কত অজানারে!

পাকনা পুলাপাইনের গল্প ১ (আব্‌জাব)

২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৩৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

[এই গল্প ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী পুলাপাইন এর জন্য। শুধু পুলাপাইন হলেই হবে না ‘পাকনা পুলাপাইন’ হতে হবে। সো; বুড্ডহা লোক হাঠ্‌ যাও। আর বুড়া-ধুরা কেউ যদি লোভ না সামলে পড়েই ফেলেন তাহলে কমেন্ট করে প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। বলে দিলাম কিন্তু!]

লাইফ ইজ সো আনফেয়ার!

এমনিতে অনিক ছেলেদের দলের সাথে খেলতে যায়না। আসলে ওরা নেয়নাও ওকে। তেমন কোণ খেলা পারেওনা সে। খেলতে না নিলেও একটু গল্প-সল্প যে করবে, তাও হয়না ইদানিং। এইটা হয়েছে সোহাগ ভাই এর কারনে। সে ক্লাস সিক্সে উঠে অন্য এক স্কুলে চলে গেছে। সেখান থেকে কি না কি জানি শিখে আসে প্রতিদিন! তার পর সেসব নিয়ে সব পোলাপাইন মিলে ফিসফিস-ফাসফাস করে সব সময়। অনিক যদি শুনতে যায় অমনি বলবে, “শোন অনিক, বড়দের কথার মধ্যে থাকবিনা”। অনিক বুঝেনা বড়দের আবার এমন কি কথা! তার উপর ঐযে রনি, ওতো অনিকের সাথেই পড়ে! ওকেতো ওরা দলে নেয় ঠিকই! এই কথা সোহাগ ভাই কে বলেও লাভ নাই। সবাই মিলে হাসাহাসি করবে। সব দোষ আম্মুর । এমনিতেই অনিক দেখতে একটু ছোট খাটো আর সুন্দর। তার উপর তার আম্মু এখনো মাঝে মাঝে তার কপালে কাজলের তিলক একে দেয়। আর তার উপর দিয়ে দেয় পাওডার। অনিক তখন সেই সাদা পাঊডার ওয়ালা কপাল নিয়ে লজ্জায় বাইরেই বেরই হতে পারেনা। সে যে বড় হয়েছে এইটা তার মা কেন যে বুঝেনা!! বলে এতে নাকি নজর লাগবে না!! কই রনির মা তো এমন করেনা। কিছু বলতে গেলে আবার বলবে, “আরে রনি কি আমার চাদের টূকরার মত নাকি? ওর দিকে নজর দিবেই বা কে?” নজর দিলে কি হয় সেটা অনিক বোঝে না। কিন্তু নজর ঠেকাতে গেলে যে বড়দের দলে প্রবেশাধিকার পাওয়া যায়না সেটা সে খুব ভাল করেই বোঝে। মাঝে মাঝে অভিমানে তার নিচের ঠোটটা বেঁকে যায়। এখনো একটু ছোট বলে সে এই অনুভুতিটা ভাযায় প্রকাশ করতে পারেনা। আবার বড়ো হয়ে গেছে বলে ঠোট বাকিয়ে কাঁদতেও পারেনা।

ছেলেদের দলে ঠাইনা পেয়ে অনিকের ঠাই হয় মেয়েদের দলে। পাশের বাসার বৈশাখী আপু যখন তানিয়াদের সাথে পুতুল পুতুল খেলে তখন তাকে দলে নেয়। অবশ্য আপুরাও মাঝে মাঝে ফিসির ফিসির শুরু করে। তখন তারাও তাকে দলে নেয় না। বলে, “শোন অনিক। মেয়েদের কথার মধ্যে থাকবিনা!” যাক্‌, আপু অন্তত তাকে ছোট বলেনা। এদলে ঠাই নাপাওয়ার কারণ সে ‘ছেলে’। এইটা জেনে অতটা খারাপ লাগেনা।

দিনকাল কাটছিল এভাবেই। কিন্তু হঠাৎ করে সেদিন অনিকের এক আজব অভিজ্ঞতা হয়েছে! যথারীতি সোহাগ আর পাভেল ভাইরা তাকে তাড়িয়ে দিয়েছে ‘বড়োদের আলাপ’ থেকে। সে এসেছে বৈশাখী আপুর বাসায়। তানিয়ারা সেদিন আসেনি। অনিক এসেছে তার সেরা পুতুলটা নিয়ে। এইটা বৌ পুতুল! বানিয়ে দিয়েছে তার আম্মু। খুব সুন্দর পুতুল। তাই এটার দিকে সবার লোভ। এইতো কয়েক দিন আগে তানিয়া তার বর পুতুলের সাথে বিয়ে দিতে চাইলো এই বৌ পুতুলের। কিন্তু বিয়ের পর নাকি বৌকে শশুর বাড়ি থাকতে হবে। মানে তানিয়াদের বাসায়!! অনিক বুঝেছে এটা আসলে তার পুতুল হাতানোর বুদ্ধি। সে রাজি হয়নি। এর পর থেকে তাকে মেয়েরাও আর পুতুল খেলতে নেয়নি কিছু দিন। আজ সোহাগ ভাই আর আম্মুর দেওয়া ‘নজরঠেকানি’ তিলক এর উপর রাগ করে সে তার বৌ পুতুল নিয়ে এসেছে। বিয়ে দিয়েই দিবে। যা হয় হোক। কিন্তু আজ তানিয়া নাই। তার বর পুতুলটা সুন্দর ছিল। বৈশাখী আপুরও বর পুতুল আছে। তেমন সুন্দর না। কিন্তু কি আর করা। তার কন্যার কপাল খারাপ। এর সাথেই বিয়ে ঠিক ঠাক।
বেশ ফর্মালিটীজ করে বিয়ে টিয়ে হয়ে গেল। সেই বিয়েতে খাওয়ার ভান ও করলো অনিক মুখ দিয়ে চুক চুক এক ধরণের শব্দ করে! এখন নাকি বাসর ঘর সাজাতে হবে। সিগারেটের বাক্স দিয়ে বানানো আর গ্যান্দা ফুলের পাপড়ি দিয়ে সাজানো একটা খাটে বাসর সাজানো হল। অনিক ভেবেছিল এখানেই শেষ। কিন্তু বৈশাখী আপুবলে এখানে নাকি শেষ না!! এর পর তারা জানি কি কি করবে! বৈশাখী আপু ডানে বামে একটু তাকিয়ে নিয়ে তার পর অনিকের কানে কানে বলে দেয় সেটা। অনিক বলে,
-যাহ্‌ ঘেন্না!! এরকম করে নাকি কেউ?!!
-হ্যা করে।
-আমার বৌ কি আর বাচ্চা নাকি যে বরটা তাকে চুমু খাবে!
বৈশাখী আপু বিরক্ত হয়,
-আরে এই চুমু তো বাচ্চাদের মত না। অন্য রকম। এই চুমু খেতে হয় ঠোটে!
অনিক আবার বলে,
-যাহ ঘেন্না। বিয়ে করলেই এরকম করে নাকি সবাই?
-সবাই করে।
অনিক জিজ্ঞেস করে,
-তুমার আব্বু করছে নাকি তুমার আম্মুর সাথে? যখন বিয়ে করছিল?
বৈশাখী কেমন যেন একটু বিব্রত হয়। বলে,
-করার তো কথা। করছে মনে হয়।
-এরকম করলে গুনাহ হবে না?
-নাহ্‌ কোন গূনাহ হতে যাবে কেন। সত্তুর নেকি হয় উলটা!
-কিন্তু ঘিন্না যে?
-ঘিন্না হতে যাবে কেন? দাড়া দেখাই...
বলেই অনিককে কিছু বুঝতে না দিয়েই ঝুকে ঠোট দুটো অনিকের ঠোটে চেপে ধরে বৈশাখী। অনিক একটু ভ্যবাচ্যাকা খেয়ে যায় প্রথমে। তবে ঘিন্না লাগেনা তেমন। শুধু কেমন কেমন জানি লাগে! আর বুঝতে পারে বৈশাখী আপু কেমন যেন কেঁপে কেঁপে যাচ্ছে। একটু পরেই ছাড়া পায় সে। ততক্ষনে অনিকের কপালের তিলক বেশখানি জড়িয়ে গেছে বৈশাখীর কপালেও। একটূ বিহ্‌বল অবস্থায় কিছুটা কাঁপতে কাঁপতেই সে অনিককে বলে,
-তুই এখন যা। খবরদার এই কথা বলবিনা কাউকে!!

অনিক বাসায় চলে আসে সেদিন। তেমন কিছুই বলেনা কাউকে। তবে এই ব্যপার টা তাকে ভাবিয়ে তোলে বেশ। কিন্তু তার সত্তুর নেকি অর্জন চলতেই থাকে। বৈশাখী আপুর বসাতেই এর পরে একদিন দীপা আপুও চুমুদেয় অনিককে। দীপা আপু বৈশাখীর বান্ধবী। সেবার দীপা আপু অবশ্য অতটা কেঁপে যায়না। কিন্তু আপুর মনে হয় জ্বর আসে। অনিক বুঝতে পারে। অবশ্য তানিয়ার কিছুই হয়না। সে এইসব শুনে এমন হাসি দেয়। আর চুমু দিতে এগিয়ে এসে কয়েক বার হেসে ফেলে খিল খিল করে। আর বলে, “এমা... ঘিন্না’। টুক করে একটা চুমুও দেয় বোধ হয়। তার পর হাসতে হাসতে বৈশাখী আপুকে বলে।
-ধুরো কি যে বল। কিছুই হলনা তো?
বৈশাখী আপুবলে,
-তুই আসলে ছোট মানুষ। এইসব বুঝবিনা!!
এইসব বুঝতে চায়ওনা সে।

তবে অনিকের মাথায় চিন্তা চলতেই থাকে। আচ্ছা, সত্যিই কি গুনা হচ্ছে না? পাভেল ভাই কে জিজ্ঞেস করতে হবে। পাভেল ভাই ছোট বেলায় মাদ্রাসায় পড়েছে। ক্লাস সিক্স থেকে এসেছে তাদের এলাকার স্কুলে। সে হল ছোটদের মধ্যে হুজুর। সবার ইহকাল পরকাল বিষয়ক বিভিন্ন্য প্রশ্নের উত্তর দেয় সে।

মেয়েদের দলের এইসব কান্ড ভালও লাগেনা অনিকের। সে ভাবে, ধুর পুতুল বিয়ে দিয়ে কি বিপদেই না পড়লাম! আবার সাহস করে ছেলেদের দলের দিকে যায় সে। সোহাগ ভাই মনে হয় কোথা থেকে একটা ছবির বই নিয়ে এসেছে। সবাই মিলে ঘিরে ধরে দেখছে সেসব। আর কি যেন বলছে। মাঝে মাঝে হেসেও ঊঠছে তারা। অনিককে এগিয়ে আসতে দেখেই ছেলেরা সবাই ট-ভাষায় কথা বলতে শুরু করে। সেসব ভাসা ভাসা আসে অনিকের কানে, “বুটঝলিটি বিটৈশিটাখীর বিটুক নিটা ইটেই ছিটবিটির মিটেয়ের ....” অনিক ট-ভাষা বুঝে। ওরা বলছে, “জানিস বৈশাখীর বুক না এই ছবির মেয়ের...”। ভাষা বুঝলেও এইসব কথার অর্থ বুঝেনা সে। শুধু এইটুক বুঝে। কি কি যেন জল্পনা-কল্পনা চলছে বড়োদের মধ্যে। এলাকার মেয়েদের নিয়ে। যখনই সে তার প্রশ্নটা করতে যাবে পাভেল ভাই এর কাছে তখনই আবার সোহাগ ভাই খেকিয়ে ওঠে, “যাহ ভাগ, বড়োদের কথার মধ্যে আসবিনা খবরদার!!”

কান্না পায় অনিকের। তানিয়া দূর থেকে ডাকে অনিককে। দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে সে এগিয়ে যেতে থাকে মেয়েদের দলের দিকে। তানিয়া বলে,
-দীপা আপুর কাজিন আর বৈশাখী আপুর স্কুলের এক বান্ধবী এসেছে আজ। তোকে চুমু দিবে। হি হি হি!

বিরক্ত লাগে অনিকের। তার পরও এগিয়ে যেতে থাকে। হয়তো ছেলেদের দলের উপর অভিমান করেই আবার মেয়েদের দলে ভিড়ে সে। এখন তার অনেক কাজ। একে একে কাজলের তিলক একে দিতে হবে সবাইকে। দুঃখটা বাড়তে বাড়তে তার নিচের ঠোট প্রায় বাকিয়ে ফেলে যেন! আচ্ছা কি এমন বলে অই ‘বড়’ ছেলেদের দল? বুকের গহীনে অজানা একটা ভাষায় কে যেন বলতে থাকে।

লাইফ ইজ সো আনফেয়ার!!

 

 

  • ১২২ টি মন্তব্য
  • ৫৯৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৮ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৩৮
comment by: রাশেদ বলেছেন: দুইবার আসছে।
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: ঠিক করসি! :)

২. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: এক্সসিলেন্ট লেখা। এইটা নিয়ে টেনশনে ছিলা?

ভালো লাগছে।

কিছু বলার ছিলো! কয়াটা রিস্কি!
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: আরে কয়া ফালান!! :) রিস্কের কি আছে?? !!!

২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: হ টেনশন এ ছিলাম!! মেয়েরা যদি মাইন্ড করে!! B:-)

৩. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪২
comment by: েপচাইললা বলেছেন: আপনি তো হালার মাত কইরা দিলেন। আমাগো ছোটবেলায়ও এ্যামন যাঁতাকলে পড়ছি বহুবার। মাগার অহন বড় হওনের পর আর কেউই কেন যেন কাছে আসতে চায় না।

ভেরী ওয়েল সেইড, লাইফ । লাইফ ইজ সো ইনফেয়ার!!!
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: হে হে হে !!! কৈ প্লাস তো দিলেন না !! B:-)

আসলেই বড়ো হবার পর ক্যান যে এমুন হয় না !! :(

৪. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৩
comment by: রাশেদ বলেছেন: :P :P

হে হে! বুদ্ধি বাড়ছে! কয়দিন আগেই আবার মডুগো কাছ থাইকা ওয়ার্নিং খাইছি ভাষা সুশীল করতে কইছে! :)
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনি আবার অশ্লীল ভাষা জানেন নাকি? !!! B:-)
আপনি তো অতিশয় ভালো পোলা!! ;) হে হে হে

৫. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: হে হে! ভুর রাইতে মাঝে মাঝে কিছু পোস্ট আস্তো! ঐগুলান ডিলিট খায়! ঐখানে ভাষা ঠিক রাখি না! :P
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: তাই নাকি !!! কবে!! খাইসে!! আমি তো ইদানিং এমন সব ভাষায় গল্প লিখতেছি সেই গুলা তো গলা টিপ্পা ধরলেও এইখানে পোস্টামুনা।

২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: ঐ মিয়া মনে হচ্ছে বেটাইমে পোস্ট কইরা ফালাইসি!! এখন তো কেউ পড়তেছেনা! :(

৬. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৪
comment by: কোপা সামছু বলেছেন: আমি ছুটু মানুষ, বৌশাখি আপুর পুন নংটা দেন,,, তার লগে দেখা করুম... কমু আমারে কয়ডা চুমু দেন
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: হে হে হে!! দিমুনা!!

৭. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৫
comment by: রাশেদ বলেছেন: উপরে যেই হেডার লাগাইছো সেইটা তুইলা দাও আর ১৫+ লেইখা দাও টাইটেলে। লাফাইয়া লাফাইয়া পড়বে সবাই! :D
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: থাউক গা! না পড়লে মিস করবো !! :P

৮. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: আরে না। পুস্টাও, খালি ১৫+ মাইরা দিয়ো। তাইলেই হবে।

আমি যেইগুলার কথা কইতাছি ঐগুলা পুরা সেরম পোস্ট। জিব্বা, আসন ইত্যাদি মার্কা! :D
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: খাইসে আমারে!! আমি মিস করলাম কি কইরা? !!!
নাকি আমি ব্লগান শুরু করার আগের ঘটোনা !!!???

২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: আসলে বেশী লোক পড়ার দরকার ও নাই। লুইচ্চা ভাববো শেষে!! হে হে হে!!

৯. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
comment by: বোকা মানুষ বলেছেন: ঢোক গিললাম :|
লাইফ ইজ সো আনফেয়ার ...
২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: আসলেই ! :(

১০. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৭
comment by: এক্স ফাইলস্‌ বলেছেন: দুঃখ একটাই, এখনও এরকম গল্প পড়ার সময় চোর চোর অনুভুতি হয়। আর কবে সাহস হবে? :D
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৭

লেখক বলেছেন: অ্যাআ!!
'এরকম' মানে??B:-)
এইটা কি 'সেই রকম' হইসে নাকি??? :-B

১১. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৮
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এইটাই সেই পোষ্ট!

মন্দ না। তবে উৎসাহ দিচ্ছি না বেশী।
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: :P
এইটা আসলে সেই পোস্ট না!! সেইটা আরো...!! B:-)

১২. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:০০
comment by: রাশেদ বলেছেন: হা হা! ঐগুলা বিডি ভুর রাইতে আসে। জিব্বার পুস্টে কমেন্ট কইরা মডুগো ঝাড়ি খাইছি!
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: খাইসে এইখাএনও মডু আছে নাকি? !!

১৩. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:০২
comment by: রাশেদ বলেছেন: তা অনিকটা কি নিজে নাকি! B-)
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩০

লেখক বলেছেন: এইটা একটা রহস্য !! কওয়া যাবেনা!! :D

১৪. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:০৭
comment by: দ্বিধা বলেছেন: এই অনিকরে তো চিনলাম না... অ তে (অ)গানিতিক...হুম... B-)
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩০

লেখক বলেছেন: ধুরো মিয়া!! কি বলে না বলে!! :`>

১৫. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:০৮
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: অনিক আর সৈকত একই জিনিস
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩১

লেখক বলেছেন: :-P

১৬. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:২১
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: আইচ্চা পড়চি
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩১

লেখক বলেছেন: বস পিলাচ না মাইনাচ??

১৭. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
comment by: এরশাদ বাদশা বলেছেন: লাইফ ইজ সো আনফেয়ার! বাট দ্যা স্টোরি ইজ ফেয়ার এনাফ!!

ভালো লাগলো।
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩২

লেখক বলেছেন: ঠিক স্টোরি ফেয়ার রাখছি!!

অনেক অনেক ধন্যবাদ!! :)

১৮. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৪৫
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: :):) ;) পড়লাম।
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩২

লেখক বলেছেন: :-B হে হে হে

১৯. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:৩০
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভাগ্লো কই!
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: বস কারেন্ট গেছিলো! পরে কারন্ট আসার পর দেখি নেট নাই!! :(

২০. ২১ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
comment by: আফলাতুন বলেছেন: জবর মারছ
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: শুধু কথায় হবেনা! প্লাস দিত হবে!! :)

২১. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫৯
comment by: প্রিয়তমা বলেছেন: :|... :|| ... :-* ... :-/ ... :-& ... X(( X( ...
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: কি হলো প্রিয় তমা?? খেপলেন কেন? !! B:-)

২২. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:১০
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: অনিক ভাইয়া তো দেখি বড়ই ভাগ্য(বতী)!
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: ঠিক অনিকের ভাগ্য ঈর্ষনীয়!!

২৩. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫১
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সৈকত এত চিকনা কেন?
খাওনা না নাকি?
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন: আমি চিকনা না মোটা সেইটা আপনি জানেন ক্যামনে?? !!
আমি হইলাম স্পোড়্রটিং ফিট! :-B

২৪. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: বাইরে বাই ,
আসলেই নাকি ?
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন: হে হে হে! বলা যাবে না!

২৫. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: তাও ভাল আমার মত আরেকটা পেলাম। চিকনা হওয়াই ভাল। মোটাদের অনেক ঝামেলা। হাহ হা।
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: হু ঠিকই! তবে ইদানিং ভূড়ি হয়ে যাচ্ছে :( অফিসে বসে থাকত থাকতে। সুইমিং পুলের কার্ড করবো ভাবতেছি।

২৬. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০২
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: দেখো মিয়া, চারিদিকে আমার স্পাইয়েরা ঘুরে। আমার কাছে তোমার ওজনও ঠিক ঠিক বইলা দেয়া কিছুই না। বুঝলা।

হাহ হা।
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: স্পাই!! B:-)
খাইসে! তার উপর আপনি থাকেন বিদেশে!! আসলেই স্পাইং করেন নাকি??

২৭. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৫
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হিহি....আমি দেশেই থাকি। এতদিন মিথ্যে বলছি।
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: অ্যাআ!!! B:-)
ও ক্যাসে হো সাকতা? !! আপনার টাইমিং তো দেখি সব সময় বিদেশী টাইমিং!!

২৮. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৬
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: তোমার আবার ভুরি? মিয়া ৫০ পেরুতে পারলা না এখনও । হাহ হা।
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: ৫০ না পেরুলে কি হোবে ২৪ তো পেরিয় গেছি।! :(

বস যাইগা একটু ব্যাঙ্কে যেতে হবে! :( টা টা!

২৯. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৭
comment by: র‌্যাভেন বলেছেন:
অন্য কোতায় আগে পড়েছি বলিয়া ভ্রম হয়
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: হ ঐ পাড়ায় পড়ছিলেন মনে হয়!! একটু "অশ্লীস" তো ;) তাই এখানে ছাড়িনাই আগে। পরে রাশেদ ভাই বলার পর ছাড়লাম!

৩০. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৮
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হেহে...আমি তো রাতে ঘুমাই না।
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: ইনসাম নিয়া !!! B:-)

৩১. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:১২
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: অক্কে । টাটা ।

দেশে থাকি না বাহে। ওটা মিথ্যা ছিল।
৩২. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:০৯
comment by: যূঁথী বলেছেন: হেহ!!! আইসে আরেকজন - "লাইফ ইজ সো আনফেয়ার" নিয়ে। আমাদের সাথে কি কি হয় ভাল মত জানলে আর কইতা না এইসব কিতাবি ডায়লগ। আর সেগুলান নিয়া আমাদের বেঁচে থাকতে হয় এবং প্রতিমুহূর্তে এই ফিলিংস নিয়ে যে ভুলটা বোধকরি আমাদেরি ছিল। ফুট মিয়া। আইসে সেদিনের পোলাপাইন।

আরে মিয়া তুমি কেন "লাইফ ইজ সো আনফেয়ার" কইস আমার চেয়ে বালা আর ক্যাডায় জানে। এহন চান্স পাওনা হের লাগি। আর বেবাকে বুঝল কি? তোমার লগে যা হইসে তার লাগি তুমি এইডা কইস। ইয়াহ। ইনডিড - "লাইফ ইজ সো আনফেয়ার।" আইরনিক্যাল। ওয়াট আ জোক।

বিঃদ্রঃ হে হে হে!!! একটু ভাব খাইলাম। গুরু কি ডরাইলা নাকি?
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: ধুরো মিয়া তুমি দেখি গল্পই বুঝোনাই। এইখানে অনিক "লাইফ ইজ সো আনফেয়ার" ভাবতেছে কারন বড়রা তাকে তাদের আলাপের মধ্যে নেয়নাই! কিন্তু রনি কে ঠিকই নিছে। এইকারনে।

৩৩. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: বান্দর...
হালার পুলাপানে দেহি বান্দর হয়া যাইতেসে।
মজারু।
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: হে হে হে!!

৩৪. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৫২
comment by: সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: লাইফ ইজ সো ফেয়ার... একদিকে না পাইলে আরেকদিকে পাওয়া যায়...
এইটাই হইল এই গল্পের মর‌্যাল...!!!
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: ঠিক! :) আপনি এক্সক্টলি ধরতে পেরেছেন! অনেকেই গল্পের এই ব্যপার টা ধরতে পারছেনা।!

৩৫. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫
comment by: সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন:
হা হা ... জটিল... কতকিছু মনে পড়ে যাচ্ছে... :)
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: মনে পড়ে যাচ্ছে নাকি?!!
তাড়াতাড়ি লিখে ফেলেন তাইলে! :)

৩৬. ২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:০১
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: ঘটনা সত্য তবে জাতি অনিকের আসল নিকটা জানতে চায়।B-)

ক্লাস সেভেনে থাকতে আমিও প্রায় একই ঘটনার শিকার হয়েছিলাম। আমাদের পাশের ফ্ল্যাটে একটা মেয়ে থাকতো, ইন্টারে পড়ত, আন্টি বলে ডাকতাম। ছোটবেলা থেকেই আমার চুল খানিকটা কোঁকড়া গোছের ছিল। কিন্তু সিল্কি চুলের আমার বেজায় শখ। তাই উঠে পড়ে লেগেছিলাম। আন্টি একদিন আমাকে বল্ল তাদের বাসায় একদিন সময় করে যেতে, সে নাকি আমার চুলে খুব সুন্দর করে শ্যাম্পু করে দেবে। আমি যেতেই আমাকে অত্যন্ত 'ঘনিষ্ঠভাবে' মাথায় প্যানটেন প্রো-ভি আর নারিকেল তেলের মিক্সার দিয়ে বল্ল একঘন্টা পর ধুয়ে ফেলতে। আর সেই এক ঘন্টা তার সাথে গল্প কর্তে বল্ল। আমি করিনি। সেদিন চলে এসেছিলাম। তবে এরপর থেকে আমাদের এলকায় রাতের বেলা লোডশেডিং হলেই উনি আমাকে ডেকে তার ঘরে নিয়ে যেতেন।
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: অ্যাআ! খাইসে! আপনি তো মহা বস তাইলে!! :-B তা ঘরে গিয়ে কি করতেন? জানতে পারি কি? ;)

আসল নিক আবার কি? !! এইটা তো গল্প! :-P

৩৭. ২২ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: পরের পর্ব কই! :(
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: এইটার পরের পর্ব লেখা হয়নাই! আসলে পর্ব না ! একেকটা একেক গল্প বানাবো ভাবছি। :)

৩৮. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:৪৮
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: খবর কি চিকনু মিয়া?
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৭

লেখক বলেছেন: ধুরো মিয়া আমি চিকন মিয়া হইতে যাব কেন? !!

৩৯. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৯
comment by: দূরন্ত বলেছেন: :)
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: :)

৪০. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:২০
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আমি নিজে তো চিকনু! তাই বলি আর কি।



আর তুমি যা মোটা তা আমার জানা আছে।
শোন মিয়া মোটারা হউল জগতের বোঝা। এরা দেখ পৃথিবীর ওজন কতটুকু বাড়ায়, বেশী ক্ষেয়ে ফসল নস্ট করে। চিকনরাই তো ভাল।
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: আরে চিকন বললে কেমন জানি লাগে! বলেন "স্পোর্টিং ফিট"
হে হে হে

৪১. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৩
comment by: অক্ষর বলেছেন: (আমিরুজ্জামান)
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: কৈ সে তো + দিল না?

৪২. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:১৫
comment by: অক্ষর বলেছেন: আমিরুজ্জামানের প্রতিনিধি হইয়া আমি দিছি
২২ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: হা হা হা ! অনেক ধন্যবাদ ভাই ! :)

৪৩. ২২ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
comment by: যীশূ বলেছেন: মজা হইছে! ;)
২২ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন: আসলেই! আমিনিজেও লিখে দারুণ মজা পেয়েছি !! ;)

৪৪. ২২ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:২৭
comment by: ফেরারী ফেরদৌস বলেছেন: সচলায়তনে আগেই পড়েছি লেখাটা। বেশ সুন্দর ও মজা করে লিখেছেন। ধন্যবাদ :)
২৪ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৪৫. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:০২
comment by: রাশেদ বলেছেন: গেলা কই!

তুমি ঐ পাড়াতে লেখো নাকি! নিক কি তোমার?
২৪ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: হি হি হি!!
অই পাড়ায় অশ্লিল লেখা লিখি! নিক হইল 'অতিথি লেখক :P

৪৬. ২৫ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:১৪
comment by: ফেরারী ফেরদৌস বলেছেন: ভাইজান তো আর অতিথি লেখক নন। আধাসচল হয়ে গেছেন। পুরা সচল হই হই অবস্থা! বাড়িয়ে বলব না, আপনার লেখার যে মান তাতে সচল হয়ে যাওয়া উচিত ছিল আরো তাড়াতাড়ি।
২৫ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: খাইসে!! আমার লেখার আবার কি মান? !!! আমিতো লিখি সব আব্‌জাব!!

৪৭. ২৫ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৪
comment by: হ্যারি সেলডন বলেছেন: হাহাহা......আহা! অনিক মিয়া সেই বয়সে যা করল আমরা বুড়া বয়সেও কিছুই করতে পারলামনা!
২৫ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: ঠিক! বড় রা সব লুজার!! হে হে হে

৪৮. ২৫ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:২৮
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সচলায়তনে তোমার ঘন্টা আবজাব পড়লাম একটু আগে।
২৫ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: খাইসে!! আজকের ঘন্টার গল্পটা তাউ একটু ভদ্র আছে!
বাকি গুলো যেই অশ্লিল!! :P

ঐসব পড়লেতো আমার মান ইজ্জত সব যাবে গা।

৪৯. ২৫ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হুমম...তা ঠিক...
২৫ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: খাইসে বাকি গুলোও পড়ে ফেলসেন নাকি? !!! হায় হায়
ভাব্লাম খুব ছদ্দ নামে লিখতেছি!! গেল সব ফাশ হয়ে !! মরসি ! B:-)

৫০. ২৬ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫২
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মরছ ;)
২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২

লেখক বলেছেন: B:-)

৫১. ২৬ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭
comment by: প্রাকৃত বলেছেন: ভাল লাগছে (অ)গাণিতিক ভাই!++
২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ! :)
আশাকরি আসবেন এদিকে মাঝে মাঝে! :)

৫২. ৩০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
comment by: ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: ভাগ্যিস, অনিক আরেকটু বড় হয় নি গল্পে! প্রথমের কোটেশনটা ঠিক করে দিতে চাই...
[এই গল্প ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী পুলাপাইন এর জন্য না। শুধুমাত্র বুড্ডহাদের জন্য কিন্তু শুধু বুড্ডহা হলেই হবে না ‘পাকনা বুড্ডহা’ হতে হবে। সো; পুলাপাইন লোক হাঠ্‌ যাও। আর পুলাপাইন কেউ যদি লোভ না সামলে পড়েই ফেলো তাহলে কমেন্ট করে প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। বলে দিলাম কিন্তু! :P:P:P]
পাকনা লেখার জন্য বুডড্হা + !
৩০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: হা হা হা!! আপনি বুড্ডা নাকি পাকনা পুলাপাইন? কোন গ্রুপ এ? B:-/

৫৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: গল্পতো মনে হয়তাছে ১৮+:-B
৩০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: নারে ভাই আপনি তো পাকনা পুলাপাইন না তাই বুঝেন নাই !! B:-/

৫৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: নতুন কিছু ছাড়েন:)
৩০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: হুম ছাড়ার কথা ভাবতেছি। :)

৫৫. ৩০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ওরে আগেই বলছি /:)
৩০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: ছাড়ছি।

৫৬. ৩০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩
comment by: ~টক্স~ বলেছেন: লেখাটা যদিও একবার পড়েছি আবারও পড়লাম।যতবার পড়ি ততবারই ভাল লাগে লেখাটি।সেভাবে চিন্তা করলে তো ভাই আমার আনফেয়ার লাগবে।তাহলে না চিন্তা করাই ভাল কি বলেন? হেঃ হেঃ। প্লাস দিলাম।
৩০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আবারো পড়ার জন্য। আপনাকে ওখানেও দেখেছি। প্লাসের জন্য আরো কিছু ধন্যবাদ! :)

৫৭. ০৫ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:৪১
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: শ্লীল আর অশ্লীলের মাঝামাঝি। প্লাস মাইনাসের মাঝমাঝি কিছু নেই, আফসোস /:)
০৫ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: হা হা হা!!
না এইটা অশ্লিল না! তবে মেয়েরা মাইন্ড করতে পারে! :P

৫৮. ০৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: আগের দিন বলতে ভুলে গিসলাম। ঠেঘড়ের চার অধ্যায়ের মতো হয়েছে! :P যে গল্পটা লেখার পরে অনেকে রবিবাবুর ওপরে নাখোশ হয়েছিল যে শেষের দিকটা চটি হয়ে গিসলো - যেখানে হ