কত অজানারে!

এসো স্বপ্নে বানাই স্বপ্ন

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৭

শেয়ারঃ
0 1 0

শানে নুযুলের শানে নুযুল-

আমার প্রিয় গল্পকারের একটা ভুয়াটাইপের বই পড়লাম। বই এর বৈশিষ্ট হল, প্রত্যেকটা গল্পের আগে গল্পের শানে নুযুল দেওয়া! আর এই কারনেই সেই বই এর সাদামাটা গল্পগুলোও দারুণ লাগলো! নিজেও যেহতু আব্‌জাব লিখি কখনো কখনো। তাই প্রিয় লেখকের সেসব গল্প আর গল্প শুরুর কাহিনী বেশ মজা করে পড়লাম। আমার আবার একটা ছোট্ট দোষ আছে। চারিত্রিক দোষ। কোন কিছু দেখে ভাল লাগলে, সেটা নিজেরও করা চাই। তাই তখন থেকেই মাথায় ঘুর ঘুর করছে শানে নুযুল ওয়ালা গল্প লিখবো কিছু। অতএব পাঠক সিটবেল্টটা বেধে ফেলুন। আর যারা শুধু গল্পটা পড়তে চান তারা স্ক্রল ডাউন করে গল্প সেকশনে চলে যান। শানে নুযুল শুরু হল-

শানে নুযুল -
বসেছিলাম অফিসে। গার্মেন্টস টাইপ অফিস। শুধু শেলাই মেসিনের বদলে সামনে আছে একটা কম্পিউটার। তাতে সারাদিন খট্‌খট্‌ ক্লিকক্লিক শব্দ। সফট্‌ওয়্যার শেলাই চলছে। এমন সময় স্কাইপের (Skype) একটা উইন্ডো পপআপ করল। আমার কীবোর্ডের খট খটানি কমল কিছুটা। কোন একটা মেয়ে আমাকে ‘হাই’ জানিয়েছে! সাথে সাথে দাবার গ্রান্ডমাস্টারদের মত আমার মাথায় সেকেন্ডে শত শত ওপেনিং মুভ আসতে লাগল। সেখান থেকে অনেক ভেবে চিন্তে বাছাই করে আমি আমার মুভ দিলাম। মানে ‘হ্যালো’ জানালাম। এরপর তার মুভ, ‘কেমন আছ?’। স্কাইপ আমি ব্যবহার করি শুধু অফিসে। এইটা আমাদের অফিসের অফিসিয়াল মেসেঞ্জার। প্রজেক্ট ম্যানেজার, কলিগ থেকে শুরু করে ক্লায়েন্টদের সাথে রানটাইমে যোগাযোগ হয় এর মাধ্যমে। এই আইডি তো কোন মেয়ের জানার কথা না! নাকি পরিচিত কেউ খোজ খবর করে বের করে ফেললো! সেক্ষেত্রে নেক্সট মুভ খুব সাবধানে দিতে হবে। আমি বললাম, ‘আরে, তুমি! স্কাইপে?’ মেয়ে ভাবল, আমি হয়তো তাকে অন্য কারো সাথে গুলিয়ে ফেলছি। সে বলল, ‘আমি অমুক, কানপুর থেকে’ আপনি আই,এস,আর,ও’র তানভীর না? আমি একটু রিল্যাক্স হয়ে বললাম, ‘নাহ আমি অন্য লোক’ এর পর কথা বন্ধ। আমিও আমার পুরোনো খট্‌খ্‌টানিতে ফিরে গেলাম।

‘উইংস অফ ফায়ার’ পড়েছি কিছুদিন আগেই। তাই আইএসআরও কি জিনিস জানা আছে ভালোমত। ‘ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন’, মানে ইন্ডিয়ান নাসা আরকি! স্কাইপএর এই প্রবলেমটা আছে। মাঝে মাঝে রঙনাম্বার করে ফেলে। আমার আইডেন্টিটি নিয়েও যে এরকম কোন রঙ নাম্বার হয়ে গেছে বুঝে গেলাম কিছুক্ষন পরেই। কারণ আবার এক মেয়ে আমাকে ISRO এর তানভীর ভেবে নক করে বসল! এখানেই শেষ নয় সেদিন লগ আউট করার আগ পর্যন্ত মোট চারজন আইএসআরো এর তানভীর ভেবেছে আমাকে!! মানে শাহ্‌রুখ খান, জন আব্রাহাম, আর ধোনিদের মত ISRO’র তানভীর রাও হটলিস্টে পিছিয়ে নেই সেটা বুঝলাম আরকি। আর হবেই বা না কেন? স্পেস রিসার্চ বলে কথা। এই ব্যটা তানভীর নির্ঘাত কোন রকেট সাইন্টিস্ট!!

মজার বিষয় হল আমাদেরও একটা মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র আছে। আছে পরমানু গবেষণা কেন্দ্রও। এ গুলো এমন বিরান ভূমি যে এগুলোর সামনে দিয়ে যখন প্রতিরাতে বাসায় ফিরি তখন মনে হয় নিজেই মহাকাশের কোন ভিন গ্রহে চলে গেছি। তখন মনে মনে আল্লাহ আল্লাহ করি যেন ছিনতাইকারীর কবলে পড়া না লাগে। এখানকার ছিনতাইকারীরা আবার বস। যতই ভাল ছেলের মত সহায় সম্বল সব তাদের হাতে তুলে দিই না কেন। ছেড়ে দেওয়ার আগে ঠিকই আস্তে করে ভুড়ি ফাঁসিয়ে দেবে!! এইসব কেন্দ্রে কারা কি করে কে জানে? কোন পাহারাদারও দেখিনি কোনদিন কোন গেটে।

অনেকে হয়তো আমাদের মত ‘ডেভলপিং’(মানে অনুন্নত অথবা রাজনৈতিক ভাবে জংলী) দেশে মহাকাশ গবেষণা(!) এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন তাদের জন্য আই,এস,আর,ও এর জনক ডক্টর বিক্রম সারাভাই’র কিছু কথাঃ

"There are some who question the relevance of space activities in a developing nation. To us, there is no ambiguity of purpose. We do not have the fantasy of competing with the economically advanced nations in the exploration of the moon or the planets or manned space-flight. But we are convinced that if we are to play a meaningful role nationally, and in the community of nations, we must be second to none in the application of advanced technologies to the real problems of man and society. "
(কেউ একজন সুন্দর করে বাংলা করে দিলে ভাল হয়। আমার অনুবাদ জ্ঞান নেই)

সেই রঙ নাম্বার এর ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই ভারত তাদের চন্দ্রাভিমুখী ‘চন্দ্রজান-১ ’ ছুড়ে দিলো। এবং ১৪ই নভেম্বর ২০০৮ এ তাদের তেরেঙ্গা পতাকা নিয়ে একটা ইম্প্যাক্ট প্রোব চন্দ্রে অবতরণ করেও ফেলল! ISRO কে অভিনন্দন। অভিনন্দন ISRO’র সেই অজানা তানভীর কে। সেই সাথে তার অনুরাগী মেয়েদের ব্যপারে তাকে একটা মেসেজ, ‘একটু রয়েসয়ে দাদা’!!

ধান ভানতে ব্যাপক শিবের গীত গেয়ে ফেললাম। এখন গল্পটা শুরু করি।




গল্প
আবীর ছেলেটা পড়ে ক্লাস সিক্সে। তাদের এখানে খেলার মাঠ নেই। তাই খেলাধুলা সে করেনা তেমন একটা। তবে তার আম্মুর কম্পিউটারে মাঝে মাঝে গেম খেলে সে। কিন্তু কম্পিউটার গেম খেলতেও তার আজকাল ভালো লাগে না। আগে গেম খেলতে ভালো না লাগলে সে তার ঘরের জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকতো আকাশের দিকে। তুলা তুলা মেঘের বেশ ধরে তখন কয়েকটা ‘বানি’ উকি দিতো তার ঘরে। কখনো উকি দিত কিছু ডাইনোসর। কখনো বা দুয়েকটা এলিয়েন! একটা প্লেন উড়ে যেত মাঝে মাঝে। পিছনে একটা ট্রেইল থেকে যেতো অনেকক্ষন। সেই ট্রেইল ধরে সেও তার পঙ্খিরাজটা উড়িয়ে দিত দূরে। কিন্তু বেশ কিছুদিন যাবৎ তার এই আকাশভ্রমনও বন্ধ। জানালার ঠিক পাশেই একটা বহুতল ভবন এসে আটকিয়ে দিয়েছে সব কিছু।

আজকাল তাই সে কিছু কিছু প্রগ্রামিং শিখে নিচ্ছে। কাজটা মজারই। কম্পিউটার অনেকটা আলাদিনের দৈত্যের মত। যদিও জিনিসটা বেশ বোকা, তারপরও ঠিক মত বুঝিয়ে বললে যে কোন কিছু করে ফেলে ঝটপট। বড় হয়ে সে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারই হয়ে যাবে কিনা, তাই ভাবছে আজকাল। অবশ্য বাবা চায় সে ডাক্তার হোক। তাহলে নাকি বুড়ো বয়সে ব্লাড প্রেসার টেস্ট করতে তাদের আর ক্লিনিকে যেতে হবেনা।

আবীর প্রগ্রামিং টোগ্রামিং করে জেনে তার ক্লাসের ছেলেমেয়েরা তার নাম দিয়েছে নার্ডি। প্যারেন্টসডেতে আশা মিস্‌ তো তার আম্মুর কাছে নালিশই করেছে যে আবীর নাকি কারো সাথে মিশতে পারেনা। একা একা থাকে। রীতিমত অসামাজিক। তাই ছেলেকে সামাজিকীকরণের জন্য আম্মু তাকে নতুন একটা গেম খেলতে দিয়েছে। ‘ক্লাব পেঙ্গুইন’ খেলা হয় ইন্টারনেটের মাধ্যমে। প্লেয়াররা সবাই একেকটা পেঙ্গুইন। তারা একটা ভার্চুয়াল জগতে একে অপরের সাথে কথাটথা বলে। কখনো ছোট খাট গেম খেলে। ফ্রেন্ডশীপ করে। আবীরের কাছে এইসব কেমন যেন সিলি লাগে। সে শুধু একেকটা আইসবল বানিয়ে বানিয়ে সবার গায়ে ছুড়েমারে। এমন না যে সে কোনদিন কারো সাথে কথা বলার চেষ্টা করেনি। কিন্তু অন্যরা সবাই এত বোকা! আবীরের ভাল লাগেনা। আবীর শুধু এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ায় আর প্রত্যেকটা যায়গায় গিয়েই স্নোবল মেরে সবাইকে তাড়িয়ে দেয়।

সবকিছু চলছিল এভাবেই। একদিন খেলা চলছে একটা আইল্যান্ডে। আইল্যান্ড এর মাঝখানে একটা লাইটহাউস। আইল্যান্ডে নেমেই সে সবাইকে তুমুল বেগে স্নোবল মারা শুরু করল। সবাই যথারীতি পালিয়ে গেল লাইট হাউসের মধ্যে। আবীর ভাবলো যাক একটু শান্তি! এখন সে তার কবিতা লেখার প্রোগ্রামটা কোড করে শেষ করবে। অমনি দেখে সবাই হুড়মুড় করে লাইটহাউস থেকে বের হয়ে আসছে! আজব! আবীর আবার তাদের স্নোবল মারা শুরু করল। আবারো একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ঘটনা কি? লাইট হাউসের মধ্যে কিছু একটা গন্ডগোল আছে নিশ্চই। এবার তাই সে নিজেও বীর দর্পে ঢুকে গেলো লাইট হাউসে। গিয়ে কিছু বোঝার আগেই ঠুস করে একটা স্নোবল লাগলো তার গায়ে! এত বড় সাহস, তার গায়ে স্নোবল মারে!! সে আবার তুমুল বেগে ব্রাশ ফায়ার শুরু করল। সবাই পালিয়ে বাঁচল ঠিকই কিন্তু একজন রয়েই গেল। সেও দেখা যাচ্ছে উলটো আবীরের দিকে স্নোবল ছুড়ে মারছে। এভাবেই যুদ্ধ চলল বেশ কিছুক্ষন। অনেক গুলো বলই কারো গায়েই লাগছে না। দুইজনই মনে হয় বেশ বিরক্ত। এমন সময় তার প্রতিপক্ষ বলে উঠলো, ‘আইসবলের প্রোজেক্টাইলটা প্যারাবলিক হবার কথা। কিন্তু এই গেমের সিমুলেশন এত বাজে। ধেত!!’ ব্যপারটা আবীরও খেয়াল করেছে বেশ কিছুদিন আগেই। কিন্তু এই কথা সে কারো কাছে বলতেও যায়নি। অন্য পেঙ্গুইনরা এত গাধা! যাই হোক এই লালচে পেঙ্গুইনের সাথে তাহলে এই বিষয়ে আলাপ করা যায়। কিভাবে কোডে একলাইনের ছোট্ট একটা পরিবর্তন করেই সিমুলেশনটাকে আরো রিয়েলিস্টিক করা যায় সেই কথা বলে দেয় সে। প্রতিপক্ষ আরো কিছু অ্যাড করে তাতে। এভাবেই আলাপ চলে আরো কিছুক্ষন। এই প্রথম কোন একটা পেঙ্গুইনের নাম খেয়াল করে সে। শ্বেতা সিন্‌হা।

শ্বেতা সিন্‌হা ইন্ডিয়ার মেয়ে। সেও পড়ে ক্লাস সিক্সে। তার বাবা কানপুর আই আই টির ম্যাথ প্রফেসর। শ্বেতার প্রিয় সাবজেক্ট ম্যাথ। তবে সে হতে চায় একজন ফিজিসিস্ট, মূলত মহাকাশ বিজ্ঞানী। আবীর কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় শুনে সে কেমন যেন নাক শিটকিয়ে বলে। ‘ওও... ইঞ্জিনিয়ার...’। এটা শুনে আবীর একটু লজ্জা পায়। আসলে সব বড় বড় সব রিসার্চ সেন্টারেই সবার উপরে থাকে বিজ্ঞানীরা। ইঞ্জিনিয়াররা হল তাদের অ্যাসিস্টেন্ট। আবীর সেটা জানে। আবীর বলে সেও বিজ্ঞানী হতে পারে চাইলে। চাইলে মহাকাশ নিয়েও গবেষনা করতে পারে। শ্বেতা জিজ্ঞেস করে, ‘কিন্তু তোমাদের কি রকেট আছে? জিওস্ট্যাটিক স্যাটেলাইট?’ তাদের নাকি এই সবই আছে। এইতো কিছুদিন আগেই তাদের একটা স্পেসশীপ চলে গেল চাঁদে। শ্বেতা যখন বড় হবে, তখন সে চাইলে নাকি চাঁদেও ঘুরেও আসতে পারবে। অ্যাস্ট্রোনট হিসেবে। তবে ঘোরাঘুরির চেয়ে বরং সে কিছু লোগ্রাভিটেশন এক্সপেরিমেন্টে বেশী আগ্রহী।

আবীর একটু দমে যায়। বলে, ‘তাহলে আমি হব পার্টিকেল ফিজিসিস্ট’। শ্বেতা বলে, ‘তাহলে তো তোমাদের পার্টিকেল এক্সিলারেটর লাগবে। আছে?’ ...‘তাহলে নিউক্লিয়ার ফিজিসিস্ট!’... ‘কিন্তু তোমাদের কি বড় কোন নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টর আছে? অবশ্য নিউক্লিয়ার ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে গবেষনা করতে পারো। আমরা আমাদের নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট গুলোর রেডিওঅ্যাকটিভ ওয়েস্ট নিয়ে বেশ বিপদে আছি। ওগুলো পাঠিয়ে দেব তোমাদের দেশে’ এসব বলে হি হি করে হাসি দেয় সে। আবীরের মনে হয় সে কেঁদেই ফেলবে। খুব রাগ হয় তার। সে বলে, ‘আসলে আমরা তো ছোট দেশ। তাই ওসব নেই আমাদের।’ শ্বেতা বলে, ‘ছোট দেশে কিন্তু নতুন কিছু করাটাও বেশ সহজ। বড় দেশের বরং অনেক রকম বোঝা’। আবীর বলে, ‘ধ্যাত, তোমার কথা বুড়োদের মত’। শ্বেতা বলে, ‘আমরা বুড়ো না, আমরা বড়, সত্যিকারের বড়!’

আবীর নামের একটু নার্ডি কিন্তু অসাধারণ ছেলেটা এরপর লগআউট করে। ক্লাবপেঙ্গুইনের ভার্চুয়াল জগৎ থেকে যেন মাথাটা একটু হেট করেই ফিরে আসে সে। বেখেয়ালে পুরোনো সেই জানালার ধারে গিয়ে আবার বসে পড়ে। ভাবে, এর চেয়ে বরং কবিই হব আমি। কিন্তু তখনই খেয়াল করে। তার স্বপ্ন দেখার আকাশটাও কারা যেন কেড়ে নিয়ে গেছে...

 

প্রকাশ করা হয়েছে: কল্পগল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুররেরেএএএএ অবশেষে পোস্ট আসছে :)

পড়া শুরু কর্তাছি। :)

ব্যাপকসসস ধইন্যাপাতা। :D
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শামীম ভাই! পড়তে থাকেন। অনেক দিন পর লিখতে বসলাম কেমন যেন জড়তা জড়তা লাগছে।

২. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০২
পারভেজ বলেছেন: হমমম। ছেলেটার গল্প শুনে মনে হলো লেখকের বয়স এই কয় মাসে বেশ বেড়ে গেছে। :)
আশা করছি নিয়মিত পাবো।
লেখা যথারীতি মুগ্ধ করলো।
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: বয়স বেড়ে যাচ্ছে! :(

৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৪
পারভেজ বলেছেন: X(
শামীম খুব অন্যায়!! না পইড়া প্লাস দিলা! কমেন্ট করলা!
আমার কমেন্ট আর প্লাস পড়লো দুই নাম্বারে! :(
৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন: কি লেখসেন জানি না। আগেই বিচ্ছিরী কইলাম আর প্লাস দিলাম...
৫. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১২
বৃত্তবন্দী বলেছেন: বিচ্ছিরীর মতই হয়েছে লেখাটা...
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: :)

অনেক বড় হইসে! আমি লিখতে লিখতে হাফিয়ে গেছিলাম! :(

৬. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১২
আট আনা বলেছেন: টেকনিক্যাল খোলের মধ্যে দিয়ে বাস্তব সত্য--- ভাল লাগল। প্লাস। তবে ওদের ও কিন্তু কিছু রাজ্য আছে যেগুলা আমাদের চেয়েও অনুন্নত।
৭. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৭
আট আনা বলেছেন: আপনার প্রোফাইলে মজার তথ্য পেলাম ,

ব্লগ লিখেছেন: সঠিক তথ্য নেই

এটা কিভাবে সম্ভব? এই কলাম টি কি আপনার অ্যাকাউন্ট বানানোর পরে অ্যাড করেছে নাকি ডেভেলপাররা? :)
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: শুরুতে একবার আকাউন্ট বানিয়ে তার পর কয়েক বছর এমুখো হইনি।
আমার আকাউন্ট বানানোর পরে যুক্ত হয়েছে এই কলাম।

৮. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২০
ঝুমী বলেছেন: অনেকদিন পর আপনাকে দেখলাম মনে হয়?:)
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেকদিন পরে দেখলাম :)

৯. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৫
আকাশচুরি বলেছেন: খুশিতে ডিগবাজি খাওয়ার মতো অবস্থা :D
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: হায় হায়!! এরকম বললে তো নার্ভাস হয়ে যাবো!!

১০. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
ঝুমী বলেছেন: + দিলাম মনে রাখবেন। :)
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: থাকবে। :)

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: এইতো ছিলাম আশে পাশেই।
লেখা লেখি আর আসেনা হাতে আজকাল। :(

১৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৭
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ম্যালাদিন পরে দেখলাম .. পোস্ট যথারিতি ভালো হৈছে
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: হুম চলে এলাম আবার।

১৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৫
একরামুল হক শামীম বলেছেন: একটা বিষয় জানান দিয়ে গেলাম।

একসাথে দুইটা চমৎকার গল্প পড়লাম। :)
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: দুইটা!! :O

পড়ার জন্য ধন্যবাদ। :)

১৫. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৩
প্রিয়তমা বলেছেন: ই ই ই ই কত্তদিন পর আপনাকে দেখলাম :D
এখন কেমন আছেন ভাইয়া ??
লেখার আর কত প্রশংসা করবো :) !!
...তবে ভীষন মিস করেছি এতদিন:(... +
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: মিস করার জন্য ধন্যবাদ! :)

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: এইতো লেখালেখি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আজকাল আর আগের মত নেচারালি লিখতে পারিনা। :( প্রানবন্ত হয়না!!!

১৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০০
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: (অ)গাণিতিক ফিরে আসছে এটা খুবই ভালো সংবাদ! আমি খুবই খুশি। আপনাকে অনেক অনেক মিস করেছি। একসাথে তিনটা গল্প পড়লাম, মজা লাগলো।

আকাশচুরি বলেছেন: খুশিতে ডিগবাজি খাওয়ার মতো অবস্থা :D-- এখন এই বান্দারে টাইনা আনোন লাগে ব্লগে। তাইলেই পুরা সোনায় সোহাগা!
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: হায় হায়! একজন পড়ল দুইটা। আর আপনি পড়লেন তিনটা!! এইখানে তো গল্প একটাই।

১৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪৬
কঁাকন বলেছেন: !!!!!!!!!!!!!!!!

অগানিতিক তাহলে পোষ্ট দেয়া ভুলেনি

:):):)
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১১

লেখক বলেছেন: ভুলিনি। :)

১৯. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১৯
ফাঁকি বাজ বলেছেন: দারুন লাগলো ........গল্পটা
ওয়েলকাম ব্যাক........।!!নিয়মিত লিখেন আবার
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন: হুম লিখবো। উতসাহ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। :)

২০. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩০
নিবিড় বলেছেন: অসম্ভব ভালো লাগলো ভাইয়া আপনার লিখাটি .....অনেকের কাছে আপনার কথা শুনেছি ।বর্ষসেরা থেকে কিছু লিখা পড়েছিও ।ভাল লিখা পাওয়াই দ্বায় এখন ব্লগে ।আপনি লিখা চালিয়ে গেলে আমরা পুলাপাইন লেখকরাও উৎসাহ পাব .....
শুভ প্রত্যাবর্তন!!!
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: আরে আমি নিজেইতো পুলাপাইন!
অনেক অনেক ধন্যবাদ। পড়ার জন্য। :)

২১. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: অনেকদিন পর আপনাকে ব্লগে দেখে খুব ভালো লাগছে। গল্পটা পড়লাম.............বেশ নতুনত্ব খুঁজে পেলাম। গল্প নিয়ে ফেরার জন্য ধন্যবাদ। আশাকরি নিয়মিত দেখবো............
ভালো থাকুন
শুভেচ্ছা নিরন্তন।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা

২২. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৫
মৈথুনানন্দ বলেছেন: এখন চট করে স্কিম করে গেলুম রে
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: :)

২৩. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪২
টুশকি বলেছেন: প্রিয় লেখক কি হুমায়ুন আহমেদ? অনেক আগে একবার ৩৬০র একটা লেখাতে, একটু রোমান্টিক টাইপ ছিলো যেইটা নদীঘাট এইসবও ছিলো মনে হয়, হুমায়ুন হুমায়ুন একটা ভাব পাইছিলাম।
আছেন কেমন?
সবাই ৩৬০ থেকে ভাগছে দেখে আমিও ভাগছি। কিন্তু ৩৬০র পরিবেশটা খুব ভালো ছিল। বেশি কমেন্ট আসতোনা, তবুও ভালো ছিলো।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: প্রিয় লেখক না, তবে প্রিয় গল্পকারদের একজন বলা যেতে পারে। তার গল্প বলা ক্ষমতা দারুণ।
আমি তার ভাষা ভঙ্গিটা উপোভোগ করি। সহজ, তাই।
এই ব্লগেই আমার প্রিয় লেখক অনেক আছেন।

তোমাকে এখানে দেখে ভাল লাগল। একটা প্রশ্নও জাগলো মনে, আতলামি বাদ দিয়ে তুমি শেষ মেষ সামহ্যোয়ারে আসলা!!!

ওহ! বুঝেছি, ক্রিসমাসের ছুটি।

২৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: আপনার লেখা যতবার পড়ি একটা কথাই বলি, 'মানুষ কিভাবে এত সুন্দর করে লিখে!'
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: এভাবে বললে লজ্জা পাই।
এতবড় লেখা পড়েছেন জেনে আমি খুবই আনন্দিত। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
টুশকি বলেছেন: আঁতলামি? এইসব তো আপনাদের জিনিস। আপনি আর রাজু ভাই কেন যে এই জিনিস আমার ঘাড়ে চাপাতে চান কে জানে।

কি আর করব, ৩৬০ তে কেউ নাই বলে ভালো লাগেনা, প্রজন্ম ফোরাম আর সচলে যাওয়ার চিন্তা করছি এখন।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: প্রজন্ম ফোরাম কখনো যাইনি।
৩৬০ ছাড়লাম কারণ ওখানে যান্ত্রিক গোলযোগ বেশি ছিল। পেজ আসতো না। তার মধ্যে ছিল কিছু 'পারিবারিক' গোলযোগ। :( সেসব দিন মিস করি আজকাল।

যেখানেই যাও লিখতে থাক প্রান খুলে।

২৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬
~টক্স~ বলেছেন: ৩৬০ এ মাঝে মাঝে আপনার লেখা পড়তাম। স্পর্শ ওরফে অগাণিতিক ভাইয়ার লেখা পড়তে পড়তে সবসময়েই কোথায় যেন হারিয়ে যাই। খুব যৌক্তিক চিন্তাধারা । পরিবর্তনটা তো আমাদেরই ঘটাতে হবে তাইনা ?
আরো চাই লেখা, নিয়মিত !!!
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ টক্স।
যাকিছু করতে হবে আমাদেরই।
আমরা তো আর আগামী প্রজন্ম না। আমরা এই প্রজন্ম !

২৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৫
মৈথুনানন্দ বলেছেন: তোমাদের জুয়েল আইচ বলে কে এক ম্যাজেশেয়্যান আছে না?

আমাদের পিসি সরকারের আবার বাড়ি ছিল ইশকুলের কাছেই। তো - ছোটোখাটো দু' একটা জাদু আমিও জানি। তবে আমি পামিঙ করলে পয়সাটা আর ফিরে আসে না।

পুরনো দেড়শ'টা লেখা সত্যি সত্যি স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে ডিলিটেড।

কমেন্ট কপি-পেস্ট কত্তে ভাল্লাগে না - একটু কষ্ট করে টুশকির বিরিয়ানী পোস্টে আমার এক দম শেষ মন্তব্যটা দেখে নিও।

খুউব ভাল্লাগলো - এই যে তুমি বাড়ি এসে আমার খোঁজ নিয়ে গ্যালে। দোস্তের মে'র জম্মোদিনে শেষ একটা হাবিজাবি লিখেছিলুম, সেইটে তোমার নববর্ষের গিফ্ট! খুশি?

*****কোমা কাটার পরে*****

বছর দেড়েক আগে এক দিন ঠিক
পথ ভুলে ছিল যে হালভাঙা নাবিক,
ফেনা সরে পথ করে দেয় অভিমান
আজ মাঝদরিয়ায় সেই সোহাগেরই সাম্পান।

জানো?
কাল এসে পড়েছিল এক ফালি রোদ
সেই গরাদহীন জানালায়,
স্নেহের বেসাতি সাজিয়ে রোজ
সেথা বসে থাকে যে অবোধ!

শিকারী সুখের জঠরে জেগে থেকে খুশিদের খোঁজ
সেইসব, অনাবিল, সোঁদানীল - ভালোবাসারই প্রতীক্ষায়
দিন যায়, কবে ছুঁয়ে দিবি মোরে
বাবা বলে ডেকে কুসুম-সকালে -
ঘাসভেজা ভোরের প্রথম প্রহরে।

রাখা আছে পাটভাঙ্গা প্রেম
এলে পরে আমার সে মে'
শেষ হবে পাপ, অভাগার অভিশাপ, আর যতো সংলাপ...
...সাজানো, গোছানো, cologneস্নাত - এলে পরে আমার সে মে'।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: আপনার কিছু পোস্ট আমার প্রিয় ছিল। :(
মাঝে মাঝে কেউ কেউ অভিমান করে চলে যায়। মিস করি পরে অনেক।
খারাপ কিছু ঘটেছিল মনে হয় :(
ব্লগ স্পটের লিঙ্ক টা কি দেবেন?

কবিতাটা খুব সুন্দর।
এইটা আমার নববর্ষের প্রথম গিফট।
অনেক অনেক অনেক থেঙ্কু :)

২৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩১
নুশেরা বলেছেন: কী খবর ভাইয়া, ভাল তো সব? বোনের গান কেমন চলছে?

লেখা নিয়ে কিছু বলার বাহুল্য এড়িয়ে গেলাম :)
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: আরে নুশেরাপু!!!!! :)
বোনের গান চলছে ভাল। তবে আমার দিনকাল ভাল চলছেনা। :(

হুঠ করে কোথায় যে হারালেন! অনেক মিস করেছি। তারপর ব্লগিং বন্ধ ছিল আমার অনেক দিন। এখন দেখি আপনি এখানে!

২৯. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৭
মৈথুনানন্দ বলেছেন: আরে আমি তো আর এক্ষুণি পালাচ্ছি না - এখনো মাস পাঁচেক আছি খুউব কম করেও। যোগাযোগ ঠিকই থাকবে, সব ঠিকানা দেবো সময়মতো, নো চিন্তা - অন্লে ফুর্তি।

এক রাজ কি বাত বতাউ তুঝে? এখানে এসে পঞ্চাশটা আনকোরা নতুন লেখা লিখেছিলুম - ওগুলো আরিলবাবা ছাড়া কেউ ফেরাতে পারবে না। লেখা তো আসলে ডিলিট হয় না - ওরা শুধু পয়েন্টারগুলো উড়িয়ে দেয়।

কিন্ত বাকি একশ'টা পোস্ট ঐ সাথে যদিও মুছে দিয়েছি, আমার খেরোখাতায় তো তোলা আছে, কারণ ওগুলো দশ বছর আগের বাসি মাল ছিলো।

অরণ্য আনামের ইয়াহু আড্ডায় আসছো তো? ওর পোস্ট দেখেছো??
৩২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৪
মৈথুনানন্দ বলেছেন: happy new year!

mailto :
৩৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: অফটপিক- অনেকদিন পর অগাণিতিক কে দেখলাম!! আড়িপাতার সফটওয়ার নিয়ে ব্যস্ত নাকি???
৩৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: স্বপ্ন দেখার সাহস কম।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৪৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
একজন আনাড়ি যার জানা চাই সব কিছুই!!


© সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ