বিশেষ বিতৃষ্ণা নিয়ে দেখতে হলো আগাচৌ এবার স্বাধীনতা পুরস্কার হাতে নিচ্ছেন। তাও আবার সাহিত্যে। সহব্লগার একজন অবশ্য প্রমান স্বরুপ দেখিয়েছেন যে, আগাচৌ এর সাহিত্যকর্মের শেষ কর্মটি ১৯৬৭ সালে। আমাদের স্বাধীনতার ৪ বছর আগের। তাছাড়া ঠিক কোন সাহিত্য কর্মের জন্য এই পুরস্কার লাভ সেটা কর্তৃপক্ষ বলেনওনি। এই সুদীর্ঘ ৪২ বছরে আগাচৌ নতুন কোন সাহিত্য রচনা করতে পারেননি কেন সেটি বিরাট প্রশ্ন।
ঠিক আছে, তাও না হয় মেনে নিলাম। কিন্তু এ টি এন বাংলায় দেখলাম, এই পুরস্কার পেয়েও তিনি খুব খুশি নন। তার কথা স্বাধীনতা পুরস্কার নাকি অতিতে বিতর্কিত লোকজন পেয়েছে বলে, তিনিও বিতর্কিত হয়ে পড়লেন।
অতীতে আমরা দেখেছি রাজনৈতিক বিবেচনায় রাজাকাররাও স্বাধীনতা পদক পেয়েছে ( শর্ষীনার পীরসাহেব) । কিন্তু এ কথা আগাচৌ জেনেই শুনেই তো পুরস্কারটা গ্রহন করেছেন। নাকি কেউ তার মাথা পিস্তল ঠেকিয়ে পুরস্কার নিতে বাধ্য করেছে? যার ভেতর দেশপ্রেম এবং আত্মসম্মানবোধটুকু আছে তিনি, নিশ্চই এ সব জেনে শুনে, এ পুরস্কার গ্রহন করবেন না।
তারা ছাড়া তিনি যেভাবে দেশদ্রোহিতা মুলক বক্তব্য প্রদান করে চলেছেন, তাতে স্বাধীনতা পরবর্তি নব্য রাজাকার বলতে মুহুর্তের দ্বিধাও আসে না। সহ ব্লগার সোনার বাংলা আগাচৌ এর বাংলাদেশ বিরোধি বক্তব্যের প্রমান তুলে ধরেছিলেন। এখানে দেখুন
Click This Link
তাহলে রাজাকার আর তার ভেতর পার্থক্য রইলো কোথায়? শুধু ভাষা আন্দোলনে তার ভুমিকা দিয়ে তাকে স্বাধীনতার পক্ষ্যের লোক বলে চালালে তো রাজাকার গুস্টির পালের গোদাটিকেও তাই বলতে হয়। কারণ ভাষা আন্দোলনে সেই " বিশিস্ট' ব্যাক্তিরও অবদান ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধকালিন সময়ে এই আগাচৌ কোথায় ছিলেন কি করেছিলেন, জানতে ইচ্ছা হয়। তবে ভাষা আন্দোলনে তার "বীরগাথার" কথা আগাচৌ এর নিজ লেখা থেকেই পড়ে নিন। গুলি/লাঠি পেটা থেকে বাচবার জন্য মিছিলের একদম শেষে এবং মাঝখানে অবস্থান, প্রমান করে তিনি কত বড় বীরপুঙ্গব। এহেন বীরপুঙ্গবের পক্ষ্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে কি ধরণের অবদান রাখা সম্ভব তা বুঝে নিতে খুব কস্ট হবার কথা নয়।
http://www.nybangla.com/Ekush Tumi/Abdul Gaffar Chowdhury/Page Three.htm
দলবাজির চরম আনুগত্য প্রকাশের জন্যই আগাচৌ এ পুরস্কার পেয়েছেন, তাতে সন্দেহ নেই। কথিত আছে যে, আগাচৌ, আওয়ামী নেতা সাবের হোসেন চৌধুরি এবং চরম বাংলাদেশ ও বাংলা বিরোধি আনন্দ পাবলিকেসন্সের মাসোয়ারা প্রাপ্ত । তাই তাকে ভাড়াটে একজন লেখক বলাই শ্রেয়, যাকে কিনে নিয়ে যা খুশি লেখানো যায়। লন্ডন প্রবাসি আগাচৌ কে স্বাধীনতা পুরস্কার দিয়ে সরকার এই প্রমান করলেন যে, দেশপ্রেম নয়, স্বাধীনতার চেতনা নয়, নির্লজ্জ দলবাজি করাই স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তির একমাত্র যোগ্যতা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


