বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে জানা যায় যে বাংলাদেশ সরকার কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বন্ধ করে দিতে চান। তারা ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠাকালীন আঈনটি সংশোধন করেছেন, তাদের কুটিল উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে।
বয়স্ক পাঠকের হয়ত মনে আছে, এই আওয়ামি লীগ সরকারই স্বাধীনতার পর পরই কবি নজরুল ইসলাম কলেজ এর নামকরণ থেকে ‘ইসলাম’ শব্দটি কেটে কেবল ‘কবি নজরুল কলেজ’ করেছিলেন। যেখানেই ইসলাম, সেখানেই এই সরকারের গাত্রদাহ। তার উপরে এবারে এই সরকার এর সাথে রয়েছে বাম, রাম’রা। তথাকথিত মহাজোট এর শরীক। তাদের চাপে, আর ওপারের রাম’দের চাপে সরকার এমন পদক্ষপ নেবে সেটা স্বাভাবিক।
বরং বর্তমান সরকারের কাছে এটা অপ্রত্যাশিত ছিল না। ছিল না কারণ, ইসলাম এর সাথে আওয়ামি লীগ এর যে বৈরীতা, তা সবারই জানা। তবে দেশের সাধারণ মানুষকে এই দলটি ভোট এর রাজনীতির কথা মনে রেখে বার বার ইসলাম এর নাম করেই ফাঁকি দেয়।
আর তা তাদের দরকারও বটে। ভোট পাবার কারণেই তা দরকার। ফলে তাকে অর্থাৎ এই দলটিকে ইসলাম এর দরদী সাজতেই হয়। কখনও কখনও সে কারণেই তারা ইসলাম এর খেদমত করেন আর তা ফলাও করে প্রকাশ করেন, প্রচারও করেন। এই গরজেই তারা ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ একেবারে কাদ্বিয়ানি ধাঁচ এর এক দালালকে ধরে এনে নিয়োগ দেন! ইসলাম এর শ্বাশত শিক্ষার প্রতি সাংঘর্ষিক শিক্ষা আর আদর্শ প্রচারে বাজেট বরাদ্দ করেন। আর ফলাও করে প্রকাশও করেন যে, তারা ইসলামিক ফাউন্ডেশনে বরাদ্দ বাড়িয়েছেন, তারা কত বড় ইসলামের খেদমতগার!
বরাদ্দ তারা ঠিকই বাড়িয়েছেন, তবে তা ইসলাম এর বিস্তার এর জন্য নয়। বরং বাংলাদেশের মাটিতে ইসলাম এর সাথে সাংঘর্ষিক দর্শনকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য! তার প্রসার করার জন্য! এতে যে ইসলাম এর লাভ নয় বরং উল্টো ক্ষতিই হবে, সেই সহজ কথাটা বোঝার ক্ষমতাইবা আমাদের দেশে ক’জন সাধারণ মানুষের আছে? এই ভাবেই সাধারণ মানুষকে ফাঁকি দিয়ে দলটি ইসলাম এর ধ্বজাধ্বারী সাজতে চায় তারা।
যাহোক, এমনিতেই ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়কে তার জন্মলগ্ন থেকে বিভিন্ন কায়দা কানুন করে প্রায় সেকুল্যার বানিয়ে ফেলা হয়েছে। এর পরিবেশ আর ‘ইসলামি’ নেই। এখানে রাস্তার মোড়ে মোড়ে মূর্তি বানিয়ে রাখা হয়েছে। ইসলামি আদর্শ আর শিক্ষাকে ধারণ করে যে সব কর্মকর্তা, কর্মচারী চলার চেষ্টা করেছেন, ব্যক্তি জীবনে যে সব কর্মকর্তা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘ইসলামি’ রাখার চেষ্টা করেছেন আন্তরিকভাবে, সেই তাদের এক এক করে বদলী করা হয়েছে, না হলে বিভিন্ন অজুহাতে চাকুরীচ্যুত করা হয়েছে।
আর উল্টোদিকে প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে বেছে বেছে এমন সব লোককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বা বদলী করে আনা হয়েছে, যাদের নিজেদের ব্যক্তি জীবনে কিংবা আচার আচরণে ইসলাম এর কোন নাম গন্ধও নেই! এই যাদের অবস্থা, তারা আবার নিজেদের কর্মস্থলকে কিভাবে ইসলামি ভাবধারায় পরিচালিত করবেন?
এসবই করা হয়েছে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে ‘ইসলাম’ ও ‘ইসলামিক পরিচিতি’ থেকে ক্রমে ক্রমে দূরে সরিয়ে আনার জন্য। আর দু:খজনক যে, প্রশাসনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা ইসলাম বিদ্বেষী কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সব রকম আশ্রয়, প্রশ্রয় ও প্রেরণা জুগিয়েছেন সরকার নিজেই।
এ ধারারই চুড়ান্ত স্তরে এসে সরকার এবার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একবারে বন্ধ করে দেবার পাঁয়তারা করছেন। সূধী পাঠকের মনে থাকার কথা যে, ক’দিন আগে রবীন্দ্রনাথের জন্মজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন ‘রবীন্দ্রনাথের স্মৃতীবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ অথবা সিরাজগঞ্জ এর শাহজাদপুর এ একটি রবীন্দ্রবিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে’। এর পরে থেকেই এক শ্রেনীর ইসলাম বিদ্বেষী আমলা, আর ভীন দেশের অর্থে পোষা রাজনৈতিক, সুশীল কামলা মিলে কি করে কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে উৎখাত করা যায়, সে ধান্দায় নেমেছেন।
এখানে তাদের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য যুক্তি হচ্ছে কয়েকটা। তার মধ্যে অন্যতম হলো, যেহেতু শিলাইদহতে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার মত পর্যাপ্ত জায়গা নেই, সেহেতু সেটি অন্য কোথাও প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
এই ‘অন্য কোথাও’ বিবেচনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে অগ্রগণ্য জায়গা হলো কুষ্টিয়া। কারণ কুষ্টিয়ার সাথে কবি রবীন্দ্রনাথ এর প্রত্যক্ষ স্মৃতী জড়িয়ে আছে। এখানেই তার জমিদারী, কাচারী বাড়ী ছিল। এখানেই তিনি জীবনের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ কাটিয়েছেন, কাজেই কুষ্টিয়াতেই বিশ্ববিদ্যালয়টি হতে হবে।
যেহেতু একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অনেক টাকা ও সময়ের ব্যাপার জড়িত সেহেতু, কুষ্টিয়া ঝিনাইদহ’র সীমান্তে প্রতিষ্ঠিত কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়’র এর বিশাল অবকাঠামোকে ব্যবহার করে সেখানেই প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়টি। তবে সেটি হতে হবে পর্যায়ক্রমে ধীরে ধীরে, কেননা মানুষের আবেগ আর অনূভূতির কথা তাদের ভাবতে হচ্ছে!
এর জন্য প্রয়োজন হবে বর্তমানে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া হতে সরিয়ে নেয়া। এর চলমান কার্যক্রমকে অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্গিভূত করা। এ কাজটিও হচ্ছে। ইতিমধ্যে তার প্রাথমিক কাজও শুরু হয়েছে।
সবচেয়ে বড় যে কাজটি, সেটা হলো ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া, যে নির্বাহি আদেশ ও আঈন এ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ১৯৮০ সালের সেই মৌলিক নির্বাহি আদেশটিতেই সংশোধনী আনা। ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে অন্য কোথায়ও সরিয়ে নেবার পথে আঈনগত বাধাটি দূর করা। ফলে সেই বাধাটিও অপসারিত হয়েছে এই সরকার কর্তৃক বিগত মার্চ মাসে। ১৯৮০ সালের ৩৭ নং আঈনের ধারায় ‘শান্তিডাঙ্গা-দুলালপুর এ একটি শিক্ষাদান’ শব্দগুলোর পরিবর্তে সংশোধনীর মাধ্যমে বসানো হয়েছে ‘মান সম্মত শিক্ষাদান এবং ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসগুলোর অধিভূক্তকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্বপালনের উদ্দেশ্যে’ শব্দগুলো।
এর মাধ্যমে যে কাজটি হলো তা এই যে, এখন সরকার যদি কোন কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে দেশের অন্য কোথাও সরিয়ে নিতে চায়, তবে সেটা বেআঈনী হবেনা। সরকারের স্বিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোন আদালতের শরণাপন্ন যদি কেউ হন, তবে এই আঈনের বদৌলতে সরকার উক্ত বিবাদে জিতে আসতে পারবেন।
এখন রইল উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলাম বিষয়ক যে পাঠ্য কার্যক্রম চলছে, তার কি হবে? সেটা কি বন্ধ হয়ে যাবে? জনগণের এই প্রশ্নের উত্তরের ব্যবস্থাও ইতিমধ্যেই সরকার করে রেখেছে। আর সেটা হলো, দেশে একটি আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে, আর সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশের সকল মাদ্রাসাকে নিয়ে আসা হবে। ব্যাস, সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেল! জনগণের আর কোন যুক্তি রইল বিরোধিতার করার?
এর পরেও কেউ যদি বেহায়ার মত প্রশ্ন তোলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি কোন ক্ষতি করছিল দেশ আর সরকারের, যে তাকে এখান থেকে সরাতেই হবে? এর উত্তরও ইতিমধ্যে সরকার দেয়া শুরু করেছেন। এটাকে অনেকটা ‘প্রি-এম্পটিভ মেজার’ বলতে পারেন।
কিছুদিন আগে, গত মাসের বারো তারিখে ইউজিসি’র চেয়ারম্যান ড: নজরুল ইসলাম একটি অনুষ্ঠান উপলক্ষে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। এখানে তিনি শিক্ষক ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করার সময় বলেন ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসাগুলো থাকায় শিক্ষাকার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। নতুন শিক্ষানীতিতে একটি স্বতন্ত্র আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবনা রয়েছে। মাদ্রাসগুলো ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিয়ে যাওয়া হবে। সে প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে চলছে।’
আচ্ছা, মাদ্রাসাগুলো যদি সেই নতুন আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তা হলে কুষ্টিযার এই বিশ্ববিদ্যালয়টির আর কি কাজ বাঁকি রইল? সে প্রশ্নের উত্তর কিন্তু তিনি দেননি। তবে তিনি একটা ইশারা দিয়েছেন। তিনি উক্ত সভায় আরও বলেছেন ‘প্রধানমন্ত্রী কিছুদিন আগে শিলাইদহতে শান্তিনিকেতন এর আদলে একটি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় করার ঘোষণা দিয়েছেন, আমি শিলাইদহতে গিয়েছি। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় করার মত পর্যাপ্ত জমি ও অবকাঠামো নেই। শিলাইদহের পরিবর্তে সিরাজগঞ্জ এ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় করা যায় কিনা আমরা তা পর্যালোচনা করে দেখছি।’
একজন দক্ষ কুটনীতিকের মত করে অত্যন্ত কুশলী কথা বার্তা! পাবলিক সেন্টিমেন্ট বোঝার, ও তাকে নিজেদের কার্যক্রমের পক্ষে আনার এক সুক্ষ প্রয়াসই বটে! আচ্ছা, সিরাজগঞ্জ এর শাহজাদপুরেও যদি তেমন কোন জায়গা ও অবকাঠামো না থাকে, তখন কি হবে? (আসলেই সেটা নেই। প্রতি বৎসর বন্যা আর ভাঙ্গনের বিরাট ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা শাহজাদপুর, একটা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার মত ভৌতিক অবকাঠামো সেখানে অত্যন্ত দুরুহ ও বহুগুণ বেশী ব্যয় সাপেক্ষ হবে, এটা সবাই জানেন)
আর ওদিকে জাতির সামনে প্রধামন্ত্রীতো শিলাইদহতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন, সেটা আবার সিরাজগঞ্জ এ যাবে কেন? যাবে এই জন্য যে, শিলাইদহতে পর্যাপ্ত জায়গা নেই। শিলাইদহতে জায়গা নেই তো কি? কুষ্টিয়াতে কি অন্য কোথাও জায়গা নেই?
আছেই তো, কুষ্টিয়ার শান্তিডাঙ্গা-দুলালপূর এ ভূতপূর্ব(!) বিশ্ববিদ্যালয় এর অবকাঠামো, ভবন, যোগাযোগ ব্যবস্থা সবই তো তৈরীই আছে, সেখানে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে তেমন কোন খরচই নেই। কেবল মাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আদলে সাইনবোর্ড বদলে দিয়ে কিছু রবীন্দ্রভক্ত শিক্ষককে বসিয়ে দেয়া, তা হলেই হয়ে গেল! প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর আমলা উপদেষ্টারা এমনটাই বোঝাবেন।
আর আমাদের প্রধানমন্ত্রীও দেশের অর্থ বাঁচাতে(?) দেশের স্বাার্থেই সেটা করে ছাড়বেন। তিনি আবেগমাখা কন্ঠে ঘোষণা দেবেন জাতির সামনে, দেশের স্বার্থে জান দিয়ে হলেও তিনি এটা করেই ছাড়বেন! দেশের জন্য যেটা মঙ্গলজনক, যেটাতে দেশের অর্থ ও স্বার্থ বাঁচে সেটা কি না করে তিনি থাকতে পারেন। চামচাদের হাততালির ধুম পড়ে যাবে।
তবে একটা কথা। বিগত ত্রিশ বৎসর ধরে কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্বদ্যিালয় এলাকায় আর্থ-সামাজিক, আদর্শিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিবেশ তৈরীতে যে বিশাল অবদান রেখে চলেছে তার কি হবে? সেটা অবশ্য এ সরকারের ভাবনার বিষয় নয়।
নয়, কারণটা বলেছি নিবন্ধের একেবারে শুরুতে। এই সরকার ইসলাম বিরোধি। এই সরকার সেই ইসলাম চায়, যে ইসলাম মরহুম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ‘খলীফাতুল মুসলিমিন’ হিসেবে স্বীকার ও ঘোষণা করতে পারে। এই সরকার সেই ইসলাম চায়, যে ইসলাম জনগণকে সকল অন্যায়, অবিচার আর জুলুম নীরবে মূখ বুঁজে সহ্য করতে শেখায়, শেখায় রামাদর্শের দাসত্ব কবুল করতে! যে ইসলাম রবীন্দ্র চর্চাকে ‘ঈবাদত’ গণ্য করতে শেখায়!
যে ইসলাম একজন মুসলমানকে সকল শোষণের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে, সকল জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে প্রেরণা দেয়, যেমনটা দিয়ে এসেছে যুগ যুগ ধরে, সরকারর সেই ইসলাম এর বিরোধি। যে ইসলাম কেবলমাত্র ইসলামের চার খলিফাকেই ‘খলিফাতুল মুসলিমিন’ বলে মানতে বলে সেই ইসলাম, যে ইসলাম জনগণকে নিজেদের আদর্শ আর শিক্ষাকে সম্বল করে বুক ফুলিয়ে আত্মমর্যাদার সাথে বাঁচতে শেখায়, যে ইসলাম মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ সা: এ উপস্থাপন করে গেছেন, মানতে ও অনুসরণ করতে বলে গেছেন, এই সরকার সেই ইসলামের বিরোধি।
আর সেকারণেই অত্যন্ত স্বল্প পরিসরে হলেও বর্তমান কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় যেটি সকল সীমাবদ্ধতা সত্তেও দেশবাসীর কাছে, বিশেষ করে অত্র অঞ্চলে যেটুকু প্রকৃত ইসলামী জ্ঞান তুলে ধরার চেষ্টা করে যাচ্ছে, সেটিকে উৎখাত করতে হবে! আর সেখানেই প্রতিষ্ঠা করতে হবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়। তা না হলে কি করে রবীন্দ্র চর্চাকে ‘ঈবাদাত’ এর মর্যাদায় বসানো যাবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



