আঃলিগের মাত্র তিন জন (আযম-নানক-জয়) গুণধরের কথা লেখাতে অনেকেই ধরেই নিয়েছেন, আমি পক্ষপাতদুস্ট লেখক। যতই বোঝাই, এখানে আঃলিগ বি এন পি নয়, শুধু তাদের কিছু গুণধরদের "গুণকীর্তন" করা হয়েছে, তারা বোঝেন না। তাই তাদের সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটাতে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াশ।
(বি এন পির মনোনয়ন যেহেতু চুড়ান্ত হয়নি, তাই জানি না এই লিস্টির কয়জন চুড়ান্ত প্রার্থী পদে মনোনয়ন পেতে পারেন)
১। আমির খসরু মাহমুদ (চট্টগ্রাম ৯ )ঃ এক সময়ে বাণিজ্য মন্ত্রি ছিলেন, এবং তাকে খাদ্য সিন্ডিকেটের প্রধান পান্ডাদের এক জন মনে করা হয়। কৃত্রিমভাবে খাদ্যদ্রব্যের দাম আকাশছোয়া করে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তোলার রুপকার এই "রাজনীতিবিদ", মানুষের জন্য নয়, বাণিজ্যে সফলতার জন্য রাজনীতি করেন। পাব্লিকের ঠেলা খাবার পর, তিনি মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। যেহেতু কয়লার ময়লা ধুলে যায় না, তাই এহেন বাণিজ্যবিদকে আবারো সুযোগ দিলে ক্ষতি হবেই।
২। আলতাফ হোসেন চৌধুরি (পটুয়াখালি ১)ঃ ক্যাপ্টেন মনসুর আলি এবং তদ্বিয় পুত্র মোঃ নাসিমের পর, ইনিই হচ্ছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যার্থ স্বরাস্ট্রমন্ত্রি। যিনি আইনের চেয়ে বিধাতার ভাগ্যলিখনে বেশি উৎসাহি, তাকে অবাস্তববাদি এবং চরম অকর্মণ্য বিবেচনায় বাদ দেওয়াই শ্রেয়।
৩। হারিস চৌধুরী (সিলেট)ঃ তার পদ ছিল প্রধানমন্ত্রির রাজনৈতিক উপদেস্টা। আর সেই পদের পুর্ণ স্বদব্যাবহার করে, ইনি দুর্ণীতিকে এক্কেবারে ম্যাডামের দোড়গোড়ায় নিয়ে গিয়েছিলেন। চৌর্যবৃত্তির এহেন মহান শিল্পের স্রস্টাকে আবারও পাদপ্রদিপের আনার চেস্টা করলে, বি এন পি, ধনে মানে সব দিক দিয়েই ডুববে।
৪। মীর্যা আব্বাস (ঢাকা ৬?) খিলগাওয়ের অলিখিত জমিদার ইনারা। আর জমিদারদের মেজাজ মর্জি, জমিদার সুলভ না হলে চলে? পুর্ত মন্ত্রি থাকাকালে, জমি জিরাতের সাথে সাথে পানি নিস্কাষনের ১৪ টা বাজিয়ে দেবার পরেও যদি তাকে প্রার্থী করা হয়, তাহলে আন্তর্জাতিক পরিবেশ আদালতে বিচার প্রার্থী হওয়াটাই শ্রেয়।
৫। ইলিয়াস আলি (সিলেট ২)ঃ সিলেটের "সুযোগ্য" সন্তান হিসেবে ঢাবিতে বরিশাল এবং গোপালগঞ্জের ছাত্রনেতাদের সমান তালে পাল্লা দিয়ে চলা এই সাবেক ছাত্রনেতাকে সংসদের মনোনয়ন দিলে, ঢাবির আগুন, সিলেটে জ্বলবে বলেই ভুক্তভোগিরা মনে করেন।
৬। ডঃ খন্দকার মোশারফ হোসেন (?)ঃ বাংলাদেশের সীমিত খনিজ সম্পদের প্রভুত ক্ষতি করা নাইকোর কাছ থেকে ঘুষ নেবার অভিযোগে পদত্যাগকারি এই দেশদ্রোহিকে কেন, বি এন পি থেকে বের করে দেয়া হলো না, এটি একটি বড় প্রশ্ন হতে পারে।
৭। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরি (চট্টগ্রাম ৬) ঃ স্বঘোষিত এই রাজাকারের প্রকাশ্যে অশ্লিল কথনের উদাহারণ বাংলাদেশে নেই। কথিত আছে যে, বাংলাদেশে অস্র এবং স্বর্ণ চোলাচালানের মুল হোতাদের একজন তিনি। সিরাজুস সালেহিন নামে তার একটি প্রাইভেট বাহিনী আছে, যে কারণে তার রাজত্বে তার বিরুদ্ধে টু শব্দটি করার মত ক্ষমতা কারো নেই।
ছোট বড় মাঝারি এ রকম অনেক নেতাই আছেন যাদের চরিত্র "ফুলের মত পবিত্র"। যেহেতু ইনাদের ক্ষমতা, প্রভাব আর প্রতিপত্তির কাছে, সাধারণ জনগণ জিম্মি, সেহেতু, "না" ভোটের মাধ্যমেই এদের প্রতিহত করতে হবে। আরেকটা উপায় আছে, সেটা ঠিক আইনসম্মত নয়।
সংশোধনিঃ সহব্লগারদের ধন্যবাদ একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল ধর্যে দেবার জন্য। এজন্য খন্দকার মোশাররফের সম্ভাব্য নির্বাচনী এলাকার যায়গায় প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে রাখা হয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

