জাতীয় আপা, বঙ্গ আপা ইত্যাদি নামে খ্যাত আরেকজন হাসিনার জন্মের সময় তার নামকরণের অর্থ বলে দেয়া হয়েছিল কিনা জানি না। বলে দেয়া হলেও সেই শুভকামনার যে বিপরীত ফল হয়েছে তা বলাই বাহুল্য। শুনেছি মানুষের চেহারার খাদ থাক্লে সেটা ব্যাবহার বা অন্য গুণাবলি দিয়ে পুরণ করা খুবই সম্ভব। কিন্তু এর পুরোপুরি ব্যাতিক্রম ঘটেছে উল্লেখিত হাসিনার বেলায়।
চেহারা খারাপ, মুখ খারাপ, ব্যাবহার খারাপ, স্বভাব খারাপ, বিদ্যাবুদ্ধিতে খারাপ, এমন কি পুত্রকে লালন পালনের কাজেও খারাপ বৈ ভালো কিছু করে দেখাতে পারেননি। মোদ্দা কথা তার আপাদমস্তক খুজে ভালো কিছু বের করে আনা বেশ দুঃসাধ্য কাজ।
সম্ভবত তিনি ব্যাপারটি জানেন। তার জানেন বলেই, অন্যের মুখকে কালিমাযুক্ত করবার জন্য তিনি তার সঙ্গি সাথিদের লেলিয়ে দিয়েছেন।
৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি যেভাবে যত্রতত্র তার পিতা এবং পরিবারের নামকরণে মত্ত হয়েছিলেন, তাতে সাধারণ মানুষ শুধু বিতশ্রুদ্ধই হননি, বরং অনেক ক্ষেত্রেই ক্রোধের বশবর্তি হয়ে টাকায় ছাপানো তার পিতার মুখশ্রির উপর অনেক কটু কিন্তু সত্য কথা লিখে দিয়েছিল।
২০০৮ সালের নির্বাচনে আবার ক্ষমতাসীন হয়ে, তাকে আবারও নাম বদলের পাগলামিতে পেয়ে বসেছে। এই ধরণের আচরণ আর যাই হোক, মানসিক সুস্থতার পরিচায়ক নয়। যদিও তার এক সময়ের অতি ঘনিষ্ঠ সহচরের লেখা বই থেকে জানা যায় যে, তিনি আসলেই একজন মানসিক ভারসাম্যহীন একজন মানুষ।
তার পোষ্য এবং একান্ত বাধ্যগত সংগঠনগুলির দৌরত্মে যেখানে শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে সমাজে আইন শৃংখলার করুণ দশা, তার পক্ষ্যে শ্লোগান দিতে দিতে কন্ঠনালি এবং চোয়ালের হাড় বাঁকা করে ফেলা মন্ত্রি মিনিস্টারদের ব্যার্থতায় যেখানে দ্রব্যমুল্যের দাম আকাশ্চুম্বি, সাথে আমাদের রাস্ট্রিয় স্বার্থ ভারতের অনুকুলে বিলিন, তখন কোন সুস্থ মানুষ কি কোনদিন নামবদলের এই পাগলামিএ মেতে উঠতে পারে?
এজন্য বোধ করি উপসংহার টেনে বলতে হয়, তার নামকরনটি ছিল কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন রাখবার মতই।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


