আমার প্রিয় পোস্ট

সবুজের বুকে লাল, সেতো উড়বেই চিরকাল

আপন উক্তি নিজেকেই গিলতে হবে আব্দুল গাফফার চৌধুরিকে।

২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:২৫

শেয়ারঃ
0 0 0

বিশেষ বিতৃষ্ণা নিয়ে দেখতে হলো আগাচৌ এবার স্বাধীনতা পুরস্কার হাতে নিচ্ছেন। তাও আবার সাহিত্যে। সহব্লগার একজন অবশ্য প্রমান স্বরুপ দেখিয়েছেন যে, আগাচৌ এর সাহিত্যকর্মের শেষ কর্মটি ১৯৬৭ সালে। আমাদের স্বাধীনতার ৪ বছর আগের। তাছাড়া ঠিক কোন সাহিত্য কর্মের জন্য এই পুরস্কার লাভ সেটা কর্তৃপক্ষ বলেনওনি। এই সুদীর্ঘ ৪২ বছরে আগাচৌ নতুন কোন সাহিত্য রচনা করতে পারেননি কেন সেটি বিরাট প্রশ্ন।

ঠিক আছে, তাও না হয় মেনে নিলাম। কিন্তু এ টি এন বাংলায় দেখলাম, এই পুরস্কার পেয়েও তিনি খুব খুশি নন। তার কথা স্বাধীনতা পুরস্কার নাকি অতিতে বিতর্কিত লোকজন পেয়েছে বলে, তিনিও বিতর্কিত হয়ে পড়লেন।

অতীতে আমরা দেখেছি রাজনৈতিক বিবেচনায় রাজাকাররাও স্বাধীনতা পদক পেয়েছে ( শর্ষীনার পীরসাহেব) । কিন্তু এ কথা আগাচৌ জেনেই শুনেই তো পুরস্কারটা গ্রহন করেছেন। নাকি কেউ তার মাথা পিস্তল ঠেকিয়ে পুরস্কার নিতে বাধ্য করেছে? যার ভেতর দেশপ্রেম এবং আত্মসম্মানবোধটুকু আছে তিনি, নিশ্চই এ সব জেনে শুনে, এ পুরস্কার গ্রহন করবেন না।

তারা ছাড়া তিনি যেভাবে দেশদ্রোহিতা মুলক বক্তব্য প্রদান করে চলেছেন, তাতে স্বাধীনতা পরবর্তি নব্য রাজাকার বলতে মুহুর্তের দ্বিধাও আসে না। সহ ব্লগার সোনার বাংলা আগাচৌ এর বাংলাদেশ বিরোধি বক্তব্যের প্রমান তুলে ধরেছিলেন। এখানে দেখুন

Click This Link

তাহলে রাজাকার আর তার ভেতর পার্থক্য রইলো কোথায়? শুধু ভাষা আন্দোলনে তার ভুমিকা দিয়ে তাকে স্বাধীনতার পক্ষ্যের লোক বলে চালালে তো রাজাকার গুস্টির পালের গোদাটিকেও তাই বলতে হয়। কারণ ভাষা আন্দোলনে সেই " বিশিস্ট' ব্যাক্তিরও অবদান ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধকালিন সময়ে এই আগাচৌ কোথায় ছিলেন কি করেছিলেন, জানতে ইচ্ছা হয়। তবে ভাষা আন্দোলনে তার "বীরগাথার" কথা আগাচৌ এর নিজ লেখা থেকেই পড়ে নিন। গুলি/লাঠি পেটা থেকে বাচবার জন্য মিছিলের একদম শেষে এবং মাঝখানে অবস্থান, প্রমান করে তিনি কত বড় বীরপুঙ্গব। এহেন বীরপুঙ্গবের পক্ষ্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে কি ধরণের অবদান রাখা সম্ভব তা বুঝে নিতে খুব কস্ট হবার কথা নয়।

Click This Link

দলবাজির চরম আনুগত্য প্রকাশের জন্যই আগাচৌ এ পুরস্কার পেয়েছেন, তাতে সন্দেহ নেই। কথিত আছে যে, আগাচৌ, আওয়ামী নেতা সাবের হোসেন চৌধুরি এবং চরম বাংলাদেশ ও বাংলা বিরোধি আনন্দ পাবলিকেসন্সের মাসোয়ারা প্রাপ্ত । তাই তাকে ভাড়াটে একজন লেখক বলাই শ্রেয়, যাকে কিনে নিয়ে যা খুশি লেখানো যায়। লন্ডন প্রবাসি আগাচৌ কে স্বাধীনতা পুরস্কার দিয়ে সরকার এই প্রমান করলেন যে, দেশপ্রেম নয়, স্বাধীনতার চেতনা নয়, নির্লজ্জ দলবাজি করাই স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তির একমাত্র যোগ্যতা।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৫২
করিম আদনান বলেছেন: তেলাপোকাও একটা পাখি যদি হয় তাহলে অবশ্যই আগাচৌ ও একজন লেখক
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:০৪

লেখক বলেছেন: তিনি লেখেন ভালো, কিন্ত সে লেখা দিয়ে তিনি কালসাপের মত দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত করেন। বিতৃষ্ণাটা সেখানেই। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই

৪. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:০৯
ফালতু মিয়া বলেছেন: তিনি একজন বিশিষ্ট আওয়ামী লেখক, যিনি লন্ডনে বসে বাংলাদেশ দেখেন, লেখেন নানা তত্ত্ব জন্ম দেন আবার টেলিফোনে দেশের খরব নেন, এটা তো চরম দেশ প্রেমিকের কাজ! অপরদিকে হাসিনা বন্দনারও জুড়ি নেই। এই গর্দভ যদি স্বাধীনতা পুরস্কার না পায় তাহলে দেশে আর কোন বুদ্ধিবিক্রয়কারী তার মতো দালাল আছে কি?
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:২৩

লেখক বলেছেন: পুর্ণ সহমত আপনার সাথে। ধন্যবাদ ।

৫. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৩০
সাইফুল ইসলাম" বলেছেন: হে হইল শুবা ও খাপো! ওরে ুার টাইম নাই বাংলার!
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনার মনোভাবটি সাধারণ মানুষের মনোভাবেরই প্রতিফলন। শ্রেফ হাতে গোণা কিছু চাটুকার লোভি মানুষদের জন্য জাতীইয় পুরস্কারের অবমাননা করা হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে।

৬. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:০২
অচেনা সৈকত বলেছেন: "শুধু ভাষা আন্দোলনে তার ভুমিকা দিয়ে তাকে স্বাধীনতার পক্ষ্যের লোক বলে চালালে তো রাজাকার গুস্টির পালের গোদাটিকেও তাই বলতে হয়। কারণ ভাষা আন্দোলনে সেই " বিশিস্ট' ব্যাক্তিরও অবদান ছিল।" -এ ব্যাপারে ব্লগে বেশ কয়েকটি অনুসন্ধানী লেখা এসেছিল। পড়ে দেখুন।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১০

লেখক বলেছেন: লিংকটা দিলে কৃতজ্ঞ থাকতাম। লক্ষ্য করে দেখুন, আগাচৌকে সাহিত্যের জন্য পুরস্কার দেয়া হয়েছে, অথচ তার সাহিত্য রচনার ইতি ঘটেছে সেই ১৯৬৭ সালেই। বাংলাদেশ বিরোধি অবস্থান নেয়ার কারণেই কিন্তু তাকে বিতর্কিত বলেছি, এবং রাজাকারদের সাথে এক কাতারে ফেলেছি।

বন্যার বিরুদ্ধে আপনার সংগ্রামের কথা পড়েছি। দূর্ভাগ্যক্রমে সেখানে মন্তব্য করতে পারিনি। আপনার এই সংগ্রামের প্রতি আমার পুর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি। এখন কি অবস্থা জানাবেন। আপ্নার জন্য শুভ কামনা রইলো।

৭. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:২১
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
বলক ভরিয়া গেলো চেংড়া ছাকোলের লাদি দ্বারা ।
৮. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
অলস ছেলে বলেছেন: আগা চৌধুরী প্লানচেট এ সফল একমাত্র বাংলাদেশী, যিনি মৃতদের আত্মা হাজির করতে পারেন। এইটা পুরস্কারের একটা কারণ হতে পারে।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন। এ জন্য তাকে সাইকিক হিসেবেই পদক দেয়া উচিত ছিল।

৯. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭
সরকার সেলিম বলেছেন: সন্দেহ নেই চরম আনুগত্য জন্যই এ পুরস্কার ....।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: র এভাবেই আমাদের মর্যাদাপুর্ণ পুরস্কারগুলি কালিমা লিপ্ত হচ্ছে। ধন্যবাদ।

১০. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
এস্কিমো বলেছেন: একটা মাইনাস দিলাম।

"শুধু ভাষা আন্দোলনে তার ভুমিকা দিয়ে তাকে স্বাধীনতার পক্ষ্যের লোক বলে চালালে তো রাজাকার গুস্টির পালের গোদাটিকেও তাই বলতে হয়। কারণ ভাষা আন্দোলনে সেই " বিশিস্ট' ব্যাক্তিরও অবদান ছিল।"


- এইটা একটা মিথ্যা তথ্য।
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: আগাচৌ এর বিপক্ষ্যে এতগুলি যুক্তি যখন উপস্থাপিত, তখন শুধু একটি "মিথ্যে" কথার ( যার স্বপক্ষ্যে কোন লিংক বা তথ্য আপনি দেননি) প্রেক্ষিতে মাইনাস প্রদান করলেন এস্কিমো ভাই?

সে যাই হোক, আপনি পড়েছেন, এজন্য কৃতজ্ঞ। এবং অবশ্যই ধন্যবাদ।

১১. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:১৬
এস্কিমো বলেছেন: আপনার আগাচৌ বিষয়ে এলার্জি আছে। এই এলার্জি আছে রাজাকারদেরও। আপনি তো রাজাকারদের সহ্য করেন - কিন্তু আগাচৌকে না। রাজাকার পীরকে স্বাধীনতা পুরষ্কার দেবার তুলনায় আগাচৌএর স্বাধীনতা পুরষ্কার প্রাপ্তি যথেষ্ঠ যৌক্তিক।

আর সুযোগ পেয়ে একটা যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে প্রচারনা চালাতেও আপনার লজ্জা হয় না। এই হলো কঠিন ঘৃনা থেকে আসে। রাজাকারদের গাড়ীতে দেশের পতাকা উড়বে তাও ভাল - কিন্তু আগাচৌধুরীকে সহ্য করা হবে না। এই এক কঠিন অসুখ।

এইটা পড়েন।

Click This Link
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: লিংকটার জন্য ধন্যবাদ। এলার্জির প্রসঙ্গ যদি আসে তাহলে একমত। আছে আমার বিশেষ এলার্জি আছে। যেমন রাজাকারে তেমনি ভাদাকারে, মানে ভারতের দালালদের প্রতি। আমি তো বিশ্বাস করি যারা বাংলাদেশকে সামান্যতম ভালোবাসেন, তারা কোন অবস্থাতেই এই দুই প্রজাতির বিশ্বাসঘাতকদের তোষণ করে চলতে পারেন না।

যেদিন রাজাকার ভাদাকার দুইয়ের প্রতি আপ্নার বিতৃষ্ণা জন্মাবে, সেদিনই বুঝবো আপনি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক।

১২. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৮
পজিটিভ২৯ বলেছেন: আগা চৌধুরী প্লানচেট এ সফল একমাত্র বাংলাদেশী, যিনি মৃতদের আত্মা হাজির করতে পারেন। এইটা পুরস্কারের একটা কারণ হতে পারে।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:২৬

লেখক বলেছেন: আল্লা জানে, আবার কার আত্মা নিয়ে হাজির হবে আগাচৌ। হয়তো সেই আত্মার মাধ্যমে আগাচৌ জানাবেন, স্বাধীনতার ঘোষক আসলে তিনিই। আর হুস্কির মাত্রা বেশি হলে বলতেও পারেন, তিনি জাতির জনক। মদপ্যদের প্রলাপ বকার মাত্রা তো কোন ঠিক নেই। ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭
এস্কিমো বলেছেন: ধীবর সাহেব

- রাজাকার হলো বাস্তবতা। এরা ৭১ এর ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যা আর ৩ লক্ষ নারী সম্ভ্রমহানীর সাথে জড়িত এবং দৃশ্যমান।

আর আপনার ( আসলে রাজাকারদের) কল্পনার ফসল হলো ভারতের দালাল। বঙ্গবন্ধুকেও ভারতের দালাল বলা হতো। এই অভিযোগে পাকিস্তানের ২৪ বছর শাসনের ১২ বছরই উনি জেলে কাটিয়েছেন।

এখন আপনি বলেন - প্রকৃত দেশপ্রেমিক হবার জন্যে কাল্পনিক ভারতের দালাল হিসাবে বঙ্গবন্ধুকেও ঘৃনা করা জরুরী কি না।

মজার বিষয় হলো - আপনার পোস্টগুলোর কথাও রাজাকারদের বিরুদ্ধে কোন কথা নেই - ডনকুইকসোটের মতো বাতাসে তলোয়ার চালাচ্ছেন ভারতীয় দালালদের বিরুদ্ধে। দয়া করে মাটিতে নামেন।
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন: এস্কিমো ভাই, আপনার গঠনমুলক সমালোচনার জন্য ধন্যবাদ। রাজাকারদের বিরুদ্ধে আমার কোন লেখা নেই, সেটা ঠিক না। গালাগালি করে পোস্ট দিলেই শুধু রাজাকার বিরোধিতা করা হয় একথাও বিবেচনাপ্রসুত নয়। রাজাকার বিরোধি পোস্টে মন্তব্য দিয়েও কিন্তু রাজাকার বিরোধি মনভাব প্রকাশ করা যায়। তাছাড়া এই ব্লগে সবাই রাজাকার বিরোধি। লেবু বেশি চিপলে তেতো হয়ে যায় জানেন তো?

ভারতের দালালগিরিকে কল্পনা বিলাস বল্লেই বরং অবাস্তব মনে হবে। আপনার মত অভিজ্ঞ লেখক যদি চোখ বন্ধ করে থাকেন, তাহলে বাংলাদেশের স্বার্থের জন্য সমুহ বিপদ। বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবি রাজনৈতিক এবং সংস্কৃতিক জগতের অনেক দিকপালের খুটি ভারতে, কারণে অকারণে এরা বছরের বেশিভাগ সময়ই কাটান সেখানে। কেন এই প্রশ্নটি করতে পারেন। তাছাড়া বাংলাদেশের প্রতি ভারতের আগ্রাসি আচরনের বিরুদ্ধে এদের টু শব্দটি করতে দেখা যায় না কেন? এ কিসের লক্ষণ?

যুক্তরাস্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাঃ সম্পাদক সীতাংশু গুহ যখন ভারতকে বাংলাদেশ আক্রমনের আহবান জানায়, সেটা কি রাজাকারি না ভাদাকারি? আর এই গুহ লোকটার সাথে মিলে যখন আগাচৌ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অস্র তুলে নেবার আহবান জানায়, সেটা কি দেশপ্রেম নাকি ভারতের দালালগিরি? শারিয়ার কবির যখন কোলকাতায় বসে ( এবার তার সাথে এখানে ব্লগিং করেন জাহাংগির আকাশও ছিলেন), "ইসলাম বর্বর ধর্ম, বাংলাদেশে ইসলামকে উৎখাত করতে হবে" মার্কা বক্তব্য দেন, সেটা কি স্বাধীনতার চেতনার সাথে খাপ খায়? নাকি সেটা ভাদাগিরির আরেক নগ্ন আচরণ?

আপনি মানুন আর নাই মানুন, ৭১ যেমন বাস্তবতা, তেমনি বাংলাদেশের জন্য ভারত যে চরম হুমকি সেটা তেমনই বাস্তবতা। এ কথা যারা জানেন না, বা মানতে চান না বরং তাদেরকেই মাটিতে নেমে আসবার অনুরোধ করবো। ধন্যবাদ।

১৪. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:২৮
লেডি স্টারলাইট বলেছেন: উনি না পুরস্কার বর্জন করবেন বলেছিলেন?
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৭

লেখক বলেছেন: খুশি হতাম যদি তাই হতো। কিন্তু তার স্বভাব সমন্ধে যারা জানেন, তারা বোঝেন তিনি এই কাজটা করবেন না।

১৫. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩
'লেনিন' বলেছেন: "আপনি মানুন আর নাই মানুন, ৭১ যেমন বাস্তবতা, তেমনি বাংলাদেশের জন্য ভারত যে চরম হুমকি সেটা তেমনই বাস্তবতা। "

আপনার পোস্টের সাথে সহমত। হলেও এই ব্যাপারটির সাথে নয়। ভারত কখনো চাইবে না বাংলাদেশের মতো মুক্ত স্বাধীনতার স্বাদ প্রাপ্ত একটি ভু-খণ্ডকে আবার তার ভেতরে নিতে। বরং চারদিকে ঘেরা ভারত আমাদেরকে তাদের বাজার হিসেবে রেডিমেড পেয়েছে।

আগাচৌ কে আওয়ামী লেখক বলাও ভুল, সে বিশেষ বিশেষ সময়ে রং বদলকারী। বরঞ্চ ভাড়াটে লেখক বললেই যথার্থ। তার ভাষার গানের জন্য তাকে সম্মান জানাতেই হয়। জিয়া, এরশাদ প্রত্যেকের পক্ষেই ইনি লিখে বিতর্কিত। তাই তার সম্পর্কে কথা না বলাই ভালো।

আবার মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জন্য অবশ্যম্ভাবী এবং অপরিহার্য ছিল কিন্তু ভারতেরও এতে ফায়দা ছিলো। মুক্তিযুদ্ধ শেষে ভারতীয় সেনাবাহিনী আমাদের বিপুল অস্ত্র, ট্যাংক, মেশিন-টুলস ফ্যাক্টরি ইত্যাদি লুঠ করে নিয়ে গেলেও আমরা কিছু বলিনি।


মুক্তিযুদ্ধ হওয়া ভারতের জন্যও দরকারী ছিল, কেনরা তখন নকশালপন্থী বিদ্রোহীরা বাংলাদেশ থেকে গিয়ে গিয়ে হামলা চালাতো।

ভারত বা পাকিস্তান কাউকেই বাংলাদেশের বন্ধু ভাবার কোনো কারণ নেই। তারা উভয়েই আমাদের বিশৃঙ্ক্ষলা চাইবে। কিন্তু দেশের মানুষের একতাবদ্ধ হওয়া একান্ত জরুরী।

২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪২

লেখক বলেছেন: ভাই লেলিন, আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। যে বিষয়গুলি হয়তো আপনার দৃস্টি এড়িয়ে যেতে পারে যে বিষয়গুলিতে আপ্নার মনযোগ আকর্ষন করছি।

ভূটান, নেপাল এদের আমরা স্বাধীন রাস্ট্র হিসেবে জানি বটে কিন্ত পররাস্ট্র নীতিতে আলাদা অবস্থান দেখতে পাই কি? বর্তমান ক্ষমতমাসীন মাওবাদিরা নেপাল থেকে হিন্দির প্রভাব কমানোর চেস্টা করলে, আদভানির ধমক খেয়েও তাদের চুপ করে থাকতে হয়। ভূটানের তোয়াক্কা না করেই ভারতের সেনাবাহিনি ইচ্ছে মত ভুটানের ভেতরে অভিযান পরিচালনা করে। এটা নিশ্চই তাদের স্বাধীনতার লক্ষণ নয়?

ভারতের পররাস্ট্রনীতির মুল লক্ষই হলো, অখন্ড ভারতে রামরাজ্য প্রতিষ্ঠা। নেহেরু ডক্ট্রিন কিংবা ইন্ডিয়া ডকট্রিনের মত রচনায় সেটা স্পস্ট। ক্ষতায় যেইই আসুক, তারা সবাই বেদবাকুএ এই নীতি অনুসরন করে থাকে। নেহেরু কোনদিনও ভারত ভাগকে মেনে নিতে পারেনি।

আর বন্দুকের জোরে দেশ দখল করার মত নির্বুদ্ধিতা ভারত করবে না। সিকিমের অবস্থা দেখুন। সেখানে স্থানীয় দালাল লেন্দুপ দর্জিকে দিয়ে প্রথমে একটা ইউফোরিয়া তৈরি করা হয়েছে। এর পর বৃহত্তর জনসমর্থনের অজুহাতে পুরো দেশ গিলে ফেলা হয়েছে। আমাদের দেশেও লেন্দুপ দর্জি তৈরির কাজ চলছে। মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক অংগনে এর স্পস্ট প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

অখন্ড ভারতের রামরাজ্য বানানোর ভারতের কাছে একটি মরণপন জেদ। এই স্বপ্নকে সফল করার কাজে চাণক্যের সব রকম ছলচাতুরির প্রয়োগ চলছে। তাই ৩০ লাখ শহিদের আত্মত্যাগে পাওয়া আমাদের মহান স্বাধীনতা রক্ষায় অসতর্কতার বিন্দুমাত্র সূযোগ নেই।

১৬. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩
'লেনিন' বলেছেন: "নেহেরু কোনদিনও ভারত ভাগকে মেনে নিতে পারেনি।"

এটা কোনো সুস্থ্যলোকের মেনে নেয়া কষ্টকর, কেননা... এক পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে আমার যাবার বসবাসের থাকার অধিকার থাকবে.. তাই হওয়া উচিৎ ছিল।

বৃটিশরা ভারত থেকে বাংলাদেশ আর পাকিস্তন সমস্যা তৈরি করে এখনো মজা লুটছে। ডিভাইড এন্ড কঙ্কার নীতিতে ওরা সফল হয়েছিল। অবিভক্ত ভারত হলে আমাদের সবারই ভালো হতো। অযথা রামরাজ্য ইত্যাদি বলে ধর্মের রং লাগাচ্ছেন কেনো?

বন্দুকের নল দিয়ে দখল করে রাখা যায়না তা আমেরিকা দেখছে আফগানিস্তান আর ইরাকে। আর ভারত দেখছে কাস্মীরে।

তবে এখন যখন আমরা স্বাধীন এবং সার্বভৌম... অবশ্যই এই স্বাধীকার রক্ষা করতে হবে যেকোনো মূল্যে। চেতনায় নিতে হবে মুক্তিযুদ্ধকে। ধর্মীয় জঙ্গীবাদ পৃথিবীকে পিছিয়ে দিতে এসেছে তা থেকেও দূরে থাকতে হবে।
১৭. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪
ধীবর বলেছেন: ভাই লেলিন, আলাদা জাতিস্বত্ত্বার অস্তিত্বকে মেনে নিয়ে গঠন করা হয়েছে আলাদা আলাদা রাস্ট্র। তাই শুধু মানুষ হিসেবে পৃথিবির যে কোন প্রান্তে অবাধে ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছেটার মধ্যে একটা কাব্যিক সুন্দর কল্পনা আছে। বাস্তবের সাথে যার সংঘর্ষ হতে বাধ্য।

বৃটিশদের ভারত ভাগ করার মধ্যে সুদুরপ্রসারি একটা হানাহানি সৃস্টির উদ্দেশ্য লুকিয়ে ছিল সন্দেহ নেই। কিন্তু এই ভাগের মধ্যে সব চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি আমরা। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের কথা নাই বল্লাম, মুসলিম লিগ এবং কংগ্রেসের সাথে বৃটিশদের চুক্তি অনুসারেও আমাদের ভাগের করিমগঞ্জ এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান অঞ্চল গুলি আমাদের ভাগে আসেনি। যদিও ওই এলাকার জনগণ পুর্ববঙ্গের সাথে যাওয়ার জন্য ভোট দিয়েছিল। অজ্ঞাত কারণে ১৯৪৮ সালের জুন মাসে চুড়ান্ত ভাগ হবার কথা থাক্লেও, সেটা তড়িঘড়ি করে প্রায় একবছর আগেই সেটা করে বৃটিশরা কেটে পড়ে। কথত আছে যে এই ভাগ নিয়ে সাধারণ মানূশ এতটি ক্ষিপ্ত ছিল যে, র‌্যাডক্লিফ কোনমতে প্রাণ নিয়ে পালাতে বাধ্য হন।

ভারত বিভক্তির জন্য কে বা কারা দায়ি, সে ব্যাপার বি বি সি প্রচারিত প্রামান্য অনুষ্ঠান দেখলে ভালোই আন্দাজ করা যায়। আর অবিভক্ত ভারতে আমাদের কি হাল হতো, সেটা সেখানকার ধর্মীয় সংখ্যালঘু, কিংবা পঃ বঙ্গের বাঙ্গালিদের অবস্থা দেখে বুঝে নিন।

রামরাজ্য কথাটা আমার তৈরি নয়। সেখানকার প্রভাবশালি রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বরাই এই তত্ত্বটি প্রচার করে থাকেন, যা নেহায়েৎ ফাপা বুলি নয়। ভারতে প্রতি বছর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সংখ্যাই তা প্রমান। তাছাড়া পুশইনের ব্যাপারটাও খেয়াল করবেন।

ইন্টারনেট ব্রাউজ করলেই ইন্ডিয়া ডকট্রিন এবং নেহেরু ডকট্রিন সমন্ধে পুর্নান ধারণা পেতে পারেন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১৮. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫
অলস ছেলে বলেছেন: কমেন্টগুলো পড়ে প্রিয়তে নিয়ে গেলাম। 'প্রিয়' এই কারণে না, আবার পড়তে হবে পড়ে, তাই। গাফফার চৌধুরী এই সরকারের আমলে স্বাধীনতা পদক পাবে, এটাই বাংলাদেশের রীতি, যেখানে শর্ষিণার পীরও পেয়েছে। ব্যাপার না।

এস্কিমো আমাকে তাঁর ব্লগে ব্লক করে রেখেছেন। নাহলে হয়তো ওনাকে ওখানেই জিজ্ঞাসা করতাম, স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় চার দশক ধরে সীমান্তগুলোতে বিএসএফ এর গুলিতে নির্মমভাবে সাধারণ মানুষ হত্যা, কুটনৈতিকভাবে বাংলাদেশের উপর সবসময় ভারতের দাদাগিরির আধিপত্যবাদী চেষ্টা, বাণিজ্য বৈষম্য, স্বাধীনতার পর থেকেই সমস্ত বড় বড় রাজনৈতিক হত্যাকান্ড, ক্যু এবং অস্থিতিশীল করার চেষ্টার পেছনে ভারতের কালো হাত, সর্বহারাদের ভারত সংশ্লিষ্টতা, ফেনসিডিলের আমদানী, অবৈধ অস্ত্র আর বিষ্ফোরকের ছড়াছড়ি এসবের কোনটা নিয়েই ২ বছরে ৮০৩ টি পোষ্টের একটি পোষ্টও দিতে পারলেন না কেন? দেশের সব বড় বড় সমস্যায় সচেতন নাগরিক হিসেবে যখন উনার চিন্তাগত অংশগ্রহণ আছে। অন্তত শিরোনামের মধ্যে এবং দুই বছরের বেশি সময় ধরে এই ব্লগ পড়ার মধ্যে আমি খুঁজে পাইনি। আওয়ামীল লীগ সমর্থন করলে কি এরকম নির্লজ্জ দেশের স্বার্থবিরোধী হতে হয়?
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: অত্যন্ত যৌক্তিক প্রশ্ন। কিন্তু এস্কিমো ভাই জবাব দেবেন কিনা সেটা তিনিই ভালো বলতে পারেন।

১৯. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। যে লোক মাওলানা ভাসানীর মতন প্রকৃত ক্লিন ইমেজের নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলতে ও কুৎসা রটাতে পারে তার মতন মতলববাজ সিংহভাগ ক্ষেত্রে মিথ্যা কথা বলে বেড়ানো লোক কে স্বাধীনতা পুরস্কার দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকেই অপমান করা হল।

Click This Link

Click This Link
২৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ ভাইকে। এসব সত্য চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল এতদিন। তাই আগাচৌকে বিশাল একজন বানিয়ে ফেলা হয়েছিল। তবে যুগ বদলেছে। সত্য যতই সামনে আসছে, ওই সব ভন্ডদের মুখোশ ততই খুসে পড়ছে। বিশেষ ইজমপন্থি বুদ্ধিজীবি নামের আবর্জনারা আস্তাকুরে নিক্ষিপ্ত হবেই।

২০. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯
'লেনিন' বলেছেন: ধীবর: "রামরাজ্য কথাটা আমার তৈরি নয়। সেখানকার প্রভাবশালি রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বরাই এই তত্ত্বটি প্রচার করে থাকেন, যা নেহায়েৎ ফাপা বুলি নয়। ভারতে প্রতি বছর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সংখ্যাই তা প্রমান। তাছাড়া পুশইনের ব্যাপারটাও খেয়াল করবেন।

ইন্টারনেট ব্রাউজ করলেই ইন্ডিয়া ডকট্রিন এবং নেহেরু ডকট্রিন সমন্ধে পুর্নান ধারণা পেতে পারেন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। "

নেহেরু, গুজরাল, ইন্দিরা ডকট্রিনগুলো হালকা পড়া আছে যদিও তা আমার বিষয়ভূক্ত নয়। নিতান্তই নিজের জ্ঞানতৃষ্ণায় পড়ে দেখা। আর রামরাজ্যে ব্যাপারটি আমিও জানি।....

কিন্তু কথা হচ্ছে আপনি উল্লেখ করেছেন মুসলিম অধ্যুষিত জায়গা আমরা পাইনি ..... ইত্যাদি ইত্যাদি.... পেলে কী হতো? যেখানে আমরা যুগের পর যুগ হিন্দু-মুসলিম পাশে পাশে বাস করলাম সেখানে তাদের যার যার নিজভূমে পরবাসী করে দেয়া।... আর কিছু বলার ইচ্ছা হচ্ছে না। কী করে ফেলতো সব মুসলিম এক হয়ে?

২৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:২৩

লেখক বলেছেন: কি পেতাম আর কি পেতাম না সে প্রশ্নের চেয়েও বড় প্রশ্ন, কেন বা কাদের স্বার্থের কথা ভেবে জনগণের চাওয়া পাওয়াকে পদদলিত করা হলো। আপনার মন্তব্যগুলি নিঃসন্দেহে চিন্তার খোরাক জোগায়। তাই আপনার সাথে ভাব আদান প্রদান করে বেশ ভালো লাগছে। ধন্যবাদ আবারো।

২১. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
'লেনিন' বলেছেন: অলস ছেলে'র প্রশ্নে প্লাস। দেশের একজন সাধারণ মানুষ আওয়ামী না বিএনপি বড় কথা নয় তারা দেশের মানুষ। ব্যক্তিগতভাবে আমি দু'দলকেই ঘৃণা করি।

বিএনপিকে করি, কেননা তারা কোনো আদর্শ তৈরি করতে ব্যর্থ। মূলত জিয়াই কোনো আদর্শ দিয়ে রেখে যাননি। লোকটি অনেক গুণী হলেও এমন কিছু ক্ষতি তিনি দেশ এবং সংবিধানের করেছেন যা অপূরণীয়।

আওয়ামী লীগকে করি, কেননা তারা প্রধাণ বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় এর সমর্থন পেলেও তারা মূলত আদর্শবাদী নয়। তাদের মূলনীতি তারা বিসর্জন দিয়েছে আর মাওলানা ভাসানী প্রমুখ প্রধান নেতাকেই উপেক্ষা করা হয়েছে।

কার্যকলাপে এদুটি দলের মধ্যে তফাৎ আছে কী তেমন? দেশ লুট-পুটে খাবার পন্থা ভালোই জানা দুটি দলেরই।

আমরা মেতে আছি 'ব্লাডি সিভিলিয়ান' হয়ে জলপাই কর্মকর্তাদের সমূলে বিনাশ করতে। যাতে এই দুই দল চিরদিন এভাবে লুটে-পুটে খেতে পারে আমাদের। 'বেকুব' জনগণ তো কিছু বলতেই পারবেনা।
২৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:২৪

লেখক বলেছেন: তৃতীয় একটি রাজনৈতিক ধারার অভাব অনুভুত হচ্ছে।

২২. ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৪৬
বিডি আইডল বলেছেন: দলবাজির চরম আনুগত্য প্রকাশের জন্যই আগাচৌ এ পুরস্কার পেয়েছেন, তাতে সন্দেহ নেই...সহমত

অলস ছেলে যাতের বিশেষ জায়গায় যন্ত্রপাতি এবং ব্যাটারির জোর কম..তারাই যারে তারে ব্লক করে...ব্যাপার না
২৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: এর আগে "তিনি উক্তি করেছিলেন" বাকশাল নাকি কাগজে ছিল, গোয়ালে ছিল না। একি অজ্ঞতা নাকি সত্য চাপা দেবার ফন্দি বুঝতে পারছি না।

২৩. ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:০৬
এস্কিমো বলেছেন: সিতাংশগুহ কে আমি জানি না। আর ভারতের নেতারা মনে ঘাষ খায় না যে সিতাংশ গুহ নামের কোন লোকের ডাকে বাংলাদেশে সৈন্য পাঠাবে।

তবে একটা কথা বলি - গাফফার চৌধুরী সম্পর্কে আপনার জানার অনেক কমতি আছে। আরো জানুন।

একটা ঘটনা বলি।


টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সমিতির একটা সেমিনারে গাফফার চৌধুরী প্রধান বক্তা হিসাবে আমন্ত্রন পেয়েও শেষ মুহুর্তে আসা বাতিল করেন - কারন সেখানে ড্যানিয়েল পাইপ অতিথি বক্তা হয়েছিলেন।

পরের বছর টরন্টোয় উনি এসেছিলেন। সেই সময় একটা সংগঠনের নেতাদের সাথে উনি দেখা করেননি এবং সবরকমের অনুরোধ উপেক্ষা করেছিলেন - তা হলো হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টান সমন্বয় পরিষদ।

- যদি বিস্তারিত জানার ইচ্ছা থাকে জেনে নিতে পারেন। তবে কারো সম্পর্কে জানার প্রথম শর্ত হলো এলার্জি মুক্ত হওয়া।

আপনি আরো অনেকের কথা বলেছেন। আমি শুধু গাফফার চৌধুরীর বিষয়েই মন্তব্য করলাম।

আর ভারত নিয়ে জুজুর গল্পতো তো অনেক পুরানো। ১৯৪৭ সালের অনেক আগের থেকেই এই বিভাজনের রাজনীতির জন্ম। তারপর জুজুর গল্প বলে পাকিরা ২৪ বছর - পরে দুই সামরিক শাসক ১৫ বছর আর বিএনপি ১০ বছর দেশের ক্ষমতা ভোগ করেছে।

এইটা অনেকটা বাচ্চাদের পাখি দেখার কথা বলে যেভাবে বড়রা বাচ্চাদের পছন্দের জিনিস সরায় - তেমনি রাজনীতিবিদদের একটা অংশ ভারতের জুজু দেখিতে মানুষের নজর সরিয়ে নিজেদের কাজ সেরে নেয়।

সবচেয়ে বড় ভারত বিরোধী বক্তাদেরও দেখেছি গোপনে ভারতের পন্যপ্রসারে দালালি করতে।

বাস্তবতাং আসুন। ভারতের সাথে একটা সন্মানজনক সম্পর্ক ছাড়া বাংলাদেশের কোন উপায় নেই। ভারতকে সারাদিন গালাগালি করে কোন লাভ হবে না।
২৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: " ভারতের সাথে একটা সন্মানজনক সম্পর্ক ছাড়া বাংলাদেশের কোন উপায় নেই। ভারতকে সারাদিন গালাগালি করে কোন লাভ হবে না।"

সহমত। কিন্ত আমরা চাইলেও ভারত যে চায় না, সেটি তো সত্যি। বন্ধুত্ব গড়তে আমরা সবই করেছি। কিন্ত লাভ কি কিছু হয়েছে? তারা মিত্র চায় না, তারা চায় গোলাম করে রাখতে। সেটি কি মেনে নেয়া করা সম্ভব?

সীতাংশ হলো যুক্তরাস্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। তার কীর্তিকলাপের জন্য অনেক আঃ লিগের লেন্তা কর্মিরাই তার উপর ক্ষুব্ধ। আগাচৌ টেরন্টোতে যা করেছেন, সেটা অন্য কোথাও করেননি। তাই তার ব্যাতিক্রম ধর্মি আচরণকে উদাহারণ হিসেবে নিয়ে পারছি না। তার সাথে আমার ব্যাক্তিগত পরিচয় নেই, তাই তার আচরনের উপর ভিত্তি করেই আমার এই বিতৃষ্ণা।

২৪. ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:১১
এস্কিমো বলেছেন: লেবু বেশি চিপলে তেতো হয়ে যায় জানেন তো?


- জানি। কিন্তু আপনি্তো তাই করছে - ঠিক না? :)
২৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: এক লেবু বেশি চিপলে তিতা হয়ে যায়। কিন্তু যেভাবে আমাদের প্রতিবেশি নিত্য নতুন লেবু দিয়ে যাচ্ছেন, তাতে তেতো হবার সম্ভাবনা নেই বল্লেই চলে। তাও যেহেতু বলেছেন, ভাবনায় থাকলো।

২৫. ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১২
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ এস্কিমো, ভাই আপনি কি জানেন কবির চৌধুরী সহ অনেক আওয়ামী ঘরাণার বুদ্ধিজীবি বলেন যে ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগ ভুল ছিল এবং অখন্ড ভারতই ভাল ছিল। আগাচৌ হল সেই দলের লোক।

ধীবর ভাইয়ের সাথে সহমত যেদিন ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা বিরোধী ও ভারতীয় বিমাতা সুলভ আচরণের যথাযথ সমালোচনা জিয়া ভাই করবেন সেদিন তিনি প্রকৃত দেশ প্রেমিক। যে প্রকৃত দেশপ্রেমিক সে কখনো আমাদের স্বাধীনতা লাভের পর ভারতরে বিগত ৩৭/৩৮ বছরের বিমাতা সুলভ আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এড়াতে পারে না। আমাদের র্দূভাগ্য যে জিয়া ভাই ভারতের সমালোচনা প্রায় করেন না।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: অখন্ড ভারতের দালালদের আমরা কেন স্বাধীনতার চেতনাধারি বলে সম্মান করি জানি না। স্বাধীন বাংলাদেশের বিপক্ষ্যে যায় যে চেতনা সে তো রাজাকারি চেতনা। আর সেই সুত্রে কবির চৌধুরি গং রা চরম রাজাকার বৈত নয়।

যিনি ইচ্ছে করে বাংলাদেশকে ১৯৭১ এ আটকে রাখতে চান, তাকে জাগানো অসম্ভব।

২৬. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩
এস্কিমো বলেছেন: রাজাকারদের মন্ত্রী বানানোর জন্যে যারা দলবাজি করে তাদের কাছে দেশপ্রেমিক প্রমান করার কোন প্রয়োজন দেখছি না। @ বা. জি.
২৭. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬
অারমান বলেছেন: দলবাজির চরম আনুগত্য প্রকাশের জন্যই আগাচৌ এ পুরস্কার পেয়েছেন, তাতে সন্দেহ নেই।

৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: চোখের সামনে এ ধরণের অনেক প্রমান থাকলেও, অনেকে অন্ধ দলিয় আনুগত্যের কারণে সেটা মেনে নিতে চান না। আক্ষেপ্টা সেখানেই।

২৮. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৪৭
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ এস্কিমো, জনগণ ভোট দিলে কিইবা করার আছে। আপনার নেত্রী হাসিনা ১৯৯২ সালে খালাম্মা জাহানারা ইমাম কে ওয়াদা করলেও ১৯৯৫-৯৬ সালে ঠিকই নিজামীর পাশে বসে সহাস্যে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। হাসিনা করলে দোষ নাই কিন্তু বিএনপি করলে যত্ত দোষ। এখন বলেন ভারত ৩৭-৩৮ বছর ধরে বাংলাদেশের অনেক ক্ষতি করে আসছে এর বিরুদ্ধে কি আপনি কিছু লিখবেন? নাকি বলবেন যে বাংলাদেশের সাথে ভারতের বর্ডার খুলে রাখা হউক?
০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:৫৪

লেখক বলেছেন: এস্কিমো ভাইয়ের দৃস্টি আকর্ষন করলাম।

২৯. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১০
কিরণময়ী বলেছেন: একমত। এখন দিন ভারতীয় দালালদের । সব দেখে যেতে হবে। শুনে যেতে হবে। সহ্য করে যেতে হবে। কষ্ট হবে। কিন্তু আমাদের হাত পা বাধা, আমাদের চোখে চশমা পড়িয়ে রাখা হয়েছে যা দিয়ে আমরা সব মিথ্যেকে সত্য হিসেবে দেখতে বাধ্য হই।আগামী বার নাকি "না" ভোট ও থাকছেনা! কি করবো আমরা ? ভোট কেন্দ্রেই আর যাবোনা।
০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:০০

লেখক বলেছেন: প্রতিবাদ করতে হবে এই ভারতের দালালদের বিরুদ্ধে। সত্যকে প্রকাশ করতে হবে। নইলে এই সব দালালদের অপপ্রচারের কারণে আগামি প্রজন্মের অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে ভারতের সেবাদাসে পরিণত হবে।

বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনচেতা। তাই সব ভয় ভীতিকে অগ্রাহ্য করে দেশের কথা বলতেই হবে। তাতে দালাল ছাড়া সবার সমর্থন থাকবেই। তাই আশা হারাবেন না।

৩০. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫৭
সোনার বাংলা বলেছেন: এস্কিমো বলেছেন: সিতাংশগুহ কে আমি জানি না। আর ভারতের নেতারা মনে ঘাষ খায় না যে সিতাংশ গুহ নামের কোন লোকের ডাকে বাংলাদেশে সৈন্য পাঠাবে।

তবে একটা কথা বলি - গাফফার চৌধুরী সম্পর্কে আপনার জানার অনেক কমতি আছে। আরো জানুন।

একটা ঘটনা বলি।


টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সমিতির একটা সেমিনারে গাফফার চৌধুরী প্রধান বক্তা হিসাবে আমন্ত্রন পেয়েও শেষ মুহুর্তে আসা বাতিল করেন - কারন সেখানে ড্যানিয়েল পাইপ অতিথি বক্তা হয়েছিলেন।

পরের বছর টরন্টোয় উনি এসেছিলেন। সেই সময় একটা সংগঠনের নেতাদের সাথে উনি দেখা করেননি এবং সবরকমের অনুরোধ উপেক্ষা করেছিলেন - তা হলো হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টান সমন্বয় পরিষদ।

- যদি বিস্তারিত জানার ইচ্ছা থাকে জেনে নিতে পারেন। তবে কারো সম্পর্কে জানার প্রথম শর্ত হলো এলার্জি মুক্ত হওয়া।


>> ভাই গাফ্ফারের কিছু বয়ান পাইছি.... একটু পইরা দেখেন সে
কি কইচে....... এত দিন ধইরা খুজতে ছিলাম আইজকা পাইচি.......


International conference protests oppression of minorities in Bangladesh: anti-conference rally outside



Via Bangla Patrika, 4 February 2003. Translated from Bangla by Minhaz Ahmed.




Abdul Gaffar Choudhury, a prominent writer and columnist, said, “the violation of human rights in Bangladesh is such that there is no time to relax. Go back to Bangladesh armed to protect human rights.” He made the statement in a speech to an international conference protesting the human rights violations and oppression of minorities in Bangladesh. The conference was held by the Bangladesh Hindu Buddhist Unity Council’s U.S. branch on Feb. 9.
During the conference, a group of more then 100 people gathered outside the hotel to protest the subject matter of the conference and the labeling of Bangladesh as a fundamentalist state.
“Many people wanted to stop me from coming, but I could not refuse to respond to an invitation from the Unity Council. Many people say that the Bangladesh Hindu-Buddhist Unity Council is a communal organization because it does not accept Muslim representatives. But this is not true. When the people of the Unity Council are oppressed by Islamic fundamentalists, there is no need to include them [the fundamentalists]. There is no problem with organizing to protect themselves,” Choudhary said.
“I have traveled up to Shilbukka, in Rangamathi, from 1997 to 2000. I observed oppression of minorities everywhere. I observed human rights violations. I observed the protection of Pakistani interests with Saudi funding. It is really hard for people of other religions to live [in Bangladesh].
“Minority oppression in Bangladesh did not begin recently. It started at the time of Partition in 1947. I am a living witness of the merciless torture of Hindu people. Since then, physical and economic torture continued during the time Pakistan ruled [Bangladesh]. Because of this, Hindus were compelled to leave Pakistan and take refuge in India,” Choudhury recounted.
Choudhury said the context of Hindu oppression during Pakistan rule was set in 1965, when rioters killed many Hindus a riot in Rayer Bazaar, Dhaka. Hindu women were tortured, their genitals were cut with knives. Addressing the present government as a fundamentalist government, he said, “stop oppressing minorities. Bangladesh ca not run without them, especially the Hindu’s help.” On three sides, Bangladesh is surrounded by India. “It is amusing, that you want to transform Bangladesh into an Islamic country. I went to Taliban Afghanistan. I saw Muslims dealing drugs there. Was that an instance of an Islamic state?” He added, “Saudi Arabia financed Rohingas in Bangladesh to establish a ‘Muslim Burma.’ In a country where Matiur Rahman Nizami and Ali Ahsan Mujahidi are ministers, there is no need for al Qaeda.”
Choudhury described the present conditions of the country. “[Our country is one] where 17 people gang-rape an adolescent girl, Purnima; where her mother has to request, ‘she is so tender in age, please rape her one by one.’ This is present-day Bangladesh.”
At the end, he urged all Hindus, Buddhists, Christians and progressive Muslims to unite to stop minority oppression.
The conference featured a keynote address from Bertil Lintner, a journalist with the Far Eastern Economic Review and the Wall Street Journal as well as speeches by the Vice Chancellor of Colorado University Dr. Bed Prokash Nanda; journalist Sir Moshe Bernie; Jewish community leader Jins Kenstar; attorney and district leader Mr. Berry Lenchman; first Asian-American City Councilman John Liu; first Indian-American president of Democratic Party District 25 Mrs. Uma Sen Gupta; and attorney Elizabeth Berna.

১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনার এই মুল্যবান তথ্য থেকেই প্রমানিত হয় যে, আমাদের দেশের মুল ধারার মিডিয়াগুলি কতটা পক্ষপাতিত্ব করে। নইলে মুল ধারায় এসব নিয়ে রিপোর্টও প্রকাশিত হলো না বরং একে ধামাচাপ দিতে এক ধরণের নীরবতা অবলম্বন করা হলো। অনেক ধন্যবাদ, অনেকের জ্ঞানের চোখ খুলে দেবার জন্য।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫২০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সাংবাদিক কলামিস্ট
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই