বিভিন্ন মাযহাবের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু বেতরের নামাযের মতো এতবড় পার্থক্য সম্ভবত খুব কমই আছে। আমরা জানি, বেতরের নামায তিন রাকাত। দুই রাকাত পড়ার পর তাশাহহুদ এবং তৃতীয় রাকাতে দুইটি সূরার পর পুনরায় তাকবীরে তাহরীমা এবং এরপর দোয়া কুনুত। কিন্তু লিবিয়ানরা (সম্ভবত আরো কিছু আরবীয় দেশেও, যারা মালেকী বা হাম্বলি মাযহাবের অনুসারী) বেতরের নামায পড়ে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে।
তাদের হিসেবে বেতরের নামায দুইভাগে বিভক্ত। প্রথমে দুই রাকাত - একে বলা হয় "শেফা"। এবং এরপর সালাম ফিরিয়ে সম্পূর্ণ পৃথক এক রাকাত - একেই বলা হয় বেতর। এতে দুইবার তাকবীরে তাহরীমা বা দোয়া কুনুতের কোন ব্যাপার নেই - বরং এই এক রাকাতে সূরা ফাতেহা পড়ার পরে পরপর তিনটা সূরা পড়তে হয় (সাধারণতঃ সবাই সূরা এখলাস, ফালাক্ব এবং নাসই পড়ে)। বড়ই আশ্চর্যজনক। নয় কি?
শুধু যে সাধারণ লিবিয়ান রা ব্যক্তিগতভাবে এভাবে বেতরের নামায পড়ে, তা নয়। মসজিদে ইমাম সাহেবরাও এভাবেই পড়ান। সম্ভবতঃ তাদের মাযহাবে বেতরের নামাযের এরকম নিয়মই বর্ণিত আছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, সারা বছর ঘরে একা একা বেতরের নামায তিন রাকাত পড়লেও এই রোযার মাসটা আমি তারাবীর নামায মসজিদে গিয়ে পড়ছি এবং সেই সাথে বেতরের নামাযও ইমামের সাথে এক রাকাতই পড়ছি!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



