আমার প্রিয় পোস্ট
- যুদ্ধাপরাধীদের সাথে সাথে রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবসা বন্ধ হলে অসুবিধা কী? - মনসুর হিল্লাজ
- সামহোয়ারের সর্বনাশের নেপথ্যে আসলে কোন অপশক্তি - অমি রহমান পিয়াল
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- অধম সিমরান শিকদারের কাছে চোর তীরন্দাজ ও তার বাহিনী কুপোকাত - সিমরান শিকদার
- এদের উদ্দেশ্য কি? এরা কারা? কে এদের পৃষ্ঠপোষক? এরা দেশের শত্রু। এদের বর্জন করুন, ভালো থাকুন - সিমরান শিকদার
- একজন বাবা ; তাঁর ষ্টুপিড ছেলের কাছে - আহমেদ শারফুদ্দীন
- বোলোগের এ-টিম - শমশেরআলম
- কনডম ব্যবহারে ভীতি আর অনীহা কাটাতে কনডমের ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত - হাবিবমহাজন
- যৌনাকাঙ্খাই অসহনীয় মাথাব্যথার কারণ - হাবিবমহাজন
লাল মিয়ার সিরিয়াস পোস্ট::::খিস্তিপুরাণ নতুন কইরা...
২২ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯
গালাগালি নিয়া আলোচনা জমছে। বছর দুই আগে এই বিষয়ে লিখছিলাম। তারপর নদনদীখালবিলড্রেনে অনেক তরল বৈয়া গেছে। এই বছরের শুরুতে কিছু সুসিল তাত্ত্বিক কথাবার্তা দিয়া ছ্যাড়াব্যাড়া কইরা প্রমাণ করতে চাইছে, আসলে তাগো পক্ষে কোনমতেই ভদ্রচোদা মুখোশের বাইরে আসা সম্ভব না, গালি তারা দিতে পারে না, তারা সোমাজের বাঁড়া, সুতরাং তারা যা পারেনা সেই রুল খেলায় চলবো না ইত্যাদি। এই হাস্যকর দাবীর জবাবে আরো রসাইয়া আরো দুইটা গাইল ছাড়া আর কিছু দেওনের থাকে না। তাই দিছিলাম। কিন্তু পুরান ড্রেনের পানি অতিরিক্ত বিষাক্ত হইয়া যাওয়ায় গালি নিয়া নিজে আর কোন আলোচনায় যাই নাই। মধ্যপন্থা অনুসরণের সুবিধাবাদী লাইনরে নর্ম মনে করতে গেলে কোন আলাপই বেশীদুর আগানো যায় না। সেইটা তখন কৃত্রিম মধ্যবিত্তের হাস্যকর শুচিবায়ুর মধ্যে ঘুরতে থাকে।
গালি দেওয়া উচিত কিনা এইটা আসলে একটা অ্যাবসার্ড প্রশ্ন। কারণ গালি বিষয়টা জনসমাজে নিয়মিত অনুশীলিত একটা ক্রিয়া। আমি জনসমাজই কমু, কারণ যারা বুকে কিল মাইরা নিজেগো নাগরিক সমাজের সদইস্য কইতে চায় তাগো প্রতি করুণা হয়। আর তাগো মইধ্যে যদি সত্যি সত্যি কেউ নোয়াবের পুত হইয়া থাকে তাইলে তো গালি খাওয়া তার জন্য আরো ফরজ। কারণ তখন সে পুরাপুরিভাবে জনসমাজ বহির্ভুত। আরো রূঢ়ভাবে কইতে গেলে ঔচিত্য বিষয়টাই ধোঁয়াইট্টা।
জনগন গালি দেয়। সুতরাং গালি গণসংস্কৃতির আওতায় পড়ে। সেই গালির উৎপত্তি হইছে জনগণের সমাজ জীবনের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা থিকা। এই অভিজ্ঞতাই সেইখানে বুৎপত্তিগত তথ্য। ঐ অভিজ্ঞতা হওয়া উচিত কিনা সেইটা দিয়া সমাজতত্ত্ব-নৃতত্ত্ব কোনটারই আসলে কিছু আসে যায় না। উচিতের ফেউ উঠে পাওয়ার প্র্যাক্টিসের প্রশ্নে। তথ্যের উপর ঔচিত্য চাপানোর কাজটা করে রাষ্ট্র। সেইখানে সাধারণ ঔচিত্যবোধ বইলা কোন কিছুরে দাঁড় করানো যায় না। যখন কেউ বলে যে গালি দেওয়া ঠিক না কারন তাতে অমুকভাবে অমুক অপমানিত হয়, তখন বুঝতে হইবো সেই অমুক তার কেউ না কেউ লাগে, তারে গালি দিলে স্পীকার সাহেবেরও লাগে। অবস্থানটা রাজনৈতিক। যারা গালি দেয় তাগো অবস্থান যে রাজনৈতিক সেইটা গালি দাতারা কোনদিনই অস্বীকার করে নাই। নিজেরে নিরপেক্ষ দেখানোর ভঙ ধরে খারাপ শব্দ ব্যবহারের বিরুদ্ধে যারা জিহাদে নামে তারা।
নৃবিজ্ঞানের রেফারেন্সে মেইল শভিনিজমের কথা কইয়া এরা আরো ফাঁসে। “নারী”রে ভক্তিবস্তু বানাইলে তারা যে তাঁদের মানুষ পরিচয় থিকা আরো বেশী কইরা এলিয়েনেটেড হয় এইটা তখন আর তাগো চোখে আসে না। কারণ খারাপ শব্দ নির্ধারণের প্রশ্নে হ্যারা যেই মানদন্ড ব্যবহার করেন সেইটা শতকরা দুইশতভাগ পুরুষতান্ত্রিক। তারা কোন কোন ঐতিহাসিক ফেনোমেনা থিকা ঐ গালাগালি আইছে তার একরকম ডকুমেন্টেশান দিয়া পট কইরা সিদ্ধান্ত দিয়া দেয় সুতরাং এগুলা বলা খারাপ। বাদ পইড়া যায় এই শব্দগুলারে কে ক্যাম্নে ক্যান খারাপ শব্দ বইলা চিহ্নিত করছে, যেইসব ক্রিয়ার ধ্বনিরূপরে খারাপ শব্দ কওয়া হইতেছে সেইসব ক্রিয়ারে টাব্যু বানানোর পিছনে সেইসব রাষ্ট্রের কী উদ্দেশ্য ছিল। আলোচনা সেইদিকে বেশী বাড়াইতে গেলে পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে হাপসী বাইয়া কান্তে থাকাগো নিজেগো লুঙ্গী খইসা পড়বো। সুসিলরা কখনোই চায় না তাগো ছুডু পক্কু কেউ দেইখা ফালাক।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
জনগন গালি দেয়। সুতরাং গালি গণসংস্কৃতির আওতায় পড়ে।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
+
র্যাভেন বলেছেন:
জনগন গালি দেয়। সুতরাং গালি গণসংস্কৃতির আওতায় পড়ে।
ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন:
রাজাকার ও তাদের দালালদের গালি দেয়া আমার অধিকার।
মানুষ বলেছেন:
রাজাকাররে গাইল দেওয়া ফরজ
কোপা সামছু বলেছেন:
নিক ফ্যাক্টরির নিক, আর গালি ফ্যাক্টরির গালি দুটি যেন একই অঙ্গে গাথা।
{সুসিলরা কখনোই চায় না তাগো ছুডু পক্কু কেউ দেইখা ফালাক।}
বোধিস্বত্ত বলেছেন:
সুশীলগো পুক্কুই নাই। সবগুলা খাসির পুটকিই সম্বল। রাজাকাররা তাগো পুটকি মাইরা দুই টাকা ধরাইয়া দেয়।
দুঃখবিলাস বলেছেন:
ড়াজাকার ও তাদের দোসরদের গালি দেওয়া বাংলাদেশি হিসেবে আমার অধিকার মনে করি।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
ড়াজাকার ও তাদের দোসরদের গালি দেওয়া বাংলাদেশি হিসেবে আমার অধিকার।
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
রাজাকার ও তাদের দালালদের গালি দেয়া বাংলাদেশের সকল মানুষের কর্তব্য।
মেন্টাল বলেছেন:
সুশীলগো পুঙ্গা মারি
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
লাল ভাই আপনে এই "পক্কু" শন্দডা কই পাইলেন? এই শব্দডা আমারে হাসাইতে হাসাইতে চেয়ার থেইকা ফালায়া দিছে, এহন হাসপাতালে আছি।
লেখক বলেছেন: এহন কৈ আছেন?
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
কেমন আছেন? বহুদ্দিন পর দেখতেছি।
লেখক বলেছেন: বহুদ্দিন পর এইটা ঠিক। কিন্তু আপনারে কি চিনি?
লেখক বলেছেন: হুইইইই্
লাল মিয়া বলেছেন:
সবাকের পোস্ট পইড়া মনে হইল এগুলা আবার ঠেলা দেওনের টাইম আইছে
রাশেদ বলেছেন:
হ!
হিডেন স্ট্রিট বলেছেন:
দে ঠেলা...............।
বিগব্যাং বলেছেন:
হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: দে ঠেলা...............।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
দে ঠেলা
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
ঠেলা দেয়া জায়েজ
লাল মিয়া বলেছেন:
ঠেলার উপরেই থাকা লাগবো। যেই দিন কাল পড়ছে!
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
+
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
ঠেলা কী?
ব্রুটাস বলেছেন:
মকসুদ আলম বলেছেন: সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন: ঠেলা কী?
স্বপ্নকথক বলেছেন:
ঠেলাাাাাাাাাাাাাাাাাা
মাম্ব্রা বলেছেন:
ব্রুটাস বলেছেন: মকসুদ আলম বলেছেন: সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন: ঠেলা কী?
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন:
মাম্ব্রা বলেছেন: ব্রুটাস বলেছেন: মকসুদ আলম বলেছেন: সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন: ঠেলা কী?
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন:
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: জনগন গালি দেয়। সুতরাং গালি গণসংস্কৃতির আওতায় পড়ে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















