আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০১০ ত্রিভুজ

প্রসংগঃ নারী, পুরুষ, অধিকার ও একটি পরিবার

০৪ ঠা জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

মূল পোষ্টটিতে কমেন্ট করতে গিয়ে অনেক বড় হয়ে যাওয়াতে আলাদা পোষ্ট হিসেবে দিলাম।

এটি পড়ার আগে নিচের লিংকটি পড়ে নিতে বলব সবাইকে-
Click This Link
এই পোষ্টের 14 নাম্বার কমেন্টে কালপুরুষ চমৎকার কিছু কথা বলেছেন। কালপুরুষ যা বলেছে আমি তার পরে কয়েকটি লাইন যুক্ত করতে চাই।
একজন তরুন বা তরুনীকে যদি তার পাত্র খুঁজতে বলা হয়- তারা সেখানে সঠিক মানুষটি নিার্বাচনে ভুল করতে পারে। ভুল করাটাই স্বাভাবিক। কারন আবেগ মানুষকে অন্ধ করে ফেলে। তাই এক্ষেত্রে মনে হয় অভিাবকের সিদ্ধান্তেই বিয়ের মত দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্তগুলো নেয়ার ব্যাপারে ভূমিকা থাকা উচিত। তবে প্রথমেই অভিবাকের পসন্দ- পরে পাত্র পাত্রীর পসন্দ। শুধু অভিবাবকের পসন্দ হলো পাত্রীর পাত্র পসন্দ হলো না এটাও ঠিক নয়। আবার পাত্রীর কাউকে পসন্দ হলো কিন্তু অভিবাবকের তা পসন্দ হলো না- সেক্ষেত্রে পাত্রীকে অভিবাবকের কথা মেনে নেয়াই ভাল। কালপুরুষ যা বলেছেন তা আবার আমিও বলছি- কোন অভিবাবকই তার ছেলে মেয়েকে এমন যায়গায় বিয়ে দিবে না যেখানে তারা শান্তিতে থাকতে পারবে না।


আমি আসলে আরো ব্যাপক অর্থে আমার কমেন্টটি করেছিলাম। নওরীন, হযবরল ও কেীশিক- আপনারা বুঝতে ভুল করেছেন।

হযবরল, কারো স্ত্রীকে যদি নিজের অর্থনৈতিক অবস্থা নিজেকে ঠিক করে স্বাধীনতা অর্জনের প্রচেষ্টা করতে হয় তাহলে আমার মনে হয় সেই সংসারের কোন মানে নেই। হাজবেন্ডের উপার্জিত অর্থ যদি ওয়াইফ নিজের মনে করতে না পারে তাহলে মনে হয় সেখানে মমতার অভাব রয়েছে... ভালবাসায় খাঁদ রয়ে গিয়েছে। সংসার তো আর রাষ্ট্র নয় যে সেখানে অর্থনীতি ও স্বাধীনতার এই সংজ্ঞা মেনে চলতে হবে। সংসার টিকে থাকে আরো অনেক নিয়ামকের উপর। থিওরী কপচিয়ে যে সংসার প্রতিষ্ঠা হয় তা আসলে মেকি... কিছুদিন পরেই তা ধ্বসে পরে। উদাহরন হিসেবে প্রাচ্যাত্যের জীবনধারা দেখুন। তারা তো অধিকার বলতে যা বুঝানো হয়েছে তাই পাচ্ছে 100%। আপনার কি মনে হয় তারা সুখী?

ছেলে মেয়ের কাজ ডিফাইন করাটা আসলে কঠিন। করতে চাইলে সবাই সব করতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা বলে একটি ব্যাপার রয়েছে। আমি অনেক ফ্যামিলি দেখেছি যেখানে দুজনই চাকরী করেন। তাদের ছেলে মেয়েরা যে কতটা নিস্বঙ্গ... সেরকম কোন ছেলে মেয়েকে পেলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন। এক্ষেত্রে তাহলে সমাধানটা কি? সমাধান হতে পারে স্ত্রী কাজ করবেন স্বামী ঘড়ে বসে বাচ্চাদের মানুষ করবেন। এটা কি ভাল দেখায়? নারীরা বলতে পারেন এটা ভাল দেখাবে না কেন! তারা যদি বাইরে গিয়ে আমাদের সারাক্ষন ঘড়ে বন্ধী করে রাখতে পারে তাহলে আমাদেরও তো সেটা করতে পারার কথা। এখানে মূল ব্যাপারটা হলো আপনার স্বামী বাইরে জীবিকার সন্ধানে গিয়েছেন আর আপনি ঘড়ে বসে আছেন- এটাকে বন্ধিত্ব মনে করার কারন কি? পুরুষ মানুষ বাইরে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন... সেটি তার কাজ .. আপনি ঘড়ে আপনার দায়িত্ব পালন করুন। সন্তানদের ভাল ভাবে মানুষ করুন। আমার তো মনে হয় পুরষ মানুষ সারাদিন বাইরে খেটে খুটে সংসারের প্রতি যে দায়িত্বটা পালন করছেন একজন মহিলা তার থেকেও বেশী দায়িত্ব পালন করছেন ঘড়ে।
মেয়েদের কিন্তু এক্ষেত্রে ছেলেদের থেকেও যোগ্য বলা যায়... মেয়েরা চাইলেই বাইরে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন আবার ঘড়ের দায়িত্ব পালন করার ব্যাপারেতো রীতিমত এক্সপার্ট। একজন পুরুষ কিন্তু ঘড়ের বাইরেই বিশাল নায়ক.. ঘড়ের দায়িত্ব দিয়ে দেখুন.. কেমন করুন হয় তার অবস্থা। এতে মেয়েদের গর্ববোধ করা উচিৎ না? কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো মেয়েরা কেন যেন তাদের কাজগুলোকে ছোট মনে করে বাইরের কাজগুলো প্রতি আগ্রহী বেশী। ব্যাপারটি সম্ভবত 'নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস- ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস' এর মত হয়ে যায়।

আর যে যত কথাই বলেন না কেন... ঘড়ের বাইরের কাজের জন্য মেয়েদের থেকে ছেলেরাই বেশি ফিট। ফিজিক্যলি একটি মেয়ে ও একটি ছেলে তো সমান নয় তাই না?

আমার মতটি আমি আমার মত করে দিলাম.. এখানে বিরুদ্ধ চিন্তা থাকতেই পারে। সেটি প্রকাশের পূর্ন স্বাধীনতা আছে এখানে সবার। সবাই সুন্দর ভাবে চিন্তা করে আলোচনাটিকে আরো চমৎকার করতে পারেন।

ধন্যবাদ সবাইকে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: দিনলিপি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫

 

  • ৪৪ টি মন্তব্য
  • ১৮৯৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৫ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: পড়লাম, কঠিন ব্যাপার এখনো, অভিজ্ঞতা নাই তো, তাই জড়াতে চাচ্ছি না।
তবে হাঁ, অভিজ্ঞতার পর কিন্তু যোগ দেব পাত্র-পাত্রীদের সহযোগিতায়
পারিবারিক আনন্দ আর সৌন্দর্য্য সুন্দর পৃথিবীর একটা অসামান্য উপাদান। এই পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে হলেও চাই সঠিক ও যুক্তিসঙ্গত আচরণ ও গঠনমূলক ব্যবহার। জড়াবো না বলেও লিখে ফেলেছি, আপনার লেখাটি ভাল লেগেছে ত্রিভূজ।
২. ০৫ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ছোটবেলা থেকেই মা স্কুল টিচিঙের সাথে বিএড এমএড নিয়ে ব্যস্ত ছিল। আমার ছোট বোনটা মাকে মিস করেছে সবচেয়ে বেশি। আমি ভুক্তভোগী তাই আমি তীব্র ভাবে একটা ব্যপার সমর্থন করি, সেটা হল উপার্জনের দায়বদ্ধতা পুরুষদের থাকা উচিৎ, পুরোটুকুই। নারীর স্বাধীনতা থাকতে হবে উপার্জন করার বা না করার। এখানে চাপ সৃষ্টি করলে বরং হিতে বিপরীত হবে।
এখন মধ্যবিত্ত চাকুরিজীবিদের অবস্থা এমন যে সততা নিয়ে একজনের উপার্জনে সংসার চলে না। তাই ইচ্ছা করলেও অনেক মায়েরা ঘরে থেকে সন্তানদের যথেষ্ট সময় দিতে পারে না, অথচ মায়েদের সাহচর্য সন্তানদের খুব দরকার। খুব।
আমার মা চেষ্টা করেছে না-থাকা সময় গুলো অন্য ভাবে পূরণ করতে। তাতে মায়ের নিজের অনেক কষ্ট হয়েছে। অলমোস্ট 'সুপার উইম্যান' হতে হয়েছে সময়ে সময়ে। একজন মা বাইরে কাজ করা মানে তাকে দুইটা ফুল টাইম জব করতে হয়। মাতৃত্ব আর উপার্জনের চাকরি। আমার মনে হয় ব্যপারটা আনফেয়ার। এখনও মাকে যখন দেখি সারাদিন স্কুলে টিচিঙের পরে বাসায় এসে এক আঙ্গুলে টাইপ করে যাচ্ছে রিডিং গ্লাস পড়ে, হঠাৎ কাজ থামিয়ে উইকেন্ডে মেহমান আসলে কি খাওয়াতে হবে ব্যবস্থা করছে বা আমাদের দুধ খাওয়ানোর জন্য পিছন পিছন ঘুরছে, তখন খুব মায়া হয়। বাবা চেষ্টা করে সাহায্যের, কিন্তু মায়ের রোলটা তো বাবার নিয়ে নেয়া সম্ভব না।
আমি পড়াশোনা করছি, অবশ্যই চাকরী করতে চাই। তবে চাকরী না করার স্বাধীনতাও চাই। প্রয়োজনে সন্তানদের দেখা শোনার জন্য যেন ছুটি নিতে পারি। যদি সমাজে নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের উপর খুব বেশি চাপ দেয়া হয়, তাহলে এই সুযোগটা বন্ধ হয়ে যাবে।
৩. ০৫ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ ফজলে এলাহি.....

অনেকে ভাবতে পারে আমি নারী অধিকারের বিপক্ষে.... ব্যাপারটা তা নয়। আসলে নারী অধিকার শব্দটির মাঝেই কেমন যেন একটা বৈষম্যমূলক ভাব আছে... যেখানে পুরষাধিকার বলে কিছু নেই সেখানে নারী অধিকার নামক শব্দ আবিষ্কার করে নারীরা নিজেদের জন্যই আলাদা একটি বৈষম্য সৃষ্টি করে ফেলছে.... ব্যাপারটি মানবধিকার হলে মনে হয় ভাল হয়। কারন পুরুষ বলুন আর নারী বলুন... উভয়েই মানব। অধিকারের প্রশ্নে নারীকে আলাদা চোখে দেখাটাও মনে হয় নারীর জন্য অসন্মানের।
** এটি নিতান্তই আমার নিজস্ব ভাবনা। এর ব্যাপারে আপনার সমর্থন বা অসমর্থন থাকলে তাকেও আমি স্বাদরে গ্রহন করতে প্রস্তুত রয়েছি।
৪. ০৫ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: বাবা-মা দু'জনেই চাকুরিজীবি এমন ছেলেমেয়েদের কথা শুনলে দু'রকম মন্তব্যই পাওয়া যায়।
কেউ বলে কোন সমস্যা নেই, আবার কেউ বাবা-মার উপর অনেক অভিমান নিয়ে বড় হয়।
আসলে ব্যাপারটা অনেকটা নির্ভর করে বাবা-মার উপরই।
যখন দু'জনই চাকরী করবেন, তখন তাদের অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিৎ যে তাদের এই ক্যারিয়ার গঠনের কারণে ছেলেমেয়েরা যাতে বঞ্চিত না হয়।
যদি সেটুকু কনফিডেন্স বাবা-মার থাকে তাহলে দুজনেই চাকরী করলেও কোন সমস্যা হবার কথা না বলেই আমি মনে করি।
(এক্ষেত্রে আমার মতামত হলো, মেয়েদের মেটার্নিটি লীভটা আরও লম্বা করা উচিৎ। ইওরোপের অনেক দেশে সর্বোচ্চ 2 বছরের ছুটি দেয়া হয়!! খুবই ভাল সিস্টেম।)
তবে যদি সেটুকু কনফিডেন্স বাবা-মার মধ্যে না থাকে তাহলে কাউকে না কাউকে ত্যাগ স্বী কার করতেই হবে।
এখন প্রশ্ন হলো, কে ত্যাগ স্বীকার করবে?

উপার্জনের মূল লক্ষ্য হলো আর্থিক সচ্ছলতা। এক্ষেত্রে একটু স্বার্থপরের মতো শোনালেও আমার এ্যাপ্রোচ বেশ সরাসরি। বাবা-মা'র মধ্যে একজনকে যদি চাকরি ছাড়তেই হয়, তবে যার আয় কম তারই চাকরী ছাড়া উচিৎ।
তবে অবশ্যই তার চেয়েও বেশী গুরুত্বপূর্ণ হলো, ব্যাক্তির ইচ্ছা। যেমন, যদি যিনি বেশী আয় করেন তিনি বেশী আয় সত্তেও চাকরী ছেড়ে দিতে চান তাহলে সেখানেও বাঁধা দেয়া উচিৎ না।

ত্রিভুজ, একটা বিষয়ে আপনার সাথে একমত হতে পারছিনা। সেটা হলো, ছেলেরা ঘরের কাজ করতে পারবেনা - এটা সত্য নয়। নিজের কথাই বলতে পারি, আমার ধারণা আমি বাংলাদেশের অধিকাংশ মেয়ের চেয়েই এই কাজ ভাল পারব.... (হেঃ হেঃ হেঃ) ....দশ বছরের অভিগ্গতা বলে কথা ... ;)
আস্তমেয়ে, পুরুষের উপর আয়ের দায়বদ্ধতা চাপিয়ে দেওয়াটাকি একটুবেশী কড়া ব্যাপার হয়ে গেল না?
৫. ০৫ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: হুমম,
ত্রিভুজ, স্বীকার করি সমস্যাটা জটিল; তাই সিচুয়েশন অনুযায়ী বাবা-মারই আলোচনা করে ঠিক করা উচিৎ কি করতে হবে।

আপনার শেষ কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ ....:)
তবে দাদা, মনে হয়না বউটা আমার খুব আনন্দে সময় কাটাবে ...
মেয়েমানুষ বলে কথা!!!
আপনি খুব গুছিয়ে ঘরের কাজ করবেন, রেগেমেগে গিয়ে বলবে,
তোমার এত মেয়েমানুষের মতো গুছিয়ে কাজ করতে হবেনা, যাও বাইরে থেকে ঘুরে আস! ...
(অল সুইট লেইডিস, নো অফেন্স প্লীজ )
৬. ০৫ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: হাহাহাহ জি্বনের বাদশা.... তা যা বলেছেন...

দিনা- আপনার পোষ্টের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
৭. ০৫ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: সবার কথা মিলিয়ে অনেক কথা বলার আছে । তাই কমেন্ট না করে নতুন পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে । একটা কথা,আস্তর শেষের কথাগুলির সাথে আমি একমত ।
৮. ০৫ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আস্ত ও জি্বনের বাদশা.. অনেক ধন্যবাদ....

দুজনেই সুন্দর বলেছেন.. আস্তর কথাগুলোর সাথে আমি তো আগেই একমত পোষন করেছিলাম... জি্বনের বাদশার কিছু কথায় আসি-

বাদশা ভাই- পশ্চিম দেশগুলোতে 2বছরের ছটির যে ব্যাপারটি রয়েছে তা সুন্দর অবশ্যই... কিন্তু ভাই 2বছরে কি একটা বাচ্চাকে মানুষ করে ফেলা যায়? একটি বাচ্চা মা বাবার অভাব বুঝতে বুঝতেই তো 4/5 বছর লেগে যায়। আমি মানসিক ব্যাপারটার কথা বলছি।
আপনি যে বিষয়টাতে একমত হতে পারেননি... তা আমিও বুঝতে পেরেছি- তবে এখানে আপনি নারীদের কাজ বলতে যা বুঝিয়েছেন আমি আসলে তা বুঝাইনি। শুধু রান্নাবান্না করাই নারীর কাজ নয়। আমি মূলত সন্তান মানুষ করার ব্যাপারটার কথা বলছি। এছাড়াও পারিবারিক সম্পর্ক উন্নোয়ন, সামাজিক আচার অনুষ্ঠান ইত্যাদিতেও নারীর ভূমিকা প্রধান। একজন পুরুষ কিন্তু নারীর মত করে এসব পালন করতে পারবে না।
আপনি কোনদিন এরকম ফ্যামিলি দেখেছেন কিনা জানি না যাদের বাবা মা দুইজনই চাকরি করছেন.. আমি অনেক কে চিনি। আমার খুব খারাপ লাগে তাদের একাকিত্ত্ব দেখে। আমি ব্যাপারটা খুব গভীর ভাবে উপলদ্ধি করতে পেরেছি আমার এক বন্ধুর জীবন দেখে। আপনি ভাবতেও পারবেন না ছেলে মেয়ে থেকে কত দুরত্ব সৃষ্টি হয়ে যায় মা বাবা দুইজনেরই চাকরির কারনে। হয়তো বলবেন চাকরি শেষে বাসায় ফিরেইতো দায়িত্ব পালন করা যায়। এটা আসলে অবাস্তব একটি ব্যাপার। যারা চাকরি বা ব্যাবসা করেন তারাই জানেন এটা যে যথাযথভাবে সম্ভব নয়। আপনি নিজের জীবন দিয়েই একটু চিন্তা করুন.. আপনি সারাদিন জব বা ভার্সিটি সেরে বাসায় এসে কতটুকু এনার্জি থাকে বাসার মানুষদের জন্য চিন্তার করার জন্য? এটা বাস্তবতা... যুক্তি দিয়ে বাস্তবতাকে নাকচ করা যায় না।

বাইদ্যাওয়ে... আপনার দশ বছরের অভিজ্ঞতার কথা শুনে ভাল লাগল। আপনার বউ খুবই আনন্দে সময় কাটাবেন মনে হচ্ছে .... হা হা

ধন্যবাদ।

৯. ০৫ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:০৬
comment by: অরিন বলেছেন: সবার আলোচনা খুব ভাল লেগেছে।
ুত্রিভূজ ভাইয়া আমার একটা প্রশ্নছিল মেইল করে দিয়েছি। এখানে কিছু লিখতে ভাল লাগে না। উত্তরটা মেইল করে দিলে চলবে।
১০. ০৬ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৬:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: অরিন চেক ইওর মেইল বক্স.. এন্ড রিপ্লাই মি...

ধন্যবাদ সবাইকে।
১১. ০৬ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
comment by: শমিত বলেছেন: আপনার উদ্যম আমার ভালো লাগে । তাই আপনার এ রকম ভিত্তিহীন পোস্ট দেখলে খুব আশাহত বোধ করি । আপনারাই আমাদের ভবিষ্যৎ । আপনারা এরকম ভয়ানক সব স্টেটমেন্ট আর ভুল লজিক দিলে খুব ভয় পাই ভাই ।
১২. ০৬ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
comment by: শমিত বলেছেন: ত্রিভূজভাই , আপনার বয়স , পান্ডিত্য , মূল্যবোধ - সব কিছুর উপর খুব শ্রদ্ধা রেখেই বলছি - আপনার এই পোস্টের প্রায় প্রতিটি বাক্য , প্রতিটি বক্তব্য আপত্তিকর লাগলো । প্রতিটা লাইন তুলে তুলে তা দেখানো যায় । কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে , সে কাজ নিরর্থক হবে । শুধু এই টুকুই বলি , কোনো বিষয় নিয়ে জাজমেন্টাল ভ্যালু দেওয়ার আগে বিষয়টা নিয়ে একটু জেনে নেওয়া ভালো । যেমন এই নির্দিষ্ট বিষয়টি নিয়ে আপনার বক্তব্য পড়ে মনে হলো আপনার এ বিষয়ের অ-আও জানা নেই ।

শুরু করতে পারেন Laura Mulvey , কিছু বুঝতে পারলে জানাবেন । আরো কিছু সাজেস্ট করা যেতে পারে ।
১৩. ০৬ ই জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৬
comment by: শমিত বলেছেন: এসব পোস্ট পড়লে সত্যিই যেন এক একটা দিগন্ত উন্মোচিত হয় । মনে হয় সত্যিই কত কম জানি । কত ধরণের আশ্চর্য সব প্রাণী এ দুনিয়াময় !
১৪. ০৬ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার কাছে অবাক লাগছে ত্রিভুজের বক্তব্য নয়। অবাক লাগছে, ফজলে এলাহী ও আস্তমেয়ের মতো বোধ্যা জনেরা এই একতরফা বক্তব্যের সাথে অনায়ামে 'হ্যা হ্যা' বলে গেলেন। মাঝে তাই বলতে হয়, 'আল্ল্লার কী গুন.....!"
হতাশ হলাম। এখানেও দল ভারীর পলিটিক্স ......!
১৫. ০৬ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ত্রীভুজ আবেগের যথার্থতাকে কি হেয় করা হলো না? আবেগকে কেনো শুধু নেগেটিভলী নিলেন? আবেগ আছে বলেই পৃথিবীটাকে সুন্দর মনে হয়, নারী-পুরুষের ভালোবাসায় মহাকাব্য রচিত হয়।

আপনার মত শুধু অভিবাবকের সিদ্ধান্তকে প্রাধান্য দিলে পৃথিবী থেকে প্রেম-ভালোবাসা সব ধূলোয় মিশে যাবে। লাইলী-মজনু, শিরি-ফরহাদ, রোমিও-জুলিয়ট কিংবা চন্ডীদাস-রজকিনী শুধু ইতিহাসেই পাওয়া যাবে।

শোনেন ভাই, অভিবাবকদের চেয়ে বর্তমান প্রজন্ম কিন্তু অনেক বেশী শিক্ষিত, স্মার্ট হয় এবং হচ্ছে। সুতরাং তাদের ভালোবাকে কবর দেয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

আপনার মনে হতে পারে ঘরে বসে পুরুষের চেয়ে নারীরা বেশী কাজ করছে। সমাজ কিন্তু তা স্বীকার করে না।

আপনার কথাবার্তায় ভালো কোন পয়েন্ট খুজে পাচ্ছি না। একবার এই দলে, আবার ওই দলে। যা বলবেন ভালো করে চিন্তা ভাবনা করে বলেন। তার আগে চীন, জাপান, ইউরোপ-আমেরিকার নারীপুরুষ এর কাজ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। - ধন্যবাদ
১৬. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ শমিত দা। আপনার মন্তব্যের জন্য। দ্্বিমত থাকতেই পারে.. আমি প্রথমেই তা স্বীকার করে নিয়েছিলাম... সাথে এটা বলেছিলাম আপনার দ্্বিমতটি প্রকাশ করুন যুক্তি সহকারে। আপনার দ্্বিমত আছে এবং সেটা প্রকাশ করেছেন তাই ধন্যবাদ। তবে পয়েন্টগুলো যদি উল্লেখ করতেন তাহলে মনে হয় আমার জন্যও ভাল হতো যারা পড়ছেন তারাও বুঝতো....
আশাকরি পয়েন্ট দিয়ে আরেকটা কমেন্ট করবেন... সরাসরি এভাবে যদি বলেফেলেন যে "তুমি কিছুই জান না" তা মনে হয় আমার প্রতি অন্যায় হবে। ..সুতরাং আপনাকে অনুরোধ করবো কোন কোন পয়েন্টগুলোতে আপনার আপত্তি রয়েছে এবং সেগুলো একটু ডিটেইলস বললে আলোচনা করে আমরা হয়তো কোন একটা সিদ্ধান্তে আসতে পারতাম।

কট্টর... আসলে আপনি ভুল বুঝেছেন। আবেগকে এখানে হেয় করার কোন উদ্দেশ্য ছিল না আমার। বিয়ের মত একটি দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের ব্যাপারে আসলে আবেগতাড়িত হয়ে মানুষ যে ভুলগুলি করে থাকে তা বলেছিলাম।
আর ভাই,.,.. আমিতো মনে হয় শুধু অভিাবককেই প্রাধান্য দেইনি। আপনি মনেহয় পড়ার সময় কিছু কথা মিস করেছেন।
আর ভাই সবসময়কার প্রযন্মই মনে করতো যে তারা তাদের অভিাবকের চেয়ে স্মার্ট। এটা আরো 50বছরের আগের প্রযন্ত যারা এখনো বেঁচে আছেন তাদের জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে টেকনলজি বা আধুনিক শিক্ষা এখনো প্রস্তর যুগে রয়ে গিয়েছে। সেসব ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার উপর কোন বিষয় নেই।
আপনার চার নাম্বার প্যারাটার সাথে আমি একমত। আসলেই সমাজ তা স্বীকার করে না। আসলে আমাদের এই সময়ে মানুষের বিবেকের ব্যাবহার অনেক কমে গিয়েছে। আমরা অনেককিছু দেখেও না দেখার ভান করি। নারীরা যে একটি পরিবারের জন্য কত কষ্ট করেন তা বেশীরভাগ মানুষই বুঝেও না বুঝার ভান করি।
আর এদল ওদল বলে আসলে কি বুঝাতে চেয়েছেন আপনি? নারীদেরকে অন্যদলে ফেলে দিতে চাচ্ছেন? আমি বলতে চেয়েছিলাম যে নারী ও পুরুষ কোন আলাদা দল নয়। দুজনকেই মানুষ হিসেবে দেখতে হবে। আমি নারীদেরকে আমার অপনেন্ট ভাবি না ভাই। তাই এদল ওদল কথাটা আমার কাছে গ্রহনযোগ্য নয়।

ইউরোপের সমাজ বিজ্ঞানীরা এখন কি বলছে জানেন? নেটে ঘাটলেই অনেক তথ্য পাবেন। আমি সময় পেলে কিছু লিংক দেব এখানে। এখন কিছুটা ব্যাস্ত... সার্চ করার সময় নেই।

ধন্যবাদ আপনাদের দুজনকেই মতামত দেবার জন্য। ভাল থাকবেন।
১৭. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:০৬
comment by: পাগলা হাওয়া বলেছেন: কট্টর এতদিন কই ছিল।

আরে বাদ দাওতো ত্রীভুজের কথা। উনি ত্রীভুজ না , উনি হলেন অবুঝ। পোলাপানের কথায় ভুল ধরতে নাই। রবিঠাকুরের কথাটি ওরে শুনিয়ে দাও - "ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ ওরে আমার কাঁচা/আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।" ওরা মানে তী্রভুজ বাহির পানে তাকায় না। দেখে না যে জোয়ার জলে বাণ ডেকেছে, উঠছে প্রবল ঢেউ।.................
১৮. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: প্রকৃতিগতভাবে একই বৈশিষ্ঠ্য সম্পন্ন পুরুষদের সবাই সব কাজের যোগ্য হয় না। সমাজে অর্জিত যোগ্যতা ও জ্ঞান অনূযায়ী বিভিন্ন পুরুষ বিভিন্ন রকম কাজ করে থাকে।

একজন বাস চালক যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাশ নিতে পারবে না তেমনি এক প্রফেসরকে দিয়ে বাস চালানোর কাজ হবে না।

প্রকৃতিগতভাবে একই বৈশিষ্ট্যধারী হয়েও বিভিন্ন পুরুষ যেখানে একই কাজ করতে পারে না সেখানে প্রকৃতিগতভাবে ভিন্ন ধরনের বলে নারীদের কাজের পরিধিও ভিন্ন হওয়া উচিত সেটা বোঝার জন্যে খুব একটা বুদ্ধির প্রয়োজন হয়। তবে যারা চিন্তা মুক্ত স্বত্ত্বা নিয়ে চলাচল করে তাদের কথা আলাদা।

১৯. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আশার আলো এখানে যারাআসে তারা কিন্তু পোলাপান না। তাই পোলাপানের কথা না বলে কাজের কথায় আসুন। আপনি কি বুঝতে পেরেছেন আপনি কি বলেছেন?

যাক, ত্রীভুজ ধীরে ধীরে তার ভুল ধরতে পারছে। খুবই আশার কথা।
২০. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
comment by: শমিত বলেছেন: এরকম শেষ অব্দি বলা যায় প্রতিটি লাইন তুলে তুলে । কিন্তু আমার আঙুলকে এতটা কষ্ট মনে হয় আপনিও দিতে চাইবেন না । আমি কিন্তু বানান ইত্যাদি ছোটোখাটো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে কোনো মনোযোগ দিই নি । আপনি খুব উদমী । আপনার উদ্যমের আমি প্রশংসা করি । তাই এতগুনো কতা বলে ফেননু । কিছু মনে লিবেন নাই ।
২১. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
comment by: শমিত বলেছেন: "...ভুল করাটাই স্বাভাবিক । ..." -
'স্বাভাবিক' বলেই যদি স্বীকার নিচ্ছেন তাহলে আর অসুবিধা কোথায় ? আপনি যত যাই বলুন । স্বাভাবিকের বিপক্ষে যাওয়াটা আমি ঠিক সুবিধেজনক ব'লে মনে করি না ।
২২. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
comment by: শমিত বলেছেন: খাসার কালো .. চাষার কেলো .. ফাঁসার ভালো .. or whatever .. মন্তব্যের উপর মন্তব্য করাটা বিরক্তিকর রকমের জটিল । তাই , অন্য কোথাও কথা হ'লেও হতে পারে ।
২৩. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
comment by: শমিত বলেছেন: "...কারন আবেগ মানুষকে অন্ধ করে ফেলে । ..." -
এটা কার বক্তব্য? তথ্যপ্রমানাদি ছাড়া এরকম একটা সার্বজনীন মন্তব্য মেনে নেওয়া মুশকিল । আপনি 100টি উদাহরণ দিলে আমি 500টি দেবো যেখানে আবেগ মানুষকে অন্ধ করে নি , বরং আলো দেখিয়েছে ।
২৪. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: কট্টর সমালোচকঃ

আপনি পোলাপান কি পোলাপান না তা আমার জানার কথা না। আপনিই ভালো বলতে পারবেন। তবে তাতে আমার উৎসাহ নেই।

1) আপনার চার লাইনের বাণীতে আমি কোন কাজের কথা খুঁজে পেলাম না। আপনি কোন কাজের কথা বলছেন?

2) আপনি আমার লিখা থেকে কি বুঝেছেন, বা আদৌ কিছু বুঝেছেন কি না সেটাই বুঝিয়ে বলতে পারেন নি!

২৫. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: :)
২৬. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা এ কেমন কথা
এমন ধারা অভদ্রতা
শান্ত যারা ইতর প্রাণী
তাদের পরেই চোখ রাঙানি ?
২৭. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ইউরোপের সমাজবিজ্ঞানী কইলেই ফাল পাড়তে হইবো ?
২৮. ০৬ ই জুন, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
comment by: শমিত বলেছেন: "... একজন তরুন বা তরুনীকে যদি তার পাত্র খুঁজতে বলা হয় - তারা সেখানে সঠিক মানুষটি নিার্বাচনে ভুল করতে পারে । ..." -
কেউ যদি কোনো কাজে ভুল করে তাকে সে কাজটা শিখিয়ে দেওয়া উচিৎ , অন্য কেউ তার হয়ে কাজটা করে দিলে সেটা যে করে দিচ্ছে তার আর যার জন্য করে দিচ্ছে তার - দুজনের কারোর পক্ষেই খুব একটা সম্মানের কথা নয় । এ যেন , আমি অঙ্কে কাঁচা , পরীক্ষায় ফেল করতে পারি , তাই আমার হয়ে আমার বাবা পরীক্ষা দেবেন - এরকম একটা ভোঁতা যুক্তির অবতারণা ।
২৯. ০৬ ই জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: কট্টর... আসরে আমি আমার ভুল ধরতে পারিনি। আপনি প্রথমে বুঝতে ভুল করেছেন। আমার পরবর্তি কমেন্টটি কিন্তু আমার মূল পোষ্টেরই একটি শ্যাডো মাত্র। যাই হোক ধন্যবাদ।

সুমন ভাই... আফটার অল আমাদের দেশে যারা নারীদের অধিকার নিয়ে হৈ চৈ করেন তারা তো আমেরিকা ইউরোপের উদাহরনই টেনে থাকেন। তাই ইউরোপিয়ানদের বর্তমান উপলদ্ধির কথা বলেছিলাম। ওরা 100 বছর ধরে আন্দোলন করে যে সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছেন তার ফলাফল এখন বুঝতে পেরে নতুন করে চিন্তা ভাবনা করছেন। আমরা কি করছি জানেন? আমরা তাদের সেই 100 বছরের পদাংক অনুসরন করে 100বছর পর আবার তাদের মত করে নতুন করে চিন্তা করব। কি দরকার নতুন করে চাকা আবিষ্কার করার? আমরা চাকা আবিষ্কারের পরের থেকে শুরু করতে পারি না?

নারীরা অবহেলিত হচ্ছে... তাদের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে... তাদের স্বাধীনতা নষ্ট করা হচ্ছে... তাদেরকে স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য আমাদের সচেতন হতে হবে.. নারীদের সচেতন হতে হবে... কিন্তু আমরা যে পথে চলছি তাতে কিন্তু উলটোটা হতে যাচ্ছে। আমরা তাদের এই ভুল পথে স্বাধীন করতে গিয়ে বড় ধরনের সামাজিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে যাচ্ছি যেমনটা পড়েছে পশ্চিমা বিশ্বগুলো। আমাদেরকে আসলে ভেবে দেখতে হবে কেন নারীদের অধিকার নষ্ট হচ্ছে। মূল কারন বের করে প্রতিকার করতে হবে। কিন্তু আমরা অন্ধের মত কিছু ভুল মতবাদ আকড়ে ধরে সেই পথে চলার চেষ্টা করছি। আমার পোষ্টের মূল লক্ষ ছিল ভুল পথটা থেকে সরিয়ে সঠিক পথে আনার ব্যাপারে। হয়তো আমি খুব সুন্দর ভাবে বিষয়টি বর্ননা করতে পারিনি আমার জানার সীমাবদ্ধতার জন্য। কিন্তু আপনারা যারা ব্যাপারটি ধরতে পেরেছেন তার শুধু একজন "ত্রিভুজ" এর বিরোধীতার জন্যই মন্তব্য না করে নিজের বিবেক ব্যাবহার করে মন্তব্য করুন দেখুন আসল বিষয়টি বের হয়ে আসবে।

শমিত দা... আপনার জবাবটি একটু লম্বা হবে তাই আরেকটা কমেন্ট করছি 10মিনিট পর। একটি কমেন্ট বেশী বড় হয়ে গেলে অনেকে ভয় পেয়ে যান।
৩০. ০৬ ই জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: একটু ব্যস্ত আছি, পরে সময় পেলে এবং মন্তব্যের ঘরে পোস্ট টা দেখলে পড়ে নেব
৩১. ০৬ ই জুন, ২০০৬ রাত ৮:০৬
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: নিজে ভুল কইরা নিজে পস্তাইতে রাজি আছি। ভুল করবো গার্জিয়ানে আর পস্তামু আমি ?-- নৈব নৈব চ' !
৩২. ০৬ ই জুন, ২০০৬ রাত ৮:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: শমিত দা ধন্যবাদ আপনার সুন্দর আলোচনা করার মানসিকতাকে-

আপনার প্রথম যুক্তির ব্যাপারে আসি-
আপনার সাথে একটা পয়েন্ট অব ভিউতে আমি একমত... কেউ ভুল করলে তাকে ভুল তা বুঝিয়ে দেয়া দরকার। শিখিয়ে দেয়া দরকার সঠিকটা.... পরিক্ষার যুক্তিটা চমৎকার দিয়েছেন। কিন্তু শমিত দা.... জীবনে মানুষ একবারই বিয়ে করে। জীবনের তিনটি বড় ঘটনার একটি এটি। এখানে যদি কেউ ভুল করে নিজের মত করে বিয়ে করে ফেলে এবং পরে তাকে শেখানো হয় যে তুমি এটা ভুল করেছ... সঠিকটি শিখে নাও... এক্ষেত্রে মনে হয় সেটা সম্ভব নয়। আর আপনি যদি বলেন 'ঠিক আছে বিয়ের আগেই তাকে ভুলটা ধরিয়ে দেয় হোক' তাহলে তো আপনি আমার কথায়ই ফিরে আসছেন তাই না? এই ভুল ধরিয়ে দেয়াটাকেই কিছু নারী বলতে চান তার অধিকার হরণ... নিজের সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা নষ্ট করা... ইত্যাদি ইত্যাদি...।

দ্্বিতীয় পয়েন্টে আসি.... আবেগ মানুষকে অন্ধ করে ফেলে এটা আসলে কারো কথা হবার প্রয়োজনীয়তা নেই। একটি মেয়ে যখন একটি ছেলের প্রেমে পড়ে যায় তখন সে ছেলেটা যতই অযোগ্যই হোক না কেন তার সাথেই যেতে চাইবে। প্রমাণ আপনার পরিচিতদের মাঝেই খুঁজে দেখুন।
আপনার এখানে যে কথাটি থাকতে পারে তা হল সেই মেয়েকে বুঝিয়ে ঐ ছেলেটিকে ছেড়ে অন্য কাউকে বিয়ে করতে বলা। এখানেই আসলে সমস্যাটা... এটি করতে গেলেই সেই মেয়েটি এখানে এসে আরেকটি পোষ্ট করবে "আমি একজন কে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম... আমাকে দেয়া হয়নি... আমার কোন স্বাধীনতা নেই..." ইত্যাদি ইত্যাদি....
এখন আপনার কি মনে হয় সেই মেয়েটির ঐ অযোগ্য ছেলেটিকে বিয়ে করে ফেলা উচিত?

আমি আমার অনেক ব্লগেই বলেছি আমার বাংলা বানানে অনেক ভুল হয়... এটা মূলত দুটো কারনে হয়... এক এখানে স্ক্রিপ্টের সমস্যা... দুই বাংলা টাইপ করাটা একটা বিশাল ঝামেলার কাজ... তাই কোনরকমে উঠিয়ে দিতে পারলেই খুশি আমি। আর ভাষার ব্যাপারটি হয়তো আপনি জানেন.. আমি আপনাকে কি বুঝাতে চেয়েছি... সেটা যদি আপনি বুঝে থাকেন তাহলে আমি সেটা কি বাংলায় বললাম না জাপানীতে বললাম সেটা বড় ব্যাপার নয়।

আপনার আরো কোন কোন পয়েন্টগুলো অযেীক্তিক মনে হয়েছে একটু কষ্ট করে কমেন্টে দিলে ভাল হতো। যেহেতু আপনি একটি কমেন্ট করে ফেলেছেন যে আমার প্রতিটি লাইনেই সমস্যা আছে সেহেতু আপনার দায়িত্ব সেটা প্রমান করা... তাই না? অথবা আপনার পূর্বের কথাটি প্রত্যাহার করে নেয়া।

ভাল থাকবেন।
৩৩. ০৭ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
comment by: হযবরল বলেছেন: আনত হয় বৃক্ষ
তার আপন ফল গুণে
আনত হয় নদী
সঙ্গম সন্ধানে
আনত হয় মনু তব
আপন আপন জ্ঞানে।
৩৪. ০৯ ই জুন, ২০০৬ রাত ১১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ত্রিভূজ,

আপনার চিন্তা-ভাবনায় যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা আছে। এযুগের ছেলে হয়েও আপনি সেটেল্ড ম্যারেজের পক্ষে জেনে দুঃখ পেলাম। শুধু তাই না! আপনি একেই বলছেন জীবনসঙ্গী নির্বাচনের সর্বোত্তম পন্থা! কী গ্যারান্টি আছে যে বাবা-মা'র পছন্দ করা মেয়েকে বিয়ে করে আপনি অসুখী হবেন না? গণ্ডায় গণ্ডায় উদাহরণ দেয়া যাবে এরকম অসুখী দম্পতির। ছেলেরা অসুখী হলে নিজের পছন্দমতো আরো তিনটি বিয়ে করতে পারে কিন্তু মেয়েরা? তারাতো তাদের অসুখী জীবনের কথা মুখ ফুটে বলতেও পারেনা কারো কাছে। সারাজীবন কাটিয়ে দেয় একজন অপছন্দের মানুষের সাথে। কী ভয়াবহ ব্যাপার এটা চিন্তা করেছেন কখনো?

প্রেম করে বিয়ে করলেই যে মানুষ সুখী হবে তারও কোন গ্যারান্টি নেই। কিন্তু ভুলে যাবেন না যে ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা গ্রহণ করে।

মেয়েদেরকে যে বাইরে কাজ করতে যেতে নিরুৎসাহিত করলেন সেটাও খারাপ লাগলো। বাইরে না বেরুলে বাইরের জগৎটাকে তারা জানবে কী করে? পতিসেবা আর সন্তান লালন-পালনই বুঝি নারীর একমাত্র কাজ? তাইলেতো ভাই বউ জিনিসটা আপনার দরকার নাই। দরকার একটা কাজের বুয়া।

আমার ধারণা আপনে কোনদিন প্রেমে পরেন নাই। একবার প্রেমে পরেন। তারপর নিজের এই যুক্তিতর্ক আর চিন্তাধারার অসাড়তা দেখে নিজেই হাসবেন।

ভাই আমি আপনার বিরোধী পক্ষের কেউ না। এবং আমি এও বিশ্বাস করিনা যে আস্তিক হয়ে বা মুসলিম হয়ে সংকীর্ণতার উর্দ্ধে উঠা সম্ভব না। বরং ওই ধারণা যারা পোষণ করে তাদেরকে গরু-ছাগলই মনে করি। তাই বলছি, মুসলমানিত্বকে যত দৃঢ়তায় আকড়ে ধরেছেন সংকীর্ণতাকে তত দৃঢ়তার পদদলিত করুন।
৩৫. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ১২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি বলতে চাইছি মেয়েদের কাজের গণ্ডিটাকে সীমাবদ্ধ করে দেয়া ঠিক হচ্ছেনা। মানুষ হিসেবে সবাই সমান ট্রিটমেন্ট আশা করে।
৩৬. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ১২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: সেটা ঠিক আছে... তাদের সেই অধিকার রয়েছে। আমারও কোন আপত্তি নেই।
কিন্তু একটি মেয়ে বা ছেলে কেন বিয়ে করে? একটি পরিবার গঠনের জন্যইতো তাই না? একটি পরিবারকে সুন্দর করার জন্য কিছু দায়িত্ব রয়েছে। সে দায়িত্বের কিছু অংশ পুরুষ পালন করতে বেশী পারদর্শর্ী... কিছু অংশ নারী পালনে বেশী পারদর্শী। এখন নারী যে অংশে বেশী পারদর্শী সে যদি সেই অংশকে প্রায়োরিটি কম দিয়ে পুরুষের অংশে প্রায়োরিটি বেশী দেয় তখন পরিবারটির স্বাভাবিকত্ত কি ঠিক থাকবে? আপনার মতামত জানান।
৩৭. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ১২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: নাহ চিন্তিত... আপনি আমাকে ভুল বুঝেছেন। আসলে আমি বিষয়টি সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করতে পারিনি। এইটকু স্বীকার করছি।
আমি মেয়েদের বাইরে কাজ করতে যেতে নিুরুসাহিত করিনি। আমার বক্তব্য ছিল যদি নারীদের বাইরে কাজের কারনে তার সন্তানদের মানুষ করতে সমস্যা হয় তাহলে তার বাইরে কাজ না করে ঘড়ে সন্তানদের মানুষ করাটাকেই প্রায়োরিটি দেয়া উচিত।

এবিষয়ে আরো সুন্দর আলোচনা হয়েছে নিচের দুটো লিংকে। দয়া করে ভিজিট করে দেখবেন। ঐ দুটো লিংকে যে আলোচনা হয়েছে আমি তার সাথে অনেকটা একমত।
আমি মূলত এ টপিকটিতে যা উপস্থাপন করতে ব্যার্থ হয়েছি সেটা ঐদুটপিকে পাবেন।
Click This Link
Click This Link
৩৮. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ১২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: সেটেলড ম্যারিজের ব্যাপারেও আপনি আমাকে ভুল বুঝেছেন। লক্ষ করুন, আমি কিন্তু বলিনি মা বাবা যাকে চাইবে তাকেই বিয়ে করতে হবে। এখানে পাত্র বা পাত্রীর পসন্দের মূল্য দিতে হবে। আমাদের ধর্মও কিন্তু বাবা মায়ের জোর করে ছেলে মেয়েদের উপর সিদ্ধান্ত চাপানোটাকে সাপোর্ট করে না।
তবে হ্যা.. সেটেলড মেরিজ নিয়ে আমার আরো কিছু কথা বলতে হবে। সেগুলো না বললে বুঝানো কঠিন হবে। এখানে আসলে আমি খুব দ্রুত একটি উপসংহার টেনে ফেলেছি। গ্রহনযোগ্যতা না পাবারই কথা। সময় করে একসময় এই টপিকে কিছু লিখার ইচ্ছে রয়েছে। সুতরাং এরেঞ্জ ম্যারিজ আর লাভ ম্যারিজ বিষয়টি আপাতত থাকুক। :-)
৩৯. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ১২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আচ্ছা চিন্তিত, আপনাকে একটা প্রশ্ন করি-একই প্রশ্ন শমিত দা কে করেছিলাম... কিন্তু উত্তর পাইনি!

আপনার কমেন্টের দ্্বিতীয় প্যারায় যে ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহনের কথা বলেছেন সেই শিক্ষাটি কিরকম হতে পারে?
ধরুন অভিবাবকের সম্মতিতে একটি বিয়ে হবার পর দেখা গেল মেয়েটি সুখী হলো না। আপনি বলছে তখন মেয়েটির আর কিছুই করার থাকে না।
নিচের প্যারায় বলেছেন প্রেম করে বিয়ে করলেও যে সুখী হবে তার নিশ্চয়তা নেই। মানে দেখা গেল প্রেম করে বিয়ে করেও মেয়েটি সুখী নয়। তখনওতো মেয়েটির কিছু করার নেই, তাই না? (আপনার উপরের যুক্তি অনুযায়ী) তাহলে কি শিক্ষা সে গ্রহন করবে এবং সেই শিক্ষা তার কি কাজে আসবে একটু ডিটেইলসে বললে আমার জন্য বুঝতে সুবিধা হতো।
ধন্যবাদ।
৪০. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: হল থেকে বাসায় আসলি কবে? আমি নাস্তা করেই ঘুম দেব। বাসায় এসে লাভ নেই। :-)
৪১. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ১:০৬
comment by: হুমমম... বলেছেন: ঐ ব্যাটা ঘুমাস নাই? শেষ পর্যন্ত মাইয়াপাইনেল লগে তর্ক লাগাইছস। হাহাহাহাহাহাহা
তোর বাসায় আসতেছি।
৪২. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ওয়েল চিন্তিত... বিয়ে মানুষ যে দ্্বিতীয়বার করতে পারবে না তা কিন্তু কোথাও বলিনি। আপনিও কিন্তু একটু আগে বলেছেন যে "....তারা মুখ ফুটে কিছু বলতে পারে না। সারাজীবন কাটিয়ে দেয় অপসন্দের একজনের সাথে।..."
কেন তারা দ্্বিতীয় বিয়ে করে ফেলতে পারে না তখন? এই প্রশ্নের উত্তর দিন তারপর বাকীটুকু বলবো।
৪৩. ১০ ই জুন, ২০০৬ রাত ১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: সমস্যা হলো আপনি বলেই ফেলেছেন "বিয়ে মানুষ একবারই করে"। এই প্রাগৈতিহাসিক চিন্তাধারার লোকদের আধুনিক সভ্যতার লেকচার দেয়াটা বোকামী। তারপরও বলি: ছেলে মেয়েদের মেলামেশার সুযোগ দিলে তারা একে অন্যের সম্পর্কে জানতে পারবে। কারো স্বভাব চরিত্র যদি আপনার ভালো না লাগে তাহলে তো প্রত্যাখানের সুযোগটা এখানে আছে। আর প্রেম করে বিয়ে করার পর যদি ছেলেটা অথবা মেয়েটা দেখে সে যা চেয়েছিলো তা পায়নি তাহলে অন্তত সে তার অবস্থার জন্য বাবা-মা'কে দায়ী করবেনা, নিজের বিচক্ষণতাকে দায়ী করবে এবং পরবর্তীতে সঙ্গী নির্বাচনে এই শিক্ষাটা তার কাজে লাগবে।

আরেকটা ব্যাপার বোঝার চেষ্টা করেন যে স্বাধীনতা মানে হচ্ছে ভুল করার স্বাধীনতা। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কি করবে না করবে তা আপনি আমি ডিকটেট করার অধিকার রাখিনা। সৃষ্টিকর্তা নিজেও যদি তাই চাইতেন তাহলে কতগুলো রোবট পাঠাতেন দুনিয়ায়। বিবেক বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ পাঠাতেন না।
৪৪. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: এই পোষ্টের উপর কিছু আলোচনা দেখলাম একটি ব্লগে... পর্যপ্ত সময়ের অভাবে কিছু লিখলাম না সেখানে... wjsKটা রেখে দিলাম.. পরে কোন একদিন হয়তো জবাব দেব ...

--> wjsK

 

 


trivuz@gmail.com
http://trivuz.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ