
১/১১ এর প্রেক্ষাপট তৈরির জন্য অনেক খড় কুটো পোড়ানো হয়েছিল। ইঙ্গ মার্কিন ভারত, এই তিন অক্ষশক্তির সম্মিলিত ষড়যন্ত্রের ফসল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২ বছর অবৈধ শাসনের আড়ালে চলেছে অনেক খেলা। যার নেপথ্যের নায়করা এখন ধরাছোয়ার বাইরে। (বিউটিনিশ, আনোয়ার চৌধুরি, ফকরুদ্দিন, মইন)। বাচাল বলে কুখ্যাত, শেখ হাসিনার মুখ দিয়ে তাই উচ্চারিত হয়েছে, ওই সরকার তাদেরই আন্দোলনের ফসল। হিসাবটা সোজা। অক্ষশক্তির দেশীয় দোসর হাসিনার আওয়ামি লিগ।
এতদিন যা ছিল ঢাক গুর গুর, সেটা এখন প্রকাশ্যে। এ টি এন বাংলার গত রাতের খবরেই দেখলাম, বাংলাদেশকে ভারতের মাধ্যমে ধর্ষন করার সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফেলেছেন দিপুমনি। ভারত এতদিন অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে যা করতে পারেনি, ক্ষমতা নিরংকুশ করতে সাহায্য করায়, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য, সে সবই ভারতের পাতে তুলে দিচ্ছে ক্ষমতাসীন সরকার।
ফারাক্কা বাধ চালু করবার জন্য মাত্র ৪০ দিনের অনুমতি নেয়া ভারত যখন গত ৩৩ বছর ধরে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে আসছে, তখন কোন ভরসায়, তাকে টিপাইমুখ বাধ চালুর প্রতিশ্রুতি দিলো আঃ লিগ? বাংলাবন্ধ দিয়ে নেপালের সাথে বাংলাদেশের ট্রানজিট দেবার চুক্তি করার পর, যখন শ্রেফ গায়ের জোরে ভারত সেটা বন্ধ করে দিল, তখন কোন অধিকারে আঃ লিগ নেপাল ভুটানের সাথে ট্রানজিট পাবার আশায় ভারতকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যাবহারের অনুমতি দিচ্ছে?
ত্রিপুরায় বিদ্যুত কেন্দ্র তৈরি হবে। সেখান থেকে বিদ্যুত কেনার সম্ভবনা আছে, এই রকম কস্টকল্পিত ধারনার বশবর্তি হয়ে কেন ভারতকে আশুগঞ্জ স্থল বন্দর ব্যাবহারের অনুমতি দেয়া হলো?
পিলখানায় চৌকস সেনা অফিসারদের হত্যকান্ড ঘটিয়ে, সেখান থেকে আসা যে কোন প্রতিবাদের সম্ভাবনা গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে। জনগণ তো ইয়া নাফসিতে ব্যাস্ত। বিরোধি দলের কোমড় ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। ল্যাম্পপোস্টের প্রতিবাদি তরুণদের রক্তাক্ত করে বিঝিয়ে দেয়া হয়েছে, প্রতিবাদের ফল কত ভয়ংকর। প্রফেসর আনু মোহাম্মদকে পিটিয়ে বাকি সচেতনদের জন্য সতর্কবানি জারি করা হয়েছে।
আগামি মাসেই হাসিনা যাচ্ছেন ভারত সফরে। সেখানেই বাংলাদেশকে ভারতের রক্ষিতা বানানোর সব আয়োজন সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। আনন্দ করুন সবাই। স্বাধীনচেতা আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন হবার চেয়ে বড়লোকের রক্ষিতা হওয়াই তো ঢের শ্রেয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



