আমার প্রিয় পোস্ট

সবুজের বুকে লাল, সেতো উড়বেই চিরকাল

বাঁদরামির কয়েক কাহন...

১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭

শেয়ারঃ
0 0

সময়ের অভাবে লেখা হয়ে ওঠে না। তবে খোঁজ খবর রাখতেই হচ্ছে। যাতে মনে হচ্ছে আমাদের দেশে রাজনীতি নিয়ে যা চলছে তাকে বাঁদরামির অতিরিক্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। আর সে সব বাদরামির মোটামুটি একটি চালচিত্র দাড় করানোর জন্যই এই প্রয়াশ।



তৈলুর রহমান নামে কুখ্যাত জিল্লুর রহমান রাস্ট্রপতি হিসেবেও বিতর্কের জন্ম দেয়া শুরু করে দিয়েছেন। যদি ভেবে থাকেন যে, মিথ্যেবাদি খান্ডারনি হিসেবে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা সাজেদা চৌধুরির ছেলেকে জামিন দিয়ে, জিল্লুর রহমান বিতর্কের সৃস্টি করেছেন, তার সাথে খানিকটা সহমত পোষন করলেও, তার পুরো দায় জিল্লুরের কাধে দেবার পক্ষপাতি আমি নই। কেননা বর্তমান শাসন কাঠামো অনুসারে বাংলাদেশের রাস্ট্রপতি মাত্রই প্রধানমন্ত্রির দম দেয়া পুতুল বৈত নয়।

জিল্লুরের কেরামতি অন্য যায়গায়। বাধর্ক্য আর জরার কারণে জুবুথুবু এই মানুষটি কোন ফাঁকে ভৈরবকে কিশোরগঞ্জ থেকে আলাদা করে জেলা ঘোষনার করে দিয়েছেন, তা কেউই টের পায়নি। টের তখন পাওয়া গেলো যখন দেখা গেলো এই একনায়কতান্ত্রিক রায়ের ফলে কিশোরগঞ্জের অন্যান্য এলাকার সাথে ভৈরবের মানুষদের সংঘর্ষ শুরু হয়ে গেলো। পরিবহন অবরোধ, জ্বালাও পোড়াও, হরতাল নৈরাজ্য। অন্যদিকে ভৈরবের সাথে যুক্ত করার প্রতিবাদে নিকলির মানুষেরা প্রাণ দিয়ে হলেও জিল্লুরের এই সিদ্ধান্ত প্রতিহত করার ঘোষনা করেছে। ( তথ্যসুত্র গত রাতের একুশে টিভি)

অর্থাৎ যে মানুষটি নিজেই লাঠির সাহায্য ছাড়া ভারসাম্যহীন, তিনি তার বাদরামি কুসিদ্ধান্তের মাধ্যমে শান্তিপুর্ণ পুরো একটা জেলাকে ভারসাম্যহীনতার দিকে ঠেলে দিয়েছেন।



আগামি মাসে শেখ হাসিনা ভারত সফরে যাচ্ছেন। কিছুদিন আগে ভুটান সফরকালে প্রতিবেশিদের কাছে বিদ্যুত রফতানির কথাটিও বিশেষভাবে বলেছেন। হাসিনার যে ইতিহাস ভুগোল সমন্ধে জ্ঞান অতি স্বল্প সেটা আবার প্রমান হলো। প্রথম কথা হলো, তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রি। আর ভুটানের সাথে আমাদের সীমান্তই নেই। তাছাড়া ভূটানের দুই প্রতিবেশি চীন এবং ভারতের তরফদার হবার মত সুযোগ হাসিনার নেই। তর্কের খাতিরেও যদি ধরে নেই যে তিনি বাংলাদেশের ব্যাপারেই বলেছেন, তাহলেও তো বলতে হয়, ভারতের কাছ থেকে অনুমতি না নিয়ে কি করে তিনি এহেন অনুরোধ করলেন? নাকি তলে তলে তিনি ভারতকে এমন কিছু সুবিধা দেবার পরিকল্পনা করেছেন যে, সাময়িক লোক দেখানোর জন্য হলেও ভারত তার ভুমির উপর দিয়ে ভুটান থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত পরিবহনের অনুমতি দেবে।

ভারত সফরের সময় যে সব চুক্তি সম্পাদনের কথা রয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বার্থ সংক্লিষ্ট কোন গুরুত্বপুর্ণ ইস্যুর কথা জানা যাচ্ছে না। কেননা এই চুক্তির আওতায় ফারাক্কা, তিস্তা কিংবা টিপাইমুখ বাধের বিরুদ্ধে কিছু থাকছে না। থাকছে না বিশাল বানিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার কোন চেস্টা। থাকছে না সীমান্তে নির্বিচারে বাংলাদেশি হত্যার বিরুদ্ধে কিছু। যা জানা যাচ্ছে, সেটা হলো ভারতকে বিভিন্ন সুবিধা পাইয়ে দেবার জন্যই হাসিনার এই সফর। আর বিরোধি দল যাতে বেগরবাই না করে, সে জন্য হাল্কা ধমক দেবার জন্য ভারতের পররাস্ট্রমন্ত্রি নিরুপমা রাও, খালেদা জিয়ার সাথে "সৌজন্য" সাক্ষাতও করেছেন।

কিছুদিন আগে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সমাপনি দিবসে হাসিনা বলেছিলেন যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত করে ফেলার কারণেই নাকি আমাদের দেশে কোন উন্নতি হচ্ছে না। তিনি স্বাধীনতার "প্রকৃত ইতিহাস" সবাইকে শিখিয়ে ছাড়বেন বলেও উক্তি করেছেন। অন্যদিকে ধানমন্ডি মাঠটাকে তার ছোটভাই জামালের নামে লিজ দিয়ে শরাবখানা বানানোর অনুমতি দিয়েছেন। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম সরিয়ে সেখানে স্বজনদের নাম বসিয়ে স্বাধীনতার পরাকাষ্ঠা দেখানো হাসিনা, বলতে চাচ্ছেন যে, স্বাধীনতার ইতিহাসে তার গুষ্টি ছাড়া আর কারো কোন অবদান থাকা চলবে না। অবশ্য এই কাজে তার অনুগত সারমেয়র দল বিভিন্ন ভাবে কাজ শুরু করে দিয়েছে।

আইন শৃংখলা, দ্রব্যমুল্য পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক অংগনে বাংলাদেশের বন্ধুহীনতা, বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসিদের ক্রমাগত প্রত্যাবর্তন, যুবলিগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসে দিশেহারা জনপদ, আঃ লিগের পলাতক সন্ত্রাসিদের আবার নতুন করে পুনর্বাসন, আঃ লিগের দুর্নীতিবাজদের একের পর এক মামলা প্রত্যাহার, এই সব মামদোবাজির সাথে হাসিনার বাঁদরামি যোগ হয়ে এক নতুন মাত্রা পেয়েছে।



মিস হেকেল জেকেল খ্যাত স্বরাস্ট্রমন্ত্রি সাহারা খাতুন এবার সন্ত্রাসি গডফাদার জয়নাল হাজারির পক্ষ্যে সাফাই গিয়েছেন। সেই স্বাধীনতার পর থেকেই কেস খাওয়া জয়নাল হাজারির ফেনীতে আবারো অধিষ্ঠানের ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মিস হেকেল জেকেল বলেছেন যে, জিল্লুরের ( জিল্লুর রহমান) নামও নাকি সন্ত্রাসি খাতায় ছিল। অর্থাৎ হাজারি ধোয়া তুলসি পাতা। হেকেল জেকেলের মত স্বরাস্ট্রমন্ত্রির এই রকম বাদরামির কারণেই যে সন্ত্রাস দমনের কাজটি হচ্ছে না, সেটা বলাই বাহুল্য।

তাছাড়া উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর মত প্রায় সব কেসেই বি এন পির আব্দুস সালাম পিন্টু থেকে শুরু করে বাবর সবাইকেই "রিমান্ডে" নিয়ে খাতির করা হচ্ছে। আর সেটা নিয়ে বাঁদরামির চুড়ান্ত করছে দুই বাঁদর ব্যাঃ শফিক আর তার আধা চান্দিছোলা ডেপুটি কামরুল ইসলাম।



শহিদ জায়া বেগম মুশতারি শফিকে ল্যাং মেরে ঘাদানিকের ক্ষমতা দখলকারি বিশিস্ট ভারত প্রেমিক, বোমা হাসান ইমাম আবারো রাজনীতির পর্দায়। অতি ধুর্ত প্রকৃতির হবার কারণে অনেকদিন গা বাঁচিয়ে চললেও, একবার ধরা খেয়ে প্যাদানি খেয়ে অনেকদিন পালিয়ে ছিল। চেতনাধারিরা ক্ষমতায় বসার পর, বাকি ক্রিমিনালদের সাথে সাথে সেও আবার বাংলাদেশে এসেছে। আর এসেই নবান্ন উৎসবের সাথে রবীন্দ্র টবিন্দ্র যোগ টোগ করে পুরানো পাপ মেটানোর জন্য চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই বাদরটা আগে বলেছিল যে, আমাদের স্বাধীনতা নাকি রবীন্দ্রের স্বপ্ন। আঃ লিগ ক্ষমতায় থাকলেই ভারত প্রেমিক দালালগুলি বেশ জাকিয়েই বসে।

যাই হোক, এত সব বাদরামির বিরুদ্ধে আমরা মুখ বুজে সহ্য করবো, নাকি আমাদের চিরচারিত লাঠি ব্যাবহার করবো, সেটিই প্রশ্ন।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২১
আমি মদন বলেছেন: কিচু মনে করবেন না। উপরের লেকক ফাগল। নিঝামীর সমকামের প্রধান তলশায়ী ভান্দর। খালেদার পাগলা পুলা কুকুর চামুচ।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: তুই আর আমার পোস্টে আসবি না। কারণ আমার ব্লগ কোন মোদিজাত এর জন্য নয়। তোরে লাত্থি দিয়া ইন্ডিয়া তো আসল পিতার কাছে পাঠানো হইলো।

২. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৩
জর্জিস বলেছেন: লেখাটি ভালো লাগলো না কার????
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: জর্জিস ভাই। কারো কাছে ভালো লাগতে নাও পারে। কিন্ত ভালো না লাগার প্রকাশভঙ্গিটা দেখুন ! এই সব মোদিজাতদের কাছে আঃ লিগের বিরোধীতাকারি মাত্রই নাকি রাজাকার। যেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা আঃ লিগের পিতার সম্পত্তি।

১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬
কিরিটি রায় বলেছেন: আঃ লিগ ক্ষমতায় থাকলেই ভারত প্রেমিক দালালগুলি বেশ জাকিয়েই বসে।

১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: ক্ষমতার বাইরে থাকলেও, এদের চাপার আর মিথ্যার জোর মিডিয়াতে বেশ দেখা যায়।

৫. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭
এস এইচ খান বলেছেন: চেতনাধারী বাঁদর গুলোর লাফালাফি এখনই শুরু হইবো। ওরা উচিৎ কথা শুনতে কোন দিন অভ্য¯ত ছিল না। দেখেন না মদনার কেমন খারাপ লাগতাছে। মদনার পৈতা টেষ্ট পজেটিভ।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: এই সব টেস্ট পজিটিভকে আমাদের স্বাধীনতার স্বার্থেই নির্মুল করা প্রয়োজন।

৬. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২
মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: ওনাদের আবিষ্কৃত লগি-বৈঠা এবার ওনাদের উপর প্রয়োগ করার সময় বোধয় হল।

ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর উপস্থাপনার জন্য
+
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: এরা জন্মের নির্লজ্জ। হাজার জুতার বাড়ি খেলেও আত্মসম্মানবোধ জাগবে না এদের। চেতনার নামাবলি গায়ে দেখেন না, কেমন ভারতমাতার বন্দনা করে। বলি, বিদেশি একটি রাস্ট্রের তোসামদি করা, কোন সংজ্ঞায় দেশপ্রেমের পরিচায়ক?

আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ মামুন ভাই।

৭. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭
মুখ ও মুখোশ বলেছেন: ভাই, অতি সত্য কথন সব সময় একটি গোষ্টির গায়ে জ্বলন ধরায়। আপনার অতি সত্য, অপ্রিয় সত্য কথা গুলোর কারনে অনেকের গায়েই হয়ত জ্বালা শুরু হয়ে গেছে কিন্তু সত্য তো সত্যই তা যতই অপ্রিয় (কারো কারো কাছে) হোক। এরকম অপ্রিয় সত্য ও ৭৫ পুর্ববর্তী অনেক দেখা গেছে এখন আবার শুরু হয়েছে। এর ফল কিন্তু শুভন নয়, অন্তত ইতিহাস এরকমটাই বলে।

সত্য বলার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন তবে বেশী বেশী বলা থেকে বিরত থাকবেন, নতুবা ব্যান খেতে পারেন এমন কি মামলাও খেতে পারেন। পত্রিকায় দেখলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাকি মাহমুদুর রহমানের কাছে ফোন করেছেন উনার গলা চিনে রাখার জন্যে। হায়রে দেশ!!
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: স্বরাস্ট্রমন্ত্রির যে বিশেষ গলা (সংগে সুরৎ ও বটে!), তাতে ফোন করে কেউকে চেনাবার দরকার হবে না। আর মাহমুদুর রহমানের ভয় আছে বৈকি? কারন আঃ লিগের মত ফ্যাসিস্ট দলের কাছ থেকে এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করা যায় না।

হু, সরকার চাইলে মামলা করতে পারে। কিন্ত সেটা বুমেরাং হয়ে না আবার ওদের ভোতা নাক আরো ভোতা হয়ে যায়।

যতই চেস্টা করুক, ৭৫ পুর্ববর্তি ঘটনা প্রবাহকে ভুলানোর জন্য তাদেরকে অন্তত কয়েক কোটি বাংলাদেশিকে হত্যা করতে হবে। সংসদে যত সিটই থাকুক না কেন, কারো সে দুঃসাহস হবে না।

সতর্ক করার জন্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।

৮. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
"বৃষ্টির কান্না" বলেছেন: আমি মদন বলেছেন: আমি পছন্দ করি নাই । কারন উনার কথার পিছনে ইনার রক্ত পাওয়া যাচ্ছে। ___________________________________________

বৃক্ষ তোমার কিসে পরিচয়?

আপনার পরিচয়ও টিক পাওয়া গেছে......
আপনার কর্মসাধন গুলো জঙ্গলে আর চিরিয়াখানার খাচার মধ্যেই সম্পাদন হয়। আপনার জায়গাতো এখানে না, তাড়তাড়ি ঐখানে এডমিট হন, মানাবে ভাল।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: এরা অখন্ড ভারতের দালাল। চেতনা আর প্রগতিশীলতার আড়ালে এরা ব্রাক্ষ্মনবাদিদের মত জঘণ্য মীর জাফরের জাত। এরা খাচাতেই নিরাপদ। তবে ভারতেই এদের মানায় ভালো।

৯. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪
তাজা কলম বলেছেন:
একটি নির্বাচিত সরকারের রাষ্ট্রপতিকে এমন অসম্মান দেখানো লেখকের হীনমন্যতা বোধই প্রকাশ পেয়েছে।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: রাস্ট্রপতি অসম্মানের কাজ করবেন, আর সম্মান আশা করবেন, সেটি তো হবে না ভাই। যে দুটি কাজ করেছেন, তার জন্য সম্মান কি তার প্রাপ্য? আপনি জবাব দেবেন কি?

১০. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯
জাগরূ৪৯ বলেছেন:

আপনে কানদে বাঁদর চড়াইছইন,এখন বুঝবাইন।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: বাদর নামানোর মন্ত্র জানি রে ভাই। :)

১১. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
আরশী বলেছেন: @তাজা কলম নির্বাচিত সরকারের রাষ্ট্রপতি কি এনজেল টাইপের কিছু
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: দলীয় আবেগে অন্ধ হয়ে গেলে, অনেক কিছুই চোখে পড়ে না।

১২. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮
এম এস জুলহাস বলেছেন:
কোনতা কইতাম ? বালা কইলে অইমু মইত্যার পুলা, কারাবী কইলে- পইত্যাওয়ালা। নিজেরতা কইলে কাইমু ব্যান। কিছুই কবার চাইনা, খালী দেইক্যা যামু-হুইন্যা যামু।

তয় তথ্যগুইলান মিছা অইলে বালা, হাছা অইলে উঁহ দূর্গন্ধ ! ! !
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১

লেখক বলেছেন: হাচা মিচা যাচাই কইরা লন মিয়া ভাই। পেপার পড়লেই চলবো।

১৩. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ধানমন্ডি মাঠটাকে তার ছোটভাই জামালের নামে লিজ দিয়ে শরাবখানা বানানোর অনুমতি দিয়েছেন - 'জামালের নামে' - মানে বুঝলাম না?
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২

লেখক বলেছেন: হাসান ভাই, জামালের নামে ধানমন্ডি মাঠটাকে ধানমন্ডি ক্লাব বানানো হয়েছে। যেমন করা হয়েছে উত্তরা ক্লাব সে রকম। জামাল হলো শেখ হাসিনার ছোট ভাই।

১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাফি ভাই।

১৫. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩
এরশাদ বাদশা বলেছেন: সবই এক ক্ষেতের গু। একই রকম দূর্গন্ধ ছড়ায়।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: কথা হচ্ছে এ ধরণের দুর্গন্ধ ছড়ানো বন্ধে আমাদের করনীয় কি?

১৬. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪০
বিডিট্রন বলেছেন: "আমি মদন" অত্যন্ত নীচু মনের পরিচয় দিয়েছেন। আপনার কিছু বলার থাকলে আপনি যুক্তি দিয়ে প্রমান করে লেখককে এবং সকল পাঠকদের কে জানান দিতে পারতেন। এই ধরনের উন্মাদ পাঠক সামুর জন্য ক্ষতিকর।
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: দলীয় অন্ধ আবেগের যেখানে শুরু, যুক্তির শেষ সেখান থেকেই। এধরণের মানসিকতার লোকজনের কাছ থেকে যুক্তি আশা করাটাই বাতুলতা মাত্র। আপনার কথার সাথে সহমত। ধন্যবাদ।

১৭. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩
লুথা বলেছেন: +++++++++++++++++++++++
ভালো লাগলো পডে... আওয়ামী চামচাগুলার কথায় কিছু মনে করবেন না
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লুথা ভাই। মনে আর কি করবো বলেন? এগুলিরে হাড়ে হাড়ে চিনি। তাই ওদের কোন পাত্তা দেই না।

১৮. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ধানমন্ডি মাঠটাকে তার ছোটভাই জামালের নামে লিজ দিয়ে - এই কথা শুনে ভাবছিলাম মৃত মানুষের নামেও লিজ দেয় নাকি আজকাল!!
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩২

লেখক বলেছেন: শব্দ চয়নে খানিকটা বিভ্রান্তি রয়েছে স্বীকার করছি। সংশোধনের দিকটা উল্লেখ করে দেবার জন্য ধন্যবাদ।

১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্পেলবাইন্ডার ভাই। দেশ যখন চাটুকারদের দিয়ে আক্রান্ত তখন তিতা কথা না বলে উপায় কি?

২০. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৪
অরণ্যচারী বলেছেন: লেখা তো ভালোই ছিল, কিন্তু "তাছাড়া উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর মত প্রায় সব কেসেই বি এন পির আব্দুস সালাম পিন্টু থেকে শুরু করে বাবর সবাইকেই "রিমান্ডে" নিয়ে খাতির করা হচ্ছে। আর সেটা নিয়ে বাঁদরামির চুড়ান্ত করছে দুই বাঁদর ব্যাঃ শফিক আর তার আধা চান্দিছোলা ডেপুটি কামরুল ইসলাম। " - এখানে বাবর পিন্টুর জন্যে দরদ না দেখালেও হত।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটির প্রতি পুর্ণ সম্মান দেখিয়ে ও ধন্যবাদ জানিয়ে বলতে চাই যে, সালাম পিন্টু ও বাবরের পুরো জন্ম বৃত্তান্ত আমার জানা বিধায়, কোন অবস্থাতেই ওদের প্রতি দরদ দেখানোর সুযোগ নেই। জে এম বি লালনের জন্য সালাম পিন্টু আর ২১শে আগস্টের জন্য বাবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। কিন্ত তাই বলে সেই অপ্রাসংগিক মামলাগুলিতে তাদের জড়ানোর মানে হলো, তাদের আসল কুকর্মকে হাল্কা করে ফেলা। ধরুন কোর্টে যদি সালাম বা বাবরের উকিল প্রমান করে দেয় যে অন্য মামলাগুলিতে এরা নির্দোষ, তাহলে ওদের বিরুদ্ধে আনিত বাকি মামলাগুলিতেও আদালত ওদের প্রতি নমনীয় ভাব পোষন করতে পারেন। ( এক আইনজীবি বন্ধুর কাছ থেকেই এমনটি শুনলাম) তাই ওদের বিরুদ্ধে আনিত আদি অভিযোগগুলি প্রমান করার মাধ্যমেই আইন প্রতিষ্ঠা করা উচিত। নিছক আন্দাজের উপর ভিত্তি করে তাদের হেনস্থা করার নাম আইনের শাসন নয়।

আবারও অনেক ধন্যবাদ।

২১. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৮
কেবলা কান্ত বলেছেন: রাষ্ট্রপতির কাছে নিরপেক্ষতা কাম্য
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: সহমত কেবলাকান্ত ভাই। কিন্ত সে চাওয়া যেন সোনার পাথর বাটি।

১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ঘুমরাজ ভাই।

২৩. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৯
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। ১৩ই ফেব্রুয়ারী ২০০১ সালে যখন মির্জা আব্বাসের মিছিলে ডা: ইকবালের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে গুলি চালালে ৫ জন নিহত হয়। পরের দিন ঐ সময়কার আলীগ সাধারণ সম্পাদক এই জিল্লুর বিবিসি বাংলাকে এক সাক্ষাতকারে বলেন (পেপারে প্রকাশিত আলীগের সন্ত্রাসীদের ছবি সমন্ধে) যে ছবি অনেক সময় নাকি বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। আর আল্লাহর বিচার দেখেন ২১/৪ এ গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমান নিহত হলে তিনি কেদে কেদে বলেন "আল্লাহ আমি কি অপরাধ করেছিলাম"। জিল্লুর হলেন হাসিনার হুবহু কপি, তার থেকে ভাল কিছু আশা করা যায় না। আল্লাহই এই কালপ্রিটদের উচিত বিচার করবেণ। ধন্যবাদ।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: অনেকের স্মৃতিতে বিস্মিত হয়ে যাওয়া কঠিন কিছু সত্য কথা আবার নিয়ে আসবার জন্য বাংলাদেশ জিন্দাবাদ ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। জিল্লুর রহমানের এই ধরণের পক্ষপাতিত্বমুলক মন্তব্যের জেরেই, আরেক ভারতীয় দালাল আগাচৌ, সেই ছবিগুলিকে ক্যামেরা ট্রিক্স বলার মত দৃস্টতা দেখিয়েছিল। ইল্লত যায় না ধুলে আর স্বভাব যায় না মরলে, এই প্রাচীন প্রবাদটি জিল্লুর আবারও প্রমান করে দিলেন।

আশা করি প্রবাসে আপনার দিন গুলি ভালো কাটছে। আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো সব সময়।

২৪. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৫
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: সেটাই!

বাংলাবাদের কমেন্টে জাঝা!
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ব্রাইট সেন্ট্রাল ভাই। ব্রাইট ভাইকে ব্যান করা হইছে নাকি? জানতাম না। কারণ কি ভাই?

২৫. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৬
লুৎফুল কাদের বলেছেন: মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: ওনাদের আবিষ্কৃত লগি-বৈঠা এবার ওনাদের উপর প্রয়োগ করার সময় বোধয় হল।

ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর উপস্থাপনার জন্য
+
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাদের ভাই।

২৬. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৮
এরশাদ বাদশা বলেছেন: করনীয়-টরনীয় বইলা কোনো লাভ নাই। আমরা ভেজাইল্যা গনতন্ত্রের পূজারি। অতিমাত্রায় আঁতলামি আমাদের মজ্জাগত স্বভাব। কেউ ভালা কিছু করতে চাইলে তারে টাইন্যা গর্তে ফালায়া দ্যাওনে আমগো বেজায় মজা লাগে। বিম্পির খালেধা আর আম্বালীগের হাছিনা আমগো মা জননী। হেরা যা করবো আমগো মঙ্গলের লাইগাই করবো। এই চিন্তাটা যতোদিন ফালাইতে না পারছি, ততোদিন এই দেশের কিস্যূ অইবোনা।
আমার মতে আমগো দেশের প্রধান দুশমন হইলো বুদ্ধিজীবি। কেউ আম্বালীগের দালাল আর কেউ বিম্পির। সবকটারে জেলে ঢোকার সুবন্দোবস্তো যখন হইলো, গনতন্ত্র গেলো গনতন্ত্র গেলো বইলা ফেনা তুলতে লাগলো।

আরো অনেক কিছুই কইবার চাইছিলাম, মুড অফ হয়া গেলো।
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: এরশাদ ভাই, যে মাৎসন্যায় চলছে, তাতে দেশকে ভালোবাসেন এমন যে কারো মুড অফ হয়ে যাবারই কথা। আসলে আমাদের অতীতকে আকড়ে থাকার কারণে খালেদা হাসিনা এবং তস্য সন্তান সন্তানদিরা উড়ে এসে আমাদের শাসক হিসেবে জুড়ে বসার মত পরিবেশ সৃস্টি হয়েছে। ইতিহাসে যার যা প্রাপ্য তাকে দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। নইলে, গণতন্ত্রের নামে দলীয় শাসন ও স্বেচ্ছাচার আমাদের জীবনকেই দুর্বিসহ করে তুলবে।

আপনার মন্তব্যের সাথে পুর্ন সহমত। সাথে অবশ্যই অনেক ধন্যবাদ।

২৭. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২০
কামাল হাওলাদার বলেছেন: চসমা টুক্কুর আলির মাথায়তো তেল নাই,,আপনাকে +++
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কামাল ভাই।

২৮. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৬
জুল ভার্ন বলেছেন: ধীবর ভাই, আপনার সাহসী বক্তব্যের জন্য সত্যি আমার ভয় হয়! তবে আশার কথা আপনি আওয়ামী পেটোয়া বাহিনীর হাতের নাগালের অনেক দূরে আছেন!!

তৈলুর রহমানের আরো একটা নাম আছে। তাহলো-মিঃ ছুঁচো!!!
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনার উৎকন্ঠার জন্য অনেক ধন্যবাদ জুলভার্ন ভাই। ভয় পেয়ে বার বার মরার চেয়ে, সাহসি হয়ে একবার মরায় আমার আপত্তি নেই। এরকম অনেক ফ্যাসিস্টদের মোকাবেলা করেই এ পর্যন্ত এসেছি। তাই শুধু শুভ কামনাওটুকু রাখবেন, তাতেই অনেক কৃতজ্ঞ থাকবো।

তৈলুর এর নতুন নামটা জানতাম না। ;)

আর দেরিতে উওরের জন্য অনুতপ্ত।

২৯. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৪
এস এইচ খান বলেছেন: ধীবর ভাই, চেতনাবাজদের লাফালাফি কিছুটা কমেছে বোধ করি। আপনার কি মতামত । আপনি পিছন ইতিহাস ঘাটলে দেখবেন ওরা যদি চোখ গরম করে আর আপনি যদি লাঠি তুলেন দেখবেন ওরা আর নাই। আসলেই মিথ্যা আর গোজামিলের কাঠামো দূর্বল হয়।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪০

লেখক বলেছেন: উহু রাহাত ভাই। এরা বার বার ফিরে আসে। ধারনা করছি, ১৯ নভেম্বরের আগেই, ব্লগ ওদের লেখা দিয়ে ছেয়ে যাবে। তবে বাকি কথাগুলি ঠিকই। মিথ্যা আর গোজামিলের কাঠামো বাইরে থেকে যতই শক্ত দেখাক, ভেতরটা ফাপা। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

৩০. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: তাজা কলম বলেছেন: একটি নির্বাচিত সরকারের রাষ্ট্রপতিকে এমন অসম্মান দেখানো লেখকের হীনমন্যতা বোধই প্রকাশ পেয়েছে।

বিগত সরকারের আমলে বর্তমান প্রধানমণ্ত্রী তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডঃ ইয়াজউদ্দিনকে "পিয়াজ উদ্দিন" বলেছিলেন এবং তাও জনসমাবেসে। সেটা আপনি হয়ত ভুলে গিয়ে থাকতে পারেন।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪১

লেখক বলেছেন: তাজা কলমের উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম মামুন ভাই।

৩১. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০০
সুবিদ্ বলেছেন: ভৈরব আর সৈয়দপুরকে জেলা করা উচিত বলেই মনে করি আমি......

জিল্লুর রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে ভৈরবকে জেলা করার ব্যাপারটা ছিল.....যা তার ছেলে-ও উপনির্বাচনে দিয়েছে......

কিন্তু পুরো ব্যাপারটা কোন হোমওয়ার্ক ছাড়া করেই আসলে তালগোলটা পেকেছে......তবে এরকম ঘটনা কিন্তু নতুন নয়......আগেও বগুড়া/রংপুর বিভাগ বাস্তবায়ন নিয়ে আন্দোলনেও অনেক হৈচৈ হয়েছে......

তবে জিল্লুর রহমান যে একজন খাঁটি আওয়ামী-লীগার তাতে তো কোন ভুল নাই.....তৈলুর রহমান উপাধিটা প্রথম বোধহয় আলপিন দিয়েছিল, হাসিনা ইউনেস্কো শান্তি পুরষ্কার পেলে সংসদে দেয়া জিল্লুর রহমানের বক্তব্যের হাস্যকর দিকগুলো তুলে ধরে......
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: প্রাশাসনিক প্রয়োজনে এমনটি করা যেতেই পারে। যতদুর জানি, এ রকম দাবির পেছনে ভৈরবের মানুষদের তেমন জোরালো দাবি ছিল না। নির্বাচনি বৈতরনি পার হবার জন্য জিল্লুর রহমান আঞ্চলিকতাকে উস্কে দিয়েছিলেন। তার ছেলেও একই পথ ধরেছিল। ঐ অঞ্চলের মানুষকে গাছে উঠিয়ে দিয়ে, দুরে দাড়িয়ে পিতা পুত্র মজা দেখছে। আপত্তিটা সেখানেই। তাছাড়া ভৈরবের সাথে যাদের যুক্ত করা হচ্ছে, তাদের মতামতের তোয়াক্কা করা হয়নি।

ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

৩২. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
এম এস জুলহাস বলেছেন:
@১২
পেপার উপার পড়ার টাইম নাইক্কা। যা-ও এট্টু উট্টু টাইম পাই দেখি খালি খুন খারাবীর, টেন্ডার বাজীর, আর যার যার নিজেদের গুণ কীর্ত্তনের খবর. . .
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: মিডিয়া যদি জাতির বিবেক না হয়ে মুনাফার দাস হয়ে পড়ে, তাহলে ঐ ধরণের খবর শিরোনামে স্থান পাবে সন্দেহ কি? তবে ওই ডামাডলের মধ্যেও খবর যে একবারে পাওয়া যায় না তা নয়। জ্ঞানের জন্যই সময় করে পেপার পড়া ভালো।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮৭৮৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সাংবাদিক কলামিস্ট
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই