somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও প্রসঙ্গ কথা

০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে তা মাঝপথে ভোল পাল্টেছে। টার্গেট একই থাকলেও পাল্টে গেছে মূল অভিযোগটাই। এখন আর যুদ্ধাপরাধের বিচার হচ্ছেনা। হচ্ছে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ এর বিচার। এই স্বল্প পরিসরে এত বিরাট ও বিতর্কিত বিষয়টা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাবেনা, তা সত্য। কিন্তু প্রাসংগিক কিছু কথাতো তুলে ধরা হবে, সেই আশাতেই কিছু লিখতে বসা।
সরকার বলে চলেছেন এই বিচারের পেছনে তাদের কোন রাজনৈতিক অভিসন্ধি নেই। কি জানি, তবে সরকারের দ্বায়িত্বশীলদের বক্তব্য, বিবৃতিতে কিন্তু ভিন্ন কথা বোঝা যায়। সাজেদা বিবি, মতিয়া চৌধুরী, হানিফ’সহ কেন্দ্রীয় নেতা-নেত্রীরাতো হর হামেশাই বলে চলেছেন, এবারে নাকি যুদ্ধাপরাধীরা আর ফাঁসির দড়ী এড়াতে পারবেন না!
তারা উল্লসিত এজন্য যে, জামাআত এর নেতারা ঠিকই যুদ্ধাপরাধী হিসেবে প্রমানিত হবে, আর তাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আওয়ামি লীগ তাদের রাজনীতির পথকে কন্টকমুক্ত করবে। আগামি ইলেকশনে আর তাদের কে ঠেকায়?
ভারতের দাদারা এই কাজে সরকারকে নানা ভাবে ইন্ধন, বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়ে চলেছেন, যেন জামাআত এর রাজনীতিকে সরকার বন্ধ করে দিতে পারে। তা হলেই এই দেশটাকে তারা সিকিম বানাতে সফল হতে পারবে। এমনটাই তাদের আশাবাদ।
আমাদের আঈন মন্ত্রী মহোদয় ক্ষমতারোহনের পর থেকেই বলে আসছেন, তাঁরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবেন। একথা বলতে বলতে তিনি ও তাঁর সরকার মুখে ফেনা তুলেছেন। ক’দিন আগে তিনি বিশেষ কাজে(!) আমেরিকা গেলেন, অত্যন্ত তড়ি ঘড়ি করে! আর ফিরে এসেই তাঁর কথা বার্তার সূর পাল্টালেন!
বলা শুরু করলেন, না, যুদ্ধাপরাধীদের নয় বরং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকারীদের তাঁরা বিচার করবেন। অবশ্য যুদ্ধাপরাধী বলুন, আার মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকারীই বলুন, বোঝোতে তিনি চেয়েছেন সেই একই গোষ্ঠিকে। কাদেরকে বোঝাতে চেয়েছেন ভিন্ন অভিধায়? তা বুঝতে দেশবাসীর কোন অসুবিধা হয়নি। অবশ্য তিনি ও তাঁর সরকার তা গোপনও করেননি।
প্রশ্ন হলো, সারা বৎসর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে চেয়ে হঠাৎ করে এমন কি হলো যে, মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় একেবারে তা বেমালুম চেপেই গেলেন না কেবল, বরং বলা শুরু করলেন, ‘না, যুদ্ধপরাধী নয়, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনে জড়িতদের বিচার করবেন’? উত্তরটা জানা দরকার বটে!
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইবুনাল) এ্যক্ট ১৯৭৩ মোতাবেক ১৯৫ জন পাকিস্থানি যুদ্ধাপরাধী সনাক্ত করা হয়। ১৯৭৪ সালের ৯ই এপ্রিল ভারত বাংলাদেশ ও পাকিস্থান, ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে এইসব যুদ্ধপরাধীদের মুক্তি দিয়ে বিনা বিচারেই পাকিস্থানে ফেরত পাঠানো হয়। ঐ চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে তৎকালীন পরারাষ্ট্রমন্ত্রী, আজকের বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সবচেয়ে উচ্চ কন্ঠ, ড: কামাল, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শোয়ারণ সিং ও পাকিস্থানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজিজ আহমেদ স্বাক্ষর করেন। এভাবেই তিন দেশের যৌথ সম্মতিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি মিমাংসা হয়।
কেবল মিমাংসা করেই ক্ষান্ত থাকেননি বঙ্গবন্ধু। তিনি পাকিস্থানের সাথে সম্পোর্কোন্নয়নেরও উদ্যোগ নেন। লাহোর এ ও আই সি শীর্ষ সম্মেলনে গিয়ে ভুট্টোর সাথে তাঁর বৈঠক হয়েছিল। ড: কামাল হোসেনও গিয়েছিলেন তাঁর শ্বশুরের দেশে! বঙ্গবন্ধুর সফরসঙ্গী হয়ে। তিনিও সেই বৈঠকের সাক্ষী ছিলেন। কি কথা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে? অনেক কথাই শোনা যায়। যদিও কোন দলীল আমাদের কাছে নেই। তখন কিছু কথা বিভিন্ন মহল থেকে বলা হচ্ছিল, সেগুলো আবার নতুন করে না বলাই ভালো।
তবে একটা কথা বলতেই হয়। ঐ সফরের পর থেকেই বঙ্গবন্ধুর সাথে ভারতের সম্পর্ক খারাপের দিকে যেতে থাকে দ্রুত। ভারত তাঁর কার্যকলাপ নিয়ে সন্দীহান হয়ে পড়ে। দিল্লীর সাউথ ব্লক তখন ভিন্ন প্লট আঁকতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তা নিয়ে এ নিবন্ধে কিছু লিখবনা। বরং যা বলছিলাম, সেটাই বলি।
ঐ সময়ে বঙ্গবন্ধু পাকিস্থানের ব্যাপারে কি ভাবছিলেন? যুদ্ধবন্দীদের বিচারের পাঠতো তিনি আগেই মিটিয়ে ফেলেছেন ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে। এবারে তিনি পাকিস্থান ও বাংলাদেশ, এই দুই পক্ষ নিয়ে কি ভাবছিলেন? তার একটা চিত্র পাওয়া যায় প্রখ্যাত ভারতীয় সাংবাদিক কুলদীপ নায়ারকে দেয়া তাঁর একটা সাক্ষাৎকার থেকে। কুলদীপ নায়ারের নিজের ভাঁষায় দেখুন;

The Shaikh, who gave me an hour interview, was quiet indulgent towards Pakistanis, particularly President Bhutto. This was in sharp contrast to his observations during an interview with me in the middle of 1972......

"I am impressed by Bhutto's sincerity", the Shaikh said this time. "I am overwhelmed by the love and affection shown by the people of Pakistan. Thousands of them lined the route from the airport to the venue of the Islamic summit. They called me by my name Mujib. They- boys and girls also- lustily cheered me when they saw familiar kurta-pyjama clad figure among them.
When I interrupted him to remind him of the atrocities and destruction that Pakistan had committed in Bangladesh and the instances which he had cited last time, he said "I want to forget all those. I want my people to forget those. We have to start afresh." after a pause he added: "You know that people's memory is short."
Again, reverting to Mr. Bhutto, he said, " I want to help him. He is an old friend."
( myÎ: Shaikh Mujib willing to help India and Pakistan resolve their differences and live as neighbours, Kuldip Nayar, Pg 10, The Times, Thursday, February 28, 1974.)

সেই মিমাংসিত বিষয়টি নিয়েই আবারও তাঁরা পড়েছেন। বিচার করবেন! ফাঁসিতে লটকাবেন! সমূলে ধংস করবেন! আরও কত কি! কিন্তু বিচারের খায়েশটি আমেরিকার মাটিতে এক সফরেই মিটে গেল? হা, হা, স্বাধীন সরকারই বটে! প্রাজ্ঞ, আর ঝানু কুটনীতিবিদই বটে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী! অথচ তিনি একটু চেষ্টা করলেই ১৯৫ জন পাকিস্থানী যুদ্ধবন্দীর বিচার না হবার আসল কারণটা জানতে পারতেন!
যাদের কারণে বিচারটা করা যায়নি, তারা দুইটি পক্ষ। একদিকে আমেরিকা, পাকিস্থান। অন্যদিকে ভারত। স্নায়ুযুদ্ধকালীন সোভিয়েত বলয়ের ভারত, পরাশক্তি আমেরিকা থেকে বাড়তী কুটনৈতিক সুবিধা আদায় ও সম্পোর্কোন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের স্বার্থকে নির্দ্ধিধায় বিসর্জন দেয়। প্রমান চান? দিচ্ছি। ঐ সময়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরী কিসিঞ্জার অতি গোপনে পাকিস্থানে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে ভুট্টোকে একটা চিঠি পাঠান, সেই চিঠিরই খানিকটা তুলে দিলাম, দেখুন;

Washington, August 22, 1973.
Message to Prime Minister Bhutto from Dr. Kissinger
As you know, we have been using our influence with India in order to bring a humane and just solution to the recent war. While we are not familiar with all the details of the current negotiations, we have been reliably told that the following scheme might be acceptable:
— India is prepared to release all Pakistani prisoners presently being detained except for the 195 which Bangladesh wishes held for war crimes trials.
— Bangladesh would release 260,000 non-Bengalis for resettlement in Pakistan, in exchange for 250,000 Bengalis from Pakistan, including the 203 Bengalis presently being held by Pakistan for treasonable activities.
— If Pakistan were to accept this offer, India would continue to hold the 195 in detention in India pending agreement between Pakistan and Bangladesh on recognition and on their disposition. Thus obviously they could not be turned over to Bangladesh without Pakistan's concurrence.
It is our strong impression that India would not turn over the 195 prisoners to Bangladesh. Indeed, they anticipate that this two-stage process would lead to an early release of the 195 to Pakistan in the context of a negotiation on recognition.
I have made it very clear that if Pakistan were to accept this offer and the 195 prisoners were subsequently put on trial anyway, it would have the most serious effect on relations between the United States and India.


উক্ত চিঠিতে সুষ্পষ্ট যে, আমেরিকা এবং ভারত যৌথভাবে পাকিস্থানী যুদ্ধবন্দীদের নিয়ে নিজেদের কুটনৈতিক স্বার্থে রাজনীতি করেছে। আমেরিকা যুদ্ধবন্দীদের বিচার না করতে ভারতকে পরোক্ষভাবে হুমকিও দিয়েছিল। মাত্র ক’দিন আগে আমেরিকা সফর শেষে আমাদের জাঁদরেল পররাষ্ট্রমন্ত্রী সূর পাল্টালেন কেন? কারণটা পাঠক নিশ্চয় পরিষ্কার বুঝতে পারছেন এখন!
যাহোক, পাকিস্থানী আমির্দের বিচার করতে না পারলেও বাংলাদেশ সরকারের কোন অসুবিধা ছিলনা পাকিস্থান আর্মি’কে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সহায়তাকারী এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের বিচার করতে। তাই সরকার সেসময় ‘কোলাবোরেশন এ্যক্ট ১৯৭২’ নামে আঈন পাশ করেন। যার আওতায় লক্ষাধিক বাংলাদেশীকে গ্রেফতার করা হয়, মুক্তিযুুদ্ধকালে পাকিস্থানী আর্মিদের সহায়তা করা ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করার অভিযোগে।
এদের দুই তৃতিয়াংশই, প্রাথমিক তদন্তে ছাড়া পায়। ৩৭৫৭ জনের বিচার হয়। বিচারে তথ্য, সাক্ষ্য, প্রমান উপস্থাপন সাপেক্ষে ৭৫২ জনের বিরুদ্ধে দোষ প্রমানিত হলে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়। মজার ব্যপার হলো, তাদের মধ্যে জামাআত এর একজনও ছিল না!
প্রকৃত যুদ্ধপরাধী যে ১৯৫ জন পাকিস্থানি আর্মি অফিসার ভারতের কাছে বন্দী ছিল, ভারতই তাদের আশ্রয় দিয়েছিল। আর আমেরিকার চাপে ও পরামর্শে, ভারতের সহায়তায়, এবং স্বয়ং আওয়ামি লীগ সরকার, বিশেষ করে, তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড: কামাল এর কুটনৈতিক পদক্ষেপের কারণেই শেখ মুজিব সেই ১৯৫ জন আর্মি অফিসারকে ছেড়ে দেন! ভারত, পাকিস্থান, আর বাংলাদেশ ত্রিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে।
এখানে যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয়, প্রশ্রয়দাতা হিসেবে আমরা দেখতে পাই স্বয়ং আওয়ামি লীগকেই। ভারত সরাসরি আশ্রয় দাতা। আর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিসিঞ্জার, তথা মার্কিন সরকার থেকে শুরু করে ভারত সরকারসহ, তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারই স্বয়ং তাদের প্রশ্রয়দাতা।
বর্তমান সরকার কি এইসব আশ্রয়, প্রশ্রয়দাতাদের বিচার করবেন? করতে পারবেন? এতবড় বুকের পাটা কি তাদের আছে? তারা কি একটাবারের মত হলেও এই বিচারের কথা মুখে আনতে পারবেন? এর জবাবও আগামিতে আমার কোন নিবন্ধেই লিখব, ইনশাআল্লাহ।






৯টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×