দ্বিচারিনী একজন......[শেষ পর্ব]
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৭
দ্বীচারিনী একজন.......
দ্বীচারিনী একজন....... [দ্বিতীয়]
দ্বীচারিনী একজন....... [তৃতীয়]
দ্বিচারিনী একজন......[চতুর্থ]
--------------------------------------------------------------------
কিন্তু আমি কি আসলেই বেঁচে যেতে পেরেছিলাম??
বাঁচতে পারা শব্দটা মনে হতেই আমার ঠোটে এক চিলতে কষ্টের হাসি ছলকে উঠল।ঘাড়ের কাছটা একটু যেন শক্তও হয়ে গেলো।আমি ঘাড় কাত করে শাওয়ারের নিচে ঘাড় পেতে দিলাম।নেমে আসা গরম পানির ধারায় এবার আর খুব একটা কাজ হোলো না।হীমশীতল স্মৃতির পুরোনো অনুভবে আমার পুরো শরীর কেঁপে কেঁপে উঠল।মনে পরল
এই দেশে প্রথম নিজের থাকার যায়গাটা দেখে,,পড়ার ইউনিটা দেখে মন ভরে উঠেছিলো।মনে হয়েছিলো আমি পারবো।তোমাকে,,নিজের পেছনকে ভুলে যেতে না পারলেও আবার আমি নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত হতে পারবো।সারাদিন ক্লাস করতাম আর সন্ধ্যায় ইউনির পাশেই হোস্টেলের ছোট্ট নিজের ঘরটায় এসে বসে থাকতাম।ভাবতাম তোমাকে,,পেছনের দিনগুলোকে,,ভাবতাম বাড়ির সবাই এখন কি করেছে।কত সম্ভব অসম্ভব ভাবনাই যে ভিড় করত আমার মনে সেই সময়।আর চোখ বেয়ে অঝরে ঝরেই যেত।কাঁদতেই থাকতাম আমি।কাঁদতে কাঁদতে এক সময় বিছানার এক কোনায় গুটিসুটি হয়ে ঘুমিয়ে পরতাম নিজের অজান্তেই।পরদিন আবার সেই একই নিয়ম।এভাবেই চলছিলো।কিন্তু দু সপ্তাহের মাথায় আমার মনে হোলো পড়াশুনার জন্যে না হলেও নিজের বেঁচে থাকার জন্যে একটা কাজ দরকার আমার।শুরু হোলো কাজ খোজা।প্রচন্ড শীতের মধ্যে আসেপাশের প্রতিটি দোকানে গিয়ে বলা তাদের লোক লাগবে কিনা।পরের পাক্কা দুটো মাসের প্রতিটি ফাঁকা সময় আমার গ্যাছে দোকানগুলোর দরজায় দরজায়।কিন্তু কিছুই হোলো না।হতাশ আমি এক বিকেলে স্প্রী নদীর কাছটায় বসে ছিলাম।ভাবছিলাম কি করব?হঠাৎ কান্নায় ভরে ওঠা ঝাপসা চোখে খেয়াল করলাম দূরে নদীর একদম ধাঁর ঘেসে একটা রেষ্টুরেন্টে বেশ ভিড়।মনে হোলো খুব নামকরা রেষ্টুরেন্ট বোধহয়।এগিয়ে গেলাম,আরও একবার নাহয় চেষ্টা করে দেখি।ভেতরে যাওয়ার পর একজন ওয়াটের এসে জিজ্ঞেস করাতে বললাম ওদের মালিকের সাথে কথা বলতে চাই।কিছুক্ষণ পর মালিক ভদ্রলোক এলেন এবং নিজের দেশের লোক হিসেবে সাথে সাথে আমাকে কাজেও নিয়ে নিলেন।সেই মালিক ভদ্রলোকই এখন আমার বর।
ধীরে সময় চলছিলো এভাবেই।আমার ছিলো ক্লাস আর কাজ।নিজের ভেতরেই নিজে গুটিয়ে থাকতাম।ততদিনেও নিজের ইউনিতে একজন বন্ধুও হয়নি তাই।নিজের হোস্টেলেও কারও সাথে কথাই বলতে চাইতাম না খুব একটা।বা সখ্যতার তো প্রশ্নই ওঠে না।তবুও লুকোতে পারলাম না।রেস্টুরেন্টের মালিকের চোখে পরে গেলাম।প্রথম প্রথম ভদ্রলোক সবকিছু শিখতে বেশ সাহায্যই করেছিলেন।কিন্তু একসময় ঠিকই টের পেয়ে গেলেন আমার অসহায়ত্ব।একদিন একটা প্রাইভেট পার্টিতে খাবার আর পানীয় ডেলীভারি দিয়ে ওনার গাড়িতে ফিরছিলাম।হঠাৎ মাঝ রাস্তায় উনি গাড়ি থামিয়ে দিলেন।বলতে শুরু করলেন,
-বিদেশ বিভূইয়ে একা মেয়ে মনুষের যে কত যন্ত্রনা তাতো বুঝাই যায়।তোমার কষ্ট ও আমি বুঝি।তবে তোমার ভাগ্য ভালো যে তুমি আমার এখানে এসে পরেছ।এখন তুমি যদি চাও.....
বলতে বলতে উনি আমার উরুতে হাত রাখলেন।আমি বিস্ময়ে ভয়ে ক্ষোভে যেন পাথর হয়ে গিয়েছিলাম তখন।লোকটার আঙ্গুলগুলো ঠিক যেন সাপের মতই কিলবিল করছিলো আমার পায়ের উপর।ঘৃণায় মুখ কুচকে উঠল আমার।আমি এক ঝটকায় হাতটা সরিয়ে দিয়ে ওনাকে আর কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়ে গাড়ি থেকে নেমে গেলাম।কয়েক মূহুর্তের একটা ঘটনা কিন্তু আমার মনে হচ্ছিলো যেন আমি কয়েক যুগ ধরে ওভাবেই গাড়িতে বসে ছিলাম।আমি ভুলে গেলাম কণকণে ঠান্ডা কিংবা মধ্যরাতের কথা।আমি হাটতেই থাকলাম।প্রচন্ড ঠান্ডায় আমার দুচোখও জমে গিয়েছিলো যেন।কাঁদতে পারছিলাম না আমি।তবু আমি হেটে চললাম ধোঁয়াটে আধারের রাতের পথে।কানের দু-পাশ দিয়ে শোঁ শোঁ আওয়াজে হীম বাতাস তার জানান দিয়ে যাচ্ছিলো।প্রচন্ড শীতে আমার নিঃশ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিলো।বারবার আমি দোষ দিচ্ছিলাম তোমাকে।কেন তুমি নেই।কেন নেই??কেন চলে গেলে এভাবে...........।কেন??আমাকে রেখে চলে গেলে তুমি।কেন আজ ঐ লোকটি থেকে বাঁচাতে পারলে না আমাকে??সে রাতে হোস্টেলে ফিরে নিজের বিছানায় থম ধরে আমি বসে ছিলাম সারাটি রাত।
পুরো রাস্তা হেটে হোস্টেলে ফেরায় পরদিন ঠান্ডা লেগে আমার নিউমোনিয়া হয়ে গেলো।ওদিকে কদিন পরই আমার ফাইনাল টার্ম পরীক্ষা।কিন্তু আমি পরে রইলাম হাসপাতালে।কেউ নেই সাথে।না বন্ধু,না কোন আত্মীয়,না পরিচিত কেউ।যদিও এদের চিকিৎসা ব্যাবস্থা এতই ভালো যে রোগীর সাথে কেউ না থাকলেও কোনো ক্ষতি নেই।কখনো সজ্ঞানে কখনো জ্ঞানহীন পরে রইলাম আমি।তারপর একসময় বোধ ফিরে আসার পর খুব অবাক হয়ে দেখলাম সেই রেষ্টুরেন্টের মালিক আমার কাগজপত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছেন খুব।সে নিজে থেকেই আমার অসু্স্থতার কাগজ আমার স্কুলে জমা দিয়ে এল পরীক্ষা না দেয়ার কারণ হিসেবে।তাছাড়াও আমার পরিচর্যা থেকে শুরু করে নিয়মিত আমাকে দেখতে আসা সবই সে করল দায়ীত্বপূর্ণ ভাবেই।অদ্ভুত ব্যাপার হোলো সে কদিন হাসপাতালে তাকে দেখে একবারও মনে হয়নি এই লোকই সেই রাতের লোভী লোকটি।বা তার আচরনে একবারের জন্যেও প্রকাশ পায়নি যে সে কোনো লাভের আশায় বা কোনো বাজে চিন্তা করে আমাকে সাহায্য করছে। আমি আজও অবাক হই।নিজেকে বারবার প্রশ্ন করেও কোনো উত্তর পাই না আমি।যার প্রতি আমার এতটুকু শ্রদ্ধা ছিলো না,, ছিলো না একটুও আগ্রহ বা মায়া।শুধু একটা নিস্পৃহ অনুভূতি ছিলো যেই লোকটির প্রতি তাকে সেই সময় আমি বিয়ে করেছিলাম।কিন্তু কেন এমনটা করেছিলাম তখন??কি ভেবছিলাম সেই সময়,, একা পেরে উঠবো না এই রুক্ষ দেশে।নাকি একটা নিশ্চন্ত জীবন চেয়েছিলাম।কি করে এতটা স্বর্থপর হয়েছিলাম আমি নিজের সাথে।কিভাবে এতটা নিচে নেমেছিলাম শুধু একটু নিশ্চন্ত নির্ভরতার আশায়।কি করে আমি ভুলে গিয়েছিলাম যে তুমি চলে যাবার পরও দেশের বিভৎষ অবস্থা থেকে নিজেকে বের করে নিয়ে এসেছিলাম আমি একাই।দেশে থেকে যাওয়াটাও কি তাহলে এর চেয়ে অনেক সহয হোতো না??আমি জানি তুমি ঘৃণা কর।আমাকে তুমি ঘৃণা ছারা অন্যকিছুর পাওনাদার মনে কর না তা আমি ভেতরে ভেতরে বুঝি।
কখন যে মার্বেলের মেঝেতে বসে পরেছি বুঝতেও পারিনি।হাটুতে মুখ গুজে থাকতে থাকতে নিঃশ্বাস আটকে আসায় বোধ হোলো।আমার চারপাশে শুধু ধোঁয়া।ছোট্ট শাওয়ার রুমটায় গরম পানির পাক পাক ধোঁয়া জমাট বেঁধে আছে।তার মাঝে আমি দুই হাটুতে মুখ গুজে ভেবেই যাচ্ছি।আর আমার খোলা পিঠে গরম পানির স্রোত তার অদৃশ্য মায়ার হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।কিন্তু আমি ভাগ্যহীনা।এই মায়ার আশা করার মত সাহস ও আর হওয়া উচিত না আমার।আমি দীর্ঘ্যশ্বাস ফেলে উঠে দাড়ালাম।নব ঘুড়িয়ে থামিয়ে দিলাম পানির স্রোতের উষ্ন আদরটুকুও।একটা বাথ রোব গায়ে জড়িয়ে বের হয়ে এলাম বাথরুম থেকে।ছবির মত একটা বাসা আমার।যেখানে যতটুকুন আসবাবের দরকার ঠিক ততটুকুনই আছে।আবার প্রয়োজনীয় আরামটুকুর প্রতিও পুরোপুরি খেয়াল রাখা হয়েছে বাড়ির প্রতিটি কোণে।এতটাই টিপটপ এই বাড়ি যে এখানে কিছুতেই নিজেকে আপন মনে হয় না আমার।এতগুলো বছর থেকেও এ বাড়িতে আমার নিজেকে যেন অচেনাই ঠেকে।ড্রেসিং কেবিনেটের সামনে চামড়ায় মোরানো টুলটায় এসে বসলাম।তাকালাম আয়নায়।নিজেকে দেখি,,দেখি নিজের ভেতরটা।আয়নার ভেতর দিয়ে নিজেকে দেখতে দেখতে পেছনের বিছানাটায় চোখ চলে গেলো।এই বিছানা আমার কাছে খুব ভয়ের একটা যায়গা।এই বিছানাতে কেটেছে আমার অগনিত নির্ঘুম রাত।যখন সারাদিনের ভিষণ কাজের পর আমার বর সুখি একটা ঘুম দিতেন,, পাশেই আমি কাঠের টুকরোর মত পরে থাকতাম ঘুমহীন।নড়তেও ভয় হোতো।মনে হোতো নড়লেই উনি জেগে উঠবেন।ওনার যদি জেগে উঠে আমার স্বাদ নেয়ার ইচ্ছে হয়।যদি বলে উঠেন এদিকে ফেরো তো একটু??ঘুমের ঘোরে ওনার হাত আমার উপর পরলেও কেঁপে উঠতাম আমি।আয়না থেকে চোখ সরিয়ে নিলাম বিতৃষ্ণায়।
ভালো লাগছে না।কিছুই ভালো লাগছে না আমার।আর কতদিন এই বন্দি গুমর জীবন কাটাবো আমি।এমন একটা জীবন যেখানে আমি আছি কিন্তু বেঁচে থাকা ছাড়া এই জীবনের আর কোন অর্থ নেই।একজন লোকের বউ হয়ে আছি যে মাঝে মাঝে মাঝরাতে জেগে গেলে আমার শরীর ছাড়া আর কিছুই আশা করেন না আমার কাছ থেকে।না,,তার প্রতি আমার কোন অভিযোগ নেই।তিনি আমাকে কিছু দিতে কার্পণ্য করেন নি কখনোই।একজন মানুষ বেঁচে থাকতে যা যা চাইতে পারে তার চেয়ে অনেক বেশি কিছুই দিয়েছেন তিনি আমাকে।দিতে পারেন নি শুধু একটি সংসার।ওনার সংসার উনি রেখেছেন আমার থেকে বহুদূরে,,ধরা ছোঁয়ারও বাইরে।তবে কি আমি তার কাছে একটা সংসার আশা করি।না তাও তো না।নইলে কেন আমি পাগল হয়ে গেলাম যখন বুঝতে পারলাম আমার ভেতরে অন্য প্রাণের অস্তিত্ব।কেন নিজের প্রতি হিংস্র হয়ে উঠলাম আমি??পৃথিবীতে সঞ্চার হতে দিলাম না আরেকটি প্রাণের।তাহলে কি চাই??কেন এই বেঁচে থাকা.....
আকাশে সুন্দর একটা চাঁদ উঠেছে আজ।পূর্ণ চাঁদ।ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘগুলোর ভেতর দিয়েও সে তার দ্যূতি ছড়িয়ে দিচ্ছে।অদ্ভুত মায়াবী জোৎস্নার আলো।এমন রাতে তুমি আমায় ফোন করতে।বলতে বিয়ের পর এমন রাতগুলোয় আমরা ঘুমোবো না।গল্প করব।ছাদে গিয়ে এক চাদরের নিচে বসে পূর্ণিমার কবিতা পড়ব আমরা রাতভর।
বিয়ে হয়েছিলো আমাদের,,কিন্তু এমন রাত আসেনি।আসতে পারেনি।এমন কোনো রাত আর কোনদিন আসবে না আমাদের।তবে কেন আমি জেগে আছি।কিসের আশায় আছি আমি??কি চাই নিজের জীবন থেকে,,,,আর কি চাই??আর কি পাওয়ার আছে আমার।তুমি নেই।নিজের পরিবারের কারও সাথেই আর কখনো যোগাযোগ হয়নি আমার।সবসময় একটা অভিমান কাজ করে।হয়তো এই অভিমানেরও কোনো মূল্যো নেই।হয়তো কোনো মানে হয়না।তবুও পারিনি আমি.....।তারাতো জানেও না আমি বেঁচে আছি কিনা আদউ।পড়তে চেয়েছিলাম।মাস্টার্স শেষ।কদিন পর পি এইচ ডি শেষ করব।তারপর।তারপর আর কি??
আমি ঘুমিয়ে গেলে,,আমি ছাড়া একটা নতুন ভোরে কি খুব বেশি কষ্ট হবে আমার বরের।হয়ত তিনি পাকাপাকি ভাবে ফিরে যাবেন সংসারে কিংবা আরেকটা আমি...।হোকনা তাতেই বা আমার কি?আমি ঘুমিয়ে গেলে ওপারের জীবনে তোমায় কি খুজে পাবোনা একবার??তোমার সামনে গিয়ে দাড়ালে কি তুমি ফিরিয়ে দেবে আমায় অন্যের বউ বলে??না তুমি ফিরিয়ে দেবে না,,দিতে পারোনা তুমি।
আমি কি এখনো তোমার নই।আমি কি এক মূহুর্তের জন্যেও অন্য কারও হয়েছিলাম??
কেউ ফিসফিস করে উত্তর করলো,,তোমার ভেতরে তাকিয়ে দেখতো ওনার জন্যে কি তোমার ভেতরে কোনো যায়গাই নেই??আমি দেখলাম আমার সামনেই আমি যেন দুটো ভাগ হয়ে গেলাম।আমি চিৎকার করে উঠতে চাইলাম।দুটো বছর একসাথে থাকার পরও কই আমি তো কখনো বুঝতে পারিনি তার প্রতি আমার ভেতরের কোথাও কোন অনুভূতি তৈরি হয়েছে।আমার ভাবনায়,,আমার দুই সত্তাই আমার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসতে থাকলো।
আমার কেমন যেন অসহায় মনে হচ্ছে নিজেকে।
আমি ধীরে কেবিনেটের ড্রয়ারটা খুললাম।তিনটে ডক্সিলামাইনের কৌটো পরপর রাখা।আমি একবার আকাশের দিকে তাকালাম।ভাবলাম এমন ভরা চাঁদের রাতেও কি আমার এবারের পথ বন্ধুর হবে??কৌটোগুলকে বিছানায় রেখে মনে হোলো একটা সিডি খুজতে হবে।সিডিটা খুজে পেয়ে প্লেয়ারে রবীন্দ্রগীতি চালিয়ে দিয়ে বসলাম বিছানায়।সাইড টেবিলে রাখা পানির গ্লাসটা হাতে নিয়ে চুপচাপ কিছুক্ষণ বসে থাকলাম।
তারপর একসময় সবগুলো অষুধ যখন গলা দিয়ে নেমে গেলো হাতের খালি গ্লাসটা আবার নামিয়ে রাখলাম টেবিলটায়।বাতি নিভিয়ে শুয়ে পরলাম আমি।
আলোর বন্যায় ভেষে যাচ্ছে আমার ঘর।আমার সব বোধগুলো ফিঁকে হয়ে আসছে যেন।সব কষ্টরা চলে যাচ্ছে একে একে।মা এসে একটা চুমু খেলেন আমার কপালে।বললেন,,এবার তুই ঘুমোতো।শান্তির একটা ঘুম।আমি ধীরে চোখ বুজলাম।
প্লেয়ারে বন্যা তার দরদ মাখা গলায় গাইতে থাকলো.......
চাঁদের হাসি বাঁধ ভেঙ্গেছে
উছলে পরে আলো
ও রজনীগন্ধা তোমার
গন্ধ সুধা ঢালো..............।।
সমাপ্ত...
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রিমি (স. ম.) বলেছেন:
দ্বিচারিণীর সবগুলো পর্ব ভাল লেগেছে আমার। আপনি সুন্দর লেখেন। শুভকামনা। লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
রবীন্দ্রগীতি????দোস্ত, কিছু মনে করিস না.....মনে হলো তাড়াহুড়া করে লিখেছিস।
পূর্বের পর্বগুলোর আবহটা খুঁজে পেলাম না।
এজন্য লেখা একবারে সম্পূর্ণ লিখলে মনেহয় ভালো হয়।
উপদেশ দেবার জন্য দুক্ষিত।
ত্রেয়া বলেছেন:
হেহেহেহেহ......বলিস নারে!!!তিনদিন ধরে লিখেছিলাম।দুপুরে পোষ্ট ও করেছিলাম কিন্তু পোষ্টটা ভুল করে মুছে ফেলেছি :'(কোথাও ড্রাফটও করা ছিলো না।তাই যতটুকু মনে আছে তাই তুলে দিলাম।কি আর করার আছে।
যাই হোক আমি নিজেও ডিসোপয়েন্টেড নিজের কাজ কর্মে।
দুক্ষিত হয়ে কোনোই লাভ নেই।
ভালো থাক।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
ধুর.....তাইতো কই "লুসি তো এমন লিখে না!!"ব্যাপারস না দুস্ত,চালায়া যা।
রবীন্দ্রগীতি হবে না রবীন্দ্রসংগীত?? এডিট কর....
লেখক বলেছেন: তাই কি??হয়ত।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পঁচা লেখায় কমেন্ট আর কি করবেন ![]()
কঁাকন বলেছেন:
প্রথম ৩ টা পর্ব দারুন লেগেছিলো; ৪ নম্বরটা পড়া হয়নি তবে এরকম পরিনতি আমার ভালো লাগলো না
লেখক বলেছেন: এমন পরিনতি আমারও ভালো লাগেনি। ![]()
মনজুরুল হক বলেছেন:
প্যারা না থাকায় পড়লে সমস্যা হয়। কাহিনীকে বিন্যাশ করবার জন্য প্যারা খুবই দরকারী।
"ওনার" শব্দটা পরিহার করলে আরো ভাল হ'ত।
সব মিলিয়ে লেখাটা টেনে ধরল না। আপনার উদ্যোগ ভাল। ভবিষ্যতে লেখার স্টাইল চেঞ্জ করে দেখুন, আরো ভাল হবে।
লেখক বলেছেন: এর পরে কখনো আবার লিখলে কাহিনীকে বিন্যাশ করার ব্যপারে মনযোগ দেব অবশ্যই।
আপনাকে ধন্যবাদ।
ওনার শব্দটা যে বিরক্তি তৈরি করতে পারে আমি বুঝতে পারিনি।
স্টাইল বদলে লেখার চেষ্টা করব পরেরবার।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
অন্য পর্বগুলো থেকে এটা একটু অন্যরকম হয়েছে ; শেষে এসে সমাপ্তির পথে একটু যেন এলোমেলো হয়ে গিয়েছিলো আপনার চিন্তা ধারা ... একটু হয়ত তাড়াহুড়ো করছিলেন নিজেকে প্রকাশ করতে ... অথবা গুটিয়ে নিচ্ছিলেন নিজের অবস্হানটি কে ... সবশেষ কথা, ভাল লেগেছে আপনার লেখাটি ... এবার আরেকটা ধারাবাহিক লেখা শুরু করে দিন ... অপেক্ষায় থাকলাম ...
লেখক বলেছেন: যেটা পড়ছেন সেটা শেষ পর্বের দ্বিতীয় সংস্করণ।প্রথমটা আমি পোস্ট করেছিলাম কিন্তু নিজেই আবার ভুল করে মুছে ফেলেছি ![]()
কোথাও ড্রাফট না রাখার মাশুল দিলাম মেজাজ খারাপ করে।
প্রচন্ড বিরক্তি নিয়ে তিন পাতার লেখা দেড় পাতায় শেষ করেছি।
কি আর করা ![]()
পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।
ইমতিয়াজ জামিল বলেছেন:
কাল একটু তাড়াতাড়িই ঘুমিয়ে গেছি..তাই এখন পড়লাম...ক্লাসের মাঝে ...দিয়ে গেলাম....খুব সুন্দর হইছে...পচা এন্ডিং....ভাল থাকবেন..নুতন লেখার প্রত্যাশায় লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন। ![]()
পারভেজ বলেছেন:
শেষ পর্বে এসে মূল চরিত্রের গঠনটা অনেকটাই দূর্বল মনে হলো; যেটা আগের পর্বগুলিতে ছিল না। হয়তো এটাই গল্পের চমক।শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: চমক না।আমার ধারনা মেয়েটা প্রথমে যতটা দৃঢ় মনভাব নিয়ে একলা চলা শুরু করেছিলো সময়ের সাথে ধীরে ভেতরে ভেতরে তা ক্ষয়ে যাওয়ায় এক সময় তার নিজের পতন হয় আর শেষে আমরা যাকে পেলাম সে শুধুই তার হতাশা।সে নিজে নয়।
আপনাকেও শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
_তানজীর_ বলেছেন:
শেষটা অনেক সাদামাটা হয়ে গেল।আগে যেরকমটি বলেছিলাম। গল্পটা কেন যেন আমার অনেক চেনা চেনা লাগে।
তবে একটা প্রশংসা করতেই হবে। পড়ার সময়ে পুরো গল্পের মধ্যে ঢুকে যেতে হয় পাঠককে। লেখক হিসেবে এটা অনেক পটুদের কাজ। লিখতে থাকুন। আপনার লেখার সাবজেক্ট ইন্টারেস্টিং। আরো লিখুন। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: কেন চেনা চেনা লাগে বলুনতো?
পেন্সিল বলেছেন:
জার্মানীতে শুটিং করা বাংলা সিনেমা হয়ে গেল...মানুষ আসলে নিজস্ব মানবিক দুর্বলতা থেকেই আত্নহত্যার চেষ্টা করে...স্লিপিং পিল খাওয়া উজবুকের মতো একটা কাজ...মুল লেখাটা হয়তো আরো ভালো ছিল...তারপরেও এই ছায়া লেখাটা খারাপ হয়নি...ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘের উপমাটা ভালো লেগেছে।
তোমার উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করি।
লেখক বলেছেন: স্প্রী হলেই যে জার্মানী হবে তাই কি??স্প্রী এর পুরোটাই জার্মানীতে না মনে হয়।
আমি নিজেও কিন্তু মানবিক দুর্বলদেরই একজন।সুতরাং আমার নায়িকা অন্যরকম হবে ভাবলে কেন!!
একেবারে বাংলা সিনেমা বলে ফেললা ![]()
উত্তোরত্তর সাফল্য !!!
মুল লেখার শেষটাতেও কিন্তু স্লিপিং পিলই ছিলো,,শুধু নামটা ছিলো বোধহয় স্লীপনক্ট।
পেন্সিল বলেছেন:
ওহ...আর ব্যাকগ্রাউন্ড 'রবীন্দ্রগীতি'টা 'জেনে শুনে বিষ করেছি পান' দিলে আরো ফিল্মি হতো...
লেখক বলেছেন: চার্লস ডিকেন্স হওয়ার চেষ্টা করছ নাকি!!
ত্রেয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ।
নাঈম বলেছেন:
দারুন একটা সিরিজ পড়ে শেষ করলাম। আমি সাধারণত এরকম সিরিজ গল্প এড়িয়ে চলি, এত লম্বা গল্প পড়ার ধৈর্য্য রাখতে পারিনা আমি, তারপরও আপনার এই্ সিরিজটি পড়তে পড়তে নিজেই নিজের অতীতে হারিয়ে যাচ্ছিলাম ক্ষণে ক্ষণে।এবার আসা যাক আপনার এই গল্পের কথায়, সবগুলো পর্ব মনে হয়েছে এটি আদৌ কোন গল্প নয়, সত্যিকারের জীবনকাহিনী থেকে নেয়া। আমার ধারণা কতটুকু সত্যি, বা বাস্তবের সাথে আদৌ কোন সম্পর্ক এই গল্পের আছে কিনা, সেটা আপনিই সবচেয়ে ভাল বলতে পারবেন। সিরিজের প্রতিটি পর্বই কমবেশী আকর্ষণীয় মনে হয়েছে আমার কাছে। শেষ পর্বে এসে গল্পের করুণ পরিণতি হলেও ব্যাপারটি কিন্তু আকর্ষণীয়ই লেগেছে আমার দৃষ্টিতে।
ভবিষ্যতে আরো অনেক সুন্দর সুন্দর গল্প আশা করছি আপনার কাছ থেকে। অনেক অনেক ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে ভালো লাগল।ধৈর্য ধরে পুরোটা পড়ার জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ।
আসলে অনেকেই এই প্রশ্নটি করেছেন আমাকে।প্রতিবারই আমি ভাবি,,কি বলা যায়?মেয়েটির ভাবনাগুলোয় কিছুটা হয়ত আমার চিন্তার ছাপ আছে।এ ছাড়া আসলে গল্পটার সাথে বাস্তবের কোন মিলই নেই।
শেষ পরিনতি নিয়ে আমি চিন্তিত নই কারণ আমার মনে হয় লেখকের এতটুকু স্বাধীনতা তো থাকবেই যে সে কোথায় নিয়ে তার গল্প শেষ করবে।তবে এই পর্বের লেখনী দুর্বল এটা মাথা পেতে নিতে আপত্যি করব না একটুও।
আপনিও ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: সানজির কি দুইবার বিয়ে হয়েছিলো?আমি শুনেছি ওর আত্মহত্যার কথা।কিন্তু ঘটনাটা জানি না।আসলে কি হয়েছিলো বলিস তো?
কালপুরুষ বলেছেন:
আবারো পড়ছি শুরু থেকে। কেন জানি লেখাটা টানে.......
লেখক বলেছেন: কি বলেন সত্যি!!!![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
শেষ পর্বটা প্রথম চার পর্বের মতো আকর্ষনীয় মনে হলো না।তবে আপনার লেখনী ভালো এইটা মানতে হবে।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
মানুষ আপনার কমেন্ট না পড়েই কমেন্ট করছে, বুঝতে পারছি এটা মূল লেখাটা হারিয়ে যাবার পর নতুন করে লেখা ... এর পর কপি রেখে লিখবেন ... এমন ভুল হয় মাঝে মাঝে ...এই লেখাটাও আমার কাছে খারাপ লাগেনি, তবে মাঝে আরও একটা পর্ব বাদ পরে গেছে বলে মনে হচ্ছে - তার মানে গত চার পর্বের ঘটনার স্পীডের চাইতে এই পর্বের স্পীড বেশী। এটা মেজাজ খারাপ করে, আগের লেখার ছায়া থেকে লেখার ফলে যে হয়েছে - তা না। আপনি দ্রুত শেষ করতে চেয়েছেন গল্পটা - সে কারনে হয়েছে। কেন ত্রেয়া? বেশ তো এগুচ্ছিলো গল্পটা। ব্যস্ততা বেড়ে গেছে আপনার? আমি আবারও বলছি - অসাধারন হয়েছে লেখাটা, কিন্তু শেষটা আরও ভাল হতে পারতো ... এইটুকুই ...
ভাল থাকবেন
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
আজ পুরোটা শেষ করতে পারলাম না। যতটুকু পড়েছি অনেক ভাল লেগেছে। কাল আবার পড়ব। তবে প্লাস দেবার জন্য কালকের দরকার হবে না। এখনি দিয়ে গেলাম। আশা করি ভালো থাকবেন।
ইচ্ছে বলেছেন:
শেষ পর্বের প্রথম ভার্ষনটা পেলে মনে হয় ভাল লাগতো,যাই হোক আপনি খুব ভালো লেখেন, গতচার পর্বে তা টের পেয়েছি, এই পর্বে তার রেশটা পেলাম না, স্লিপিং পিল কোন সমস্যা না তবে তার জাস্টিফিকেশনটা একটু এলোমেলো, গল্প যেহেতু তাই আপনি সময় নিয়ে কাহিনি বিন্যাসের দিকে পরবর্তিতে নজর দিবেন আরও বেশি....
আমরা পাঠক, আমরা তো আপনাকে তারা দেবই তারাতারি লেখা শেষ করার জন্য.....
অনেক কঠিন কথা বল্লাম নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন....
ভাল থাকবেন
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
মেয়েটার রেস্তোরার মালিককে বিয়ে করা অথবা ঘুমের বড়ি খাওয়া কোনটাই ঠিক মেলে না। বিশেষত যে মেয়ে একাই বিদেশে পড়তে আসবার মত সাহস এবং মেধা রাখে ।
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
আপনার লেখার হাত খুবেই সুন্দর!!!! অনেক ভালো লেগেছে গল্প কিংবা সত্যি গল্পঅঅ!!!!!
কালপুরুষ বলেছেন:
মেয়েটাকে আমার কখনোই ঘুমের বড়ি খাবার মতো অতটা দুর্বল মনে হয়নি। বরং অত্যন্ত দৃঢ়চেতা- জীবন যুদ্ধে জয়ী হবার প্রবল বাসনা নিয়ে বেঁচে আছে এমনটাই মনে হয়েছে। তার ভেতরের সত্ত্বায় হার না মানার প্রত্যয় ওতপ্রতভাবে যেন জড়িয়ে আছে। তবে লেখাটা পড়ে এখনো কেমন ঘোরের মধ্যে আছি। বন্যার গানটা কানে ভাসছে।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
অপূর্ব একটা সিরিজ। মন্তব্যগুলো পড়লাম। স্বপ্নজয় ভায়া যেমন বললো চতুর্থ আর এই পর্বের মাঝখানে কিছু বাদ পড়ে গেছে মনে হচ্ছে। সেটি আপনার এই শেষ পর্বের দ্বিতীয় সংস্করণের জন্য হতেও পারে। অসাধারণ আপনার লেখনী। পুরো সিরিজটা যেন কোন মুভির চিত্রনাট্য।
শুভেচ্ছা রইলো আপনার জন্য। ভবিষ্যতে আরো ভালো লেখা প্রত্যাশা করছি।
লেখক বলেছেন: এতদিন পরে এখন মনে হচ্ছে আসলে শেষ পর্ব লেখার সময় আমার নিজের ভেতরের সেই সময়কার অস্থিরতাটাই লেখাতে চলে এসেছিল।
আর একই লেখা দ্বিতীয়বার লেখাটা যে আসলে ঠিক না তা তখন বুঝিনি,,কেমন যেন জেদ চেপে গিয়েছিলো হঠাৎই।
তবু আপনি এত ভালো বলেছেন ভাবতেই অবাক লাগছে।কারণ ভালো লেখা তো দূরের কথা,,আমি লিখতে পারি কিছু একটা ধৈর্য নিয়ে এটা নিয়েই আমি এখনো সন্দিহান।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
Click This Linkদেখে আয়।দুইবিয়ের কথা বলিনি।এতো শক্ত মনের মানুষ আত্বহত্যা করতে পারে সানজি কে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না্।
স্পর্শহীন কিছুদিন বলেছেন:
সবগুলো পড়লাম। অসাধারণ। আবার পড়তে হবে। ধন্যবাদ এমন একটি সিরিজের জন্য। লেখাটা থামাবেন না। অনেক ভাল লিখেন আপনি।
বিষুন বলেছেন:
শেষ পর্বটা মুছে দিয়ে এই লেখাটা অসমাপ্তই রেখে দিন। সব কিছুর শেষ থাকবে এমন কোন দায় নেই পৃথিবীতে। ভাল খাকুন, আরো লিখুন।
আর ভাই, বানানটা একটু যদি---- ভাল লেখায় এতবার বানানে হোঁচট খেলে খুব দুর্বল লাগে নিজের।
kazibondhu বলেছেন:
এক কথায় অপুর্ব। এর পরে লিখলে সাথে সাথে আগে আওয়াজ দিও, চুপিসাড়ে জোরে জোরে র থিম টা দিয়ে বললাম
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
চমৎকার।
নীরজন বলেছেন:
উফ্................................
ম্যাক্স পেইন বলেছেন:
মাইনাস দিসি!!!!
সহেলী বলেছেন:
শেষটা মেনে নিতে পারছি না । লেখাটা এত ভাল , শেষটাতে এসে মনে হল যদি জানতাম এমন হবে পড়তাম না !
রুদমী বলেছেন:
সব গুলো পর্ব একসাথে পড়লাম। খুব ভালো লেগেছে আপনার লেখা। আমি পুরো সিরিজটা প্রিয়তে রাখছি। মাঝে মাঝে আপনার লেখা থেকে আমার কিছু প্রিয় লাইন গুলো আমার ব্লগ এ সাজিয়ে রাখতে চায় যদি কিছু মনে না করেন।
নাঈম বলেছেন:
ঈদ মুবারক
গোয়েবলস বলেছেন:
আপাতত প্রিয়তে। পরে সময় করে পড়ে নিব।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
প্লেয়ারে বন্যা তার দরদ মাখা গলায় গাইতে থাকলো.......চাঁদের হাসি বাঁধ ভেঙ্গেছে
উছলে পরে আলো
ও রজনীগনদ্ধা তোমার
গন্ধ সুধা ঢালো..............।।
কাল রাতে দারুন একটা চান উঠছিলো, পুরা গোল, তবে আমার চোখে চাদের হাসি আসে না, শুধু মনে রক্তহীন, প্রাণহীন কেউ চেয়ে আছে হাজার বছর ধরে! হয়তো বেচে থাকার জন্যই বেচে আছে, শুধু মৃত্যুর প্রতীক্ষা!
ধ্যাৎ লাইফ সাকস! কে যে কইছিলো জীবনটা সুন্দর!
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
এক কথায় অপূর্ব!!
এত নিয়ম মেনে আগে কোন লেখা পড়তে পারিনি , এবার পারলাম । অনুভূতিটা নতুন করে বলব না , খুব জীবন্ত , প্রতি পর্ব পড়ে যেমন একটা অসহায়ত্ব ভর করত , এবার যেন তার পরিপূর্ণতা পেলো....
অসাধারণ একটা লেখা ....
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















