দ্বীচারিনী একজন....... [তৃতীয়]
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৪০
বাসের টিকেট চেকার এসে বললো,,ক্যান আই সি ইওর ওয়েস্টার কার্ড প্লিজ।আমি চমকে উঠলাম।চোখ খুলে লোকটার দিকে অবাক চোখে তাকালাম..........
এই দেশে সবসময়ই যে বাসে টিকেট চেক করে তা কিন্তু না।হঠাৎই এদের আবির্ভাব হয়।তখন টিকেট দেখাতে না পারলে এরা বেশ বড় অংকের ফাইনও করে।টিকেট চেকার আমাকে দ্বিতীয়বার টিকেটের কথা বলায় আমি যেন বোধ ফিরে পেলাম।বাগে হাত দিয়ে টিকেট বের করে দিলাম লোকটির হাতে,,সে তার হাতের একটি যন্ত্র দিয়ে আমার টিকেটের ভ্যলিডিটি চেক করে টিকেট টি আবার আমাকে ফেরত দিল।টিকেট চেকার চলে যেতেই সিটে হেলান দিয়ে নিজের হাত দুটোকে গালে ছুঁইয়ে ভাবলাম সময় আর কতকাল আমাকে বারাবার একি যায়গায় নিয়ে গিয়ে দাড় করাবে??বারবার সেই সাইন্সল্যাব এর মোড়ে গিয়ে থমকে যাবে আমার স্বপ্নেরা সে আর কতবার নতুন করে উপলব্ধি করতে হবে আমার!! নিজেকে খুব ক্লান্ত লাগল।গালে ছোঁয়ানো হাতদুটো যেন ঠান্ডায় বরফ হয়ে আছে।আমি বাইরে তাকিয়ে দেখলাম আমার নামার সময় হয়ে এসেছে।হাত ঘড়িটার দিকে তাকালাম,,ওমা তিনটে বেজে গেছে।আমাকে খুব দ্রুত কেনাকাটা করতে হবে,,এখানে বিকেল পাঁচটার মধ্যেই দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে যায়।মাত্র দুটো ঘন্টা সময় আমার হাতে।মনে মনে একটা লিস্ট করে ফেললাম কি কি কিনবো তার।
বড় বড় সব দোকান।
ঘুরতে ঘুরতে দোকানগুলোর সোকেইচে সাজিয়ে রাখা কত কিছুতেই না চোখ আটকে যায়,একবার দেখেও আবার চোখ ফিরিয়ে নেই আমি।একটা সময় ছিলো যখন কেনাকাটার নেশা ছিলো খুব।তোমাকে ধরে নিয়ে যেতাম বা কখনো আম্মাকে।নিজের চেয়ে তোমার জন্যে,, বাসার জন্যে মা-বাবার জন্যে কিনতেই বেশি ভালো লাগতো।একবার তোমার জুতো কিনতে গিয়ে সারা ঢাকা শহর চসে ফেললাম আমরা।তুমি হাল ছেড়ে দিলে কিন্তু কোনো মতেই আমার কিছু পছন্দ হয় না।মনে আছে শেষে তুমি কান্না কান্না চেহারা করে বলেছিলে,,
আজ থেকে আমি হিমু হয়ে গেলে কেমন হয়!! আমি আর জুতোই পরলাম না।খালি পায়ে হাটাহাটি শুর করলাম।জুতো কেনার আর ঝামেলাই থাকলো না,, কি বলো?
আমি হাসতে হাসতে তোমার ধরে নিয়ে গিয়েছিলাম পরের দোকানটায়।
আজকেও আমাকে জুতো কিনতে হচ্ছে তবে সেটা কাউকে সঙ্গে করে নয়।আমার বরের দুই ছেলে,,সুমন আর সাদিব।ওদের দুজনেরই জামা-জুতোর মাপ আছে।তাই দিয়ে পছন্দ করে কিছু কাপড়চোপড় আর ফুটবলের জুতো কিনতে হলো।যদিও ওদের আমি কখনো সামনাসামনি দেখিনি ছবিতে ছারা।তবুও ওদেরকে পর মনে হয় না খুব একটা।আমার বিয়ের সময় ছোট ছেলেটা ছিল চার আর বড়জন ছিল ছয় বছরের।ওরাও এই দেশেই থাকে ওদের মায়ের সাথে তবে অন্য শহরে।আমার বর প্রায় প্রতি উইকএন্ডেই চলে যান ছেলেদের কাছে।হয়তো ওনার ছেলেরা কখনো জানতেও পারে না প্রতিবার তাদের জন্যে তাদের বাবার নিয়ে যাওয়া জামা-জুতো কত আদরেই না কিনে দেই আমি।ওদের কথাই বা বলছি কেন! ওদের মাই কি জানে,, যখনই আমি কোনো ভালো গয়না বা কাপড় কিনি উনি বলেই দেন ওদের মায়ের জন্যেও যেন নিয়ে আসি।প্রথম দিকে খুব অস্ব্স্তি হত।মনে হত এ কেমন ঘর আমার? যেখানে অদৃশ্য কিছু অনাকাঙ্খিত অতিথী ঘুরে বেড়ায় আমারে না বলে কয়ে।তারপর দিনে মাসে বছরে,,,,,এই অদৃশ্য মানুষগুলোও ধীরে ধীরে আমার জীবনের অংশ হয়ে গেছে।হয়তো ওরা সেটা কখনোই জানবে না।আমার মনে হয় জানবার দরকারই বা কি।ঐ মহিলার নাও ভালো লাগতে পারে তার বরের প্রতি আমার অংশিদারীত্যে।তার হয়তো কোনো অতীত নেই।তার স্বপ্নেরা হয়তো এই লোকটিকে ঘিরেই ধীরে ধীরে বেড়ে উঠেছে।আর সবচেয়ে বড় কথা তার ঐ সামাজিক মর্যাদার যায়গাটুকু নেয়ার লোভ আমার কোনোদিনই হয়নি।আমি কখনোই চাইনি সমাজে স্বীকৃত ভাবে ওনার বউ হিসেবে যায়গা করে নিতে।আমি তো বউ হয়েছিলাম।কেউ একজন খুব আদর করে আমাকে বউ করে বাসরে নিমন্ত্রণ করেছিলো।জানি,, তুমি হয়তো আড়ালে হাসছো আমার এই কথায়।ভাবছো এই কথা বলার যোগ্যতাতো আমি হারিয়েছি অনেক আগেই।যদি তুমি সত্যিই এমন ভাবে বলতে তাও আমি কিছুই উত্তর করতাম না।আসলে কিছুই বলার থাকত না আমার।
সেদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজে ঞ্জান ফিরে পাওয়ার পর যখন মা আমাদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের কাগজটা দেখিয়ে বলেছিলো এগুলো কি?আমার সব ছাপিয়ে মনে হলো তুমি কোথায়।মাকে তাই জিঞ্জেস করাতে আমার দিকে যেনো অভিসপ্ত এক দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলেন আমার মা।আমি পাগলের মত জানতে চাইছিলাম তুমি কেমন আছ।তার উত্তরে সজোরে আমার গালে এক চড় বসিয়ে দিয়ে মা বলেছিলেন বাড়ি চল।
তখন সবার চিন্তা ছিল কি করে আমার এই কুকীর্তির দুর্নাম থেকে ফ্যমিলিকে বাঁচানো যায়।বাড়িতে সব আত্মীয় স্বজনদের ভিড় আর ফিসফিস করে কথা বলা,, সে যে কি অদ্ভুত অসহ্ব্য সময়।মাকে বার বার করে অনুরোধ করছিলাম একটা বার আমাকে জানাতে তোমার অবস্থা।একটা বার আমাকে যেতে দিতে তোমাকে দেখতে।আমার কোনো অনুরোধই আমার মাকে টলাতে পারেনি তখন এতোটুকুন।আমি তোমার মারা যাবার কথা জানতে পারি তিনদিন পর।মিলি এসেছিলো বাড়িতে,, ঐ যে আমাদের ডিপার্টমেন্টের ফর্সা করে মেয়েট।আমি আমার ঘরের বিছানায় শান্ত হয়ে বসেছিলাম।ও এসে আমার পাসটায় চুপ করে কিছুক্ষণ বসল।জানালো ডিপার্টমেন্টের সবাই তোমার বাড়ি গিয়েছিলো।খুব কাদঁছিলেন তোমার মা।আর বারবার করেই আমাকে অভিষাপ দিচ্ছিলেন তার ছেলেকে মেরে ফেলার জন্যে।মিলি আমাকে সান্তনা দেয়ার খুব চেষ্টা করছিলো সেদিন।কিন্তু ওর কিংকর্তব্যবিমুড় চাহুনী আমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছিলো আমার অবস্থান।সেদিন আমি কাঁদতে পারিনি।এতটাই অসাড় লাগছিলো সবকিছু,, তোমাকে ছাড়াই বেঁচে থাকার মূহুর্তগুলো থাকতে হবে এই ধাক্কাটা এতোটাই বড় ছিলো যে নিজের বিধবা হবার দুঃখটুকু আলাদা করে কোনো কষ্ট তৈরি করতে পারেনি তখন।মিলি চলে যাবার পরও আমি একটা লম্বা সময় পর্যন্ত চুপ করে বসেই ছিলাম আমার বিছানাটাতে।সেদিনের পরও বাড়িতে থাকাকালীন সময়ে বহুদিন পর্যন্ত আমি ঐ বিছানতেই চুপ করে বসে থাকতাম।
কেনাকাটা শেষে রাস্তার পাশের একটা কফি শপে বসে কফি খাচ্ছিলাম আর মাথার মধ্যে নাড়াচাড়া করছিলাম পুরোনো এই কথাগুলো।কফি শপটা বেস বড়সরই।ভেতরকার সাজগোজ একটু পুরোনো ইংরেজ ধাচের।ছড়িয়ে ছিটিয়ে নিচু ধরনের কিছু বড় বড় চামড়ার সোফা পাতা আর সাথে নিচু ছোট গোল টেবিল।একদিকে একটা বড় কাউন্টারের মত।শপটার বাইরের দিকের দেয়ালটা পুরু স্বচ্ছ কাঁচের তৈরি।তাই ভেতরে বসেই বাইরের রাস্তাটা পুরোটাই দেখা যায়।আমি বসেছি কাঁচের দেয়ালটার সাথে লাগানো একটা সোফায়।মুগ্ধ হয়ে তকিয়ে আছি চারটেতেই হঠাৎ করে নেমে আসা রাতটার দিকে।দোকানগুলো প্রায় সবই বন্ধ হয়ে গেছে নয়তো বন্ধের প্রস্তুতি চলছে।আমার চারপাশে ঘরে ফেরার ব্যাস্ততা।আমার নিজের কোনো ব্যস্ততা নেই।নিজের কেনাকাটার ব্যগগুলোকে একপাশে সরিয়ে রেখে আমি টেবিলে রাখা কফির মগের দিকে ঝুকে বসে আছি।মগটাকে দুহাতে ধরে কফির উষ্ণতাটুকু নিজের ভেতরে নিয়ে নিতে চাইছি।
আমার পাশের একটা লম্বা সোফায় বসা দুটো ছেলেমেয়ে।ছেলেটি মেয়েটির জামার সামনের বোতামগুলো নিয়ে খেলছে।জামার বোতামগুলো ফিতে দিয়ে জড়ানো ভারি কারুকাজ করা তাই ছেলেটি দুষ্টুমি করে বোতামগুলো যেন খোলার চেষ্টা করছে।যখনি পারছে না মেয়েটি খিলখিল করে হেসে ভেঙ্গে পরছে ছেলেটির গায়ের উপোর।সামনের এই ছবিটি দেখে চোখে ভেষে উঠলো একটা মেঘলা দিনের কথা।
মূহুর্তেই চলে গেলাম এক ধোঁয়াটে দিনের ভালোবাসার স্মৃতিতে......
ক্রমশ......।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আমিও কি বলবো বুঝতে পারছি না।তবে ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।
লেখক বলেছেন: কমেন্ট নিয়ে গেছে নাকি।হায় হায় বলেন কি!!
এর পরের বার আর কাউকে নিতে দিবো না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
ভাল হইছে এই পর্বটাও, লিখে যান ... পোস্ট প্রিয়তে ...
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।
স্বামীর জন্যে খারাপ লাগার কি কারন জানালে খুশি হতাম।
আর সত্যি কথা বলতে গেলে আমি নিজেও জানিনা যে শেষ পর্যন্ত কি হবে।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ।
নির্ভয় নির্ঝর বলেছেন:
আবারও বলছি, খুব ভালো লাগল। আগের পর্বের মত এবারের পর্বটাও অসাধারণ লাগল।তিনটে পর্বের লেখা গুলো খুঊঊঊঊব খুঊঊঊঊব খুঊঊঊঊব-ই ভালো লাগল।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: খুব খুশি খুশি লাগছে আপনার এতো ভালো লেগেছে জেনে।
নিজেও জানিনা কত পর্বে শেষ করবো।
তবে আর দুটো পর্বের মধ্যে শেষ করতে চাই।
ধন্যবাদ।আপনিও ভালো থাকবেন।
পেন্সিল বলেছেন:
হেব্বি হচ্ছেতো... গুড, ভেরি গুড।
লেখক বলেছেন: জি টিচার,,,থ্যঙ্কু।
অপ্সরা বলেছেন:
খুবি সুন্দর লেখা আপুনি। চোখে পানি এসে যায়।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
মন খারাপ হয়ে গেল ...
লেখক বলেছেন: আপনার মন খারাপ করে দেয়ার জন্যে ক্ষমা প্রার্থী।
পারভেজ বলেছেন:
লেখার সাবলীলতাটুকু উপভোগ্য
ত্রেয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে।
নীরজন বলেছেন:
আসলেই বলার কিছু পাচ্ছি না............
লেখক বলেছেন: তাই।আপনার ছবিটা কিন্তু খুব সুন্দর।ভালো থাকবেন।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
তৃতীয়বারের মতো পড়ার পরে কমেন্ট টা করছি .... ""অদৃশ্য কিছু অনাকাঙ্খিত অতিথী ঘুরে বেড়ায় আমারে না বলে কয়ে"" লাইনটাতেই কেন জানি বার বার আটকে পড়তে হচ্ছে ... এর চেয়ে বেশী আপাতত বলতে পারছি না ...
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো,,এই লাইনাটা লিখার পরে আমি নিজেও কয়েকবার নিজের মনে লাইনটি আউড়িয়েছি।আপনারো ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।ভালো থাকবেন।
শাম্মা বলেছেন:
অসাধারণ..পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
আমি নুতন..........জানিনা তার পরে কি আছে??আপনার ব্লগে প্রথম কমেন্ট...........অনেক ভালো লাগলো। +
লেখক বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম।ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।
মুনিয়া বলেছেন:
মন খারাপ করে দেওয়ার জন্য মাইনাস।
লেখক বলেছেন: আমারো মন খারাপ হল।কি আর করা,,,
ভালো থাকবেন।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
দোস্ত কি আর বলমু....আগে যদি জানতাম তুই এতো ভালো লিখিস, তোর লেখার খাতাটা চুরি কইরা নিজের নামে চালাইতাম...লন্ডনে চইলা গিয়া বাইচা গেছস..নাইলে সত্যি সত্যি তোরে ধইরা চুমা দিতাম।
তোরে একখান কথা কই, তুই বই বাইর কর.....হুমায়ূন সাহেবের বই বিক্রি বন্ধ হয়া যাইবো।
পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
লেখক বলেছেন: বাঁধন আছিস কেমন তাই বল?
স্বপ্নকথক বলেছেন:
+++++++++
বিষুন বলেছেন:
আমি এই প্রথম পড়লাম। তিনটে একসাথে।আপনার ছবি দেখে যে বয়স আন্দাজ করতে পারি, তার সাথে চমৎকার মানানসই একটি বিষন্ন-বিলাস লেখা। বানান ভুল নিয়ে আপনার পাঠক-বন্ধুদের লেখাও চোখে পড়ল। আমার কিন্তু এই ভুল বেশ আকর্ষণীয় লেগেছে।যেহেতু আন্দাজ করতে পারি, যা কিছু ভুল আছে তা সচেতন নয় তাই একটি ছোট্ট পরামর্শ- ভবিষ্যতে গল্প বা উপন্যাসে, কোন চরিত্রের শ্রেণী চিহ্নিত করতে এ জাতীয় ভুলের সচেতন ব্যাবহার বেশ উপভোগ্য হতে পারে।ভাল থাকুন আর অনেক লিখুন। শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: বিষুন,,আপনার এই নামের অর্থ কি বলেন তো?
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।আপনার পরামর্শ মাথায় থাকলো।কখনো তেমন কিছু লিখলে চেষ্টা করে দেখব।
আপনিও ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: তাই নাকি।ফডুক,,হা..হা..
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
ভাল লিখেছেন +++
স্বপ্নকথক বলেছেন:
ভালো খুব একটা নাইরে।চালায়া যা....পড়ার কষ্টটুকু কইরা নিমুনে।ফেসবুকে দেখিনা যে??নক করিস।
ত্রেয়া বলেছেন:
জ্ঞান বানান টা কিভাবে লিখতে হবে এটাই বুঝতে পারছিলাম না।আপনার টা দেখে অনেকক্ষণ চেষ্টার পর লিখতে পারলাম।ধন্যবাদ আপনাকে ধরিয়ে দেবার জন্যে।
যতগুলো দেখিয়ে দিয়েছেন এগুলো যে আর ভুল হবে না সেটা বলতে পারি।
কিন্তু অন্যগুলো??
লেখক বলেছেন: বোঝা যায় কবিতা আপনার খুব পছন্দ।তাই কি?
নাঈম বলেছেন:
অনেকদিন পর তৃতীয় পর্বটা পরলাম, অসাধারণ লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাঈম।
বিষুন বলেছেন:
আমার নামের কোন অর্থ আছে কি না জানা নেই।শুধু জানি প্রিয় জনের আদরে এমন অনেক কিছুই হয়।ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: হুমম এটা ঠিক বলেছেন।
আপনিও অনেক ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমাকে বানানের কথা বলায়।তবে এখন আর নামটা ঠিক করা যাবে কিনা আমি জানিনা।
আবারও ধন্যবাদ।
kazibondhu বলেছেন:
অপুর্ব অপুর্ব
লেখক বলেছেন: এর উত্তরে আমি কি বলব!!
সবসময় খেয়াল থাকে , এই লেখাটা পড়তে হবে । কিন্তু কেন যেন মাঝে গ্যাপ না দিলে শক্তি পাইনা । জানিনা কেন এমন হয় , কেন কিছু কিছু লেখা এত বেশি চেপে ধরে ....
খুব বেশি জীবন্ত যেন
ত্রেয়া বলেছেন:
নাহ্ আপনি এবার যেন বেশিই বলছেন।আমি কিন্তু লজ্জাই পাচ্ছি এখন।তবু আপনাকে ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
লেখক বলেছেন: বোঝা যায় কবিতা আপনার খুব পছন্দ।তাই কি?
হ্যাঁ এবং না। কবিতার মানে যখন বোধগম্য হয় তখন মনে হয় মনের অনুভূতি প্রকাশ করতে এর চাইতে ভালো মাধ্যম আর হয়না। কিন্তু যখন বুঝিনা তখন এন্টেনা নিয়ে সিগনাল ধরার জন্য এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াতে হয়
ত্রেয়া বলেছেন:
হা..হা..হাতো এদিক ওদিক ঘুরলে সিগনাল পাওয়া যায় তো নাকি?
যাক তাও ভালো যে আপনি কবিতা পড়তে তো পারেন।
আমার তো কবিতা পরতে খুবই আলসেমি লাগে।কিন্তু আবার ওদিকে কবিতা আওড়াতে বললে তা পারব দীর্ঘ্যক্ষণ!!
kisuna বলেছেন:
হাতেত আছিল মোর বিষলক্ষের ছুরি | / তোমারে ছাড়িয়া বন্ধু আমার বুকে মারি | | -মৈমনসিংহগীতিকা
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















