ব্লগার ভাইরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমাদের জন্য কিছু করার জন্য বলুন। গতকাল কুরিয়ান কোম্পানী (Won) কনষ্ট্রাকশন'র ৪৬৯ বাংলাদেশী ইট,বালু টানার লরিদিয়া মিশরের বর্ডারে গিয়াছে রাত ৮ ঘটিকার সময়। এখন লিবিয়াতে সকাল ৯টা বাজে এখনো তাদের রিসিভ করতে মিশরের বাংলাদেশ দুতাবাসের কেউ আসেনি। সারারাত খোলা আকাশের নিচে ৪/৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় না খেয়ে বসেআছে।
তার উপর বর্ডার এলাকায় গতকাল রাত ১১টা হতে থেমে-থেমে বৃষ্টিহচ্ছে। লিবিয়ার বাংলাদেশ দুতাবাসে যোগাযোগ করাহলে দুতাবাস দায়সারাভাবে বলে তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে বলেছে সরকার যেন মিশরের দুতাবাসকে বলেদেয় বাংলাদেশিদের রিসিভ করতে। এ ছাড়া নাকি তাদের কিছুই করার নেই।
ব্লগার ভাইরা, আপনারা দয়াকরে এই খবরটা বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কিবা পররাষ্ট মন্ত্রনালয়ের কাছে পাঠান। যেন অতি তারাতারি মিশরের দুতাবাস সিমান্তে অপেক্ষামান বাংলাদেশিদের রিসিভকরে নিরাপদ/ শুকনো কোনস্থানে নিয়েযায়। তা না হলে শিতে ও বৃষ্টিতে ভিজে না খেয়ে সকলেই মারাযাবে।
গতকাল রাতে মিছরতা স্ট্রেট'র এক কোম্পানীতে ৩০০ বাংলাদেশী ক্যাম্পে লিবিয়ান দস্যুরা হামলা করে ৩৭ বাংলাদেশী কে মেরেফেলেছে। যারমধ্যে বাংলাদেশী নার্স হিসাবে কর্মরত মহিলাও আছে। ভাইরা আমরা খুবই অমানবিক/নিরাপত্তাহিন অবস্থায় দিনরাত অতি বাহিত করতেছি। আমাদের দেখার কেউ নাই. আমাদের উদ্ধার করার কেউ নাই।
অন্যান্ন বিদেশিরা তাদের দেশের সরকারের সহায়তায় লিবিয়া ত্যাগ করা শুরু করেছে । কিন্ত আমরা বাংলাদেশীদের বেলায় অবস্থা ভিন্ন। মিশরের সিমান্তে খোলা আকাশের নিচে ৪৬৯জন বাংলাদেশী, অথচ মিশরের বাংলাদেশ দুতাবাস নাকে তৈলদিয়া এয়ারকন্ডিশন রুমে ঘুমাইতেছে।
(Won) কনষ্ট্রাকশন কোম্পানীর নেপালি, ইন্ডিয়ান, ভিয়েতনাম ও ফিলিপিনোরা বর্ডার পাছকরে নির্বিগ্নে মিশর চলেগেছে কিন্তু বৃষ্টিতে ভিজে অনাহাবে সিমান্তে বসেআছে দুর্ভাগা ভাগ্যহত বাংলাদেশী। ভাইরা আমাদের জন্য/তাদের জন্য কিছু করুন।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


