দ্বিচারিনী একজন......[চতুর্থ]
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৬
আমার পাশের একটা লম্বা সোফায় বসা দুটো ছেলেমেয়ে।ছেলেটি মেয়েটির জামার সামনের বোতামগুলো নিয়ে খেলছে।জামার বোতামগুলো ফিতে দিয়ে জড়ানো ভারি কারুকাজ করা তাই ছেলেটি দুষ্টুমি করে বোতামগুলো যেন খোলার চেষ্টা করছে।যখনি পারছে না মেয়েটি খিলখিল করে হেসে ভেঙ্গে পরছে ছেলেটির গায়ের উপোর।সামনের এই ছবিটি দেখে চোখে ভেষে উঠলো একটা মেঘলা দিনের কথা।
মূহুর্তেই চলে গেলাম এক ধোঁয়াটে দিনের ভালোবাসার স্মৃতিতে.....
সেদিন খুব বৃষ্টি হচ্ছিল মুষলধারে।তারমধ্যে সারাদিন আমরা একসাথে।কখনো রিক্শায় কখনো সিএসসি ক্যন্টিনের ঝাপরা গাছগুলোর নিচে আর কখনোবা চারুকলার দোতলার টানা বারান্দায়।আড্ডা,আড্ডা আর আড্ডা।কথার যেন আর শেষই হয়না সেদিন।এদিকে দুজনেই ভিজে একসা।তবুও বাড়ি ফেরার নাম নেই।ঝরঝর বৃষ্টি সারাদিন আর আমরা কদমের ঝারে জরাজরি করে দুটো পাখি যেন ঠিক।তারপর তোমার একটা ফোন।তুমি একটু বাড়ি যাবে।আমায় সাথে করেই রওনা হলে।তোমার বাড়ির সামনে এসেই আমার হাত-পা কাপুনি আর তাই দেখে তুমি হেসেই কুটিপাটি।তোমার বাড়ির চিলেকোঠায় আমাদের বৃষ্টি বিলাস।একটু একটু করেই কাছাকাছি হচ্ছিলাম যেন আমরা।আমার ভেজা চুলে মাখামাখি হয়ে তুমি ব্যস্ত হলে আমার জামার বোতাম নিয়ে।আমার জামার বোতামগুলো ছিলো বেশ ভারি কাজের,একসারীতে লম্বা করে ফিতে দিয়ে একটার সাথে আরেকটা পেচিয়ে লাগানো।তাই হঠাৎ করে তুমি বুঝতে পারছিলে না কি করবে।তোমার মুখের ওপর থেকে আমার ভিজে চুলের গোছা সরাতে সরাতে বলেছিলাম কি চাও বলতো?
তুমি ঘোর লাগা চোখে উত্তর করেছিলে একবার দেখবো তোমায়।দেখবো সুধু একটুক্ষণ,,নাহয় দূর থেকেই,,তবু দেখবো।দেবে না।
এক একটি ফিতের বন্ধনী খুলেতে গিয়ে আমি লজ্জায় লাল হয়েছিলাম হয়তো।ভিজে কাপরের কিংবা তোমার চাহুনির শিহরণে একটু কেঁপে কেঁপেও উঠছিলাম।দূর থেকে তুমি তাকিয়ে ছিলে অপলোক।আমি বন্ধ চোখেও অনুভব করতে পারছিলাম উন্মুক্ত খঞ্জনীর ভাজে তোমার মাতাল হওয়া।আমি ঠিক জানি আমার চোখের পাতার তিরতির কাপুনি তোমায় জানিয়ে দিচ্ছিলো আমার মরমে মরে যাওয়াটুকুন।তোমার মুগ্ধতা রবীঠাকুরের আওয়াজে বলে উঠেছিলো,,,,,,,,
একি মানবীর স্তন,,শুভ্র সাদা সঙ্খ যেনো জোড়
চঞ্চল পুলকরাশি কোন্ স্বর্গ হতে ভাসি
আমরি হৃদয়স্পন্দনে তব, পল্লবে মর্মর..............।।
আমি আজও ভাবি।প্রতিবার আমি অবাক হই এই ভেবে,তোমার সেই চাহুনী আমাকে উলঙ্গ করেনি,,যেন আবৃত করেছিলো সৃঙ্গারে।
সেই দুপুরের ঐ একটুখানি সময়।ঐ সময়টুকুতে কোন বন্ধনীর সীলমোহর ছিলো না,,ছিলো না কোন সামাজীক স্বীকৃতি।তবুও কতই না মায়ায় জড়ানো আমার সেই দুপুর।মেঘলা কোন দুপুরে চোখ বন্ধ করে আমি আজও চেষ্টা করি সেই সময়টুকুকে ফিরিয়ে আনতে আমার মানষপটে।অনুভব করতে চাই তোমার চাহুনীর সেই ভালোবাসা মাখা মুগ্ধতা।দুটো বছর ধরে কতই না রাত গেছে যেদিন আমি দেখেছি নিজেকে অন্যের চোখে নির্যাতিত হতে।কাঁচা মাংষের গন্ধে লোভি হওয়া চোখের হিংস্রতায় ভীত হয়ে আমি তাই বারবার তোমার সেই চাহুনী খুজতে থাকি ক্লান্তিহীনভাবে।
বাড়ি ফিরে শাওয়ার নিচ্ছিলাম।নেমে আসা হালকা গরম পানির ধারাটা শরীরের প্রতিটি অংশের ক্লান্তিকে যেন শুষে নিচ্ছিলো।হয়ত মনের ক্লান্তিও কিছুটা,,নয়ত শাওয়ারের পর মনে একটা শান্তি শান্তি ভাব কোথা থেকে আসতো।গীজারের ঝিম ধরা একটানা শব্দটা কেমন যেন নেশার মত অবশ একটা অনুভূতি তৈরি করে।শাওয়ারের নিচে দাড়িয়ে আমি কি যেন একটা ভেবেই যাচ্ছি,,এই ভাবনার যেন কোন শেষ নেই।চারদিকে সুনসান নীরবতা।আসেপাশের প্রতিটি বাড়ির আলো নিভে গ্যাছে অনেক আগেই।আমি ভুলে গেছি সাবানের কথা কিংবা স্যাম্পু।মনে আছে সুধু আমার দাড়িয়ে থাকাটুকু আর গীজারের একটানা ঝিম ধরা শব্দটা।
ভাবছি আমি।
আমাকে নিয়ে ভাবছি।সেই ছোটবেলা থেকে আজ পর্যন্ত।সব ভেবে ফেলছি একবারে কিংবা একমুহূর্তকে ভেবে চলেছি সারাক্ষণ।আমি জানি না।আমি আর কিছুই জানিনা।সুধু জানি আমি আমার জীবনের এমন এক জায়গায় এসে দাড়িয়েছি যেখান থেকে যাবার আর কোন জায়গাই নেই।জীবনের যে পথটুকুর শুরু হয় মা-বাবাকে ছেড়ে নিজের মত করে চলার,,সে পথের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমার পুরোটা পথ কেটেছে তোমাকে সঙ্গী করে।কিন্তু এই সময়টার খুব অল্প সময়ই তুমি সাথে ছিলে আমার।তোমাকে ভালোবেসেছিলাম বলাটা বোধহয় ভুল হবে,বলতে পারি তোমাকে সর্বাঙ্গে আত্মস্থ করেছিলাম।কিন্তু তবুও তোমায় হরিয়েছিলাম প্রথমেই।সেটা কি নিজের দোষে না ভাগ্যের সে হিসেব আজ আর করতে ইচ্ছে করে না।আজ সুধু জানি তুমি ছিলে না।আর তোমার ঐ না থাকাটুকু থেকেই আমার বিভীষিকার শুরু যেন।বিয়ের দিনই তুমি মারা গেলে।রেখে গেলে একটুকরো কাগজ।আমাদের বিয়ের কাগজ।ঐ একপাতা কাগজের এত শক্তি।যে বদলে দিলো আমার জীবনের সমস্ত হিসেব।আমি হয়ে গেলাম অপয়া,,যে কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করতে গিয়ে,, বিয়ের দিনই বরকে মেরে ফেলে।আসেপাশের লোকজনের এই ঘটনাটা জানতে খুব একটা দেরি হলনা।বাড়িতে প্রতিবেশীদের আনাগোনা বেরে গেল।সবার মুখে সান্তনার বানী আর চাহুনীতে ঝরে পরত ছিঃছিঃ।নিজের কাছে,,নিজের বাড়ির লোকেদের কাছে আমি তখন যন্ত্রনার বলয় মাত্র।যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্যে বাবা-মা পাগল হয়ে উঠলেন।আমাকে আবার বিয়ে দিয়ে দিলেই সুধুমাত্র পরত্রাণ পাওয়া সম্ভব এমন পরামর্শ আত্মীয় স্বজনরা দেওয়া শুরু করলো।আমার তখন তোমাকে হারানোর কষ্ট থেকেও বড় হয়ে দেখা দিলো নিজের অস্তিত্ম রক্ষার লড়াই।দিনের পর দিন আমি পাগলের মত কাটালাম।আমার চিন্তা করার শক্তি নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো সেই সময়টায়।হয়ত পাগল হয়ে যেতাম পুরোপুরি আর বিয়ে হয়ে যেত আবার আমার খুব বড় কোন অঙ্কের লোভের বিনীময়ে।
কিন্তু তেমন কিছু হওয়ার আগেই একটা চিঠি এলো বাড়িতে।আমার স্কলারশীপের চিঠি।
এক দুপুরে সবাই বিয়ের দাওয়াতে আর বাড়ির কাজের মেয়েটা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে থাকায় যখন একটানা বেল বাজতেই থাকলো।খুব দ্বিধার সাথে দড়জার সামনে দারিয়ে খুলবো কি খুলবো না ভাবতে ভাবতেই নব ঘুরিয়েছিলাম।পিয়ন চিঠিটা আমার হাতেই দিলো।খুশি হয়েছিলাম কিনা জানি না,,তবে ঐ প্রথম মনে হয়েছিলো আমি একটু বাঁচতে চাই।কাউকে না জানিয়েই পুরোটা ব্যবস্থা করলাম।এমনকি প্লেনের টিকেটের টাকার জোগারটাও করেছিলাম বিভিন্ন জন্মদিনে বাবা-মার কাছ থেকে পাওয়া গয়নাগুলোকে একসাথে জড়ো করে নিয়ে নিউমার্কেটের এক গয়নার দোকানে বিক্রি করে দিয়ে।মনে আছে আমার ডিপার্টমেন্টের এক ম্যাডামের কাছে গিয়ে সব খুলে বলেছিলাম।উনি আমাকে আমার বরাবরের ভালো রেজাল্টের জন্যে বেশ পছন্দ করতেন।সে জন্যই হোক কিংবা নিজের বিবেক বোধের কারনেই হোক,, উনি আমাকে যাবতীয় সমস্ত সাহায্যই করেছিলেন যতটুকু ওনার দ্বারা করা সম্ভব ছিলো সেই সময়।যখন বাড়ির সবাই আমার বিয়ে ঠিক করে দিন তারিখের চিন্তায় ব্যস্ত এমন সময় এক সন্ধ্যায় বাড়ি ছারলাম।হাতের ছোট্ট ব্যাগে দুটো ঠান্ডার কাপড়, কাউকে না জানিয়ে নেয়া যায় এমন দু একটা টুকিটাকি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আর পড়াশুনার সমস্ত কাগজপত্র,,সাথে মনে প্রচন্ড ভয়।এই নিয়ে পার হলাম হাজার হাজার মাইল।এই দেশে যেদিন প্রথম পা রাখি সুধু কোথায় থাকবো এটুকু জানা ছাড়া আর তেমন কিছুই জানা ছিলো না আমার।তবুও বেঁচে গেলাম আমি।এই অপরিচিত রুক্ষ ঠান্ডার দেশে বেঁচে গেলাম।কিন্তু আমি কি আসলেই বেঁচে যেতে পেরেছিলাম??
"রবী ঠাকুরের লেখাটুকু অনেক আগে কোথাও পড়েছিলাম।যদি লেখাটির কোথাও অনিচ্ছাকৃত রদবদল হয়ে থাকে তার জন্যে ক্ষমা প্রার্থী"
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
বাহ্...চমৎকার লেখাতো....ভালো লাগলো....+
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
Trea, ami janina apni lekha lekhite thik kon porjaye achen, kintu ei part ta pore mone hocche apnar besh koyekta golpo uponnasher boi thakata khub e shavabik. Osomvob sundor laglo ... Valo thakben ...
লেখক বলেছেন: স্বপ্ন ভাইয়া
আপনার মন্তব্যে খুশি,,লজ্জা আর ভয়ের মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছে।
আপনার এত ভালো লেগেছে ভেবে কেমন যেন বোকা বোকা লাগছে নিজেকে।খুব কি ভালো লেখা,,হয়ত।আচ্ছা সে যাই হোক।
আর আমার পর্যায়।
হুমম,,ঐ যে বিবর্ণ রঙধনু।ওখান থেকে শুরু।এর আগে খুব ডায়রি লিখতাম এককালে।এইতো।
আপনিও খুব ভালো থাকবেন।আমাদের দূর্দান্ত রেসলার আর আপনার গল্পের গোলাপি পরিকে নিয়ে।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আসলে গল্পের ঠান্ডার দেশটা যে ঠিক কোনটা আমি নিজেও চিন্তা করে দেখিনি।দরকার পরেনি তো তাই।
পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
সিরিজ লেখা পড়িনা। তবে আপনার লেখার হাত চমৎকার নিঃসন্দেহে। পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
লেখক বলেছেন: হাসান আপনি কি জানেন,,আপনি সেই মানুষ যিনি ব্লগে আমাকে প্রথম স্বাগতম জানিয়েছেন আমার লেখায় প্রথম মন্তব্য করে।
আর আজকে আপনি দ্বিতীয়বারের মত কিছু বললেন।
আপনাকে বিব্রত করলাম কিনা জানিনা,,তবে আপনাকে দেখে ভেতরের ভালো লাগাটা জানাতে ইচ্ছে করল।
অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনি ভালো থাকবেন।
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
ভাল লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সবুজ সাথী বলেছেন:
আপনার সব লেখাই খুব ভালো লাগে। খুব সুন্দর লেখেন। তবে খুব দেরী করে লেখা আসে। ভালো লেখা দেরী করে আসলেও ভালো লাগে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনি যে ধৈর্য্য নিয়ে পড়েন সে জন্যে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।আসলে সবসময় লিখতে ভালো লাগে না।তবে চেষ্টা করব আরও নিয়মিত হওয়ার।
লেখক বলেছেন: ভালো লেগেছে জেনে আমারও খুব ভালো লাগলো।
যাইহোক খুব-খুবই ভালো লাগলো। তবে মনটাও খারাপ হয়ে গেলো অনেক।
কেনো জানিনা মনে হয়, আমাদের সবার মধ্যেই অন্য একটা বাস করে বেখেয়ালেই হয়তো। সবাই পারেনা, কিন্তু খুব অল্প কয়েকজন এমন অদ্ভুতভাবেই বেঁচে থাকে, কল্পনায় যাপন করে জীবন।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: সুন্দর বলেছেন।পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: গল্পও কিন্তু কোথাও না কোথাও সত্যি কোনো ঘটনা থেকেই আসে।
ইচ্ছে বলেছেন:
এক সন্গে চার পর্ব শেষ করলাম, দারুন হয়েছে...চমৎকার লেখার হাত আপনার, ভাল লাগলো খুব...
আপনার পরবর্তি লেখার অপেক্ষায় রইলাম...
লেখক বলেছেন: আমিও ভাবছিলাম একসঙ্গে চার পর্ব পড়তে কেমন লাগবে কে যানে,,আপনার ভালো লেগেছে যেনে আমারও ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন।
মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান বলেছেন:
আপনার লেখায় মোহনীয়তা আছে। খুব ভালো লাগলো লেখাটা পড়ে। আরো লিখার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।চেষ্টা করব লিখে যাওয়ার।
উল্টো মানুষ বলেছেন:
একটানা পড়ে ফেল্লাম। ভালো লেখাগুলোই শুধু এত সহজে পরে ফেলা যায়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর বর্ণনা ধর্মী একটা লেখা। একটানেই পরা গেল। ভালো লাগলো। সিরিজের আগের লেখাগুলো সময় করে পরে নেব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
তাজা কলম বলেছেন:
ঝিরঝির বৃষ্টির মতোন কবিতার সুরে শিল্পিত '"অশ্লীল" কথকথা। ++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: তাই কি??হয়ত তাই।
ধন্যবাদ।
পার্থ বিশ্বাস বলেছেন:
আপনার লেখার হাত সত্যিই চমৎকার তবে সামান্য কিছু পরবির্তনকরলে পড়তে আরো ভালো লাগবে যেমন .. "জরাজরি" - জড়াজড়ি এরকম সামান্য কিছূ পরবির্তন একি মানবীর স্তন,,শুভ্র সাদা সঙ্খ যেনো জোড়
চঞ্চল পুলকরাশি কোন্ স্বর্গ হতে ভাসি
আমরি হৃদয়স্পন্দনে তব, পল্লবে মর্মর..............।।
রবী ঠাকুরের উদ্ধৃতি টুকু খুব প্রাসঙ্গিক ..........
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।পরিবর্তন যদি শুধু এমন একটাই হত তাহলে হয়ত খুবি ভালো হত।কি যে করব এই বানানের ব্যাপারে।
আমি খুবই লজ্জিত।
তবুও আপনার ভালো লেগেছে তাই কৃতঞ্জতা রইল।
কষ্টের নদী বলেছেন:
এই প্রথম আমি আপনার লিখা পড়লামঅন্যরকম একটা মোহনীয়তা আছে, আমি এক নি:শ্বাসে পড়ে ফেললাম। বুঝতেই পারিনি কখন শেষ হয়ে গেলো। পড়ার সময় মনে হচ্ছিল আমি নিজেই এই কাহিনী দেখছি অথবা আমি নিজেই এর কেন্দ্রিয় চরিত্র।
টাইম পেলে অন্য লিখা গুলো ও পড়ব আপনার।
ভবিষ্যতে আরো অনেক অনেক ভালো কিছু গল্প লিখুন এই কামনা করি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।খুব সুন্দর বলেছেন।পাঠকই পারে গল্পের পরিপূর্নতা এনে দিতে।আপনার কথায় খুব ভালো লাগলো।
রিমি (স. ম.) বলেছেন:
খুব সুন্দর। খুব সুন্দর। খুব সুন্দর।
রিমি (স. ম.) বলেছেন:
প্রিয়র আলনাতে না সাজিয়ে পারলাম না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন।
রাগ ইমন বলেছেন:
আজকেই চোখে পড়লো আর চার পর্ব এক সাথে পড়ে এলাম। বেশ ভালো লাগছে পড়তে । চলুক ।
অভিনন্দন আপনার ঝরঝরে লেখায় ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।
ভালো থাকবেন।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
ভাল লাগা ছুয়ে গেল এ পর্বের প্রতিটি শব্দে .... বৃষ্টি মনে হয় সবাইকে এমন ভাবেই মাতাল করে দেয় আর সেই সাথে একাকিত্বের বিষাদ করে তোলে অবসন্ন ... যা থেকেই মানুষ কিছু না হারানোর শক্তিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠে ... নিজ হাতে বানিয়ে চলে আপন গন্তব্যের পথ-নকশা ।
লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর বলেছেন তো।
পেন্সিল বলেছেন:
লেখা ভালোই হয়েছে...কাম আর প্রেমের অপূর্ব এক মিশেল...কিন্তু রবি ঠাকুরের ব্যাপারটায় মনে হয় অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়েছে...আমি নিজে রবীন্দ্র মৌলবাদী নই..তবু যতটুকু মনে পড়ে,'চঞ্চল পুলকরাশি কোন্ স্বর্গ হতে ভাসি' এর পরের লাইনটা হল,'নিখিলের মর্মে আসি লাগে'...
এইটা কি শেষ পর্ব নাকি?
ত্রেয়া বলেছেন:
তোমাকে বললাম না,,আমার কাছে খুবি ধোয়াটে ছিল লাইনগুলো।আর এর জন্যে তো আগেই ক্ষমা চেয়েছি আমি।আমার মেমরীর উপর ভরসা করা আমার নিজেরই যুক্তিসঙ্গত মনে হয়নি উহু শেষ পর্ব না।আর একটা পর্ব বাকী।
সায়েম মুন বলেছেন:
অনেক বড় লেখা, পড়ে পড়ব। প্রিয়তে থাকল।
লেখক বলেছেন: পড়বেন কিন্তু!!
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার! অসাধারণ! মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়ে গেলাম। কোথাও এতোটুকু থামতে হয়নি। ব্লগে এমন লেখা আমি খুব কম পড়েছি। প্রিয়তে রেখে দিলাম। আপনাকে আমার ফেভআরিট লিস্টে রাখাটা সার্থক মনে হচ্ছে। এভাবেই লিখতে থাকুন। অন্তর থেকে শুভ কামনা রইলো।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।আপনার কথায় তো লজ্জাই পেলাম।
ভালো থাকবেন।
পেন্সিল বলেছেন:
'পাঠকই পারে গল্পের পরিপূর্নতা এনে দিতে।' মোটেও একমত নই। আমি নিজে কখনই পাঠকের কথা ভেবে লিখি না। কয়টা প্লাস আর কয়টা মাইনাস,,এইগুলাও গুনি না। বরং সমালোচনা সদরে গ্রহন করি। একলক্ষ পাঠকের চেয়ে একজন চার্লস ডিকেন্সের মন্তব্য আমার কাছে বেশী গুরুত্বপূর্ণ।হুমায়ুন আহমেদ এর পাঠক কিন্তু কম না...কিন্তু আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সাথে তার লেখার কোন তুলনা হয়না...নাম শুনছো উনার?
লেখক বলেছেন: তোমার কথা মাথা পেতে নিলাম,,তবে সমালোচনাটাও তো পাঠকই করে তাই না।আমি যে শুধু ভালো মন্তব্যেই পরিপূর্ণতা পাবে এমনটা বলেছি তা ভাবলে কেন।
লেখক সে হুমায়ুন কিংবা আখতারুজ্জামান,,পাঠক না পড়লে তাদের কি করে লেখক বলতে শুনি?তা সেই পাঠক সাধারণ হোক আর চার্লস ডিকেন্সই হোক কাউকে না কাউকে পড়তে তো হবে ভালো বা খারাপ বলতে তো হবে নইলে তুমি বুঝবেই বা কি করে যে একজন চার্লস ডিকেন্স এর মন্তব্যটাই তোমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
আচ্ছা এই ডিকেন্স ভদ্রলোক টা যেন কে....!!(আমার উপরে এখন পরে যেয়োনা যেন আবার)
কাজল রশীদ বলেছেন:
লেখা প্রাঞ্জল।
পেন্সিল@ হুমায়ুন আহমেদ সাধারণ পাঠকের জন্য লিখেন, উনি
গল্প,উপন্যাস সরল ভাষায় উপস্থাপন করতে পারেন, কিন্তু তিনি
সাহিত্যিক নন। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের তুলনা তিনি নিজেই।
পেন্সিল বলেছেন:
কাজল রশীদ, আপনার সাথে সহমত।
ভিজামন বলেছেন:
ভাল
ফারা তন্বী বলেছেন:
মন্তব্য করার জন্য যথেষ্ট উপযুক্ততা নেই আমার। স্রেফ প্রিয়তে নিলাম।
ত্রেয়া বলেছেন:
কেমন আছেন তন্বী আপু?
পেন্সিল বলেছেন:
'পাঠক না পড়লে তাদের কি করে লেখক বলতে শুনি?' লেখক হলো যে লেখে...লিখলেই লেখক...দলিল কয় জনে পড়ে? তারপরেও যে দলিল লেখে সে দলিল লেখক।
লেখক বলেছেন: এটা কি বললে,,তর্কের খাতিরে কথা বলাটা তো অর্থহীণ।
দলিল লেখক ও যদি লেখক হয় তবে যারা ডায়রি লেখে তারাও তো লেখকই।
তর্ক করতে ভালো লাগছে না।
খুব বেশি মন খারাপ।
খুব বেশি।
ফারা তন্বী বলেছেন:
ভাল আপু। আমাদের তো ভাল থাকতেই হয়। ভাল না থাকাতেও আমাদের দোষ।
লেখক বলেছেন: আপনি এইভাবে বইলেন না তো আপু।ইনশাল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে।আমি খুব বেশি উপরওয়ালায় বিশ্বাস করি।আমি জানি উনি সব ঠিক করে দিবেন।
লেখক বলেছেন: আপনি আমার লেখা পরেছেন তা দেখেই খুব ভালো লাগছে।
ভাল থাকবেন।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
ভাল লিখেছেন +++
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
চমৎকার লেখা.........................................................+++
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পেন্সিল বলেছেন:
ঐ মন খারাপ ক্যান?? কি হয়ছে?
স্বপ্নকথক বলেছেন:
প্রিয় কয়েকটা লাইন উদ্ধৃত করবো ভাবলাম,মাগার তাইলে দেখি পুরা লেখাই দেওন লাগে!!যাউগগা,ঐহানে যাওনের পর তোর কেমন লাগছে এখন বুঝতাছি।
লেখা শেষের পর লেখাটা ড্রাফট করে একবার বানান চেক করবি...
পেন্সিল কে? আমি চিনি?
দোস্ত, বেশী মন খারাপ করিস না।সময়ের সহযাত্রী আমরা সবাই।
ভালো থাকবি,নইলে মাইর খাবি।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
ওই....মাইনাস দিলো কে রে? খাইসি তরে!!
লেখক বলেছেন: গল্প পড়েই বুঝে গেলি আমি ভালো নেই।হুমম তাহলেই হয়েছে।
লেখারই তো সময় পাইনা রে আর চেক করব এতটা ধৈর্য্য থাকলে তো আমি আর আমি হোতাম না।
পেন্সিল,,নাহ তুই চিনিস না।ইস্ট-ওয়েস্ট এর না ও।
মাইনাস দেখে কিন্তু আমার মজা লেগেছে খুব।আমার ধারনা ছিলো আরও বেশি হবে মাইনাস এর পরিমাণ।
তুইও ভালো থাক।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
প্রিয়তে রেখে দিলাম। কোনো একদিন টাকা পয়সা জমিয়ে যদি কিছু নিজের জন্য সম্পাদনা করটে চাই, তাহলে এ লেখাটি না জানিয়ে ছাপিয়ে দেবো আর কি!মেয়েদের অনেক লেখাই পড়েছি, কিন্তু সবখানেই একটা মুখোশী লেখা, মানে পুরুষতান্ত্রিক গৎবাধা রোমান্টিসিজম। কিন্তু আপনার লেখাটা পড়ে মনে হলো আরে মেয়েরা তো এভাবেই ভাবে। ছোট ছোট শিশুরা কি করছে, তার ভালোবাসার মানুষটা কিভাবে দেখছে, নিজের অনুভূতি গুলো কিভাবে নাড়া দেয়! সবচেয়ে ভালো লাগছে এটা বলতে যে একসময় আমি নিজেই যেনো আপনার কাহিনীর পরিবেশে বসে নিজ চোখে দেখছি সব কাজ গুলো খুটিয়ে এবং তাদের অনুভূতি কথা চিন্তাভাবনা সব যেনো আমাকেও ছুয়ে যাচ্ছে!
একজন রাইটারের সব চেয়ে বড় সার্থকতা হলো পাঠককে তার গল্পের মধ্যে টেনে আনা! আপনার মধ্যে অথবা আপনার হাতে অথবা যেখানেই হোক, এমন কিছু আছে যা দেখে হয়তো রবীচাচ্চু নিশ্চয়ই একটা কবিতা লিখে ফেলতো! রবীচাচ্চুর জন্য আমার করুনা হচ্ছে যে উনি আপনার লেখা পড়ার মতো সৌভাগ্যবান ছিলেন না!
চালায়া যান বস! মাঝে মাঝে যদি কখনো আসি তাহলে অবশ্যই এই ব্লগে নতুন এরকম কিছু চাই! স্বপ্নের ভাবালুতায় গা ভাসাতে কার না ভালো লাগে বস!
লেখক বলেছেন: বাহ্ নিজের সম্পাদনায় লেখা ছাপিয়ে দেবেন,,প্রিন্সের খাবার এ বাকীর খাতা খুলে দেবেন,,হুমম মেয়ে খুজবো বলাতেই এই আর খুজে দিলে তো না জানি কি হবে!!
বুঝলাম অনেক বড় কমপ্লিমেন্ট পেলাম।যদিও এর কতটা যোগ্য আমি নিজেও জানিনা।আর জেনে খুব ভালো লাগলো যে আপনাকে লেখার অনুভূতিগুলো স্পর্শ করেছে।
রবীঠাকুরের লেখা পড়ে আমি কত যে কেঁদে বুক ভাসালাম আর আপনি কি বলেন?তবে হ্যা উনি আমার লেখা পড়ে না হলেও আমাকে চিনলে যে কিছু একটা লিখে ফেলতেন তাতে কোনই সন্দেহ নেই।(জিব বার করার একটা ইমো দিতেতো চাই কিন্তু কিভাবে যে দিতে হয় কে জানে)
আপনি ভালো থাকবেন।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
আপনার এই সিরিজটির শিরোনাম অনেকবার দেখেছি মন্তব্যের ঘরে.........ভাবতাম, বুঝি শিরোনামটার জন্য এত মন্তব্য, পড়া হয়ে ওঠেনি.....হয়তো সময় অথবা আগ্রহের অভাবে। আপনার লেখা খুবই প্রাণবন্ত, খুবই।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: আগ্রহ করে পড়ার জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনিও ভালো থাকবেন।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
বাহ! এইতো চাই। খুব সুন্দর করে কাহিনীটাকে শেষ করলেন।খুব ভালো লাগলো, গল্টটা জুড়ে ছড়িয়ে ছিল, আমারও কিছু প্রিয় জায়গা। সায়েন্স ল্যাব, রোকেয়া হল, কার্জন হল, চারুকলা।
আমিও আপনার মত স্মৃতিকাতর হয়ে ঘুরে এলাম।
ভালো থাকুন। নিয়ম করে নিশ্চই আপনার লেখা পড়বো।
ত্রেয়া বলেছেন:
কাহিনী শেষ মনে হয়েছে নাকি আপনার??হায় হায় বলেন কি!!এখনো তো শেষ করিনি রোকেয়া হল বা কার্জন হল কোনটাতেই কিন্তু আমি কখনো যাইও নি।তবে ঐ পথে রিক্সায় যাওয়ার সময় হয়ত চোখ পরেছে কখনো এই যা।
আপনিও ভালো থাকবেন।
হুমম পড়বেন কিন্তু আর ভুল বানান দেখলে শুধরে দেবেন, আমার ভালো লাগবে।
ধন্যবাদ।
অন্যকোথাও বলেছেন:
আমি ভাষাহীন। পড়ার অভ্যাসটা মরে গেছে অনেকদিন হয়। তাই এরিক মারিয়া রেমার্কের "থ্রি কমরেডস" এর পর আক্রান্ত হবার মতো এতো বিষাদঘন লেখা আর পড়েছি কিনা মনে করতে পারছিনা।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনিও ভালো থাকবেন।
পেন্সিল বলেছেন:
অন্যকোথাও ভাই,,এইটা কি কম্পেয়ার করলেন? থ্রি কমরেডস এর সাথে এই লেখা!!!লেখককে বলছি,,তুমি পারবা...তোমারে দিয়ে হবে...চালায়ে যাও...বুকার পুরস্কারের জন্য তোমার নাম আমি পাঠিয়ে দেব...
লেখক বলেছেন: ঐ তুমি ফাইজলামি কর??ধরে পিটান দিবো বুঝসো।
আমি ভালো লিখিনা বলে কি তুমি এইভাবে পঁচাবা?(চন্দ্রবিন্দু কি ঠিক যায়গায় পরসে নাকি ভুল নাকি হবেই না?ধুর)
আমি যে পারবো এইটা আজকে জানলা!!কিন্তু কি যে পারবো সেইটা কে জানে একটু দেইখো তো।
ধুর বিরক্ত লাগতেসে বুঝলা।
কি যে করি?
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
আমি কি আসলেই বেঁচে যেতে পেরেছিলাম?একটা মনখারাপ সকাল আর একপালি বিষন্নতা নিয়ে ঘুমোতে যাচ্ছি....
লেখক বলেছেন: ঘুম শেষে বিষন্নতাও কেটে যাবে আশা করি।
পেন্সিল বলেছেন:
ঐ,আমি জীবনে কুনুদিন বলছি যে তুমি ভালো লেখোনা? বানান ঠিক আছে...এইতো পারবা...বেশি বিরক্ত লাগলে আমারে ফোন দিও...বিরক্তিতে বিরক্তিতে কাটাকাটি হয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: কাটাকাটি খেলাটা মনে আছে তোমার,,কাটাকাটি নাকি কাটাকুটি।যাই হোক মজার খেলা কিন্তু।দুইজন লাগে নইলে এখন খেলতে ইচ্ছে করছিলো।
কাটাকুটি।হুমমম.....
ভাঙ্গন বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
কিছু কিছু বিষন্নতা আছে যা ক্রমশই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়ে মিশে যায় জীবনের স্রোতে। আর মুছে ফেলা যায় না কখনো সেসব হলদে বিষন্নতার দাগ।আচ্ছা দিদি, জানতে পারি কি- ত্রেয়া কেন ধূসর? উপরের লেখাটি আত্মজীবনী?
লেখক বলেছেন: আরে না আত্মজীবনী না।এটাতো শুধুই গল্প।
ভাল বলেছেন।
আসলেই কিছু কিছু বিষন্নতা আছে একেবারে জীবনের সাথে মিশে যায়।
ত্রেয়া ধূসর....
জীবনের রঙগুলো সব হারিয়ে গেছে যে,,,সে যাকগে ঐ গল্প নাহয় অন্য কোনদিন।
পেন্সিল বলেছেন:
আচ্ছা,রিচমন্ড আসলে কাটাকুটি খেলা যাবে...আমি এই খেলাটা বেশ ভালো পারি। ড্র করতে পারলেও হারানো টাফ। কাগজ কলম এর ব্যবস্থা রেখো...পেন্সিল হলেও প্রবলেম নাই।
পেন্সিল বলেছেন:
ব্যাবস্থা*
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
অদ্ভুত সুন্দর হচ্ছে। বাকী পর্বগুলোর অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: আমি আসলেই লজ্জিত।মন্তব্যগুলো পড়ি,,খুব ভালো লাগে তবে ভালো লাগাটা জানাতে ভুল হয়ে যায় বারবারই।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ত্রেয়া, আপনার লেখার হাত ভালো যে হবে, সেটা আমার ব্লগে আপনার মন্তব্য পরেই বুঝেছিলাম । বেশ ভালো এবং সাহসী লেখা ।
কিছু টাইপো আছে, আরেকবার চোখ বুলিয়ে নিতে অনুরোধ করি ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হুমম চেষ্টা করছি টাইপো থেকে মুক্তি পাওয়ার।
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
ত্রেয়া, আপনার প্রথম লেখায় আমি বুঝে গিয়েছিলাম আপনি চমৎকার লেখেন, আপনার ব্লগে এলোমেলো ভাবে তখন থেকেই আসা হয়, পড়াও হয় কিন্তু কমেন্ট করা হয়ে ওঠে না, অন্যরকম চমৎকারিত্ব আপনার লেখার মাঝে, প্রশংসার খাতিরে বলছি না, আপনার লেখা গুলি মন কে নাড়া দেবার মতোই, আপনাকে আপনার প্রথম পোষ্টে হাত-পা খুলে লেখার অনুরোধ করেছিলাম, আপনি মন খুলেও লিখছেন দেখে ভাল লাগছে... চালিয়ে যান এভাবেই আরো ভালো লেখা পেতে চাই আপনার কাছে, আমার আজাইড়া ব্লগে আপনাকে স্বাগতম।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যে খুব ভাল লাগল।
কি বলব বুঝতে পারছি না ![]()
আপনারা আসলে খুব ভাল নাহয় এমন করে বলতেন না কখনোই।
গিয়েছিলাম আপনার ব্লগে।আবারও যাবো অবশ্যই
লেখক বলেছেন: আপনি ভয় দেখালেন বলেই না আমার শেষ পর্বটা এমন ভেস্তে গেল ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পারভেজ বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: হুমম,,+++
ধন্যবাদ
নাঈম বলেছেন:
এই সিরিজটি যতই পড়ছি ততই আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছি........
লেখক বলেছেন: কেন যেন আমার তোমাকে পিচ্চি ভাইয়া মনে হয়!!কেন বলতো ভাইয়া??
লেখক বলেছেন: মনে হয় এই পর্বের শেষ থেকেই আমার চিন্তারা অগছালো হওয়া শুরু হয়েছিলো।
kazibondhu বলেছেন:
শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে খারাপ লাগা শুরু হলো
লেখক বলেছেন: কি যে বলেন??
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জানা বলেছেন:
আপনি কোথায় গেলেন ত্রেয়া? এত দিন চুপচাপ কেন? আজ পড়লাম আপনার সব লেখা। খুব ভাল লেখেন আপনি। খুব শিগগীরই আবার আপনার লেখা পড়ার অপেক্ষায় থাকবো।
ভাল থাকবেন সবসময়।
ত্রেয়া বলেছেন:
জানা।আপনার নামটা কিন্তু খুব সুন্দর আপু।আপনাকে ধন্যবাদ যে আমার লেখাগুলো পড়েছেন।আপনি কোথায় গেলেন ত্রেয়া,,এমন আপন করে জিজ্ঞেস করেছেন যে আমার মাথায় প্রশ্নটা অনেকক্ষণ ধরে ঘুরতে থাকল।
আপনার প্রশ্নটা মাথায় ঘুরছিলো বলেই উপরের কথাগুলো লিখেছিলাম ''মাঝে মাঝে আমার শুধু তাকিয়ে.........''
আপনিও সবসময় অনেক ভালো থাকবেন আপু।
রাহুল বলেছেন:
অনেকদিন পরে খুব ভালো একটা লেখা পড়লাম।মেঘলা দিনে মনের মাঝে আরো মেঘ জমে গেলো।ধন্যবাদ লিখাটার জন্য।
রো-দ্দু-র বলেছেন:
এতজনের ভাল লাগা'র মাঝে কি আমার ভালো লাগা'টা চোখে পড়বে?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















