somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... যুদ্ধাপরাধী বিচার; বুমেরাং -১ (রিপোষ্ট) তথাকথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচারকার্য চলছে যুদ্ধাপরাধীদের। যুদ্ধাপরাধীদের না মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচার, তা অস্পষ্ট। কারণ, সরকারের কর্তাব্যাক্তিরা কখনও বলেন তারা যুদ্ধাপরাধীদের, কখনও বলেন মানবতাবিরোধি কর্মকান্ডে জড়িতদের, আবার কখনও বলেন রাজাকারদের বিচার করছেন। তা ছাড়া, এটা আন্তর্জাতিক না ডমেস্টিক ট্রাইবুনাল, সেটিও অস্পষ্ট।
এ বিচার নিয়ে এক তোঘলকি কারবার চলছে। বেশ কায়দা করে সরকার ও কোন কোন রাজনৈতিক দল ‘যুদ্ধাপরাধী’ এবং ‘রাজাকার’ কার্ড খেলে, রাজনীতির মাঠ গরম করে, বিরোধি দলগুলোকে দৌড়ের উপরে রেখে কৃতজ্ঞতার দায় শোধে ভারতকে তার প্রত্যাশার চেয়েও বেশী দিয়ে চলেছেন। বিরোধিদল পিঠ বাঁচাতেই ব্যস্ত। সরকারের দেশবিরোধি কর্মকান্ডের প্রতিবাদের ফুরসতই তাদের নেই।
আজ যারা সরকারে আসীন হয়ে প্রকৃত রাজাকার, যুদ্ধপরাধীদের বিচার না করে রাজনীতি করছেন, একটা রাজাকারও বেঁচে থাকা পর্যন্ত ঘরে না ফেরার শপথ নিচ্ছেন, তারা নিজেদের অজান্তেই এমন ফাঁদ পাতছেন যে, একদিন এই ফাঁদই তাদেরকে ওঠাবে কাঠগড়ায়! এত উদ্দীপনা নিয়ে শুরু করা কর্মযজ্ঞ নিশ্চিত বুমেরাং হবে। কি ভাবে? সেটাই বলব ‘বুমেরাং’ সিরিজের পরবর্তি পোষ্ট সমূহে। দয়া করে চোখ রাখুন ব্লগে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29520013 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29520013 2012-01-10 19:45:50
‘যুদ্ধাপরাধী’বিচার ‘বুমেরাং’-১ এ বিচার নিয়ে এক তোঘলকি কারবার চলছে। বেশ কায়দা করে সরকার ও কোন কোন রাজনৈতিক দল ‘যুদ্ধাপরাধী’ এবং ‘রাজাকার’ কার্ড খেলে, রাজনীতির মাঠ গরম করে, বিরোধি দলগুলোকে দৌড়ের উপরে রেখে কৃতজ্ঞতার দায় শোধে ভারতকে তার প্রত্যাশার চেয়েও বেশী দিয়ে চলেছেন। বিরোধিদল পিঠ বাঁচাতেই ব্যস্ত। সরকারের দেশবিরোধি কর্মকান্ডের প্রতিবাদের ফুরসতই তাদের নেই।
আজ যারা সরকারে আসীন হয়ে প্রকৃত রাজাকার, যুদ্ধপরাধীদের বিচার না করে রাজনীতি করছেন, একটা রাজাকারও বেঁচে থাকা পর্যন্ত ঘরে না ফেরার শপথ নিচ্ছেন, তারা নিজেদের অজান্তেই এমন ফাঁদ পাতছেন যে, একদিন এই ফাঁদই তাদেরকে ওঠাবে কাঠগড়ায়! এত উদ্দীপনা নিয়ে শুরু করা কর্মযজ্ঞ নিশ্চিত বুমেরাং হবে। কি ভাবে? সেটাই বলব ‘বুমেরাং’ সিরিজের পরবর্তি পোষ্ট সমূহে। দয়া করে চোখ রাখুন ব্লগে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29519875 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29519875 2012-01-10 15:06:25
মাহমুদুল হাসান কায়রো: আপনার মত আলেমের হাত থেকে আমি মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি তার উক্ত পোষ্টে তিনি জনৈক ব্লগার ‘লালপদ্ম’র একটা মন্তব্যের উত্তরে লিখেছেন ‘ যারা মাইনাস দিচ্ছেন দয়া করে বলে যাবেন। না হলে আপনারা সত্যের শত্র“। সত্য সহ্য করতে শিখুন’
তিনি মাদ্রাসা পড়–য়া আলেম ,যিনি আল আজহারের মত মাদ্রাসায়ও পড়েছেন, তার দ্বারা এমন ইর্ষাকাতর ও অন্যের গীবত করে দেয়া পোষ্ট আমার পছন্দ হয়নি, বলে আমি মাইনাস দিয়েছি এবং বলেও দিয়েছি মন্তব্যে, কেন মাইনাস দিলাম। অবকি করা ব্যাপার, যিনি ব্লগে অপরকে সত্য কথা বলা ও সত্য সহ্য করতে শেখার মত পরামর্শ দিচ্ছেন, সেই তিনিই আমার সত্য মন্তব্যটা মুছে দিলেন?
এর পরে আমি দ্বিতীয়বার মন্তব্য করলাম। আমার আক্ষেপ জানিয়ে যে, ইসলাম নিয়ে পড়া একজন উচ্চশিক্ষিত আলেম এর কাছ থেকে এমন আচরণ আমি আশা করিনি। মনত্ব্যটা কড়া হলেও যতটা শালীনভাবে সম্ভব, সেটা করেছি। এবারেওে সেটা তিনি মুছে দিলেন আর আামকে ব্লক করলেন। কিন্তু মজার ব্যপার হলো তিনি ঐ একই পোষ্টে জনৈক ব্লগার মোজতবার মন্তব্যের উত্তরে তাঁকে পরামর্শ দিচ্ছেন ‘সত্য বলতে শিখুন, সত্য শুনতে শিখুন, সেটা হোক আপনার বাবার বিরুদ্ধে’
অবাক করার মতই কান্ড বটে। একজন আলেম (এমন আলেমের হাত থেকে আল্লাহ মুসলমানকে রক্ষা করুন।) অপরকে পরামর্শ দিচ্ছেন, কিন্তু নিজে তার উপরে আমল করছেন না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29515645 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29515645 2012-01-03 21:45:55
‘ জয়, বাংলার জয়!’ (দূ:খিত, এর চেয়ে ছোট করা গেল না।)


সবকিছু এক এক করে কেমন যেন বদলে যাচ্ছে। সমাজ বদলে যাচ্ছে, চেনা জানা পরিবেশ বদলে যাচ্ছে, বদলে যাচ্ছে মানুষগুলোও। বদলে যাচ্ছে মূল্যবোধ, বদলে যচ্ছে চিন্তা চেতনার জগৎ, সব, সবকিছু। বদলে যাচ্ছে অকল্পনীয় দ্রুত গতীতে!
একদিন যে সমাজে নীতি ছিল, নৈতিকতা ছিল, ছিল মুল্যবোধ, ছিল ভালকে ‘ভাল’ মন্দকে ‘মন্দ’ বলা আর তা মানার মত নৈতিক সাহস, আজ মাত্র তিন বা চারটি দশকের মধ্যেই তা যেন সব বদলে গেল। এখন আর ভালকে ভাল বলা যায় না, যদি না সেই বলার মধ্যে নিজের বা দলের কোন স্বার্থ থাকে। মন্দকেও আর মন্দ বলা যায় না, যদি না সেই বলার পেছনে নিজের বা নিজেদের কোন স্বার্থ থাকে।
ছোটকালে আমাদের পাড়া গাঁ’র পন্ডিত মশাইরা, যাদের কোন বি এ, বি’এড ডিগ্রী ছিল না, টিচার্স ট্রেনিং কলেজের চোখ ধাঁধাঁনো সার্টিফিকেটও ছিল না, সেসব পন্ডিতরা শিখিয়েছিলেন ‘সদা সত্য কথা বলিবে, কখনও মিথ্যা বলিবে না’। আজ এত বড় বড় ডিগ্রীধারীরা কেউ আর সেই কথাগুলো শেখান না।
কেউ বলেন না যে ‘যে কোন অবস্থায় গুরুজনকে মান্য করিবে’। কেউ না। গুরুজন? সে ব্যাটারা আবার কে? তার সাথে আমার কি সম্পর্ক? আমাকে নিয়ে তাঁর বা তাঁকে নিয়ে আমারই বা মাথা ব্যাথা কিসের?
আজ থেকে প্রায় চল্লিশ বৎসর আগের এক সন্ধায়, আব্বা বাসায় না থাকার সুবাদে বাড়ীর সামনের রাস্তায় খেলছিলাম, মাগরিবের নামাজ পড়ে নিজ বাসা অভিমূখে গমণরত কলোনির এক মুরুব্বী তা দেখে থামলেন। নাম, বাসা নম্বর, বাবার নাম জেনে নিয়ে কানটা ধরে, আচ্ছা করে মলে দিয়ে এক ধমকে বাসায় পাঠিয়েছিলেন! বলেছিলেন, এখনই গিয়ে পড়তে বসবে! যতক্ষণ না জড় সড় হয়ে বাসার ভেতরে ঢুকেছি, ততক্ষণ তিনি ঐ রাস্তার উপরেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। বাসার ভেতরে ঢুকেছি, নিশ্চিত হয়েই তিনি নিজের পথে পা বাড়িয়েছিলেন।
তিনি আমার কেউ ছিলেন না, ছিলেন কেবল একই কলোনীর বাসিন্দা একজন মুরুব্বী মাত্র। সেই মুরুব্বীর হাতে কান মলা খেয়ে, স্বাধের খেলা ছেড়ে আসাতে মনে হয়নি যে, আমার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেছেন, তিনি আমার উপরে অনাধিকার চর্চা করেছেন, তেমনটা ভাবিও নি কখনই। মা’কেও দেখেছি, যারপরনাই খূশী হয়েছিলেন সে দৃশ্য দেখে!
জানি না, আজকের কোন মা অপরের হাতে তার সন্তানের কান মলা ও বকুনি খেতে দেখে খূশী হবেন কি না। জানি না, আজ সেরকম কোন অপরিচিত মুরুব্বী পাড়ার কোন কিশোরকে কান মলা দিয়ে পড়ার টেবিলে যেতে বলার সাহস পাবেন কি না।
আজ দিন বদলেছে, বদলেছে স্বাধীনতা আর অধিকারের সঙ্গা, পরিধিও! নাগরিক দায়িত্ববোধের সংগা আর সীমা আজকের বি এ, বি এড’রা ভাল বলতে পারবেন, সে সংগার সীমা আর পরিধি আমাদের আজকের টিচার্স ট্রেনিং কলেজের কর্ণধাররাই ভাল করে নির্ধারণ করে দিতে পারবেন! আমরা অজ্ঞ, মূর্খ সে সবের কি বুঝি?
হোম ওয়ার্ক করতে দেবার ছলে, খাতা ভরে একই কথা বার বার লিখতে দিয়ে শিখিয়েছিলেন ‘পরের ধন আত্বস্বাৎ করিবে না।’ সততাই চরিত্রের ভূষণ’ ‘জ্ঞানই শক্তি’ ‘চরিত্র অমূল্য সম্পদ’ এসব নীতি কথা।
আজ আধুনিক পদ্ধতিতে আমাদের শিক্ষা দেওয়া হয়! ওসব পূরোনো আর সেকেলে পদ্ধতি আজ অচল! অচল বলেই বোধ করি এখন এসব নীতিকথা যারা বলেন, তারাও অচল, সমাজে তাদের কোন দাম নেই, প্রয়োজনও নেই!
সে কারণেই কি না জানি না, আমাদের নেতা নেত্রী থেকে শুরু করে, আমাদের তরুণ, যুবক সমাজের আর কেউ এসব নীতিকথার ধারও ধারেন না। সত্য কথা বলা, নিরেট বোকামি ছাড়া আÍ কি? গুরুজনকে মান্য করা? সে তো আমার ব্যক্তি স্বাধীনতার অবমাননা! আমার মানবাধিকারের জঘণ্যরকম অপমান! আমার স্বাধীনতার প্রতি চরম অবজ্ঞা!
তাই তো, আমরা যে স্বাধীন! আমাদের স্বাধীনতার মূল্য রাখতে হবে না? আমরা স্বাধীন বলেই না আমাদের যুবকেরা, আমাদের তরুণে’রা দিন রাত, হাতে গাঁজা-ফেন্সিডিল আর মদের বোতল নিয়ে নেশায় বুঁদ হয়ে পড়ে থাকতে পারে! এরা আমাদের ভবিষ্যৎ! আমরা তাদের কিছু বলতে পারি না, কারণ, তাদের ব্যক্তিগত জীবনে বাধা দেবার অধিকার আমাদের নেই, সেটা অনাধিকার চর্চা!
আমরা স্বাধীন বলেই না আমাদের মা বোনে’রা মানবতাবাদী না হয়ে নারীবাদি হতে পেরেছেন। তারাও বহু কষ্টার্জিত স্বাধীনতার স্বাদ নিতে চান পুরোপুরি! তাঁরা চলনে স্বাধীন, বলনে স্বাধীন। তাঁরা আচারে আচরণেও স্বাধীন! স্বাধীন, চিন্তা আর চেতনাতেও! লজ্জা এখন আর ভূষণ নয়, তা তো নারী নির্যাতনের হাতিয়ার! তাই দিন বদলের দিনে বদলে গেছে শোষণ, শাসন আর ভূষণের সংগাও!
এখন তসলিমা, প্রভা আর কানিজ আলমাস’রা লজ্জা ছুঁড়ে ফেলে দিলে হন বরিত সেলিব্রিটি! আর লজ্জা ধরে রেখে আমার মা, আমার বোন, ওঁরা নাকি পরাধীন এখনও! এখনও তারা স্বাধীন হতে পারেন নি!
লজ্জা বিসর্জন দিয়ে জিন্স আর টপ পরতে, ওড়না হিজাব ছাড়তে পারেন নি বলেই তাঁরা স্বাধীনতার স্বাদ নিতে পারেন নি! স্বাধীনতার স্বাদ নিয়েছে বাঁধন’রা, স্বাধীনতার স্বাধ নিয়েছেন তসলিমা, নিয়েছেন আজকের রুমানা, আর ফারজানা’রা। তারাই আগামি প্রজন্মের রোল মডেল!
এই স্বাধীনতার বলেই আশপাশ সব বদলে গেছে। সব কেমন যেন অচেনা, অজানা আমাদের মত ‘ব্যাক ডেটেডদের’ কাছে! আমরা যে লুটে পুটে খেয়ে দেশটাকে ভাগাড়ে পরিণত করার মহোৎসব দেখে রাত দিন তাড়িত হই, এ আমাদের পশ্চাৎপরতা, সেকেলে চিন্তা চেতনার ফল, আর কিছুই নয়!
আর ওদের প্রগতির প্রতিক্রিয়ায় হিংসা আর পশ্চাৎপরতার কারণে আমরা ‘প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠি’। দিন বদলের দিনে আমাদের কোন ঠাঁই নেই এ সমাজ, এ দেশে!
স্বাধিকার আর প্রগতির জন্যই স্বাধীনতা। আর স্বাধীনতা ও প্রতিক্রিয়াশীলতা যেহেতু একত্রে পাশাপাশি চলতে পারেনা, তাই আমরা অচল! আমরা স্বাধীনতাবিরোধি! এদেশে আমাদের কথা বলার কোন অধিকার নেই! দেশটাকে করদ রাজ্য বানানো হোক, আমরা কথা বলতে পারবনা। বললেই আমরা স্বাধীনতা বিরোধি, প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠি, রাজাকারের বংশধর!
কেউ যদি রাতারাতি পদ্মা সেতুর বাজেট খেয়েও ফেলে, তাতে আমাদের কি? আমাদের কোন কথাই বলার অধিকার নেই, কেউ যদি আমার দেশের বুক চীরে রাক্ষুসে রাবনের পথ বানায়, তাতে আমার কি? আমি কোন কথা বলতে পারবনা, কারণ আমি রাজাকার না হলেও তার বংশধর!
কেউ যদি আমার সোনার বাংলার প্রাণশক্তি শত শত নদীর প্রবাহ বন্ধ করে দেশটাকে মরুভূমি বানাতে চায়, তাতেও আমার কোন কথা বলার অধিকার নেই, কারণ, আমি ধর্মান্ধ, প্রতিক্রিয়াশীল রাজাকারের চেলা! কেউ যদি আমার বোন ফেলানি’কে মেরে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রাখে, কেউ যদি আমার মা, আমার বোনকে বাজারে ওঠায়, তারপরেও আমি কোন কথা বলতে পারবনা! কারণ, আমার কোন অধিকারই নেই এ ব্যপারে কথা বলার! আমি যে প্রতিক্রিয়াশীল রাজাকারের বংশধর!
স্বাধীন দেশে আমার কথা বলার কোন স্বাধীনতা নেই! কারণ, আমি যে মানতে পারি না, মানাতে পারি না নিজেকে ঐ বদলে যাওয়ার দর্শনের সাথে! ‘বদলে যাওয়া’ কিংবা ‘বদলে দেবার’ চটকদার শ্লোগাণের সাথে সাথে আমার নীতি বদলাতে পারিনি, নৈতিকতা বদলাতে পারিনি, পারিনি বদলাতে নিজেকেও!
আমি যে এখনও বুকের গহীনে আঁকড়ে ধরে বসে আছি আমার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলার সেই শ্বাশত রুপটাকে, যেখানে বাংলার পরতে পরতে মিশে আছে শাহজালাল, শাহপরানের স্মৃতি, মিশে আছে ফকির মজনু শাহ কিংবা বারো আউলিয়ার দর্শন, মিশে আছে শহীদ তিতুমীরের শাহাদাতের তামান্না। মিশে আছে বখতিয়ার আর শায়েস্তা খাঁর দেয়া মুক্তির পয়গাম!
তাই আমি অপাংক্তেয়, পরিত্যাজ্য একজন! আমার কোন অধিকার নেই! প্রতিবাদের অধিকার নেই, প্রতিরোধের অধিকারও নেই। সুযোগও নেই চিৎকার করে বলার ‘ও আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’! আমি রাজাকারের বংশধর, বাংলাকে ভালবাসার কোন সুুযোগ আমার নেই!
আমরা যে স্বাধীন! স্বাধীনতার যাদুকরি ছোঁয়ায় পূরোনো সেকেলে সব কিছুই আজ ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায়! নীতি ক্ষয়ে যায়, নৈতিকতা ক্ষয়ে যায়। ভালবাসা দয়া-মায়া-মমতা, প্রেম-প্রীতি এসবের চিরায়ত ধারণাগুলো সব ক্ষয়ে যায়। ক্ষয়ে যায় দেশপ্রেমের আর দেশদ্রোহিতার ধারনাও!
স্বাধীনতার এই চমকপ্রদ ছোঁয়ায় ঘরে বাইরে সবখানেই কেবল রক্তক্ষরণ! তরতাজা যুবকের বুকের রক্ত থেকে শুরু করে ব্যংাকের ডলার, পদ্মা-তিস্তার পানি থেকে ব্যবসা বাণিজ্য আর শেয়ার মার্কেটের কলমানি, সবখানেই কেবলই ক্ষয়! চিন্তা-চেতনায়, মন-মননে ক্ষয়, অবক্ষয়। এখন দিন বদলেছে, দিন বদলের দিনে এখন কেউ আর জয়ের কথা বলে না।
জনান্তিই কেবল জানেন, আর আমিও জানি, মিরপুর কিংবা রায়েরবাজারে, পদ্মা-মেঘনা, সূরমা-যমুনার অববাহিকায়, ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এভূখন্ডে আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লক্ষ শহীদের আত্বারাই কেবল আজও এ অবক্ষয়ের মাঝেও গেয়ে চলেছেন ‘জয়, বাংলার জয়’


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29500868 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29500868 2011-12-11 19:38:19
লুট-পাট হচ্ছে এটা এখন নিজেরাই স্বীকার করছেন; জনাব ওবায়দুল কাদের বলেছেন কিছু জনপ্রতিনিধি দেশটাকে লুটে পুটে খাচ্ছ্নে। গেল শনিবার সকালে ঢাকার একটি হোটেলে টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রোডিউসারস এ্যসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের তৃতিয় দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেছেন। তিনি আরও বলেছেন, বিচার বিভাগ, শিক্ষা মাধ্যম, সংবাদ মাধ্যম প্রশাসন সবকিছুতেই ভেজাল ঢুকে গেছে।
ওদিকে দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিগত চার দলীয় সরকারের সময় ‘তুরুপের তাস হাতে আছে’ দাবী করে নির্দিষ্ট দিন তারিখ দিয়ে ‘সরকারের পতন হবে’ এমন ভবিষ্যৎবাণী এবং ত্বত্তাবধায়ক সরকারের আমলে ডি জি এফ আই’র জয়েন্ট ইন্টোরেগশন সেলে বসে দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূর্ণীতির অনেক গোপন তথ্য ফাঁস করে দেয়া’সহ চিরদিনের জন্য রাজনীতি ছেড়ে দেবার ঘোষণা প্রদানকারী জনাব আব্দুল জলিল এর আগের দিন শুক্রবার সন্ধায় রাজধানীর মুক্তি ভবনে এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেছেন ‘অযোগ্য ব্যক্তি ও গুন্ডা পান্ডাদের মনোয়ন দিয়ে ক্ষমতায় বসানোর কারণে জনগণের ক্ষমতায়ন হচ্ছে না। আর জনগণের ক্ষমতায়ন না হলে প্রশাসনকেও সঠিকভাবে পরিচালনা করা যাবে না।’
উপরের দু’টি বক্তব্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বক্তব দু’টিই এসেছে ক্ষমতাসীন সরকারের দলীয় দুই প্রভাবশালী প্রেসিডিয়াম সদস্যের কাছ থেকে। তার মানে এই দাঁড়ালো যে, সরকারের ভেতরে বাইরে যে লুট পাট হচ্ছে, তা তারাা জানেন, যেমনটা জানেন দেশের জনগণ। এই জানাটা কেবল প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেন নি এ পর্যন্ত।
কিন্তু এবার তার দলের নেতৃস্থানীয়রা সেটা স্বীকার করা শুরু করেছেন। অবশ্য এটা হলো, ঐ দুই রাজনীতিকের জন্য নিজেদের অবস্থান বাঁচানোর চেষ্টা। দল ও জাতির কাছে নিজেদের মূখ রক্ষার প্রচেষ্টা। সেই সাথে দলের নেতা কর্মী আর দেশবাসীর কাছে নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে নিষ্কন্টক করে রাখার প্রচেষ্টা।
কিন্তু সে যাই হোক, এটা তো পরিষ্কার যে, দেশে লুট পাট চলছে। লুট পাট করছে দেশের সরকার আর তার দোসর’রা। লুট পাট করছে স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তির নামে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দল, যারা কথায় কথায় দেশপ্রেমের গান গাইতে গাইতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন, চোখে নামান অশ্র“র বন্যা! তারাই আজ দেশটাকে লুটে পুটে খেয়ে ফোকলা করে ফেলেছে। আরও একটা চুয়াত্তর যেন আসি আসি করছে। আল্লাহ যেন সে রকম একটা অবস্থার পূনরাবৃত্তি থেকে দেশটাকে রক্ষা করেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29492900 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29492900 2011-11-29 16:57:27
ইসলামপন্থীদের রাজনীতিতে যাদের এলার্জি আছে, তাদের জন্য এ লেখা-- (রিপোষ্ট) Click This Link]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29483762 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29483762 2011-11-15 15:36:49 ইসলামপন্থীদের রাজনীতিতে যাদের এলার্জি আছে, তাদের প্রতি-- ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত, ব্যক্তিজীবনে ইসলামি আদর্শকে নিষ্ঠার সাথে ধারন করতে সচেষ্ট কোন ব্যক্তি যদি রাজনীতির মাঠে সক্রিয় হন, তিনি যদি কোন রাজনৈতিক দল গঠন করেন, বা কোন প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের কর্মী হন, তা হলে যে কথাটা তাঁকে শুনতে হবে তা হলো, তিনি ‘ধর্ম নিয়ে রাজনীতি’ করতে এসেছেন। তিনি ‘মৌলবাদী’। এরকম শত বিশেষণ। ভাবখানা, তিনি রাজনীতিতে এসে বিরাট অন্যায় করে ফেলেছেন।
ডাকাতের ছুরি নিয়ে যদি কোন ডাক্তার অপারেশন টেবিলে আসেন, তখন কিন্তু কেউ বলেন না, ডাক্তার মশাই ‘ডাকাতি’ করতে এসেছেন। বা একজন ডাকাত যদি ডাক্তারের সার্জিক্যাল বে¬ড কারো গলায় ধরে ডাকাতি করে, তখনও কিন্তু কেউ বলবে না যে, ডাকাত ব্যাটা ‘অপারেশন’ করছে!
আসল কথা, ধর্মীয় শিক্ষা ও অনুশাসন মেনে যদি কেউ রাজনীতি করেন, তা হলে তাঁর পক্ষে রাজনীতির প্রতিপক্ষ হিসেবে লোকমান হত্যা, বা ভোট ডাকাতি করতে শামিম ওসমান হওয়া, কিংবা আন্দোলনকে বেগবাণ করতে যাত্রীভর্তি বাসে গান পাওডার দিয়ে মানুষকে জলন্ত পুড়িয়ে মারা সম্ভব নয়। কারণ, ইসলাম এসবের জন্য কঠোর শাস্তি ও পরিণতির কথা তাকে জানিয়ে রেখেছে।
আর একটা কথা, যারা ইসলামি অনুশাসন মেনে চলার চেষ্টা করেন, তারা সাধারণত মানুষ হিসেবে ভাল হন। মেধা আর মননেও তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চৌকষ। (একেবারে হাল আমলে নিশ্চয়ই জাফর গংরা শাবিতে এর প্রমাণ পেয়েছেন) তারা যদি রাজনীতিতে না আসেন, তা হলে এ মাঠটিতে অযোগ্য, মূর্খ, সন্ত্রাসীরা জেঁকে বসবে, এটাই স্বাভাবিক।
অধিকতর যোগ্যতাসম্পন্ন ইসলামপন্থীরা কেন তাদের চেয়ে মূর্খ ও অযোগ্যদের দ্বারা শাসিত হবেন? যোগ্যরা যদি রাজনীতির মাঠে না নামেন, তা হলে দেশের কি পরিস্থিতি হয়, তা প্রায় আড়াই হাজার বৎসর আগে প্লে¬টো বলে গেছেন এভাবে "One of the penalties of not participating in politics is that you will be governed by your inferiors."
তবে সর্বাবস্থায়ই ভোটের সময়, বা রাজনীতির মাঠে ইসলামী আবেগ ও জজবাকে ভোটারদের মন জয়ে ব্যবহার, যেমন মোনাজাতরত ছবি টানিয়ে ভোট প্রার্থনা, হাতে তসবিহ, মাথায় হিজাবওয়ালা ছবি ছড়িয়ে দেয়া, এগুলো অন্যায়, নিন্দনীয়, তা যিনিই করুন না কেন, এটাই হলো ধর্ম নিয়ে রাজনীতির নমূনা। আশা করি ইসলামপন্থীদের রাজনীতিতে আগমণ নিয়ে যাদের এলার্জি আছে, তারা বিষয়টি বুঝতে পারবেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29483428 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29483428 2011-11-14 23:20:26
কেবলমাত্র ইসলামের বিজয় প্রত্যাশীদের জন্য এ লেখা--- রিপোষ্ট Click This Link]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29483158 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29483158 2011-11-14 16:21:52 বাংলাদেশে চলমান সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি। উন্নত মানবিক মুল্যবোধ সম্পন্ন সাংস্কৃতি ‘ইসলাম’ মানুষ হিসেবে তাদের উপযুক্ত প্রাপ্য মর্যাদায় তুলে ধরে, মুক্তির পথ দেখিয়ে অচ্ছুত ও বংশানুক্রমে দাসত্বের জিঞ্জিরে আবদ্ধকে উঠায় সম্মানের শিখরে। ফলে ইসলাম আসন গাড়ে ভারতীয় সাধারণ মানুষের মনে।
এই মুক্তি, স্বাধীনতা, আর সমঅধিকারের জন্যই ভারতবাসীর কাছে কাংক্ষিত ছিল বখতিয়ারের আগমণ! প্রত্যাশার মাত্রা এতটা উচ্চকিত ছিল বলেই তিনি মাত্র সতোরো সওয়ার নিয়ে ভারত জয় করেছিলেন! বখতিয়ারের জয় যতটা না সামরিক, তারও বেশী ছিল আত্বিক জয় ইসলামি সংস্কৃতির কারণে। অর্থাৎ সাং®কৃতিক বিজয়!
এর পরে ইসলামকে আর পেছন ফিরতে হয়নি। ভারতবাসীর মুক্তির সেই শুরু। যদিও তা কখনই বাধাহীন নিরুপদ্রব ছিল না। ১৫২৬ থেকে তিনশত বৎসরের মোঘল শাসন, তার পরে বাংলার স্বাধীন সুলতান, আর নবাবদের শাসনও ছিল পলাশিতে নবাব সিরাজের পতন অব্দী। এ সময়কালে রাজনীতির উত্থান-পতনের পাশাপাশি সংস্কৃতিরও উত্থান, পতন ঘটেছে।
সংস্কৃতির উত্থান পতন? সেটা আবার কি? সেই কবে ভারতের কোন বন্দরে আরবের কোন এক মুসলমান বণিক তার বাণিজ্য সম্ভার নিয়ে নোঙ্গর করেছিলেন! অজানা সেই বণিক কেবল বাণিজ্য পণ্যই আনেন নি, এনেছিলেন একটা সংস্কৃতিও। ইসলামি সংস্কৃতি।
১৭৫৭ তে ইংরেজরা এদেশীয় হিন্দু দোসরদের গাদ্দারি আর সহায়তায় ‘যুদ্ধ’ নামের প্রহসনের মাধ্যমে বাংলার স্বাধীনতা কেড়ে ১৯০ বৎসর শাসনের শুরুতেই যে কাজটিতে হাত দিয়েছে, তা হলো, ভারতবর্ষের মুসলমানদের তাদের ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেবার, তাদের সংস্কৃতিকে ভেঙ্গে দেবার কাজ।
তারা ইতিহাস বিকৃতি ও ইসলামি সংস্কৃতিক পরিমন্ডলকে ভেঙ্গেছে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে। এভাবেই আর্থসামাজিক, নৃত্বাত্বিক, রাজনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক সবদিক বিচারে বিপর্যস্থ করে ইসলামিক সামাজিক অবকাঠামোকে ভেঙ্গেছে ঐ সংস্কৃতিক আবহকে ভাঙ্গার মাধ্যমেই।
মুসলমানদের মধ্যে কিছু ক্ষণজন্মা আলেম ওলামা আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন এ বিপর্যয়কে ঠেকানোর। তার তাৎক্ষণিক ও দূরবর্তি ফলও আমরা পেয়েছি, পাচ্ছিও। কিন্তু আপামর মুসলিম জনতা তাঁদের এই প্রচেষ্টাকে দেখেছেন নিছক ‘ধর্মীয় আন্দোলন’ ‘ইসলামি পূনর্জাগরণবাদ’ কিংবা ‘স্বাধীনতা আন্দোলন’ হিসেবে। এর সাথে তারা নিজেদের সমাজ জীবনের সাংস্কৃতিক দিকটিকে অঙ্গিভূত করেনি।
ফলে ইসলামি সাংস্কৃতি পূনরুদ্ধারে দু’একটা মহলের বিচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা ছাড়া কোন সম্মিলিত প্রচেষ্টা হয়নি। ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ’ এঁরা যে মহৎ প্রচেষ্টা শুরু করেছিলেন, তার সাথে সাধারণ জনগণ যোগ দেয়নি। যে কোন পরাজিত জাতিই সর্বপ্রকারে হারানো শক্তি, ঐতিহ্য পূনরুদ্ধারে চেষ্টা করে। আফসোস, বাঙ্গালী মুসলমান সে কাজটিও করেনি!
সম্ভবত দু’টো কারণে। প্রথমটি; উপমহাদেশীয় সমকালীন মুসলিম সমাজ নিজেদের ইতিহাস আর ঐতিহ্য নিয়ে সচেতন নয়। এরা ধর্ম, ইতিহাস, আর সাংস্কৃতি, এসবের মধ্যে স্পষ্ট বিভাজনরেখা টেনে জীবনকে খন্ডিত, বহুধাবিভক্ত করেছে!
মুসলমানদের অতিত ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে। কথায় আছে ‘দ্যা ওয়ান হু কন্ট্র্রোলস্ দ্যা পাষ্ট, কন্ট্রোলস্ দ্যা ফিউচার। মুসলমানদের অতিত ইতিহাসকে কন্ট্রোল করেছে ইংরেজ ও হিন্দুরা। ফলে আমাদের ভবিষ্যৎ পথনির্দেশও দিয়েছে নেহেরু, গান্ধী, বল্লভ ভাই, রামমোহন’রা!
দ্বিতীয় কারণ, মুসলমান সমাজে বাস করেও মতাদর্শগত বা চিন্তার পার্থক্য থাকায় সমাজের একটা গোষ্ঠি অপর উৎসাহি গোষ্ঠিকে সঠিক ইতিহাস চর্চার কাজে সহযোগীতা না করে এলক্ষ্যে সামান্যতম উদ্যোগকেও সর্বশক্তিতে প্রতিরোধ করেছে। এই আভ্যন্তরীণ অনৈক্যই সবচেয়ে বড় বাধা। এ বাধা দূর করতে রাজনীতিবিদ, সমাজের জ্ঞানী-গুণী, লেখক, চিন্তাবীদ, বুদ্ধিজীবি কবি, সাহিত্যিকবৃন্দ অনেকেই চেষ্টা করেও সফল হননি।
এতদ্বাঞ্চলে হাতে গোণা দু’একজন, যেমন, কবি ইকবাল, নজরুল, পরবর্তিতে ফররুখ, প্রমূখ ছাড়া আর কেউ ইসলামি আদর্শভিত্তিক সাহিত্য চর্চায় এগিয়ে আসেননি। মুসলিম সাহিত্যিকদের অধিকাংশই ভিন্নাদর্শের কাছে আত্ববিক্রয় করেছেন। তাঁদের সাহিত্য বরং উল্টো মুসলিম গণমানসকে ইসলামি ইতিহাস, সংস্কৃতি, তথা ইসলাম থেকে দূরে নিয়ে গেছে।
অপরদিকে হিন্দু সাহিত্যিকরা নিজেদের আদর্শ-মূল্যবোধ ভিত্তিক সাংস্কৃতিক বলয় গড়েছেন, নিজেদের কৃষ্টি, ইতিহাস ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। এরকম সাংস্কৃতিক বলয়ে নিয়োজিত থেকেই বঙ্কিমচন্দ্র, কবি রবীন্দ্রনাথ ব্রাহ্মণ্যবাদী যে বিশাল সাহিত্য গড়েছেন, তা ভারতের আগামি গতিপথকেই কেবল নির্দেশ করেনি বরং এর চালিকাশক্তি হয়েছে। তাদের পরিচিতিকে সুসংহত করেছে, ইতিহাসকে তুলে ধরেছে সমকালীন প্রজন্মের কাছে।
সেই হিন্দুত্ববাদী সাহিত্যকেই আজ মুসলিম জনমানসে প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে, তাদেরকে নিজেদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ভূলিয়ে ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে নেবার জন্য। এটাই সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। পক্ষ আর বিপক্ষের, দু’টি আদর্শের, দু’টি সংস্কৃতির সংঘাত। সত্য-মিথ্যা, হক্ক-বাতিলের চলমান যুদ্ধ। অবিরাম চলছে, চলবেও। কার্লমার্কস একে বলেছেন ‘শ্রেণী সংঘাত’। কিন্তু মুসলমানরা জানে, এটা সত্য আর মিথ্যার সংঘাত। হক্ক আর বাতিলের, ইসলাম আর কুফরির দ্বন্দ।
বাংলাদেশে এ দ্বন্দ ইদানিং প্রকটভঅবে দৃশ্যমান! ইসলামি সাংস্কৃতিকে বাংলাদেশ থেকে বিদেয় করার আয়োজন চললেও আমাদের শিক্ষিত স¤প্রদায়, লেখক, কবি, সাহিত্যিকদের অধিকাংশই আছেন এই আয়োজনের ক্রীড়ণক হিসেবে। এটাই সমকালীন বাংলাদেশী সমাজে সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29483144 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29483144 2011-11-14 16:04:41
কেবলমাত্র ইসলামের বিজয় প্রত্যাশীদের জন্য এ লেখা--
বিশ্বটা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। সভ্যতার মৌলিক ভিত্তিমূলে পরিবর্তন ঘটছে। গত পাঁচ শতাধিক বৎসর যে সভ্যতা বিশ্বকে শাসন করেছে, সেই ‘পশ্চিমা সভ্যতা’ বা ‘ওয়েস্ট’ মোট তিনটা বিষয়, Renaissance, Reformation এবং Revolution কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠেছে। মোটামুটি ১৫০০ খৃষ্টাব্দ থেকে এর উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ। আর কতদিন চলবে? প্রশ্ন সেটাই।
জ্ঞানের ক্ষেত্রে যে রেনেঁসার সূচনা হয়েছিল, বিজ্ঞান তাকে একটা শক্তিশালী গতিময়তা দিয়েছে। ফলে জ্ঞান আর বিজ্ঞানের যৌথ সম্মিলনে সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রে ধারণাতীত পরিবর্তন হয়েছে সমাজে।
সে পরিবর্তন থেকে মানুষ কেবল কল্যাণই পায়নি, দূর্ভাগ্যজনকভাবে অকল্যাণও পেয়েছে। এজন্য দায়ীও সে নিজেই। নিজেদের দোষ ঢাঁকতে এটাকে কেউ কেউ ‘বিজ্ঞানের অভিশাপ’ বলে চালিয়ে দেবার ব্যর্থ প্রয়াস করেন!
জ্ঞান আর বিজ্ঞানের সম্মিলনে অভাবনীয় প্রগতির পাশাপাশি এক্ষেত্রে মৌলিক বিপর্যয়ও ঘটে। তার মধ্যে প্রধান দ’ুটি হলো এক: নাস্তিক্যবাদ ও দুই: বিবর্তনবাদ। এই মৌলিক বিপর্যয় থেকেই শুরু ’যুক্তিবাদ’ ‘ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ’ ‘ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ’ ‘কমিউনিজম’ ‘জাতিয়তাবাদ’ ‘বস্তুবাদ’ তথাকথিত ‘নারীস্বাধীনতা’র চেতনা। এবং একেবারে হাল আমলের ‘সাম্যবাদ’ এসব ধারণা।
তথাকথিত ‘সাম্যবাদ’ জন্ম দিয়েছে ফরাসি বিপ্লবের। এমনকি বলশেভিক বিপ্লব’ও। এ দু’টি বিপ্লব গোটা বিশ্বকে পাল্টে দিয়েছে। এরকম আরও ‘বিপ্লব’ আছে! যুগ যুগ ধরে কেবল ‘বিপ্লব’ই ঘটেছে। এখনও ঘটছে। আজ ঘটছে ‘আরব ‘বিপ্লব’। ‘আরব রেভূলিউশন’
এইসব Revolution কে ভিত্তি করে বিশ্বে ক্রমাগত Reformation ঘটছে কয়েক শতাব্দি ধরে। তথাকথিত এই ‘Reformationই কাল হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে মুসলিম বিশ্ব। আর বৃহত্তর অর্থে, শোচনীয় পরিণতির মুখোমূখি পূরো বিশ্ব।
মুসলিম বিশ্বের এ পরিণতির আগে থেকেই ধীরে ধীরে ‘ইউরোপ’র উৎপত্তি। কিছু বিচ্ছিন্ন, ক্ষুদ্র ও পরষ্পর বৈরী সামন্তরাজ্যব্যাপি ক্রমেই একটি আদর্শিক চেতনার ভিত্তিতে গণমানসে একটা ঐক্য তৈরী হতে থাকে। আদর্শটি ‘খৃশ্চিয়ানিটি’ বা ‘খৃষ্টবাদ’।
আন্দালুসীয় মুসলিম শাসনের পতনধারার পাশাপাশি উঠে আসতে থাকে একটি Renaissance, ‘ইউরোপীয় রেনেসা’। এ রেনেঁসার মৌলিক উপাদান ‘বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষতা’ সেটি ইউরোপ পেয়েছে মুসলিম বিশ্ব থেকে, মুসলিম বিশ্বের বাগদাদ, দামেস্ক আর আন্দালুস থেকে।
১০৯৫ থেকে দু’টি শতাব্দীর রক্তক্ষয়ী ক্রুসেডের ধারাবাহিকতায় ইউরোপের সামনে জ্ঞান বিজ্ঞানের দূয়ার খুলে যায়। আব্বাসীয়, উমাইয়া এবং ফাতেমী খলীফারা যখন ভোগ বিলাসে এবং ক্ষমতার দ্বন্দে, হানাহানীতে মগ্ন, ঠিক তখনই ধীরে ধীরে ইউরোপে ঘটে চলেছে ইউরোপীয় রেনেসা।
খৃষ্টধর্ম বিশ্বাসই মূলত এই ভূখন্ডে বসবাসরত পরষ্পর বিচ্ছিন্ন, বৈরী ও বিরুদ্ধভাবাপন্ন বিরাট জনগোষ্ঠিকে একটি বৃহত্তর ঐক্যের বলয়ে আনে। এই ঐক্যই কালক্রমে সামাজিক, রাজনৈতিক এবং একটি সাংস্কৃতিক পরিবর্তন ঘটায়। এটাকেই বলেছি Reformation, সপ্তম শতাব্দী থেকে এর শুরু।
খৃষ্টবাদী সন্যাসীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে পূরো ইউরোপে সৃষ্ট সাং®কৃতিক আবহটি ছিল নিরেট খৃষ্টবাদী এর মূল চাবিকাঠি ছিল খৃষ্টিয় সন্যাসীদের হাতে। একজন ইউরোপিয়ান গবেষকের কথায়;
For a thousand years monasticism was to loom large in the cultural history of Europe; at times it dominated it. It is virtually impossible to imagine European culture without the monks. (THE TRIUMPH OF THE WEST. J Roberts. pp85)
পূর্ব ইউরোপে রোমকে কেন্দ্র করে খৃষ্টবাদ বিস্তৃতির প্রয়াসে যখন লিপ্ত, ঠিক তখন ইসলামের আবির্ভাব। ইসলাম আরব, আফ্রিকা ও এশিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হবার কয়েকশত বৎসর পরে মুসলিম জগতের জ্ঞান-বিজ্ঞানের ঢেউ আন্দালুসিয়ায় মুসলিম সমাজের হাত ধরে আসে ইউরোপের হাতে। সেই একই মনীষির কথায়;
By the end of seventh century, Roman Christianity was the dominant form in western Europe and its great achievement in the Dark Ages would be to make a whole new world which was Christian throughout from the debris of the classical past and the cultural gifts brought by the barbarians. (THE TRIUMPH OF THE WEST. J Roberts. pp85)
সাদামাটা কথায়, ইউরোপিয়ান সভ্যতা ইসলামি জ্ঞান আর বিজ্ঞানের পরিমার্জিত রুপকে ধারন করেই গড়ে উঠেছে। সেই স্বীকৃতিই লেখক দিচ্ছেন এখানে। এভাবেই সমাজে Reformation হচ্ছে। ক’বৎসর আগে কমিউনিজিমের মৃত্যু দেখলাম। আরব জাতীয়তাবাদের মৃত্যুও দেখেছি জামাল আব্দুন নাসের, হাফেজ আল আসাদ, সাদ্দাম হোসেন গংদের শোচনীয় পরিণতিতে। আজ গ্রীস, ইটালি, আয়ারল্যন্ড, পর্তূগাল, আমেরিকা, ব্রিটেন, বলা চলে পূরো পশ্চিমা বিশ্বে দেখছি পূঁজিবাদের মৃত্যু ঘন্টাও!
বিশ্বব্যাপি ইসলাম বিদ্বেষী সংস্কৃতিক বলয় প্রস্তুতকারী সরকার ও বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলো (আইএম এফ, ইউনিসেফ, জাতিসংঘ ইত্যাদি) যে ব্যর্থ, তা বোঝা যায় খোদ ইউরোপসহ সারা বিশ্বজুড়ে অকল্পনীয় গতিতে ইসলামি পূনর্জাগরণ দেখে।
প্রশ্ন হলো, আজ যে বিশ্বরাজনীতিতে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে, এর শেষটা কেমন হবে? কি হবে? কারা শেষপর্যন্ত এই পরিবর্তনের ফসলটাকে ঘরে তুলবে? আর একটু ভেঙ্গে বলি। যে দ্রুততার সাথে বিশ্বপরিস্থিতি পাল্টা”্ছ,ে তা উপলব্ধী করতে, নিজেদের অনূকুলে নিতে ইসলাামি আন্দোলনের নেতা কর্মীরা কি আদৌ প্রস্তুত? আদৌ সচেতন?
ইসলামের বিজয় দেখতে প্রত্যাশীদের সামনে ভাবনার কিছু মৌলিক সুত্র তুলে ধরতেই এই লেখা। কারো মনে যদি বিন্দুমাত্রও চিন্তার খোরাক জাগে, তবেই এ নিবন্ধের সার্থকতা। (সংক্ষেপিত)

পূরোটা পড়তে ক্লিক করুন,সোমবার থেকে: http://www.eurobangla.co.uk/

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29482660 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29482660 2011-11-13 20:50:32
উফ! কি বাঁচাই না বাঁচা গেল! শেষ পর্যন্ত কথা রেখেছেন। বলেছিলেন দেশ ছেড়ে যাবেন না, মরলে দেশেই মরবেন। ঠিকই, কোথাও যান নি, মরেছেনও দেশের মাটিতেই। তাঁর মৃত্যু নিয়ে চলছে মিডিয়ার খেলা। খেলারাম’রা সব সময় খেলতেই ভালবাসেন্, বিশেষ করে সেই খেলাখেলির মধ্যে যাদের স্বার্থ আছে তারা তো সারাক্ষণই খেলেন!
যদি খেলাটা হয় মুসলমানদের দেশ ও সমাজ নিয়ে, তা হলে তো কথাই নেই, খেলা তখন জমে উঠে। তেমনই জমে উঠেছে গাদ্দাফি পরবর্তি লিবিয়ায়। এ খেলা চলবে আরও অনেক দিন। আপাতত স্বস্তি গাদ্দাফি মরেছেন!
তাঁর মৃত্যুতে ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, আমেরিকাসহ অনেক দেশের রাষ্ট্র প্রধানরাই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন। কারণ আছে। এরা বন্ধু সেজে নিজ দেশের, নিজ গোষ্ঠির স্বার্থ হাসিল করেছেন গাদ্দাফি থেকে। বড় বড় কোম্পানির, নিজ নিজ সরকারের হয়ে লিবিয়িার জনগণকে চুষে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা বাগিয়েছেন যে ভাবে, তা বিশ্ববাসী জানতে পারলে সর্বনাশ, মূখ দেখানোই দায় !
তা থেকে বাঁচলেন বলেই এই স্বস্তি। গাদ্দাফি বেঁচে নেই, আদালতে দাঁড়িয়ে থলের বিড়াল বের করার লোকটি নেই, কি বাঁচাটাই না বাঁচা গেল রে বাবা! উফ! এই ‘উফ’ শব্দটিই যেন শোনা গেল মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি’র মুখে, কাবুলে! বললেন ‘খবরটি সত্য হলে বিশ্ববাসী স্বস্তিতে ঘুমুতে পারবে’। ‘বিশ্ববাসী’ তো আমেরিকা ব্রিটেন, ফ্রান্স এসব দেশের নেতা-নেত্রীরাই! আমরাতো বন বাঁদাড়ের গরু ছাগল!
বিদ্রোহিরা সির্ত এর দিকে এগুতে থাকলে এই নেতাদের হৃদকম্প শুরু হয়। তখন থেকেই শুরু হয় ষড়যন্ত্র। গাদ্দাফি থেকে মুক্তির। গাদ্দাফিকে কোথায় নেয়া হবে? আদালতে? প্রশ্নটির মিমাংসা হয় পর্দার আড়ালে, তখনই।
আদালতে নয়, নির্বাসনেও না। ‘ম্যাডম্যান’ আদালতে সব ফাঁস করবেন, তা নিশ্চিত, তখন মুখ বাঁচানো দায়! অনেকের তো পিঠও বাঁচবে না! অতএব তাঁর ঠিকানা মাটির উপরে নয়, নীচে, ফয়সালা এটাই।
এজন্যই পলায়নরত গাদ্দাফির গাড়ীতে বিমান থেকে ন্যাটোর হামলা। সে হামলায় গাদ্দাফি মরলে সেটা হতো ‘ক্রসফায়ার’ এ মৃত্যু! সবই ঠিক ছিল, ন্যাটো’র ‘প্রেস বিজ্ঞপ্তি’ ‘তদন্ত কমিটি’ ‘দু:খ প্রকাশ’ এর বিবৃতি, সব কিছু!
কিন্তু তা হয়নি। বিমানের গোলায় গাদ্দাফির প্রায় পঞ্চাশজন রক্ষী মরলেও তিনি বেঁচে যান, দৌড়ে আশ্রয় নেন সুয়েজ পাইপের অভ্যন্তরে। হায়রে নিয়তি! যাদের তিনি ‘সূঁচো-ইঁদুর’ ‘তেলাপোকা’ বলে সেদিনও কটাক্ষ করেছেন, তাদেরই ভয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেকেই ইঁদুরের মত নর্দমায় লুকোতে হয়!
চার দশকের স্বৈরশাসক, প্রতাপশালী ডিক্টেটর, সত্তর-আশির দশকে মুসলিম বিশ্বে ‘গ্রীন রেভুলেশন’ রপ্তানিকারক দার্শনিক (!), কথার ফুলঝুরিতে ফিলিস্তিন-জেরুজালেম মুক্ত করা ‘মুজাহিদ’ শেষ পর্যন্ত নর্দমায়!
তিনি নাকি সোনার পিস্তল রাখতেন সাথে। কুড়ি হাজার কোটি ডলার জমিয়েছিলেন প্রয়োজনের সময় ‘কাজে লাগানো’র জন্য, মাটির নীচে দূর্ভেদ্য ব্যংকার গড়েছিলেন! এমনই হয়। সময় ঘনিয়ে এলে বিশ্বটা ছোট হয়ে যায়, সোনা দানা হয় অপাংক্তেয়! ডলার, পাউন্ড হয় অচল! দূর্ভেদ্য দূর্গও ধসে পড়ে
ন্যাটোর গোলায় ‘ক্রসফায়ারে’ মরলেন না! লুকোলেন নর্দমায়। নিরস্ত্রাবস্থায় ধরা হলো। এই ভয়ই করেছিলেন আমাদের ব্লেয়ার, ক্যমেরুন, ওবামা, হিলারি, সারকোজি! অবশ্য প্রস্তুতিও ছিল। ‘ক্রসফায়ার মৃত্যু’ না হলে বিকল্প ব্যবস্থাও ছিল।
‘বিকল্প ব্যবস্থায়’ বিদ্রোহীদের মধ্যে ‘নিজেদের লোক’ বসানো ছিল। সেই ‘নিজেদের লোক’গুলোই মুখ বাঁচিয়েছে! উফ! কি বাঁচাটাই না বাঁচা গেল! মিডিয়া এ অপারেশনটাকে বৈধতা দিতে বলছে, ‘তিনি আহত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন’। ‘অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা গেছেন’। বাস্তবতা হলো, সুস্থ গাদ্দাফিকে অত্যাচার করে, কাছ থেকে বাম চোখ ও কানের মধ্যবর্তি স্থানে মাথায় একটা, ও পেটে একটা, দু’টি গুলিতে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি বলেছিলেন, দেশ ছাড়বেন না, মরলে দেশেই মরবেন, লড়ে মরবেন। মরেছেনও। কথা রেখেছেন। আমরা চেয়েছিলাম, তিনি আদালতে উঠুন, চার দশকের হিসাব দিন। অনেক হত্যা, গুমের হিসাব পাওনা ছিল তাঁর কাছে। কিন্তু তিনি আজ দুনিয়ার আদালতে সকল হিসেবের উর্ধে। মৃত অতিত!
একইভাবে তাঁর ছেলে মু’তাসিমকে মারা হয়েছে। মৃত্যুর মিনিট তিনেক আগেও জিন্স পরিহিত ছেলেটি ডান হাতে পানির বোতল নিয়ে বসে পানি পান করল, বাম হাতের দু আঙ্গুলে তখনও জলন্ত সিগারেট, ঠিক তেমনাবস্থায় বুকের উপরে, গলার নীচে একটামাত্র গুলি করে ঠান্ডা মাথায় মারা হলো।
আজ লিবিয়া স্বাধীন! বিদ্রোহীরা স্বাধীনতা (!) ঘোষণা করল রোববার। আজ যদি সে স্বাধীনই হয়, তা হলে পরাধীনতার সংগা আবার নতুন করেই লিখতে হবে। ন্যাটো এখনও লিবিয়ার মাটিতে! হিঁসেব-নিকেশ, লেন-দেন এখনও বাঁকি। অনেক দায়, অনেক ঋণ শুধতে হবে দেশটাকে। স্বাধীনতার দাম দিতে হবে না?
লিবিয়ার অন্তর্বতিকালীন কাউন্সিল বলছে, তারা নতুন লিবিয়াকে ইসলামি ধঁচে সাজাবেন। নেক নিয়তের জন্য তাঁরা আল্লাহর কাছে প্রতিদান পাবেন। তবে ‘দিল্লি হনুজ দূর অস্ত’! দিল্লি অনেক দূর!
লিবিয়া গৃহযুদ্ধের সম্মুখীন। গৃহযুদ্ধে উভয়পক্ষকে নিরস্ত করতে, সাধারণ জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা (!) নিশ্চিত করতে ন্যাটোকে থাকতে হবে আরও অনেক দিন! বিদ্রোহিরা তা মানবে না, গড়বে প্রতিরোধ। বন্ধুদের দেয়া অস্ত্র তো হাতে আছেই, নিশানাটাই বদলাবে কেবল!
আর এক পক্ষ ন্যাটোকে সহযোগিতা করবে লিবিয়ার জনগণের বৃহত্তÍ স্বার্থে (!) ‘কারজাই’ লিবিয়াতেও আছে! পক্ষ-বিপক্ষের এই টানা পোড়েনে লিবিয়ার নিয়তি গৃহযুদ্ধ, তা নিশ্চিত। এরই মাঝে হারিয়ে যাবে অন্তর্বতি কাউন্সিলের ‘ইসলামী লিবিয়া’র স্বপ্ন।
অবাক কান্ড দেখুন, গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে একটি মুসলিম দেশ ইসলামিকিকরণের বন্ধে ঠিক এই ত্বত্তটিই সিকি শতাব্দী আগে দিয়েছে আমেরিকান টাইম ম্যাগাজিন, ১৯৮৬ সালে! তাও আবার লিবিয়াকে নিয়েই লিখেছিল সংখাটি। হেডিং ছিল Target Gaddafi"
সেখানে দাওয়াই বাতলে বলেছিল " the best way to deal with the spread of Islam is to induce civil wars" মুসলিম দেশে ইসলামের বিস্তার রুখতে গৃহযুদ্ধই সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্র!
তথাকথিত স্বাধীন লিবিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়তিও এটাই, গৃহযুদ্ধ। লজ্জা, দু:খ আর অনুতাপের বিষয়, পুরো বিশ্ব বুঝল, বুঝল না কেবল মুসলমানরা! এ কারণেও হিলারি বলতে পারেন, উফ! কি বাঁচাই না বাঁচা গেল!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29471806 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29471806 2011-10-24 17:31:35
একটি মানবিক আবেদন: কিডনি চাই (রিপোষ্ট)

Shahjad Quereshi - 0044- 07989429978
Zia ul Haque 0044-07889880535


অথবা মেইল করুন।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29400696 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29400696 2011-06-22 11:36:44
একটি মানবিক আবেদন ও পজেটিভ '। আগ্রহী দাতা বা বিক্রেতা অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন।


Shahjad Quereshi - 0044- 07989429978
Zia ul Haque 0044-07889880535


অথবা মেইল করুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29400561 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29400561 2011-06-22 01:59:03
জাস্টিস হ্যাজ বিন ডান! রিয়েলি? হোয়াট এ ফান! (১)


১৯৭৯ সালে সোভিয়েত রাশিয়া আফগানিস্থানে ঢুকে পড়ে, দখল করে নেয় দেশটা। আফগানিস্থানকে একটি কমিউনিষ্ট রাষ্ট্র হিসেবে গড়া আর স্ট্রাটেজিক পয়েন্ট থেকে পুরো প্রাচ্য এবং মধ্যপ্রাচ্যকে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য নিয়ে। আমেরিকার টনক নড়ে। ঘুম হারাম হয়ে যায়। বৈশ্বিক রাজনীতিতে ঘটে এক সুনামি!

সোভিয়েত রাশিয়াকে আফগানিস্থান ছেড়ে যেতে বাধ্য করতে আমেরিকার বড় প্রয়োজন পড়ে আফগানবাসীকে যেমন, তেমনি পাকিস্থানকেও। আফগানিস্থানের বিক্ষুব্ধ, হতদরিদ্র, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও আধুনিক সামরিক শক্তিতে দূর্বল, অনভিজ্ঞ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দিয়ে শক্তিশালী সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলাটা আমেরিকার জন্য এক কথায় অসম্ভব এক কাজ। কিন্তু সেই অসম্ভবকেই আমেরিকা সুক্ষ ও কুশলী পদ্ধতিতে সম্ভব করে তোলে।

কি ছিল সেই কুশলী পদ্ধতিটি? সেই কুশলী পদ্ধতি ছিল, আফগান জনগণকে সামরিক শক্তিতে প্রশিক্ষণ দেবার পাশাপাশি তাদেরকে সংঘটিত করা। সংঘটিত করা কেবলমাত্র দেশ পুনরুদ্ধারেই নয়, বরং তার চেয়েও বেশী ‘কিছু একটা’ করা। সেই বেশি ‘কিছু একটা’ হলো ‘কমিউনিষ্ট কাফের’দের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’ এ নামানো! একটি মুসলিম দেশের জনগণকে আমেরিকান সরকারের মত কট্টর ইসলাম বিদ্বেষি একটা সরকার জিহাদে নামতে উদ্বুদ্ধ করেছে! এ জন্য তারা কোটি কোটি ডলার খরচও করেছে।
আফগানিস্থানে স্কুল কারিকুলামেও ছাত্রদের কাছে জিহাদের প্রয়োজনীয়তা, উপকারিতা আর অপরিহার্যতা তুলে ধরা হয়েছে! কার টাকায়? আমেরিকার টাকায়। খোদ আমেরিকারই এক পত্রিকা এ ব্যাপারে জানান দিচ্ছেন আমাদের এভাবে:

"The United States spent millions of dollars to supply Afghan schoolchildren with textbooks filled with violent images and militant Islamic teachings....The primers, which were filled with talk of jihad and featured drawings of guns, bullets, soldiers and mines, have served since then as the Afghan school system's core curriculum. Even the Taliban used the American-produced books,..", (Washington Post, 23 March 2002)

গরজ বড় বালাই-ই বটে! আর জিহাদের জন্য আফগান ধর্মপ্রাণ আফগান জনগণকে সংঘবদ্ধ করতে তার একজন আলেম, ইসলাম জানা, মুসলমান নেতা প্রয়োজন। আর যদি খোদ ইসলামের কেন্দ্রভূমী মক্কা বা মদীনার কোন আলেম হয়, তা হলে তো কোন কথাই নেই! পাক ভারতীয় উপমহাদেশের সাধারণ জনগণের মনে মক্কা বা মদীনা তথা সউদি আরবের কোন শেখ এর প্রতি যে ধরনের মানসিক দূর্বলতা ও আবেগ রয়েছে, তাকে পুরোপুরিভাবেই কাজে লাগানো যায়!

সেই সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগানোর জন্যই আমেরিকান সরকারের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ব্যবসায়িক পার্টনার বিন লাদেন পরিবারের একজন আলেম (!)কে ধরে আনা হলো। সি আই এ এবং আফগান জনগণের মধ্যে লিংক বজায় রাখার কাজই কেবল নয়, বরং ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শকে কাজে লাগিয়ে তাদেরকে জিহাদের জন্য সংঘবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে।

আফগান জনগণকে ইসলামের বাণী, এর শিক্ষা, জিহাদ শেখানোর জন্য আমেরিকার টাকায় একের পর এক খোলা হতে থাকে মাদ্রাসা। পাড়ায় পাড়ায়, অলিতে গলিতে খোলা হয় মাদ্রাসা। কমিউনিষ্ট রাশিয়া যখন আফগানিস্থান দখল করে রেখেছে, ঠিক তখনই আমেরিকার টাকায় প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে এসব মাদ্রাসাগুলো! ১৯৮০ সালের দিকে পুরো আফগানিস্থানে যেখানে মাত্র ২৫০০ মাদ্রাসা ছিল, তা মাত্র কয়েক বৎসরের মধ্যে উন্নীত হয় ৩৯০০০ (উনচল্লিশ হাজার) এ! আমেরিকার দেয়া অর্থে, তাদের পরিকল্পনায় কে এ কাজটিকে মাঠে বাস্তবে রুপ দিয়েছিলেন?

তিনি আর কেউ নন। তিনিই হলেন বিন লাদেন, ওসামা বিন লাদেন! আমেরিকার অর্থে, তার দেয়া অস্ত্রে, তার পরামর্শে আর প্রেসিডেন্ট রিগানের নেতৃত্বে পুরো আমেরিকান জনগণের গরজে শুরু হলো জিহাদ! ইসলামিক জিহাদ! সারা বিশ্বময় তখন আল্লাহর রাস্তায় জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত ‘মুজাহিদ’ খোজা হয়েছে। বিজ্ঞাপনও দেয়া হয়েছে। না, আফগান জনগণ সেসব বিজ্ঞাপন দেয়নি। দিয়েছে আমেরিকান সরকার, সে দেশের জনগণের টাকায়! এক গবেষকের বক্তব্য তুলে ধরছি, তিনি লিখেছেন;

"Advertisements, paid for from CIA funds, were placed in newspapers and newsletters around the world offering inducements and motivations to join the [Islamic] Jihad." (Pervez Hoodbhoy, Peace Research, 1 May 2005)

এর পরের ইতিহাস সবারই কমবেশী জানা। সে ইতিহাসের পূনরাবৃত্তি এখানে করার কোন সুযোগ নেই। আর তার জন্য úর্যাপ্ত পরিসরও এটা নয়। কিন্তু যে কথা বলতেই হয়, তা হলো, আমেরিকার প্রস্তুতকৃত মুজাহিদ ফ্রাংকেস্টাইনের দৈত্যের মত করে যখন তার নিজের উপরেই ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তখনই আমেরিকার গা’এ জ্বালা ধরেছে।
সেই জ্বালারই বিষময় ফল হলো নিজেদের হাতে গড়া এক কালের বিশ্বস্থ বন্ধুকে নিরস্ত্রাবস্থায় নৃশংসভাবে হত্যা করে উল্লাসে ফেটে পড়া। কিন্তু তাঁরা বোধ হয় স্বাভাবিক বোধটুকুও হারিয়ে ফেলেছেন, তা না হলে ঠিকই বুঝতেন যে, বিশ্বাসীর জ্ঞান, তাদের স্মৃতি এখনও পুরোপুরি লোপ পায় নি। কোটি কোটি লোক জানেন, ওসামা আসলে কার প্রোডাক্ট? তারা জানেন, সেই পোডাক্টকে হত্যা করে তা নিয়েও আমেরিকার ঘৃণ্য রাজনীতির শেষ হয়নি।

বরং তা হয়েছে আরও উৎকট, নৃশংস। আরও পৈশাচিক, আরও বর্বর। এই বর্বরতা, এই পৈশাচিকতা আর বিকৃত উন্মত্ততার আড়াল গলে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে আরও এক কলংক। আর সেটা হলো, মিথ্যাচার। জঘন্য মিথ্যাচার। আমেরিকা ওসামার মৃত্যু নিয়ে একের পর এক মিথ্যাচার করে চলেছে। প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেছেন, এই বিশ্ব আর কোনদিন ওসামাকে তার বুকের উপরে হেটে বেড়াতে দেখতে পাবে না।
কথাটা একেবারে সত্যি। এটা নতুন কিছুই নয়। মুসলমানরা, বিশেষ করে, বোদ্ধা গোষ্ঠি অনেক আগেই সে ঘটনা জানেন। খোদ আমেরিকার অনেক রাজনীতিবিদ আর ইন্টালিজেন্স বিভাগের হোমরা চোমারা সে কথা বলেছেন প্রকাশ্যেই। উদাহারণ লাগবে? দিচ্ছি দেখুন;

হেনির কিসিঞ্জার, জেমস বেকার আর সাইরাস ভ্যান্স এই তিনজন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী বা ফরেন সেক্রেটারীর অধিনে ডেপুটি এ্যসিষ্ট্যান্ট সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করেছেন, এমন একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি Steve R. Pieczenik সেই ২৪ এপ্রিল ২০০২ Alex Jones Show নামক টিভি টক শো’তে বিশ্বকে জানিয়েছিলেন, ওসামা বিন লাদেন মারা গেছেন অনেক আগেই। কি ভাবে তিনি মারা গেছেন? তার জবাবও তিনি দিয়েছেন, কিডনি অকেজো হয়ে।

একথাটাই একবার এক অসতর্ক মহুর্তে মুখ ফসকে বলে ফেলেছিলেন সেই ২০০২ সালের জানুয়ারি মাসেই, পাক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, ওসামা’র কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন অকেজো হয়ে যাওয়াতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন পূর্ব আফগানিস্থানের এক শহরে। পরে অবশ্য ‘ড্যাডি’র ধমক খেয়ে মোশাররফ সংগত কারণেই আর মুখ খুলেন নি!

যাহোক, আমেরিকান সরাকরের এক সময়কার উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই ব্যক্তি উক্ত টক শো’তে এটাও জানান দিয়েছেন যে, যে ভিডিও ফিল্ম এ ওসামা বিন লাদেন ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে হামলার দায় দায়িত্ব স্বীকার করছেন বলে দেখানো হয়েছে, সেটি জাল একটা ভিডিও।

সিআইএ’র এই প্রাক্তন এক কর্মকর্তা এক রেডিও টক শো’তে প্রশ্নের উত্তরে জানান দিয়েছিলেন যে, ওসামা মারা গেছেন। ২০০১ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ফক্স নিউজ টেলিভিশন চ্যানেল আফগানিস্থানের এক সুত্রের বরাত দিয়ে জানান দেয় যে, বিন লাদেন মারা গেছেন।

১৭ই জুলাই, ২০০২ এ এফ বি আই এর কাউন্টার টেররিজম বিভাগের তৎকালিন প্রধান ডেল ওয়াটসন (Dale Watson), , এর পরে ঐ একই বৎসরের অক্টোবরে সি এন এন এর সাথে এক স্বাক্ষাৎকারে আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই, ২০০৩ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে প্রাক্তন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেডেলিন অলব্রাইট ফক্স নিউজ চ্যানেলে এক টক শো’তে, ২০০৫ এর নভেম্বরে প্রভাবশালী মার্কিন সিনেটর হ্যারি রিড, ২০০৭ এ পাকিস্থানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো আল জাজিরা টিভিতে ডেভিড ফ্রস্টের সাথে এক টক শো’তে, ২০০৯ এর মার্চ মাসে বোস্টন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা এঞ্জেলো কডোভিলা (Angelo Codevilla), ঐ একই বৎসরের মে মাসে পাকিস্থানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আসিফ জারদারী এক সাক্ষাৎকারে জানান দিচ্ছেন যে, বিন লাদেন বেঁচে নেই।

যে লাদেন আজ থেকে কয়েক বৎসর আগেই মারা গেছেন সেই লাদেনকে আবার নতুন করে বধ করার এই নাটক করার কি দরকার ছিল? প্রশ্নটা খুব স্বাভাবিকভাবেই উঠবে। উঠবে কি, ইতিমধ্যেই সেটা উঠেছেও। সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজব এই নিবন্ধেই। আরও একটু পরে, তবে তার আগে বর্তমান নাটক নিয়েই আরও কিছু কথা বলে নেওয়া দরকার বোধ করছি।

‘লাদেন বধ’ নাটকের অংশ হিসেবে বন্ধুকে হত্যা করে তার ছবি বিশ্বময় ছবি ছেড়ে দেওয়া হলো, সে ছবিতে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট ওবামা, ফরেন সেক্রেটারি মিসেস ক্লিন্টন এবং জাতিয় নিরাপত্তা কাউন্সলের উচ্চপদস্থ পরামর্শক এবং অতি অবশ্যই সি আই এ’র ডাইরেক্টÍ একত্রে বসে পাকিস্থানে কথিত বাড়িতে বিন লাদেন বধ অভিযান দেখছেন। উক্ত অভিযানে অংশ নেওয়া কমান্ডোদের মাথার হেলমেটে সাঁটা ক্যমেরার মাধ্যমে তাঁরা নাকি অভিযানটি লাইভ দেখেছেন। ঘটনার আকষ্মিকতায় মিসেস ক্লিন্টনতো বিষ্ময়ে, উত্তেজনায় তাঁর একটা হাত দিয়ে খোলা মুখ ঢাঁকার চেষ্টা করছেন, সেটাও দেখলাম আমরা, দেখেছেন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষও।

ছবিটি হোয়াইট হাজউজের ভেতরের। রাস্তায় ঘটে যাওয়া কোন ঘটনার ছবি নয়। আর ছবির সাথে যে ব্যাখা দেওয়া হয়েছিল, সেটাও সেই হোয়াইট হাউজেরই দেওয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের ভেতরের ছবি। ছবিটি কেউ মেনিউপুলেট করে নি। নিউজ এজেন্সিকে সরবরাহ করেছে খোদ হোয়াইট হাউজের পাবলিক রিলেশন্স ডিপার্টমেন্ট। এবং ছবিটি তুলেছেনও সরকারি ফটোগ্রাফার, হোয়াইট হাউজে এম্বেডেড সাংবাদিকরা, হাতো গোণা ক’জন, যাদের একেবারে ভেতর থেকে, প্রেসিডেন্টের অফিস থেকে, তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে খবর ও ছবি সংগ্রহ করার বিশেষ অনুমতি আছে, তারা।

অথচ এখন খোদ সি আই এ’র প্রধান বলছেন উল্টো কথা। গেল ৪ তারিখে তিনি আমাদের সদয় হয়ে জানালেন যে, আসলে প্রেসিডেন্ট ও তার পরামর্শকরা, সভাসদরা ওসামা বধ অভিযানটি পুরোপুরি লাইভ দেখেন নি আগে যেমনটি বলা হয়েছিল! যে মহুর্তে কমান্ডোরা ওসামার বাড়ীতে প্রবেশ করে, বা তাঁকে সম্মুখে পায়, সে মহুর্তেই ক্যমেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়! মোট ৩৮ মিনিট ধরে চলা অভিযানটির খুব স্পর্শকাতর মহুর্তে প্রায় ২৫ মিনিট ক্যামেরার এই লাইভ ট্রান্সমিশন বন্ধ রাখা হয়!
এর আগে ঘটনার পর পরই বলা হলো, ওসামা নাকি ছিলেন স্বশস্ত্র। তিনি আত্বসমর্পণ না করে অস্ত্র হাতে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন, তাই নিরুপায় হয়ে তাঁকে গুলী করে হত্যা করা হয়েছে। এখন সেই খোদ আমেরিকান সরকারই আবার বলছেন, না, তাঁর হাতে কোন অস্ত্র ছিল না।

অস্ত্রই যদি না থাকে তা হলে প্রশ্ন উঠতেই পারে, তিনি প্রতিরোধ গড়লেন কিভাবে? আবার বলা হয়েছে, ওসামা নাকি তাঁর স্ত্রীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন, তাই সেই স্ত্রীও নিহত হয়েছেন। এখন সেই তারাই আবার বলছেন, না, তাঁর স্ত্রী নিহত হন নি। আর পাকিস্থান সরকারও নিশ্চিত করেছেন যে, ওসামার স্ত্রী আহত হয়ে তাদের হেফাজতে চিকিৎসাধীন আছে। (চলবে)








]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29378632 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29378632 2011-05-10 13:33:06
স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তি(?)র স্বাধীনতা দিবস উদযাপন! ট্রাক ভর্তি চাল চুরি!

নাটোর, ২৬ মার্চ (আরটিএনএন ডটনেট)-- নীলফামারীর জলঢাকা খাদ্য গোডাউনে যাওয়ার পথে ছিনতাই হওয়া চাল বোঝাই একটি ট্রাক নাটোরের এক সরকারদলীয় নেতা এবং ওএমএস’র ডিলারের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ওই নেতার ছেলে শাকিল হোসেনকে আটক করেছে।
এরআগে রাত দুইটার দিকে এক মহিলাসহ চার ছিনতাইকারী ঢাকার চন্দ্রা থেকে যাত্রী সেজে ট্রাকে উঠে চালক ও হেলপারকে জিম্মি করে ট্রাকটি ছিনতাই করে।

পুলিশ ও ট্রাক চালক জানান, ট্রাকটি (ঢাকা মেট্রো ট ১৬-৩৪৯২) চট্রগ্রামের এলএসডি গোডাউন থেকে ৩শ’ বস্তা চাল নিয়ে শুক্রবার রাতে নীলফামারীর জলঢাকা যাচ্ছিল। ঢাকার চন্দ্রা এসে চালক ট্রাকটি থামালে গুরুতর বিপদের কথা বলে এক মহিলাসহ চারজন যাত্রীবেশী ছিনতাইকারী একশ’ টাকা করে ভাড়া দিয়ে রংপুর যাওয়ার জন্য ট্রাকে ওঠে।

ট্রাকটি সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড়ে আসার পর ছিনতাইকারীরা তাদের জিম্মি করে ফেলে। চালক ও হেলপারকে এ সময় মুখে কচটেপ মেরে উপরে গামছা দিয়ে বেঁধে রাখে এবং দড়ি দিয়ে হাত পা বেঁধে রাখে। শেষ রাত্রের দিকে ছিনতাইকারীরা ট্রাকটি নাটোর সদরের করোটা গ্রামের স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওএমএস ডিলার ফরিদ হোসেনের বাড়িতে নিয়ে আসে।

আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদের বাড়িতে চাল নামানোর সময় ট্রাকের চালক সুশান্ত কুমার কোনোভাবে মুখের কচটেপ খুলে চিৎকার করলে এলাকাবাসী জড়ো হয়। এলাকাবাসীর সহায়তায় চালক বাঁধন খুলে পালিয়ে নাটোর থানায় এসে খবর দেয়।

স্থানীয় লোকজন কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে এক পর্যায়ে ট্রাক নিয়ে ছিনতাইকারীরা অন্যত্র পালানোর সময় নাটোর থানার এসআই জালাল উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে ২৯২ বস্তা চালসহ ট্রাকটি উদ্ধার করে।

ঘটনার পর থেকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদ হোসেনের বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে সকলে গা-ঢাকা দিয়েছে। তবে ঘটনার সময়ই পুলিশ ফরিদ হোসেনের ছেলে শাকিল হোসেনকে আটক করেছে।

সম্প্রতি নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার আরেক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে ছিনতাই হওয়া আরেকটি ধান বোঝাই ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে।

নাটোরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার নাসিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, স্থানীয় ওএমএস’র ডিলার ও আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ হোসেনসহ সংশিষ্টদের এ ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্ত করছেন। দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। তবে তার ধারণা এই ছিনতাইকারীদের সঙ্গে বড় কোনো চক্র জড়িত আছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29351666 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29351666 2011-03-26 21:52:50
'৭৪ এ বাসন্তী এবং ২০১১ এ ফেলানি: আওয়ামি লীগের কপালে দুই কলংক তীলক! http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29307520 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29307520 2011-01-14 16:15:29 শুভ নববর্ষে একটুখানি চাওয়া মাত্র!
কত বাবা মা নিরবে নিভৃতে বুকে পাথর চাপা দিয়ে কেঁদে চলেছেন। কত শিশু তার বাবার কথা ভেবে , কত বোন তার ভাই এর কথা ভেবে, কত নারী তর বৈধব্যের যন্ত্রণায় রাত জেগে জেগে কাঁদছেন! কে জানে?

একমাত্র গেল বৎসরটাতেই অন্তত কয়েক হাজার খূন হয়েছে এই দেশটাতে। আমরাইতো তা করেছি? আজ এই আমরাই গেল বৎসরের দু:খ, কষ্ট ভুলে নতুন বৎসরকে স্বাগতম জানাচ্ছি সোল্লাসে। যারা গেল বৎসরে তাদের আপন জন হারিয়েছেন, তারাও কি আমাদের মতই ভাবছেন? তারাও কি গেল বৎসরের শোক দু:খ কষ্টকে ভুলে যেতে পারবেন? সত্যিই পারবেন কি?

আজ যখন সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাতে আসছি, তখন এই একই প্রশ্নটাও কিন্তু মনে জাগছে। দোওয়া করি, এই নতুন বৎসরটা যেন গেল বৎসরের চেয়ে অন্তত ভাল হয়, একটু খানি ভালো কেবল। জানি বেশী ভাল চাইতে পারি না। পারিনা, কারণ হাজার হলেও আমরা যে বাঙ্গালী, আজও যে আমরা মানুষ হয়ে উঠতে পারিনি!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29299847 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29299847 2011-01-01 00:57:05
প্রধানমন্ত্রীর নিবন্ধ ও সূখে ভাঁসমান বাংলাদেশ বনাম ট্রুথ মেনিউপুলেশন। Click This Link

উক্ত লেখাটি প্রধানমন্ত্রী শেষ করেছেন এভাবে

' বাংলাদেশের জনগণের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করে উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাদের ভালোবাসার প্রতিদান আমাকে দিতেই হবে। জনগণের জন্য একটা সুন্দর, উন্নত জীবন উপহার দেব—এই আমার প্রতিজ্ঞা।
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
শেখ হাসিনা: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী '

এর পরে গেল শধু এক নভেম্বর মাসেই তিনি বাংলাদেশের জনগণকে কতটা সুখ দিয়েছেন, নিরাপত্তা দিয়েছেন, তার নমুনাও দেখুন; খুন ৩৩৪, ধর্ষণ: ৩১ রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ২৫, রাজনৈতিক সহিংসতায় আহত: ২৩৩০, বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ১৪, সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা বি এস এফ কর্তৃক, ১০, সাংবাদিক নির্যাতন ৪৭, ইভটিজিং ২২৫, আত্বহত্যা ৩৬, চুরি ডাকাতি ছিনতাই ৪০৮,
সুত্র: http://www.mrtbd.org/

এই যদি হয় একজন প্রধানমন্ত্রীর, একটি রাজনৈতিক দলীয় নেত্রীর কথা আর কাজের মধ্যে দৃশ্যমান বৈপরিত্য, তা হলে তাঁকে বোধ হয় আরও একটা ডক্টরেট দেয়া দরকার, ট্রুথ মেনিউপুলেশন এ দক্ষতার কারণে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29294164 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29294164 2010-12-22 15:31:16
ব্রেকিং নিউজ: জাতির জন্য সুখবর! Click This Link

যাক বাবা, দিন যখন বদলেছে,পত্রিকা যখন বলছে তিনি লজ্জায় পড়েছিলেন, তখন না হয় বিশ্বাস করলাম যে, সত্যিই তাঁদের লজ্জা নামে জিনিসটা আছে। এটা জাতির জন্য সুখবরই বটে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29293882 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29293882 2010-12-22 00:08:11
আওয়ামি লীগ মানেই হলো --- - (৯) বদলে যায় কোন কোন টোকাই এর কপালও। দু’বৎসরেই বেড়ে যায় দশ হাজার কোটিপতি। টাকা ভেঁসে বেড়ায় বাতাসে, কেবল হাত বাড়িয়ে ধরা চাই। নাহ, আরও একটা জিনিস চাই। চাই আওয়ামি হাত! আওয়ামি হাত থাকলেই কোটি কোটি টাকা জোটে, জোটে ঘরে বসেই! ফকিন্নির বখাটে পুত্রও বনে যায় কোটিপতি, রাতারাতি! বদলে যায় বটতলার উকিলের কপালও! হাঁকায় পতাকাখচিত গাড়ী, মুখে কথার ফুলঝুরী, কোটি টাকায় কন্যা বিদেয় হয় রাণীর বেশে!
দিন বদলের মোজেজায় রাজাকারও হয়ে যায় বীর মুক্তিযোদ্ধা (!)। যুদ্ধ না করেও বীর বিক্রম! সবই কপালের লিখন! বেশুমার রিজিক। আর রিজিকের মালিক তো আল্লাহ। আল্লাহতে ঈমান বাড়ে বৈকি! কেবলই কি ঈমান বাড়ে? বাড়ে খলীফাতুল মুসলিমিনের সংখ্যাও। চার থেকে বেড়ে পাঁচে ওঠে! শুধু কপাল বদল নয়, দিন বদলও নয়, ঈমানও বদল হয় বটে!
বদলে দেওয়া বলে কথা! সবকিছুই বদলে দিতে হয়। বদলে যেতে হয় নিজেদেরও। কান্না চেপে রেখে হাঁসতে হয়। হাঁসি পেলেও সেখানে জাতিয় শোকে কাঁদতে হয়। কত কিছুই হয়! যারা কাঁদতেও পারেনা, করতেও পারেনা চিৎকার, কেবলই নির্ঘুম রাতে জেগে জেগে তারা নিজেদেরই দেয় ধিক্কার! এসবই দিন বদলের নমুনা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29293611 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29293611 2010-12-21 16:07:44
কোথায় আজ তারা? কোথায় সে জাগ্রত জনতা? http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29287331 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29287331 2010-12-11 00:45:01 কোথায় যেন একটা মিল দেখা যায়।
নরওয়ের এক অনুসন্ধানী সাংবাদিক নোবেল বিজয়ী ড: ইউনুস ও তাঁর ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে একটা ডকুমেন্টারী করেছেন। তা বিশ্বের কয়েকটা টিভিতে প্রচারিত হবার পর থেকে দেশে বিদেশে ব্যাপাক বিতর্কও শুরু হয়েছে। ড: ইউনুসের ক্ষুদ্র ঋণ নয়ে দারিদ্রতা দূর আদৌ হবে কিনা, সেটা নিয়ে প্রশ্ন আছে। সূদের তিনি বিস্তার করিয়েছেন সেটা নিয়ে প্রথম থেকেই ব্যক্তিগতভাবে আমার দ্বিমত ছিল, এখনও আছে। তবে তাঁর উদ্যোগ এবং দুস্থদের জন্য কিছু একটা করার যে মানসিকতা, সেটাকে তো খাটো করে দেখার কোন সুযোগ নেই। তাঁকে পশ্চিমা বিশ্ব নোবেল দিয়েছে তন্ন তন্ন করে তার ব্যপারে খোঁজ খবর নিয়েই। অর্থাৎ তারাই তাকে উপরে তুলেছে। আমরা নই। তাঁকে অভিনন্দন জানাতে ছুটেছিলেন, আজকের প্রধানমন্ত্রী ও বিশিষ্ঠ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড: হাসিনা। মাত্র কিছুদিন আগেও ড: ইউনুসের ছবি দেখেছি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ড: মনমোহন সিং এর সাথে পত্রিকায়। আর আজ যখন ড: ইউনুসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তখনই আমাদের দেশের এক শ্রেণীর আঁতেল তার নোবেল ছিনিয়ে নেবার দাবী জানিয়েছে! স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও তীর্যক মন্তব্য করে তার দূর্ণীতির তদন্ত চেয়েছেন, তাঁকে নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপও করেছেন। আর ওদিকে ড: ইউনুসও তদন্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তদন্ত হবার আগেই আবার ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীও ড: ইউনসুকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছেন।
বাংলাদেশের প্রধামন্ত্রী ড: হাসিনা আর ভারতীয় প্রধামন্ত্রী ড: সিং, দুজনে কোন তদন্ত না হতেই মাত্র চব্বিশ ঘন্টার ব্যবধানে একই রকম তীর্যক মন্তব্য করে বসলেন! ব্যাপারটা কি? দু’জনের বক্তব্যের মধ্যেই কোথায় যেন একটা মিল আছে। সূধী পাঠক কি কিছু আলামত টের পাচ্ছেন?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29284923 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29284923 2010-12-06 22:04:53
প্রশ্নটা কি একটু বাঁকা হয়ে গেল? Click This Link

তা হলে যে প্রশ্নটা এই ডিজিটাল মন্ত্রীকে করতে ইচ্ছা করে তা হলো, আপনারা কেন বিরোধি দলে থাকাবস্থায় এক টার্ম ক্ষমতাকালে ১৭৩ দিন হরতাল ডেকে নিজেদের ক্ষতি করেছিলেন? প্রশ্নটা কি একটু বাঁকা হয়ে গেল?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29280442 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29280442 2010-11-30 00:02:33
এ লজ্জা রাখি কোথায়?
বিস্তারিত জানতে নীচের লিংকটা দেখুন দয়া করে।
Click This Link

Click This Link


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29278671 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29278671 2010-11-27 01:37:21
পরের জন্য গর্ত খুড়লে সেই গর্তে নিজেদেরই পড়তে হয়!
কিন্তু যে ছেলেটির কাছে বোমা ছিল, সেও যুবলীগের একজন ডাকসাইটে কর্মী এবং স্থানীয় তারাগুনিয়া বাজারের আশ পাশ এলাকায় সকলেই এক নামে তাকে চেনে। একজন যুবলীগের কর্মী আত্বঘাতী বোমাবাজ!

ডালমে কুস কালা হায় ভায়া! আসলে বোমাটা পকেটে নিয়েই সযত্নে রাখা হয়েছিল, আজকের বি এন পি'র হরতালে কোথায় সেটা ব্যবহার করা যায়, সে পরিকল্পনা ও নির্দেশনা নিতেই তারা এমপি'র বাড়ীতে গিয়েছিল। কিন্তু বিধি বাম! পরের জন্য গর্ত খুড়লে সেই গর্তে নিজেদেরই পড়তে হয়!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29272162 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29272162 2010-11-14 18:23:14
এ দায় বড়ই নিমর্ম, কিভাবে তা শোধ হবে? http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29272117 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29272117 2010-11-14 17:05:40 বেগম খালেদার বাড়ি কেড়ে নেওয়া প্রসঙ্গে দু'টি কথা;
বলা হচ্ছে উচ্ছেদকৃত বাড়ীটির ঐ জায়গায় নাকি পিলখানা হত্যকান্ডে নিহত বিডিআর সদস্যদের জন্য ফ্লাট নির্মান করা হবে। এটা নিছক একটা ভাঁওতাবাজী। কারণ ক্যন্টনমেন্ট এলাকার মধ্যে হাজার হাজার বেসামরিক লোকরে আবাস ও স্থায়ী বসবাস করার ঘটনা কোনমতেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মেনে নেবেনা। যে কর্নেল গুলজারকে তাপস, নানক, মির্যা আজম গং নির্মমভাবে হত্যা করেছে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে, সেই কর্নেল গুলজারের পরিবারকে সেখানে ফ্লাট নির্মান করে দেবে তারা? এতটাই যদি দরদ থাকত ওদের জন্য, তা হলতো তাদের এভএব হত্যাই করা হতোনা।

প্রেসিডেন্ট বাড়ী দিয়েছিলেন একজন নিহত রাষ্ট্রপধানের স্ত্রী ও পরিবারকে, আজ যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সেই স্বিদ্ধান্তকে পাল্টে দেয়া যায়, তা হলে ম,নে রাখতে হবে, গামা হত্যা মামলার মৃত্যূদন্ডপ্রাপ্ত আসামি সহ সেজদা চৌধুরির ছেলে সাদাবকে রাষট্রপতি যে ক্ষমা করে দিয়েছেন, সেটাও একদিন পাল্টে যাবে, ঠিক এ ভাবেই। কজেই ভেবে চিন্তে কাজ করুন।
আদালতের কথা বলবেন? যে এটা আদালতের সিদ্ধান্ত। তা হলে মনে রাখতে হবে, আজকের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়েও বাংলাদেশের আদালতের একটা অবজারভেশণ আছে, তা হলে তিনি নাকি 'রং হেডেড' । আদালতই যাকে রঙ হেডেড বলে ঘোষণা করেন, তাকে কি ভাবে দেশের জনগণ প্রধানমন্ত্রী বলে মেনে নিতে পারে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29272084 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29272084 2010-11-14 16:15:13
জানতে মন চায় বটে! http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29267768 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29267768 2010-11-06 19:08:30 ৭ই নভেম্বর: চেতনায় বিমূর্ত একটা দিন। একটা কথা জানা ও বোঝা দরকার খুব ভালো করে, আর সেটা হলো, শেখ মুজিবকে হত্যা করেছিল কারা? এর উত্তর তার নিজের দল আওয়ামি লীগই জড়িত ছিল সে হত্যাকান্ডে। আর তাঁকে হত্যা করে কারা সরকার গঠন করেছিল? তার জবাবও কিন্তু সেই একই । আওয়ামি লীগ। ’৭৫ এর ১৫ই আগষ্টের দু:খজনক হত্যাকান্ডের ক্রমধারাই হলো ৩রা নভেম্বরের জেলখানা হত্যাকান্ড ও ৭ই নভেম্বরের সিপাহি জনতা বিপ্লব।
শেখ মুজিবকে যে কোন মুল্যে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য ১৯৭৩ সাল থেকেই ভেতরে ভেতরে জাসদ কাজ করে যাচ্ছিল। এর হোতা ছিলেন সিরাজুল ইসলাম খান, আসম রব আর হাসানুল হক ইনু গং। জাসদ এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র যুবকের পাশাপাশি শিক্ষকদের মধ্যেও নিজেদের আদর্শবাদী লোক তৈরীতে কাজ করে গেছে। আর তখন আওয়ামি লীগের দু:সহ শোষণ আর অত্যচারের বিপরিতে কোন কার্যকর রাজনৈতিক প্লাটফরম না থাকায় জাসদ খূব অল্প সময়েই ছাত্র যুবকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠে। আজকের আওয়ামি নেত্রী বেগম মতিয়া তো সেদিন শেখ মুজিবের গা’র চামড়াই তুলে নিতে চেয়েছিলেন প্রকাশ্য জনসভায়!
যা হোক, পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাসদ সমাজ বিপ্লব ঘটাতে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যেও নিজেদের চর বসায়, সেনাবাহিনীর অনেক অফিসারকে তারা হাত করে ফেলে। কর্নেল তাহের ছিলেন এরকমই একজন। এরা সময় ও সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন, শেখ মুজিবকে হত্যা বা গ্রেফতার করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করার জন্য উপযুক্ত সময়ের। এরই মধ্যে মেজর ডালিম গং দের হাত করে আওয়ামি লীগারদেরই একটা অংশ (খন্দকার মোস্তাক গ্র“প) শেখ মুজিবকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে ফেললে জাসদের সকল পরিকল্পনা ভেস্তে যায়!
আবার অপরদিকে ভারতও নাখোশ হয় দারুণভাবে বাংলাদেশে তার স্বার্থরক্ষাকারী সরকারের পতন দেখে। তারা আরও ক্ষেপে যায়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় আমেরিকাপন্থী খন্দকার মোস্তাককে দেখে। বাংলাদেশের শাসনক্ষমতায় নিজেদের লোক বসাতে তারা ভারতপন্থী ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফকে দিয়ে আর্মির মধ্যে একটা ক্যু করায়। ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ কেবল যে ক্ষমতায় দখল করেছিলেন, তা নয়, তিনি ভারত বিদ্বেষী ও ইসলামপ্রিয় বলে পরিচিত আর্মি অফিসারদের বন্দী করা শুরু করেন, অনেকে আবার এ সময়ে বিভিন্নভাবে ’নিহত’ও হয়!
যেসব অফিসারদের বন্দী করা হয়, তাদের মধ্যে মেজর জিয়াও ছিলেন। এর পাশাপাশি জাসদ আবার কর্নেল তাহেরকে দিয়ে সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নিতে তৎপর হয়। তারা কোনমতেই খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ভারতপন্থী সরকার মেনে নিতে প্রস্তুত ছিলনা।
এভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়ে যায় ভারতপন্থী ও জাসদপন্থী দুই দল সেনাসদস্যদের মধ্যে। ওদিকে মোস্তাকসহ আরও কয়েকজন ব্রিগেডিয়ার খালেদ এবং ভারতপন্থী আওয়ামি লীগার চার নেতা, যারা তখন জেলখানায় বন্দী ছিলেন, তাদের হত্যা করান। এটা সম্ভবত করা হয়েছিল ব্রিগেডিয়ার খালেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে ভন্ডুল এবং খন্দকার মোস্তাকের পথকে নির্কন্টক রাখতে।
এরকম অবস্থায় পুরো সেনাবাহিনী হয়ে পড়ে বিপর্যস্থ, কমান্ড ভেঙ্গে নেমে যায় চরম অস্থিরতার মধ্যে। দশ তখন এক গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। এরকম অবস্থায় এক বিরাট সংখ্যক দেশপ্রেমিক সেনাসদস্য বন্দী আর্মি অফিসারদের মুক্ত করে আনে। তখন, অর্থাৎ সেই চারটা দিন ক্যান্টনমেন্টের ভেতর ও আশে পাশে চলেছে যাচ্ছে তাই অবস্থা। ক্ষুব্ধ সেনা সদস্যদের আক্রোশে ব্রিগেডিয়ার খালেদ প্রথমে গ্রেফতার ও পরে নিহত হন।
যাহোক, সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত অফিসারদের মধ্যে মেজর জিয়াও ছিলেন একজন। সাধারণ সেনা সদস্যদের কোন নেতা না থাকায় তারা জিয়াকেই আর্মির দায়িত্ব নিতে বলে। আর সে সময় যেহেতু আর্মির কমান্ড ভেঙ্গে পড়েছিল, দেশ ও আর্মিকে বাঁচানোর জন্য দূরদর্শী জিয়া দায়িত্ব নেন।
সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিচারে জিয়ার সাথে পেরে না উঠায় কর্নেল তাহের জিয়াকে গ্রেফতার করার স্বিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তাকে ক্যান্টনমন্টের বাইরে কি ভাবে নেয়া যায়? তিনি সিরাজুর রহমান আর ঈনুর পরামর্শে জিয়ার সাথে আপোষরফা ও ক্ষমতা ভাগাভাগির প্রস্তাব দেন, জিয়াকে রেডিও স্টেশনে ভাষণের জন্য ডাকেন।
সে সময় মীর শওকত আলী সহ কয়েকজন আর্মি অফিসার জিয়াকে জাসদের ব্যাপারে সতর্ক করে দেন, আর সকলেই জানত কর্নেল তাহেরের সাথে জাসদের সম্পর্কের কথা। ফলে জিয়া তাহেরের ফাঁদে পা দেন নি। ইতিমধ্যে কর্নেল তাহেরের অনুসারীরা বেশ কয়েকজন আর্মি অফিসার, যাদেরকে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে বাধা বলে মনে করে, হত্যা করে ফেলে।
জিয়া দ্রুত আর্মির মধ্যে কমান্ড এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ফেলেন দেশকে গৃহযুদ্ধের হাত থেকে বাঁচাতে। কর্নেল তাহের গ্র“পকে শেষ পর্যন্ত কাবু করে ফেলা হয়। তাদের বিচারও হয়, আর্মির মধ্যে বিশৃংখলা সৃষ্টি, ক্যু করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা, কমান্ড ভেঙ্গে ফেলা সহ সতীর্থ অফিসারদের হত্যা করার অপরাধে সামরিক আঈনেই। কোর্ট মার্শালে তার মৃত্যুদন্ড হয়। ফাঁসি দেয়া হয়। জাসদ রাষ্ট্রক্ষমতা একেবারে হাতের কাছে পেয়েও তা হারায় দেশপ্রেমিক সিপাহি জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা এবং জেনারেল জিয়ার দক্ষ নেতৃত্বের কারনে। সেই থেকে জিয়ার উপরে জাসদের সীমাহিন আক্রোশ।
বস্তুত, ৭ই নভেম্বর হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে সংহত করার দিন। এই দিন রাম আর বামদেও ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দেয়া গেছে। এ চেতনাটিকে সযতেœ লালন করাই হবে বাংলাদেশের জন্য, এর স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বের জন্য কল্যাণকর।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29267663 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29267663 2010-11-06 14:30:40
৭ই নভেম্বর- ১ http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29267434 http://www.somewhereinblog.net/blog/thinker/29267434 2010-11-06 01:08:29