বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ছেলের জীবন কাটে চায়ের দোকানের পানি টেনে
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ছোট ছেলে শওকত আলী পাটোয়ারী। বাবা বীরশ্রেষ্ঠ হলেও নিজে যেন হেরে যাচ্ছেন জীবনযুদ্ধে। দারিদ্র্র্যের সঙ্গে লড়াই করে স্ত্রী ও একমাত্র শিশুকন্যাকে নিয়ে কোনো রকমে বেঁচে আছেন শওকত। কখনো করাত কলে গাছ টেনে কখনো বা চায়ের দোকানের পানি টেনে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বাগপাচড়া গ্রামে ১৯৩৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন। তাঁর দুই ছেলে তিন মেয়ের মধ্যে বড় ছেলে মো. বাহার প্রায় ১৪ বছর আগে মারা যান। তিন মেয়ে বিয়ের পর থেকে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করছেন। ছোট ছেলে শওকত। স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন যখন শহীদ হন, তখন শওকতের বয়স দুই বছর। বর্তমানে ৪০ বছর বয়সী শওকত তাঁর বাবার ভিটেতেই আছেন। স্ত্রী রাবেয়া আক্তার (৩০) ও মেয়ে বৃষ্টিকে (৭) নিয়ে শওকতের সংসার। শওকত জানান, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম কাজ করে কোনো রকমে সংসার চালান। তিনি বলেন, ‘বাবা বীরদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন—সেই গর্বে সব দুঃখ, কষ্ট ভুলে থাকি।’ অর্থকষ্টের কারণে মংলা বন্দরে গিয়ে বাবার সমাধিটিও দেখার সৌভাগ্য হয়নি বলেই কেঁদে ফেলেন শওকত।
শওকতের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘এ ঈদেও নিজেরা কোরবান দিতে পারিনি। পাড়ার লোকজন যখন দুই-তিন টুকরা গোসত হাতে করে দিয়ে যান তখন কষ্টে বুক ফেটে যায়।’ তিনি অভিযোগ করেন, সরকারি সাহায্যও সেভাবে তাঁদের কাছে পৌঁছে না।
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন জাদুঘর ও গ্রন্থাগারের সভাপতি আতাউর রহমান (৭৬) প্রথম আলোকে বলেন, এলাকাবাসীর সহায়তায় শওকত কোনো রকমে বেঁচে আছে। সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আবদুর রহমান বলেন, শওকতকে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
Click This Link
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাম্যবাদী বলেছেন:
কথা খুইজ্যা পাইনা। কি কমু। আওয়ামী-বিএনপি কুত্তার বাচ্চা সরকারগুলি খালি নিজেগো উদর পূর্তি করে।
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের প্রতি আমাদের অনেক ঋণ ।আমরাতো একটা উদ্যোগ নিতে পারি ।
কি বলেন বিবেকবান ব্লগার ভাইরা ???
শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন:
খুব খারাপ লাগছে।
টাইগার্স বলেছেন:
জলবায়ু সম্মেলনের বিরাট লটবহরের (যার অধিকাংশই দলীয় ধামাধরা) একটা মাত্র লোক বাদ দিলে যে টাকা বাঁচত তা দিয়ে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ছেলেটার জীবন স্বচ্ছন্দে কেটে যেত। আওয়ামী-বিএনপি কুত্তার বাচ্চা সরকারগুলি খালি নিজেগো উদর পূর্তি করে। শুধু ভোটের সময় মুক্তিযুদ্ধ ফেরী করে।
অারমান বলেছেন:
টাইগার্স বলেছেন: জলবায়ু সম্মেলনের বিরাট লটবহরের (যার অধিকাংশই দলীয় ধামাধরা) একটা মাত্র লোক বাদ দিলে যে টাকা বাঁচত তা দিয়ে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ছেলেটার জীবন স্বচ্ছন্দে কেটে যেত। সহমত
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
রাজা যায়, রাজা আসে। ওরা ওরকম-ই থাকে, থাকবে এবং ওদের বাপ দাদাদের বিক্রি করেই রাজারা চলতে থাকবে।
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন:
এ ঋণ শোধ করি কি করে?
বিডি আইডল বলেছেন:
এই পোষ্টে + দেয়া মানে নিজেদের লজ্জা দেওয়া
হাসান বলেছেন:
স্বাধীনতা দিবস আসলে দল বেধে যাই স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে, অথচ যারা এই স্বাধীনতা নিয়ে এল তাদের পেটে নেই ভাত।এই লজ্জা কার!
মোস্তাহিদ বলেছেন:
Amar, Amader e lojja kothai rakhbo!Shame ! Shame! Shame.At least 15000 taka should be given monthly to all freedom fighters & their heirs.
আলিম আল রাজি বলেছেন:
যে দেশে মুজাহিদরা বলে তারা স্বধীনতা এনেছে সেই দেশে এইটাই স্বাভাবিক।
বিশ্বমিত্র বলেছেন:
একজন একজন করে কতজনকে এভােব েদখা যােব বলুন? পুেরা ব্যবস্থার পরিবর্তন দরকার ।
রহমানরক্তিম বলেছেন:
হাসান বলেছেন: স্বাধীনতা দিবস আসলে দল বেধে যাই স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে, অথচ যারা এই স্বাধীনতা নিয়ে এল তাদের পেটে নেই ভাত।এই লজ্জা কার!
এনটনি বলেছেন:
এই লেখাটাই ব্লগের পাশাপাশি পেপারে ছাপাইলে কাজ হবে না?দেখেন না ভাই, কোন সাংবাদিক থাকলে ছাপান...
মেহেদি২৪ বলেছেন:
যে জাই বলুন ভাই বাংলাদেশের কোন সরকার ই জাতির সেরা সন্তান্দের সম্মান দেইনি। তারা শুধু মুখের বুলিই ছোরে ।১০০ টা কথার মধ্যে ৯৯ টা কথা মিথ্যা বলে।তাই তারা জাই বলুক তাদের কথা না চিন্তা করে আমরা নিজেরাই কিছু করার চেস্তা করি।আমাদের দেশের অনেক ধনি বাক্তি আছে জারা ইচ্ছা করলেই তাদের সাহায্য করতে পারে এবং জাতির যে ঋন তার কিছু তা হলেও লাঘব করতে পারে।
যে জাই বলুন ভাই বাংলাদেশের কোন সরকার ই জাতির সেরা সন্তান্দের সম্মান দেইনি।
সফটকোন আইসক্রীম বলেছেন:
৮/১০ জন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের আগে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসন করা কি সরকারের দায়িত্ব নয়???
সফটকোন আইসক্রীম বলেছেন:
সাম্যবাদী বলেছেন: কথা খুইজ্যা পাইনা। কি কমু। আওয়ামী-বিএনপি কুত্তার বাচ্চা সরকারগুলি খালি নিজেগো উদর পূর্তি করে।
কাকপাখি ২ বলেছেন:
টাইগার্স বলেছেন: জলবায়ু সম্মেলনের বিরাট লটবহরের (যার অধিকাংশই দলীয় ধামাধরা) একটা মাত্র লোক বাদ দিলে যে টাকা বাঁচত তা দিয়ে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ছেলেটার জীবন স্বচ্ছন্দে কেটে যেত। আওয়ামী-বিএনপি কুত্তার বাচ্চা সরকারগুলি খালি নিজেগো উদর পূর্তি করে। শুধু ভোটের সময় মুক্তিযুদ্ধ ফেরী করে।
তুসিন আহমেদ বলেছেন:
কি বলার আছে........জাতি হিসেবে লজ্জা লাগছে। এটা কি হচ্ছে আমাদের দেশে। সরকার শুধু কি রাজাকারদের বিচারের জন্য কড়ি কড়ি টাকা ডালবে। কিন্তু কাজের কাজ তো কিছু হবে না। কিন্তু যাদের জন্য এই স্বাধীনতা এসেছে তারা কি এমন করে চিরদিন মাথা নিচু করে চলবে। এমন করে কষ্টে কি চলবে তাদের নতুন সংগ্রাম এই স্বাধিন বাংলার মাটিতে। বড়ই মরমাহত হলাম এই খবরটা পড়ে।
অবলা পুরুষ বলেছেন:
সে তো কোন রাজনীতি বিদের ছেলে না............। যদি হত তবে আজ কোন মন্ত্রী থাকত। দেশ প্রেম দিয়ে তো আর ভোট পাওয়া যাবে না। বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ছেলে হলেও তার কোন রাজনীতিক ভেল্যু নেই আর রাজনীতিক ভেল্যু না থাকায় তার কোন দাম নেই। যেই দেশে মুক্তিযোদ্ধারাই ভিক্ষা করে খায় সেই দেশে.........।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















