যাহা এইচএসসি তাহাই আলীম, তাহাই 'এ' লেভেল । এগুলো সব সমমান হিসেবে স্বীকৃত। সুতরাং শুধু আলীম হবার কারণে তাদের প্রতি পৃথক বৈষম্য করার অধিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের নেই। তারপরও উদ্দ্যেশ্য প্রনোদিতভাবে কতিপয় শিক্ষক বিভেদ ডেকে আনতে মাদ্রাসা ছাত্রদের প্রতি যে অন্যায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার প্রতিবাদে ছাত্ররা বিক্ষুদ্ধ। আজ সকালে ঢাবিতে বিক্ষোভ মিছিল। আপনি যদি ঢাবির ছাত্র হন, আপনারই এক সহপাঠির প্রতি অন্যায় আচরণের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভে সামিল হোন। আজকে মাদ্রাসা ছাত্রের ন্যায্য অধিকার হরণ করা হচ্ছে, আগামীকাল হয়তো আপনার ন্যায্য অধিকারের প্রতি হামলা হবে। সুতরাং যে কোন অন্যায়ের প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করা আপনার আমার নৈতিক দায়িত্ব।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভর্তির ক্ষেত্রে কন্ডিশন অবশ্যই দিতে পারে। তবে সে কন্ডিশন হওয়া চাই সার্বজনীন। কোন সাবজেক্টের জন্য ভর্তি পরীক্ষায় ইংলিশে ২৫ পাওয়া শর্ত হতে পারে, এ শর্ত সবার জন্য প্রযোজ্য হবে। বায়োলজি থাকা শর্ত হতে পারে, এ শর্ত নির্বিশেষে সবার জন্যই। সাধারণ জ্ঞানে ন্যুনতম নম্বর- সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে। সরকার মাদ্রাসায় একশ নম্বরের ইংরেজী থাকা সাপেক্ষেই আলীমকে এইচএসসির সমমান দিয়েছে। সুতরাং, আলীমে কত নম্বরের ইংলিশ ছিল তা নিয়ে মাথা ঘামানো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনৈতিক। তাদের দেখা উচিত, এ ছেলে ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজীতে বা বাংলায় বা সাধারণ জ্ঞানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ডিশন নম্বর অর্জন করছে কিনা।
সহজভাবে নিলেই সহজে সমাধান সম্ভব। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের এ আচরণ সুস্পষ্ট অন্যায়। এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলেই বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ বিদ্যমান। দেশের একটি অংশ যদি মনে করে এর মাধ্যমে ইসলামী শিক্ষার প্রতি বরং ইসলামের প্রতি শত্রতা করা হচ্ছে- তবে তা কারো জন্যই মঙ্গল হবেনা।
আসুন আজকের প্রতিবাদে শামিল হোন। অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে চলে আসুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


