আমার প্রিয় পোস্ট

এহহামিদা'র ব্লগ!!

“সকল অনুরোধ উপেক্ষা করে সম্পুর্ন নিজের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শেখ মুজিব রয়ে যান নিজের বাসভবনে।”মুলধারা ‘৭১, মঈদুল হাসান!!

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৭

শেয়ারঃ
0 0 0

কিছু দিন আগে বাউবির বইয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি?!! তদন্ত কমিটি গঠন!!!! পোস্ট টি প্রকাশ করেছিলাম!! সেই পোস্ট থেকে ইতিমধ্যেই সকলে জেনে গিয়েছেন যে বাউবির পাঠ্যবই বাজেয়াপ্ত করা হয় ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তুলে!! অভিযোগ করা হয় যে, মুজিবের স্বেচ্ছায় গ্রেফতার হওয়ার বিষয়টি মিথ্যা!!

আজকে বহুল পঠিত একটি বই থেকে কিছু উদ্বৃতি দেয়ার আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস!! বইটির নাম মুলধারা '৭১। লিখেছেন মঈদুল হাসান!!

""""জানুয়ারী বা সম্ভবত তার আগে থেকে যে সমর প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল তার অবশিষ্ট আয়োজন সম্পন্ন করার জন্য মার্চের মাঝামাঝি থেকে ইয়াহিয়া-মুজিব আলোচনার ধুম্রজাল বিস্তার করা হয়। এই আলোচনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে যুগপথ সন্দিহান ও আশাবাদী থাকায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের পক্ষে আসন্ন সামরিক হামলার বিরুদ্ধে যথোপযোগী সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা গ্রহন করা সম্ভব হয়নি।সম্ভবত একই কারনে ২৫/২৬শে মার্চের মধ্যরাতে টিক্কার সমর অভিযান শুরুর হওয়ার আগ পর্যন্ত স্বাধীনতার স্বপক্ষে সুষ্পষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহন করে উঠতে পারেন নি। শেষ মুহুর্তে আওয়ামীলীগের নেতা ও কর্মী যারা তার সাথে দেখা করেছিলেন, তাদেরকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েও তাদের সকল অনুরোধ উপেক্ষা করে সম্পুর্ন নিজের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শেখ মুজিব রয়ে যান নিজের নিজের বাসভবনে।সেখান থেকে গ্রেফতার হন হত্যাযগগের প্রথম প্রহরে।কিন্তু যেভাবেই হোক, ঢাকার বাইরে এই কথা রাষ্ট্র হয়ে পড়ে যে, বংগবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন এবং পাকিস্থানী হানাদারদের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিরোধ সংগ্রামের নেতৃত্ব দান করে চলেছেন। সম্ভবত: তিন সপ্তাহাধিক কালের অসহযোগ আন্দোলনের জোয়ারে বাংলাদেশের সাধারন মানুষের চেতনায় এমন এক মৌল রুপান্তর ঘটে যে পাকিস্থানীদের নৃশংস হত্যাকান্ড শুরু হওয়ার সাথে সাথে বাংলার স্বাধীনতাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য হয়ে ওঠে। পাকিস্থানীদের আক্রমনের সাথে সাথে অধিকাংশ মানুষের কাছে শেখ মুজিবের ৭ ই মার্চের ঘোষনা হয়ে ওঠে এক অভ্রান্ত পথ-নির্দেশ।""""
সুত্র: মঈদুল হাসান, মুলধারা '৭১, প্রথম অধ্যায়!!!

মঈদুল হাসান একজন আওয়ামী ঘরানার লেখক!! যিনি তাজউদ্দিন আহমেদের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন!! আরেকটি ব্যাপার বলে রাখা ভাল বইটির প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৫/৮৬ সালে!! দ্বিতীয় প্রকাশ ১৯৯২ সালের দিকে!!

যেই জিনিষটি খেয়াল করার মত তা হল মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার তথাকথিত টেলিগ্রামের কথা এখানে উল্লেখ করা হয় নি!! কারন, পরে দেখা যাবে যে, সেই সময়ে আম্বা নেতা হান্নানকে স্বাধীনতার ঘোষক বানানোর একটা প্রচেষ্টা ছিল!! আজকাল অবশ্য এই হান্নানের কথা আর খুব একটা বলা হয় না!! এই কারনে অবশ্য দেখা যায় ওই সময়টিতে ৭ ই মার্চের ভাষনকে উপজীব্য করে তোলার একটা প্রয়াস সেখানে ছিল!!

লেখকের বইয়ের এই অংশ থেকে এইটাই প্রতীয়মান হয় যে, মুজিবকে অনেক অনুরোধ করার পরেও তিনি স্বইচ্ছায় নিজের বাস ভবনে থেকে যান এবং গ্রেফতার হন!!স্বাধীনতা যুদ্ধের কোন ধরনের প্রস্তুতিই ছিল না মুজিবের ডায়রীতে!!

ইতিহাস বিকৃতির মিথ্যে অভিযোগ তুলে পাঠ্য বই বাজয়াপ্ত করা ও তথাকথিত তদন্ত কমিটি গঠনের নামে কিছু নিরাপরাধ ব্যক্তিকে শাস্তি দেয়ার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তাই আসুন আজ প্রতিবাদ জানাই!!

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: উপরের দুইটি পোস্টই ছিল একই বিষয়ে!! ইতিহাস বিকৃতি!! উপরের দুইটি পোস্টই প্রথম বারের মত প্রকাশ করেছিলাম আমু ব্লগে!!

২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মঈদুল হাসান একজন আওয়ামী ঘরানার লেখক =p~ মূর্খ যখন জ্ঞানীর মতো কথা বলে শুনতে বেশ লাগে

মঈদুল হাসান সারাজীবন ভাসানী ন্যাপ করে আসছেন, লিখছেনও ন্যাপের পক্ষে। তাজউদ্দিন তারে স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট হিসেবে রাখছিলেন (ওইটা ওই বইয়েই পাবেন) কারণ মস্কোতে ভালো জানাশোনা ছিলো মঈদুল হাসানের।

এইবার আসি আপনার আরেকটা স্টেটমেন্ট যা আসলে পুরাপুরি মিথ্যা। এই কারণে যে খালি মুখের কথা আর শোনা কথা আর ফিরোজ কামাল/রেন্টুর মুক্তিযুদ্ধের বই পইড়া বঙ্গবন্ধুরে নিয়া ফাতরামী বহুত দেখছি, জবাব দিছি। তারপরও আবার দিতাছি।

২৩ মার্চ, ১৯৭১। গণহত্যার রাতের দুইদিন আগের কথা। সেদিন পাকিস্তান দিবস পালিত হয় নাই বাংলাদেশে। সারাদেশে উড়ছে স্বাধীন বাংলার পতাকা। গোটা ঢাকা মিছিল কইরা গেছে ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে। স্বাধীনতাকামীদের সেই মিছিলে জয় বাংলা বইলা নিজেই শ্লোগান ধরছিলেন মুজিব। বলছেন সংগ্রাম, সংগ্রাম চলবে চলবে, শেষ কথা ছিলো নীতির সঙ্গে আপোষ চলে না, বিশ্বাস রাখতে হবে...



তার কয়েকদিন আগে বিদেশী সাংবাদিকদের এক প্রেস কনফারেন্সে মুজিব সরাসরিই বলছেন সাত কোটি মানুষ যখন প্রাণপনে কোনো কিছু চায় তখন কোনো কিছুই তা ঠেকাতে পারে না ভিক্টরি ইজ আওয়ারস...




আপনারে বহুদিন পর বাটে পাইয়া ব্যাপক আনন্দ পাইলাম। জয় বাংলা
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পরে আপনারে বাটে পাইয়া আমারো খুব ভাল লাগছে!!
""Now we were together again, friends/ professionals, in London, with Mujib about to start the most momentous game of his life. We talked, and I sat and listened while he talked to the others. And when I finally left to write my story it was with the unsettling impression that Sheikh Mujibur Rahman, Bangabandhu, President and Bangladesh's man on a white charger, at the moment of taking up his stewardship had only the foggiest notion of what it was all about.

What's more. He was secretly nursing a tentative deal with Zulfikar Ali Bhutto which would have maintained a 'link' between Pakistan and it's breakway province, Bangladesh.

I got a glimpse of this unsavory deal, which was totally an variance with the Bangladeshi mood, when Mujib confided to me: 'I have a big scoop for you. We are going to keep some link with Pakistan but I can't say anything more till I have talked it over with the others. And for God's sake don't you write anything till I tell you.'

Apparently Bhutto, during the course of some lenghthy private conversation with Mujib in a government rest house on the outskirt of Rawalpindi just before he sent him out to London, had talked him into an understanding for a 'link' with Pakistan. Thus the astute Bhutto hoped to inveigle Mujib into a concession that would have had the effect of turning the clock back and negating Bangladeshi freedom struggle. What exatly the formula was, Mujib did not tell me. But my own instant reaction to the disclosure was one of horror. 'Are you mad?' I told him. 'Don't you know what's happened in Bangladesh? After what the people have gone through they will lynch you on the streets of Dhaka, Bangabandhu or no Bangabandhu, if you so much as utter one word about a 'link'.

Mujib did not have time to answer me....""


Source: Anthony Mascarenhas, Bangladesh A Legacy of Blood, Hodder and Stoughton, 1986, Pg 5

আপনি কিন্তু আোনেক জায়গাতেই মঈদুলা হাসান ও এন্থনি মাসকারেনহাসরে কোট করছেন!!

৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ অবশ্য আগের নয়মাস বাক বাকুম করা গোআ, নিজামী, মুজাহিদ কাউকে পাওয়া যায়নি। এ মানসিকতার জন্যি এখনো বেঁচে আছে ওরা, শেখ মুজিব বেঁচে নেই।

তেলাপোকা টিকে আছে, ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়ে গেছে সেই কবে!!
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: শান্তি কমিটির প্রধান খাজা খায়েরুদ্দিন, গভর্নর এ.এম. মালিক ও তার মন্ত্রিসভার বেশীর ভাগ সদস্যকেই পাওয়া গিয়েছিল!!

তারা মুজিবের সাধারন ক্ষমায় মুক্তি পেয়ে যায় ১৯৭৩ এর ৫ ই ডিসেম্বরের মধ্যেই!!

আরেকটা কথা!!

আম্বালীগ ক্ষমতায় আসার আগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে যতটা সোচ্চার ছিলেন, এখন কিন্তু ততটা দেখা যাচ্ছে না!!

তেলাপোকারা কি আপনাদের কৃপায় বেচেই থাকবে!!

৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫
ফালতু মিয়া বলেছেন: এসব এখন বলে কি হবে? শেখ মুজিবকে অতি মানব যারা মনে করে তারা তার কোন দোষ দেখতে পান না। আসলে দোষে গুণেই মানুষ হয়। তিনি দেশ স্বাধীন হবার পরও অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হবার স্বপ্ন দেখতেন। এক কথা তিনি পাকিস্তান হতে দেশে ফেরার পথে লন্ডনে বিবিসির সাথে সাক্ষাতকারে ব্যক্ত করেছিলেন। তিনি তখনও জানতে না যে দেশ স্বাধীন হয়ে গেছে। এখন বুঝুন তার প্রকৃত অবস্থা! আজীবন ক্ষমতার লোভ থেকেই তিনি বাকশাল কায়েমের চেষ্টা করেছিলেন। এটা অবশ্যই তার নীতিগত ভুল ছিল।
৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫০
াহো বলেছেন: একটি জাতির জন্মঃ জিয়াউর রহমান
http://bangladesh-71.info/portal/
তার পর এলো ১ মার্চ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানের উদাও আহবানে সারাদেশে শূরু হলো ব্যাপক অসহযোগ আন্দোলন ।..... ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ঘোষনা আমাদের কাছে এক গ্রীন সিগন্যাল বলে মনে হলো''

প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা পরবর্তি সময়ে সাপ্তাহিক বিচিত্রায় 1974 নিজের নামে একটি কলাম লেখেন । হুবহু পড়ুন জিয়াউর রহমানের সেই লেখাটি ।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: ২৬ শে মার্চ হরতাল ডেকেছিলেন শেখ মুজিব!!

গ্রীন সিগনাল অন্য সবার কাছে মনে হইলেও মুজিবের নিজের জন্যই ছিল না!!

৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৩
াহো বলেছেন: শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন,

যেহেতু উল্লিখিত বিশ্বাসঘাতকতামূলক কাজের জন্য উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান; এবং

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
মুজিবনগর, বাংলাদেশ
তারিখ: ১০ এপ্রিল ১৯৭১
Click This Link



Prime Minister Tajuddin Ahmad

First address of Prime Minister Tajuddin Ahmad, broadcast by Swadhin Bangla Betar Kendra(April 1971)

Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman declares independence on 26 March 1971
Click This Link



৩ মার্চ, ১৯৭১: পল্টনের জনসভায় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের ঘোষনা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক : স্বাধীন সার্বভৌম বাঙলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে 'আমার সোনার বাঙলা আমি তোমায় ভালবাসি......' গানটি ব্যবহৃত হবে।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৫

লেখক বলেছেন: """""""""৩ মার্চ, ১৯৭১: পল্টনের জনসভায় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের ঘোষনা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক :
স্বাধীন সার্বভৌম বাঙলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে 'আমার সোনার বাঙলা আমি তোমায় ভালবাসি......' গানটি ব্যবহৃত হবে।"""""""

তাইলে ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হইল কেন
!!!!!

৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫
রশিক রশীদ বলেছেন: ফালতু মিয়ার নাম করনটা বড় সুন্দর লেখার সাথে সব সময় মানিয়ে যায়। তাকে কিছু বলা সমীচিন নয় সে নিজেই যখন নিজেকে ফালতু বলেছে।

লেখককে বলছি : হিমালয়ে মাথা ঠুকে মাথা রক্তাক্ত হয় হিমালয়ের কিছু বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর বঙ্গবন্ধু ওতপ্রোতভাবে জড়িত । যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন তারা বিষয়টি ভাল জানেন। স্বাধীনতার সময় অন্যতম স্লোগান ছিল "আমার নেতা তোমার নেতা শেখ মুজিব শেখ মুজিব" আপনার বংশধররা যদি তখন রাজাকার আর পাকিস্থানী বেষ্টিত থেকে থাকেন সে শ্লোগান কানে যাবার কথা নয়।
৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯
াহো বলেছেন: স্বাধীনতার সময় অন্যতম স্লোগান ছিল "আমার নেতা তোমার নেতা শেখ মুজিব শেখ মুজিব" আপনার বংশধররা যদি তখন রাজাকার আর পাকিস্থানী বেষ্টিত থেকে থাকেন সে শ্লোগান কানে যাবার কথা নয়।

রশিক রশীদ

Thanks
৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৫
তারা ১২৩ বলেছেন: ha ha ha.....aapnara boroi odvut !!! Mujib jodi oidin nirapod jaaigay shore jeten tahole bolten Mujib palaise...abr nijer bashay roye gesen shetao taar dosh !!! bhai apnader moto public ra kishe mondo r kishe valo taar tofaat e janena....................

Amader Shadhinota Dibosh keno 27th March noi...why it is 26th March ??? etato shob govt. a e evabe palon kora hoi...naki ??
১০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৬
তারা ১২৩ বলেছেন: াহো বলেছেন: স্বাধীনতার সময় অন্যতম স্লোগান ছিল "আমার নেতা তোমার নেতা শেখ মুজিব শেখ মুজিব" আপনার বংশধররা যদি তখন রাজাকার আর পাকিস্থানী বেষ্টিত থেকে থাকেন সে শ্লোগান কানে যাবার কথা নয়।
১১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৯
টিংটিং বলেছেন: Mr. Mizanur Rahman Chowdury
“1) Wanted for one hour-Comdr, Sector 2 did not see inspite of prior intimation – at his instigation Jawans questioned (not clear) address as to what AL did for them.”
2) His troops did all mischief including rape as Yahya’s …….. did – Dacoity, Loot, Rape, in chandpur …..

6) Capt Haider’s trainees – half of them did not give slogan in the name of AL.

11) SL trainings-our boys, should be taken up by AL.”

Source: Muyeedul Hasan, Muldhara’71, Appendix-Neo
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১২

লেখক বলেছেন: ক্যাপ্টেন হায়দার, অমি পিয়ালের প্রিয় সেক্টর কমান্ডার!!
তার আগে একই সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিল খালেদ মোশাররফ!!

দুইজনের বিরুদ্ধেই আম্বালীগের অভিযোগ!! খালেদ মোশাররফ ধর্ষন-লুট তরাজের নেতৃত্ব দিয়েছে!! আর ক্যাপ্টেন হায়দার আম্বালীগরে পুছে নাই!!

১২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৯
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: তেলাপোকাদের পিষে ফেলতে হবে, নইলে আওয়ামীলীগ নিজেই তেলাপোকা হয়ে যাবে।

---

যারা আমাকে চেনেন, আমার ধৈর্য্য নিয়ে তাদের সন্দেহ নেই। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যদি আওয়ামীলীগ না করে, তবে সেকথা ঘৃণাভরে বলতে কখনো দ্বিধা করব না, নিশ্চিত জানবেন।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন: ""যারা আমাকে চেনেন, আমার ধৈর্য্য নিয়ে তাদের সন্দেহ নেই।"""

এই ধরনের বক্তব্যে ভরসা পাইনা না!! আপনার ধৈর্যে বাধ নাই, তাই ভাংগার সম্ভাবনাও নাই!!

১৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৪
চাষী বলেছেন: আরেকটি তথ্য আমরা কেউ বলিনা । সেটা হলো ৭ ই মার্চের ভাষনে মুজিব বলেছিলেন ''জিয়ে পাকিস্থান'' যেটা রিসেন্টলি আতাউস সামাদের কলামে এসেছে। ৭ ই মার্চ কোন দিন ই স্বাধীনতার ঘোষনা হতে পারেনা।
১৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৬
াহো বলেছেন: Prime Minister Tajuddin Ahmad

First address of Prime Minister Tajuddin Ahmad, broadcast by Swadhin Bangla Betar Kendra(April 1971)

Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman declares independence on 26 March 1971
Click This Link
১৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২০
াহো বলেছেন: শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন,

যেহেতু উল্লিখিত বিশ্বাসঘাতকতামূলক কাজের জন্য উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান; এবং

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
মুজিবনগর, বাংলাদেশ
তারিখ: ১০ এপ্রিল ১৯৭১
Click This Link
১৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৪
টিংটিং বলেছেন: “We all are aware that taking NAP (2 groups) Communist party and congress along with Awami League a joint front in fact has been formed naming a consultative committee for the liberation struggle against the avowed policy of our leader Sk. Mujibur Rahman. On such vital matter no opinion was from Awami League and repurcussion of the same in and outside the country is easily discernible.”
This is the excerpt from a memo/letter signed by Acting President Nazrul Islam
Source: Muyeedul Hasan, Muldhara’71, Appendix-Ch


মুজিব নগর থেইকা কখন কি বলা হইছিল, তার কোন ভরসা নাই!!
১৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৭
সুবিদ্ বলেছেন: ২৫মার্চের কালো রাতে গ্রেফতার হওয়াটা শেখ মুজিবের অসাধারণ দূরদর্শিতার পরিচায়ক......
১৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৯
াহো বলেছেন: মুজিব নগর থেইকা কখন কি বলা হইছিল, তার কোন ভরসা নাই!!


Reply

Are you Yaheha Kahan/Golam Azam?

এপ্রিল ১৯৭১
# ঢাকায় নাগরিক শান্তি কমিটি গঠিত – দৈনিক পাকিস্তান- এপ্রিল ১১, ১৯৭১
# মিছিলে নেতৃত্ব দেন গোলাম আযম ও নিজামী – দৈনিক সংগ্রাম -এপ্রিল ১৩, ১৯৭১
# পাকিস্তান রক্ষার জন্য গোলাম আযমের মোনাজাত – দৈনিক সংগ্রাম -এপ্রিল ১৩, ১৯৭১

# নুরুল আমিনের নেতৃত্বে শান্তি কমিটির প্রতিনিধি দল পূর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর টিক্কা খানের সাথে দেখা করে নাগরিকদের মধ্যে স্বাভাবিক অবস্থা ও শান্তি প্রতিষ।ঠায় অগ্রগতির কথা অবহিত করেন এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি তাদের সমর্থন পুন:ব্যক্ত করেন। – ঢাকায় নাগরিক শান্তি কমিটি গঠিত – দৈনিক পাকিস্তান- এপ্রিল ১৭, ১৯৭১
# ভারত মুসলমানদের হিন্দু বানাতে চাচ্ছে তাই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নৃশংসতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে – মৌলবী ফরিদ আহমেদ - – দৈনিক সংগ্রাম -এপ্রিল ১৬, ১৯৭১
# ‘যেখানে তথাকথিত মুক্তিবাহিনী আলবদর সেখানেই’ এই স্লোগান নিয়ে কুখ্যাত বদর বাহিনী গঠিত হয় ২২ এপ্রিল, ১৯৭১ -দৈনিক পাকিস্তান, পূর্বদেশ -এপ্রিল ২২/২৩, ১৯৭১
# সশস্ত্র বাহিনীকে সাহায্যে করার আহ্বান – আহ্বায়ক শান্তি কমিটি- দৈনিক পাকিস্তান -এপ্রিল ২৩, ১৯৭১

মে ১৯৭১
# নয়া সাম্রাজ্যবাদ নস্যাত করার জন্য শাহ আজিজের আহ্বান- দৈনিক পূর্বদেশ ৫ মে, ১৯৭১
# শান্তি কমিটির তৎপরতা, মুন্সিগন্জে পাক সেনাদের বিপুল সম্বর্ধনা – দৈনিক পূর্বদেশ ১২ মে, ১৯৭১
# সামরিক সরকার ২৫ মার্চ রাত্রে পাকিস্তানকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন; তিনি শ্রী তাজউদ্দিন হয়ে গেছেন – দৈনিক সংগ্রাম ৮ মে, ১৯৭১
# আল্লাহু আকবরের জায়গায় জয় বাংলা দখল করে নিয়েছে – দৈনিক সংগ্রাম ১২ মে, ১৯৭১
# শান্তি কমিটির আবেদন : দেশের শত্রুদের মোকাবেলা করুন – দৈনিক পূর্বদেশ ১৮ মে, ১৯৭১
# শান্তি কমিটির আবেদন -পাকিস্তানের শত্রুদের ধরিয়ে দেয়ার জন্যে সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করুন – দৈনিক আজাদ/পূর্বদেশ মে, ১৯৭১
# যে কোন মূল্যে ভারতের চক্রান্ত নস্যাৎ করব -মওলানা আশরাফ আলী – দৈনিক আজাদ, ১৯ মে, ১৯৭১
# জামাতে ইসলামী সেক্রেটারী জেনারেল রহমতে এলাহী বলেন- নতুন করে নির্বাচন চাই – দৈনিক পূর্বদেশ, ২৪ মে, ১৯৭১
# অতি সম্প্রতি আমাদের দেশের একদল লোক হিন্দুদের সাথে যোগ দিয়েছে – পাকিস্তানের দুশমনদের নিশ্চিন্হ করার আহ্বান – মওলানা সিদ্দিক আহমেদ – দৈনিক আজাদ, ২৪ মে, ১৯৭১
# জামাতের নেতা মওলানা ইউসুফ খুলনার শাহজাহান আলী রোডে অবস্থিত আনসার ক্যাম্পে ৯৬ জন জামাত কর্মী নিয়ে প্রথম রাজাকার বাহিনী গড়ে তোলেন – দৈনিক পাকিস্তান/আজাদ, ২৫-২৭ মে, ১৯৭১

জুন, ১৯৭১
# বিশুদ্ধানন্দ মহাথেরো, হাফেজ্জী হুজুর ও মাওলানা মওদুদী বললেন মুজিব বিচ্ছন্নতাবাদী
# মওদুদীর বক্তব্য -শেখ মুজিবের দল গুন্ডামী ও মারামারী করে নির্বাচনে জয়ী হয় -পাকিস্তানী বাহিনীর হস্তক্ষেপ যৌক্তিক- দৈনিক পাকিস্তান, জুন ৬, ১৯৭১
# মুজিবের বিচ্ছন্নতাবাদী আন্দোলন জনতা সমর্থন করেনি – মাওলনা মওদুদী – দৈনিক সংগ্রাম ৭ জুন, ১৯৭১
# মীর জাফর কারা? – সম্পাদকীয় – দৈনিক সংগ্রাম ৮/৯ জুন, ১৯৭১
# তাজুদ্দিন ও তোফায়েলসহ অন্যান্যদের ফৌজদারী আদালতে বিচার করা হবে – দৈনিক সংগ্রাম ১০ জুন, ১৯৭১
# শান্তি কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্য- দুস্কৃতিকারী গেরিলাদের গেরিলা স্টাইলে নির্মুল করা; ভারত ফেরত হিন্দুরা কড়া পাকিস্তান ভক্ত -সম্পাদকীয় – দৈনিক সংগ্রাম ১৩/১৪ জুন, ১৯৭১
# সরকারী প্রেসনোটে পহেলা বৈশাখ নববর্ষের ছুটি বাতিল, ২৪০টি রাস্তার নামকরন হিন্দু থেকে মুসলিম করন, ৬৯টি বই নিষিদ্ধ- হিন্দুরা মুসলমানদের অস্তিত্ব বিলোপের কাজ করেছে – এই সংবাদে দৈনিক সংগ্রামের উপসম্পাদকীয় জুন, ১৯৭১
# বিভিন্ন স্খানে শান্তি কমিটর সভা – ভারত ও তাবেদারদের বিরুদ্ভে প্রতিরোধের দৃঢ় সংকল্প – দৈনিক পাকিস্তান ১৭ জুন, ১৯৭১
# পূর্ব পাকিস্তানীরা সর্বদাই পশ্চিম পাকিস্তানী ভাইদের সাথে একত্রে বসবাস করবে – গোলাম আযম দৈনিক সংগ্রাম -২৯শে জুন, ১৯৭১
# লাহোরে সাংবাদিক সম্মেলনে অধ্যাপক গোলাম আজম:

“শেখ মুজিব প্রকাশ্যে কখনও স্বাধীনতার জন্যে চিৎকার করেন নি বরং মওলানা ভাষানীই বিচ্ছিন্নতাবাদের দাবী তোলেন। পূর্ব পাকিস্তানের অখন্ডতা বজায় রাখতে সামরিক হস্তক্ষেপ ছাড়া উপায় ছিল না।”

- দৈনিক সংগ্রাম -২৯শে জুন, ১৯৭১

জুলাই ১৯৭১
# জয় বাংলা স্লোগানে পূর্ব পাকিস্তানের আকাশ বাতাস কলুষিত হয়েছে। ধর্ম নিরপেক্ষদের ধর্ম বিরোধী অত্যাচার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ময়দানে রাজাকারদের ক্ষূদ্র অস্ত্র দিয়ে গুলী চালানোর ট্রেনিং দেয়া হচ্ছে – দৈনিক সংগ্রাম – ১-৫ জুলাই, ১৯৭১
# জামাত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকের আহ্বান- গ্রামে গ্রামে রক্ষীদল গঠন করুন – দৈনিক পাকিস্তান ৩রা জুলাই ১৯৭১
# জনগণ এখন স্বেচ্ছায় রাজাকার ট্রেনিং নিচ্ছে – জামাত নেতা আব্দুল খালেক – দৈনিক সংগ্রাম ৯ জুলাই, ১৯৭১
# ৭০ এর নির্বাচন প্রত্যক্ষভাবে ঘর ভাঙার নির্লজ্জ চক্রান্ত – দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ১২ জুলাই, ১৯৭১
# পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালীদের জীবনের নিরাপত্তা নেই একথা ভিত্তিহীন – ড: সাজ্জাদ হোসেন – দৈনিক পাকিস্তান ৯ জুলাই, ১৯৭১
# বরিশালের শান্তি কমিটির সভায় আব্দুর রহমান বিশ্বাসের বক্তৃতা – দৈনিক সংগ্রাম ১৮ জুলাই, ১৯৭১
# সেনাবাহিনী কুখ্যাত শহীদ মিনারটি ধ্বংস করে মসজিদ গড়েছে – দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ১৬ জুলাই, ১৯৭১
# ফজলুল কাদের চৌধুরী – পূর্ব পাকিস্তানের পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে - দৈনিক পাকিস্তান ১৮ জুলাই, ১৯৭১
# ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রেসিডেন্টের ফর্মূলা বর্তমান সংকটের একমাত্র সমাধান, শেখ মুজিবের বিচার শূরুর আবেদন – জামাত অস্থায়ী আমীর মীর তোফায়েল মোহাম্মদ – দৈনিক পাকিস্তান ২৪ জুলাই, ১৯৭১
# আলেমদের প্রতি সশস্ত্র বাহিনীর সাথে সহযোগিতার আহ্বান – দৈনিক পাকিস্তান ২৬ জুলাই, ১৯৭১
# সামরিক আইনে রাজাকারদের যে কোন লোককে গ্রেফতার করার ক্ষমতা প্রদান- রাজাকারদের অত্যাচার বৃদ্ধি

আগস্ট ১৯৭১
# পাক সেনারা আমাদের ভাই, তারা জেহাদী চেতনায় উজ্জীবিত – মতিউর রহমান নিজামী – দৈনিক সংগ্রাম ৩রা আগস্ট, ১৯৭১
# সেনাবাহিনী আওয়ামী লীগের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দেয়- দৈনিক সংগ্রাম ৭ই আগস্ট, ১৯৭১
# পাকিস্তান টিকলেই এদেশের মুসলমানরা টিকবে, দুনিয়ার কোন শক্তিই পাকিস্তানকে নিশ্চিহ্ন করতে পারবে না। গ্রামে গন্জের প্রতিটি এলাকা থেকে শত্রুর চিন্হ মুছে ফেলার আহ্বান – নিজামী -দৈনিক সংগ্রাম ৫ই আগস্ট, ১৯৭১
# পাকিস্তান অখন্ডতা ও সংহতি সংরক্ষণ এ্যাকশন কমিটি গঠন – দৈনিক সংগ্রাম ৯ই আগস্ট, ১৯৭১
তাদের এজেন্ডা:

× উর্দু একমাত্র রাষ্ট্রভাষা, বাংলা সাইনবোর্ড ইত্যাদি অপসারন, রোমান হরফে বাংলা লেখার আহ্বান।
× কাফের কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা বর্জন।
× পূর্ব পাকিস্তানের রেডিও টিভিতে শতকরা ৫০% অনুষ্ঠান উর্দুতে হবে।
× জাতীয় স্বার্থে উচ্চপদ থেকে বাঙালী অফিসারদের অপসারন করতে হবে।
× রাজাকার বাহিণীর বেতন এবং শান্তি কমিটির ব্যয় নির্বাহের জন্যে হিন্দু সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে।
× তিনমাসের জন্যে বিদেশী সাংবাদিকদের বহিস্কার করতে হবে।

# তথাকথিত বাংলাদেশ আন্দোলনের সমর্থকরা ইসলাম, পাকিস্তান ও মুসলমানদের দুশমন – গোলাম আযম – দৈনিক সংগ্রাম ১২ই আগস্ট, ১৯৭১
# দুস্কৃতকারীদের এর পরিণাম ফল ভোগ করতে হবে – মতিউর রহমান নিজামী – দৈনিক সংগ্রাম ১২ই আগস্ট, ১৯৭১
# পাকিস্তান ভূখন্ডের নাম নয় একটি আদর্শের নাম – মতিউর রহমান নিজামী – দৈনিক সংগ্রাম ১৬ই আগস্ট, ১৯৭১
# পাকিস্তানের শত্রুর মোকাবেলার আহ্বান – নুরুল আমীন, গোলাম আযম, শফিকুল ইসলামদৈনিক সংগ্রাম
# পাকিস্তান অর্থ পবিত্র স্থান – গোলাম আজম- দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ১৬/১৮ই আগস্ট
# জামাতের একজন সদস্যও পূর্ব পাকিস্তানে বাংলাদেশ আন্দোলনে নিজেদের কোন ক্রমেই জড়িত করেনি – মওলানা আব্দুর রহিম – দৈনিক সংগ্রাম ১৮-২১ আগস্ট
# আনসার অর্ডিন্যান্স বিলুপ্ত করে রাজাকার অর্ডিন্যান্স জারিদৈনিক ইত্তেফাক, ২২শে আগস্ট, ১৯৭১
# ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোন সমাধান গ্রহণযোগ্য নয় – মাহমুদ আলীদৈনিক আজাদ, ২৪শে আগস্ট, ১৯৭১
# পাকিস্তানকে যারা বিচ্ছিন্ন করতে চায়- তারা ইসলামকেই উৎখাত করতে চায় – নিজামী
# সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান রক্ষা করেছে – গোলাম আজম- দৈনিক সংগ্রাম ২৭ আগস্ট, ১৯৭১
# হিন্দু ভারতের নিরপেক্ষ আদর্শের প্রচারক আওয়ামী লীগ – দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ৩০ আগস্ট, ১৯৭১
# নোয়াখালীর পল্লীতে জনসভা পাকিস্তানের সংহতি রক্ষার আহ্বান- দৈনিক আজাদ, ২৯শে আগস্ট, ১৯৭১
# অধ্যাপক আতিকুজ্জামানের বক্তৃতা: পাকিস্তান কেয়ামত পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ থাকবে -দৈনিক আজাদ, ৩০শে আগস্ট, ১৯৭১
# দেশে পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্খা কায়েম না হওয়া পর্যন্ত ক্ষমতা হস্তান্তর অর্থহীন – আব্দুর রহিমদেনিক সংগ্রাম, ২৯শে আগস্ট, ১৯৭১
# নিজামী ও গোলাম আজম – দৈনিক সংগ্রাম

সেপ্টেম্বর ১৯৭১
# বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষনার দাবী – গোলাম আযম দেনিক পাকিস্তান, ২রা সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
# বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিশ্বাসঘাতক – মিনহাজ শহীদ – দেনিক সংগ্রাম, ১ম সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
# বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ভারতীয় এজেন্ট – দেনিক সংগ্রাম

# রেজাকার ও বদর বাহিনীর মরনাঘাত
# পাক সেনানায়করা রেজাকারদের কৃতিত্ব আনন্দিত ও গর্বিত
# অপবাদ মূলত সামরিক সরকারকেই দেয়া হচ্ছে

# পাকিস্তানকে ধ্বংস করতে পারবে না
# পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা দিবসে গোলাম আজম ও মতিউর রহমান নিজামী
# ছাত্রসংঘ কর্মীরা পাকিস্তানের প্রতি ইঞ্চি জায়গা রক্ষা করবে – মতিউর রহমান নিজামী
# যশোহরে ছাত্রনেতা মতিউর রহমান নিজামীর মন্তব্য : পাতা ১, পাতা ২ – দৈনিক সংগ্রাম – ১৫ই সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
# আল্লাহ তাদের লাঞ্জিত করেছেন- মতিউর রহমান নিজামী : পাতা ১, পাতা ২
# পাকিস্তান হাসিলের লক্ষ্য বাস্তবায়িত না হওয়ায় বর্তমান সংকটের কারণ – আব্বাস আলী খান -দৈনিক সংগ্রাম – ২০শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
# যশোহরের রাজাকার সদর দফতরে মতিউর রহামন নিজামী : পাতা ১, পাতা ২
# জামাত বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ মেনে নিতে রাজী নয় : গোলাম আজম - দৈনিক পাকিস্তান ২৬শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
# বিপদগামী তরুণদের সঠিক পথ দেখান : জেনারেল নিয়াজী -দৈনিক পাকিস্তান ২৮শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭১

গণতন্ত্র পুণ: প্রতিষ্ঠাই দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখার পূর্বশর্ত : নূরুল আমীন
# সংবর্ধনা সভায় গোলাম আযমের ভাষণ – দৈনিক সংগ্রাম ২৬শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
# নিউইয়র্কে এ.টি. সাদী – বাংলাদেশ আন্দোলন ইসলাম বিরোধী ষড়যন্ত্র -দৈনিক পাকিস্তান ২৭শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
# আব্বাস আলী খান, মতিউর রহমান নিজামীর বক্তব্য

অক্টোবর ১৯৭১
# শান্তি কমিটি সদস্যরা ব্যক্তিগত শত্রুতা ও রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করছে
# রেজাকার বাহিনীর হাতে ভারী অস্ত্র দেবার আহ্বান

# আব্বাস আলী খান, আখতার উদ্দীন আহমদ, ওবায়দুল্লাহ মজুমদার ও গোলাম আজম বলেন
# স্বাধীন বাংলা জিগিরের উদ্দেশ্য মুসলমানদের হিন্দু বানানো - দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয়, ১০ অক্টোবর, ১৯৭১
# তথাকথিত মুক্তিবাহীনির শতকরা ৯০ জন হিন্দু – দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয়, ১৩ অক্টোবর, ১৯৭১
# আব্বাস আলী খান, ইউসুফ বলেন
# জামাতে ইসলামী নিরলসভাবে শান্তি কমিটির সাথে কাজ করে যাচ্ছে – গোলাম আজম
# দেশটা আল্লাহর ফজলে টিকে গেল
# বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে গণজমায়েতে অধ্যাপক গোলাম আজম, ভুট্রো বিচ্ছিন্নতাবাদের পথ প্রশস্ত করছে
# ভারতের প্রচারণা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে – শাহ আজিজ- দৈনিক পাকিস্তান ২৫শে অক্টোবর, ১৯৭১
# জসীম উদ্দীন আহমেদ, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, মওলানা ইউসুফ, ড: মালেক প্রমুখ বলেন
# ৬ নেতার যুক্ত বিবৃতি- দৈনিক ইত্তেফাক, ২৭শে অক্টোবর, ১৯৭১
# দুস্কৃতিকারীদের গুলিত শান্তি কমিটির সদস্য আহত : পাতা ১, পাতা ২, পাতা ৩

নভেম্বর ১৯৭১
# রেজাকারদের হাতে ৪ ভারতীয় চর খতম- দৈনিক সংগ্রাম, ৫ নভেম্বর, ১৯৭১
# প্রেসিডেন্ট সকাশে নূরুল আমীন : রাজাকারদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও তাদের আরো অস্ত্র দেয়ার সুপারিশ পাতা ১, পাতা ২
# হয় শহীদ নয় গাজী
# আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও আব্দুল খালেক বলেন
# প্রদেশব্যাপি বদর দিবস পালিত -দৈনিক সংগ্রাম ১০ নভেম্বর, ১৯৭১
# ভারত আক্রমণ করলে কোলকাতা ও দিল্লীতে নামাজ পড়বো – আব্বাস আলী খান- দৈনিক সংগ্রাম ১০ নভেম্বর, ১৯৭১
# আল বদর বাহিনীর অভিযান: ৪০ মুক্তিযোদ্ধা গ্রেফতার- দৈনিক সংগ্রাম ১১ নবেম্বর, ১৯৭১
# বদর দিবসে বায়তুল মোকাররমে জনসভা: ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদ মোকাবেলার আহ্বান
# বদর দিবসের ডাক-দৈনিক সংগ্রাম ১২ নভেম্বর, ১৯৭১
# রাজস্ব মন্ত্রীর সাতক্ষীরা রেজাকার শিবির পরিদর্শন- দৈনিক সংগ্রাম ১৩ নভেম্বর, ১৯৭১
# বিভিন্ন স্খানে বদর দিবস পালিত -দৈনিক সংগ্রাম ১৪ নভেম্বর, ১৯৭১
# পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলন ধ্বংস করতে হবে – জাামাতে ইসলামী
# সেনাবাহিনীর পরেই রাজাকারদের স্থান
# ৯৩ জন বাঙালী সিএসপি, ৪২ জন ইপিসিএস, এবং ৪ জন অধ্যাপকের ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
# কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী কলকাতা থেকে বাবুদের ডেকে নিয়ে এসেছে
# গোলাম আজম শেখ মুজিবের জায়গা দখল করতে সবই করে যাচ্ছেন
# পাক সেনাবাহিনীর সহায়তায় বদর বাহিনী গঠিত হয়েছে – নিজামী
# বদরবাহিনী হিন্দুস্তানকে খতম করবে -নিজামী
# রাজাকারদের জাতীয় বীর বলা উচিৎ
# দুস্কৃতিকারীদের চক্রান্ত বানচাল করার আহ্বান – জামায়াত
# প্রধানমন্ত্রীর পদ পূর্ব পাকিস্তানকে দিতে হবে – গোলাম আজম
# জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য – গোলাম আজম
# পাকিস্তান আল্লাহর ঘর – মতিউর রহমান নিজামী
# আওয়ামী লীগের যে পরিণতি হয়েছে ভুট্টোরও সে পরিণতি হবে – গোলাম আজম
# আত্মরক্ষার জন্য আক্রমণাত্মক ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে – গোলাম আযম – দৈনিক সংগ্রাম, ২৪ নভেম্বর, ১৯৭১
# দেশপ্রেমিক জনগণ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত – গোলাম আযম – দৈনিক সংগ্রাম, ২৮ নভেম্বর, ১৯৭১
# নেতৃবৃন্দের বজন্সকঠোর ঘোষণা : পাতা ১, পাতা ২ – দৈনিক সংগ্রাম, ৩০ নভেম্বর, ১৯৭১
# আক্রান্ত হলে জেহাদ ফরজ হয়ে যায় – মওদুদী
# রবিন্দ্র মার্কা লারেলাপ্পা গান

ডিসেম্বর ১৯৭১
# আল বদর আল শামস বাহিনীর সংখ্যা এক লাখেরও বেশী – ইউসুফ
১৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩১
াহো বলেছেন: # ৭০ এর নির্বাচন প্রত্যক্ষভাবে ঘর ভাঙার নির্লজ্জ চক্রান্ত – দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদকীয় ১২ জুলাই, ১৯৭

ভারত মুসলমানদের হিন্দু বানাতে চাচ্ছে তাই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নৃশংসতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে – মৌলবী ফরিদ আহমেদ - – দৈনিক সংগ্রাম -এপ্রিল ১৬, ১৯৭১

http://www.genocidebangladesh.org/?page_id=246
২০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সিম্পল কিছু লজিক দিই। শেখ মুজিবরে আরামে পালকি কইরা নিয়া যাওয়া হয় নাই। তারে চড় থাপর মারা হইছে। এরপর সংসদ ভবনের সিড়িতে বসাইয়া রাখা হইছে কয়েক ঘণ্টা, ওই সময়টা গোটা ঢাকা জ্বলছে। এরপর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ক্যান্টনমেন্টের অফিসার্স মেস হইয়া করাচি। তারে বিশ্বাসঘাতক হিসাবে চিহ্নিত করা হইছে, অভিযুক্ত করা হইছে। তার জন্য ফাসির মঞ্চও প্রস্তুত ছিলো। জ্বী স্যার খোদ পাকিস্তানীরাই তারে বাংলাদেশের স্বাধীনতার উস্কানীদাতা হিসেবে এক নাম্বারে রাখছিলো। আপনে তো জোর কইরা নামাইলে হইবো না।

নীচের পত্রিকাগুলা ও তার ডেটলাইন সহ ভাষ্য দেখুন। এইগুলা নয়াদিগন্ত সংগ্রাম বা আমার দেশ মার্কা গারবেজ না।


“The rebel leader Sheikh Mujib arrested.” The paper also added—“The radio Pakistan has declared that, Sheikh Mujib was arrested from his residence, within one hour after he declared the independence of Bangladesh.” (The Evening News, March 26, 1971: Headline news)

“The independence war has begun in East Pakistan. Pakistani soldiers started to crush Bangalee’s independence movement under the leadership of Sheikh Mujib. President Yahya Khan declared Sheikh Mujib the traitor of Pakistan. The declaration of the independent Bangladesh, in the name of Sheikh Mujib, came from a radio station named: “Voice of Bangladesh”. The radio also has issues an order to all Bangalees to follow orders only from the Sheikh Mujib, the leader of the independence.” (The Guardian- March 27, 1971)

“The leader of independence Sheikh Mujib has declared independence of Bangladesh and severe battle is in progress in the eastern part of Pakistan. President Yahya Khan has banned Awami League political party, declared Sheikh Mujib as the traitor of Pakistan and vowed to punish Sheikh Mujib for his crime. ” (The Times of London, March 27, 1971)


মাসকারেনহাসের থিকা এই ক্ষেত্রে খোদ টিক্কা খানের বয়ানটারে আমার বেশী অথেনটিক লাগে। কেনো মুজিব সইরা যান নাই তার যথার্থ উত্তরটা আছে এইখানে :

“I knew very well that a leader of his stature would never go away leaving behind his countrymen. I would have made a thorough search in every house and road in Dhaka to find out Sheikh Mujib. I had no intention to arrest leaders like Tajuddin and others. That is why they could leave Dhaka so easily.”
Then Tikka Khan said more in a very firm voice, “in case we failed to arrest Sheik Mujib on that very night, my force would have inflicted a mortal blow at each home in Dhaka and elsewhere in Bangladesh. We probably would have killed crores of Bangalees in revenge on that night alone.” (Interview by Musa Sadik, which took place in 1976 when Gen. Tikka Khan was the then Governor of Punjab, Published in the ‘News From Bangladesh’ on march 28, 2000)

জয় বাংলা
২১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মঈদুল হাসান একজন আওয়ামী ঘরানার লেখক =p~ মূর্খ যখন জ্ঞানীর মতো কথা বলে শুনতে বেশ লাগে

মঈদুল হাসান সারাজীবন ভাসানী ন্যাপ করে আসছেন, লিখছেনও ন্যাপের পক্ষে। তাজউদ্দিন তারে স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট হিসেবে রাখছিলেন (ওইটা ওই বইয়েই পাবেন) কারণ মস্কোতে ভালো জানাশোনা ছিলো মঈদুল হাসানের।

এইবার আসি আপনার আরেকটা স্টেটমেন্ট যা আসলে পুরাপুরি মিথ্যা। এই কারণে যে খালি মুখের কথা আর শোনা কথা আর ফিরোজ কামাল/রেন্টুর মুক্তিযুদ্ধের বই পইড়া বঙ্গবন্ধুরে নিয়া ফাতরামী বহুত দেখছি, জবাব দিছি। তারপরও আবার দিতাছি।

২৩ মার্চ, ১৯৭১। গণহত্যার রাতের দুইদিন আগের কথা। সেদিন পাকিস্তান দিবস পালিত হয় নাই বাংলাদেশে। সারাদেশে উড়ছে স্বাধীন বাংলার পতাকা। গোটা ঢাকা মিছিল কইরা গেছে ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে। স্বাধীনতাকামীদের সেই মিছিলে জয় বাংলা বইলা নিজেই শ্লোগান ধরছিলেন মুজিব। বলছেন সংগ্রাম, সংগ্রাম চলবে চলবে, শেষ কথা ছিলো নীতির সঙ্গে আপোষ চলে না, বিশ্বাস রাখতে হবে...



তার কয়েকদিন আগে বিদেশী সাংবাদিকদের এক প্রেস কনফারেন্সে মুজিব সরাসরিই বলছেন সাত কোটি মানুষ যখন প্রাণপনে কোনো কিছু চায় তখন কোনো কিছুই তা ঠেকাতে পারে না ভিক্টরি ইজ আওয়ারস...




আপনারে বহুদিন পর বাটে পাইয়া ব্যাপক আনন্দ পাইলাম। জয় বাংলা
২২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৪
াহো বলেছেন: জয় বাংলা জয় বাংলা
from Time Magazine USA



Bangladesh: Out of War, a Nation Is Born - Time

by TIME Magazine
Click This Link
Monday, Dec. 20, 1971

JAI Bangla! Jai Bangla!" From the banks of the great Ganges and the broad Brahmaputra, from the emerald rice fields and mustard-colored hills of the countryside, from the countless squares of countless villages came the cry. "Victory to Bengal! Victory to Bengal!" They danced on the roofs of buses and marched down city streets singing their anthem Golden Bengal. They brought the green, red and gold banner of Bengal out of secret hiding places to flutter freely from buildings, while huge pictures of their imprisoned leader, Sheik Mujibur Rahman, sprang up overnight on trucks, houses and signposts. As Indian troops advanced first to Jessore, then to Comilla, then to the outskirts of the capital of Dacca, small children clambered over their trucks and Bengalis everywhere cheered and greeted the soldiers as liberators.
২৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: মন্তব্যটা রিপিট হইলো কেনো বুঝলাম না, ওইটা সহ এইটা মুইছা দিয়েন
২৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৫
তাজা কলম বলেছেন: অমি রহমান পিয়ালের বক্তব্য অনেক যৌক্তিক এবং তথ্য নির্ভর। আপনার পোষ্টটি কোন এক বলদের উর্বর মস্তিস্ক প্রসূত বলেই প্রতীয়মান। আপনাকে মাইনাস।
২৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৭
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আমি তো দলিল দিছি, গল্প বলি নাই
২৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪
ও.জামান বলেছেন: ইতিহাস বিকৃতির ধারা ধরিয়ে দিলেই গালিগালাজ শুরু হয়ে যায়। প্লাস +++
২৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৫
সুধাসদন বলেছেন: স্বাধীনতা ঘোষণা দেয়ার পর কেউ শত্রুপক্ষের হাতে ধরা দেয় এমন ঘটনা বিশ্বে বিরল। শেখ মুজিব এর আগেও পাকিস্তানীদের হাতে ধরা দেয়ার জন্য সুটকেস গুছিয়ে রেখেছিলেন। দেখুন আগাচৌ এ ব্যাপারে কী বলেন :



১৯৭০ সালে ৯ অক্টোবর দৈনিক পূর্বদেশ-এর তৃতীয় কলামে শেখ মুজিবকে ব্যঙ্গ করার জন্য তিনি লিখেন, "১৯৬৯ সালের মার্চ মাসে দেশে দ্বিতীয় দফা সামরিক আইন জারি হলো। শেখ সাহেব তখন ঢাকায়। শুনলাম তিনি চট্টগ্রাম সফর বাতিল করেছেন। চারিদিকে অসংখ্য প্রত্যাশা-ব্যাকুল মুখে ( যে প্রত্যাশা শেখ সাহেব নিজেই সৃষ্টি করেছেন) একটি মাত্র প্রশ্নের গুঞ্জরণ শুনলাম। শেখ সাহেব এখন কি করবেন? তিনি দেশের মানুষকে কি নির্দেশ দেবেন? পরদিন কাগজ উল্টালাম। না কিছু নেই। বিকেলে বহুদিন পর আবার ধানমন্ডীর বত্রিশ নম্বর রাস্তার দিকে এগোলাম। চারদিকে ঝিরঝিরে বিকেলের বাতাস। আমাকে দেখে (শেখ মুজিব) বিমর্ষ হেসে বললেন, আসুন চৌধুরী আসুন। বললাম, ব্যক্তিগত সাক্ষাতের জন্য নয়, সাংবাদিক হিসেবে এসেছি। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনার মত কি? শেখ সাহেব বললেন, "আমি তৈরি হয়ে রয়েছি। আমি বিস্মিত হয়ে গেলাম,তৈরি হয়ে রয়েছেন কিসের জন্য? তিনি বললেন,'সুটকেস গুছিয়ে রেখেছি, যদি নিতে আসে, তারা দেখবে আমি তৈরি। জেলের গাড়িতে উঠে পড়বো।" আমি হতাশ কণ্ঠে বললাম, শুধু জেলে গেলেই কি আপনার সব সমস্যার সমাধান? তিনি আগের মতোই নিস্পৃহ কণ্ঠে বললেন, 'আর কি করতে পারি? আমি সুটকেস গুছিয়ে তৈরি হয়ে রয়েছি।'
২৮. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৮
আসিফ আরমান বলেছেন: পরলাম.........লেখক স্পস্ট ভাবে বলতে পারেন মুজিব হারামজাদার ১৯৭১ এ কোন অবদান ই নাই। সালা খালি নিজের কথা ভাই বা জ়েলে গেছে......কারোন অ জানত জ়েলে ত আর গোলা গুলি হয়ে নাহ, তাই অই বাইচা জাইবো।

বাংগালী সালার বলদ। হুদাই হাজার কিলো হাইতা ভারত গেছে। ঘরে বইইয়ে থাকতো র আমাগো পাকূ ভাই রা আমগো গোলা বারুদ থিকা বাচান লেইগা প্লেন কইরা করাচি নিয়া জাইত।

টিং টিং আমাগো উপর আল্লার অনেক বড়ো রহমত যে আপনার জন্ম ১৯৭১ আ হই নাই তাই লে বাংলা সবাধীন হই ত না

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৫২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই