পিপলস লিবারেশন আর্মি’র (পিএলএ) হয়ে হাতেগোনা কয়েকজন হ্যাকার এ কাজ করছে। অনেকদিন ধরেই বিশ্বের কয়েকটি দেশের মধ্যেই চলছে সাইবার হ্যাকিং প্রতিযোগিতা। সে প্রতিযোগিতায় সবসময় এগিয়ে চীন। ২০৫০ সালের মধ্যে ইলেকট্রনিক সুপারপাওয়ার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, রাশিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করবে চীন। সে লক্ষ্যেই চীনা হ্যাকারদের এ দোর্দন্ড প্রতাপ।
চীনা হ্যাকারদের নিয়ে চিন্তায় যুক্তরাষ্ট্র। সিআইএ নানারকম ব্যাখ্যা দাঁড় করাচ্ছে। তাদের মতে, অর্থনীতি, সামরিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় দ্রুত এগোচ্ছে চীন। এছাড়াও বিভিন্ন গোপন সামরিক ডকুমেন্টস, সেনাপ্রধানদের নানারকম মন্তব্য যুক্ত গোপন ডিজিটাল ফাইলও তারা কব্জা করেছে। পেন্টাগণের মতে, চীন অবৈধভাবে সাইবার কম্পিউটার অপারেশন চালাচ্ছে। গোপন তথ্য চুরি করছে। এ যেন যুদ্ধের এক অশনী সংকেত।
যুক্তরাষ্ট্রের জঙ্গি বিমান বাহিনী গ্রুপ বা পিএলএ’ও জরুরী ভিত্তিতে ঘোষণা করেছে, চীনা মিলিটারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সেক্রেটারিদের সব তথ্য চুরি করেছে। গত জুন থেকেই তারা নিয়মিতভাবে কাজটি করছে। এর মাঝে মিলিটারি ফাইলও আছে। যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি ওয়ার কলেজের কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বলতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য এখন চীনা হ্যাকারদের হাতের মুঠোয়। এ অবস্থা চলতে থাকলে চীন সবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। অন্যদিকে, চীনের দুজন পিএলএ হ্যাকার একটি হ্যাকিং গাইডও প্রকাশ করেছে! টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্যাকিং প্রতিযোগিতায় চীন সেরা এক্সপার্টদের নিয়োগ করেছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে রুশ হ্যাকাররা এস্তোনিয়ার সব সরকারি ওয়েবসাইট, ব্যাংক এবং টেলিফোন নেটওয়ার্ক ধ্বংস করে দিয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মারক রাশিয়া থেকে এস্তোনিয়ায় স্থানান্তরের জেরেই ছিল এ আক্রমণ। এ পরিপ্রেক্ষিতে পেন্টাগণের সাইবার সিস্টেমে কাজ করা সামি সাইজারি বলেন, যদি সব চীনা হ্যাকার একযোগে যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার সিস্টেমে আক্রমণ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের গোটা বিদ্যুত বিতরণ ব্যবস্থা ছয় মাসের জন্য অকেজো হয়ে যাবে।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

