আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০১১ ত্রিভুজ

ধার্মিকদের প্রতি ধর্মহীনদের কিছু কমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি সুস্থ ধারার আলোচনা...

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:০৩

শেয়ারঃ
0 0 0

নাস্তিক, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী, বস্তুবাদের পুজারী, কমিউনিষ্ট ইত্যাদি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের(সম্প্রদায় বলেছি কেন তা সম্পূর্ন লেখাটা পড়লে বুঝতে পারবেন) সাথে আমাদের বিভিন্ন বিষয়ে তর্ক হয়ে থাকে। আমরা কিছু বিধান মেনে চলি, এবং তারাও কিছু বিধান(এখানে 'বিধান' শব্দটা অনেক ব্যাপক অর্থে ব্যাহৃত হচ্ছে।) মেনে চলেন (যদিও তারা বলে থাকেন তারা সকল বিধানের বিরুদ্ধে)। আমাদের উচিত কোন বিধানটা মানব জাতির জন্য মঙ্গলদায়ক তা খুঁজে বের করার জন্যে দুই দলের বিধান নিয়েই আলোচনা করা। দু:খজনক হলেও সত্য তাদের অনেক এটা না করে প্রথমেই আমাদের সকল প্রস্তাব নাকচ করে দেন আমরা ধর্মের পুজারী বলে। তারা ধর্মমুক্ত বিশ্ব গড়তে চান, যেখানে ভেদাভেদ থাকবে না। তারা নিজেদের মত ও জীবন দর্শন নিয়েই আলোচনায় উৎসাহী এবং অন্যের মত ও জীবন দর্শনকে ধর্মীয় মতাদর্শ বলে উড়িয়ে দিতে চান। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় ধর্মকে তারা আক্ষরিক অর্থেই বেশী দেখে থাকেন। ফলশ্রুতিতে ধর্মের আসল মানে কি সেটি সম্পর্কে তাদের বেশ একপেশে ধারনা পোষন করতে দেখা যায়। সেই ধারনা থেকে তাদের বের হয়ে আসতে সাহায্য করার জন্যই আমার এই প্রচেষ্টা...

আমরা যখন আমাদের ধর্মীয় মূল্যবোধ বা বিশ্বাস নিয়ে কথা বলতে যাই, তখন তারা আমাদের মূল কথা না শুনে আমাদেরকে কিছু দোষে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করে থাকেন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো তারা আমাদেরকে যেসব দোষে(!) দুষ্ট ভাবেন, একই দোষ কিন্তু তাদের মাঝেও রয়েছে। কিভাবে তা নিচে অল্প কথায় প্রমাণ করার চেষ্টা করছি-

ক) বিশ্বাস / অবিশ্বাস
১) আমি বিশ্বাস করি সৃষ্টি জগতের একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন
২) আমি বিশ্বাস করি সৃষ্টি জগতের জন্য কোন সৃষ্টির্তার প্রয়োজন নেই/সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ নেই
> কোন রকম মতের/ধর্মে বিশ্বাসী না হবার দাবী করলেও তারাও যে একটি মতের/ধর্মের বিশ্বাসী তা বুঝতে পারবেন উপরের দু'টো লাইন পড়লে

খ) ধর্ম / ধর্মহীনতা
১) আমি আমার চিন্তা চেতনায় ধারন করি আমার সৃষ্টিকর্তার পাঠানো বিধান । আমার সৃষ্টিকর্তার বলে দেয়া পথে আমি চলতে পছন্দ করি।
২) আমি আমার চিন্তা চেতনায় ধারন করি আমার প্রিয় মনিষী বা আমার নিজের চিন্তাধারার ফসল কিছু বিধান । আমি আমার নিজের পছন্দনীয় পথে চলতে পছন্দ করি
> ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলেও যে তারা আসলে একটি ধর্মেরই প্রতিনিধিত্ব করছে তার স্বাক্ষর পাবেন এখানে। (ধর্ম বলতে এখানে কি বুঝিয়েছি তা বুঝতে না পারলে সেটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।)

গ) সম্প্রসারনবাদী চিন্তার উন্মাদনা(!)
১) আমি আমার সৃষ্টিকর্তার পাঠানো নির্দেশের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা চেতনা/বিধান পৃথিবীতে সম্প্রসারনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি
২) আমি আমার নিজের পছন্দনীয় ব্যাক্তির কথা ও বিষাবলীর ভিত্তিতে গড়ে ওঠা চেতনা/বিধান পৃথিবীতে পৃথিবীতে সম্প্রসারনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি
> ধর্মের সম্প্রসারনের লক্ষে নিয়োজিত ব্যাক্তিবর্গের সমালোচনা করে যে তারা নিজেদেরও সমালোচনা করছে তা আশা করি বুঝতে কষ্ট হবে না এবার...

ঘ) শ্রেষ্ঠত্ব চিন্তা
১) আমি আমার সৃষ্টিকর্তাও বিধানকেই শ্রেষ্ঠ মনে করি এবং পৃথিবীতে এটি প্রচলন হলে শান্তি বজায় থাকবে বলে মনে করি
২) আমি আমার নিজের তৈরি বিধানকেই শ্রেষ্ঠ মনে করি এবং পৃথিবীতে এটি প্রচলন হলে শান্তি বজায় থাকবে বলে মনে করি
> ধর্মগুলোর পরস্পরের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষনার যে সমালোচনা তারা করে থাকেন, তা যে তাদের মাঝেও রয়েছে তা বুঝানোর জন্য উপরের দু'লাইন

ঙ) চাপিয়ে দেয়ার মনোভাব
১) আমি আমার সৃষ্টিকর্তার বিধান সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছি
২) আমি আমার নিজের তৈরি বিধান সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছি
> মতবাদ চাপিয়ে দেয়ার দোষ দিয়ে থাকেন তারা আমাদের। অথচ আমরা শুধুই সতর্ক করি.. আমাদের সতর্কবাণী কেউ না শুনলে তার উপর ব্যাক্তিগত আক্রমন বা খারাপ মনোভাব পোষন করি না। কিন্তু তারা এটা করে থাকে। তবুও চাপিয়ে দেয়ার মনোভাব নাকি শুধু আমাদেরই রয়েছে।

চ) ব্যাক্তিগত চর্চা - সমাজগত চর্চা
১) আমি আমার জীবন দর্শনকে (যা আমার ধর্ম গ্রন্থ থেকে পেয়েছি) শুধু ব্যাক্তিগত চর্চার বিষয় মনে করি না। তাই এটি সমাজে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে থাকি কারন আমি জানি এটি প্রতিষ্ঠা করতে পারলে সমাজে শান্তিবস্থা বিরাজ করবে।
২) আমি আমর জীবন দর্শনকে (যা আমার অর্জিত জ্ঞান ও চিন্তা ভাবনা করে বের করেছি বা কোন বইয়ে পেয়েছি) শুধু ব্যাক্তিগত চর্চার বিষয় মনে করি না। তাই এটি সমাজে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে থাকি কারন আমি জানি এটি প্রতিষ্ঠা করতে পারলে সমাজে শান্তিবস্থা বিরাজ করবে।
> 'ধর্মকে শুধু ব্যাক্তিগত পর্যায়ে পালন করুন.. ধর্ম ব্যাক্তির গন্ডি থেকে সমাজের গন্ডিতে প্রবেশাধিকার রাখে না', এই ধারনার প্রেক্ষিতে...

ছ) মানুষের জন্য আইন
১) আমি আমার সৃষ্টিকর্তার বিধান থেকে বর্তমান সমাজের উপযোগী আইন তৈরি করে বিচার করাকে সুবিচার ও মানবিক মনে করি। আমি মনে করি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এসব আইনকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করা উচিত।
২) আমি আমার অর্জিত জ্ঞান ও আমার চিন্তা ধারা থেকে পাওয়া বিষয়গুলোকে থেকে আইন তৈরি করে বিচার করাকে সুবিচার ও মানবিক মনে করি। আমি মনে করি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এসব আইনকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করা উচিত।
> আমরা উভয়েই নিজের মতবাদ ভিত্তিক আইন সমাজে প্রতিষ্ঠা করার কথা চিন্তা করি। তবে আমাদের বিরুদ্ধবাদীরা তাদের আইনগুলোর সাথে আমাদের আইনগুলোর কোন রকম তুলনাই করতে চান না, কারন তারা মনে করেন ধর্মের (আমাদের মতবাদের) আইন দিয়ে সমাজ চলতে পারে না। অথচ তারা তাদের মতবাদ থেকে সৃষ্ট আইনগুলো সমাজে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আপাত দৃষ্টিতে যদিও দু'টোর মূল উদ্দেশ্য সমাজে শান্তি স্থাপন করা। আলোচনা হতে পারে কোনটি শান্তি স্থাপনে অধিক কার্যকর, তা নিয়ে।

এখানে প্রতিটি পয়েন্টে ১ হলো আমাদের (যারা ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করেন) বক্তব্য এবং ২ হলো তাদের বক্তব্য যারা আমাদের সকল বক্তব্যকে নাকচ করে দিতে চান আমরা ধর্মকে সব বিষয়ে টানছি এরকম অভিযোগ তুলে। এরকম অনেক পয়েন্ট তুলে ধরা যায়। আলোচনা সংক্ষিপ্ত রাখার জন্য আজকে বেশী পয়েন্ট তুলে ধরলাম না।

--
অনেকেই দেখলাম আমার এই লেখার মূল বক্তব্য ধরতে পারেননি... তাই এই লেখাটার পটভূমি'র একটু ক্ষুদ্র অংশ তুলে ধরা দরকার। এখানে ক্লিক করে মন্তব্যগুলো দেখুন। এই পোষ্টের মন্তব্যের ঘরে যেসব আলোচনায় হয়েছিল, এধরনের আলোচনা ইতিপূর্বেও অনেকবার হয়েছে। তাই এই পোষ্টের অবতারনা।

9:02 PM 2/26/2007 - 144368

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ধর্ম ও জীবন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৪২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:১৫
অতিথি বলেছেন: 1vuz,
i,ve just one question....
who is superior god or humanity.
২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৭
অতিথি বলেছেন: গড তো humanity 'র উপরই বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন আমি যতদুর জানি @ হেমায়েতপুরী
৩. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৭
নুর3ডিইডি বলেছেন: ত্রিভুজ > খুব সুন্দর লিখেছেন । যাদের জন্য লিখেছেন , তাদেরকে আল্লাহ বুঝার তৌপিক দিন । আমার মনেহয় এই ব্লগে অনেক বিধর্মিমুসলমানে র নাম ব্যাবহার করিতেছে ।আপনাকে , 2নং পৃষ্টায় সুমনের ব্লগে মন্তব্য করার জন্য অনুরোধ করতেছি ।আর ইসলামিক টিভি নিয়ে খুব টেনশানে আছি । কি রকম ক্ষয় খতি হয়েছে এই নিয়ে একটা পোষ্ট আপনার থেেেক আশা করিতেছি। ভালো থাকুন ।
৪. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৫
মাহবুব সুমন বলেছেন: আপনার লেখা পড়লাম,
একটার পর একটা পয়েন্ট ধরে উত্তর দেবার চেষ্টা করবো আমার খুদ্্র গ্যান দ্্বারা।
৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:০০
অতিথি বলেছেন: 'আমি মানুষ খুন করবো' আর
'আমি মানুষ খুন করবো না',
দুটোই যদি একই ধরণের প্রলাপ হয়, তাহলে আপনার সমস্ত কথাই ঠিক ত্রিভুজ।

তবে এসব কথা আপনাকেই মানায়, আমাকে নয়।
৬. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:১১
অতিথি বলেছেন: তীরন্দাজ,
আপনার এই উদাহরনটা আমার পোষ্টের বক্তব্যের সাথে মানানসই নয়।

তবে আপনাকে আরো সহজ করে একটু বুঝাই... আপনার উদাহরনটা দিয়েই...

ধরুন ধর্মের পক্ষের বক্তব্যকারীদের জন্য সেট করলেন "আমি মানুষ খুন করবো' এবং এর বিপক্ষের লোকদের জন্য "আমি খুন করবো না"

মজার ব্যাপার হচ্ছে আপনার বিপরীত চিন্তার লোকরা কিন্তু উলটোটা করবে। আপনার পদ্ধতিতে তর্ক করতে গেলে আমিও বলতে পারি আপনি যা বলছেন সবই প্রলাপ। এটাও বলতে পারি "এসব কথা আপনাকেই মানায়, আমাকে নয়।"
তাহলে কিন্তু তর্ক করার দরকার নাই। আপনি আমাকে খারাপ ভেবে দুরে সরে যাবেন, আমি আপনাকে।

তবে এটা কি হওয়া উচিত? আপনারা ওটা করতে পারেন, কিন্তু আমার ধর্ম বিশ্বাস সেটা শিক্ষা দেয়নি আমাকে। সেজন্যই আমাদের রসুল হযরত মুহাম্মদ (সা:) বিরুদ্ধবাদীদের এত অত্যাচারের পরেও তাদের কাছে সত্যের বাণী নিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন এবং মক্কা জয়ের পর তাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন।

এই সাইটে দেখুন, আমরা অল্প কয়েকজন ইসলামের কথা বলতে গিয়ে কত খারাপ খারপা কথার সন্মুখিন হচ্ছি.. অথচ আপনারা আমাদের বিরুদ্ধমতের হওয়ার পরেও আমরা আপনাদের নিয়ে নোংরা পোষ্ট দিচ্ছি না।
আসলে এখানেই আপনাদের সাথে আমাদের পার্থক্যটা। এটা সবাই বুঝতে পারে.. শুধু আপনারাই বুঝতে পারেন না। বুঝলে এসব করতে যেতেন না।

সৃষ্টিকর্তা আপনাদের বুঝার তৌফিক দিক। আমিন।
৭. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:২৭
সুর বাংলা বলেছেন: ধুরো!
নাস্তিকরা যে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী অয় হেয়া কি নতুন কতা নি! হালারা নিজেগোই খালি বুদ্ধিমান ভাবে আর গাঞ্জা খায়! এইডা ফুরান কতা !
৮. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৮
অতিথি বলেছেন: ওরা আসলে আলোচনা করার চাইতে গালাগালি করতে বেশী পারদর্শি...
৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:০৭
ভাসমান বলেছেন: আমি এইখানে নাই।
১০. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:২৫
অতিথি বলেছেন: মাহবুব সুমন,
আপনার জবাবের জন্য অপেক্ষায় আছি।

নুর,
বেশ ভালো ক্ষতি হয়েছে ইসলামিক টিভি'র। বিস্তারিত কাল জানতে পারবো। দেখতে যেতেও পারি.. কাল জানাবো এই ব্যাপারে।
১১. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:৫০
আশরাফ রহমান বলেছেন: এই ব্লগে আপনি যত যুক্তি দিয়ে কিংবা তথ্য দিয়েই পোস্ট দেন না কেন তা ওদের কর্ণ কুহরে পৌছবে না। সত্যকে স্বীকার করার মানসিকতা থাকলে কিংবা ভদ্রতা, শিষ্টাচার জানা থাকলে কেউ ব্যক্তিগত আক্রমনে না গিয়ে যুক্তির দ্্বারা পালটা বক্তব্য তুলে ধরতো। ওরা যখন কোন যুক্তি খুজে পাওয়া না তখন মুখ থেকে বের করে গালির অস্ত্র। অসাধারণ অস্ত্র এটি!
১২. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:০৬
ফজল বলেছেন: জটিল মনে হচ্ছে, সময় করে পড়বো। এখন বেরুতে হচ্ছে।
১৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:১৭
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ তার পুরান অভ্যাসমতোই আরেকটা নমূনা তার ব্লগ পোস্টে হাজির করলো...আমি এক্কেরেই অবাক হইনাই বরং বহুদিন পর তার এই ফর্মে সে ফিরলো...যেই ফর্ম আমরা যারা বিভিন্নজনের ব্লগপোস্ট পড়ি তাগো আনন্দ জোগায়...

তিনি চাইরটা সম্প্রদায়ের উল্লেখ কইরা পোস্ট শুরু করলেন, নাস্তিক, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী, বস্তুবাদের পুজারী আর কমু্যনিস্ট। আমি হাসলাম কারণ এতো সরলীকরণ কইরা বর্তমানের মুসলমানেরাই ভাবতে পারে, যেই কারণে তারা ক্বাদিয়ানীগো অমুসলিম হিসাবে ঘোষণা দেওনের মতো বিষয় নিয়া আন্দোলন করতে পারে, নাস্তিক মানে কোন সম্প্রদায় এইটা মানুষের সাধারণ জ্ঞানের অভাব থাকলেই কেবল ভাবতে পারে। একজন লোক নাস্তিক হইতেই পারে, কিন্তু তাতে সে কোন মতাদর্শের আশ্রয় নিবোই এইটা বলা যায় না। আর তাই ভিন্ন মতাদর্শ ভিত্তিক নাস্তিক গো লগে তার যুক্তির ধরনে কোন মিল থাকনটা যেমন জরুরী না...আবার সেইটা অনেক সময় বিরোধাত্মকও হইতে পারে তাই বইলা শুদ্ধ নাস্তিকতার বিরোধ এই খানে কোন যুদ্ধ লাগায় না। তয় অনেক সময় বস্তুবাদী দর্শণ একটা রোল খেলে এই নাস্তিকতার সিদ্ধান্ত নিতে, চটক কইরা ত্রিভুজ যেইটারে পুজার কাতারে ফেললেন কেবল তার সিদ্ধান্ত হাসিল করতে। পুজা জিনিষটা চইলা আসলেই সেইটা আর নাস্তিক্যবাদ থাকে না এইটা মাইনা নিয়াই মানুষ নাস্তিক হয়। এইখানে ত্রিভুজরে নাস্তিকতা আর আস্তিকতার আভিধানিক অর্থ দুইটা একবার দেইখা আসনের অনুরোধ করি।

উনি চিরাচরিত কাল্পণিক প্রজ্ঞার ভেতর দিয়াই গেলেন। বিশ্বাসীগো প্রতিদ্্বন্দ্বী বানাইলেন অবিশ্বাসীগো। কিন্তু আসলে এইখানে একটা চিন্তার পদ্ধতি কাজ করে সেইটা ভাবনের কমনসেনস উনার নাই, সেইটা আমার আগে জানা ছিলো বিধায় কোনরমেই অবাক হইলাম না। ভাই চিন্তার পদ্ধতি হইলো বিশ্বাসীরা কোনরম ভাবনা ছাড়াই বিশ্বাস করে আর অবিশ্বাসীরা ভাবনার পর বিশ্বাসের কাঠগড়ায় দাঁড়ায়। এই খানে একটা বাক্যস্থিত তিনটা শব্দ নিয়া খেলনটা নাজায়েজ যেইটারে আমি অতীতে আপনের ক্ষেত্রে বহুতবার উলেখ করছি, সেই ফ্যালাসী কয়।

এখন আপনের বাকী যেকোন উদাহরনরেই এই চিন্তার পদ্ধতি অনুযায়ী দেখেন...কেবল বিতর্কে না জিতলে জাত যাইবো এই টাইপ মনোভঙ্গী বাদ দিয়া দেখতে হইবো। তাইলেই দেখবেন আপনের উল্লেখিত আলোচনায় কেমনে ফ্যালাসী আসছে!
১৪. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:১৯
হযবরল বলেছেন: আমি মাঝে মাঝে খেই হারায়া ফেলি। দুনিয়াটা এত বিচিত্র ?
১৫. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:২৯
অতিথি বলেছেন: ত্রিভূজ

আপনার ক) বিশ্বাস/অবিশ্বাস হেডিংটাতে 1 ও 2 পয়েন্টে যা বলেছেন তা পড়ে অন্যান্যদের বুঝতে পারার কথা বলেছেন যে কোন ধরণের মতের বা ধর্মের অনুসারী না হওয়াও যে একটা মতের /ধর্মের অনুসারী হওয়া - এই কথাগুলোর সাথে আপনার বুদ্ধি যে একটা গরুর বুদ্ধির সমান এটা বুঝতে অন্যদের আর সন্দেহ থাকবে না।

কারণ ধর্ম ও মত যদি স্লাস দিয়ে এক বোঝান তাহলে দুটো শব্দ বলার তো দরকার নেই। তবে একমাত্র আপনার মত পাঠা ছাড়া আর সবাই জানে মত ও ধর্ম বলতে একই জিনিস নয়। আপনার অনেক, অনেক, অনেক, অনেক পড়তে হবে। আইটির সব ছেলেই যে ভাল দার্শনিক, তার্কিক জ্ঞান থাকবে এটা ভাবা ঠিক নয়, আপনার মত ভোদাইও অনেক হয়। আপনি কিভাবে প্রোগ্রামিং এর লজিক দাড় করান আমার সন্দেহ হচ্ছে। সম্ভবত রেডিমেড প্রোগ্রাম লেখাগুলোই কাটপেস্ট মেরে প্রোগামিং করেন। আপনার এই ঘিলুতে মৌলিক কোন প্রোগ্রামও বের হবার কথা নয়।

আপনার প্রেজেন্টেশনের জন্য 5 দেয়া সম্ভব কিন্তু আপনার ক অনুচ্ছেদ পরে আর বাকীটা পড়ার কোন দরকার নেই। আপনি আসলেই একটা ছাগলগোত্রীয় বিকলাংগ বুদ্ধির অধিকারী। এর জন্য শূণ্য দেয়া যায় মাত্র।
১৬. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:৪৭
অতিথি বলেছেন: শূণ্য না, শূণ্য থেকে কিছু কম
১৭. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:১২
অতিথি বলেছেন: [গাঢ়]নিক নেম:[/গাঢ়]

আপনার নিক নেম,'ত্রিভূজ'।
আমার নিক নেম ,'জেবতিক আরিফ'।
-----এখন এটা নিয়ে যেমন আলোচনার কিছু খুজে পাচ্ছি না,আপনার পোস্টটি নিয়েও আলোচনার কিছু খুজে পাচ্ছি না।

একটু বুঝিয়ে বললে আলোচনা করতে আগ্রহী ছিলাম।
১৮. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩৫
অতিথি বলেছেন: জেবতিক আরিফ,
বিষয়টা হলো,
আপনি বললেন "আমার নিক নেম জেবতিক আরিফ"
আমি বললাম "আমার নিক নেম ত্রিভুজ"
তারপর আপনি দাবী করলেন আপনারটা নিক নেম কিন্তু আমারটা অন্য কিছু। এবং আমরা এখানে নিক নেম নিয়ে আলোচনা করবো না। নিক নেম নিয়ে আলোচনা করা সমীচিন না।

বুঝতে পেরেছেন? আসলে এই ব্লগের ব্লগারদের পূর্বের বেশ কিছু পোষ্ট পড়লে বুঝতেন আরো পরিষ্কার ভাবে।

এখানে আমি মূলত দেখাতে চেয়েছি যে, আপনারা আপনাদের বিশ্বাস থেকে প্রাপ্ত থিওরী প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করার অধিকার রাখেন, কিন্তু আমাদের বিশ্বাস থেকে প্রাপ্ত থিওরীকে "ধর্ম" বলে ফু দিয়ে উড়িয়ে দিতে চান... আলোচনায় আসারই যোগ্য মনে করেন না.... এটা কি ঠিক? আপনি আপনার বিশ্বাস থেকে যা বলার অধিকার রাখেন আমারো আমার বিশ্বাস থেকে তা বলার অধিকার রয়েছে। আপনি কি মনে করেন?

[link|http://www.somewhereinblog.net/khaleque_891blog/post/28699780|Avcwb MZKvj
১৯. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৪৮
অতিথি বলেছেন: জামাল ভাস্কর ও কৌশিক কে নিজেদের বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান থেকে নিজেদের মত করে চিন্তার ফসল হিসেবে দেয়া মন্তব্যের জন্য প্রথাগত ধন্যবাদ।

যদিও পোষ্টের উদ্দেশ্য ছিলো আলোচনা এবং নীচে 'বি:দ্র" তে লেখা ছিল ব্যাক্তি ত্রিভুজকে নিয়ে গবেষনা করবেন না। কিন্তু উনারা তা সম্ভবত বুঝতে পারেন নি... অথবা এখনো নিজেদের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহন করার মত যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি। দেখে কিঞ্চিত দু:খ বোধই হলো, আর কিছুই না।

আপনাদের বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নতি সাধন হউক এই কামনা থাকলো।
২০. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৫
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ, তোমার মন্তব্য পইড়া আমার চক্ষু খুইলা গেছে। আমি এক্সট্রিমলী সরি। আসলে ই আমার ভুল হয়ে গেছে। তুমি একটা সুইট বয়, আমি পাংখা!
২১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৫
অতিথি বলেছেন: চিন্তারে যে চিন্তকের থেইকা আলাদা করন যায় এইটা আমি বুঝি নাই...খালি বিতর্কের লেইগা একটা হাইপোথিসিস দিছেন এইটা ধইরা নিতে বাধছে আমার বুদ্ধিবৃত্তি বিবেচনায়...কি আর করবেন পোলাপাইনা বুদ্ধি!
২২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:০৮
অতিথি বলেছেন: আমি বলছিলাম আমার চিন্তার কোন যায়গাটাতে ভুল আছে ধরে দেয়ার জন্য। আপনারা যেভাবে আমার বুদ্ধি নিয়া গবেষনা শুরু করছেন, তাতে তো আপনাদের বুদ্ধি নিয়াই আমি চিন্তিত।

ভাই, আমার বুদ্ধি নিয়া বেশী চিন্তা কইরেন না.. আমি মানুষটা বোকা সোকা..

কিন্তু আমি যা বলছি এবং তার প্রেক্ষিতে আপনারা যা বলছেন, তা তো পাঠকরা দেখতেই আছে.. তারাই বিচার করুক।

(আপনারা মনে মনে আনন্দিত হতে থাকেন, লোকজন এই লেখা দেখে আমারে বোকা ঠাউরাবে ভাইব্যা।)
২৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:১২
অতিথি বলেছেন: ব্রাকেটটা না থাকলে তাই মনে করতো!
২৪. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:১৭
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ আমি আপনের চিন্তার ধরনটারেই দেখাইতে চেষ্টা করছিলাম...কিন্তু সেইটা অন্ততঃ আপনেরে বুঝানের ব্যর্থতার দায় আমি মাথা পাইতাই নিতাছি...
২৫. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:২২
শাওন বলেছেন: তোমার সাথে একটু কথা ছিলো । ইয়াহু বা জিমেইলে আসতে পারবা ?
২৬. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:২৬
অতিথি বলেছেন: জিমেইল দেখো শাওন।
২৭. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:৫৬
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ, আমি বুঝতে পারি যে আপনার মধ্যে একটা চেষ্টা আছে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও চিন্তা-দর্শন সম্পর্কে আরো ভালো করে জানার ও বুঝার। এবং সেটি আপনি আপনার বর্তমান জ্ঞানের ভিত্তি, যা কিছুটা আপনার ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মগ্রন্থভিত্তিক, তা থেকে শেখা চিন্তা-ভাবনা থেকে জন্ম নেয়া প্রশ্নগুলোর উত্তর জানার মাধ্যমেই অর্জন করতে চান।

জানার বা জ্ঞান আহরণের এই পদ্ধতিটা সঠিক নয়। আপনাকে খোলামন নিয়ে আসতে হবে। আপনি আগে থেকেই যদি কিছু ঠিক ধরে নেন তবে নতুন উত্তরে আপনার মন ভরবে না। জ্ঞানের পৃথিবীতে ঢোকার সবচে বড় দরোজার নাম 'সংশয়'। আপনার বর্তমান বিশ্বাস, চিন্তা-চেতনা সম্পর্কেসন্দেহ ও প্রশ্ন নিয়েই ঢুকতে হবে সেখানে।

আপনার কথাগুলোর উত্তর ভাস্কর ও কৌশিক খুব গুছিয়ে দিয়েছেন।

আমি শুধু আপনার একটি (প্রথম) পয়েন্ট নিয়ে ছোট্ট একটু আলোচনা করে বলতে চেষ্টা করবো আপনি কোথায় বিভ্রান্তিতে আছেন।

বিশ্বাস/অবিশ্বাস সম্পর্কে আপনি মানুষের দুই ভাগ দেখিয়েছেন:
1. আমি বিশ্বাস করি সৃষ্টিজগতের একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন।
2. আমি বিশ্বাস করি সৃষ্টিজগতের জন্য কোনো সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন নেই/সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু নেই।

তারপর আপনার জোর তত্ত্ব হলো, কোনো রকম মতের/ধর্মের বিশ্বাসী না হয়েও দ্্বিতীয় বাক্য উচ্চারণকারী লোকজন একটি মত বা ধর্মে বিশ্বাসী।

আপনার এই তত্ত্বের বাস্তবতা নাই। মূলত: এই বক্তব্য যুক্তিসঙ্গতই নয়।

সৃষ্টিকর্তা আছে বলে প্রথম ব্যক্তি প্রসঙ্গ উত্থাপন করার আগে দ্্বিতীয় ব্যক্তির এই সম্পর্কে কোনো ভাবনা ছিল না। সুতরাং'সৃষ্টিকর্তা না থাকা'-টা তার জন্য কোনো বিশ্বাসের বিষয় ছিল না।
প্রথম ব্যক্তি প্রথমে তত্ত্বটা তৈরি করে বলেছে, যদিও তুমি দেখতে পাও না তবুও এই সত্যি যে এই পুকুরে ইলিশ মাছ আছে।
দ্্বিতীয় ব্যক্তি, তার জ্ঞান ও বুদ্ধি দিয়ে শুধু প্রথম ব্যক্তির বিশ্বাসকে অস্বীকার করেছে। সেটাকে সে আলাদা একটা বিশ্বাস মানিয়ে নানা প্রথা-আচারের ধর্ম করে গড়ে তুলেনি।

দ্্বিতীয় ব্যক্তি, পুকুরে ইলিশ মাছ আছে কি না তা নিয়ে মোটেই চিন্তিত নয়, ছিল না। তার যদি ইলিশ মাছের প্রয়োজন হয় তবে সে নদীতে জাল নিয়ে যাবে।
এখন প্রথম ব্যক্তি 'পুকুরে ইলিশ মাছ আছে' এই তত্ত্ব তৈরি করে দ্্বিতীয় ব্যক্তিকে যদি বলে তুমি অবিশ্বাসী, তুমি 'পুকুরে ইলিশ মাছ নাই' পক্ষের লোক তবে এই কথাটা যতটা হাস্যকর শোনাবে, আপনার ঐ বক্তব্যটাও ততোটাই অযৌক্তিক।

কোনো কিছু আছে কি না তা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠে তখন এটুকু নিশ্চয়ই বুঝা যায় যে এর অস্তিত্বটা সাধারণের কাছে চন্দ্র-সূর্যের মত বাস্তব কোনো বিষয় নয়। তাই এটা নিয়ে বিতর্ক। আর বিতর্ক বলেই যে এই অস্তিত্ব আছে বলে ঘোষণা দেবে তাকেই নানা যুক্তি-প্রমাণ দিয়ে অন্যকে নিশ্চিত করাতে হবে যে সেটি আছে।
তবে খেয়াল রাখবেন পুকুরের ইলিশ মাছের ক্ষেত্রে জাল ফেলে মাছটা তুলে আনাই যথেষ্ট নয়। মাছটি বন্যায় ভেসে পুকুরে আসতে পারে। আছে বলতে এখানে তখন বুঝাতে পারে পুকুরে ইলিশ মাছ স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারে কি না। সুতরাং শুধু পুকুর থেকে একটা ইলিশ মাছ তুলে আনাটাও প্রমাণ হিসেবে গৃহিত হবে না। ভাস্কর যেটাকে বলেছেন সরলীকরণ।

সুতরাং আপনি মাছের পক্ষের লোক বলেই আপনার বিরোধীরা না-মাছের পক্ষের লোক, এটা বলা সমীচিন নয়।

আপনার বাকী কথাগুলোর ক্ষেত্রেও এই একই কথা খাটে, তাই আলোচনা দীর্ঘায়িত করলাম না।

তাহলে আপনার উপায় কি? উপায় হচ্ছে, কৌশিক যা বলেছেন। শুধুআইটি'র বই থেকে চোখ তুলে গভীর জ্ঞানের বইগুলো নাড়াচাড়া করতে হবে। দর্শনের ইতিহাস পড়তে পারেন। বাটর্্রান্ড রাসেলের বইটি আমিনুল ইসলামের অনুবাদেও পড়তে পারেন। যদি খটোমটো লাগে তবে প্রাথমিক পাঠ হিসেবে একটা উপন্যাস দিয়ে মনের জানালা খুলতে পারেন, 'সোফি'স ওয়ালর্ড'।

ধন্যবাদ।
২৮. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:৫৭
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ, আমি বুঝতে পারি যে আপনার মধ্যে একটা চেষ্টা আছে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও চিন্তা-দর্শন সম্পর্কে আরো ভালো করে জানার ও বুঝার। এবং সেটি আপনি আপনার বর্তমান জ্ঞানের ভিত্তি, যা কিছুটা আপনার ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মগ্রন্থভিত্তিক, তা থেকে শেখা চিন্তা-ভাবনা থেকে জন্ম নেয়া প্রশ্নগুলোর উত্তর জানার মাধ্যমেই অর্জন করতে চান।

জানার বা জ্ঞান আহরণের এই পদ্ধতিটা সঠিক নয়। আপনাকে খোলামন নিয়ে আসতে হবে। আপনি আগে থেকেই যদি কিছু ঠিক ধরে নেন তবে নতুন উত্তরে আপনার মন ভরবে না। জ্ঞানের পৃথিবীতে ঢোকার সবচে বড় দরোজার নাম 'সংশয়'। আপনার বর্তমান বিশ্বাস, চিন্তা-চেতনা সম্পর্কেসন্দেহ ও প্রশ্ন নিয়েই ঢুকতে হবে সেখানে।

আপনার কথাগুলোর উত্তর ভাস্কর ও কৌশিক খুব গুছিয়ে দিয়েছেন।

আমি শুধু আপনার একটি (প্রথম) পয়েন্ট নিয়ে ছোট্ট একটু আলোচনা করে বলতে চেষ্টা করবো আপনি কোথায় বিভ্রান্তিতে আছেন।

বিশ্বাস/অবিশ্বাস সম্পর্কে আপনি মানুষের দুই ভাগ দেখিয়েছেন:
1. আমি বিশ্বাস করি সৃষ্টিজগতের একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন।
2. আমি বিশ্বাস করি সৃষ্টিজগতের জন্য কোনো সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন নেই/সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু নেই।

তারপর আপনার জোর তত্ত্ব হলো, কোনো রকম মতের/ধর্মের বিশ্বাসী না হয়েও দ্্বিতীয় বাক্য উচ্চারণকারী লোকজন একটি মত বা ধর্মে বিশ্বাসী।

আপনার এই তত্ত্বের বাস্তবতা নাই। মূলত: এই বক্তব্য যুক্তিসঙ্গতই নয়।

সৃষ্টিকর্তা আছে বলে প্রথম ব্যক্তি প্রসঙ্গ উত্থাপন করার আগে দ্্বিতীয় ব্যক্তির এই সম্পর্কে কোনো ভাবনা ছিল না। সুতরাং'সৃষ্টিকর্তা না থাকা'-টা তার জন্য কোনো বিশ্বাসের বিষয় ছিল না।
প্রথম ব্যক্তি প্রথমে তত্ত্বটা তৈরি করে বলেছে, যদিও তুমি দেখতে পাও না তবুও এই সত্যি যে এই পুকুরে ইলিশ মাছ আছে।
দ্্বিতীয় ব্যক্তি, তার জ্ঞান ও বুদ্ধি দিয়ে শুধু প্রথম ব্যক্তির বিশ্বাসকে অস্বীকার করেছে। সেটাকে সে আলাদা একটা বিশ্বাস মানিয়ে নানা প্রথা-আচারের ধর্ম করে গড়ে তুলেনি।

দ্্বিতীয় ব্যক্তি, পুকুরে ইলিশ মাছ আছে কি না তা নিয়ে মোটেই চিন্তিত নয়, ছিল না। তার যদি ইলিশ মাছের প্রয়োজন হয় তবে সে নদীতে জাল নিয়ে যাবে।
এখন প্রথম ব্যক্তি 'পুকুরে ইলিশ মাছ আছে' এই তত্ত্ব তৈরি করে দ্্বিতীয় ব্যক্তিকে যদি বলে তুমি অবিশ্বাসী, তুমি 'পুকুরে ইলিশ মাছ নাই' পক্ষের লোক তবে এই কথাটা যতটা হাস্যকর শোনাবে, আপনার ঐ বক্তব্যটাও ততোটাই অযৌক্তিক।

কোনো কিছু আছে কি না তা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠে তখন এটুকু নিশ্চয়ই বুঝা যায় যে এর অস্তিত্বটা সাধারণের কাছে চন্দ্র-সূর্যের মত বাস্তব কোনো বিষয় নয়। তাই এটা নিয়ে বিতর্ক। আর বিতর্ক বলেই যে এই অস্তিত্ব আছে বলে ঘোষণা দেবে তাকেই নানা যুক্তি-প্রমাণ দিয়ে অন্যকে নিশ্চিত করাতে হবে যে সেটি আছে।
তবে খেয়াল রাখবেন পুকুরের ইলিশ মাছের ক্ষেত্রে জাল ফেলে মাছটা তুলে আনাই যথেষ্ট নয়। মাছটি বন্যায় ভেসে পুকুরে আসতে পারে। আছে বলতে এখানে তখন বুঝাতে পারে পুকুরে ইলিশ মাছ স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারে কি না। সুতরাং শুধু পুকুর থেকে একটা ইলিশ মাছ তুলে আনাটাও প্রমাণ হিসেবে গৃহিত হবে না। ভাস্কর যেটাকে বলেছেন সরলীকরণ।

সুতরাং আপনি মাছের পক্ষের লোক বলেই আপনার বিরোধীরা না-মাছের পক্ষের লোক, এটা বলা সমীচিন নয়।

আপনার বাকী কথাগুলোর ক্ষেত্রেও এই একই কথা খাটে, তাই আলোচনা দীর্ঘায়িত করলাম না।

তাহলে আপনার উপায় কি? উপায় হচ্ছে, কৌশিক যা বলেছেন। শুধুআইটি'র বই থেকে চোখ তুলে গভীর জ্ঞানের বইগুলো নাড়াচাড়া করতে হবে। দর্শনের ইতিহাস পড়তে পারেন। বাটর্্রান্ড রাসেলের বইটি আমিনুল ইসলামের অনুবাদেও পড়তে পারেন। যদি খটোমটো লাগে তবে প্রাথমিক পাঠ হিসেবে একটা উপন্যাস দিয়ে মনের জানালা খুলতে পারেন, 'সোফি'স ওয়ালর্ড'।

ধন্যবাদ।
২৯. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:২৩
অতিথি বলেছেন: শো.ম.চৌ,
ভেবেছিলাম আপনি অন্তত আমি কি বলতে চেয়েছি তা বুঝার চেষ্টা করবেন। কিন্তু হতাশ হলাম যখন বললেন, 'আপনার কথাগুলোর উত্তর ভাষ্কর ও কৌশিক খুব গুছিয়ে দিয়েছেন'।

কৌশিক দা'তো আমার প্রোগ্রামার জীবন নিয়েই গবেষনা করার চেষ্টা করেছেন এখানে এসে। উনার জ্ঞাতার্থে আমি বলতে পারি, একজন প্রোগ্রামার হিসেবে আমি যথেষ্ঠ সফল। আর উনাদের কথায় আমি কিছু মনে করিনি। তাদের বক্তব্যে পরিষ্কার হয়েছে আমার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে উনাদের যুক্তি প্রদানের অক্ষমতা ও অসহায়ত্ব। তাদের জন্য আমার সমবেদনা রইলো। কিন্তু আপনি তাদের বক্তব্যকে কিভাবে এই পোষ্টের সঠিক জবাব হিসেবে মেনে নিলেন বুঝলাম না। তবে এটা বুঝতে পারছি যে, আপনারা পুরানো কৌশলে ফিরে গিয়েছেন। এই ধরনের কৌশলের সাথে আমি পরিচিত। সুতরাং আমার সাথে এইসব করে লাভ নেই আসলে।

দেখুন আমি ব্রাকেটেই বলে রেখেছিলাম ধর্ম বলতে আপনারা কি বুঝেন তা নিয়ে তর্ক হতে পারে। অন্তত এই পোষ্টে আমি ধর্ম বলতে কি বুঝিয়েছি তা বুঝার চেষ্টা করবেন এরকম একটা আশা ছিল। পোষ্টের প্রথমেই লক্ষ করুন আমি বলে রেখেছিলাম ধর্ম সম্পর্কে আপনাদের এক পেশে ধারনা থেকে বের হয়ে আসতে সাহায্য করার লক্ষেই আমার এই প্রচেষ্টা। বুঝতে পারছি, আমার প্রচেষ্টা আপনাদের বেলায় ব্যার্থ হয়েছে। তবে লেখাটা আমি যতটা না আপনাদের জন্য লিখেছি, তারচেয়েও বেশী নীরব পাঠকদের জন্য লিখেছি। সুতরাং আমি তাদের উপর ছেড়ে দিলাম এই লেখা গ্রহন করা বা না করার ব্যাপারটা।

যাই হোক, আপনি তাও আমার একটি পয়েন্টের জবাব দিয়েছে। তাই আপনাকেও আমার জবাবটা দেয় উচিত মনে করছি।

ধর্ম কে আপনারা একটি আলাদা বস্তু বলে মনে করছেন। আসুন নতুন করে ভাবি। লক্ষ করুন-
[গাঢ়]ম্যাগনেট একটি বস্তু[/গাঢ়]
এর ধর্ম-
> এটি তার আশে পাশের সকল লৌহ জাতীয় বস্তুকে আকর্ষন করে।এটাই তার ধর্ম।

[গাঢ়]স্রষ্টায় বিশ্বাসী মানুষ[/গাঢ়]
> তিনি সকল কাজের সাথে স্রষ্টার স্বাক্ষর দেখতে পান ও সেই ব্যাপারে স্রষ্ট্রার নির্দেশ মানার চেষ্টা করেন। এটাই তার ধর্ম।

[গাঢ়]স্রষ্ট্রায় অবিশ্বাসী মানুষ[/গাঢ়]
> তিনি স্রষ্টা ছাড়াই সব কিছুর অস্তিত্ব বুঝার চেষ্টা করেন এবং সেই মতে তার নিজের তৈরি নির্দেশ (তা যেকোন কিছুর উপর ভিত্তি করেই হতে পারে) অনুযায়ী চলেন। এটাই তার ধর্ম।

আসলে এখানে ধর্ম না বলে আমি 'মতাদর্শ' শব্দটা ব্যাবহার করলে সম্ভবত আপনারা আপনাদের চিন্তার সংর্কীর্ন কানাগলিটা থেকে বের হয়ে আসতে পারতেন। তবে আপনাদের সম্ভবত সেই ইচ্ছে নেই। সুতরাং আর কষ্ট করে আপনাদের বুঝাতে যাচ্ছি না।

খুব ছোট্ট একটি লাইন না যুক্ত করে পারছি না... আমার এই পোষ্টের মূল লক্ষ ছিল আপনারা আপনাদের বিশ্বাস ও বোধ থেকে যেসব থিওরী তুলে ধরেন তা আমরা যেমন বিবেচনা করে জবাব দেই, আপনাদেরও তেমনি আমাদের বিশ্বাস ও বোধ থেকে দেয়া থিওরীগুলোকে বিবেচনা করা উচিত। কিন্তু আপনারা আমাদের থিওরীকে ধর্মীয় বিশ্বাস বলেই ফু দিয়ে উড়িয়ে দিতে চান। এটি যে কত ভ্রান্ত একটি নীতি এবং হওয়া উচিত না, সেটা বুঝানোর জন্যই আমার এই লেখাটি।

পরিশেষ একটা কথা বলি শো.ম.চৌ ও আপনার বন্ধুদের উদ্দেশ্যে। যখন কেউ কোন যুক্তি উপস্থাপন করবে, তখন তার যুক্তিগুলোরই শুধু জবাব দিবেন। আপনি কিভাবে নিশ্চিত হলেন আমি শুধু আইটি'র বই পড়ি? বাটর্্রান্ড রাসেলের বই আমার পড়া হয়নি এরকম বলার পেছনে কারনটা কি? আপনাদের মতের সাথে একমত নই সেটা? তাই একটা অনুরোধ করি, ফ্রি উপদেশ দিতে আসবেন না। তাছাড়া আমার খুব যে ভাল চান আপনারা সেটা বিশ্বাস করার মতও যথেষ্ট কারন নেই। আপনাদের ব্যাক্তিগত আক্রমনগুলো আমাকে সেটা বিশ্বাস করতে অনুপ্রানিত করে না।

ভাল থাকবেন।
৩০. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:৪১
অতিথি বলেছেন: আহ! কী যে শান্তি লাগছে!!
৩১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:৫০
অতিথি বলেছেন: শান্তি লাগছে ভাল কথা... কিন্তু আমার ব্লগে চ'রেইটেড কিছু কইলেই কিন্তু আবার ব্যান মারুম @ চোর
৩২. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:৫২
অতিথি বলেছেন: চতুর্থ বারের মত?
চ চ চ চ চ...................
৩৩. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:০১
অতিথি বলেছেন: আপনি দেশে আসলে জানাবেন। আপনার সাথে ক্যান জানি দেখা করতে খুব ইচ্ছা করতাছে.... তখন দেখা যাইবো কত চ ছ জ বলতে পারেন...

অ্যাম সিরিয়াস :)
৩৪. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:০২
অতিথি বলেছেন: আমি দেশে গেলে ত্রিভুজরে ধইরাবাইন্ধা আইনা দেখা করুম।

অ্যাম সিরিকাস টু।
৩৫. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:০৫
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ, আপনি বলেছিলেন আপনার চিন্তার কোন জায়গায় ভুল আছে তা ধরিয়ে দেয়ার জন্য। যখন ভাস্কর বললো ফ্যালাসি এবং আপনি বুঝলেন না তখন আমি একটু বিস্তৃত ব্যাখ্যা করে দিলাম আপনার জন্য।
আমি এখানে আমার কোনো মত দেইনি যে আপনাকে একমত হতে হবে। সুতরাং মোটেও উদ্্বিগ্ন হবেন না।
আমি কখনও বলিনি যে আপনি আইটি'র বই ছাড়া কিছু পড়েননি। তবে আমি আপনাকে বলেছি রাসেলের বই পড়তে, স্বীকার করছি।
কারণ একজন মানুষের যুক্তি-বিস্তার দেখলেই বুঝা যায় সে কিরকম বই-পত্র পড়েছে এবং জ্ঞানের কোন শাখাগুলোর সাথে তার চেনা-পরিচয় আছে।

দু'জন মানুষের মাঝে চিন্তা-ভাবনার ফারাক হচ্ছে এইসব জ্ঞান ও বইপত্র পাঠের অভিজ্ঞতার পার্থক্যই। (আর হ্যা,

(উপরে আপনি ম্যাগনেটের ধর্মআর ধর্ম নিয়ে যেসব কথা বলেছেন সেগুলো প্রাথমিক কথাবার্তা। এসব কথা এই ব্লগে অনেকবার আলোচনা হয়েছে। সেখানে আমি বলেছি ক্যারেক্টারিস্টিক অর্থে ধর্ম আর রিলিজিয়ন অর্থে ধর্ম এক নয়। সে আলোচনার দরকার আছে বলে মনে করি না।)

ধন্যবাদ।
৩৬. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:১৪
অতিথি বলেছেন: আপনি যে আমার আলোচনার মূল সুরই ধরতে পারেননি তা আপনি আবার বুঝিয়ে দিলেন শো.ম.চৌ। হয়তো আমার ব্যার্থতা। লেখক হিসেবে আমি খুব একটা সফল নই বুঝতে পারছি।

তবে আপনার ক্ষেত্রে সমস্যাটা হয়েছে "ধর্ম" শব্দটা। তাই আপনি ধর্ম ও অধর্ম নিয়ে আমার কথাগুলোকে প্রাথমিক আলোচনা মনে করেছেন এবং ক্যারেক্টারিস্টিক অর্থে ধর্ম এবং রিলিজিয়নের আলোচনায় যেতে চাচ্ছেন না।

সত্যি কথা বলতে কি, এটা কোন ধর্মীয় পোষ্ট ছিল না.. এই ব্যাপারটিই আপনারা ধরতে পারলেন না।

আর হ্যা, আমার চিন্তার ভুল বের করতে গিয়ে ভাষ্কর ও কৌশিক দা যে আমার ব্যাক্তিগত জীবনে কি করছি এবং কেমন করছি বিষয়ক বক্তব্য রেখেছেন, সেটা কি করে আলোচ্য বিষয়ে আমার ভুল ধরিয়ে দেয়ার লক্ষে হতে পারে? বুঝলাম না... কেন যে এত কম বুঝি!!!!!
৩৭. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:২৪
অতিথি বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ আত্মজিজ্ঞাসা ত্রিভুজ। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজলেই বেরিয়ে আসবে সব।
৩৮. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৩১
অতিথি বলেছেন: হু আসলেই.... সবারই এই প্রশ্নটা নিজেকে করা উচিত। সৃষ্টিজগতের কতটুকুই বা আমরা বুঝি। তাও কেউ কেউ ধরে নেয় সে সব বুঝে।
৩৯. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৩৩
অতিথি বলেছেন: অন্যের ঐশ্বর্যে ঈর্ষা করে কী লাভ ত্রিভুজ। নিজেকে সমৃদ্ধ করুন।
আপনার আত্মজিজ্ঞাসাটা একটা দারুণ শুরু। চলুক।
৪০. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৯
আশরাফ রহমান বলেছেন: ত্রিভূজ অনেক সময় নিয়ে আপনার পোস্টটি আবার পড়ার পাশাপাশি সবার যুক্ত ও আপনার পালটা যুক্তিগুলো পড়লাম। পড়ে মনে হলো আসলেই তারা সময় নষ্ট করে আপনার বক্তব্য পড়েন নি। কিন্তু মন্তব্য করতে গিয়ে যথারীতি ব্যক্তিগত আক্রমন ও জ্ঞানের বড়াই করে গেছে। আমার মনে হয়েছে ওদের যুক্তিগুলো মাকড়সার জালের চেয়েও দুর্বল। এক ত্রিভূজের কাছে ওদের পুরো টিমের অসহায় আত্মসমর্পন দেখে খুব খারাপ লাগছে। ওরা কি যে বুঝেনা সেটাই বুঝেনা!
৪১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:০৫
অতিথি বলেছেন: সেটাই... একজন তো বলেই দিয়েছে প্রথম দু'লাইন পড়েই নাকি আর পড়ার দরকার হয় নাই তার। সবজান্তা হলে যা হয় আরকি।

বেচারারাএক ত্রিভুজের যন্ত্রনায় অস্থির... আরেকজন ত্রিভুজ আসলে তো ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা হয়ে যাবে। এজন্যই সম্ভবত আপনাকেও ত্রিভুজের ক্লোন বলার চেষ্টা করে যাচ্ছে.... বেচারারা!
৪২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:২৩
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ, শোহেইল ভাই আপনার পোস্টে প্রথম যে মন্তব্যটা করেছিলেন, সেটার উপর আপনার মতামত বা যুক্তিখন্ডন কি কিছু আছে?
৪৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৩৫
অতিথি বলেছেন: অনেক কঠিন আলোচনা। আমি নাই এখানে। :(
৪৪. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:১১
অতিথি বলেছেন: সাজেদ,
শো.ম.চৌ সেই পুরানো বৃত্তে ঘুড়পাক খেয়েছেন যেখান থেকে বের হওয়ার জন্য এই পোষ্টটা দিয়েছিলাম। এই পোষ্টের আলোকে সৃষ্টিকর্তাকে টেনে আনার কোন স্কোপ ছিল না। হয় শো.ম.চৌ আমার পোষ্টের বিষয় বস্তু ধরতে পারেন নি অথবা বুঝেও না বুঝার ভান করেছেন, কারন ঐ বিষয়ে উনার বলার মত কিছু ছিল না।

আপনি নিজেও যদি বুঝতে না পেরে থাকেন তাহলে আপনার জন্য আরেকটু সহজ করে দিচ্ছি-

ধরুন ইসলাম পন্থিরা কোন সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে কোন নির্দেশ পায়নি। মুহাম্মদ (সা:) একজন সাধারন মনিষী ছিলেন যার কথাগুলো আমাদের খুব ভাল লেগেছে এবং সেগুলো নিয়ে আমরা গবেষনা করে বিভিন্ন নতুন নতুন থিওরী বের করে রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনা করার জন্য ব্যাবহার করবো বলে ঠিক করলাম। আর আমাদের বিপরীতে যারা আছেন তারা তাদের প্রিয় মনিষীদের কথাগুলো ভাল লাগাতে সেগুলো নিয়ে গবেষনা করে নতুন নতুন থিওরী বের করে প্রতিষ্ঠা করার জন্য ভাবছেন।

সমস্যা হলো তারা সেই থিওরী প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে যখন আমাদের থিওরীকে তাদের বিরুদ্ধে দাড় করাতে দেখছেন, তখন দু'টো থিওরীর কোনটি ভাল বিচারে না গিয়ে সরাসরি বলে দিচ্ছেন 'তোমাদের থিওরী এখানে চলবে না কারন ওটা ব্যাক্তিগত পর্যায়ে পালন করার জিনিষ'।

আমি বলতে চেয়েছি তাদের থিওরী/মত/বিশ্বাস ও আমাদের থিওরী/মত/বিশ্বাস দু'টো একই সাথে নিয়ে তুলনামূলক ভালোটা বেছে নেয়ার সুযোগ রাখা উচিত।

বস্তুত আমাদের থিওরীকে ধর্মীয় আক্ষা দিয়ে বাতিল ঘোষনা করাটা একধরনের চাতুরী ছাড়া আর কিছুই নয়। সেক্ষেত্রে আমরাও তাদের মতাদর্শকে তাদের সিষ্টেমে বয়কট করতে পারি। বলতে পারি ওসব আপনি বইয়ে পড়ে বাসায় বসে প্রাকটিস করেন, দেশ বা সমাজ পরিচালনায় লাগাতে আসবেন না।

কিন্তু সেটার ফলাফল কি ভাল হবে? আপনাদের এসব বুঝতে হবে। নতুবা আমাদের সেই সিষ্টেমই ধরতে হবে যা আপনারা অাঁকড়ে ধরে আছেন।
৪৫. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:২৪
অতিথি বলেছেন: ধর্মে কখনো থিওরী দেওয়ন হয় না...ধর্ম অনুশাসন-বিধি বিধান এইসব মাইনা চলে...আগে বিশ্বাস করতে হয় তারপর বাকী সব...
৪৬. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:২৬
অতিথি বলেছেন: আমি ত্রিভুজের সাথে হারলাম...:(
৪৭. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:৩৭
অতিথি বলেছেন: জামাল ভাষ্কর,
তাহলে বলতে হয় ইসলাম সম্পর্কে আপনার জ্ঞান শূণ্যের কোঠায়।

আপনার জন্য একটা সাধারন জ্ঞান: "ইসলাম পরিপূর্ন জীবন বিধান।"

বুদ্ধি প্র্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ জ্ঞান: রাজনীতি জীবনের বাইরের কোন বস্তু নয়।

এরপরও আমাকে আরো ব্যাখ্যা করে বুঝাতে হলে বুঝতে হবে আমার ধারনা ভুল ছিল। এই ব্লগের লোকজন প্রাইমারী লেভেলের না.. একদম নার্সারী লেভেলের। তাদেরকে কিছু বুঝানোর সাধ্য আমার নাই। আমাক্ষে ক্ষমা করবেন।
৪৮. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:০২
অতিথি বলেছেন: In science, a theory is a mathematical description, a logical explanation, a verified hypothesis, or a proven model of the manner of interaction of a set of natural phenomena, capable of predicting future occurrences or observations of the same kind, and capable of being tested through experiment or otherwise falsified through empirical observation. It follows from this that for scientists "theory" and "fact" do not necessarily stand in opposition. For example, it is a fact that an apple dropped on earth has been observed to fall towards the center of the planet, and the theory which explains why the apple behaves so is the current theory of gravitation.




ত্রিভুজ আপনে যা কইলেন আমি ঠিক এই কথা কয়টাই কইতে চাইছিলাম...ধর্মরে আমি বিধান মোতাবেকই দেখি...বৈজ্ঞানিক কোন বিবেচনায় আনি না। যেই কারণে তার ক্ষেত্রে থিওরী না বইলা কম্যান্ডমেন্ট বলাটাই শ্রেয় মনে করি...তয় যেহেতু আপনে কইছেন...সেই হেতু আমি নাসর্ারী লেভেল...

ও হ্যা, জনাব আপনের লেইগা, থিওরী বিষয়ক একটা বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ দিলাম...খুব সাধারণ সোর্স উইকিপেডিয়া থেইকা...তয় বাকী সব সোর্সেও দেখলাম একই কথা কয় থিওরী সম্পর্কীত বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যায়...
৪৯. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:৫০
অতিথি বলেছেন: আমি কি বুঝাতে চেয়েছি তা আপনি আমার চাইতে ভাল বুঝছেন বলেই আমার বিশ্বাস। কিন্তু কেন যে আপনারা অন্ধ সাজেন বুঝি না।

আপনি ইসলাম সম্পর্কে কিছু পড়ালেখা করবেন। ইসলামে বিশ্বাস করার জন্য না হলেও অন্তত এ বিষয়ে তর্ক করার জন্য হলেও পড়বেন। নতুবা অনেক অদরকারী কথা বলতে হয়। বিরক্ত লাগে।
৫০. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:৫৫
অতিথি বলেছেন: ছোটবেলায় পড়ছিলাম আগে ঈমান মানে বিশ্বাস...কে জানে ভুল শিখছিলাম কি না...
৫১. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:৫৯
অতিথি বলেছেন: আপনার জন্য আরেকটা ছোট্ট সাধারন জ্ঞান: রাষ্ট্র বিজ্ঞানে যেমন রাষ্ট্র পরিচালনা করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিভিন্ন থিওরী রয়েছে, তেমনি ইসলামেরও কিছু থিওরী আছে এ ব্যাপারে।

ডিটেইলস বুঝার মত অবস্থায় আপনি নেই মনে হচ্ছে.. অথবা ইচ্ছে করেই অন্ধ সেজে বসে আছেন। সেক্ষেত্রে আরিফ ভাইয়ের সাহায্য নিতে পারেন। যদিও আরিফ ভাইয়ের সাথে এটা নিয়ে আরো আলোচনা বাকী আছে.. কিন্তু উনি এরকম বাচ্চাপোলাপান টাইপ চিন্তা ভাবনা করেন না.. সেজন্য উনার সাথে কথা বলে মজা পাওয়া যায়।

আপনি অপর বাস্তব বইয়ে আরিফ ভাইয়ের ধর্মনিরপেক্ষতা ও শিশুর সাথে আলাপচারিতা লেখাটা ও সেখানে আমার প্রশ্নটা দেখতে পারেন।

ব্লগেও আছে...
wjsK-1
wjsK-2
৫২. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:৫২
অতিথি বলেছেন: ধর্ম কেন্দ্রীক যা হয় সেইটারে কয় বিধান আর রাষ্ট্রবিজ্ঞানে সেইটারে কয় তত্ত্ব...কারণ একটা নির্দেশিত পথে হয়, আরেকটায় বিবেচ্য অভিজ্ঞতা-প্রমাণ-বাস্তবতা এইসব। অনেকসময় মুসলিম অনেকে সিদ্ধান্ত নিছে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞামাফিক কিন্তু তাই বইলা সেইটা ইসলামের থিওরী হইয়া যায় নাই।

আমি কোনরম সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করি না, তাই তার বিধান বিষয়ে আমার কোন টেনশন নাই। মুহাম্মদের অনেক সিদ্ধান্তরে আমার জাস্টিফাইড মনে হয়, কিন্তু যেহেতু সেইটা বিধান হিসাবে আসে তাই তার ঐ ডগম্যাটিক ব্যাপারটা আমি মানতে পারি না কারণ কোন সিদ্ধান্ত ধ্রুব হইতে পারে না...কালের ধারবাহিকতায়, সংস্কৃতির পরিবর্তনশীলতায়, মানুষের মানবিকতায় সকল সিদ্ধান্তই পালটায়।
আমার বাচ্চা পোলাপাইন টাইপ চিন্তা যদি আপনের মজার উদ্রেক না করে তাইলে আমার কিছু করার নাই। আমি আপনের লগে আলোচনা কইরা অনেক রস মিশ্রিত মজা'ই পাই!
৫৩. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৪৫
অতিথি বলেছেন: এখানেই আপনাদের সমস্যাটা। আপনারা ধরে নিয়েছেন ইসলামে যা আছে তা একদম ফিক্সড। এই ধারনাটা পরিবর্তন দরকার।

ইসলাম এমন একটা ধর্ম যা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নতুন করে দিতে পারে। এখানে ফিক্সড বিধানগুলো নিয়ে আমি কথা বলছি না। স্রষ্ট্রার প্রতি তার সৃষ্টির কিছু দায়িত্ব আছে। সেই দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধানগুলো ফিক্সড অনেকটা। এর বাইরেও ইসলামের বিশাল গন্ডি রয়েছে। যে কারনে ইসলামকে পরিপূর্ন জীবন বিধান হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে।

ব্যাপারটা অনেক ব্যাপক আলোচনার বিষয়। আপনাকে শুধু শর্টকাটে এতটুকুই বলতে পারি যে, ইসলামে 1400 বছর আগে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য যে সিষ্টেম ছিল, সেটাই হুবহু অাঁকড়ে ধরে রাখতে বলে নাই। কেউ যদি আপনাকে সেরকম বুঝিয়ে থাকে, তাহলে ভুল বুঝিয়েছে।

আলোচনাটা এবার সুন্দর হচ্ছে। প্রথম দিকে গালাগালি না করলে চমৎকার একটা আলোচনা হতো পারতো।

যাই হোক.. আমি কাজ করছি ও ব্লগিং করছি.... তাই পূর্ন মনোযোগ দেয়া সম্ভব নয় এখন.. এর পর থেকে আবার আলোচনা করা যাবে.. আপনি এর ভেতর যদি সম্ভব হয় ইসলামিক রাষ্ট্র পরিচালনা অর্থনৈতিক ব্যাস্থা ইত্যাদি বিষয়ক কিছু আর্টিকেল পড়ে নিবেন। তাহলে আমার কথা বেশী বলতে হবে না।

ধন্যবাদ।
৫৪. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:১৩
অতিথি বলেছেন: ইসলামিক রাষ্ট্র বইলা আসলে কি নমুনা আছে সেইটা কিন্তু কখনো আপনে ব্লগে বলেন নাই...ইসলাম রাষ্ট্রের স্বরূপ বিষয়ে আপনে কি জানেন সেইটা জীবনে একবার হইলেও বইলা যাইয়েন, যেইটা আপনের কাছে বিজ্ঞানসম্মত মনে হয় বিধান সম্মত হওনের তুলনায়...
৫৫. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:২৩
আশরাফ রহমান বলেছেন: ত্রিভূজ, জামাল ভাস্কররা মনে করেন যে রাজনীতিটা অত্যন্ত নোংরা জিনিস । এখানে ধমর্ীয় বিধান দিয়ে শাসন করা সম্ভব নয়। অথচ তিনি যদি হযরত মুহাম্মদ (দঃ) এর জীবনী ভালভাবে পড়ে দেখতেন ,তাহলে বুঝতে পারতেন তিনি সর্বকালের সবচেয়ে সফল একজন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। আর এজন্যই হয়তো জর্জ বাণর্াডশ বলেছিলেন,বর্তমান বিশ্বে মুহাম্মদের মত একজন ব্যক্তি যদি পুরো দুনিয়ার শাসনভার গ্রহন করতেন তাহলে দুনিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হতো। অন্যদিকে দি হানডেড বইয়ের লেখক মাইকেল হার্ট বলেছেন,He (Mohammad) was the only man in history who was supremely successful on both the religious and secular levels. সুতরাং ইসলাম কখনো প্রচলিত অর্থে কোন ধর্ম নয়,এটি একটি পরির্পর্ণ জীবন বিধান।
৫৬. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:৩০
অতিথি বলেছেন: বিজ্ঞান সম্মত আর বিধান সম্মত হওয়া বলতে কি বুঝেন আগে সেটা বলেন @ জামাল ভাষ্কর

ইসলামিক রাষ্ট্রের নমুনা সম্পর্কিত হালকা তথ্যের জন্য আশরাফ ভাইয়ের মন্তব্যটা দেখতে পারেন.... আরো ডিটেইলস জানতে চাইলে হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জীবনী পড়ে দেখতে পারেন.. এবং চার খলিফার শাসনামল সম্পর্কে হালকা পাতলা পড়ালেখা করতে পারেন। আপনাকে ব্লগের এই সল্প পরিসরে কিভাবে বুঝাবো ইসলামিক রাষ্ট্র কি জিনিষ। তর্ক করতে আসলে নিজ দায়িত্বে আপনার শিখে আসতে হবে.... আপনি বরং বলতে পারেন ইসলামিক রাষ্ট্র বলতে আপনি কি বুঝেন.. সেখানে ভুল পাইলে আপনাকে ধরিয়ে দিতে পারি.. এর বেশী না...!
৫৭. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:৩৩
অতিথি বলেছেন: বার্নাড শএই উক্তি কোন বইয়ে কোন জায়গায় করছিলো এই রেফারেনস দিয়া কথা বলনটা শোভন...

তয় ব্যক্তি মুহাম্মদরে আমিও পছন্দ করি মধ্যযুগেও কিছু পরিবর্তনকামী সিদ্ধান্তের প্রয়োগের লেইগা...
৫৮. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:৪১
অতিথি বলেছেন: আমি খলিফা শাসকগো আমলের রাষ্ট্রব্যবস্থা বিষয়ে কিছু কইতে চাই না ত্রিভুজ ঐটা আপনের মালিকানয়ই থাকুক কিন্তু আপনে এর আগে হাসান মোরশেদ উত্থাপিত পোস্টে কোন উত্তর দিতে পারেন নাই সেইটা জানা আছে...খলিফা শাসন আমলেও শ্রেণী শোষণ হইছে...একজন ইসলামী শাসকের উদাহরণই খালি দেওন যায় গণতান্ত্রিক কাঠামোর লেইগা সেইটা হইলো ইবনে খালদুন...

বিজ্ঞান আর বিধান নিয়া আমি আগেও কইছি এই পোস্টের মন্তব্যেই...তাও কই একটা নিয়া সংশয় প্রকাশ করনের অধিকার আছে...আরেকটাতে নাই...
৫৯. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:২৩
অতিথি বলেছেন: অতি ব্যস্ততার দরুন আলোচনায় যোগ দিতে পারছি না।সবগুলো কমেন্টও পড়ে দেখতে পারি নি।

ত্রিভূজ,মূল পোস্ট পড়ে এবং আমার প্রতি আপনার কমেন্ট থেকে বুঝলাম যে ,ভিন্নমতকে দমিয়ে দেয়ার জন্য যে সর্বাত্মক আক্রমন ,সেটার বিরুদ্ধে আপনি বলতে চাইছেন।

কিন্তু আমার মনে হয়,এটি মানুষের চিরন্তন ধর্ম।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ বলে ঘোষিত মুহম্মদ (সা:)যখন তার ধর্ম নিয়ে প্রচার শুরু করলেন,তখন কিন্তু বিরোধী দল তার বিরুদ্ধে তাদের সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগ করল।

এখন মুহম্মদ (সা:) ও কিন্তু একটা পযর্ায়ে অস্ত্র ধারনে বাধ্য হলেন।অর্থাৎ,তিনি তার বিরুদ্ধ মতকে দমিয়ে দিতে বাধ্য হলেন।

এই লড়াই চিরন্তন।
মানুষ তার বিশ্বাসের পক্ষে সর্বশক্তি নিয়ে দাড়ায়।এখানে কোন নিয়ম নীতির প্রশ্ন দাড়ায় না।
এখন বিরুদ্ধ মতের লোকজন যদি আশা করে থাকে যে ,অমুক অমুক ভাবে মানুষ দাড়াবে ,তাহলে ভুল করবে।


৬০. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:৫৭
শাওন বলেছেন: oper ডেল করার কমান্ড কি ??
৬১. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:১৭
শাওন বলেছেন: বেশি বাড়ছে জিশান । :(( ডিলেট করা ছাড়া উপাই নাই । কমান্ড বলো ।
৬২. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:২৭
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ ভাই,আপনে ইদানিং আমারে চোর দের লগে দলভুক্ত করেন ক্যান ?
আমি কি আপনারে গালাগালি দেই!!

তয়,আপনার লগে যে আমার মতে মিলে না,এইটা হাচা কথা।
৬৩. ০১ লা মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:৪৪
শাওন বলেছেন: না থাক কমান্ড বলা লাগবে না । আরো কিছুদিন যাক ।
৬৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:৩৮
নুর3ডিইডি বলেছেন: মানুষের গড়া আইন , এবং ইসলামীক আইন দুটোই 'আইন' । ইসলামী দল গুলোর সত্যলোকের শাসন , এবং সুশিল সমাজের সত্যলোকের শাসন , দুটোই 'শাসন' । কিন্তু মত বা আর্দশ্য, ভিন্ন হলেও তাদের কথা কিন্তু একটাই । ত্রিভুজ আপনি হয়তো এই রকম বুঝাতে চেয়েছেন। আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার ক্ষমতা দিন । আমিন ।


আমি আগে জানতাম গনতন্ত্র আমেরিকা থেকে এসেছে । কিন্তু জামাল ভাস্করের মন্তব্য থেকে জানলাম, মুসলিম খলিফা ইবনে খালদুনের সময় থেকে গনতন্ত্র প্রথাটা চালু ছিল । এবং আমরা এইও জানি সেই তখন থেকে এখনও সবার কাছে গ্রহন যোর্গ এবং আধুনিক প্রন্থা এটাই । জামাল ভাস্কর আপনাকে ধন্যবাদ ।
৬৫. ০৫ ই মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৩
অতিথি বলেছেন: নুর,
আমার মূল বক্তব্যটা ছিল দু'টো কেই মতবাদ ধরে নিয়ে মূল্যায়ন করতে হবে। আমরা যখন ইসলামিক আইন নিয়ে অন্যদের সাথে কথা বলতে চাই, তারা আলোচনায় আসতে চায় না এই অজুহাতে যে, 'ধর্ম ব্যাক্তিগত ব্যাপার'। এখানে হয়তো তাদের অজ্ঞতা অথবা তাদের আইন বা সিষ্টেমটা আমাদের সিষ্টেমের তুলনায় খারাপ প্রমাণীত হবার ভয় কাজ করে। এই লেখার মাধ্যমে তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলাম আপনার মতবাদ নিয়ে যেমন আপনার কথা বলার অধিকার রয়েছে, তেমনি আমার মতবাদ নিয়েও আমার কথা বলার অধিকার রয়েছে।

তাদের কে সরাসরি বলে দিলাম, আপনি যদি আপত্তি তুলতেই চান, তাহলে আমাদের সিষ্টেমের বিরুদ্ধে যুক্তি প্রদান করুন। আলোচনার এড়িয়ে যাবার উদ্দেশ্যে ফালতু অজুহাত তুলবেন না।

কিন্তু যথারীতি তারা এবারো যুক্তির ধারে কাছে দিয়ে যেতে চায়নি। গায়ের জোরে চলে থাকেন তারা।

আরিফ ভাই ভাল বলেছেন। এক্ষেত্রে আসলে তাদের সাথে তর্ক করা বা যুক্তি প্রদান করা অর্থহীন। মুসলমানদের বুঝতে এসব ব্যাপার।
৬৬. ০৫ ই মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৭
নয়া সুশীল সমাজ বলেছেন: চিন্তাশীল লেখা!! এখন ইউনুসকে নিয়া ব্যস্ত আছি। তাই পরে বিস্তারিত কমেন্ট করবো।
৬৭. ০৬ ই মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:৪৮
বিজলীর খড়ি বলেছেন: ত্রিভুজ, এইটা একটা ক্লাসিক ব্জ্বপাষ্ট।
৬৯. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪
অতিথি বলেছেন: হুমম... কোরানে আয়াতটা এমনি এমনি নাজিল হয়নি... দিন দিন কোরানের অনেক আয়াতের অর্থ পরিষ্কার হচ্ছে...

ধন্যবাদ শুশীল সমাজ ও বিজলীর খড়ি...
৭০. ২৭ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৬
ঘোড়ার ডিম বলেছেন: কঠিন সব কথা-বার্তা-আলাপ-আলোচনা...
৭১. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৩০
হুমমম... বলেছেন: গুগল খুব কাজের জিনিষ। ভাল একটা লেখা পড়তে পারলাম। ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৩৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
trivuz@gmail.com
http://trivuz.com
নেতাদের দেশপ্রেমিক হওয়ার আগে দেশের জনগনের দেশপ্রেমিক হওয়া জরুরী। যে দেশের নাগরিকদের দেশের প্রতি কোন রকম দায়বদ্ধতা নাই, দেশের প্রতি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ