somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যাহা বলিবো সত্য বলিব -৩ বিদেশি শকুনের ডানায় চড়া দেশি দাড়কাকের শকুন শ্যোন্য দৃস্টি।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১২ ভোর ৪:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বিপথে চলে বিপদগ্রস্থ বোনটিকে ভাইয়ের সামান্য শাসনঃ

একবার দুবার নয়, অসংখ্যবার সতর্কবাণী দেয়া সত্ত্বেও সামুর প্রধান বোনটি কারো কথায় কর্ণপাত করেননি। মেধাহীন চোয়ালসর্বস্ব কিছু আতেল ভাবধরাদের কথার ফুলঝুড়িতে বিভ্রান্ত হয়ে এখন নব্য বাকশালিদের রক্তচক্ষুর সম্মুখিন হয়েছেন।

তথাকথিত স্বাধীনতার চেতনাধারি দেশের দুটি দৈনিক পত্রিকার ভুল তথ্যকে অজুহাত সৃস্টি করে এখন বর্তমান বাকশালি সরকার সামুকে নজরদারির মধ্যে রেখেছে। এমনকি শীর্ষস্থানিয় গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে সামু কর্তৃপক্ষকে শাসানোও অসম্ভব কিছু নয়।

এজন্য কি সামুর বোন বা বোন জামাই নিজেদের ভুল অস্বীকার করতে পারবেন? দুধ কলা দিয়ে সাপ পুষেছেন, আর ছোবল খাবেন না, সেটা কি করে হতে পারে?

এই তো সেদিনও দেখলাম, বোনটি ওই রকম কয়েকটাকে নিয়ে কোন মিটিং এ গিয়েছেন। এদেরকে বগলে নিয়ে ঘুরলে নিজেদের মান সম্মান তো কমবেই, উলটো কস্টার্জিত মানসম্মানটিও খোয়াতে হবে।

যারা সামুর প্রকৃত অর্থেই শুভাকাংখি, তাদের ক্রমাগত নিরুসাহিত করে কোণঠাসা করার ভিলেজ পলিটিক্সের ফাদে আটকা পড়লে, একদিন ওরাই আপনাদের সরিয়ে নিজেরাই সামুর নিয়ন্ত্রন নেবে। যারা পিঠে ছুরি মারার আদর্শিক চেতনা বহন করে, নৈতিকতার কোন ধার ধারে না, তাদের যতই আদর সোহাগ দিন, আপন স্বার্থে তারা আপনাদেরও বলির পাঠা বানাবে।

(একটি খবর না জানিয়ে পারছি না। কলিকাতার এক দাদার পরিচালনায় যে ব্লগটি অনেকদিন ধরেই সামুকে ধবংস করার চক্রান্তে লিপ্ত, তার সাথে আপনার আশে পাশের ঘনিস্ট কিছুজনের গোপণে ভালোই প্রণয় রয়েছে।)

কর্তৃপক্ষ্যের বিশেষ আর্শিবাদধন্য হয়ে যারা সামুকে এই পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে, তারা আর সেই বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত হতে পারেন কিনা, সেটা নতূন করে ভেবে দেখার এখনই সময়। বেড়াই যদি ক্ষেত খাওয়া শুরু করে তাহলে......। ভা

অবশ্য আত্মগরিমায় সব ভুলে গিয়ে পথ না বদলালে, তার দায় অন্তত এরা যে নেবে না এটা পরিস্কার। বেশ কিছুদিনের ঘটনাপ্রবাহে নিশ্চই সেটা প্রমানিত হয়েছে।

-----------------------------------------------------------



রাশটেনে ধরতে উদ্যোত এরা কে বা কারা?

স্বাধীন বাংলাদেশের চিহ্নিত শত্রু ভারতের সাম্প্রতিক কর্মকান্ডে ব্লগিস্ফিয়ারে যে আন্দোলন দানা বেধেছে, তার রাশ টেনে ধরার একটা চেস্টা এখন সুস্পস্ট। যে মুহুর্তে বিশাল সংখ্যক ব্লগার ভারতীয় আগ্রাসনের সমুচিত জবাব দেবার বিভিন্ন পন্থা ছড়িয়ে দিচ্ছেন, সেই মুহুর্তে সুশিল বেশে কিছু ব্লগার পালটা পোট দিয়ে সেটা নিরুৎসাহিত করার চেস্টা করছে। ভাবখানা হল, ধর্ষন যেখানে অনিবার্য সেখানে সেটা উপভোগ করাই শ্রেয়।

আবার কেউ কেউ ভারতীয় দুতাবাসের সামনে নগ্ন হয়ে হাস্যকর এবং মুর্খতাপুর্ণ প্রতিবাদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন। অবশ্য যারা জন্মলগ্ন থেকেই নগ্নতাকে স্বাভাবিক জ্ঞান করে আসছেন, তাদের মাথা থেকে এর চেয়ে উত্তম পন্থা আর বের হতে পারে?

এরা কারা? হয় এরা সুশিলের তকমায় মোড়ানো ভারতীয় দালাল। নইলে ভারতীয় পণ্য ব্যাবসায়ি। নইলে নপুংশক।

এদের কথায় পাত্তা দেবার কিছু নেই। যার যা অবস্থান থেকে ভারতীয় পণ্য বর্জন এগিয়ে নিয়ে যেতেই হবে। ভারতীয়রা যদি বছরে ১ টাকা থেকেও যদি বঞ্চিত হয়, তবে সেটাও সাফল্যই বটে।
একবারে সব কিছু হবে না। তবে এই ধারণাটা চারিদিকে অব্যাহতভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে।

আর যারা ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক সম্বিলিত পোস্ট সমুহের বিপরীতে, হাওয়া ঘুরানোর হীন উদ্দেশ্যে অন্য বিষয় নিয়ে চর্বিত চর্বন করছেন, তাদের জন্য সাবধানবানী। দেশের বৃত্ততম স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ভারতের দালালি বন্ধ করেন। নতুবা রীতিমত নিক ধরে ধরে ধরে আলাদা পোস্ট দিয়ে আপনাদের এই ঘৃণ্য চেহারা সাধারণ মানুষদের কাছে উন্মোচন করে দেয়া হবে।

---------------------------------------------------------------



জন্মদাতা পিতার খোজে উদ্ভ্রান্ত, লাওয়ারিশ এক কাওরানবাজারি

কাওয়ানবাজারের চাকুরিরত জনৈক লাওয়ারিশকে প্রায়ই দেখা যায় ভালোমানুষের ভাব ধরে ব্লগে ভারত বিরোধি বলে পরিচিত নিকদের নিয়ে লিস্টি করে একাধিক পোস্ট দিতে।

জন্মপরিচয় নিয়ে সন্দিহান হলে, সেটা জন্মদাত্রিকে ভালো করে জিজ্ঞেস করলেই তো হয়। তা না করে ব্লগে বাপের খোজ করাটা কি তার জন্মদাত্রির জন্য খুব সম্মানজনক? তাছাড়া সেই লাওয়ারিশের ভারতপ্রীতি যে স্তরের তাতে ভারত বিরোধী নয়, বরঞ্চ ভারত বান্ধব নিকগুলির লিস্টি করলে, সেখানেই বরং তার বাপকে খুজে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

--------------------------------------------------------------



বিদেশি শকুনের ডানায় চড়া দেশি দাড়কাকের শকুন দৃস্টি।

ভারতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে স্বাধীনতার পর থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত সারা বাংলাদেশে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন গিজ গিজ করতো। (লিবারেশন এন্ড বিয়ন্ড - জে এন দীক্ষিত।)

বাকশালের পতনের পর জাতিয়বাদি শক্তির উত্থানের কারণে তাদের সেই সংখ্যা শুধু বিশেষ কিছু মহলেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। যেমন আওয়ামি লীগ, কিছু চিহ্নিত বুদ্ধিজীবি, মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব, সাংবাদিক, শিক্ষক, সংস্কৃতিকর্মি ইত্যাদি।

১৯৯৬ সালে বাঘা তেতুল বিরোধি দলে থাকার কারণে আওয়ামি আমলেও "র" তেমন সুবিধা করতে পারেনি। তবে মার্কিন ও ভারতের সমর্থনপুস্ট ফকরু মইন সরকারের সময় থেকে আবারও তারা বাংলাদেশে জাকিয়ে বসা শুরু করে। তাদের সফল গ্রাউন্ড ওয়ার্কের কারণেই পরাশক্তির ছক কাটা সিলেকশনকেই , ইলেকশন প্রমান করে আওয়ামি লীগ নিরুংকুশ ক্ষমতায় আসীন হয়েছে।

ফলাফল হচ্ছে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা কুখ্যাত র এর সাফল্যে আরেকটি পালক গাথা। আর ভারত নিজেদের ১৬ আনা আদায় করে নেয়া। তাও আবার বিনা কোন মুল্য দেয়া ব্যাতিরেকে ! অবশ্য যে বিশাল জনসম্পদ এবং অর্থ তারা আওয়ামি লিগকে ক্ষমতায় আনতে ব্যয় করছে, সেটাকে অবশ্য এক্ষেত্রে বিবেচনায় আনা হচ্ছে না। আর তার সফলতার চিহ্ন হচ্ছে, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রি , তার উপদেস্টা এবং মন্ত্রিদের প্রকাশ্যে এবং নির্লজ্জভাবে ভারত তোষণ। যা খোদ ভারতেরই কোন প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রি করবে না।

সংবিধানের ৬৬ ধারাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে প্রভাবশালি মন্ত্রি বনে যাওয়া একজনেরর মুখে যখন ব্লগকে পর্ণ কুটির বলে ভ্রুকুটি করা হয়েছিল, তখন মনে কুডাক দিয়েছিল। বাকশালি পিতার সন্তান বাকশালি না হলে, পিতার মান রক্ষা যে হয় না !

তারই ধারাবাহিকতায় আজ শুনি ব্লগে গোয়েন্দা নজরদারি করা হচ্ছে। যাতে "দেশের বিরুদ্ধে" বা "ধর্মের বিরুদ্ধে" কোন ষড়যন্ত্র না হতে পারে। বিশেষ করে যারা আওয়ামি লিগের ব্যার্থতা বা ভারতের বাংলাদেশ বিরোধী আচার আচরণ নিয়ে কথাবার্তা বলছে, তাদের ঠিকুজির তথ্য জানার জন্য এবং কন্ঠ স্তব্ধ করার জন্য রীতিমত আইন পর্যন্ত করা হয়েছে।

এর প্রধান সুত্রপাত একটি ইমেইল। সেনাবাহিনীর একজন অফিসারের ইমেইলটিতে ভয়ংকর কিছু তথ্য ছিল। যা মিডিয়া পর্যন্ত জানতো না। জানলেও প্রতিহিংসার শিকার হবার ভয়ে প্রকাশ করেনি।

ইমেইল থেকে একটা জিনিসই সুস্পস্ট। ভারতীয়রা শুধু আওয়ামি লিগকে ক্ষমতায় বসিয়েই কিংবা আমাদের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ঠেলেই বসে নেই। বরং তা যেন ঠিকঠাক মত পালন করা হয়, তার জন্য খোদ গোয়েন্দাদেরও প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা বিভাগের মত গুরুত্বপুর্ণ যায়গায় বসিয়ে রেখেছে।

দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র নসাৎ করার কাজে আমাদের সেনাবাহিনিই সবচেয়ে আগে এগিয়ে এসেছে। এদের দেশপ্রেম ও শক্তিকেই আগ্রাসি ভারতীয়দের ভয়। এ কারণেই রহস্যজনক ঘটনা ঘটিয়ে আওয়ামি লিগের এ টার্মেই পিলখানা "বিদ্রোহের" ছদ্মাবরণে ৫৭ জন অফিসারকে নির্মমভাবে হত্যা করানো হয়েছে। পিলখানা বিদ্রোহে সমসাময়িককালে পিলখানার বাইরে থাকা কিছু উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা রহস্যজনকভাবে নিহত হয়েছেন। পাঠকদের স্মরণ করিয়ে দিতে চায় সেনাবাহিনীর সম্ভবত লেঃ জেঃ পদে একজনের হেলিকপ্টার "দুর্ঘটনায়" মৃত্যুকে। সাথে খোদ ঢাকা শহরে নিজ বাসা থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় মেজর বা ক্যাপ্টেন পদে আরেকজনকে। তাছাড়া বিদ্রোহের অজুহাতে বিচারের নামে হত্যা করা হয়েছে অনেক বি ডি আর সদস্যকে। এবং বিডি আরের নাম আর পোষাক বদলে, বিজিবি নামের এক নপুংশক নামসর্বস্ব সীমান্ত রক্ষাকারি বাহিনী তৈরি করা হয়েছে।

এসব ঘটনা বিশ্লেষন করলে অনেক সত্যই বেড়িয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। যা প্রকাশ পাওয়া মাত্রেই ভারতের বংশদবত বর্তমান সরকারের জন্য কাল হয়ে দাড়াতে পারে। আর সেই প্রতিবাদ সর্বপ্রথমেই আসবে সেনাবাহিনির কাছ থেকে।

লাঠি না ভেঙ্গে সাপ মারার খেলায় পারদর্শি ভারতের চাণক্যদের ইশারায় তাই অধুনা অভ্যুত্থান নামের নাটক তখনই শুধু হয়েছে, যখন গোপণে গোপণে সেনাবাহিনীতে বেছে বেছে দেশপ্রেমিক ভারত/আওয়ামি বিরোধী সেনা কর্মকর্তাদের গুম করে দেয়ার খবর প্রচার হয়ে গিয়েছে।

ট্রুপস মুভমেন্ট ছাড়া কি করে কোথায় এই অভ্যত্থান সংগঠিত হয়েছে, সেটা কিন্ত বলা হচ্ছে না। সুতরাং এই ঘটনা যে একটি বিশেষ নাটক সেটা নিয়ে বোধবুদ্ধিসম্পন্ন কারোই আর সন্দেহ নেই।

যেহেতু ঘরের খবর জনগণ পর্যন্ত পৌছানোটা ব্লগের মাধ্যমেই সম্ভব। তাই সেখানেও বাকশালি থাবা পৌছানোর জন্য আইন করা হয়েছে। এবং গোয়েন্দাদের সেখানে নজর রাখার জন্য বসানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দোষ কোথায়? তারা চাকুরিজীবি। সরকারের যেই থাকবে, তার আদেশই অক্ষরে অক্ষরে পালন করার শপথ নিয়েই তারা চাকুরি শুরু করেন। সেটা সমস্যা না।

কিন্তু আশংকার কথা হচ্ছে, বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালি গোয়েন্দা সংস্থায় ভারতীয় র এর শক্ত অবস্থান। দেশীয় গোয়েন্দাদের অজুহাত তুলে তারাই অন্তর্জালে এই নজরদারিতে লিপ্ত। কারণ বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন যোগ্য লোকের অভাব রয়েছে। বিশেষ করে প্রশাসনে তো বটেই ! তাই সেই ছুতো ধরে ভারত বান্ধব সরকার এই কাজে ভারতীয়দেরই নিয়োগ দেবে এতে সন্দেহ কি?

আর কিংবদন্তিতুল্য দেশপ্রেমের অধিকারি ভারতীয়রা যে অন্তর্জালে বেছে বেছে ভারতের স্বার্থের জন্য হানিকর লেখক অথবা প্রদায়কদেরই টার্গেট করবে, এটা জানা কথা। আর সরকার তো ভারতপ্রেমে অন্ধ। তারা যে লিস্টিই দেবে, বেদবাক্যে জ্ঞানে সে লিস্টির অন্তর্ভুক্তদের বিরুদ্ধেই গুমহত্যা, মামলা, নির্যাতন এসব চালাবে।

কোন দেশের মানুষ যখন জেগে উঠে তখন কোনকিছু দিয়েই তা প্রতিরোধ করা যায় না। ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে এমন কিছু ঘটেছে বলেই বাঙ্গালিরা আজ ইতিহাস গড়তে সক্ষম হয়েছে।

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেই না। ক্লাইভ পরিত্যাগ করেছিল মীর জাফরকে। মালিকি কারজাইদেরও তার প্রভুরা পরিত্যাগের পথে। হাসিনাকেও যে চিরদিন ভারত ক্ষমতায় রাখতে সাহায্য করবে, সেটা বিশ্বাস করা মুর্খতা।

তাই ক্ষমতার চিন্তা বাদ দিয়ে আওয়ামি লিগের উচিত হবে নিঃস্বার্থভাবে এখন বাংলাদেশের দালালি করা। সেটা করতে গেলে প্রথমেই আত্মমর্যাদা বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশে অবস্থানরত শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলির গোয়েন্দাদের ফেরৎ পাঠান। আশেপাশে অবস্থান করা বাম রাজনীতির আদর্শে লালিত পালিত এবং টুপাইস কামানোর ধান্ধায় আওয়ামি লিগার সাজা চাটুকারদের দূর করে দিন।

সবচেয়ে জরুরি, বাংলাদেশের স্বার্থের বিপক্ষ্যে ভারতীয় স্বার্থ রক্ষাকারির ভুমিকা থেকে সোজা ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে দাড়ান। সাথে চিন্তা চেতনা থেকে বাকশালের মত দেশ ও জাতির স্থপতি ধংবসি পচাগলা আদর্শ থেকে বেড়িয়ে আসুন।

তখন যদি কুচক্রিদের হাতে মৃত্যুও হয়, তাহলেও একজন দেশপ্রেমিকের মর্যাদায় সারা জীবন মানুষ সশ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। নইলে ইতিহাসে ঠাই হবে ঘসেটি কিংবা মীর জাফরের অবস্থানে।





১৮টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×