somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

‘খলীফাতুল মুসলিমিন’ বঙ্গবন্ধু! ও প্রসঙ্গকথা

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :






বঙ্গবন্ধুর নামে খোৎবা জারী করার দাবী, এবং এর পরে আওয়ামি মুফতী পরিষদ কর্তৃক ‘তাঁকে জাতির পিতা না মানলে ঈমান থাকবেনা’ এমন ফতওয়া জারীর পর এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে মরহুম শেখ মুজিবকে ‘খলীফাতুল মুসলিমিন’ ঘোষনা দেয়া হয়েছে। ক’দিন আগে ঢাকায় এক স্বঘোষিত কুরআন গবেষক(!) হায়দার আলী খাঁন কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর উপরে লিখিত একটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে রথী মহারথীসহ সাংবাদিকদের সামনেই ঘোষনাটি দেয়া হয়েছে। ‘শতাব্দীর সবচেয়ে বড় জোক’ ঘোষনাটি নিয়ে অনেক কথাই বলা যেতে পারে। তবে সেদিকে না গিয়ে সংক্ষেপেই দুটি কথা বলার ইচ্ছা করছি।
উক্ত অনুষ্ঠানে সেই গবেষক(!) আরও বলেছেন, ‘আমাদের ঈমানই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা’(এ বিষয়ে অন্য একদিন দু কথা লেখা যাবে ইনশাআল্লাহ)। তার নিজের ভাঁষায় ‘আমার গবেষনায় পেয়েছি, পবিত্র কুরআন হাদিসের আলোকে ঈমানের প্রধান শর্তই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। ধর্মনিরপেক্ষ না হলে ঈমানদার দাবী করা যাবেনা। আর যাদের ঈমান নেই তারা মুসলমান নয়। সুতারাং ধর্মনিরপেক্ষতা ঈমানের অংগ। এটি কুরআনের শ্বাশত বিধান। তাই খলিফাতুল মুসলিমিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের অন্যতম মূলনীতি হিসেবে উল্লেখ করে ঈমানী দায়িত্ব পালন করেছেন।’
এই আঁতেল আরও বলেছেন, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ এ কোন ফজিলত নেই, কিন্তু জয়বাংলা বললে ফজিলত ও বরকত আছে।’ ঐ একই অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেছেন ‘মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বশুন্য অসহায় দরিদ্র মুসলমান তথা সারা বিশ্বের ক্ষুধার্ত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য বঙ্গবন্ধুর আপসহীন লড়াইয়ের কারণে বঙ্গবন্ধু সারা বিশ্বের মুসলমানদের একমাত্র অভিভাবক ছিলেন।’
কিছু লেখার আগে একটা কথা বলে নেয়া ভালো, এই লেখক, ‘জয়বাংলা’ বা ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বাক্য দুটোর কোনটাতেই কোন বরকত খুজে বেড়ান না। এবং তার কোন প্রয়োজনও বোধ করেন না। কারণ, বরকত কোথায় আছে? কিসে আছে? তার একটা মোটামুটি ধারণা আর দশটা সাধারণ মুসলমানের মতই লেখকেরও আছে ।
যাহোক আমাদের এই নতুন ও বিষ্ময়কর গবেষক(!) এর গবেষনায় তিনি দেখতে পেয়েছেন যে, ‘জয়বাংলা’য় নাকি বরকত আর ফজিলত দুটোই আছে। ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ এ এই দুটোর কোনটাই নেই। হয়ত নেই। থাকলে কি আজ এই শ্লোগানদাতাদেও ঘরবাড়ী ছাড়া হয়ে বন বাঁদাড়ে ঘুওে বেড়াতে হয়? হয়কি দেশান্তরী হতে কিংবা জেলখানার অন্ধপ্রকোষ্ঠে বন্দী হয়ে থাকতে?
কিন্তু জয়বাংলায় যে বরকত আর ফজিলত আছে। আছে যে, তার নমুনাতো প্রায় প্রতিদিনই দেশবাসী দেখছেন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ সহ আরও কত লীগ এর কর্মকান্ডে! কোটি কোটি টাকার টেন্ডার ভাগাভাগি, খূন, ধর্ষন, ছিনতাই করেও ‘বেগুনাহ’ থেকে যাওয়া, এসবই তো সেই ‘জয়বাংলা’র বরকত আর ফজিলত এর বদৌলতেই!
জয়বাংলার এমনই বরকত! এতে এমনই ফজিলত যে, যে পুলিশ ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ শ্লোগানদাতাদের পিটিয়ে লাশ বানাচ্ছে, তাদের ঘর বাড়ী ছাড়া করে নিয়ে বেড়াচ্ছে, সেই একই পুলিশই আবার ‘জয়বাংলা’ শ্লোগানদাতাদের হাতে মার খেয়েও মার হজম করে! দিন বদলের ডিজিটাল বাংলাদেশে ‘বরকত’ আর ‘ফজিলত’ এর উৎস বুঝতে কি সহজ উপায়ই না উদ্ভাবন করা হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ এ!
‘জয়বাংলা’ শ্লোগানটি বঙ্গবন্ধু মরহুম শেখ মুজিবর রহমান তাঁর প্রায় প্রতিটি ভাঁষনেই দিয়েছেন এবং সেটা তখনকার সেই উত্তাল দিনগুলোতে প্রায় প্রতিটি বাংলাদেশীর মুখে মুখে প্রচলিত ছিল। শ্লোগানটি স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশী তরুণ, যুব্ক থেকে শুরু করে সকল শ্রেনীর মানুষকে দারুণভাবে উজ্জীবিত করেছিল। আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে একটা প্রান সঞ্চারণকারী শ্লোগান ছিল। সে বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই। এ বাস্তবতাকে অস্বীকার করা বা করানো যাবেনা।
উক্ত শ্লোগানটিকে ইসলামের সাথে সম্পর্কিত করে একটা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করা হচ্ছে। এর একটা অবশ্যম্ভাবী রেশ পড়বে অর্ধশিক্ষিত, অশিক্ষিত এবং সাধারণ ধর্মপ্রান মুসলমানদের মনে। এই বিভ্রান্তি রোধকল্পেই চেষ্টা করা সকল মুসলমানের কর্তব্য। প্রতিটি ধর্মপ্রান মুসলমানই তার নিজ নিজ অঙ্গন থেকে এই দায়িত্বটা পালন করে যাবেন। অন্তত ইসলামের মৌলিক আক্বিদার উপরে এই ধরণের আঘাত আসার ক্ষেত্রে, অন্তরে নুন্যতম ঈমান আছে, এমন কারোরই নিশ্চুপ বসে থাকার কোন সুযোগ নেই।
‘খলীফা’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো প্রতিনিধি। আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষ পৃথিবীতে তার খলীফা, অর্থাৎ পৃথিবীতে মানুষ আল্লাহর প্রতিনিধি। আল কুরআনে সে ভাবেই মানুষের পরিচয় তুলে ধরেছেন স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিজেই।
‘খলীফা’র আরও একটা পরিচয় আছে। ইসলামের পরিভাষায় ‘খলীফা’ বলা হয় তাঁকে, যিনি রাসুলুল্লাহ সা: এর অবর্তমানে তাঁরই প্রতিনিধি হয়ে মুসলমানদের সার্বিক বিষয় পরিচালনা করে থাকেন। তাদের আদর্শিক, বৈষয়িক, রাজনৈতিক সহ সকল প্রকার নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। তিনি কেবল যে মুসলমানদের ধর্মীয় নেতা, তাই নন, তিনি একটি মুসলিম রাষ্ট্রের ‘কমান্ডার ইন চিফ’ বা প্রধান সেনাপতির দায়িত্বও পালন করে থাকেন।
রাসুলুল্লাহ স: এর ইন্তেকালের পরে তাঁরই প্রিয় চার জন সাহাবি, যাঁদেরকে আমরা ‘খোলাফায়ে রাশেদা’ বলে চিনি, তাঁরা এই দায়িত্ব অত্যন্ত সুচারুরুপে পালন করে দেখিয়েছেন। তাঁরা ছিলেন যথার্থ অর্থে ‘খলীফাতুল মুসলিমিন’। বিগত দেড় হাজার বৎসর ধরে সারা বিশ্বের কোন মুসলমানই তাদের পরিচয় আর অস্তিত্বকে নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নি। তাঁদের পরে আরও অনেকে খলীফার অস্তিত্ব দেখতে পাওয়া যায়।
‘খলীফাতুল মুসলিমিন’ এর এই ধারা সেই ৩রা মার্চ ১৮২৪ সালে তুরস্কের কামাল পাশা কর্তৃক খেলাফত এর আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি না হওয়া পর্যন্ত চালু ছিল্। এইসব খেলাফতগুলোর কোনটির মান কেমন ছিল, সেটা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে এবং সেটা আছেও। কিন্তু তার পরেও এটাই বাস্তবতা যে, খেলাফত এর আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি হয়েছে ১৯২৪ সালে। এর পরে মুসলিম বিশ্বে আজ পর্যন্ত কোন খেলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়নি ঘোষিতও হয়নি এবং কোন ব্যক্তিই নিজেকে খলীফা বলে দাবীও করেন নি।
ইতিহাসের এই বাস্তবতায় আজ এক অখ্যাত, মস্তিস্ক বিকৃত আঁতেল, যে কিনা ক্ষমতাসীন সরকারের কাছ থেকে দুটো খুদ কুঁড়ো, উচ্ছিষ্ঠ পাবার প্রত্যাশায় মরহুম শেখ মুজিবকে ‘খলীফাতুল মুসলিমিন’ বলে দাবী করে বসল, তার সেই হাস্যকর দাবীটি বিচার করে দেখুন।
একজন ব্যক্তি খলীফা হতে হলে তাঁর নৈতিক চরিত্র, জ্ঞান ও আমল, ইসলামী আক্বীদার প্রতি তাঁর বিশ্বাস ও নিষ্ঠা, আল্লাহ, আল্লাহর রাসুল সা: এবং মুসলিম স¤প্রদায়ের সাথে তার সম্পর্ক, এইসব বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে। আসবেই।
এবং মরহুম শেখ মুজিবের বেলাতেও তা অতি আবশ্যকীয়ভাবেই আসবে। সেগুলোর আলোকে মরহুম শেখ মুজিবকে বিচার করে দেখলে কি তাঁকে ‘খলীফাতুল মুসলিমিন’ বলে মনে হবে? তা ছাড়া মরহুম শেখ মুজিব সাহেব নিজে কি কোন দিনও ঘুর্ণাক্ষরেও ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন কোথাও? কোনদিনও কি তিনি নিজেকে খলীফাতুল মুসলিমিন বলে দাবী করেছেন? তাঁর সেই ঐতিহাসিক এগারো দফা কিংবা ছয় দফার কোথাও কি খেলাফত প্রতিষ্ঠার বিন্দুমাত্র আভাসও ছিল?
স্বাধীনতার পরে ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তে বাংলাদেশের অবস্থা সংগীন হয়ে ওঠে। এর পেছনে মরহুম শেখ মুজিবের প্রশাসন ও তাঁর সরকার, এবং দলের সাথে সম্পৃক্ত লোকজনের দূর্ণীতি ছিল, সেটা বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম একটা জঘন্যতম অধ্যায়। মরহুম শেখ মুজিব ক্ষোভ আর আক্রোশ এ নিজের মুখে বলতে বাধ্য হয়েছিলেন ‘সাড়ে সাত কোটি বাংগালীর আমিও একজন, আমার কম্বলখানা কই?’ তিনি বলতে বাধ্য হয়েছিলেন ‘সবাই পায় সোনার খনী, আর আমি পেয়েছি চোরের খনী’। চোর এর খনী নিয়ে কেউ কি কোন দিন খলীফাতুল মুসলিমিন হতে পারেন?
চাটুকার হায়দার আলী খাঁন এর ভাষ্যমতে ‘মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বশুন্য অসহায় দরিদ্র মুসলমান তথা সারা বিশ্বের ক্ষুধার্ত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য বঙ্গবন্ধুর আপসহীন লড়াইয়ের কারণে বঙ্গবন্ধু সারা বিশ্বের মুসলমানদের একমাত্র অভিভাবক ছিলেন।’
অথচ সেই শেখ মুজিবের আমলেই ’৭৪ এর ভয়ংকর দুর্ভিক্ষে লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা গেছে। রাস্তায় রাস্তায় অভূক্ত মানুষের লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ক্ষুধার জ্বালায় গর্ভধারীণি মা তার শিশুকে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছেন, কিংবা শিশু সহ যমুনায় লাফ দিয়ে আত্বহত্যা করেছেন। এটা ছিল নিত্য চিত্র।
আজ সাড়ে ষোল কোটি জনসংখ্যা নিয়ে যে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে ‘মধ্যম সারীর দেশ’ হিসেবে পরিচিত, সেদিন এই বাংলাদেশই এর মাত্র ৪৮ ভাগ বা তার কাছাকাছি, প্রায় সাড়ে সাত কোটি লোকসংখ্যা নিয়ে বিশ্বের বুকে ‘বটমলেস বাস্কেট’ হিসেবে পরিচিত হয়ে পড়েছিল। সেদিনকার শ্লোগানটি কিন্তু ছিল ‘জয়বাংলা’।
এই ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান সেদিন না বাংলাদেশকে ‘বটমলেস বাস্কেট’ হওয়া থেকে বাাঁচাতে পেরেছে, আর না পেরেছে লক্ষ লক্ষ বনী আদমকে ক্ষুধার জ্বালায় জ্বলে জ্বলে মৃত্যুর হাত থেকে নি®কৃতি দিতে। ‘জয়বাংলা’ মুখে জপেও সেদিন জাসদ এর তিরিশ হাজার যুবককে প্রান দিতে হয়েছে। ‘জয়বাংলা’র ফজিলত এ তাদের জান, মাল এর নিরাপত্তা জোটেনি।
যাঁকে আজ ‘খলীফাতুল মুসলিমিন’ বা ‘সারা বিশ্বের মুসলমানদের একমাত্র অভিভাবক’ বলে চালিয়ে দেবার অপচেষ্টা করা হচ্ছে, সেই তাঁর জীবদ্দশায় বিশ্বের কোন মুসলিম রাষ্ট্রই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। কোন মুসলিম রাষ্ট্রের নেতাই মরহুম শেখ মুজিবকে সারা বিশ্ব মুসলিম স¤প্রদায়ের নেতা তো দুরের কথা, এমনকি সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের প্রায় সাত কোটি মুসলমানের নেতা বলেও মেনে নেননি! তারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছেন মরহুম শেখ মুজিব নিহত হবার পরেই!
শেখ মুজিব নিজে যে দাবী কোন দিন করেননি, সেরকম কোন অভিপ্রায়ও প্রকাশ করেননি কোনদিন, সেই তাঁকেই আজ দু’চার বান্ডিল নগদ নারায়ন লাভ, প্রচারপ্রাপ্তি, ভক্তি আর অন্ধ আনুগত্যের মোহে পড়ে ‘খলীফাতুল মুসলিমিন’ বলে চালিয়ে দেবার চেষ্টা করে পুরো মুসলিম বিশ্বের সামনে মরহুম বঙ্গবন্ধুকে হেয় করা হচ্ছে, তাঁকে হাঁসির পাত্র করে তোলা হচ্ছে।
তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মিসেস ইন্দিার গান্ধী কর্তৃক প্রথমে অনুরোধ এবং পরে পরোক্ষ হুমকিকে উপেক্ষা করেও ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবার সিদ্ধান্ত নেওয়া, এবং ভারতীয় রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেও মুসলিম দেশ সমুহের সাথে সম্পোর্কন্নয়নে অগ্রসর হতে যাবার মধ্য দিয়ে প্রচন্ড আত্বসম্মানবোধ সম্পন্ন যে মরহুম শেখ মুজিব এর পরিচয় আমরা পাই, সেই শেখ মুজিব যদি বেঁচে থাকতেন আজ, তা হলে আমারতো মনে হয়, তিনি সিরাজ শিকদার এর মত এই চাটুকার হায়দার আলী খান এর একটা ‘ব্যবস্থা’ করার পরে জাতিয় সংসদে দাঁড়িয়ে তাঁর সেই বজ্রকন্ঠে আবারও আওয়াজ তুলতেন ‘কোথায় সেই হায়দার আলী খাঁন?’ বলে।
আসলে ‘বঙ্গবন্ধ’ু বঙ্গবন্ধুই ছিলেন। তিনি রাজনীতিবিদ ছিলেন, একটি দেশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীও ছিলেন। ছিলেন দোষে গুনে মানুষ। তাঁর সফলতা যেমন ছিল, তেমনি ছিল ব্যর্থতাও। তিনি এইসব নিয়েই বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্দ্য অংশ হয়ে আছেন, থাকবেনও।
আজ বঙ্গবন্ধু বেঁচে নেই। কিন্তু তাঁর ঐতিহাসিক অবস্থান নিয়ে এই যে হঠকারিতা, বালখিল্যতা, নোংরামি, তাঁর নাম বেচে খাবার প্রবনতা শুরু হয়েছে, তাঁকে হেয় করার, উপহাসের পাত্র করার যে প্রবনতা চলছে, তা রোধ এ তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনা পরিচালিত সরকার কি ব্যবস্থা নেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়। দেশবাসী সে অপেক্ষাতেই আছে।



২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×