somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কে তিনি? কি তাঁর পরিচয়? ( প্রথম পর্ব )

১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :







বাংলাদেশে ক’দিন আগে এক মেহমান এসেছিলেন। এসেছিলেন নিজ দেশে, কিন্তু খুবই গোপনে এবং সন্তর্পনে। মেজবান কয়েকজন ছাড়া প্রায় কেউই জানতেও পারেনি বললেও চলে। তিনি হাঁসলেই যেখানে মিডিয়া কভারেজ পান, হন পত্রিকার প্রথম পাতায় শিরোনাম, সেই তিনি এলেন, কিন্তু কোন পত্রিকায় তার আগমন বার্তা ঘোষণা করা হলোনা! দেশে থাকলেন ক’টা দিন, আবার চলেও গেলেন, কিন্তু কেউ তা জানলনা। বিশেষ করে কোন মিডিয়া সেটা জানল না। এমনকি সরকারেরও মাত্র দু’একজন ছাড়া আর সকলেই রইলেন অন্ধকারে! এটা আসলেই এক বড় বিষ্ময়কর ব্যাপারই বটে!
বর্তমান পেক্ষাপটে দেশের অত্যন্ত প্রভাবশালী এ্ তরুণ তার বর্তমান আবাসস্থল থেকে নিজ দেশে এসেছিলেন পার্শ্ববর্তি একটা দেশ হয়ে। সেখানে তিনি তার মুরুব্বীদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ, মোরাকাবা, মোলাকাত ও বাতচিত শেষে (না, দিক নির্দেশনা গ্রহন শেষে!) বাংলাদেশে এসেছিলেন খুবই জরুরী ভিত্তিতে! তবে তাঁকে আসতে হয়েছে ছদ্মবেশে। একজন শীখ যুবকের ছদ্মবেশ ধরতে হয়েছিল তাঁকে। ঢাকার বিমান বন্দরে নামার আগে বিমানের মধ্যেই তিনি ছদ্ববেশ ধারণ করেন। নিজের বেশ ভূষা, পোষাক, চেহারা মোবারক পরিবর্তন করেন। সকল যাত্রীকে বসিয়ে রেখেই তাঁকে বিমানের একেবারে দোর গোড়া থেকে একটা বিশেষ গাড়ী এসে তুলে নিয়ে ঝড়ের গতীতে উধাও হয়ে যায়। প্রশ্ন হলো কে তিনি?
এ প্রশ্নের উত্তরটা এখন দেবনা। পরে সময়মত তা সূধী পাঠকের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা যাবে ইনশাআল্লাহ। তবে যে কথাটা বলার জন্য এই প্রসঙ্গের অবতারণা করলাম, সেটা হলো, এই মেহমান ছদ্মবেশ ধরে নিজ দেশ থেকে বেড়িয়ে যাবার মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই দেশের রাজনীতিতে বড় ধরনের সংঘাতময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তার সফরের পরপরই সরকার জামাতের কেন্দ্রীয় নেতাদের ধরে গারদখানায় ভরেছেন।
নেতাদের ধরেছিলেন অবশ্য ধর্মীয় অনূভূতিতে আঘাত করার অপরাধে। কিন্তু সেসব বাদ দিয়ে এখন তাদের এক এক করে জড়াচ্ছেন বিভিন্ন সব হাস্যকর মামলায়। দশট্রাক অস্ত্র পাচার মামলায় তৎকালীন সরকারের প্রতিরক্ষা সচীব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ধারে কাছেও না গিয়ে ধরেছেন নিজামি সাহেবকে, যিনি ছিলেন শিল্প মন্ত্রনালয়ের দয়িত্বে।
এর পরে এক এক করে হিজবুত তাহরীর এর সাথে কি সম্পর্ক ? বা তাদের জঙ্গী কানেকশন খুঁজে দেখা হচ্ছে! ড: হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার সাথে সম্পৃক্ততাও খুঁজে দেখা হচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক নামক ছাত্রের সেই দু:খজনক হত্যাকান্ড মামলা, ঢাকার ট্রাফিক জ্যামে পড়ে রাষ্ট্রপতির গাড়ী বাধাগ্রস্থ হয়েছিল, সেই মামলা, তারপরে হরতালে গাড়ি ভাঁং-চূর এর নির্দেশ দান, আরও কত কি !
অথচ সরকার যদি সত্যিকার অর্থেই দেশে জঙ্গী কানেকশনের উৎস জানতে আন্তরিক হতেন, তা হলে তো তারা হানা দিতেন শাহরীয়ার কবির, বোমা হাসান, আওয়ামি দলীয় এমপি মির্যা আজম, আর সরকারের অত্যন্ত আস্থাভাজন মওলানা ফরিদউদ্দীন মাসুদের বাড়ীতে। এদের ধরে ক’দিন রিমান্ডে নিলেই এক এক করে বেরুত হিজবুত তাওহিদ, হিজবুত তাহরীর, বাংলা ভাই, আল্লাহর দল, এসবের ভেতরের খবর।
সরকার যদি ভারতীয় দূতাবাসের সেকেন্ড ও থার্ড সেক্রেটারির গতীবিধির দিকে নজর রাখতেন, যদি নজর রাখতেন কুটনৈতিক সুবিধায় তাদের যেসব চালান নিত্যই দেশে আসছে, সেসবের প্রতি, তা হলে ঠিকই খূঁজে পেতেন তাদের কাংক্ষিত ধন! বাংলাদেশে ধর্মীয় সন্ত্রাসের, জঙ্গী কাজ কারবার এর মূল! কিন্তু সরকার সে পথে যাবেনা।
কারণ এই যে, সরকারকে পরিচালিত করছেই এইসব ব্যক্তি আর প্রতিষ্ঠানের মুরব্বীরা। তারাই নিজেদের পথ পরিষ্কার রাখতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশ আর গোয়েন্দা সংস্থার ‘গোপন প্রতিবেদন’ এর নামে প্রাপ্ত তথ্য দিয়ে ধাবিত করেছে, করে চলেছে ইসলামি রাজনৈতিক দল, সরকারের সবচেয়ে বড় মাথা ব্যাথা, তার সামনে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে যে দলটি, সেই জামাত এ ইসলামি’র দিকে।
যে কোন মূল্যে এই দলটিকে রাজনীতির মাঠ থেকে আপাতত দূরে রাখতে পারলে, তার সাংগঠনিক কার্যক্রম, কাঠামো ও স্তর ভেংগে দিতে পারলেই আপাতত একটা বড় কাজ হয় বলে সরকারকে বোঝানো হয়েছে। কিন্তু বুঝিয়েছে কে?
সে কথা গত সপ্তাহের লেখায় কিছুটা আভাস দিয়েছি। পরিবর্তিত বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার বা নূতন বিশ্বব্যবস্থা’র স্বপ্নদ্রষ্টারা, যাদেরকে আমরা ‘নিউকন’ বলে জানি, তারাই এসকল পরিকল্পনাকারী। আর বাস্তবায়নও হচ্ছে তাদেরই তদারকীতেই।
আজ থেকে কয়েক বৎসর আগে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় তখন চারদলীয় জোট, সেসময় বাড়ীর পাশে ভারতের সাথে ইহুদীবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল বেশ কয়েকটা চুক্তি সাক্ষর করে। ভারত ও ইসরাইলের মধ্যে যোগাযোগ বিভিন্ন পর্যায়ে সেই সত্তরের দশক থেকেই। তবে তা ছিল গোপন।
কিন্তু বিশ্ব ব্যবস্থায় পরিবর্তনের সুত্র ধরে, বিশেষ করে ইউনিপোলার বিশ্বব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কুটনীতির আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে আফগনিস্থান এ সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসন, সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি, বহুল আলোচিত ‘পেরস্ত্রয়কা’ এবং ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পথ ধরে। তার প্রত্যক্ষ যে প্রভাব এ অঞ্চলের রাজনীতিতে পড়েছে, তার অন্যতম হলো, আমেরিকা-ইসরাইল অক্ষশক্তির সাথে ভারতের সরাসরি সম্পৃক্ততা। আর ভারতকে দিয়ে ইসরাইলী-আমেরিকান ই্হুদি লবী, এক কথায় নিউকনরা দক্ষিন পূর্ব এশিয়ায় তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাচ্ছে। আমরা যে আজ কাল বৈশ্বিক অনেক নেতাকেই বলতে শুনি, ভারত একটি উঠতি আঞ্চলিক পরাশক্তি, এর মূল্ েরয়েছে এই চেতনা, এই বাস্তবতা।
যাহোক, ভারতের সাথে ইসরাইল বেশ কয়েকটি চুক্তি করেছে। এগুলো বানিজ্যিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, কুটনৈতিক সহযোগিতার নামে করা হয়েছে। এর মধ্যে (যতদূর শোনা যায়) প্রায় ছয়টি চুক্তি খুবই গোপনীয়। এমনকি ভারতের পার্লামেন্টেও চুক্তিগুলো তোলা হয়নি আলোচনার জন্য। প্রেস ও পাবলিক জেনে যাবে, এই ভয়ে! কি আছে সেসব গোপন চুক্তিতে? তা কেবল দুই সরকারের মধ্যে হাতে গোনা ক’জন ব্যক্তিই জানে মাত্র।
তখন বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকার বা বিরোধি দলীয় কোন রাজনীতিবদ, বা সূশীল সমাজের কেউ এ নিয়ে উচ্চ বাচ্য করেননি। কেউ বোধহয় বিষয়টা নিয়ে কোন সুক্ষ বা দূরদর্শী ভাবনাই ভাবেননি। যদিও এমন করাটা তাদের উচিৎ ছিল।
আমরা জানি, ইসরাইল ভারতের মনিপূর, মিজোরাম, নাগাল্যন্ড অঞ্চলে তাদের হারিয়ে যাওয়া ইহুদি বংশধরদের খুঁজে পেয়েছে(!)। তাদের পূনর্বাসন করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই কয়েক শত উপজাতীয় লোককে নিয়ে গেছে ইসরাইল এ।
আসলে এই পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে এক সূদূর প্রসারি স্ট্রাটেজিক পরিকল্পনা। এরা বাংলাদেশের আদিবাসী স¤প্রদায়ের সাথে ভাঁষা, দৈহিক কাঠামো, কালচার, এবং চলনে, বলনে একই রকম। এদের দিয়েই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্যাবোটাজ কার্যক্রম চালিয়ে নেয়া যেতে পারে। এদেরকেই তাদের চাকুরীর অংশ হিসেবে আনা হয়েছে, এবং আনা হবে ভারতে। বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে নিয়োগ দেবে ভারত ইসরাইল অক্ষশক্তি
এদের মধ্যে থেকেই কিছু যুবক যুবতীকে চাকুরী দেবার নামে পূনর্বাসিত করা হয়েছে, গোয়েন্দা বানানো হয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের ভেতরে, জাতিয় ও আঞ্চলিক প্রশাসনে, আঈন শৃংখলা বাহিনীতে বসানো হয়েছে পছন্দের লোকজনকে গোয়েন্দা কার্যক্রমের পরিভাষায় যাকে বলা হয় ইমপ্লান্টেশন, তা সম্পন্ন হয়েছে ইতিমধ্যেই।
ভারতীয় সামরিক বাহিনীর যেসব ইউনিট বা ইউনিট সদস্যরা অতি স¤প্রতি ইসরাইল থেকে বিভিন্ন প্রশিক্ষন নিয়ে এসেছে, তাদেরও বংলাদেশের ভেতরে, বিভিন্ন ভাবে আনা হবে। কাউকে কুটনিতিক হিসেবে, কাউকে বা কোন ফার্ম এর কর্মকর্তা, কর্মচারী, বা ব্যবসায়ি হিসেবে।
কেবল তাই নয়, বাংলাদেশী বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক অভিনেতা অভিনেত্রী, সহ বিভিন্ন পেশার লোকজনকেও রিক্রুট করা সম্পন্ন হয়েছে। হয়েছে যে, তা কারো কারো কাজ-কর্ম, কথা-বার্তা দেখেই বোঝা যায়। চেনাও যায়।
অবশ্য কখনও কখনও নিজেদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ বা বিরোধের জের ধরে তা নিজেরাই প্রকাশ করে দেন, সে সূবাদে জাতি জানতে পারে। এরকমই একটা ঘটনা ছিল আওয়ামি লীগের সাবেক সাধারণ সম্পদক জনাব আব্দুল জলিল’র কয়েকটি মন্তব্য, দলটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সহ কয়েকজন নেতা নেত্রী প্রসংগে। তাঁরা যে একটি গোয়েন্দা সংস্থার বেতনভূক, সেটা তিনিই ফাঁস করেছেন।
ঢাকা ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষককে দিয়ে একটি জাতিয় পত্রিকায় ইসরাইলকে কুটনৈতিক স্বীকৃতি দেবার আব্দার জানানো হয়েছে। তাঁর মাধ্যমে জাতিকে জানাবার প্রয়াস করা হয়েছে যে, ইসরাইল হলো বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র ও স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তি! এটা যে, ঐ শিক্ষকের একান্তই ব্যক্তিগত মত ও উদ্যোগ, তেমনটা ভাবলে নিরেট সত্য ও বাস্তবতার সাথে বিশ্বাসঘাতকতাই করা হয়না, বরং তা হলো নিজ দেশ আর নিজ জাতিসত্তার সাথে প্রবঞ্চনা করার শামিল!
সূধী পাঠকের বোধ হয় স্মরণ আছে, ঘাদানিক এর সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত এক নেতা ক’বৎসর আগে ইসরাইল সফর করার চেষ্টা করেছিলেন, পাসপোর্ট বদলে। তাঁর লেখা বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধি বেশ কিছু আর্টিকেল ইসরাইলের কয়েকটি পত্রিকা, এবং আন্তর্জাতিক অংগণে বিখ্যাত পত্রিকা, যা নিরেট নিউকনদের দ্বারা পরিচালিত বলে সারা বিশ্বই জানে, সেরকম পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি তার লেখায় বাংলাদেশে তথাকথিত মৌলবাদের উত্থান নিয়ে কল্পিত চিত্র এঁকেছিলেন।
আর এরই পাশাপাশি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তনয়, জনাব জয়তো এক বিরাট গবেষণাই করে ফেলেছেন! যা দ্বারা তিনি প্রমান করতে চেয়েছিলেন যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে একটা বিরাট অংশ মাদ্রাসা শিক্ষিত যুবকদের মধ্য থেকে ভর্তি হচ্ছে! ফলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রকারান্তরে ইসলামি মৌলবাদের বিস্তৃতি ঘটে চলেছে! এক আমেরিকান গবেষকের সাথে যৌথভাবে পরিচালিত তার গবেষণা (!) পত্রটি বিশ্বের নামকরা পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছিল। আর ওয়েব সাইট এ তো প্রকাশ হয়েছেই।
বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধি এইসব প্রচারণা বিশ্বজুড়ে প্রচার হয়ে আসছে। বিশেষ করে, বাড়ীর পাশে ভারতের বুদ্ধিজীবি এবং মিডিয়া তারস্বরে প্রচার করে চলেছে দীর্ঘদিন ধরে, সেটা নতুন কিছুই নয়। তবে সা¤প্রতিক সময়ে খোদ বাংলাদেশেরই মিডিয়া, লেখক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবি’সহ বিভিন্ন ব্যক্তি অত্যন্ত সুসংগঠিত ভাবে, স্পর্শকাতর সময়ে, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক রাজনীতির সাথে তাল বজায় রেখেই বিভিন্ন রকম পচার প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে। এটা খুবই আতংকজনক, এবং এর বিশদ বিশ্লেষণ হওয়া দরকার। অবশ্য আজ এই স্বল্প পরিসরে আমরা সেদিকে যাবনা।
আজ যে কথা বলতে শুরু করেছি, তাতেই ফিরে আসি। এতে এ কথাই প্রমানিত হয়, যে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ও রাজনৈতিক ময়দান সহ মিডিয়া ইত্যাদি প্রতিটি অংগণে ভারতীয় ও ইসরাইলী অনূচরদের ইমপ্লান্টেশনের কাজটি বেশ সঠিকভাবেই সম্পন্ন হয়েছে, আর এরা তাদের প্রতি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনও করে চলেছে।
আমরা এখানে স্মÍণ করতে পারি, দেশে একসময় অত্যন্ত জনপ্রিয়, বহুল প্রচারিত ও ইসলামি ভাবাদর্শের একটি পত্রিকার সাংবাদিককে পাসপোর্ট বদলে ইসরাইলে নিয়ে যাবার চেষ্টা ফাঁস হয়ে যায়। এসব দু’একটা ঘটনা ফাঁস হয়েছে দূর্ঘটনাক্রমে, তাই আমরা তা জানতে পেরেছি। কিন্তু এরকম অনেক ঘটনা আছে, বা ঘটে চলেছে যা আমরা জানিনা, দেশবাসীও জানে না।
এর সাথে আছে বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিশাল জনগোষ্ঠির চিন্তাধারা ও মতকে প্রভাবিত করা, সেকুল্যার চিন্তাধারা, ভারতীয় মতাদর্শের অনূকুলে, এর পাশাপাশি ইসলামী আদর্শ ভিত্তিক কালচার শিক্ষা, সমাজকর্ম, অর্থনীতি এসব থেকে জনগণকে দুরে সরিয়ে নেয়ার কার্যক্রম। এ লক্ষ্যে অন্তত চার থেকে পাঁচটি টিভি স্টেশন (!), ডজন খানেক পত্রিকা ( ইতোপূর্বে বর্ণিত সেই পত্রিকাটিও অন্তর্ভূক্ত এই ডজন খানিক এর সংখ্যা সীমার মধ্যে) ইসলামি দল, ইসলামি প্রতিষ্ঠান, বা আন্দোলনের সাথে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠির বিরুদ্ধে তথ্যসন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। (চলবে)

১৩টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×