somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাননীয় মন্ত্রির সংস্কৃতি, এবং সামাজিক অবক্ষয়

২৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কমপিউটার সমস্যার কারনে অনেকদিন বিরতি দিয়ে লিখতে হচ্ছে। এর মধ্যে বুড়িগঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। আর ব্লগ ছিল সরগরম।

১। মাননীয় মন্ত্রির সংস্কৃতি




দিপুমনি যখন মন্ত্রি হলেন, তখন অনেকের আশা ছিল যে অন্তত একজন শিক্ষিত মহিলা এমন গুরুত্বপুর্ণ পদ যখন পেয়েছেন, তখন বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি ব্যাবসা বানিজ্য সব কিছুরই উন্নতি ঘটবে। কিন্তু সে গুড়ে বালি। বুশ যেমন আমেরিকার ইতিহাস নিকৃস্টতম প্রেসিডেন্ট হিসেবে কুখ্যাতি পেয়েছে, তেমনি অবস্থাদৃস্টে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশের ইতিহাসের নিকৃস্টতম পররাস্ট্র মন্ত্রি হিসেবে খুকুমনি যায়গা করে নেবেন। (এ পর্যন্ত ডঃ কামাল হোসেন এ সম্মানে ভুষিত ছিলেন।)

প্রথম ধাক্কাটা আসে যখন ইন্ডিয়ার এক দুইপয়সার সাংবাদিক বাংলাদেশকে বাফার স্টেটের সাথে তুলনা করে দিপুমনিকে প্রশ্ন করে। সাপের ছুচো গেলার মত নিরুপায় হয়ে তিনি ওই প্রশ্নের কোন জবাব দেননি। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ উঠলে এল জি আর ডি মন্ত্রি সৈয়দ আশরাফ হোসেনকেই দিপুমনির সাহায্য এগিয়ে আসতে হয়। অনভিজ্ঞতার কারণে এমনটি হয়েছে জ্ঞান করে, সেই ঘটনা চাপা পড়ে যায়।

কিন্তু অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে দিপুমনির চোয়ালের তেজ বাড়লেও, কর্মদক্ষতা সমানতালে কমেছে। গলাফোলা কবুতরের মত নাসিকা স্ফিত করে নিখাদ শান্তিপুরি ভাষায় চিবিয়ে চিবিয়ে যেভাবে তিনি তার ব্যার্থতার পক্ষ্যে সাফাই গেয়ে যাচ্ছেন, তাতে তাকে হিজ মাস্টারস ভয়েসের চেয়ে বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না।

তিনি কোন স্কুল / কলেজ বা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন, জানি না। তবে ওই সব শিক্ষায়তনে যে ইতিহাস চর্চাটা ঠিকভাবে দেয়া হয়, সেটা দিপুমনির সাম্প্রতিক এক মন্তব্য থেকে সুস্পস্ট।

বাংলাদেশ আর ভারত নাকি একই সংস্কৃতির অংশ। যদি তাই হতো তাহলে কেন ভারত ভাগ হলো, সে প্রশ্নের ইতিহাস স্বীকৃত এবং গ্রাহ্য উত্তর কি তিনি দিতে পারবেন?



ভারতে কয়েকশত ভিন্ন ভিন্ন জনগোষ্টির বসবাস। এদের এক জনের সাথে আরেকজনের ভাষা ও সংস্কৃতির মিল নেই। দঃ ভারতের যতখুশি ভাত খান, আমিষ পাবেন না। পেলেও খুব চুপিচুপি। আবার উঃ ভারতের পাঞ্জাবে ভাত জিনিসটার প্রাপ্যতা বেশি না হলেও, রুটির কমতি নেই। সাথে চাইলে কুক্কুট মাংস পেতে পারেন। আবার পঃ বঙ্গে ভাত রুটি মাছ মাংস সবই পাবেন। অথচ আমিষের কথা মুখে আনলেও মধ্য আর পুর্ব ভারতে লোকে অন্য দৃস্টিতে তাকাবে। রুটি ডাল সবজি এই তিনেই সেখানে কাজ চালাতে হবে।

পোষাক আসাকেও ব্যাপক বৈচিত্র। ভাষায়ও তাই। জীবন ধারণ পদ্ধতিও ভিন্ন।

সেই তুলনায় আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতি তো অভিন্ন। ডায়ালেক্টের ভিন্নতা থাকতেই পারে। কিন্তু ভারতের মত বৈচিত্রময় ভাষা ও সংস্কৃতি আমাদের নয়। তাহলে কোন বিচারে দিপুমনি এমন উক্তি করলেন?

কামাল হোসেন ফারাক্কার বড়ি বাংলাদেশকে গিলিয়েছিলেন। বেরুবাড়ি ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের বুকের মধ্যে বসে ভারতকে আমাদের বুকে বসে আমাদেরই দাড়ি ছেড়ার মত পরিস্থিতি করেননি। (বাকশালের অকাল অন্ত না হলে অবশ্য কি হতো বলা যাচ্ছে না।)

দিপুমনি ফারাক্কার সমন্তরালে টিপাইমুখ বাধ নির্বিঘ্ন করেছেন। সীমান্তে অহরহ বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ব্যাপারে মুখে কুলুপ এটে রয়েছেন। ট্রাঞ্জিটের নামে বাংলাদেশকে ভারতের করিডোর বানাতে দিয়েছেন। ইন্ডিয়ার সাথে মাত্রাতিরিক্ত ঢলাঢলি করে অন্যান্য দেশের সাথে আমাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়েছেন। ( ইন্ডিয়ার সাথে তার প্রতিবেশি কোন দেশেরই সুসম্পর্ক ছিল না, তাই এহেন ঢলাঢলির কারণে আমাদের প্রতিবেশিরা খুব সন্তস্ট নয়।) আমাদের জনশক্তি রফতানি খাতটিকে বলতে গেলে পঙ্গু করে ফেলেছেন।





তিনি যদি মনে করে থাকেন যে, উত্তরীয় প্রদান, মঙ্গল প্রদিপ প্রজ্জ্বলনই বাংলাদেশের সংস্কৃতি তাহলে তিনি জনমানুষের কাছ থেকে লক্ষ যোজন দূরে অবস্থান করছেন। এ কোনটাই আমাদের মুল ধারার সংস্কৃতি নয়। বরং ভারত থেকে দাবরানি খেয়ে বাংলাদেশে রিফুইজি হিসেবে পালিয়ে আসা হাতে গোনা কিছু অতি আতেলের ড্রইং রুমের সংস্কৃতি এটা। তেনারা তথাকথিত বুদ্ধিজীবি বলে, তাদের ব্যাক্তিগত সংস্কৃতি, বাংলাদেশের মানুষদের সংস্কৃতি হতে পারে না।



অধীনতামুলক পররাস্ট্রনীতিকে পরিশুদ্ধ করার নিমিত্তেই কি তিনি ভারতের ভিন্নধর্মী বিপরীত সংস্কৃতিকে আপন বলে চালাতে চাইছেন? নাকি সিকিমের মতই বাংলাদেশকে ভারতভুক্ত করার জন্য আগে থেকেই সংস্কৃতি অভিন্ন বলে প্লাটফর্ম বানানোর চেস্টা?

এ রকম নতজানু নীতি দিয়ে আর যাই হোক, একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশের পররাস্ট্রনীতি চলতে পারে না। অনেকে বলতে পারেন, ভারতের দালাল আওয়ামী লিগ ক্ষমতায় আসলেই ভারতপ্রীতি চরম নিদর্শন দেখানো শুরু হয়। সেখানে হাসিনার দোষ দিপুমনির উপর দেয়া কেন? কুটনীতি যখন পররাস্ট্রনীতির মুলমন্ত্র সেখানে ভারতের খাস চামচামি না করেও তো আমাদের স্বার্থ উদ্ধার সম্ভব ছিল। এজন্যই তো তাকে সেই পদে বসানো হয়েছিল।কুটনৈতিক প্রজ্ঞার পরিবর্তে চামচামি করাটাই দিপুমনির দোষ। আর যদি হাসিনা বা দলের চাপের মুখে তিনি সে কাজ করতে অক্ষম, তখন আত্মসম্মান সম্পন্ন মানুষের মত তিনি পদত্যাগ করতে পারতেন। সেটা না করে তিনি চামচামির পক্ষ্যে সাফাই গেয়ে চলেছেন। এটাই দিপুমনির ব্যার্থতা।

২। সামাজিক অবক্ষয়





প্রভার সেই আলোচিত ভিডিও চিত্র নিয়ে ব্লগে যে রকম ঢি ঢি পড়ে গিয়েছিল, তাতে নানা মুনির নানা মত। আমি প্রভাকে দোষ দেই না। সে আমাদের দেশের সামাজিক অবক্ষয়ের একটি মুর্ত প্রতিক বৈত। খুজলে এ রকম হাজারো প্রভার ভিডিও চিত্র পাওয়া সম্ভব। ছাত্রলীগ তো নিজেদের নায়ক বানিয়ে রীতিমত এ ধরণের ভিডিও এর ব্যাবসাই শুরু করে দিয়েছে।

সবচেয়ে ক্ষতির ব্যাপার হলো, নতুন প্রজন্মের অনেকেই এ ব্যাপারে ডোন্ট মাইন্ড নীতিতে বিশ্বাস করা শুরু করে দিয়েছে। ব্লগে একজন বলেই বসলো, এ ধরনের কর্ম এবং ভিডিও ধারণ খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো, তিনিও এ ধরণের ভিডিওতে নায়কের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন কিনা, তখন তার জবাব একটাই। ৩৫ বছর বয়সের একজনের পক্ষ্যে নাকি "নতুন প্রজন্মের" আধুনিক মানসিকতা বোঝা সম্ভব নয়। অর্থাৎ যিনিই এই ধরণের "কর্মের" বিরোধি তিনি কোন অবস্থাতেই নতুন প্রজন্মের হতে পারেন না।




বিশ্বায়নের সুফল হয়তো অনেক কিছু। কিন্তু একটা দেশের সংস্কৃতি ধবংসের অর্থ হলো সে জাতিকেই নিঃশেষ করে দেয়া। আমাদের ভাষায় ভেজাল ঢুকে এখন বান্দিশ ভাষার চল হয়েছে। ইন্টারনেট আর ডিশের কল্যাণে স্বল্প পোষাক, পাছার নীচে প্যান্ট পরিধান, অবাধ পরকিয়া, প্রেমের সংজ্ঞায় শারিরিক প্রধান্য ইত্যাদি , এমনভাবে আমাদের সমাজে জাকিয়ে বসিয়েছে, যাকে বিধবংসি ক্যান্সারের সাথেই একমাত্র তুলনা করা যায়। এর বিপরীতে অবস্থানকারিরে মধ্যযুগীয় প্রগতিবিরোধী মানুষ বলে কোনঠাসা করার একটা কুপ্রচেস্টা লক্ষনীয়।

স্বাভাবিক প্রেমের ৮০ ভাগ দেহজ্‌ আকর্ষন, বাকি ২০ভাগ মনের। জীবনের এটাই স্বাভাবিক গতি। তবে সবার চরিত্র তো আর একই রকম নয়। দ্বায়িত্ববোধ না থাকলে, সেই ৮০ ভাগই হয়ে যায় শতভাগ। সুযোগ বুঝে মজা লুটে নিত্য নতুন ফুলের খোজ করে দুঃচরিত্র ভ্রোমরা। পুরুষতান্ত্রিক বিশ্ব সমাজ ব্যাবস্থায় তাই নারীকেই কলংকিনি নামের অপবাদ বয়ে বেড়াতে হয়। কখনও কুকুর শেয়ালের খাদ্য হতে অবৈধ প্রেমের ফসলকে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে আপদ মুক্ত হলেও, সে চিহ্ন শরীর আর মনে বয়ে বেড়াতে হয় অনেকদিন। তাছাড়া বহু ভোগের মজা পাওয়া নারী কিংবা পুরুষ তখন এককেন্দ্রিক সঙ্গি/সঙ্গিনীর প্রতি অল্পদিনের আকর্ষন হারিয়ে ফেলে। এর ফলশ্রুতিতে পরকিয়া আর বিবাহ বিচ্ছেদের মত সামাজিক ব্যাধিগুলি প্রকোপ বেড়ে যাচ্ছে সন্দেহ কি?

তর্কের খাতিরে না হয় শোয়াশুয়ির ব্যাপারটা মেনে নেয়া গেলো। কিন্তু এটা নিয়ে ভিডিও করার কি মানে? পশ্চিমা দেশগুলিতে নগ্ন দেহ এবং কামকলা প্রদর্শন করে ভিডিও করা একটা পেশা। যারা করেন তাদের একমাত্র উদ্দেশ্যে শর্টকার্টে অনেক অর্থ কামানো। আমাদের মধ্যে এসব কেন? যারা একে অপরের সাথে শুচ্ছেন, তারা তো একে অপরের দেহের বাকগুলি ভালো করে দেখছেন। আমাদের দেশ কেন, যেখানে পর্ণ একটা ইন্ডাস্ট্রি, সেখানের পেশাজীবিরাও তো এ সব আপন জনের কাছ থেকে দূরে রাখছেন। তাহলে আমাদের দেশের ওরা কি উদ্দেশ্যে এসব ভিডিও করছেন।

উত্তর একটাই। বিবেকবুদ্ধি সমাজ এবং মুল্যবোধকে বিসর্জন দিয়ে পশ্চিমাদের অন্ধ অনুকরণ। এবং এক ধরনের ভ্রান্ত বিশ্বাস যে, তারা যা করে সেটাই ভালো এবং ফ্যাশন।

আমাদের দেশের পররাস্ট্রনীতিই বলুন কিংবা সংস্কৃতি, যেভাবে চলছে তাতে মনে আমাদের চিরচারিত ঐতিহ্য এবং স্বাধীন সত্ত্বা হারাতে বসেছি আমরা। যেভাবে উগ্রতা চলছে, সেই উগ্রতা মোকাবেলায় যদি আরেক উগ্রপন্থার সৃস্টি হয়, তাহলে খুব অবাক হবার মত কিছু হবে বলে মনে হচ্ছে না।

১৩টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×