স্বপ্ন (কল্পগল্প)
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০
তিন পেয়ে ক্যামেরা স্টান্ডের এক পা দিয়ে জোরে জোরে বালিতে খোঁচা দিচ্চে যুঁথী। এটা হল রাগের বহিপ্রকাশ। প্রচন্ড রাগ হচ্ছে তার। আর কান্নাও পাচ্ছে। কিন্তু কাঁদা যাবে না। সামনে আকবর মিয়া বসে আছে। আর ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে তার দিকে। ইফতেখার গেছে চায়ের ফ্লাক্স আনতে। কিন্তু কোথায় যে গেল? আর আসার নাম নেই। বেচারাকে আবার চা আনতে এত দূরে না না পাঠালেও হত। কিন্তু চা খুবই ইম্পর্টেন্ট! আজকের এই মিশনের জন্য। মিশনের নাম ‘মিশন স্বপ্ন পুরন’! চা ছাড়া এই মিশন পুরা ফেইল!!
আজ যুথীর বার্থডে। সেই উপলক্ষে এই মিশন হাতে নিয়েছে ইফতেখার। আজকে তার সবচেয়ে আরাধ্য স্বপ্ন টা পুরন করা হবে! এই ব্যপারটা নিয়ে বিয়ের আগে যুঁথী আর ইফতেখার আলোচনা করেছে ঘন্টার পর ঘন্টা। স্বপ্নটা সিম্পিল। একটু জোরে বাতাস বইতে থাকবে। তবুও যুঁথী আর তার বর নৌকা নিয়ে মাঝ নদীতে চলে যাবে। নৌকা ড্রাইভ করবে তার বর। তখন বাতাস আরো বেড়ে যাবে। যুথী বলবে, “এই ইফতি!! খুব ভয় করছে! প্লিজ ফিরে চল। প্লিজ প্লিজ প্লিজ...।” ইফতি বলবে, “এত ভয় পাচ্ছো কেন? তোমার তো এখন মাঝ নদীতে চা খাবার কথা!” তখন যুথী ভয়ে ভয়ে ইফতির কাছে এসে বসবে। আর কাপা হাতে চায়ের কাপে চা ঢালতে থাকবে। স্বপ্নের শুধু এই পর্যন্তই ইফতেখার কে বলেছে যুথী। এর পরে ইফতেখারের টুক করে একটা কাজ করার কথা!!! সেইটা বলা হয়নি। যুথীর দেখার ইচ্ছা ইফতি সেটা করে কিনা। কিন্তু ইফতি যে বকলু। মনে হয়না তার মাথায় এসব আসবে। সেক্ষেত্রে যুথীই কিছু একটা করে ফেলবে!
প্লান এরকমই ঠিক ঠাক। স্বপ্ন টা যূঁথী দেখেছে জেগে জেগে। ঘুমিয়ে দেখা স্বপ্ন পুরন করতে হয়না। কিন্তু জেগে জেগে দেখা স্বপ্ন কিছু কিছু পুরন করা উচিৎ! স্বপ্ন পুরনের সব দায়িত্ব ইফতির। গত তিন দিন যাবত ইফতেখার আকবর মিয়ার কাছে ট্রেইনিং নিচ্ছে। নৌকা চালানোর। শিখেও ফেলেছে বোধ হয়। আজকেই সেই মহান দিন। ইফতেখারেরও প্রস্তুতির সীমা নেই। সিম্পিল একটা কাজের জন্য সে হাজার খানেক ইন্সট্রুমেন্ট নিয়ে এসেছে। ক্যামেরা, ক্যামেরার স্টান্ড, একটা আই পড, চায়ের কাপ, একটা প্লায়ারস আরো হাজারটা জিনিশ!!! ক্যামেরার স্টান্ড আর প্লায়ারস কেন নিয়ে এসেছে বুঝা যাচ্ছেনা। আসলে চায়ের কাপটা ছাড়া আর কিছুরই তো দরকার ছিলনা! ব্যাপার না। সব দায়িত্ব আজ ইফতির। ও যা পারে করুক। খালি মিশন সাকসেসফুল হলেই হল!
কিন্তু নৌকায় ঊঠার পর যুথী দেখে আকবর মাঝিও নৌকায় উঠে বসে আছে!! ব্যাপার কি? ইফতি আমতা আমতা করে মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলে, “ইয়ে... মানে চায়ের ফ্লাক্স টা ভুল করে আনা হয়নাই!! নৌকায় ছোট কাঠের চুলা আছে। আকবর মিয়া চুলায় চা বানাবে। তার চা খুবই সুস্বাদু। আমি দুই দিন খেয়ে দেখেছি!” আকবর মিয়া বলে, “হ চাচীআম্মা। আমার চা খুবই টেস!!” এই বুড়া মাঝি কেন জানি যুথী কে চাচীআম্মা, চাচীজান বলে ডাকছে!! বুড়ার মুখে চাচীআম্মা শুনতে এতক্ষন খারাপ লাগছিলনা। কিন্তু এইবার মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে। যুঁথী রীতিমত ঝগড়া ঝাটি করে ইফতিকে আবার ফ্লাক্স আনতে পাঠিয়ে দিয়েছে। ইস্ তার বরটা ক্যান যে এত বকলু!!!
তবে এখন খুব খারাপ লাগছে যুঁথীর। কান্না পাচ্ছে। চোখ লাল হয়ে গেছে। আকবর মিয়া বলছে, “চাচিআম্মা, আপনে মন খারাপ কইরেন না। আপনেরে একটা গান শুনাই? ভাটিয়ালি গান। আমার গানের গলা ভাল।” চাচীআম্মা শুনে যুথীর মেজাজ আরো খারাপ হয়েগেছে! কেবলি মাঝিকে ধমক দিয়ে কিছু বলতে যাবে। অমনি ফোনটা বেজে উঠলো!! ফোন করেছে শারমিন। এই মেয়ে মহা ফাজিল। আজে বাজে কথা বলবে। অন্যসময় হলে ফোন কেটেদিত যুথী। কিন্তু এখন এই আকবর মাঝির ভাটিয়ালির চেয়ে শারমিনের কল টাই ভালো মনে হচ্ছে।
শারমিন বক বক করে যাচ্ছে, “কিরে প্রেম কুমারী। তোরা নৌকায় উঠিসনি এখনো!!! আমি তো ভাবলাম নৌকায় শুয়ে মাঝ নদীতে মেকিং লাভ চলতেছে! হি হি হি” বলেই কেমন জেন গা জ্বালানো খচ্চর মার্কা হাসি দিচ্ছে। “শোণ নৌকায় যখন উঠিসই নি। আগেই সাবধান করে দেই। নৌকা কিন্তু হেভি দুলে টুলে উঠবে। পরে দেখা যাবে জামাই বাবাজী টুপুস করে পানিতে পড়ে গেছে। তবে সন্ধ্যা হোক তার পর যাস। বুঝলি তো ? অন্ধকারটা দরকার আছে!! হি হি হি” আবার সেই হাসিটা দিচ্ছে। ফোন কেটে দিয়েছে যুঁথী। তার মাথা এমনিতেই গরম হয়ে আছে। এখন রাগে অন্ধকার দেখছে। তাই ক্যামেরা স্টান্ড (ট্রাইপড)এর তিনটা ঠ্যাং দিয়েই চরের বালিতে জোরে জোরে খোঁচা মারছে সে।
যুথীর এই রুদ্র মুর্তি দেখে আকবর মিয়া মনে হয় ভয় পেয়েছে। একটু দূরে সরে গিয়ে হাটা হাটি করছে। ইফতেখার ফিরে এসেছে। চায়ের ফ্লাক্স নিয়ে এসেছে। কিন্তু চা আনতে খেয়াল নেই! মেজাজ খারাপের লিমিট ক্রস করতে যাচ্ছে। যুথী মনে হয় এইবার পাগল হয়ে যাবে! ধেত!! তার জামাইটা পুরা গাব। ইফতি নার্ভাস ভঙ্গিতে বলেছে সে দুই মিনিটেই চা বানিয়ে ফেলবে। এখন ফু টু দিয়ে আকবর মিয়ার চুলাটা জালানোর আপ্রান চেষ্টা করছে সে। দৌড়া দৌড়িতে আর টেনশনে ঘেমে নেয়ে একাকার! তার মধ্যে আবার চুলার ধোয়া চোখের মধ্যে চলে যাচ্ছে!! কিন্তু চুলা জ্বলছে না। করুন অবস্থা!
তার বোকা জামাইটার কষ্ট দেখে খুব খারাপ লাগছে যুঁথীর। আবার কেন যেন খুব ভালোও লাগছে! খুব!!! এখন আর কান্না আটকে রাখা যাচ্ছেনা। সে ইফতি কে ধাক্কা দিয়ে চুলার কাছ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। চুলায় ফুঁ দিয়ে এমন একটা ভাব করছে, যেন চুলার ধোঁয়া গিয়ে চোখে পানি চলে এসেছে।
চুলাটা জ্বলে গেছে। পানি গরম হচ্ছে। ইফতেখার একটু দূরে হাটা হাটি করছে। নার্ভাস ভঙ্গিতে। একটা সিগারেটও ধরিয়েছে। ইফতির সিগারেট খাওয়া নিষেধ। এই নিষেধ জারী করেছে যুঁথী। তবে মাঝে মাঝে বিশেষ উপলক্ষে সিগারেট ধরানো যাবে। কিন্তু তাদের প্রথম বাবুটা হবার আগেই এই অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে পুরাপুরি। বাবু যেন না দেখে তার বাবা ধুমপায়ী। তবে আজ বেচারার উপর দিয়ে খুব ঝড় গেছে। আহারে, থাক! এখন সিগারেট খাবার অপরাধ মাফ! আকবর মাঝি ভাটিয়ালী গান শুরু করেছে। নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মেয়ে মনে হচ্ছে যুথীর। কিন্তু চোখের পানি বন্ধ হচ্ছেনা। ফোনটা আবার বাজতে শুরু করেছে। এবারো শারমিন। নতুন কোন টিপ্স দেবে মনে হয়...
প্রকাশ করা হয়েছে: কল্পগল্প বিভাগে ।
ইরতেজা বলেছেন:
অসাধারন... আসলেই তোর লিখাগুলো খুবি অসাধারন
লেখক বলেছেন: ইরতেজা ভাই এই সিরিজের আরো নতুন কিছু গল্প লিখছি! ![]()
দিব নাকি ছাপায়া!!
আপনি ভরসা দিলে ছাপায়া দেই। এইদিকে রাশেদ ভাই আমারে মাইনাচ এর ভয় দিয়ে দিসে। লেখার টাইটেল ভাল না হইলে মাইনাচ দিবে। ![]()
লেখক বলেছেন: হায় হায় দিলেন দুঃখের কথা টা বলে!!
এক কালে চলিত ভাষায় লিখলে মানুষ বলত 'প্রমথ চৌধুরি স্টাইল'!!
আর এখন আব্জাব লিখলে বলে হুমু স্টাইল ![]()
তবে যাদের ছায়া নিয়ে লেখা তাদের কথা বার্তা এই স্টাইলের!! ![]()
গল্প ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ। ![]()
ইরতেজা বলেছেন:
রাশেদের এত বড় সাহস সে তোরে মাইনাচের হুমকি দিচ্ছে। আসুক। আসুক আজকে । আজ রাশুর একদিন কি আমার একদিন। আর হে প্লাস দিলাম।
লেখক বলেছেন: ![]()
হুম বইকে দিয়েন!!
আর আপনার নতুন লেখা কই???
সেই সিরিজের কি হল?
লিখসেন নাকি! পোস্টান না কেন?
লেখক বলেছেন: হে হে হে! আপনি দেখি আমার দলে!!
আমি আজ এক বন্ধুর সাথে আলাপ করছিলাম এইটা নিয়ে। যাতে এই স্টাইল টার 'চলিত' এর মত একটা জেনারালাইজ্ড নাম দেওয়া হয়।
'আব্জাব' হতে পারে। অথবা ভালো কোন নাম।
আর আমিতো খুশিই হয়েছি! ![]()
দি ওয়ান বলেছেন:
"হুমু টাইপ" It was a praise...! So be glad, not sad! Plz delete the previous three comments, I posted same comments by mistake.
লেখক বলেছেন: সত্যি অনেক খুশি হয়েছি!
উৎসাহ দিয়ে দিলেন! ![]()
এখন এই জুটি কে নিয়ে আরো কিছু গল্প লিখে ফেলব!! ![]()
অনেক অনেক ধন্যবাদ!
ইরতেজা বলেছেন:
ইফতেখার আর যুথীর প্রেম কাহিনি পড়ে খুব ভাল লাগছে। তবে নিজের কিছু প্রশ্ন আছে।
১। নৌকায় চড়া নিয়ে স্বপ্লটা অসলেই খুব সুইট। তবে স্বপ্নে দেখা সেটা ছিল পাল তোলা নৌকা। কিন্তু আজকাল কি নদীতে রঙ্গিন পাল তোলা নৌকা আছে। সবই ত ইঞ্জিনের নৌকা।
২। বাস্তব স্বপ্লে যুথীর সাথে কোন মোবাইল ছিল না। ইফতির পকেটে মোবাইল ছিল কিন্তু সেটাও ইফতি যুথীর কথাতে সুইচ অফ করে দিয়েছে (যুথী নিজেই বলেছে)। তবে মোবাইল আসল ক্যামনে?
৩। এটা ছিল সারপ্রাইজ। কোন কাক পক্ষিও জানত না। তবে শারমিন জানল ক্যামনে?
৪। যুথী তাকে চা আনতে পাঠিয়েছে। হাতে চায়ের ফ্লাক্স নিয়ে গেছে। এত কিছু পড়েও চা আনতে ভুলে গেল মানে কি? ইফতি কি এলজাইম্যা রোগে আক্রান্ত।
৫। নৌকায় কাঠের চুলা কেন ব্যাবহার করবে। কোনদিন নৌকায় কাঠের চুলা ব্যাবহার করা হয় না। কাঠের ওজন বেশি, কাঠের আগুনে বিপদ হতে পারে আবার দূর্ঘটনাবসত পানিতে কাঠ ভিজেও জেতে পারে। নৌকায় কেরোশিনের চুলা ব্যাবহার করা হয়।
৬। ইফতেখার সিগারেট খাওয়া বিবাহের অনেক আগেই ছেড়ে দিছে। তার নার্ভাস হয়ে সিগারেট খাবার প্রশ্নই উঠে না।
৭। গল্পে ইফতেখারকে বোকা, নার্ভাস আর গাধা টাইপের দেখানো হয়েছে। এটা কেন? ইফতেখার হবে সুপরিকল্পকারি, বুদ্ধিমান, ঠান্ডা টাইপের মানুষ।
লেখক বলেছেন: ১। পাল তোলা নৌকা এখনো আছে।
২। বাস্তবের ব্যপারটা তো জানিনা!! এইটা কল্প গল্প! ![]()
৩।সবই তার ইচ্চা (লেখকের) ![]()
৪।আসলে টেন্শনের কারণে এইটা হইসে!
৫। এক ধরণের ছোট কাঠের চুলা আছে নৌকায় ব্যবহার করে! এইটা পোর্টেবল চুলা। আমি নিজে এই চুলায় রান্না খেয়েছি। এবং সেটা নৌকায় বসে রান্না করা!!! ভেনু মধুমতি।
৬। কি জানি আমি তো সিগারেট খাইনি কখনো!!
তবে বন্ধুরা যারা খায় তারা নার্ভাস হলে আরো বেশী খায়!
৭। কৈ!! গাধা টাইপ কৈ দেখালাম!! আসলে যুথীর ভয়ে সব সময় তটস্থ হয়ে থাকেতো তাই এই অবস্থা! আর ইফতেখার তো খুবি বুদ্ধিমান! তবে সব পুরুষই সুন্দরীদের সামনে একটূ গাধা হয়ে যায়!! এটা হ্ল পুরুষ হবার প্রায়শ্চিত্ত অথবা সুন্দরী হবার অ্যাডভান্টেজ! ![]()
নেটে ডিসি খাইসিলাম তাই উত্তর দিতে দেরী হল! ![]()
এইবার আসল কথা কন! ![]()
সত্যি(আসল) ঘটনা এত ডিটেঈল আপনি যানেন কেমনে? ![]()
ইমির বলেছেন:
ভাল অইছে বস
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু! ছোট্ট বন্ধু ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
আমারে তো এত ডিটেইল কেউ কয়নাই! ![]()
তাইলে গল্প আরো রিএলস্টিক হইতো!! ![]()
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
নির্মল আনন্দ পেলাম!!
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ!
এদিকে আবার আসবেন ![]()
প্রিয়তমা বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! ![]()
রাশেদ বলেছেন:
ওয়াও! তুমি দেখি প্রেমের গল্পও লেখো। ভাল্লাগছে।
লেখক বলেছেন: আরে প্রেমের গল্প পেলেন কই!! :O
এইটা তো চা খাওয়ার গল্প ! ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আসলেই কেন কেন কেন???? জাতি জানতে চায়! ![]()
লেখক বলেছেন: এইসব হ্ল কমেন্ট বিনিময়!! ![]()
রাশেদ বলেছেন:
হা হা! এইরকম নিয়মিত ব্লগে আসলে পাঠকের অভাব হবে না তোমার। এত ভালো লেখো তাও আগের লেখাগুলো এত কম মানুষ পড়ত শুধু তোমার অনিয়মিত থাকার কারনে!
লেখক বলেছেন: কমেন্ট করে করে আপ্নার রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলবো!!
তবে এই যে আমারে আপ্নি ব্লগের নেশা ধরায়া দিতেসেন!
আমার আব্বু জানলে কিন্তু আপ্না্নারে পিটাইবো!! ![]()
রাশেদ বলেছেন:
আমার রেকর্ড ভাঙ্গতে এক|টু সময়ই লাগবে তোমার! হে হে! তয় ভাঙ্গতে পারলে ভালো। চালাইয়া যাও। নিয়মিত ভালো ভালো লেখা পাচ্ছি, ভালৈ লাগতেছে।
লেখক বলেছেন: রেকর্ড ভাঙ্গার একটা বুদ্ধি অবশ্য আছে! ![]()
একটা স্ক্রিপ্ট লিখে চালায়া রাখবো!
সব ব্লগে গিয়া অটোমেটিক কমেন্ট করে আসবে ! ![]()
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
হুম!! গল্পটা কি এখানেই শেষ হয়ে গেল? নাকি শুরু হল? যাই হোক না কেন ভালই হচ্ছে। ভাষা সাবলীল, যদিও বা কেউ বলে থাকেন হুমায়ুন আহমেদের লিখনরীতির মত, সেটা বিবেচ্য নয়, কেননা ভাষার ব্যবহার নানভাবে হতে পারে। এবারেও একই প্রশ্ন কল্পগল্প কেন? উত্তর কি আগেরটাই ধরে নেব?
লেখক বলেছেন: উম্ম...
গল্প আসলে চলতেই থাকবে!
পাঠক মাঝে মাঝে উকি দিয়ে কিছু কিছু অংশ দেখে ফেলবে! ![]()
যেমন এটা একটা অংশ।
লেখক বলেছেন: এই ব্লগের উপরের দিকের কমেন্ট গুলো পড়লেই বুঝতে পারবেন 'কল্পগল্প' কেন!! ![]()
আগের টা ছাড়া অন্য উত্তর দেওয়া মানা! ![]()
সবই অবশ্য কল্পতে দেখা , তবে সত্যি হওয়ার ভালো পসিবিলিটি আছে
লেখক বলেছেন: কি জানি! মেয়েদের মনের মত হয়নাই মনে হয়!! ![]()
লেখক বলেছেন: আর তুই এত কিছু জানিস কি করে?? ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: অবশ্যই!! ![]()
আপনার ভাল লাগছে দেখে উৎসাহ পাচ্ছি।
আসবেন মাঝে মাঝে এই ব্লগে! ![]()
সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
তাইতো মেয়েদের কমেন্ট কই ?
চোখে পানিতো আমারও আসলো , এখন ফু দিয়া চুলা ধরানো দরকার।
লেখক বলেছেন: হা হা!
তার আগে ইফতির মত একটা বকলু জামাই লাগবে! ![]()
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ! ![]()
লেখক বলেছেন: বকলু জামাইতো আভেইল আভেল! এখনি আমার চার পাশে তিন চার টা বকলু বসে আছে!!
রেটিং বলেছেন:
জটিল হইছে....................কাল রাইত থেইকা প্রায় সব লেখাই সেস আপনার ।
লেখক বলেছেন: সব গুলো পড়েছেন!! ![]()
প্রলয় হাসান বলেছেন:
লেখায় হুমায়ূন আহমেদের প্রভাব স্পষ্ট! আপনার ভবিৎষত কি উনার মতই হবে নাকি? দুইটা বিবাহ...আরো কেলেংবারী....ব্লা ব্লা ব্লা..লেখক বলেছেন: ধুরো মিয়া বিয়েই করমুনা!!
আর আমার এককে লেখায় একেক জনের প্রভাব!! ![]()
নিলা বলেছেন:
কাহিনী এখানেই শেষ!!!!!!! যুথীর সুখ দেখে আমার চোখেও পানি চলে আসতেছে...তবে চোলার ধোয়া এখন কোথায় পাবো?!
আর বকলুদের জন্য কেনো জানি মানুষের একটু বেশিই মায়া থাকে।
লেখক বলেছেন: আসলেই বকলু হওয়ার এইটা একটা সুবিধা!!
কিন্তু চলার ধোয়া না পাইলে তো বিপদ!! ![]()
দুয়া করি যেন তাড়াতাড়ি চলার ধোয়া আর বকলু এক সাথে পেয়ে যান!! ![]()
নিলা বলেছেন:
দোয়ার জন্য এত্তগুলো থ্যাংকস.....চোলার ধোয়ার আপাতত দরকার নাই.....বকলু পেলেই হলো। লেখক বলেছেন: এত গুলা থাঙ্কস এর জন্য এত গুলা ওয়েলকাম!!
হুমম বকলু পান নাই এখনো!! হায় হায়! এইটা কি হয় নাকি? ছেলেরা তো সবই বোকা।
বেশি দরকার হইলে আমাকে খোজ দিয়েন। আমার হাতে অনেক বকলু আছে!! ![]()
নিলা বলেছেন:
আপনি কি ঘটক পাখি ভাই নাকি?!
লেখক বলেছেন: না না পাখি ভাই হতে যাব কেন!!! আমার সব বন্ধুরাই তো একেকটা বকলু। !
(আমি নিজেও!
)
তার উপর নেটে পরিচিত এক গাদা প্রবাসী বড়ভাই আছে!! কেউ তো আর কম বকলু না।!
পারভেজ বলেছেন:
অসাধারণ! অপূর্ব লেখনি!!!


















