বাঙালি সব দেখি হঠাৎ করে সত্যবাদি যুধিষ্টির হয়ে গেছে। দলে দলে লোক অকাতরে স্বীকার যাচ্ছে যে তারা তাদের জীবনের প্রথম ভোটটা আওয়ামিলীগকে দিয়েছিল। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার তারা কেও গর্ববোধ থেকে একথা বলছে না। আরও ইন্টারেস্টিং ব্যাপার তারা আবার বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু না বলে আল্লাহ খোদাকেও স্মরন করা শুরু করেছে। (স্টিকি পোস্ট দ্রস্টব্য)। ব্যাপারখানা কি ? তাদের ভোটে একটা দল ক্ষমতায় এসে মহা সমারোহে তিন বছর কাটিয়ে চতুর্থ বর্ষে পা দিল এটা তো দারুন ব্যাপার। কিন্তু তারা এরকম বিমর্ষকাতর কেন? রহস্যজনক... খুবই রহস্যজনক।
অবশেষে ঘটনাটা মালুম হল আমার কাছে। ও মানিক কি বাত্তি লাগাইলি, সব ফকফকা টাইপের আমার কাছেও সব ফকফকা হলো। ব্যাপারটা আর কিছু নয়। ঠ্যাঙানি । কথায় বলে মারএর উপ্রে ওষুধ নাই। তেনারা নিজেরা এবার ঠেঙানি খেয়েছেন। এখন তাই এই সত্যবাদিতা।
কিন্তু ঠেঙানি দেওয়া তো আওমিলীগের জন্য নতুন নয়। অতীতে যতবার দলটি ক্ষমতায় এসেছে বিরোধীদের ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করায় অতিশয় দক্ষতা দেখিয়েছে। এমনকি বিরোধী দলে থাকতেও সন্ত্রাস থেকে দুরে ছিল বলে তেমন কোন প্রমান নেই। এটা জানতে ইতিহাসবেত্তা হবারও প্রয়োজন নেই।
তো বর্তমানের সত্যবাদি যুধিস্টিরগন ভেবেছিল তাহারা আওয়ামী সন্ন্ত্রাস থেকে ১০০ হাত দুরে আছেন। সদাশয় শান্তিকন্যা তাদেরকে খুবই শান্তিতে রেখে তাদের কর্মদক্ষতা বিএনপি-জামাত জোটের উপ্রে প্রয়োগ অব্যাহত রাখবে এবং দুর থেকে নিজেরা দেখবে আর বিমলান্দ উপোভোগ করবে। তাই তারা আওয়ামী সন্ত্রাসের অতীত ইতিহাসকে গুরুত্ব না দিয়ে পঙ্গপালের মতো নৌকায় ঝাপিয়ে পড়েছিলেন।
কিন্তু বিধি বাম। প্রায় নিশ্চিহ্ন বিরোধী দল এখন আর সরকারী দলকে পর্যাপ্ত আনন্দ দিতে পারছে না। কাজেই দল মত নির্বিশেষে আপামর জনতার উপ্রে ঝাপিয়ে পড়েছে হায়েনার দল। এর কিয়দংশ এসে পড়েছে আজকের এই সত্যবাদি যুধিস্টির দলের উপরে। আর এতেই ধর্মনিরপেক্ষ আওয়ামীলীগে ভোট দিয়ে আহা মরি আহা মরি হওয়া পাবলিকেরা এখন আল্লাহর গজবের জন্য প্রার্থনারত। (আবার স্টিকি পোস্ট দ্রস্টব্য)।
হাহাহাহাহহা। বেকুবগুলো জানেনা যে আল্লাহর গজব অলরেডি চলে এসেছে এবং তাদের উপরে বর্ষিত হচ্ছে যা তারা নিজেরাই ডেকে এনেছে তিন বছর আগে।
কাজেই তোমাদের জন্য শুধুই করুনা। জানি ঠ্যাঙানি খাবার পরেও সুযোগ পেলে আবার তোমরা নৌকায় ঝাপায়া পড়বা। কারন লোকে বলে তোমরা তো মানুষ না তোমরা হলে আওয়ামিলীগ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

