তিযোদ্ধা বলে একটা কথা আছেনা? জাতি আর দেশের জন্য তিনি বন্দুক হাতে যুদ্ধ করেছেন না? তার প্রতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী সরকারের একটা আলাদা দায়িত্ববোধ আছে! এটা তো আর বি এন পি- জামাত জোট সরকার নয়, আর জোট সরকার নয়। তাই তাকে রাতের আঁধারে রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়েছে! যে পুলিশ তাকে গুলি করে মেরেছে বিনা বিচারে, সেই পুলিশই তাকে আবার একটা স্যালুটও ঠুকে দিয়ে এসেছে শশ্মানে নিয়ে গিয়ে, চিতার সামনে দাঁড়িয়ে! মুক্তিযোদ্ধার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেছে বটে! শেখ হাসিনা ও তার সরকার নিরাপদ বাবু’র বেঁচে থাকার, কিংবা আদালতে ন্যায় বিচার পাবার মত মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত না করলে হবে কি, তিনি তার জন্য একটা স্যালুট পাবার অধিকারটাকে ঠিকই নিশ্চিত করেছেন। সাধু ! সাধু !! বিষ্ময়করই বটে।
ঢাকার ৮১ নম্বর ওয়ার্ড বি এন পি সেক্রেটারি সাইজউদ্দীন সাজু, যাকে এইতো মাত্র ক’দিন আগেই র‌্যাব বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ক্রস ফায়ারে মারল, আরও শত শত হতভাগার মত, তাদেরও কিন্তু বিচার পাবার অধিকার ছিল। আদালতে দাঁড়িয়ে নিজেদের আত্বপক্ষ সমর্থন করার অধিকার. এটা তাদের যে কেবল গনতান্ত্রিক অধিকার তাই নয়, বরং তার চেয়েও বড়, মৌলিক মানবাধিকার। বিশ্বের কোন দেশেই, কোন অবস্থাতেই এই অধিকারটিকে কোন ভাবেই অস্বীকার করা যায়না। কিন্তু এইসব হতভাগারা তাদের সেই অধিকারটুকু পেলেন না। রাতে বিছানা থেকে, বাবা-মা, কিংবা স্ত্রী পুত্র পরিজনদের কাছ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে এদের হত্যা করা হচ্ছে, কোন বিচার নেই! আদালতে অপরাধ প্রমানের কোন সুযোগ নেই, আত্বপক্ষ সমর্থনেরও কোন উপায় নেই।
এইভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ঘটিয়েই আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর জানের নিরাপত্তা দিতে চান! তিনি দেশবাসীর জীবনের নিরাপত্তার মত মৌলিক নিরাপত্তাটুকু নিশ্চিত করতে চান। এট্ইা যদি তার সেই কথিত নিরাপত্তা হয়, তা হলে সেরকম নিরাপত্তা দিয়েইতো তিনি প্রতি দুই ঘন্টায় একজন বনী আদমের মৃত্যুকে নিশ্চিত করে চলেছেন! এটা কি কম বিষ্ময়কর?
যে প্রধানমন্ত্রী বড় গলায় পুরো বিশ্বকেই শুনিয়ে দিলেন, তিনি দেশবাসীর জান, মাল এর নিরপাত্তা সহ তাদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করবেন, সেই তাঁরই শাসনামলের মাত্র ছয়টি মাস অর্থাৎ মাত্র একশত আশিটি দিনে দেশে মোট ১৪৭৯টি ধর্ষন পুলিশের খাতায় নথীবদ্ধ হয়েছে। আর লোকলজ্জা এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতপন্ন হবার ভয়ে যেসব নিগ্রহের কথা বেমালুম চেপে যাওয়া হয়েছে, সেগুলোর সংখ্যা যোগ করলে বোধহয় এ সংখ্যা দশহাজারে গিয়ে পৌছুবে। তারপরেও তর্কের খাতিরেই যদি আমরা পুলিশের খাতায় রিপোর্টেড ঐ ১৪৭৯ টিকেই সঠিক সংখ্যা হিসেবে ধরি, তা হলেও প্রতিদিন গড়ে আটটিরও বেশী ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে।
যে দেশে একজন নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েও শেখ হাসিনা এইসব নারীদের নিরাপত্তা দিতে পারেননা, সেই দেশে তিনি নিজের পরিবারের, নিজের সন্তানদের, নিজের ও তাঁর বোন এর ছেলে মেয়েদের আজীবন নিরাপত্তার কথা ভাবতেই পারেন, সেটা বোধগম্য বটে। কিন্তু যে কথাটা মোটেও বোধগম্য নয়, তা হলো, এই প্রধানমন্ত্রীই তাঁর এই বিরাট ব্যর্থতা সত্তেও কোন মুখে বিদেশী তিন দূত এর নিকট বলতে পারলেন যে, তিনি দেশবাসীর মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর! এটা কি কম বিষ্ময়কর একটা ঘটনা?
দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চান তিনি। তেমনটাই তিনি বলেছেন ইউরোপিয়ান তিন দূত এর উদ্দেশ্যে! কথাটা শুনে ভীমড়ি খাবার জোগাড়! প্রধানমন্ত্রী বললেনটা কি? আরে, পুরো দেশবাসীর বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার আগে নিজের দলের একজন এমপি, তাঁর সাবেক সাধরণ সম্পাদক জনাব আব্দুল জলিল এর বাকস্বাধীনতটা নিশ্চিত করেন! পনেরো কোটি লোক এর বাকস্বাধীনতা তো এক বিরাট ব্যপার। একজন লোক মাত্র, বিরোধি দলীয় কোন এমপি নন, তার নিজদলীয় এমপি, তাঁরই খুব কাছের লোক, জনাব জলিল সাহেবের বাকস্বাধীনতাটা নিশ্চিত করতে পারেন যদি, তাহলে অন্তত জাতি বুঝবে যে, হ্যাঁ, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসলেই পারেন!
এভাবে মানুষের মুখ বন্ধ করে দেয়া হবে। এক এক করে ধরে ধরে লোকজনকে বিনা বিচারে হত্যা করা হবে, দেশের সম্পদকে বিদেশীদে হাতে তুলে দেয়া হবে নিজেদের ক্ষমতাকে পোক্ত করতে। দলে দলে লোকজনকে বেকার করে দেয়া হবে। যখন তখন যাকে খূশী, একটা যেন তেন অপবাদ দিয়ে, কোনরকম আত্বপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই চাকুরিচ্যুত করা হবে, বিচারেও তাকে যেতে দেয়া হবেনা। দলীয় লোকজনকে দিয়ে সারা দেশের টেন্ডারবাজীর নামে দেশের সম্পদ নিয়ে হরিলুট করা হবে প্রকাশ্যে, কোন মতে ঁেবচে থাকার মত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে আকাশচুম্বী করে লুটে নেয়া হবে জনগনের টাকা, (গেল রোজার সময়ে স্বয়ং বানিজ্যমন্ত্রী বাচাল ফারুক খান ও তার আশির্বাদপুষ্ঠ ব্যবসায়ী গোষ্ঠি চিনি নিয়ে যা করেছে সে কথাটা সূধী পাঠক এখানে একটু স্মরন করতে পারেন)। জনগন অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাবে, কিন্তু তার পরেও কোন বাদ প্রতিবাদ করতে পারবে না জনগন।
কারণ, প্রতিবাদ করলেইতো আওয়ামি লীগ তাদেরকে অভিযুক্ত করবে ‘সরকার আর দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে। বিগত ৬ই অক্টোবর ঠিক এই কথাটাই বলেছেন শেখ হাসিনার খুব কাছের নেত্রী মতিয়া চৌধরী। তিনি বলেছেন, যারা দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধিসহ তেল গ্যাস বিদুৎ আর বিডিআর ইস্যুতে কথা বলছে, তারা দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে!
তার মানে হলো, সরকার তার বিদেশী প্রভূদের সাথে যৌথ আয়োজনে দেশের আর্মি অফিসারদের হত্যা করবে, দেশের সম্পদ তেল, গ্যাস, রপ্তানি করবে, তা বিদেশিদের হাতে তুলে দেবে, দ্রব্যমুল্য নিয়ে সিন্ডিকেট করবে, নিজেদের পকেট ভরবে ,বিদেশী ব্যংকের একাউন্টে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা সরাবে, দেশের জনগনের তাতে যতই কষ্ট হোকনা কেন, তারা কোন কথা বলতে পারবেনা! এই যদি বাকস্বাধীনতা হয়, তবে নিশ্চয় শেখ হাসিনা সে বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করবেন, এবং তা তিনি যথার্থই যে করতে পারবেন, সেটা আমরা সকলেই বিশ্বাস করি মনে প্রানেই!
এতকিছুর পরেও এই সরকার, সরকার প্রধান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার দলীয় ক্যাডার’রা দিন রাত তারস্বরে বলে চলেছেন, দেশে তারা মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করবেন, তা করতে বদ্ধপরিকর! আর ত!াদের বিদেশী দোসররাও সেটাই কান পেতে শুনছেনও, বিষ্ময়ের আর বাঁকিটা থাকল কি?

 

 

১. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এসব লিখে লাভ নেই , রাবণেরা লঙ্কায় এসব লবডঙ্কা , ভন্ডামী চলুক , আপস করেই চলি
২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫
দন্ডিত বলেছেন: আম্রা একটা সার্কেলে পইড়া গেছি, য্যাম্নেই যাই একই জিনিস।
৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬
নাঈম বলেছেন: জয় বাবা ডিজি-টাল বাংলাদেশ.....
৪. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: হাসিনারে সোজা রাখতে হবে আমাদেরকেই....
৫. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩
সিরাজ বলেছেন: ২০২১ জিন্দাবাদ।
৬. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫
সেলিমস বলেছেন: হা ভাই আপনার কথার সাথে আমি একমত যে বেগুন আমাদের ছাগলে খেয়েতো না তার দাম এখন ৪০ টাকা X(
৭. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮
হা...হা...হা... বলেছেন: বিএনপির কোন পোষ্টে আছেন?
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: সত্যটা কি খুব গায়ে লাগছে? আমি লেখায় যে তথ্যগুলো দি;য়েছি তার কোনটা মিথ্যা? যদি কোনটা মিথ্যা লিখে থাকি তা হলে বলুন না দেখি, সেই সাথে আর সবাই জানুক সেটা। তা না করে টিটকারি করবেন। তা করুন, তবে জেনে রাখুন, দু পয়সা বিক্রি হয়ে যাওয়া গোলামরা এরকমটাই করে

৮. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
সিরাজ বলেছেন: ভাববার বিষয়: "পূর্ণিমা নিত্য বলেছেন: বিএনপির কোন পোষ্টে আছেন?"
৯. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: এতো লম্বা ফিরিস্তি পড়লাম না।
তবে সরকারকে টমোটো, আলু, বেগুন চাষ করে দিতে হবে?? আজব!!
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনের নেই কোন উপায়। দুনিয়ার কোন জায়গায়ই কাজ নেই। বিদেশীরা শ্রমিক নিবে কি জন্য?? গার্মেন্টনস বন্ধ হচ্ছে নতুন মার্কেট না খোলার জন্য।
এতো মানুষ যে বেঁচে আছে সেইটাই তো সপ্তম আশ্চর্য্য। নিজেরা ক্ষেত খামার করতে ইচ্ছুক না। সবই হাওয়া থেকে আসা চাই।
কোন দেশের লোকজনই সরকারকে বিশ্বাস করে না। সেটা ইউরোপ, আর্মিকা অথবা বাংলাদেশই হোক। ক্ষমতায় বসার জন্য সবাই লম্বালম্বা কথা বলবেই।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: তা ভাই সে কথাটা যখন বিরোধি শীবিরে ছিলেন তখন কি মনে ছিলনা? না এইমাত্র এই বেদবাক্যটা শিখলেন! দালালি আর কাকে বলে!!

১০. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। অবশ্যই আলীগের লম্বা লম্বা ওয়াদা খেলাপ করলে তার বিচার হতে হবে। বিরোধী দলে বা ক্ষমতার বাইরে থাকলে হম্বি তম্বি এই করমু ঐ করমু।
১২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬
সিরাজ বলেছেন: "বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। অবশ্যই আলীগের লম্বা লম্বা ওয়াদা খেলাপ করলে তার বিচার হতে হবে। বিরোধী দলে বা ক্ষমতার বাইরে থাকলে হম্বি তম্বি এই করমু ঐ করমু।"

কথাটা বিএনপির জন্যও প্রযোজ্য
১৪. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: বিরোধী শিবির কোন কালেই ছিলাম না। শুধু বাস্তবতার কথা বল্লাম।
আপনাদের মতো আমাদের বাসায় গিয়ে গরম ভাত রান্না করা পাই না। মাইনাস তাপমাত্রায় তাহাজ্জুদের সময় ঘর থেকে বাহির হই। ফিরে এসে রান্নাটা নিজেকেই চড়াতে হয়। কাচমরিচের কেজি ৩.৫০ ইউরো। ঘরের পাশে দু'টো টবে দেশী কাচামরীচের গাছ। নিজেরটা চলে যায়। বাসার পাশে লাউয়ের বীজ বুনার চেষ্টা করি। লাউ না ধরলে তো পাতাটা সবজি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কিছু টমোটর চারাও লাগানো হয় গ্রীষ্মকালে। তিন/চার হাত মাঠির মধ্যে যা ফলন হয় তা দিয়ে মোটামুটি চলে যায়। তবে কাজ শেষে এসে এগুলো পরিচর্চা নিজেকেই করতে হয়। যেই টয়লেটে হাগি ঐটাও নিজে পরিষ্কার করি। আপনাদের মতো কাজের বুয়া নাই। কিনতে পারি না দেখে আপনাদের মতো হায় হায় করি না। (বেশী কিছু বলতে পারলাম না)
নিজে স্বাভলম্বী না হতে শিখলে আল্লাহ আকাশ থেকে কোন কিছুই দিবো না।
১৫. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩
কঠিন চিজ বলেছেন: যারা এই সত্যি জেনেও বিরোধীতা করছেন, তারা http://www.tarsira.com এর সদস্য হয়ে যান।
এই পলিটিক্স বাঙ্গালীর মাথাই নস্ট কইরা দিছে। ধর্ষকলীগের সদস্যরা এসে যদি আমার মা, বোন রে ধর্ষন করে তবুও আমি ঐ ধর্ষকলীগের নেতারেই ভোট দিমু। =p~ =p~ জয় বাবা ডিজি-টাল বাংলাদেশ.....
১৬. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ সিরাজ, যে ক্ষমতায় আছে তারে নিয়া বলেন। আলীগ বিএনপির চেয়ে বহুগুণ বাচাল আর ওয়াদা করতে ওস্তাদ। তাই এবার যদি আলীগ সিংহভাগ বেশীর ভাগ ওয়াদা পূরণ করতে ব্যার্থ হয় তো বিএনপিও এই অজুহাত দিবে। আর বিএনপি কিন্তু আলীগের মত দিনবদলের ওয়দা করবে না। :)
১৭. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৬
আমি জমিদার বলেছেন: সরকার তার বিদেশী প্রভূদের সাথে যৌথ আয়োজনে দেশের আর্মি অফিসারদের হত্যা করবে,

এই কথা প্রমান করেন
১৮. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯
জর্জিস বলেছেন: য়েক হাচিনার মুখের কথা যেমন বিস্ময়কর; তারচেয়েও আপনার লেখা বিস্ময়কর। সুন্দর করে লিখেছেন। ধন্যবাদ।

++++++++++++
১৯. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০
অদ্ভুত বলেছেন: যেসব আওয়ামীপন্থি ঘুষের টাকায় চলে তারা তো আপনারে মাইনাস দিবেই। সুন্দর লেখা।
২০. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮
সুদিপ্ত বলেছেন: ভালো। কোন রাজনীতির গন্ধ নেই লেখাতে। সাধারণ মানুষের কথা লেখা্
২১. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯
সেলিমস বলেছেন: সুদিপ্.........।। ভাই ঠিক বলছেন।
২২. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
সেলিমস বলেছেন: কঠিন চিজ...।। তুমি হালায়, পাগল না ছাগল?
যদি ছাগল হও খোয়াড়ে যাও আর যদি পাগল হও পাবনা যাও
২৩. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১৫
মো ঃ আবু সাঈদ বলেছেন: ফ্রুলিংক্স ভাই নিজের বিবেকর কাছ প্রশ্ন করুন কি লিখছেন............

তবে সরকারকে টমোটো, আলু, বেগুন চাষ করে দিতে হবে?? ---
এই কথাটা আপনার নেত্রীরে আগে বুঝান ..........নেত্রী সবকিছু দাম কমাইব বলছে আর তখন আপনারা ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মত লাফাইছেন।

আর ছাত্রলীগেরা নিজেদের মধ্যে মারামারি আর সাধারন ছাত্র দের ক্ষতি করে ....... সরকারের করার কিছু নাই ।
ছাত্রলীগ সরাসরি টেন্ডারবাজীর জন্য মানুষ খুন করে.......সরকারের কি করার আছে।

অনেক দেশই অন্য দেশ থেকে শ্রমি নিচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার হার কমিয়ে দিচ্ছে.......পররাষ্ট্র মন্ত্রী ঘাস কাটে..আর আপনি বলেন সরকারের করর কি আছে।

ফ্রুলিংক্স, ভাই এই সরকার ১০ মাসে কি কাজ করছে দয়া করে একটু বলেন।
২৪. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
শামীম দ্যা রক্ বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন: হাসিনারে সোজা রাখতে হবে আমাদেরকেই....

বুদ্ধি দেন
২৫. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০১
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: @মো ঃ আবু সাঈদ, জীবনে ভোট দিয়েছি মাত্র একবার। তাও প্রায় ১০ বছর আগে। রাজনীতির সুন্দর কথায় বিশ্বাস করে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনে এখন চিল্লাফাল্লা করে তো লাভ নাই। রিসেশনের শুরু হবার পর এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে। ১০ টাকা চালের স্বপ্ন দেখেন কিভাবে আপনারা?? নাকি এখনো শায়েস্তাখানের আমলে বাস করেন?? যেহেতু বর্হিবিশ্বের খরব রাখেন তাই গার্মেন্টনস, বিদেশ ফেরত সম্পর্কে ডিটেইলস কিছু বল্লাম না।
সরকার এই ১০মাসে দেশকে ভারতের বাজার হওয়ার চুড়ান্ত ফয়সালা দিয়ে দিছে। আপনি আমি কিবোর্ডের পাছায় লাথ্থি দিয়ে শুধু লিখতে পারবো। কাজের কাজ কিছুই হবে না।
২৬. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০২
প্রবাসী মন বলেছেন: ফ্রুলিংক্স বলেছেন: "সরকার এই ১০মাসে দেশকে ভারতের বাজার হওয়ার চুড়ান্ত ফয়সালা দিয়ে দিছে। আপনি আমি কিবোর্ডের পাছায় লাথ্থি দিয়ে শুধু লিখতে পারবো। কাজের কাজ কিছুই হবে না।"


তবে, লেখক যে কথাটা লিখেছে, তা সর্বাংশে সত্য। তবে ফ্রুলিংক্স ভাই, এই মন্দার মধ্যেও সিংগাপুর (বাহ্যতঃ সব কিছুই আমদানী করে, পানিটাও) কিন্তু চালের দাম বাড়তে দেয়নি। আর যদিও কিছু বেড়ে থাকে, তা জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আছে। এখানে দাম কিন্তু ব্যাঙের মত ধাঁই ধাঁই করে লাফাতে লাফাতে বাড়ে না, যেমনটা বাংলাদেশে গত ৯ মাসে হয়েছে এবং হচ্ছে। যাইহোক, সিংগাপুরের সাথে তুলনা করে কোন লাভ নেই।

মোদ্দা কথা, যে প্রতিশ্রুতি রাখতে পারবো না, সে প্রতিশ্রুতি দিবো কেন? দেশের জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে পারছে না, কিন্তু ভারতের কাছে গোপনে দাসখত দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালনে তো কোন ঘাটতি দেখছি না।

 

মোট সময় লেগেছে ০.০৭৯১ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই