এক সময়ের পর্দা কাঁপানো চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বর্তমানে আওয়ামী লীগ নেত্রী কবরী সারোয়ারের দীর্ঘ ৩০ বছরের দাম্পত্য জীবন ভেঙে গেছে। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভ নিয়ে স্বামীর সাথে মনোমালিন্যের কারণে স্বামী শফিউদ্দিন সারোয়ার ওরফে বাবু সারোয়ার তাকে তালাক দিয়েছেন। ইউএনবি/ফোকাস বাংলা।
তালাক প্রসঙ্গে কবরী সারোয়ার গতকাল নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনে আমি মনোনয়ন পাওয়ায় একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে নেমেছে। এরই অংশ হিসেবে এই তালাকের ঘটনা ঘটেছে।
১৭ নভেম্বর শফিউদ্দিন সারোয়ার স্বাক্ষরিত তালাকনামাটি ঢাকা সিটি কপেরারেশনের গুলশানের কার্যালয়ে দাখিল করা হয়েছে। গুলশানের আমতলী কাজী অফিসে উপস্থিত হয়ে শফিউদ্দিন সারোয়ার তালাক নামায় স্বাক্ষর করেন। তিনি আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মরহুম খান সাহেব ওসমান আলীর পুত্র। তালাকনামায় শফিউদ্দিন সারোয়ার আগামীতে কবরীকে নামের পাশে তার কিংবা তার পরিবারের নাম যুক্ত না করার কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আগে এমপি ছিলেন বর্তমানে বিদেশে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান। তিনি বাবু সারোয়ারের ভাতিজা। তার বদলে কবরীর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভ স্বামী বাবু সারোয়ার স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেননি।
কবরীর বর্তমান বয়স ৬২ বছর। ১৯৭৮ সালে বাবু সারোয়ারের সাথে তার বিয়ে হয়। এটা কবরীর দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে চিত্র প্রযোজক চিত্ত ঘোষের সাথে কবরীর বিয়ে হয়।
এ দিকে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে কবরী বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে খ্যাত নারায়ণগঞ্জকে সন্ত্রাসমুক্ত করবেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন মহল থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। জনগণের সহযোগিতা থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই টিকবে না।
(সূত্র: নয়া দিগন্ত)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

